April 14 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 14 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার

মেয়েদের হস্তমৈথুন করার ৫ টি দারুন উপায়!

 

 

নিজেই নিজের যৌনাঙ্গ উত্তেজিত করে আনন্দ লাভ করাই হল হস্তমৈথুন বা স্বমেহন। নাম থেকে এই কাজে হস্তের ভূমিকা মুখ্য মনে হলেও অনেক সময় হস্ত ব্যবহার না করেও হস্তমৈথুন করা সম্ভব। সার্ভে করে দেখা গেছে যে পৃথিবীর প্রায় ৯৫% শতাংশ পুরুষ ও ৭০ থেকে ৮০% শতাংশ মহিলা জীবনের কোন না কোন সময় মাস্টারব্রেশন করেছেন। তবে কিছু কিছু সমাজিক ও ধর্মীয় ব্যবস্থায় হস্তমৈথুন করাকে অন্যায় কাজ মনে করা হয়।

 

 

বলা হয় মাস্টারব্রেশন করলে নাকি শরীরের ও মনের ক্ষতি হয়। কিন্তু এমন দাবীর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। পরিমিত মাত্রায় হস্তমৈথুন একটি পুরোদস্তুর স্বাস্থ্যকর বিষয়। এর ফলে মানসিক বা শারিরীক কোন ক্ষতিই হয় না। যদিও মাস্টারব্রেশন করার পদ্ধতি বেশিরভাগ নারী-পুরুষ নিজে থেকেই শিখে যায়, তবুও অনেকের সঠিক উপায়ে মাস্টারব্রেশন করা হচ্ছে কি না সে ব্যাপারে দুঃশ্চিন্তা থাকে। আমরা এই পোস্টে মেয়েদের হস্তমৈথুন করার উপায় সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করবে। তবে উল্লেখ্য যে হস্তমৈথুন একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই ঠিক কিভাবে মাস্টারব্রেশন করলে সবথেকে বেশি তৃপ্তি লাভ হয়ে সেটা নিজেকেই খুঁজে বের করতে হয়। আমাদের এই আলোচনাকে একপ্রকার গাইডলাইন ভাবা যেতে পারে।

 

মেয়েদের হস্তমৈথুন করার উপায়:

১. যোনিদ্বার বা ভালভা এবং ক্লিটোরিস ঘষে বা স্পর্শ করে উত্তেজিত করাই মেয়েদের হস্তমৈথুন -এর সবথেকে সহজ উপায়। মেয়েদের যৌনাঙ্গের বাইরের অংশই যোনিদ্বার বা ভালভা নামে পরিচিত। যোনির সবথেকে বাইরের ফোলা ঠোটের মত অংশ দুটির নাম ল্যাবিয়া মেজরা বা বৃহদোষ্ঠ। বৃহদোষ্ঠের ভেতরে আরও দুটি পাতলা ঠোটের মত বা পাঁপড়ির মত অংশ থাকে যার নাম ক্ষুদ্রোষ্ঠ বা ল্যাবিয়া মাইনোরা। যোনির উপরের দিকে ক্ষুদ্রোষ্ঠদ্বয় পরষ্পরের সাথে যেখানে মিলিত হয় সেই স্থানে ঘোমটার মত একটু ত্বকের দ্বারা আবৃত একটি ছোট্টো, সাদাটে ও ডিম্বাকৃতি অঙ্গের নাম ক্লিটোরিস বা ভগাঙ্কুর। হাতের একটি, দু্টি (বা যতগুলি ইচ্ছে) আঙ্গুল বুলিয়ে (বা ঘষে) সহজেই বৃহদোষ্ঠ এবং ক্ষুদ্রোষ্ঠ উত্তেজিত করে যৌন আনন্দ লাভ করা যায়। তবে সবথেকে বেশি আনন্দ হয় আঙুল বুলিয়ে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে। স্নায়ুর আধিক্যের জন্য ক্লিটোরিসে স্পর্শ করলে তীব্র যৌন আনন্দ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে মেয়েদের অর্গ্যাজম হবার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। হস্তমৈথুনের সময় এমনিতেই যৌনাঙ্গ দিয়ে একধরনের তরল ক্ষরিত হয় যা লুব্রিকেন্ট হিসেবে কাজ করে। তবে শুকনো অবস্থায় মাস্টারব্রেশন করা উচিৎ নয়, তাতে পরবর্তীতে ব্যথা হতে পারে। তাই শুরুতে কিছুক্ষণ যৌন চিন্তা করে বা পর্ণ দেখে বা চটি গল্প পড়ে যৌন উত্তেজনার মাধ্যমে যৌনাঙ্গ থেকে তরল বের হতে শুরু করলে তারপর হস্তমৈথুন করতে পারেন। প্রয়োজনে নিজের লালারস কিংবা ভেসলিন জাতীয় লুব্রিকেন্টও ব্যবহার করা যায়। উল্লেখ্য যে ক্লিটোরিসের গঠন অনেকটা পুরুষদের লিঙ্গের মতন।

 

