April 15 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 15 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার

বাচ্চা নষ্ট করার জন্য কি করতে হবে ও মাসিক ক্লিয়ারের উপায় কি?

 

 

এখন এপ্রিলের ২ তারিখ মিন্স হয়েছে বাট ক্লিয়ার হয়নি, ৩ তারিখ থেকে মাসিক হয়নি। পরে ৫ তারিখ বেবী চেকে পজেটিভ রেজাল্ট পেয়েছে।

এখন মাসিক ক্লিয়ারের জন্য কি করা যায়?
বাচ্চা নষ্ট করার জন্য কি করতে হবে?
আর ইসোভেন্ট ট্যাবলেট কখন খেতে হবে?

 

প্লিজ আমাকে জানালে বিশেষভাবে উপকৃত হতাম এবং আপনাদের টীমের কাছে কৃতজ্ঞ থাকিবো।

বিঃদ্রঃ ইমার্জেন্সি পিল কয়েকটা কোম্পানির আছে যা ৭২ ঘন্টার মধ্যে খেতে হয় আর কয়েকটা কোম্পানির তৈরি করা পিল আছে যা ১২০ ঘন্টার মধ্যে খেতে হয়। এগুলোর সফলতার হার ৭০% – ৯৫% অর্থাৎ এগুলো সবসময় কাজ নাও কর‍তে পারে। অন্যদিকে স্পার্ম ৭ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে ডিম্বানুর অপেক্ষায়। ৪২-৬০ দিনের মধ্যে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট দিয়ে প্রেগন্যান্সি সম্পর্কে প্রায় পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়। এখন যদি টেস্ট কিট দিয়ে পজিটিভ ফল পান, তাহলে ভাল ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবরশন করানোর জন্য। হাতুড়ে ডাক্তারের বা কবিরাজ ইত্যাদির পরামর্শ নিতে যাবেন না, এতে স্ত্রীর মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।

আর আপনি মনে হয় ভালোভাবে জানেন যে, পেচে বাচ্চা আসলে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। তাই বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় মাসিক শুরু হবে। তারপরও মাসিক বিষয়ে কোন সমস্রা বা প্রশ্ন থাকলে আমাদের মাসিক বিষয়ক পোষ্টগুলো পড়তে পারেন।

 

 

 

বাচ্চা নষ্ট করতে হলে কি করতে হবে?

 

 

প্রশ্ন: ৩৫ দিন আগে সহবাস করা হয়েছে, এখন বাচ্চা নষ্ট করতে হলে কি করতে হবে ।

উত্তর: গর্ভপাত করার ঔষধ প্রয়োগ করে বাচ্চা নষ্ট করা যাবে। তবে তা ৩ মাসের মধ্যেই করতে হয়। এছাড়া এবর্শন করাতে পারেন। কিন্তু যাই করেন না কেন আগে গিয়ে ভালো একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেন। আর সম্ভব হলে এই সব এড়িয়ে যাওয়াই ভাল কারন এগুলো করা মোটেও ভাল কিছু নয়।
তাছাড়া আপনি বাজার থেকে MM Kit কিনে এনে সেটা খেয়ে দুই মাস বয়স পর্যন্ত বাচ্চা নষ্ট করতে পারবেন। ব্যবহার বিধি প্যাকেটের গায়ে লেখা আছে। তবে একটা কথা, ঔষধ সেবন করলে অনেক রক্তক্ষরণ হবে। আর রক্ত বন্ধ না হলে বিপদ হতে পারে। এজন্য অবশ্যই একজন স্থানীয় ডাঃ এর তত্ত্বাবধানে থেকে এই ঔষধ সেবন করতে হবে। একা একা সেবন করা মোটেই ঠিক নয়। 

নিরপদ যৌনতায় কনডম এর চিন্তা আর নয়

 

 

চিন্তা নেই! এবার কনডম ছাড়াই অবাধে করুন যৌনতা। কোনও সমস্যায় পড়তে হবে না। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাজারে আসছে ‘যাদুকরী’ একটি ইঞ্জেকশন। যা একবার ব্যবহার করলে এক বছরের জন্য কনডম ছাড়াই সহবাস করতে পারবেন কোনও পুরুষ।

 

