April 06 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 06 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার

সহবাসের পরে যে কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে

 

সহবাসের পরে দু’জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসের ফলে কিছু শক্তির হ্রাস হ’তে পারে। এতে করে কিঞ্চিৎ পূরণ হয়। অন্যথায় সহবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়। পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ’য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়।
অত্যধিক মৈথুনের জন্য হজমশক্তি লোপ পায়। ফলে অম্ল, অজীর্ণ প্রভৃতি নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়। এই সমস্ত রোগের হাত থেকে নিশ্চিত ভাবে নিষকৃতির জন্য মৈথুনের পর দুগ্ধ পান অত্যাবশ্যাক। অবস্থায় সম্ভব হলে নিম্নের টোটকাগুলি ব্যবহার করলে ভয়ের কারণ থাকবে না।
(১) বাদাম দুই তোলা ভালভাবে বেটে নিয়ে তা মিশ্রি সংযোগে মৈথুনের পর গরম করে খেলে বিশেষ উপকার হয়।
(২) দুতোলা ঘি, দু তোলা মিশ্রি কিংবা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করলে সহজে ক্ষয় পূরণ হয়।
(৩) মুগের ডাল ভালভাবে বেটে নিয়ে ভেজে নিন, পরে মিশ্রি কিংবা চিনি মিশিয়ে নাড়ার মত করে চার তোলার মত সহবাসের পরে খেয়ে নিলে উপকার হয়।সহবাসের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষাঙ্গ ধৌত করলে নপুংষকতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য সহবাসের পরে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা বিধেয়। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত।
সহবাসের পরে দেহের বিষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বিষয়ে শাস্ত্রে কতগুলি নিয়ম বিধিবন্ধ আছে। আমরা তা একে একে আলোচনা করছি।
১। সহবাসের পরে দু’জনের কিছুক্ষণ পরস্পর সংলগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মানসিক তৃপ্তি হয়। ধীরে ধীরে দেহ শীতল হয়। এতে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হ’য়ে থাকে।
২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌনাঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।
৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের পালন করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।
৪। শর্করা মিশ্রিত এক গ্লাস জল কিঞ্চিৎ লেবুর রস বা দধি কিংবা শুধু ঠাণ্ডা জল কিছু খেতে হবে। এতে শরীরের মঙ্গল করে।
৫। প্রয়োজন হরে কোন পেটেন্ট ঔষধ সেব করা যাইতে পারে।
৬। সহবাসের পরে ঘুম একান্ত আবশ্যক-তদাই শেষ রাতে সহবাস বাঞ্ছনীয় নয়।
৭। পরদিন প্রভাতে স্নান করা একান্ত আবশ্যক। তা না হলে মন শুচি হয় না- কর্মে প্রফুল্লতা আসে না। অন্যথায় পরদিন মন খারাপ থাকে, কর্মে একঘেয়েমি আসতে পারে।
৮। সহবাসের পরে এবং আগে নেশা সেবন ভাল নয়। এতে দৈহিক ক্ষতি হয়-প্রেম দূরে যায়-মানসিক অসাড়তা আসতে পারে।
৯। রাত্রির প্রথম ও শেষ প্রহর বাদে মধ্যম অংশই সহবাসের পক্ষে উৎকৃষ্ঠ সময়, এ কথা সর্বদা মনে রাখতে হবে।
১০। সহবাসের পরে অধিক রাত্রি জাগরণ, অধ্যয়ন, শোক প্রকাশ, কলহ কোন দুরূহ বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা ও মানসিক কোন উত্তেজনা ভাল নয়।

যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির ১০টি কার্যকরী ও সফল টিপস

 

প্রতিদিন একইভাবে যৌন মিলনেও অনেক সময় যৌন মিলনে যৌন উত্তেজনা হ্রাসের ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারে। এখানে কয়েকটি টিপসের আলোচনা করা হবে যাতে করে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে আপনি কিছুটা হলেও ফলপ্রসূ হন।

 
নারী উপরে
এই অবস্থায় পুরুষের লিঙ্গ নারীর যোি তে ৪৫ ডিগ্রি এ্যাঙ্গেলে প্রবেশ করাবে নারী এবং নারী পুরুষের অনুত্থিত লিঙ্গকে হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করে একে সুদৃঢ় করে তুলবে। সে তার স্তন, ভগাঙ্কুর এবং পশ্চাৎপ্রদেশের ব্যবহারে পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলবে। এতে করেও যদি পুরুষাঙ্গ উত্থিত না হয় তবে একইভাবে পুনর্বার দেখা যেতে পারে।

 
জি-স্পট সেক্স
এতে করে নারী দু হাঁটু গেড়ে অনেকটা কুকুরের মতো বসবে। পুরুষ তার লিঙ্গ প্রবেশ করাবে। নারীর সবচেয়ে যৌন অঞ্চল মানে হলো ভগাঙ্কুর। পুরুষের লিঙ্গ একবার এতে ছোঁয়ালেই নারীর যৌনানুভূতি প্রবল হয়। এতে করে পুরুষেরও যৌন অনুভতি দৃঘ হবার কথা। নারী পুরুসকে এই ভাবেও উত্তেজিত করতে পারে। যৌন বিজ্ঞানীরা একে জি-স্পট সেক্স বলে। কেননা এতে করে নারী ইংরেজী জি অক্ষরের মতো আসন নিয়ে বসে।

 
পৌনপুনিকতা
পুরুষ তার উত্তেজনা বাড়াতে নারীর যোনিমুখে তার লিঙ্গকে প্রবেশ করানোর পূর্বে নারীর নিচের দিককার অর্থাৎ ভগাঙ্কুর, যোনি ইত্যাদিতে হাতের স্পর্শ বা মুখের স্পর্শ ঘটাতে পারে। এতে করে পুরুষের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যেতে পারে।

 
আধুনিক হট স্পট
যৌন বিজ্ঞান দেখেছে, নারীর পুরো শরীরই যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী নিউরন আছে। বিশেষ করে পেটের এবং তলপেটের নিচের দিকে ভগাঙ্কুরের মাঝামাঝি স্থানে নারী উত্তেজনা মারাত্মকভাবে লুকিয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন নারীদের বিভিন্ন রকম হতে পারে। পুরুষদের তাদের নারীদের সাথে যৌন মিলনে যাবার সময় এটি বেছে নিতে হবে। এতে করে পুরুষদের উত্তেজনা চূড়ান্ত হবার আশঙ্কা থাকে।

 
পুরো শরীর
জিহ্বা এবং হাতের আঙ্গুল যৌন উত্তেজনা বাড়াতে পারে। নারীর যোনিমুখের পাতলা আবরণ এবং ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর যদি পুরুষ তার জিহ্বা দিয়ে নাড়াচাড়া করে তবে নারীর অনুভূতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এছাড়াও ভালভাবে নখ ছেঁটে পুরুষ তার হাতের আঙ্গুল নারীর যোনিতে প্রবেশ করিয়েও তাকে তীব্র যৌনকাতর করে ফেলতে পারে। এতে করে নারীর উত্তেজনা পুরো শরীরে প্রবেশ করে এবং উত্তেজনার রেশ বাড়তে থাকে।

 
নারীর অধিগ্রহণ
পুরুষের মুখের কাছে নারী তার যৌনাঞ্চলগুলো স্পর্শ, ঘ্রাণ দিয়ে যাবে। অনেক সময় নারীর যৌন অঞ্চলের ঘ্রানে পুরুষের যৌন উত্তেজনা দ্বিগুণ হয়। এতে করে পুরুষ বেশি উত্তেজিত হয়ে উঠবে। একে নারীর অধিগ্রহণ বলা হয়।

 
মৌখিক তীব্রতা
সাধারণভাবে এটা ওরাল সেক্স। নারী পুরুষের লিঙ্গ, লিঙ্গদেশ এবং লিঙ্গমুন্ডের অগ্রভাগে চুমু দিয়ে, অথবা মুখের লালা দিয়ে ভিজিয়ে পুরুষকে চূড়ান্ত উত্তেজনা দিতে পারে। আবার নারী পুরুষের লিঙ্গকে মুখের ভেতর বার বার প্রবেশ এবং বের করতে পারে। এতে করেও পুরুষের উত্তেজনা আসবে এবং যৌন শীতলতা কমে যাবে।
মুখোমুখি
নারীকে শুয়ে পুরুষ কিংবা পুরুষকে শুইয়ে নারী পরস্পর পরস্পরের দিকে যৌনতার দৃষ্টিতে চেয়ে থাকলে নারী-পুরুষ উভয়ের উত্তেজনা বেড়ে যায়।