২. যোনির মধ্যে আঙ্গুল বা অন্য কিছু যেমন ডিলডো, ভাইব্রেটর প্রবেশ করিয়েও হস্তমৈথুন করা যেতে পারে। ওই সময় যদি যোনির সামনের দেওয়ালে অবস্থিত G-spot উত্তেজিত করা যায় তবে আনন্দ আরও অনেক বেশি হতে পারে। G-spot খুঁজে বের করতে হলে যোনির ভেতরে আঙুল প্রবেশ করিয়ে যোনির ২ থেকে ৩ ইঞ্চি ভেতরে যোনির উপরের দেওয়ালের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে দেখা যেতে পারে। যে স্থানে স্পর্শ করলে তীব্র যৌন আনন্দ হবে সেটাই g-spot। দুর্ভাগ্যবশত যেহেতু অনেক সংস্কৃতিতে (বা ধর্মে) মেয়েদের সতীচ্ছদ বা হাইমেনের উপস্থিতি তার কুমারীত্বের প্রমান হিসেবে গন্য করা হয় তাই অবিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে যোনির মধ্যে কোন কিছু প্রবেশ করানো ভবিষ্যতে বিয়ের পথে অন্তরায় হতে পারে। এইসকল ক্ষেত্রে হস্তমৈথুনের প্রকৃষ্ঠ উপায় ক্লিটোরিসে আঙ্গুল বুলিয়ে বা আঙ্গুল ঘষে উত্তেজিত করা।
৩. বিছানায় চিৎ হয়ে পা দুটো একটু ফাঁকা করে শুয়ে উপরে বর্ণিত দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করে ভালভা, ক্লিটোরিস এবং যোনি আঙুল দিয়ে ঘষে সহজেই হস্তমৈথুন করা যায়। তবে ইচ্ছে হলে বসে, দাঁড়িয়ে, নিলডাউন করে, স্নান করার সময় শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে, ইত্যাদি যে ভঙ্গিমায় সুবিধে সেই ভঙ্গিমাতেই উপরের পদ্ধতি অবলম্বন করে হস্তমৈথুন করতে পারেন। হস্তমৈথুনের সময় এক হাত দিয়ে স্তনের চুচুক, নিতম্ব ইত্যাদিও স্পর্শ করে দেখতে পারেন। তাতে যৌন আনন্দ আরও বেশি হতে পারে।

 

৪. জামা কাপড় পড়া অবস্থায় বিছানায় উল্টো হয়ে শুয়ে দুটো ঊরুর মাঝে বালিশ রেখে বালিশের সাথে যৌনাঙ্গ ঘষেও হস্তমৈথুন করতে পারেন। একটু বৈচিত্রের জন্য দাঁড়ানো অবস্থায় টেবিল ইত্যাদির প্রান্তের সাথে আলতো করে যৌনাঙ্গ ঘষেও মাস্টারব্রেশন করা সম্ভব।

 

৫. দুটো ঊরু ক্রস করে চেয়ারে বসে (এক ঊরুর উপর অপর ঊরু তুলে বসে) যদি পায়ের পেশী সংকুচিত করার চেষ্টা করা হয় তাহলেও যৌন আনন্দ লাভ হতে পারে। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে সকলের সামনে স্বমেহন করলেও কেউ বুঝতে পারবে না যে আপনি কিছু করছেন (যদি না আনন্দ আপনার আওয়াজ বা মুখ-চোখের ভঙ্গিমায় ফুটে ওঠে)।

মোদ্দা কথা হল নিজের যৌনাঙ্গ কিভাবে উত্তেজিত করলে সবথেকে বেশি আনন্দ লাভ হয় সেটা নিজেকেই খুঁজে বের করতে হয়। হস্তমৈথুনের মাধ্যমে এই ভাললাগর উপায় খুঁজে বের করতে পারলে তা সত্যিকারের মৈথুন বা যৌসঙ্গমের সময় অনেক কাজে লাগে। তবে একটু ধীরে সুস্থেই মাস্টারব্রেশন করা উচিৎ, নচেৎ যৌনাঙ্গে আঘাত লাগতে পারে। আর কোন অবস্থাতেই হস্তমৈথুন অভ্যাসে পরিণত হতে দেবেন না। তাতে ভবিষ্যতে সহবাসের সময় যৌন আনন্দ কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

 

কোন কোন মেয়ে এখনো সহবাস করেনি চেহারা দেখে চেনার উপায় জেনে নিন!! বিস্তারিত…

 

 

 

ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে আজকের আয়োজন। অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কি করে ভার্জিন মেয়ে যাবে? কেউ জানতে চেয়েছেন বিয়ের প্রথম রাতে আমি কিভাবে বুঝবো আমার স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন? তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের লেখা। চলুন জেনে নেয়া যাক।

ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায়

ভার্জিন মেয়ে দুই ভাবে চেনা যায়। প্রথমত ব্রেস্ট দেখে , দ্বিতীয়ত ভ্যাজিনা দেখে (ব্যাতিক্রম ছাড়া)। এজন্য আপনাকে ব্রেস্ট এবং ভ্যাজিনা ভালভাবে আলোর মধ্যে লক্ষ্য করতে হবে। তাই লাইট জ্বালিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করতে হবে। অনেক মেয়ে লাইট জ্বালিয়ে যৌন মিলন করতে চাইবে না। তাদেরকে কৌশলে রাজি করিয়ে নিন। একেবারে লাইট জ্বালিয়ে মিলন করতে না চাইলে কিন্তু আপনার আর এই পোস্ট কোন কাজে আসবেনা। দেখা গেছে, ভার্জিন মেয়ে রা লাইট জ্বালিয়ে হ্যাজবেন্ড এর সাথে প্রথম সেক্স করতে কোন আপত্তি করেনা। প্রথমে আপত্তি করলেও হ্যাজবেন্ডের অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। তারাই বেশী আপত্তি করে যাদের ভার্জিনিটি প্রশ্নবিদ্ধ!

ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিস্ট জেনে নিন

১. শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)
২. এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়ে দেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে।(মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)
৩. দু হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়ে দের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশী হবে।বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।

ভ্যাজিনার বৈশিস্ট যেমন থাকবে

মেয়েটিকে বিছানায় শুইয়ে দিন।তার দুপায়ের মাঝখানে হাটু গেড়ে বসুন। প্রয়োজন হলে শুয়ে পড়ুন।এবার মেয়েটির হাটুর উপর হাত রেখে দুপা দুদিকে ফাক করুন। এখন মনযোগ দিয়ে ভ্যাজিনা লক্ষ্য করুনঃ

১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ(ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।
২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সাথে সাথে দুদিকে সরে যাবে।এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।
৩. অনেক সময় কোন কারনে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।
৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাজ যুক্ত হবে।
৫. এতক্ষন তো শুনলেন ভ্যাজিনাল লিপ দেখে ভার্জিনিটি বোঝার উপায়। এবার আসেন আরেকটু ভিতরে যাই। দুপা ফাক করে আপনার দুহাত দিয়ে ভ্যাজিনাল লিপ সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন। খেয়াল করে দেখার চেস্টা করুন পর্দা আছে কিনা। পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। মন খারাপ করবেন না। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের গঠন খেয়াল করুন। ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন। আর ছিদ্রের মুখ যদি তারার মত জিক- জ্যাক হয় তবে সমস্যা আছে। তবে সামান্য জিক- জ্যাক চলে কারন দৌড় ঝাপের জন্য ওটুকু ফাটতে পারে কিন্তু যদি বেশী হয় তবে কিন্তু সমস্যা আছে।
৬. উপরের লক্ষন গুলো দেখে যদি মেয়েটিকে ভার্জিন বলে মনে না হয় তবে এবার একটা আঙ্গুল ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকান।

**যদি খুব টাইট ফিল করেন তবে সে ভার্জিন হয়ে থাকতে পারে। ভার্জিন না হলেও সে হয়ত ১-৩ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।
**আর যদি লুজ লাগে কিন্তু ২ টা আঙ্গুল ঢুকাতে কস্ট হয় তবে মেয়েটি ৪- ৬ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।
**আর যদি একটু চেস্টাতেই ২ আঙ্গুল ঢুকে যায় তবে সে ১০++ বার সেক্স করে থাকতে পারে।

ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্যা মনে রাখতে হবে

– ফিঙ্গারিং এর কারনে ভ্যাজিনাল লিপ কিছুটা লুজ হতে পারে।
– দৌড় ঝাপের কারনে পর্দার জিক- জ্যাক কিছুটা বাড়তে পারে।
– ২/১ বার শারিরীক সম্পর্ক এ অনেক সময় মেয়েদের যোনি তেমন কোন পরিবর্তন হয়না।
– অনেকবার শারিরীক সম্পর্ক করার পরেও ৬ মাস থেকে ২ বছরের বিরতিতে যোনি কিছুটা টাইট হয়।
– মোটা মেয়েদের ব্রেস্ট স্বভাবতই কিছুটা ঝুলানো থাকে। তাদের থাই মোটা হওয়ায় দু পায়ের চাপে লিবিয়া মেজরা কছুটা লুজ হতে পারে।
– ব্লাড বের না হওয়া মানেই ভার্জিন মেয়ে এমনটি নয়।
– উপরের পরীক্ষা গুলো এমন ভাবে করবেন যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে টেস্ট করছেন।একবারে টেস্ট না করে আদর করার ফাকে ফাকে টেস্ট করুন।
– মেয়েদের চোখ, হাটার ভঙ্গি, নিতম্ব, হাসি, কাপড়/ওড়না পড়ার স্টাইল ইত্যাদি দেখে ভার্জিন মেয়ে অনুমান করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় !!

বিয়ের কয় দিন পর বাসর রাত হয়, সে রাতে কি করতে হয়?

 

 

 

বিয়ের প্রথম রাতেই বাসর রাত হয়। এবং এরাতে দুটি মানুষের মনের মিল ঘটে। এবং বৈধ যৌন মিলনে আবদ্ধ হয়।

 

কোরআন হাদিসের আলোকে বাসর রাতের করনীয় ও বর্জনীয় ৮টি কাজঃ

এক. বিয়ের নিয়ত শুদ্ধ করা :

বাসর রাত নারী-পুরুষের উভয়ের উচিত বিয়ের মাধ্যমে নিজকে হারামে লিপ্ত হওয়া থেকে বাঁচানোর নিয়ত করা। তাহলে উভয়ে এর দ্বারা ছাদাকার ছাওয়াব লাভ করবে।কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের সবার স্ত্রীর যোনিতেও রয়েছে ছাদাকা। সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ আমাদের কেউ কি তার জৈবিক চাহিদা মেটাবে আর তার জন্য সে কি নেকী লাভ করবে? তিনি বললেন, তোমরা কি মনে করো যদি সে ওই চাহিদা হারাম উপায়ে মেটাতো তাহলে তার জন্য কোনো গুনাহ হত না? (অবশ্যই হতো) অতএব তেমনি সে যখন তা হালাল উপায়ে মেটায়, তার জন্য নেকি লেখা হয়।

