2017 at 12:37PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 12:37PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার

ভাবি বলে, আমি তোমাকে ভালবাসি, আসলে ভাবির সাথে অামার অনেকবার…

 

 

আমি আমার ভাবির সাথে কোন এক ভুলে একের অধিকবার সংগম করি,,,,,, কিন্তু এভাবে চলতে চলতে কিছুদিন যাওয়ার পর আমার ভাবি বলে, আমি তোমাকে ভালবাসি,! আমি পরে ভাবিকে বোঝাই না আমরা যা করতেছি তা ঠিক না, এটা কখনই হতে পারেনা, আর যেটাকে তুমি ভালবাসা বলতেছো সেটা হল পরকিয়া। পরকিয়া কখনো ভালবাসা হতে পারেনা। অনেক কিছু বুঝিয়ে বুঝিয়ে ঠান্ডা করে রেখেছি,। ভাবির সাথে আমি মনের কথা শেয়ার করি আর ভাবিও করে। কিন্তু আমাকে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে দেখলে রাগারাগি করে। ধীরে ধীরে চলতে চলতে আমিও ভাবিকে ভালবেসে ফেলেছি। কিন্তু সেটা কোন ভাবেই ভাবিকে বুঝতে দেইনি এখনো না। এভাবে দুজনে দুজনার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ি। কিন্তু ইদানিং লক্ষ্য করছি, মাঝে মাঝে ভাবি ফোনে কার সাথে যেন কথা বলে, আমি রাগারাগি ও বকাবকি করি। কখনো কখনো ধরে মারি। রাগ উঠবেনা কেন, ও বার বার বলে আমাকে অনেক ভালবাসে। এখন ও যদি আমাকে ভালই বাসবে, তাহলে ফোনে কথা বলে কার সাথে? আমি যেভাবে চলাফেরা করতে বলি, সেভাবে চলেনা, নিজের ইচ্ছা মত চলে। আমি যেটা করতে বারন করি সেটাই করে, আর এইজন্য রাগ চেক দিতে না পেরে আজ অনেক মার মেরেছি। আগে ও মেরেছি তখন ও কাউকে বলেনি, কারন ও আমাকে ভালবাসে।

 
আমি মাঝে মাঝে রাগারাগি করে বকাবকি করি ও কিছু বলেনা। কিন্তু আজ যখন মারলাম তখন ওর শরিরে চিকন লাঠির দাগ উঠেছিল অনেক। ও জানতো যে মারামারির কথা বাড়ির কেউ জানলে সমস্যা হবে যে, আমি কেন আমার ভাবিকে মারবো?? তাই ও কাউকে বলতোনা বা মারের দাগ দেখায় না। কিন্তু আজ ও আমাকে সবার সামনে ছোট করে অপমান করলো, ও আজ নিজেই বলল যে আমার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই, আবার বলল আমাদের মাঝে যে দেবর ভাবির সম্পর্ক আছে সেটাও আজ থেকে শেষ। আর ওর শরীরের দাগ গুলো আরেক ভাবিকে দেখাল, তখন সবাই জানতে পারলো আমি আমার ভাবিকে মেরেছি, আমি ভাবতেও পারিনি ও এটা করবে। ও কি একবার ও ভাবলোনা যে আমি তার সাথে সেক্স করেছি সেটা যদি আমি সবাইকে বলে দেই?? আমার আর কি হবে আমার কিছুনা, সমস্যা ওর হবে। আর আমি এখন আমার ভুল বুঝতে পেরেছি, এই পাপ কাজ আর বেচে থাকতে করবোনা। আল্লাহ আমাকে মাফ করে দিও। ইমানের পথে ফেরার তৌফীক দান করো, আমিন। আর এখন আমার কি করা উচিৎ??? আশা করছি সবাই মন্তব্য করবেন। তাছাড়া ভাবীও মনে হচ্ছে অন্য কারো সাথে খারাপ কাজ করে যাচ্ছে। উনাকে কিভাবে ফেরাবো?

 

পরামর্শঃ নিয়মিত পাঠকদের কারো কোন ভালো পারমার্শ থাকলে প্রশ্নকর্তাকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন।ধন্যবাদ

 

 

মঙ্গলবার

নারীকে যৌন উত্তেজনায় উত্তেজিত করার চারটি গোপন সুত্র

 

যৌন কাজ একরকম অভিজ্ঞতা বলতে পারেন।যে যত বেশি অভিজ্ঞ সে ততবেশি সফলতা লাভ করে।ক্রিকেট খেলায় যেমন ধৈর্য্য না ধরতে পারলে ক্রিজে বেশিক্ষণ থাকা যায় না, তেমনি যৈন কাজে নারীকে যৌন উত্তেজনায় উত্তেজিত করতে হলেও তড়িঘড়ি করলে সফলতা আসে না। বিপরীতে যৈন জীবনে ব্যর্থতা নেমে আসে।তবে অঅপনার ডক্টর আজ আপনাদের জন্য এমন ৪ টি গোপন সূত্রের সন্ধান দিবে যার মাধ্রমে আপনি আপনার সঙ্গীনিকে যৌন উত্তেজনায় সহজে উত্তেজিত করতে পারবেন।চলুন দেখি নারীকে যৌন উত্তেজনায় উত্তেজিত করার সেই ৪ টি গোপন সূত্র কি কি?
১. সিঙার: বেশির ভাগ নারী মিলনপুর্ব সিঙারে সরাসরি যৌন মিলনের ছেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকে। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন।

 

২. কল্পনা / ফ্যান্টাসী: শাররীক মিলনকালে অথবা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। যৌন উত্তেজনায় উত্তেজিত করতে সঙ্গীর উত্তেজক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সুখকর আবেশে জড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রাণীর আসনে থাকে।

৩. সরাসরি মিলনে দেরী করা: নারী, বিশেষ করে তরুনীরা সাধারনত বেশি বেশি চুমা, ছোয়া সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক যৌন উত্তেজক বিষয় একটু বয়স্কদের চেয়ে বেশি কামনা করে। বয়সবেধে চরম যৌন উত্তেজনায় পৌছতে কম/বেশি সময় নিয়ে থাকে। আপনার সঙ্গীর আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পেনিট্রেশানের আগে আরো কিছু সুখ আদান প্রদান করুন।

 

৪. ভাইব্রেটর: আমাদের দেশে এখনো সেক্স টয় বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাই নারীকে যৌন উত্তেজনায় উত্তেজিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার যোনীর ভিতর জি-স্পট (যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়?