2017 at 09:08AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 09:08AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার

যৌন মিলনের সময়ে নারীদের উপরে থাকাটা কি উচিত? যারা জানেন না তারা জেনে নিন।

 

সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে। আয়াতের অর্থ হলোঃ
“যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।”

 

আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন। কেননা এতে পুংলিংগে বীর্য আটকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়।

 

যৌন মিলনের সময় নারীর ওপরে থাকা অনেকের কাছেই আনন্দদায়ক হলেও নতুন গবেষণা তথ্যানুযায়ী এটি মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। গবেষণার তথ্যানুযায়ী, মিলনের সময় নারী ওপরে থাকলে গোপানাঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। সম্প্রতি ব্রাজিলের গবেষকদের প্রকাশিত অ্যাডভান্সেস ইন ইউরোলজি-তে প্রকাশিত গবেষণা ফলাফলে জানা গেছে এ তথ্য। গবেষকদের মতে যৌনতায় সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থান হলো ‘কাউগার্ল’ নামে পরিচিত একটি পজিশন। অনেকে একে ‘হর্সরাইডিং’-ও বলে থাকেন। এ পজিশনে নারী ওপরে থাকে। গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘কাউগার্ল’ পজিশনে যৌনতার সময় আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এ অবস্থানে পুরুষাঙ্গের ক্ষতির সম্ভাবনাও সবচেয়ে বেশি থাকে। কাউগার্ল পজিশনে মূল সমস্যাটি হয় নিয়ন্ত্রণের ওপর। এ ক্ষেত্রে নারীর দেহের ওজন পুরুষাঙ্গের ওপর পড়ে, যার ফলে অনেক সময় সঠিকভাবে চাপ প্রয়োগ হয় না। ফলে এদিক-ওদিক হয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। অন্যদিকে সাধারণভাবে প্রচলিত যৌনতার আসনগুলো কিছুটা নিরাপদ। বিশেষ করে যে আসনে পুরুষের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে, তাই একে নিরাপদ বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যৌনতার সময় যেসব আঘাত পাওয়ার ঘটনা ঘটে, সেগুলো এ গবেষণায় তালিকাবদ্ধ করা হয়। গত ১৩ বছরের পরিসংখ্যান এতে বিবেচনা করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি আঘাতের ঘটনা ঘটে কাউগার্ল পজিশনে। এ অবস্থানে প্রায় অর্ধেক আঘাত পাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপরের অবস্থান রয়েছে বহুল প্রচলিত ‘ম্যান অন টপ’ অবস্থান। এ অবস্থায় যৌনতায় ২১ ভাগ আঘাত পাওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

 

বৃহস্পতিবার

ফোন সেক্সে দুই ভাইয়ের আয় ৩০ হাজার

 

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে মোবাইল ফোনে নারী কণ্ঠে ফোন সেক্স করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার আরেফিন নগর এলাকা থেকে দুই ভাইকে গ্রেফতার করে বায়েজিদ থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন নেজাম উদ্দিন (২৩) এবং কমর উদ্দিন (২১)। গ্রেফতারকৃত দুই ভাই নারী কণ্ঠে ফোন সেক্সের মাধ্যমে প্রতারণা জাল ফেলে অর্থ আদায়ের কথা স্বীকার করেছে।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহসীন জানান, পরিবারের অর্থ সংকট মোকাবেলায় কলেজ পড়–য়া দুই ভাই ফোন সেক্সের মাধ্যমে অর্থ আয় করার এক অভিনব কৌশল ঠিক করে। তারা ফেসবুকে চামিলি সেন, রাজসী বড়ুয়া ও ঝুমকা রানী নামে তিনটা ফেক আইডি খোলে। সেসব আইডিতে সুন্দর মেয়েদের ছবি আপলোড করে ফোন ও ভিডিও সেক্স করার জন্য মোবাইল নম্বর নম্বর দিয়ে আহবান জানায়। এরপর তাদের মোবাইলে একের পর এক ফোন কল আসতে থাকে। মোবাইল ফোনের বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাদের কণ্ঠকে নারী কণ্ঠে রূপান্তর করে দুই ভাই আগ্রহীদের সাথে ফোন সেক্স করে প্রতি কলের জন্য ৩০০, ৫০০ কিংবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতো। এ ভাবে দুই ভাইয়ের প্রতিমাসে আয় ছিলো ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

এই প্রতারণার বিষয়টি শুক্রবার পুলিশের নজরে আসার পর পুলিশ নগরীর আরেফিন নগরের একটি ভাড়া বাসা থেকে দুই ভাইকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫টি মোবাইল ফোন। গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছেন, তারা দুজনই চট্টগ্রামের এমইএস কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে এখন বেকার জীবন যাপন করছেন। পারিবারিক অর্থ সংকট মেটাতে তারা টাকা রোজগারে প্রতারণার এই অভিনব পন্থাটি বেছে নিয়েছিলেন। গ্রেফতারকৃতদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন বায়েজিদ থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন।

সূত্র: দৈনিক বাংলাদেশ সময়।

– See more at: http://ift.tt/2lus7qf