দুই.  বাসর রাত এ স্ত্রীর মাথার অগ্রভাগে ডান হাত রাখে যে দোআ পড়া :

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের কেউ যখন কোনো নারী, ভৃত্য বা বাহন থেকে উপকৃত হয় (বিয়েবা খরিদ করে) তবে সে যেন তার মাথার অগ্রভাগ ধরে, বিসমিল্লাহ পড়ে এবং বলে :হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এর ও এর স্বভাবের কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং এর ও এর স্বভাবের অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)

 

 

তিন.  বাসর রাত এ স্বামী-স্ত্রী উভয়ে একসঙ্গে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা :

আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,  বাসর রাত এ স্ত্রী যখন স্বামীর কাছে যাবে, স্বামী তখন দাঁড়িয়ে যাবে। আর স্ত্রীও দাঁড়িয়ে যাবে তার পেছনে। অতপর তারা একসঙ্গে দুইরাকাত সালাত আদায় করবে এবং বলবে, হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য আমার পরিবারে বরকত দিন আর আমার ভেতরেও বরকত দিন পরিবারের জন্য। আয় আল্লাহ, আপনি তাদের থেকে আমাকে রিযক দিন আর আমার থেকে তাদেরও রিযক দিন। হে আল্লাহ, আপনি আমাদের যতদিন একত্রে রাখেন কল্যাণেই একত্র রাখুনআর আমাদের মাঝে যখন বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেবেন তখন কল্যাণের পথেই বিচ্ছেদ ঘটাবেন।

 

চার.  বাসর রাত এ স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের দোআ পড়া :

স্ত্রী সহবাসকালে নিচের দুআ পড়া সুন্নত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,তোমাদের কেউ যদি স্ত্রী সঙ্গমকালে বলে, (আল্লাহর নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ, আমাদেরকে শয়তানের কাছ থেকে দূরে রাখুন আর আমাদের যা দান করেন তা থেকে দূরে রাখুন শয়তানকে।) তবে সে মিলনে কোনো সন্তান দান করা হলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারবে না।  সঙ্গমকালে লিঙ্গ শক্ত না হওয়ার কারন ও সমাধান

পাচ. বাসর রাত নিষিদ্ধ সময় ও জায়গা থেকে বিরত থাকা :

আবূ হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি কোনো ঋতুবতী মহিলার সঙ্গে কিংবা স্ত্রীর পেছন পথে সঙ্গম করে অথবা গণকের কাছে যায় এবং তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে, সে যেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যা অবতীর্ণহয়েছে তা অস্বীকার করলো।

ছয়. ঘুমানোর আগে অজু বা গোসল করা :

বাসর রাত এ স্ত্রী সহবাসের পর সুন্নত হলো অযূ বা গোসল করে তবেই ঘুমানো। অবশ্য গোসল করাই উত্তম। আম্মার বিন ইয়াসার রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তিন ব্যক্তির কাছে ফেরেশতা আসে না : কাফের ব্যক্তির লাশ, জাফরান ব্যবহারকারী এবং অপবিত্র শরীর বিশিষ্ট ব্যক্তি, যতক্ষণ না সে অযূ করে।

সাত. ঋতুবতীর স্ত্রীর সঙ্গে  বাসর রাতে যা কিছুর অনুমতি রয়েছে :

হ্যা, স্বামীর জন্য ঋতুবতী স্ত্রীর সঙ্গে যোনি ব্যবহার ছাড়া অন্য সব আচরণের অনুমতি রয়েছে। স্ত্রী পবিত্র হবার পর গোসল করলে তার সঙ্গে সবকিছুই বৈধ। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সবই করতে পারবে কেবল সঙ্গম ছাড়া।

আট.   বাসর রাতে স্ত্রী সান্নিধ্যের গোপন তথ্য প্রকাশ না করা :

বাসর রাত এ বিবাহিত ব্যক্তির আরেকটি কর্তব্য হলো স্ত্রী সংসর্গের গোপন তথ্য কারো কাছে প্রকাশ না করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে ওই ব্যক্তি সবচে নিকৃষ্ট বলে গণ্য হবে যে তার স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হয় এবং স্ত্রী তার ঘনিষ্ঠ হয় অতপর সে এর গোপন বিষয় প্রচার করে।

 

 

 

কনডম ছাড়াও নিরাপদ সহবাস করার কৌশল জেনে নিন

 

 

কনডম বা কন্ডোম (ইংরেজি: Condom) প্রধানত যৌনসংগমকালে ব্যবহৃত এক প্রকার জন্মনিরোধক বস্তু। এটি মূলত গর্ভাধান ও গনোরিয়া, সিফিলিস ও এইচআইভি-এর মতো যৌনরোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি পুরুষদের উত্থিত পুরুষাঙ্গে পরানো হয়। রেতঃস্খলনের পর কনডম যৌনসঙ্গীর শরীরে বীর্য প্রবেশে বাধা দেয়। কনডম জলাভেদ্য, স্থিতিস্থাপক ও টেকসই বলে একে অন্যান্য কাজেও লাগানো যায়। বীর্যহীনতা চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য কনডমের মধ্যে করে বীর্য সংগ্রহ করা হয়। জলাভেদ্য মাইক্রোফোন তৈরি ও রাইফেলের ব্যারেল নোংরা পচা বস্তু দ্বারা বুজে যাওয়া আটকাতেও কনডম ব্যবহৃত হয়।