নিরপদ যৌনতায় কনডম এর চিন্তা আর নয়

একটি গবেষক দলের দাবি, ভ্যাসালজেল নামের ওই গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশন তৈরির ব্যাপারে সাফল্য পাওয়া গিয়েছে ইতিমধ্যে। যদিও এনিয়ে এখনও কিছুটা পরীক্ষানিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। তবে গবেষকদের আশা, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই ইঞ্জেকশনটি বাজারে চলে আসবে।

 

 

মহিলাদের জন্যে একাধিক জন্মনিয়ন্ত্রক পিল থাকলেও, পুরুষদের জন্য মূলত দুটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। একটি হল কনডমের ব্যবহার, অন্যটি বন্ধ্যাত্বকরণ (ভ্যাসেকটোমি)। যদিও কনডম শুধু জন্মনিয়ন্ত্রণই নয়, রোগ প্রতিরোধেও কার্যকর। কিন্তু এর বাইরে দীর্ঘস্থায়ী, কিন্তু ব্যবহার করা বন্ধ করলে প্রজনন ক্ষমতা ফিরে পাওয়া যায়, এমন কোনও ব্যবস্থা নেই। আর এই ক্ষেত্রেই ভ্যালাসজেল কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে।

আপাতত খরগোসের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা দেখেছেন, ভ্যালাসজেলের জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রভাব ১২ মাস স্থায়ী হয়েছে। আমেরিকার শিকাগোর ইলিনিওস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলের প্রধান ডোনাল্ড ওয়েলার বলেছেন, খরগোসের ওপর এই পরীক্ষায় প্রত্যাশার থেকেও ভালো ফল পাওয়া গিয়েছে। আমেরিকার অলাভজনক সংস্থা পারসিমাস ফাউন্ডেশন ভ্যাসালজেল তৈরি করেছে।

 

যে ভুলের কারনে লিঙ্গ ছোট হয়! সবার জেনে রাখা উচিৎ

 

 

মূলত যৌন আচরণের যে দিকটি পুরুষের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর তা হলো লিঙ্গ বা পুরুষাঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। এটিকে আমরা অনেক সময় ইরেকটাইল ডিসফাংশন বলে থাকি। অবশ্য মেডিকেল টার্ম হিসেবে একে ইম্পোটেন্স বা পুরুষত্বহীনতাও বলা হয়ে থাকে।

একজন পুরুষ যখন যৌন সঙ্গম বা যৌনমিলনের জন্য মনোশারীরিকভাবে প্রস্ততি লাভ করে তখন যদি তার লিঙ্গ বা পুরুষাঙ্গ সঙ্গমের জন্য উপযুক্তভাবে উত্থিন না হয় তবে তা তার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সন্তোষজনকভাবে সেক্স করার জন্য ইরেকশন বা লিঙ্গের পর্যাপ্ত উত্থান একটি বাধ্যতামূলক আচরণ।

এর ফলশ্রুতিতে পুরুষের যৌন আগ্রহ বা যৌন ইচ্ছার যেমন ঘাটতি দেখা যায় তেমনি চরমপুলক অনুভূতি লাভও তার ভাগ্যে জোটে না। যে পুরুষ এর ভুক্তভোগী তিনিই কেবল জানেন এর কেমন মর্মপীড়া। অথচ মেডিকেল স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে পুরুষত্বহীনতার অনেক আধুনিক কার্যকারী চিকিৎসা রয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে,ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা পুরুষাঙ্গ উত্থানজনিত নানা সমস্যা যে কোনো বয়সের পুরুষের ক্ষেত্রেই হতে পারে। হঠাৎ করে দুই একবার লিঙ্গ উত্থিন না হওয়া কোনো বড় সমস্যা নয় এটি আপনাআপনি দূর হয়ে যায়।অনেকের মনে এ প্রশ্ন আছে যে,পুরুষ লিঙ্গ কি ছোট হয়ে যেতে পারে কোনো কারণে?