 
পুরুষের অন্ডকোষ
অনেক পুরুষ এই ব্যাপারটিতে অজ্ঞ। তাদের অন্ডকোষের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু যৌনতা লুকানো থাকে। নারী যখন পুরুষের অন্ডকোষে হাত দেয় কিংবা তাতে মৃদু চাপ সৃষ্টি করে, তখনও পুরুষ বিশেষ এক ধরনের আনন্দ পেতে পারে। পুরুষের অন্ডকোষ যৌনতা সৃষ্টি করতে পারে। নারীর মৃদু হাত বোলানোতেও এই যৌন উত্তেজনা দ্বিগুণ হয়।

 
ত্বকের উত্তেজনা
বহু পুরুষের যৌনাঞ্চলের ত্বকেই বিশেষ ধরনের যৌন উত্তেজনা থাকে । নারীর স্পর্শে সেটা বেড়ে যায়। যেমন-পুরুষের লিঙ্গের ত্বকে নারীর চুমু দেয়া কিংবা চুষে ফেলাতে পুরুষ যৌন উত্তেজনায় অস্থির হয়ে উঠতে পারে। এটি পুরুষের চরম উত্তেজনার প্রথম স্তর। নারী তাকে চূড়ান্ত উত্তেজনার জন্য তার লিঙ্গমুন্ডকে বার বার চুষতে পারে, এতে করে পুরুষের অবস্থা অধিক কাতর হয়ে উঠবে। তবে নারীকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন তার দাঁত পুরুষের লিঙ্গে ক্ষতের সৃষ্টি না করে। কেন না চরম অবস্থায় উভয়েই বোধজ্ঞান কিছুটা হারিয়ে ফেলতে পারে।

প্রথম সহবাস এর সময় ব্যথায় ঘাবড়াবেন না

 

জীবনের প্রথম সহবাস করবেন? অথচ তার আগে ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন, লাগবে না তো? আচ্ছা তাহলে বলি, দুনিয়াতে আপনিই কি প্রথম মহিলা যিনি প্রথম সহবাস করছেন? তাহলে অযথা ভয় পেয়ে প্রেমের ওই অসাধারণ মুহূর্তগুলোকে ঘেঁটে ঘ করে দেওয়ার কোনও মানে হয় না৷ প্রথম সহবাস করার আগে কী কী করবেন তা নিয়ে তো প্রচুর গবেষণা করেছেন, কিন্তু কী কী করতে হবে না, তা কখনও ভেবে দেখেছেন কি? উত্তরটা না৷

 
নারীর জন্য
তাহলে ভাবুন প্রথম সহবাসে ব্যথা লাগার ভয়টা নিয়ে৷ কিন্তু মনে রাখবেন ঠিকঠাক প্রথম সহবাস কালে ব্যথা লাগার সম্ভাবনা প্রায় নেই-ই৷ পুরোটাই আমাদের মনের ভুল, অতিরিক্ত টেনশন থেকেই আমাদের মনে হয় ওই বুঝি লেগে গেল৷

 
দেশের খ্যাতনামা সেক্সোলজিস্টদের মতে, একটা টিটেনাস নিতে নাকি প্রথম সহবাস থেকে বেশি ব্যথা লাগে৷ তাঁদের মতে, যত বেশি ভয় পেয়ে মহিলারা কুঁকড়ে যাবেন, ততই পেশি স্টিফ হয়ে ব্যথা বেশি লাগবে৷ কারণ তখন পার্টনারেরও পেনিট্রেশনে সমস্যা হবে৷ তাই নিজেকে রাখুন চাপমুক্ত৷ প্রয়োজনে করতে হতে পারে আধঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ফোর প্লে৷
অনেকেরই প্রথম সহবাস করার পর পর কয়েকদিন একটা ক্ষীণ ব্যথার অনুভূতি থাকে৷ তা নিয়ে অযথা উত্তেজিত হওয়ার কোনও কারণ নেই৷ প্রথম প্রথম ব্যয়াম করলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে কয়েকদিন ব্যথা থাকে, কারণ পেশিগুলো রিল্যাক্সড হওয়ার সময় নেয়৷ ভ্যাজাইনার মাসলের ক্ষেত্রেও এই একই থিয়োরি কার্যকর৷

 
পুরুষদের জন্য
তবে এক্ষেত্রে পুরো দায়টাই শুধু মহিলাদের নয়৷ সঙ্গী পুরুষ পার্টনারটিকেও বুঝতে হবে প্রথম সহবাস করার সবসময় বাজিমাত না-ও হতে পারে৷ আর মেয়েদের যোনিপথের আভ্যন্তরীণ গঠন যেমন জটিল তেমনই সেনসিটিভ৷ তাই শুরুতেই চাপ প্রয়োগ না করাই ভালো৷ আস্তে আস্তে সঙ্গীর বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করুন৷ সহবাসে আপনা থেকেই চলে আসবে স্বাভাবিক ছন্দ৷

 
অনেকেই আবার (বিশেষত মহিলারা) ভোগের ড্রাইনেসের সমস্যাতে৷ সেক্ষেত্রে যদি পুরুষরা বেশি জোরাজুরি করেন, তাহলে আখেরে তাদেরই ব্যথা লাগার সম্ভাবনা থাকে৷ তাই এরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে সেদিনকার মতো ব্যাপারটার সেখানেই ইতি টানুন৷

গর্ভধারণ করতে স্বামীর সাথে কখন মিলিত হবেন ?

 

গর্ভধারণ করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় জেনে নিতে মায়ার জনপ্রিয় ওভুলেশন ক্যাল্কুলেটর ব্যবহার করুন। এর মাধ্যমে আপনার ডিম্বস্ফোটনের সময় গণনা করুন এবং স্বামীর সাথে কখন মিলিত হলে গর্ভধারণ করার সবচেয়ে বেশী সম্ভবনা আছে তা জেনে নিন।
ডিম্বস্ফোটনের সাতদিন ৭ দিনব্যাপী সময়ের মধ্যে স্বামীর সঙ্গে মিলন হলে একজন স্ত্রীর গর্ভধারণ হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী। সাধারণত শেষ মাসিকের ১২ দিন পর এই সময় আসে।
একটি ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে নির্গত হওয়ার পর ১২ থেকে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত জীবিত থাকে। গর্ভধারণের লক্ষ্যে এ সময়ের মধ্যেই ডিম্বাণুটিকে শুক্রাণুর সাথে মিলিত হতে হবে। এমন কোন কথা নেই যে যেই দিন ডিম্বস্ফোটন হয় শুধু সেই দিন মিলিত হলেই আপনি গর্ভবতী হতে পারবেন। একজন নারীর শরীরে শুক্রাণু ২-৩দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এই কারণে ডিম্বস্ফোটনের ২-৩ দিন আগে মিলন হলেও শুক্রাণুটি ডিম্বাণুর জন্যে ডিম্বনালীর ভেতর অপেক্ষা করে থাকতে পারে।
ডিম্বস্ফোটন কখন হয়?
ডিম্বস্ফোটনের সঠিক সময় নির্ধারণ সম্ভব না, যদি না আপনি ফার্টিলিটি সচেতন হোন। অধিকাংশ নারীর মাসিক শুরুর ১০-১৬ দিন আগে ডিম্বস্ফোটন হয়।
আরও পরিস্কার করে বলতে গেলে মাসিকের প্রথম দিন থেকে একজন নারীর মাসিক চক্র গণনা করা হয়। এর কিছুদিন পর তার ডিম্বস্ফোটন হয় এবং তার ১০-১৬ দিন পর তার আবার মাসিক হয়। স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী মাসিকের গড় চক্রকাল হচ্ছে ২৮ দিন অন্তর অন্তর। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর কিছু বেশি অথবা কম সময়েও মাসিক হতে পারে, যা অস্বাভাবিক নয়।