 

জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য সকলেই গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট কিংবা কন্ডোমের উপরই ভরসা করেন৷নিরাপদ সহবাস করার কৌশল জানলে আধুনিক পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে৷ এই সম্পর্কে ধারনা থাকলে চিকিৎসকের কাছেও যাওয়ার প্রযোজন পড়ে না৷ এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম।

 

 

মহিলাদের স্বাভাবিক ঋতুচক্র প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত৷ এতে এমন কিছুদিন রয়েছে, যাকে নিরাপদ দিন বা সেফ পিরিয়ড বলা হয়৷ এই দিনগুলিতে সহবাস করলেও গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকে না৷ সেফ পিরিয়ডের দিনগুলিও প্রকৃতিগতভাবে নির্দিষ্ট৷ এই কারণেই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা বলা যেতেই পারে৷ চিকিৎসকেরা এতে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলে থাকেন৷ এই পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জানা দরকার ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলি৷

 

এই পদ্ধতির জন্য সবার আগে জানতে হবে মাসিক ঋতুচক্র নিয়মিত হয় কিনা৷ হলে তা কত দিন অন্তর হয়৷ সবচেয়ে কম যত দিন পর পর মাসিক হয়, তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিতে হবে৷ পিরিয়ড শুরুর প্রথম দিন থেকে এই দিনটিই হল প্রথম অনিরাপদ দিন৷ আবার সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর পিরিয়ড হয়, তা থেকে ১০ দিন বাদ দিলে মাসিক শুরুর প্রথম দিন থেকে এই দিনটিই হল শেষ অনিরাপদ দিন৷

 

 

 

 

ধরুন আপনার পিরিয়ড ২৮ থেকে ২০ দিন অন্তর হয়৷ তবে ২৮-১৮= ১০, অর্থাৎ পিরিয়ড শুরুর পর থেকে প্রায় নয় দিন আপনার জন্য নিরাপদ, এই দিনগুলিতে কোন পদ্ধতি ব্যবহার না করেও সহবাস অনায়াসেই করা সম্ভব৷ ১০ নম্বর দিন থেকে অনিরাপদ দিন শুরু৷ তাই এই দিন থেকে সহবাসে সংযত হতে হবে৷

 

৩০ দিন হল দীর্ঘতম মাসিকচক্র৷ তাই ৩০-১০= ২০, অর্থাৎ ২০ নম্বর দিনটিই হল শেষ অনিরাপদ দিন৷ ২১তম দিন থেকে আবার অবাধে সহবাস করা যেতে পারে৷ এতে গর্ভধারণের সম্ভাবনা নেই৷ তবে, এতে ১০ থেকে ২০ দিনের মধ্যে অবাধ সহবাসের ফলে গর্ভধারন হতে পারে৷

 

এই বিষয়েটি সহজভাবে বোঝালে পিরিয়ড শুরুর প্রথম সাতদিন ও শেষের প্রথম সাতদিন সহবাস করা নিরাপদ৷ তবে, পিরিয়ড নিয়মিত না হলে এই পদ্ধতি কার্যকর হবে না৷ এছাড়াও প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ৮০ শতাংশ নিরাপদ৷

 

সাধারণত, পিরিয়ডের হিসেবে গন্ডগোল, অনিরাপদ দিবসে সহবাস, অনুমিত পিরিয়ডের ফলে প্রাকৃতির গর্ভনিরোধকের পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারে৷ তাই, সঠিকভাবে জানতে একবার অন্তত চিকিৎসকেরা পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন৷

 

 

আবার কিছু পুরুষের শুক্রাণুর আয়ু বেশি হওয়ায় তারা এতে সাফল্য নাও পেতে পারেন৷ সেক্ষেত্রে অনুরাপদ দিবসে দুই দিন বাড়িয়ে নেওয়া প্রয়োজন৷ একে অনেকে প্রোগ্রামড সেক্স বলে৷ অনেকেই এ বিষয়ে সংশয় পোষণ করেন, কিন্তু একবার এই পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এটি অনেক বেশি সহজ ও আরামদায়ক৷ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই৷

 

যৌন শক্তি বৃদ্ধির অন্যতম উপায় হল মিসওয়াক করা!

যৌন শক্তি বা সেক্স পাওয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন পথ ও পদ্ধতি আছে।এখন একটি আত্মীক ও ঈমানী আলোচনা পেশ করা হচ্ছে। নবী করীম (সাঃ) এর সুন্নত মেসওয়াক করা। মেসওয়াক করার দ্বরা দুনিয়া ও আখেরাত উভয়টিরই অগণিত উপকার রয়েছে।  যৌন শক্তি বৃদ্ধিসহ মেসওয়াকের যতগুলো উপকার রয়েছে, তন্মধ্যে নিম্মে কিছু আলোকপাত করছি।