সেক্স বাড়াতে যে খাবারগুলো খাবেন

 

 

 

শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে। আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।

 

সেক্স বাড়াতে যে খাবারগুলো খাবেন

দুধ :

বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

ঝিনুক :

আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা সেক্স চাহিদা বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অ্যাসপারাগাস :

আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।

সেক্স প্রবণতা বাড়াতে কলিজা :

অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।

ডিম :

ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম সেক্সুয়াল লাইফের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

রঙিন ফল

যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

মিষ্টি আলু :

মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।

কফি :

কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে।

ডার্ক চকোলেট

 

বিয়ে করে মধুর মিলনের গোপন উপায়

 

 

 

বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে! আংটি বদল পর্ব মিটেছে৷ এবার ছাদনাতলায় বসার তোড়জোর৷ গায়ে হলুদ-বিয়ে আর বৌভাতের ডেট ঠিক করা হবে৷ পাত্র হিসেবে আপনার কাজ কি? প্রথম করণীয়: আত্মবিশ্বাসী হোন৷

 

অযথা ডাক্তারের কাছে দৌড়াবেন না। টিন-এজে স্বমেহনের কারণে অনেকেই অপরাধবোধে ভোগে, মনে শঙ্কা তৈরি হয় শারীরিক ভালোবাসায় পারংগমতা দেখাতে পারবে কিনা। অনেকে দৌঁড়য় ডাক্তারের কাছে।

 

ডাক্তারের কাছে যাওয়া যাবে না তা নয়। তবে যদি নিজের দৈহিক সুস্থতা থাকে আর পুরুষাংগের প্রাত্যহিক উত্থান (সকালে, যাকে “মর্নিং গ্লোরী” বলা হয়।) হয় তবে ভয়ের কিছু নেই। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার রিস্ক হচ্ছে অনেকে এই সুযোগে টু-পাইস কামানোর ধান্ধায় আপনার উল্টো ক্ষতি করে দিতে পারে।

অনেকে আবার ইউনানীর মত ফ্রডের কাছে যান, ওখানে গেলে নাকি লাইফ হেল করে দেয়।তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে একটা বিষয় আমলে আনা হয় না, সেটা হল ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউরিন ইনফেকশন। ইউরিন ইনফেকশন হয় কিছু ব্যাকটেরিয়ার কারণে এবং পুরুষরা এটাতে আক্রান্ত হয় টয়লেট ব্যবহারের মাধ্যমে।

পুরুষদের সবাইকে কম-বেশি পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করতে হয়। ইউনি’র হল-অফিসের টয়লেটকেও পাবলিক টয়লেট হিসেবে ট্রিট করুন এখানে। এসব টয়লেট নানা ধরনের মানুষ ব্যবহার করে। এবং অনেক টয়লেটেই জলের সুব্যবস্থা থাকে না। এদের মধ্যে কারও যদি ইনফেকশন থেকে থাকে তবে সে টয়লেট ব্যবহারের পর ভালোভাবে জল না দিয়ে গেলে, বা নতুন ব্যবহারকারী জল দিয়ে ফ্লাশ না করে ব্যবহার করলে প্যানে থাকা ব্যাক্টেরিয়া আক্রমন করে।

 

এভাবেই জল ইউজ না করলে ইনফেকশন হয়। এটা একটা “যৌনবাহিত রোড (STD)”, এবং স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীরা এটা পেয়ে থাকে। তাই যদি আপনি প্রসাবে জ্বালাপোড়া বা পেইন অনুভব করেন তবে বিয়ের আগেই একবার টেষ্ট করুন, থাকলে ব্যবস্থা নিন। মনে রাখবেন আপনার স্ত্রী আক্রান্ত হলে প্রেগন্যান্সির সময় এটা এক্সট্রা টেনশন এড করবে। হাই অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে তখন। দ্বিতীয় করণীয়: যৌনমিলনের সেফ পিরিয়ড নিজে জানুন, হবু বধুকে জানান।

সেফ পিরিয়ড মানে যে সময় কোন প্রতিরোধক (কনডম বা এ জাতীয়) ছাড়াই দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন, অ্যাক্সিডেন্টলি গর্ভবতী হওয়ার ভয় থাকবে না। এটা অনেকেই জানেন, আবার একটু রিভাইস করে নিন। মেয়েদের পিরিয়ডের সঙ্গে সেফ পিরিয়ডের সম্পর্ক। ধরলাম কোন মেয়ের পিরিয়ড হয় ৩০ দিন পর পর (কম বেশিও হতে পারে) এবং এই মাসে তার পিরিয়ড শুরু হয়েছিল ১ তারিখে। তার আগের মাসেও ১ তারিখে। এটাকে এক সাইকেল বলা হয়।