 

আপনার যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্যের জানান দিতে আপনার ডক্টর রয়েছে আপনার পাশে।জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করার জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন আপনার ডক্টর health সাইটে।মনে না থাকলে আপনি সাইট আপনার ব্রাউজারে সেভ করে রাখুন।ধন্যবাদ

কিছু প্রয়োজনীয় সেক্স স্টাইল

 

লক্ষ্য করলে দেখা যায় অনেক স্মামী স্ত্রী যৌন মিলনে সুখি নয়। এর প্রধান কারণ সেক্স স্টাইল সম্বন্ধে অজ্ঞতা।সেক্স স্টাইল বিভিন্ন ধরণের হলে উভয়েই যৌন মিলনে তৃপ্তি পা্ওয়া যায়। সাধারণত সব শ্রেণীর মানুষের মধ্যে এমন ধারণা বিদ্যমান যে, মোটা সঙ্গীর সাথে যৌন সঙ্গম করা অসম্ভব সুখপ্রদ নয়। আসলে এক্ষেত্রে শরীরের মেদের চেয়ে মানসিক উৎকণ্ঠাই সঙ্গমের আনন্দকে বেশি ব্যাহত করে। প্রত্যাখ্যানের ভয়, যৌনসঙ্গীর যৌন চাহিদা মেটাতে অক্ষম বা যৌন সঙ্গম করতে অক্ষম এমন ধরনের কিছু সাধারণ দুশ্চিন্তাই যৌনসুখকে সবচেয়ে বেশি বাধাগ্রস্ত করে। পাশাপাশি সেক্স স্টাইল সম্পর্কে অজ্ঞতা, সঙ্গমের পুর্বে সঠিকভাবে উত্তেজিত করতে না জানা, যৌন উত্তেজক স্থানসমূহ না চেনা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সঙ্গমের চূড়ান্ত সুখ লাভ করা সম্ভব হয় না। আসলে মোটা লোকদের সম্পর্কে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি অনেকাংশেই নেতিবাচক। ডায়েটিং করা বা দীর্ঘদিন ধরে আংশিক উপোস করার কারণে মোটা লোকদের যৌন বাসনা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি যেসব মহিলাদের ওজন কমতে শুরু করে, তাদের স্বাভাবিক মাসিকচক্রও অস্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। মোটা বা মেদবহুল মহিলারা সাধারণত এমন ধারণা পোষন করে থাকে যে, তাদের পক্ষে কোনো পুরুষকে যৌনসুখ দেয়া সম্ভব নয় বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না। ফলে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়। এই ধরনের আত্মবিশ্বাসহীনতা তাদের যৌনজীবনকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করে।

 
মোটা পুরুষদের বেলায়ও এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়। প্রত্যাখ্যান হবার ভয়, যৌন সঙ্গম করতে অক্ষম, বা সঙ্গিণীকে যৌনতৃপ্তি দানে অক্ষম বা তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না এমন ধরনের ধারণা তাদেরকে যৌনসঙ্গম থেকে বিরত রাখে। এ ধরনের মানসিক দুশ্চিন্ত ও সামাজিক দৃষ্টভঙ্গি বা সুযোগের অভাব ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে যৌনসঙ্গম থেকে বিরত থাকলে তারা যৌন সঙ্গমে অক্ষম হয়ে যেতে পারে। আসলে এটি বর্তমানে একটি সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এ বিষয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক গবেষণাও হয়েছে। গবেষণায় কিছু ফলাফল উল্লেখ করা হলো-
মোটা মানুষের বেলায় শারীরিক যৌন চাহিদা স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে। তবে সঙ্গমের বেলায় অতিরিক্ত মোটা হওয়ার কারণে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 
বিবাহিত জীবনে ও যৌন সঙ্গমই মোটা লোকদের আনন্দলাভের গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
অবিবাহিত মোটা লোকদের বেলায়ও দেখা যায় তাদের স্বাভাবিক যৌন বাসনা রয়েছে। তবে মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে অর্থাৎ তাদের সাথে কেউ যৌনসঙ্গম করতে পছন্দ করে না এমন ধারনা তাদের যৌনজীবনকে বাধাগ্রস্ত করে।

 
মোটা লোকদের যারা যৌনসঙ্গী খুঁজে পায় না তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।
অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় মোটা লোকেরা যৌন সঙ্গমে অধিক পারদর্শী এবং তাদের যৌনবাসনাও বেশি।
মোটা লোকদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো-তারা সঙ্গমের ক্ষেত্রে কোন সেক্স স্টাইল অনুসরণ করলে তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে তা নির্ধারন করতে পারে না। তবে সঠিক আসন বেছে নিয়ে যৌনসঙ্গম করলে তারাও স্বাভাবিক আনন্দ লাভ করতে পারবে।
আসলে মোটা মানুষের ক্ষেত্রে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে পারলে মোটা লোকদের স্বাভাবিক আত্মবিশ্বাস থাকলে তাদের যৌন জীবনের অনেক সমস্যাই কেটে যাবে।

 
কিছু সেক্স স্টাইল
অনেকক্ষেত্রে দেখা যায়, মোটা লোকেরা তাদের যৌন সঙ্গমের ক্ষেত্রে সঠিক সেক্স স্টাইল বেছে নিতে পারে না। মনে রাখা প্রয়োজন, মানুষের শরীর মোটা হলে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে মেদ জমলেও যোনিপথ বন্ধ হয়ে যায় না বা পুরুষাঙ্গ অতিরিক্ত মোটা হয়ে যায় না। আসলে মোটা হলেও প্রকৃতিগতভাবেই সব যৌনসঙ্গমের জন্য উপযুক্ত। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা জানা দরকার তা হলো- সঙ্গমের উপযুক্ত সেক্স স্টাইল বা কৌশল। প্রয়োজন মনে করলে আপনি এক্ষেত্রে একজন যৌন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।
প্রয়োজনীয় কিছু সেক্স স্টাইল কৌশল উল্লেখ করা হলো-
পুরুষপ্রধান আসন:

 
এই সেক্স স্টাইলটি সাধারণত মিশনারি আন বলা হয়ে থাকে। সাধারণত মহিলাটি তার পুরুষ সঙ্গীর চেয়ে মোটা হলে এ ধরনের আসন বেশি কার্যকর হয়। এক্ষেত্রে মহিলাটি চিৎ হয়ে শুয়ে দুই পা কটির দিকে বাঁকিয়ে রাখবে এবং হাঁটু সম্পূর্ণ বাঁকিয়ে দুই উরু যতটা সম্ভব ফাঁক করে ধরবে। এতে করে তার যোনিমুখ সম্পূর্ণভাবে সঙ্গম উপযোগী হবে। তার ভুড়ি খুব বড় হলে এ সময় সে দুই হাতে যোনিমুখ থেকে তা ওপরের দিকে টেনে ধরতে পারে। অন্ততপক্ষে পুরুষ সঙ্গীটি তার উরুর মধ্যে সঙ্গম উপযোগী আসন নেয়ার আগ পর্যন্ত এমনটি করা যেতে পারে। এতেও যদি সঙ্গম করা কষ্টকর হয় তবে মহিলাটি একটি বা একাধিক বালিশ তার নিতম্ব বা পাছার নিচে রাখতে পারে। এইসেক্স স্টাইলে সঙ্গম করা সহজতর হয় কারণ এতে করে যোনিমুখ ওপরে উঠে আসে। নিতম্বের নিচে একাধিক বালিশ স্থাপন করলে শুধু সঙ্গম করাই সহজ হয় না বরং সঙ্গমের ক্ষেত্রে ভিন্নতাও আসে। সঙ্গমকালে পা দুটি বিভিন্ন উচ্চতায় উঠালে সঙ্গমের ভিন্ন রকম স্বাদ পাওয়া যায়। যৌন বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন মাত্র তিন ইঞ্চি পরিমাণ উচু নিচু করলে যৌন সঙ্গমের অনেক পরিবর্তন আসতে পারে। এই আসনটিকে মেইল আপারেইট আসন ও বলা যেতে পারে। প্রয়োজন মনে করলে সঙ্গমের সময় পুরুষটি তার নিতম্বের ওপর বসে নিতে পারে। এক্ষেত্রে দুই হাত দিয়ে শরীরের উত্তেজক অংশগুলোতে শৃঙ্গার করতে পারে।