মেসওয়াক করার দ্বারা সেক্স পাওয়ার মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়। স্ত্রীর মুখের দুর্গন্ধ স্বামীর মনে যৌন চাহিদার মাত্রা যতই থাকুক না কেন, তাকে প্রতিরোধ করে দেয়। এ দুর্গন্ধ বন্ধের অন্যতম উপায় হল মেসওয়াক করা।
বিভিন্ন হাদীসের আলোকে জানা যায়, মেসওয়াক করার দ্বারা মুখে সুঘ্রাণ সৃষ্টি হয়, মুখ পরিস্কার হয়, দিল দেমাগ শক্তিশালী হয়, অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, মেসওয়াককারী ব্যক্তির সাথে ফেরেস্তারা মুসাফাহা করে, যিনা ব্যভিচার থেকে মুক্তির উপায়, দাঁতকে শক্তিশালী বানায়, দাঁতে ঝলক সৃষ্টি করে, দাঁতের মাড়ি মজবুত করে, কাশ বের করে দেয়, দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়, ক্ষুধা বৃদ্ধি করে, মেসওয়াকে অভ্যস্ত ব্যক্তির রুজী রোজগার সহজলভ্য হয়ে যায়, অনেক দেরিতে বৃদ্ধপনা দেখা দেয়, কোমর মজবুত ও শক্তিশালী বানায় ইত্যাদি।

বিয়ে না করে পুরুষের সঙ্গে বসবাস করলে মেয়েদের যে ৭টি সুবিধে!

ভারতে দু’জন অবিবাহিত মানুষের মধ্যে লিভ-ইন আইনসম্মত। শহরগুলিতে এখন অনেকেই বিয়ে না করেই একসঙ্গে থাকেন এবং সন্তানপালনও করেন। এই ব্যবস্থার বিপদ যেমন আছে, সুবিধেও তেমন আছে, বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে।

লিভ-ইন করা উচিত কি অনুচিত তা এই প্রতিবেদনের বিচার্য বিষয় নয়। লিভ-ইন করার জন্য উৎসাহ দেওয়াও আমাদের কাজ নয়। বলা হয় লিভ-ইন করলে ছেলেদের পক্ষে সুবিধা কারণ তাদের কোনও দায়িত্ব নিতে হয় না। কিন্তু সুবিধাটি শুধু ছেলেদের নয়, মেয়েরাও এই ট্রেন্ড থেকে প্রচুর সুবিধাভোগ করেন—

১) মেয়েদের সবচেয়ে কষ্টের সময় হল বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি যাওয়া। বহু মেয়ের কাছেই এটা ট্রমায় পরিণত হয়। লিভ-ইনে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কোনও ব্যাপারই নেই।

২) লিভ-ইন মানেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আলাদা একটি বাড়িতে দু’জনে একসঙ্গে থাকা, অর্থাৎ বাবা-মায়ের শাসন নেই, শ্বশুর-শাশুড়ির চোখরাঙানিও নেই। উইক-এন্ডে বন্ধুদের সঙ্গে রাতভর পার্টি করতে কেউ আটকাচ্ছে না।

৩) লিভ-ইন মানেই একটি সমান-সমান সম্পর্ক। ছেলেরা এখানে ‘পার্টনার’, স্বামী নন। তাই সামাজিক ট্রেন্ড অনুযায়ী অতিরিক্ত কর্তৃত্ব করার কোনও জায়গা নেই।

৪) দু’টি মানুষের মধ্যে বনিবনা না হলেও, সম্পর্ক অসহনীয় হয়ে উঠলেও একসঙ্গে থাকার বাধ্যবাধকতা নেই, যা বেশিরভাগ বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে রয়েছে।

৫) দু’জন মানুষের মধ্যে সম্পর্ক দু’জন মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে লিভ-ইন-এ। টিভি সিরিয়ালে যেমন দেখা যায় সেরকম ননদ বা জা-এর কূটকচালির কোনও জায়গাই নেই এখানে।

৬) বেশিরভাগ মেয়েদেরই বিয়ের পরে শুনতে হয় যে বাড়ির ‘বউ’-কে কী কী করতে নেই এবং কী কী করা উচিত। লিভ-ইনে এই সব বলার কেউ নেই।

 

৭) লিভ-ইন-এ সন্তানের জন্ম হলে তার ন্যাচারাল গার্ডিয়ান কিন্তু মা, বাবার স্টেটাস সেখানে বায়োলজিক্যাল ফাদার। কিন্তু বিবাহিত হলে গার্ডিয়ান স্টেটাস কিন্তু বাবারই থাকে। শিক্ষা-দীক্ষা থেকে শুরু করে বিয়ে, বাবার সিদ্ধান্তই মূলত গৃহীত হয়। লিভ-ইন-এর সন্তানের ক্ষেত্রে কিন্তু মায়ের হাতেই সব ক্ষমতা।

কি কারনে মহিলাদের সঙ্গম কালে সমস্যা হয় ?