নরম্যালি ওভুলেশন হয় সাইকেলের মাঝামাঝি সময়ে, ধরলাম ১৪ দিনে। তাহলে ১৪ তারিখে ওভুলেশন হচ্চে। এই ওভুলেশনের হওয়ার আগের এক সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহ ফার্টাইল বা উর্বর সময়। এসময়ে প্রোটেকশন না নিলে গর্ভবতী হবেই। তাহলে মাসের ৭ তারিখ থেকে ২১ তারিখ প্রোটেকশন ছাড়া এগোনো যাবে না। বাকি সময় সেফ, থিওরিটিক্যালি কোন প্রোটেকশনের দরকার নেই। এটা ন্যাচারাল পদ্ধতি, তবে সমস্যা হলো পিরিয়ডে ডেট বিয়ের পর বদল হতে দেখা যায়।

এবং অনেকের ক্ষেত্রে সাইকেলটাও স্ট্যাবল থাকে না। তাই সাইকেল স্ট্যাবল না হওয়া পর্যন্ত প্রোটেকশন নেওয়াই উচিত। যদি দ্রুত বাচ্চা নেওয়ার প্ল্যান না থাকে, তাহলে প্রোটেকশন নিয়েই শুরু করতে হবে। নো হান্কি পান্কি। তবে কখনই প্রথম বাচ্চা হওয়ার আগে আপনার স্ত্রীকে বার্থকন্ট্রোল পিল খাওয়াবেন না। এটা স্বাভাবিক ডেলিভারিতে সমস্যা তৈরি করে থাকে বলে রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। তৃতীয় করণীয়: জানুন প্রি-ম্যাচ্যর ইজাকুলেশন কি?

 

প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন মানে খুব দ্রুত বা সময়ের আগেই বীর্যপাত। সময়ের আগে মানে পার্টনারের অর্গাজমের আগেই আর দ্রুত সময় মানে ১.৫ মিনিটের কম সময়ের মধ্যে। অধিকাংশ পুরুষই (৯০-৯৫%) জীবনের প্রথম যৌনাভিজ্ঞতায় প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশনের সম্মুখীন হয়। প্রথম দিকে এটা নরমাল, এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটা ঠিক হয়ে যায়। কেন হয়? প্রথমেই দু’টো কারণ আসবে, অনভিজ্ঞতা ও অতিরিক্ত উত্তেজনা।

অনভিজ্ঞ একজন পুরুষ তার প্রথম সেক্সের সময় প্রচন্ড উত্তেজিত থাকে। উত্তেজিত অবস্থায় নারী সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক খেলায় মেতে উঠার সময় থাকে তাড়াহুড়ার মধ্যে, অল্প সময়ে বেশি পথ বিচরনের চেষ্টায় নিজের উপর কন্ট্রোল থাকে না। পাশাপাশি প্রবেশ করানোর পর যোনীর ভেতরের উচ্চ উষ্ণতায় দিশেহারা হয়ে যায় অনেক সময়ই। ফলাফল খুব অল্প সময়েই নারী সঙ্গীর অরগাজম হবার আগেই বীর্যপাত। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে আসবে “টেনশন”।

নতুন বিয়ে বা সম্পর্কে নিজেকে শারীরিক ভাবে সামর্থবান হিসেবে তুলে ধরতে চাওয়ার মানসিক চাপ থেকে সৃষ্টি হয় টেনশন, ফলে নিজের উপর কন্ট্রোল থাকে না। তৃতীয় কারণ হল “সঙ্গিনীর তৈরি না হওয়া”। প্রথম দিকে শান্ত ও ধীর-স্থির ভাবে সঙ্গিনীকে উত্তেজিত করার কাজটা অধিকাংশ পুরুষই করে না। ধরে নেয় তার নিজের মতই তার সঙ্গিনীও উত্তেজিত হবে। ঘটনা উল্টো। মেয়েদের উত্তেজিত হতে পুরুষদের চেয়ে বেশি সময় লাগে।

তাই সে তৈরি হবার আগেই পুরুষ সঙ্গী উত্তেজনার চরমে পৌছে যায়। ফলাফল অকাল বীর্যপাত। সমাধান, অনভিজ্ঞতার সমস্যা সমাধানের দরকার নেই, এই খেলায় অভিজ্ঞতা কাম্য নয়। বাকি থাকলো অধিক উত্তেজনা ও টেনশন। নতুন বিয়ে, প্রথমবার কাছে পাওয়া, উত্তেজনা তো থাকবেই। এটা আপনার উপর এখন, অধিকাংশ পুরুষই উত্তেজনা নিয়ন্ত্রন করতে পারে না, যদি আপনি পারেন তাহলে “স্যালুট”। না পারলে কোন সমস্যা নেই।