 
এই সেক্স স্টাইলের মাধ্যমে সঙ্গম করার সময় পুরুষটি মোটা হলে কতগুলো সাধারণত নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। সঙ্গমের পূর্বে সে তার শরীর ওপরে তুলে ধরবে এবং দুই হাতে ভুড়ি ওপিরে টেনে ধরবে, এতে করে মহিলাটি তার সঙ্গীটির পুরুষাঙ্গ সহজে তার যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারবে। এক্ষেত্রেও মহিলাটি তার নিতম্বের নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। এসময় প্রথমেই মহিলাটির ওপর তার শরীরের সম্পূর্ণ ওজন ছেড়ে দেয়া উচিত নয়। দু হাতের ওপরে শরীরের ভর রেখে, আস্তে আস্তে চাপ প্রয়োগ করা বাঞ্ছনীয়। তবে মজার ব্যাপার হলো- উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে একজন চিকন বা শুকনো মহিলাও অনেক মোটা শরীরের চাপ সহজেই সহ্য করতে পারে।

 
আরেকটি বিষয় এখানে মনে রাখা প্রয়োজন তাহলো, মোটা পুরুষের ক্ষেত্রে কিভাবে সে তার শরীরের ওজন মহিলা সঙ্গীটির ওপর প্রয়োগ করবে, তা আসলে নিজেরাই পারস্পরিক বোঝা পড়ার মাধ্যমে ঠিক করে নিতে পারে। যদিও যৌনসঙ্গমের সময় যোনিপথে পুরুষাঙ্গ চাপ দিতে শরীরের ওজন প্রয়োগ করা জরুরি নয় তবে অনেক সময় দেখা যায় শরীরের ওজন কৌশলে কেন্দ্রীভূত করে শুধু যৌনাঙ্গের ওপর প্রয়োগ করলে অধিক আনন্দ পাওয়া যায়।
মহিলাপ্রধান আসন:

 
যৌনসঙ্গী অতিরিক্ত মোটা হলে বা দুজনেই মোটা হলে এ ধরনের সেক্স স্টাইল বেশি কার্যকর বলে যৌন বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন। এই আসনে পুরুষটি চিৎ হয়ে শুয়ে পা সোজা করে রাখবে। এসময় হাঁটু দুটো হাল্কা বাকিয়েও রাখা যায়। ভুড়ি মোটা থাকলে তা দুই হাতে ওপরে টেনে ধরা বাঞ্ছনীয়। এসময় মহিলা তার হাটু বাকিয়ে পুরুষটির যৌনাঙ্গের ওপর মুখোমুখি বসে পুরুষাঙ্গ সহজেই যোনিতে প্রবেশ করিয়ে যৌনসঙ্গম করতে পারে। তবে এই ধরনের আসনে মহিলাটি অতিরিক্ত মোটা হলে কিছু সমস্যা হতে পারে বলে কিছু লোক মনে করে থাকেন। যেমন এতে মহিলাটির অতিরিক্ত চাপে পুরুষটি আহত হতে পারে। তবে অধিকাংশ যৌন বিশেষজ্ঞরা এই আসনটিকে একটি আদর্শ আসন বলে থাকেন। গবেষনায় দেখা যায়, অধিকাংশ মোটা মহিলারা এই আসনটিকে বেশি পছন্দ করে। তবে এই সেক্স স্টাইলে যৌনসঙ্গম করতে কিছুটা চর্চা ও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

 
বিপরীতমূখী নারীপ্রধান আসন:
পুরুষ ও নারী উভয়েরই অতিরিক্ত ভুড়ি থাকলে এই সেক্স স্টাইল অনুসরণ করা যেতে পারে। এই আসনে পুরুসটি চিৎ হয়ে বা পা দুটো সোজা রাখবে বা হাটু হাল্কা বাকিয়ে রাখতে পারে। এসময় মহিলাটি পুরুষটির মুখের দিকে পিঠ দিয়ে হাটু বাঁকিয়ে পুরুষটির উরুর ওপর বসে সহজেই পুরুষাঙ্গ তার যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। এই ধরনের সেক্স স্টাইল দুজনের তলপেট একসাথে হয় না বলে সহজেই সঙ্গম করা যায়। এসময় পুরুষটি তার মোটা ভুড়ি ওপরে টেনে ধরে মহিলাটিকে সঠিকভাবে বসতে দেয়া প্রয়োজন। তবে এতে সঠিকভাবে সঙ্গম উপযোগী অবস্থান নিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

 
পেছনের দিক সঙ্গম করার সেক্স স্টাইল:
পুরুষ ও মহিলা অধিক মোটা হলে বা মহিলাটি গর্ভবতী হলে এই আসনে সঙ্গম করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে মহিলাটি হাটু বাকিয়ে সামনের দিকে ঝুকে পা দুটো হাল্কা ফাক করে ধরবে এবং শরীরের ওপরের অংশ নিচু করবে। ফলে যোনিমুখ ওপরে উঠে আসবে। এ সময় পুরুষটি পা বাকিয়ে হাটুর ওপর ভর দিয়ে ভুড়িটি ওপরে টেনে ধরে মহিলাটির পেছন দিক দিয়ে পুরুষাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। পুরুসাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে তলপেট মহিলাটির নিতম্বের ওপর চেপে রেখে সহজেই সঙ্গম করা যায়। তবে পুরুষাঙ্গ আকারে ছোট হলে বা যোনিমুখ ও যৌনাঙ্গের ভেতরের গঠন অস্বাভাবিক হলে পেছন দিক দিয়ে সঙ্গম করতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। আবার মহিলাটির উরু অত্যাধিক মোটা হলে তার হাটু গেড়ে বসতে সমস্যা হতে পারে।
সিম’র সেক্স স্টাইল:

 
এই সেক্স স্টাইলটি পেছন দিক দিয়ে যৌনসঙ্গম করার মত এক ধরনের আসন। এক্ষেত্রে মহিলাটি একদিকে ফিরে শুয়ে হাটু বাকিয়ে ওপরে পা যতটা সম্ভব মাথার দিকে টেনে তুলবে এবং নিচের পা সোজা থাকবে। এতে করে যোনিমুখ ওপর দিয়ে বা পেছন দিয়ে সঙ্গমের উপযোগী হবে। এ সময় পুরুষটি তার দুটি পা মহিলাটির নিচের পায়ের দু দিকে রেখে হাটু গেড়ে বসে পেছন দিকে দিয়ে যৌনসঙ্গম করতে পারে। প্রয়োজন হলে পুরুষটি তার হাটুর নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। মহিলাটি পুরুষটির চেয়ে অধিক মোটা হলে এ ধরনের আসনে যৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এ আসনটি একটু জটিল তবে চেষ্টা করলে বা চর্চা করলে এই আসনে সঙ্গম করা যেতে পারে।
উল্টা আসন (অপসাইড ডাউন পজিশন):

 
এতে পুরুষ ও মহিলা এমনভাবে বিছানায় কাৎ হয়ে শোবে যাতে একজনের পা অন্যজনের মাথার দিকে থাকে। এভাবে আস্তে আস্তে যৌনাঙ্গ সঠিকস্থানে এনে এই আসনে যৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এতে দুজনের পেটে কোনো সংযোগ ঘটে না।
টি-বর্গ সেক্স স্টাইল:

 
এই সেক্স স্টাইলে মহিলাটি তার পা দুটি যতটা সম্ভব ফাঁক করে পিঠের ওপর যথারীতি শোবে। পুরুষটি তার কটির ওপর কাৎ হয়ে শুয়ে মহিলাটির পা দুটি ওপরে তুলে ধরে সহজেই সঙ্গম করতে পারে। এতে তলপেটের সংযোগ ঘটে না।
এক্স-সেক্স স্টাইল:

 
এটি অনেকটা টি-বর্গীয় আসনের মতই। এক্ষেত্রে মহিলাটি চিৎ হয়ে শুয়ে পা দুটি বাকিয়ে উরুদ্বয় যতটা সম্ভব ফাক করে ধরবে। এই সময় যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করাবার পর মহিলাটি তার পা দুটি একসাথে করবে এবং পুরুষটির শরীরে তখন ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করবে। এতে করে দুইজনের অবস্থান ইংরেজি বর্ণমালা এক্স-এর আকারের হবে। তবে এটি করার সময় মহিলাটির যোনির পেশি এমনভাবে চেপে রাখা প্রয়োজন যাতে পুরুষাঙ্গ বের হয়ে যায়। এই আসনে পরস্পরের ভুড়ি সঙ্গমের বেলায় বাধা সৃষ্টি করে না।
দাঁড়িয়ে সঙ্গম করার সেক্স স্টাইল:

 
এক্ষেত্রে মহিলাটি কোনো বিছানা বা টেবিলের কিনারায় বসে হাল্কা হেলান দিয়ে পা দুটি ফাক করে দুটি চেয়ারের ওপর রাখতে পারে। পুরুষটি তখন মহিলাটির পায়ের মাঝে দাড়িয়ে বা প্রয়োজন হলে হাটু গেড়ে বসে যৌন সঙ্গম করতে পারে। প্রয়োজন হলে মহিলাটি শুয়ে থাকতেও পারে। এরপর মহিলাটি দাড়িয়ে তার পা দুটি পুরুষটির পায়ের দুদিকে দিয়ে যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম করতে পারে। এসময় প্রয়োজন হলে পুরুষটি তার পিঠের নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। সুতরাং এই আসনটি দুইভাবে চর্চা করা যায়। তবে এই আসনে যৌনসঙ্গম করতে গেলে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় মহিলাটি সামনের দিকে ঝুকে হাত দুটি বিছানার ওপর রাখলে পিছন দিক দিয়ে যৌনসঙ্গম করা যায়। এসময় এক পা ওপরে তুলে রাখলে সঙ্গম আরো সহজতর হয়।
অতিরিক্ত মোটা হলে যৌন সঙ্গমের বেলায় তাদের সঙ্গমকে সফল করতে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। যেমন-প্রয়োজনীয় বিছানা, টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি।
ওরাল সেক্স (বাংলাদেশের জন্য নয়):

 
ওরাল সেক্স উপভোগ করতে জানলে অত্যন্ত আনন্দদায়ক হতে পারে। সাধারণত মোটা মহিলারা ওরাল সেক্সের বেলায় বেশ পটু হয়ে থাকে। তবে যে জিনিসটি মনে রাখা প্রয়োজন তা হলো- ওরাল সেক্স আসলে এক তরফা কিছু নয়। মুখ মেহনের মাধ্যমে যৌনসঙ্গী দুজনই পরস্পরকে আনন্দ দিতে পারে। যৌন বিশেষজ্ঞরা ৬৯ পদ্ধতির ওরাল সেক্সের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মুখ মেহন বা ওরাল সেক্স যৌনসঙ্গমের অংশও বটে। এর মাধ্যমে যৌনসঙ্গমকে আরো অধিক আনন্দময় করা যেতে পারে।

 
সঙ্গমবিহীন যৌনতা:
যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ না করিয়েও অনেক সময় যৌন আনন্দ লাভ করা যায়। যেমন- যোনিপথে কৌশলে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে মহিলাটিকে যৌন আনন্দ দেয়া যায় যৌন উত্তেজক আলোচনা, শৃঙ্গার, হাসি ঠাট্টা, স্পর্শ করা, উত্তেজক বই পড়া বা উত্তেজক ছবি দেখা ইত্যাদি বিভিন্ন ভাবে যৌন আনন্দ লাভ করা যায়। মনে রাখা প্রয়োজন পরস্পর খুব কাছাকাছি থাকার ফলে সঙ্গমের আনন্দ লাভ না করতে পারলেও অন্তত ভালোবাসার আনন্দ পাওয়া যায়।

সহবাসকালীন কিছু গ্ররুত্বপূর্ণ বিষয়

 

সহবাসকালীন কিছু গ্ররুত্বপূর্ণ বিষয়
১। মেয়েদের একটু ঘুমোবার পর রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর শ্রেষ্ঠ মৈথুন সময়।
২। দিনের বেলা সহবাস নিষিদ্ধ।
৩। ভোরবেলা সহবাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর হ’তে পারে।
৪। গুরু ভোজনের পর সঙ্গে সঙ্গে সহবাস নিষিদ্ধ।
৫। ক্রুদ্ধ বা চিন্তিত মেজাজে স্ত্রী সহবাস উচিত নয়। প্রফুল্ল মনে সহবাস উচিত।
কোন ঋতু মৈথুনের পক্ষে কতটা উপযোগী তার বিচার করা হচ্ছে।
ক। বসন্তকাল-৯০%।
খ। শরৎকাল-৭০%।
গ। বর্ষাকাল-৫০%।
ঘ। হেমন্তকাল-৪০%।
ঙ। গ্রীষ্মকাল-৩০%।
চ। শীতকাল-২০%।

 

 

যৌন আনন্দ লাভের আগেই বীর্য বের হয়ে যাওয়া সমস্যার সমাধান কি?

 

 

 

প্রতিবারই স্ত্রীর যৌন আনন্দ লাভের অনেক আগেই যদি স্বামীর বীর্য বের হয়ে যায়, তবে সেটা স্ত্রীর পক্ষে অবশ্যই হতাশাজনক। সেই হতাশার বশে অনেকেই ভুল পদক্ষেপ করে ফেলে যা পরবর্তীকালে অশেষ শারীরিক ও মানসিক অশান্তির কারণ হয়।

 

স্বামী স্ত্রী দু জনের ভিতর তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবেন না, তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে। নিজেদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।স্ত্রী স্বামীর সাথে কথা বলে কোন ভাল সেক্সোলজিষ্ট বা relationship councilor -এর কাছে নিয়ে যান। কারণ খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হওয়া (শীঘ্রপতন) মূলত একটি মানসিক সমস্যা। সেক্সোলজিষ্ট বা কাউন্সিলর ওনার সাথে কথা বলে ওই সমস্যা কেন হচ্ছে তার কারণ বুঝতে পারবেন ও কিভাবে সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেটা বলতে পারবেন। যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর ১ থেকে দুই মিনিটের বীর্য বের হয়ে যায় তবেই ডাক্তারি পরিভাষায় তাকে শীঘ্রপতন বলা হয় (এখানে উল্লেখযোগ্য যে গড়ে 7 মিনিটের মধ্যেই পুরুষদের বীর্যস্খলন হয়ে যায়।)। শীঘ্রপতনের কারণ কি তা সঠিক জানা যায় নি, তবে একাধিক কারণ অনুমান করা হয়। যেমন বয়ঃসন্ধির সময় অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও সেই সময় কেউ যাতে দেখে না ফেলে সেজন্য দ্রুত বীর্যস্খলনের চেষ্টার ফলে সেটাই অভ্যাসে পরিণত হয়। এছাড়াও অশান্তি, দুশ্চিন্তা, বৌকে সুখি করতে না পারার মানসিক চাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, শরীরে কোন আঘাত ইত্যাদির জন্যেও শীঘ্রপতন হতে পারে। কিছু কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার ফলে এবং নিয়মিত যৌনমিলন না করলেও  দ্রুত বীর্য বের হয়ে যেতে পারে। প্রায় ৩০ শতাংশ পুরুষ জীবনের কোন না কোন সময়ে শীঘ্রপতনের শিকার হয়।

 