 

 

সঙ্গম পরিপূর্ণ জীবনকালে প্রত্যেকের চাওয়া পাওয়া। পরিণত বয়সের নারী ও পুরুষ অনেকের কাছে যে সমস্যা অনেক সময় প্রকট হয়ে উঠে তা হলো যৌন দূর্বলতা, যার কারণে অনেক সময় দম্পতি মানসিক অশান্তিতে ভোগেন। পুরুষের ও মহিলাদের সঙ্গম সমস্যা গুলি কিছু ভিন্ন রকমের।

 

 

পৃথিবীতে শতকরা ৪৩ভাগ পরিণত বয়সের মহিলা কোন না কোন সঙ্গমের সমস্যায় ভোগেন থাকেন। সঙ্গম সমস্যার কোনটি যৌন উত্তেজনা বোধ না করার কারনে, কোনটি আবার যৌন কার্যে আগ্রহ বোধ না করা, সঙ্গমে ব্যথা অনুভব করা ইত্যাদি উপসর্গ সমন্নয়ে বিন্যস্ত।
সাধারণত কিছু কিছু রোগে আক্রান্ত হলে মহিলাদের সঙ্গম এর সমস্যা গুলি দেখা দেয়। এই রোগ গুলি হলো হৃদ-রোগ উচ্চ রক্ত চাপ High blood pressure কিংবা হাইপারটেনশন এন্ডোক্রাইন বা হরমোনের সমস্যা (যেমনঃ ডায়াবেটিস Diabetes, হাইপোপ্রলাকটিনোমিয়া Haipopralakatinomiya ইত্যাদি) নিউরোলজিকাল রোগ (যেমনঃ স্ট্রোক, মেরুদন্ডের রজ্জু কিংবা স্পাইনাল কর্ডে আঘাত)।
বড় কোনো সার্জারি করা বা আঘাত পাওয়া কিডনি রোগ, লিভার রোগ, মানসিক চাপ, বা বিভিন্ন মানসিক ব্যধি এছাড়া কিছু কিছু ঔসুধ সেবনের (medicine) কারনে এমন সমস্যা দেখা দেয়।

 

এসব সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। Behavioral modification এবং কিছু ঔসুধ medicine (যেমনঃ হরমোন) এবং কিছু কিছু ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে এসকল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

 

 

 

খালি পেটে থাকলে যৌন মিলন,করলে কি হয়?

 

 

কোনো ব্যক্তি ক্ষুধার্ত থাকলে তিনি কয়েক মুহূর্তের জন্য যুক্তি দিয়ে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এত গেল খালি পেটে থাকার একটি মাত্র অপকারিতার কথা। কিন্তু আপনি কি জানেন, যে এর বাইরেও ক্ষুধার্ত থাকার একাধিক অপকারিতা রয়েছে যা শরীরে প্রভাব ফেলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত নয়। খালি পেট আপনার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ঘ্রেলিন নামের এক হরমোন এর জন্য দায়ী। গবেষণায় বলা হচ্ছে ক্ষুধা বৃদ্ধিকারী হরমোন কোনো কোনো সময় আপনাকে আবেগপ্রবণ করে তুলতে পারে।

আসুন জেনে নেই খালি পেটে বেশিক্ষণ থাকার কি কি সমস্যা হয় –

১।খাবার থেকে নিজেকে যত দুরে সরিয়ে রাখবেন তত বেশি খাবারের প্রতি লোভ বেড়ে যায়। আর তার ফলেই অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, বেশি খাওয়া এই ধরনের নানা সমস্যা হতে পারে। যা শরীরকে দীর্ঘকালে ভয়ঙ্করভাবে প্রভাবিত করে।

২। শরীর যদি খাবার না পায় তাহলে শরীরের প্রয়োজন অপূর্ণ রয়ে যায়। ফলে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, আচমকা ব্ল্যাক আউট, মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতে পারে।
৩। নিয়মিত বিরতিতে না খেলে রক্তের শর্করার পরিমাণ প্রভাবিত হতে পারে। আর রক্তের শর্করার পরিমান ওঠানামা করা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

৪। নির্দিষ্ট সময় পরে পরে না খেলে শরীরের এনার্জি কমতে শুরু করে। এর ফলে ঘুম ঘুম ভাব, ক্লান্তি, দুর্বল লাগা প্রভৃতি সমস্যা হতে পারে।

৫। খাবারের অভাবে আপনার কোনও নির্দিষ্ট কাজে মনোনিবেশের ক্ষমতা কমে যেতে পারে। মাথায় খালি খাবার সংক্রান্ত চিন্তাভাবনা হতে পারে।

 

৬। খাবারের অভাবে শরীরে এনার্জি থাকবে না। ফলে আপনার উৎপাদন ক্ষমতা কমবে। ধীরে ধীরে আপনার শরীরও ভিতর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৭। শরীর ক্রমশ না খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে যাবে এবং শরীরে মেদ জমতে শুরু করবে। তাই কখনও খালি পেটে থাকবেন না।

সমকামি নারী’দের চেনার উপায় কি?

সমকামি নারীদেরকে চেনার উপায় এজন্য লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে, যেন তাদের গার্জিয়ানরা তাদেরকে সংশোধন করতে পারেন। তাদের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়ে তাদেরকে সঠিক পথ দেখাতে পারেন। এতে উভয়ের জন্য রয়েছে অফুরান্ত কল্যাণ। এ বিষয়ে লিখে তাদেরকে অপদস্থ করা উদ্দেশ্য নয়। হাদীসে আছে, যে ব্যক্তি কারো দোষ গপন করবে, কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাআলা তাঁর দোষ গোপন করবেন।