 

নিয়মিত যৌন মিলনে কি কি উপকার জেনে নিন

 

 

 

সহবাস বা যৌন মিলন বিভিন্ন ভাবে নারী-পুরুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে থাকে। শরীর ভাল রাখতে সবচেয়ে ভাল উপায় যৌনতা উপভোগ এর মাধ্যমে প্রচুর কেমিক্যালের ক্ষরণ হয় যা মস্তিষ্ক ও হৃদয়ের পক্ষে স্বাস্থ্যকর।

এছাড়াও যৌনতার অন্যান্য উপকারিতাও রয়েছে। যৌনতা রক্তের সংবহনকে বৃদ্ধি করে। এটি ত্বকে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে ফলে ত্বক অনেক বেশি স্বাস্থ্যজ্জ্বল হয়। নিয়মিত যৌন প্রবৃত্তি ত্বকে দীর্ঘ প্রভাব বিস্তার করে এবং এর ফলে আপনাকে দেখতে অনেক কম বয়সি বলে মনে হয়। যৌনতা সাধারণ কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে, এটি মুখের বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত দাগ থেকে মুক্তি দেয় এবং ত্বককে ঝুলে পড়তে দেয় না।

সপ্তাহে ১ বা ২ বার যৌনকর্ম করলে তা শরীরে ইমিউনোগ্লোবিন এ নামক অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে। এই অ্যান্টিবডি বিভিন্ন রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। সুতরাং আপনি যতবেশি যৌনক্রিয়া করবেন তত বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। হরমোন যে শুধু সেক্স ড্রাইভকে নিয়ন্ত্রণ করে তা নয়, এটি চুলের পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণ করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যৌন চাহিদা পরিতৃপ্ত হলে, বিপাকীয় পুষ্টি গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ফলে চুল স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও ঘন হয়। গবেষণায় দেখা গেছে যতবেশি যৌন সহবাস করা যায় পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা তত বৃদ্ধি পায়।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মহিলাদের ক্ষেত্রে বীর্য শোষণের ফলে অবসাদ কম হয় এবং শক্তি বৃদ্ধি হয়। এছাড়াও বেদনাহীন প্রসবও হতে পারে। অবসাদ কমাতে সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ হল যৌনসহবাস। কারণ এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এটি অবসাদের মাত্রাকেও কম করতে সক্ষম।সহবাসের ফলে যে হরমোনের নিঃসরণ হয় সেগুলি যেমন ত্বকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল রাখতে সক্ষম তেমনই হাত ও পায়ের নখকেও শক্ত করে। এর ফলে নখ ফাটা বা ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সহবাসের বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, য়ে পুরুষ সপ্তাহে ২ বা তার বেশি সংখ্যকবার যৌনসহবাস করেন তার ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কম। তাই বেশিদিন সুস্থ ভাবে বাঁচতে চাইলে যৌনতা আপনাকে সাহায্য করতেই পারে।

 

বাসর রাত মধুময় করতে পুরুষদের জন্য কিছু টিপস

 

 

 

বাসর রাত প্রতিটি মানুষের  বিয়ের মরশুম চলছে। বিয়ের পর বাসর রাতটিই কিন্তু নবদম্পতির কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ের রাতটি জীবনের বিশেষ একটি রাত। নতুন জীবনে পা রাখার পর দুটি মানুষের একসাথে বসবাসের প্রথম মূহূর্তটি হলো বিয়ের রাত। আর এই বিশেষ রাতটিকে ঘিরে অধিকাংশ মানুষ অনেক রকমের স্বপ্ন বোনে। কিন্তু অনেক সময় ছোট্ট কিছু অজ্ঞতার জন্য বিয়ের রাতটির মধুরতা নষ্ট হয়ে যায়।

 

বাসর রাত মধুময় করতে পুরুষদের জন্য কিছু টিপস

তাই বিয়ের রাতের আগেই প্রয়োজন কিছু প্রস্তুতির। জেনে নিন পুরুষদের কিছু প্রস্তুতি সম্পর্কে যেগুলো বিয়ের রাতের জন্য অবশ্যই নেওয়া উচিত। কারণ এ সময় মনের দেওয়া নেওয়ার পালা সাঙ্গ করে শরীরি চৌকাঠ পেরোনোর সময়। তাই এই রাতে কোনওরকম ভুলচুকের খেসারত আপনাকে দিতে হতে পারে অনেকদিন পর্যন্ত। তাই শেষ মুহূর্তের কয়েকটি ছোট্ট টিপস জেনে রাখাটা দরকার।