তাড়াতাড়ি বীর্য বের হয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার একটি পদ্ধতি হল “কেগেল এক্সারসাইজ (Kegel Excersice)”। যে পেশীসমূহ ব্যবহার করে প্রস্রাবের বেগ আটকানো যায় ঠিক সেই পেশী ব্যবহার করে বীর্যপতনও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ওই পেশীর নাম হল PC muscle। PC পেশীর এক্সারসাইজ করতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে কোনটা PC পেশী এবং তাকে কি করে খুঁজে বের করা যায়। সেজন্য গোড়াতে প্রস্রাব করতে বসে মাঝপথে প্রস্রাবের বেগ নিয়ন্ত্রণ করা বা বন্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সেইসময় তলপেট, পা কিংবা নিতম্বের পেশী যেন ব্যবহার করা না হয় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিবেগ যেন স্বাভাবিক থাকে। যদি মূত্র ত্যাগের বেগ ধীরে হয় বা তা একেবারে বন্ধ হয়ে যায় তবে যে পেশীতে চাপ দিতে হয়েছিল সেটাই PC পেশী। এরকম কয়েকবার করলেই বোঝা যাবে কি করে PC পেশীকে সংকুচিত করা বা প্রসারিত করা সম্ভব। এরপর নিয়মিত দিনে তিনবার করে নিচে লেখা এক্সারসাইজ করতে হবে –

 

১) ৫ সেকেন্ড ধরে PC পেশী সংকুচিত করুন (ভেতরের দিকে টানুন),
২) এরপর ৫ সেকেন্ড ধরে ধীরে ধীরে PC পেশী ছাড়ুন,
৩) উপরোক্ত পদ্ধতি ১০ বার করুন।

কেগেল এক্সারসাইজ করলে যে শুধু বীর্যপতনের উপর নিয়ন্ত্রণ আসে তাই নয়, লিঙ্গের উত্তেজিত অবস্থায় দৈর্ঘ্যও বাড়তে পারে এবং তা আরও শক্ত হতে পারে। মহিলারাও এই এক্সারসাইজ করতে পারেন। তাতে তাদের যোনির ভেতরের দেওয়ালের পেশীর উপর নিয়ন্ত্রণ আসে এবং যৌনমিলনের সময় তারা প্রবিষ্ট লিঙ্গের উপর বিভিন্ন উপায়ে চাপ দিয়ে যৌন আনন্দ প্রভূত পরিমাণে বাড়াতে পারেন।

 

বীর্যপতন নিয়ন্ত্রণ করার অপর একটি পদ্ধতি হল “স্টার্ট-স্টপ টেকনিক”। যৌনমিলনের সময় যখন মনে হবে যে আর একটু করলেই বীর্য বের হয়ে যাবে, তখনই থেমে যান। এরপর কিছুক্ষণ একে অপরকে আলিঙ্গন, চুম্বন ইত্যাদি করুন। যখন মনে হবে উত্তেজনা একটু কমেছে, তখন আবার শুরু করতে পারেন। এতে যৌনমিলনের সময় দীর্ঘায়িত হবে। আর হ্যাঁ, শুরুর থেকে একটু ধীরে করুন। কথায় বলে যে তাড়াহুড়োয় কখওনো মহৎ কাজ হয় না! সেটা মাথায় রাখতে হবে। এছাড়াও লিঙ্গ যোনির মধ্যে প্রবেশ করানোর আগে কিছুক্ষণ ওরাল সেক্স করে নেওয়া যেতে পারে। কিংবা অঙ্গূলীও ব্যবহার করতে পারেন। যখন আপনার স্বামী আপনাকে আদর করছে সেইসময় আপনি নিজেও নিজের ক্লিটোরিস উত্তেজিত করতে পারেন। তাতে আপনার অর্গ্যাজম ত্বরন্বিত হবে। দেখা গেছে যে মহিলাদের ক্ষেত্রে সেক্সের থেকে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে অর্গ্যাজমের সম্ভাবনা অনেক বেশি। আরেকটা জিনিস যেটা আপনি করতে পারেন তা হল আপনার স্বামী লিঙ্গ ভেতরে প্রবেশ করানোর পর কিছুক্ষণ তাকে স্থির থাকতে বলুন। সেই সময় আপনি আপনার যোনির ভেতরের দেওয়াল দিয়ে লিঙ্গের উপর বিভিন্ন উপায়ে চাপ সৃষ্টি করুন। দেখবেন দুজনেরই ভাল লাগবে। এছাড়াও বিভিন্ন পোজে সেক্স করে দেখতে পারেন। হয়তো কোন নির্দিষ্ট পোজে (যেমন “ওমেন অন টপ”) আপনার স্বামীর বীর্যপতন বিলম্বিত হবে। এছাড়াও যৌনমিলনের সময় কন্ডোম ব্যবহার করলে তা পেনিসের সংবেদনশীলতা কম করে বীর্যপতন বিলম্বিত করতে পারে। কিছু কিছু বিশেষ “Long Lasting” কনডম লিঙ্গের সংবেদনশীলতা কমিয়ে দিতে পারে। যেমন, Skore NotOut Climax Delay Condoms 10’s (Pack of 4), Durex Condom – Extended Pleasure (10s) ।

 

নিয়মিত যৌনমিলন করলেও বীর্য বের হতে সময় বেশি লাগবে। যৌন মিলনের পূর্বে Dapoxetine ট্যাবলেট খেলেও বীর্যস্খলন বিলম্বিত হয়। তবে এই ঔষধ কিনতে ডাক্তারের প্রেসকিপশন লাগে, কারণ এই একই ঔষধ মানসিক অবসাদের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও Tramadol ট্যাবলেটও ব্যবহার করা হয় শীঘ্রপতন ঠিক করার জন্য। কিছু কিছু জেল বা স্প্রে (যেমন lidocaine) পাওয়া যায় যা যৌন মিলনের ১০-১৫ মিনিট আগে লিঙ্গে প্রয়োগ করলে তা লিঙ্গের সংবেদনশীলতা কমিয়ে বীর্যপতন দেরি করতে পারে। তবে এইসব ঔষধের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

 

প্রয়োজনে উপযুক্ত ডাক্তার কিংবা councilor -এর পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কাছে যেতে আবার লজ্জা কিসের? ভাল থাকুন।

বুধবার

লিঙ্গ ( penis) ছোট এবং বড় সমস্যা নিয়ে পুরুষের ভুল ধারণা এবং বাস্তবতা পর্ব ২য়

 

 

আপনার লিঙ্গ ( penis) যদি ৪” ইঞ্ছি হয় তবে আপনি লম্বা করার চিন্তা না করাই ভালো। তা না হলে যা আছে তাও হারিয়ে যাবে। আমাদের দেশে এই সব বিষয়ে প্রচুর ভুল ব্যাখ্যা আছে যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ধারের কাছেও নেই! লিঙ্গের ( penis)  গড় পরিধি প্রায় ৪.৮ ইঞ্চি মত। উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের ( penis) কোন একদিকে বেঁকে যাওয়াটা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার।

 

কিন্তু কিছু মানুষের ঘুম হয় না তার লিঙ্গ বাঁকা কেন? দেখুন প্রায় ৯৯% পুরুষের লিঙ্গ ( penis)ডানদিকে অথবা বাম দিকে একটু বাঁকা থাকে! লিঙ্গ ( penis) বড় করে আপনার কোন উপকার আসবে না। একটা নারীর যৌনির আকার গড়ে প্রায় ৬-৭” ইঞ্ছির মত হয়। এর পরে আছে জরায়ু যা অনেক সেনসিটিভ স্থান। তাই এত বড় লিঙ্গ ( penis) পুষ করবেন কথায়?