সমকামি নারী

সমকামি নারীদের কে চেনার উপায় হল- তাদের মেজায থাকবে তিক্ত, সামান্যতেই রেগে যাবে। সব সময় তাদের নাকের উপর রাগের চিহ্ন ফুটে থাকবে, চেহারা থাকবে কুঞ্চিত, চোখের নিচে কালো দাগ, চেহারা ফেকাশে, চেহারার মাঝে খারাবতার চাপ ফুটে উঠবে, চেহারা সব সময় শুকনো শুকনো মনে হবে, চেহারার উজ্জলতা নিস্তেজ এবং চোখদ্বয় কোঠরাগত হবে, চোখের চারপাশে চিন্তা ও টেনশনের ছাপ প্রস্ফুটিত হবে। এসব নারীদের সব সময় মাথা ব্যাথা থাকে, কথার আওয়াজে কোনো ভারত্বভাব থাকবে না। মাথার চুল অতি অল্প বয়সেই ঝরতে থাকবে। অতি অল্প বয়সেই চুল সাদা হতে থাকবে। ক্ষুধা হ্রাস পাবে। আবার যা খাবে, তাও সহজে হজম হবে না। সব সময় দিল ধরফর করতে থাকবে। আবার অনেকের ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। আবার যদি ঋতুস্রাব আসেও তবু তা পরিমাণে একেবারেই সামান্য। ঋতুস্রাবের রক্ত থাকবে কালো রঙয়ের দিকে ধাবমান এবং তা হবে খুবই দুর্গন্ধ যুক্ত।

 

পিঠ ও রানেও ব্যাথা অনুভব হবে। জরায়ুর ভিতরে এবং লজ্জাস্থানের বহিরাংশ ফুলে যাবে। জরায়ু থেকে ক্রমাগত রক্ত পরতেই থাকবে। লজ্জাস্থানে জ্বলন রোগ দেখা দিতে পারে।

মেয়েদের যৌন চাহিদা কখন বেশি থাকে?

 

মেয়েদের  যৌন চাহিদা বা কাম বাসনা রয়েছে। কিন্তু আনেক ক্ষেত্রেই এমন টা হতে পারে যে আপনাকে আর চূড়ান্ত তৃপ্তি দিচ্ছে না সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূত।

– মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।

– ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।

– মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌন কর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দকরে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌন কর্মের sex চেয়ে বেশী মজা পায়।
– মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের”বীর্যপাত” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।

– ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য সেক্সের কোন দরকার নেই।

– যোনিতে পেনিস ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।

– মেয়েদের girls যোনির সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, পেনিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পেনিসের দরকার হয় না। বাচ্চা ছেলের পেনিসও এই মজা দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার

সেক্সের সময় মেয়েরা কাঁদে, কিন্তু কেন জেনে নিন

 

 

অনেক মেয়ে মিলনের সময় কাঁদে, কিন্তু কেন ?
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘পোস্টু কইটাল ডিসফোরিয়া বা পিসিডি’ বলা হয়। সেক্সের পর চোখে পানি, বিষণ্নতাবোধ, আগ্রাসী মনোভাবের শিকার বলে মনে হওয়া এবং উৎকণ্ঠা বোধ হওয়া এ সমস্যার লক্ষণ।

এ গবেষণায় আমেরিকায় ২৩০ জন নারীর ওপর জরিপ চালানো হয়। এদের ৫ শতাংশ জানান, বিগত মাসগুলোতে বেশ কয়েকবার তাদের এ সমস্যা হয়েছে।

২০১১ সালে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব সেক্সুয়াল হেলথ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এক-তৃতীয়াংশ নারী তৃপ্তিদায়ক যৌনকর্মের পরও বিষণ্নতায় ভোগেন। তারা কাঁন্নার পেছনে বেশ সশয় ব্যয় করেন
এমনকি সেক্সের আগেও অনেক নারী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ২৮ বছরৃ
বয়সী লরা নামের এক নারী জানান যে, সঙ্গী তাকে জড়িয়ে ধরার পরই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। অনেক সময় এ অবস্থা কয়েক ঘণ্টা ধরে স্থায়ী হতে পারে। অনেক সময় সেক্সের পর রাতে ঘুমিয়ে সকালে ওঠার পরও মনে হয়, মনটা খারাপ হয়ে আছে।

২৫ বছর বয়সী সোফি জানান, সেক্সের পর প্রায়ই আমি কাঁদি। আমার কাছে মনে হয়, হয়তো এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্যে দেহে অনেক বেশি হরমোনের প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞ ড. পেট্রা বয়নটন জানান, যৌনতার পর দুঃখবোধ হওয়া বা বিষণ্ন হয়ে পড়ার বিষয়টি অনেকগুলো কারণের ওপর নির্ভর করতে পারে। নানা ধরনের আবেগ নানাভাবে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে।

এমনকি ছেলেরাও কাঁদতে পারেন। ৩১ বছর বয়সী চার্লি জানান, জীবনে প্রথমবার সেক্স করার পর প্রচুর কেঁদেছি। আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।

সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জেন ডে বলেন, নানা স্বাদ ও গন্ধ হয়ে জীবনে আসে সেক্স। খুব আবেগের সঙ্গে, ধীর লয়ে ও গভীর অনুভূতি নিয়ে যৌনতার পর এমনিতেই মনটা ভার হয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ের সঙ্গে সবাই অভ্যস্ত না হয়ে উঠলে ভুল ব্যাখ্যা আসতে পারে। পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় আশঙ্কা, দুশ্চিন্তা এবং ভালো না লাগার অনুভূতি চলে আসতে পারে।
তবে ড. বয়নটনের মতে, এ সমস্যা কিন্তু দুজনকে মানসিকভাবে আরো কাছে আনতে পারে। আবার সেক্সের ধরনের ওপরও আবেগে নানাভাবে নাড়া লাগতে পারে।