 

বাসর রাত এ মানসিক প্রস্তুতি
বিয়ের জন্য প্রতিটি পুরুষেরই মানসিক ভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত। হুট করে নতুন জীবনে পা দেওয়ার সময় অধিকাংশ পুরুষেরই আত্মবিশ্বাস থাকে না। কিন্তু নারীরা আত্মবিশ্বাসী পুরুষদেরকে বেশি ভালোবাসে। তাই নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। সেই সঙ্গে একটি নতুন জীবনে পা দেওয়ার আগে নানান রকম ভয় ভীতি থাকে মনে। সেগুলোও ঝেড়ে ফেলা প্রয়োজন বিয়ের আগেই।

নিয়মিত ব্যায়াম
নারীরা সুঠাম দেহের পুরুষদেরকে পছন্দ করে। আর তাই সাড়া জীবন ব্যায়াম করার অভ্যাস না থাকলেও বিয়ের আগে কিছুদিন ব্যায়াম ও ডায়েটের মাধ্যমে ভুড়ি এবং অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করা উচিত।

 

স্টাইল, ত্বকের যত্ন ও পরিচ্ছন্নতা
বিয়ের আগে প্রয়োজন গ্রুমিং-এর। সুন্দর স্টাইলে চুল কাটুন। সেই সঙ্গে ত্বকের যত্নের জন্য ভালো কোনও পার্লারে ফেসিয়াল করিয়ে নিন। সেই সঙ্গে শারীরিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। সুন্দর কোনো সুগন্ধি ব্যবহার করতে ভুলবেন না বিয়ের রাতে।

 

বাসর রাত এ জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
যেহেতু এ দেশের অনেক মহিলারই এখনও জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই, তাই বিয়ের রাতে পুরুষসঙ্গীকেই নিতে হবে সেই দায়িত্ব। স্ত্রী উপর নির্ভর করবেন না, জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি কোনটি গ্রহণ করবেন সেটা আপনাকেই ভাবতে হবে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বাসর রাত সঙ্গীকে মানসিক ভাবে সাহায্য করার মনোভাব
বেশিরভাগ মহিলাই বিয়ের রাতে শারীরিক মিলনের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হতে পারেন না। আর তাই তাঁরা স্বামীর কাছ থেকে মনে মনে এই ব্যাপারে একটু সহযোগীতা আশা করেন। বিয়ের রাতেই তাই স্ত্রীকে বিষয়টি নিয়ে জোর করা উচিত না। বিশেষত অ্যারেঞ্জ ম্যারেজের ক্ষেত্রে। দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা একটু সহজ হওয়ার আগেই শারীরিক মিলনের ব্যাপারে জোর করলে সম্পর্কটা সাড়া জীবনের জন্য তেঁতো হয়ে যেতে পারে।

স্ত্রী জন্য উপহার কিনে রাখুন
বিয়ের রাতটি জীবনের বিশেষ একটি রাত। আর তাই এই রাতটিকে আরও বেশি রোমান্টিক ও স্মরণীয় করে রাখার জন্য স্ত্রীর জন্য বিশেষ কোনো উপহার কিনে রাখতে পারেন। সেটা হতে পারে হীরের আংটি অথবা ছোট্ট কোনও ফটোফ্রেমে বন্দী করা নিজেদের প্রিয় কোনো মূহূর্তের ছবি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট/বড় যা খুশি উপহার দিন। নতুন জীবনের শুরুতেই আপনার এই ছোট্ট ভালোবাসা আপনার স্ত্রীকে মুগ্ধ করবে।

বাসর রাত এ কথা বলুন
শয্যায় শুরুতেই মিলনের প্রতি অধিক মনোযোগ দেবেন না। এতে গোটা ব্যাপারটাই তেতো হয়ে যাবে। স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন। তাঁকে বোঝান, আপনি তাঁকে কতটা ভালোবাসেন।

বাসর রাত এ ফোরপ্লে মাস্ট
মিলন শুরু আগে খানিকটা ফোরপ্লে আপনাকে ও আপনার স্ত্রী-দুজনকেই উত্তেজিত হতে সাহায্য করবে। তাই ফোরপ্লে বাদ দিয়ে মিলন-নৈব নৈব চ।

 

 

 

শারীরিক সম্পর্কের আগে আত্মবিশ্বাস কীভাবে বাড়াতে হয়?