 

 

নারীর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয় হল মিলনকালে পেনিট্রেশান (যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করানো) থেকে সর্ব আনন্দ নিতে হবে তা নয় (শুধু পেনিট্রেশানে কোন পুরুষই নারীকে তৃপ্ত করতে পরেনা) বরং সিঙার (ফোর প্লে) বস্ত্র হরন সহ সকল বিষরের সংমিশ্রনে যৌন মিলনেরে যে প্যাকেজ তা থেকে পরিপুর্ন তৃপ্তি অর্জন সম্ভব।

এর জন্য আপনার সঙ্গীর ভাল লাগা, তার শরীরের কোন অংশ অতি সংবেদনশীল তা আবিষ্কার করা, যৌন আসনের পরিবর্তন করে যে আসন সর্বচ্চো কার্যকর তা জানার পর যে কোন যুগল সহজে তাদের শাররীক কাম আগুন নিভাতে সক্ষম হবেন। তাই সম্পর্ক যত পুরোনো পুর্নতৃপ্তির পরিমানও বেশি হয়। শারীরিক মিলন একটি শিল্প এটা রপ্ত করুন। আপনার নিজের জন্য এবং আপনার সঙ্গীর জন্য।

 

অর্থাৎ শুধু লিঙ্গ ( penis) দিয়ে যৌন মিলন হয় না আপনার স্ত্রিকে আদর করছেন এটাও যৌন মিলনের মধ্যে পরে আর নারীরা এটা অনেক বেশি উপভোগ করে থাকেন।
লিঙ্গ ( penis) ন্যাচারাল ভাবে স্বাস্থ্যবান করে তোলার এবং স্বাভাবিক এর চেয়ে একটু লম্বা করার একটা ভালো ব্যায়াম আছে যাকে ইংলিশে বলে “jelq exercise”। jelq exercise নিয়ে দারুন একটি ভিডিও আছে আমি সময় পেলে ওই ভিডিও এবং এর সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাদের জানাব।

 

কোন ঔষুধ নয় ন্যাচারাল ভাবে অনেক কিছুই সম্ভব তাই প্লিজ যৌন বিষয়ে হুট করে না জেনে কোন ঔষুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। আপনার একটি ভুল হয়ত আপনার জীবনে যৌবনের সাদ কেড়ে নিবে! সাবধান।

 

লিঙ্গ ছোট এবং বড় সমস্যা নিয়ে পুরুষের ভুল ধারণা এবং বাস্তবতা! প্রথম পর্ব পড়ুন এখান থেকে

যৌনাঙ্গের পরিমাপ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত

 

 

জানার কোর শেষ নেই। প্রতিদিনই প্রতিটি মানুস নতুন কিছু জানছে বা শিখছে।সবাই সব বিষয়ে জানতে বা শিখতে চায় না।তবে যৌনতা বিষয়ে সবার কম বেশি ধারণা থাকা দরকার। বহু যুগ ধরে যৌনতা সম্পর্কে নানা সত্য-মিথ্যা ধারণা আমাদের মধ্যে প্রচলিত আছে৷ সেই ধারনাগুলি সম্পর্কে আপনার ডক্টর অনলাইক বাংলা হেল্থ সাইটরের পক্ষ থেকে যৌনাঙ্গের পরিমাপ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত আপনাদের জানানো হল৷

 

 

যৌনাঙ্গের পরিমাপ প্রভাবিত করে ?
একজন মহিলার যৌন সেশনকে বেশী মাত্রায় পরিতৃপ্ত করতে তার পুরুষ সঙ্গীর যৌনাঙ্গের আকার – আকৃতি বা পরিমান- পরিমিতি প্রভাবিত করে না৷ এর পরিমিতি মহিলার যৌন চাহিদা পরিতৃপ্ত করতে পারে না৷ যখন সাইজের প্রশ্ন আসে তখন সবার জন্য এক রকম সাইজ কার্যকরী হয় না৷ তাই যৌন কার্যে এটি একটি আপেক্ষিক বিষয়৷
বেশী বড় পুরুষ যৌনাঙ্গের দ্বারা কখনই মহিলাদের খুব বেশী Stimulate করতে পারে না৷ যৌন কার্যকালে গর্ভাশয়ের আগে পর্যন্ত পুরুষ যৌনাঙ্গ পৌঁছলেই তা পরিতৃপ্তির কারণ হয়৷ তা না হলে সঙ্গমকালীন যৌন পরিতৃপ্তি তেমন সুখকর হয়ে ওঠে না৷ এই পরিস্থিতিতে ক্ষেত্রে মহিলারা Satisfied হয় না৷

 

 

সঙ্গম যত বেশী তত ভালো ?
সঙ্গমকালীন অনুভুতি আপনি কেমন করে মিলিত হচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করে, আপনি কতবার সঙ্গম করছেন তার ওপর নির্ভরশীল নয়৷ আমাদের মধ্যে ধারণা আছে, যতবেশি বার
যৌনাঙ্গের মাধ্যমে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়া যায় শারীরিক ক্ষেত্রে তার খুব ভালো ফল পাওয়া যায়৷ আপনার শারীরিক সক্ষমতা বা আপনার সুস্থ স্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা আপনাকে যৌন মিলনে আকর্ষিত করে, এমন কিন্তু নয়, বা সুস্থ-স্বাভাবিক ভাবে প্রতিনিয়ত কয়েকবার যৌন মিলন আপনার শারীরিক সুস্থতা বাড়ায়, এই ধারণা ভুল৷

কতবার বা কতক্ষণ ধরে সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি হচ্ছে তা গুরুত্ব পূর্ণ নয়৷ যৌনতা নিবৃত্তি করাই যৌন মিলনের মূল বিষয় নয়, এটিও এক চরম আনন্দ যা দুজনে একসঙ্গে একভাবে অনুভব করে৷
যৌন মিলনের পদ্ধতি সকলেই জানে ?
প্রথমবার যৌন মিলনকালে প্রত্যেকেই এই ঘটনার জন্য কৌতুহলী থাকে৷ অত্যধিক আগ্রহ বা কৌতুহল বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে শীঘ্রপতনের সমস্যার সৃষ্টি করে৷ এছাড়া সঠিক পদ্ধতিতে যৌনকার্য সম্পাদিত হয় না৷ প্রথম মিলন কালীন সৃষ্ট এই অসুবিধাকে বলা হয় performance anxiety৷ যখন কোন জুড়ি প্রথমবার মিলনে আবদ্ধ হচ্ছেন তার আগে এবিষয়ে সঠিক ভাবে জেনে নেওয়া ভীষণ জরুরি৷

 

যৌন ইচ্ছা মানুষের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে তার মধ্যে চলে আসে ৷ এটি জন্মগত প্রাপ্ত একটি কামনা যা প্রত্যেক প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়৷ আর প্রাকৃতিকগত ভাবেও এই ইচ্ছাটি আমাদের মধ্যে চলে আসে৷ কিন্তু এই কাজের পদ্ধতি আমরা শিখি না৷যৌনাঙ্গের মাধ্যমে সঙ্গিনীর সাথে সঙ্গম নিয়ে যে সকল অবিচ্ছিন্ন ধারণা আমাদের মধ্যে প্রচলিত আছে তা থেকে বেড়িয়ে আসতে বা এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা তৈরি করতে আমাদের এই বিষয়ে সিক্ষা গ্রহণ করা উচিত৷
যৌন মিলন যেকোন স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় একটি চাহিদা তাই এর সঠিক প্রগোগ কৌশল জানা আমাদের একান্ত জরুরী৷
পুরুষের যৌন চাহিদা বেশী থাকে ?
যৌনতায় পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়েরই সমান আগ্রহ থাকে৷ বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ ভালোবাসে যৌন পরিতৃপ্তি পাওয়ার জন্য৷ আর মহিলাদের ক্ষেত্রে ঘটনাটি ঘটে ঠিক উল্টো৷ অর্থাৎ মহিলারা যৌন মিলনে এগিয়ে আসে ভালোবাসা পাওয়ার জন্য৷ যৌন মিলন ভালোবাসার পরিনতি হতে পারে এর উল্টোটা কখনই হয় না অর্থাত যৌন মিলনের ফলে ভালোবাসা সৃষ্টি হতে পারে না৷
মহিলারা তাদের শারীরিক চাহিদা সম্পর্কে এত মুখর হয় না৷ পুরুষ এই চাহিদার কথা অতি সহজেই বলতে পারলে ও মহিলারা তাদের যৌন চাহিদার কথা খুব সহজে বলতে পারেন না৷ কিন্তু আজকাল দেখা যাচ্ছে মহিলারাও এই ব্যপারে তাদের মতামত বা চাহিদার কথা জানাতে বা বলতে দ্বিধা বোধ করছেন না৷

জি-স্পট কি ? নারীর যৌনাঙ্গের জি-স্পট সম্পর্কে বিস্তারিত

 

নারী দেহের জি-স্পটের নাম হয়ত আমরা অনেকেই শুনেছি। কিন্তু বিষয়টা কি এ সম্পর্কে হয়ত আমরা অনেকেই জানি না। ” জি-স্পট ” রহস্য বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো সম্পুর্ন বোধগম্য নয়। তাই আমি যা করতে পারি তা হচ্ছে থিওরি দেয়া – যার মাধ্যমে আপিনি আবিষ্কার করতে পারেন “জি-স্পট” এর অবস্থান, কিভাবে এটি খুজে পাওয়া যাবে এবং “জি-স্পট” দিয়ে কি করবেন?

 

 

ইতিহাস কি বলে ?
‘জি’ অক্ষরটি ‘গ্রাফিনবার্গ’ শব্দের আদ্যক্ষর। গ্রাফিনবার্গ হচ্ছেন একজন গাইনোকলজিষ্ট যিনি ১৯৫০ সালে প্রথম ‘ইউরেথ্রার সাথে যোনী পথে মিলনের সময় যৌন উত্তেজনার সম্পর্ক’ নিয়ে কলাম লিখেন। ‘জি-স্পট’ নিয়ে পরবর্তীকালে ব্যাভারিল হুইপলি এবং জন পিরি নামক দুইজন বিজ্ঞানী বিশদ গবেষনা করেন। গ্রাফিনবার্গের কলাম চাপার ৩০ বছর পর এই বিজ্ঞানীদয় গ্রাফিনবার্গের নামানুসারে ‘জি-স্পট’ নামকরন করেন।

 

 

‘জি-স্পট’ কি ?
ইউরেথ্রার (তলপেটের ঠিক পরে যোনীর ছিদ্রের উপরিভাগে গোলাপি রঙের ভাজ করা অংশ) ভিতর অতিসংবেদনশীল কোষ দ্বারা আবৃত ছোট্র একটি অঞ্চল হচ্ছে ‘জি-স্পট’। নারীর জি-স্পট যৌনাঙ্গের সর্বচ্চ ৫ সেঃমিঃ ভিতরে অবস্থিত। অনেক মহিলা মনে করেন জি-স্পট বলে বিশেষ কোন কিছু নেই। তাদের মতে সমস্ত যোনী সমান সংবেদনশীল। তবে অনেকে জোরালো ভাবে দাবী করেন তারা জি-স্পট স্টিমুলেশানের মাধ্যমে পুর্ন যৌন তৃপ্তি অর্জন করতে পেরেছেন।

 

 

কিভাবে ‘জি-স্পট’ খুজে পাবেন ?
ইউরেথ্রা এবং যোনীর ছিদ্রের মাঝামাঝি অংশে সেন্ডউইচের মত ভাজ করা দেখতে অংগটি হচ্ছে ইউরেথ্রাল স্পঞ্জ। নারীর উত্তেজনার সময় জি-স্পট এর অবস্থান সম্পর্কে জানা খুব সোজা। তাই আপনি যদি একা থাকেন তাহলে যৌন ফ্যান্টাসীর মাধ্যমে নিজেকে উত্তেজিত করে নিন। লক্ষ্য করুন যোনী যেন কামরসে ভিজে যায় এবং যৌনাঙ্গ উত্তপ্ত হয়। কারন উত্তেজিত অবস্থায় জি-স্পট সাধারনের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠে।

 

এবার আপনার মধ্যমা আস্তে আস্তে ইউরেথ্রা স্পঞ্জ এবং যৌনী পথের দেয়াল ঘেষে প্রবেশ করান। বেশিরভাগ মহিলার যোনীপথ তলপেটের দিকে ৪৫ডিগ্রী কৌনিক অবস্থানে থাকে। তাই কৌনিকভাবে প্রায় ৫ সেঃমিঃ ভিতরে যাবার পর বৃত্তাকার একটি অঞ্চল পাবেন যেখানে হালকা চাপ প্রয়োগ করলে প্রস্রাবের বেগ আসবে। তবে চিন্তিত হবেননা। কারন যৌন উত্তেজনার সময় আপনি চেষ্টা করলেও সরাসরি প্রস্রাব চলে আসবে না। হ্যাঁ এটিই জি-স্পট। তবে অনেক নারী ওই অঞ্চলে চাপ দিলে ব্যথা অনুভব করতে পারেন। চিন্তিত হবেন না হয়তো আপনি জি-স্পট থেকে মজা পাবার দলে নন। তবে জি-স্পট ছাড়াও পুর্ন যৌন তৃপ্তি পাওয়া যায়। তাই ভাবনার কোন কারন নেই।

দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা ( প্রথম পর্ব )

 

সাধারণত প্রতি ১০ জনে একজন পুরুষমানুষের সঙ্গমের সময় দ্রুত বীর্যপাত অথবা ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের (erectile dysfunction) মত সমস্যা হয় বলে ধারনা করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতেঃ

 

“কোন পুরুষ যৌনক্রিয়ায় ঠিকভাবে অংশগ্রহণ করতে না পারলে সেটিকে যৌন সমস্যা (Sexual dysfunction) বলা হয়। এর প্রধানতম সমস্যাটি হচ্ছে ঠিকমত ইরেকশন (erection) বা লিঙ্গ সুদৃঢ় না হওয়া। এটি লোকে যা মনে করে তার চেয়ে অনেক বেশি দেখা যায়। ২০-৪০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে ৭-৮%, এবং ৪০-৫০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে ১১% দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় আক্রান্ত হয়। ষাটোর্ধ পুরুষদের ৪০% এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সের পুরুষদের অর্ধেকই দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় ভোগেন।” এটি বিপরিত লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট, সমকামী, বাই-সেক্সুয়াল বা ট্র্যান্সজেন্ডার যে কারো হতে পারে।

 

দ্রুত বীর্যপাত ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা ইম্পোটেন্স (Erectile dysfunction (impotence))
এই সমস্যাটি হলে পুরুষদের লিঙ্গ সুদৃঢ় হয় না বা হলেও তারা সেটি বেশিক্ষন ধরে রাখতে পারে না। বেশিরভাগ পুরুষেরই জীবনে কখনো না কখনো দ্রুত বীর্যপাত সমস্যাটি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে “এটি তখনই সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয় যখন কোন পুরুষ বা তার সঙ্গিনী এটিকে সমস্যা মনে করেন।”

দ্রুত বীর্যপাত ইরেক্টাইল ডিসফাংশন কেন হয়?
অনেকগুলো কারণে দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা হতে পারে। এই কারণগুলোর কয়েকটি মানসিক এবং কয়েকটি শারীরিক। মানসিক কারণে (যেমনঃ নাইট নার্ভ (night nerves) কম বয়সী পুরুষদের দ্রুত বীর্যপাত সমস্যাটি হয়। বেশিরভাগ সময়ই এই সমস্যাটি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তবে অনেক জটিল মানসিক সমস্যার কারনে দ্রুত বীর্যপাত সমস্যাটি হতে পারে যার জন্য সাইকোসেক্সুয়াল থেরাপিস্টের সাহায্য নিতে হতে পারে।

 

কর্মক্ষেত্র, টাকাপয়সা, সম্পর্কের টানাপোড়েন, পারিবারিক সমস্যা এমনকি ইরেকশন না হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার কারনেও সমস্যাটি হতে পারে।

দ্রুত বীর্যপাত (Premature ejaculation):
এই সমস্যাটি হলে পুরুষেরা যৌনক্রিয়ার সময় তারা যখন চান তার আগেই অথ্যাৎ দ্রুত বীর্যপাত ঘটে যায়। এটি উনাকে বা উনার সঙ্গিনীকে হতাশ করলেই কেবল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
দ্রুত বীর্যপাত কেন ঘটে?:
নতুন সঙ্গীর সাথে অতি উত্তেজিত হয়ে পড়ার কারণে অথবা স্থানীয় স্নায়ু ব্যবস্থা (local nervous system) তীব্র সংবেদনশীলতার কারনে দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে। এটি যৌন সক্ষমতা নিয়ে দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস, দুজনের সম্পর্কের অমীমাংসিত কোন বিষয় বা বিষণ্ণতা (depression) থেকেও হতে পারে।

 

দ্রুত বীর্যপাত ঘটলে কী করতে পারি?:
ডাক্তার অথবা সাইকোসেক্সুয়াল থেরাপিস্টের কাছে যান। থেরাপিস্ট আপনাকে বীর্যপাত দেরিতে করার বিভিন্ন টেকনিক শেখাতে পারেন।