 

 

 

 

শারীরিক সম্পর্কের আগে অনেকেই নিজের আত্মবিশ্বাসটি হারিয়ে ফেলেন। বিশেষ করে একজন পুরুষ যখন তার কামনার নারীকে শারীরিক সম্পর্কের নিমিত্তে কাছে পেয়ে থাকেন তখন তিনি অতিরিক্ত উত্তেজনায় তার কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলেন। যে নারীকে নিয়ে হাজারো কল্পনার জাল বুনেছেন মনে মনে, তাঁকে সামনে পেলে অনেকসময়ই কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলেন পুরুষেরা। এমনকি, যে নারীর কথায় উত্তেজিত হন পুরুষেরা, অনেকসময় দেখা যায় তাঁকে একান্তে পেয়েও হতাশা-দ্বিধায় ভোগেন পুরুষেরা। কারণ, প্রথমত তিনি একটা বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেন না, যে শারীরিক সম্পর্ক করে তাঁর সঙ্গিনীকে সুখী করতে পারবেন কী না। ঘাবড়াবেন না। আপনার কনফিডেন্স বাড়ানোর জন্য যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন :

 

– নিজের বাহ্যিক যৌন্দর্যে মন দিন। সিনেমায় যতই দেখাক, একগাল খোঁচাখোঁচা দাড়ি দেখে নায়িকারা ছুটে আসছেন, বাস্তবে অনেকসময়ই তা হয় না। বিশেষত শারীরিক সম্পর্কের সময় আপনার স্ত্রী মোটেও পছন্দ করবেন না কোনও গভীর মুহূর্তে আপনার গালের ধারালো দাড়িতে আঘাত পেতে। রাতে আগে ব্রাশ করতে ভুলবেন না যেন।

– রতিক্রিয়ার সময় অন্য কথা মনে আনবেন না। কারণ, মুখ হল মনের আয়না। আপনার মন অন্য কিছু ভাবছে, এরকমটা হলে আপনি মুখে তা প্রকাশ পাবেই।

– শারীরিক সম্পর্কের প্রাক মুহূর্তে এমন কিছু করবেন না যা আপনাকে ও আপনার স্ত্রী-সঙ্গিনীকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। আপনি সবরকম শৃঙ্গারে অভ্যস্ত না হতেই পারেন। সেটা আপনার স্ত্রী-সঙ্গীকে বোঝান। তিনি নিশ্চয় বুঝবেন।

– গভীর মুহুর্তে আপনার স্ত্রী হঠাৎ থেমে যেতে পারেন এই আশঙ্কা করবেন না। তাহলে কিন্তু আপনি মোটেও স্বাচ্ছন্দ্য হতে পারবেন না।
– আপনার স্ত্রী বা সঙ্গিনী অন্য গ্রহের প্রাণী নন। প্রথমবার শারীরিক সম্পর্কের আগে ভয় পাবেন না। তিনিও আপনার মতই মানসিক অবস্থায় রয়েছেন। আবার দু-পক্ষই যেন একে অপরকে বোকা ভাববেন না। পুরুষ বা মহিলা-কোনওপক্ষই যেন এটা ভেবে না নেন, যে অপর প্রান্তের মানুষটাকে আমি সহজেই বোকা বানাতে পারি।

 

 

শুক্রবার

কত বছর বয়সে নারীদের যৌন উত্তেজনা বেশি থাকে?

 

 

নারীদের যৌন উত্তেজনা চরমে পৌঁছে ২৬ বছর বয়সে। এছাড়া পুরুষদের যৌনতা চরমে পৌঁছে ৩২ বছরের পর। সম্প্রতি সান ফ্রান্সিসকোর এক সমীক্ষায় যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে এই তথ্য জানা গেছে।

 

কত বছর বয়সে নারীদের যৌন উত্তেজনা বেশি থাকে?

তবে সমীক্ষাটি বেশি বড় আকারের ছিল না। এ সমীক্ষায় ১৮-৬৫ বছর বয়সের মাত্র এক হাজার প্রাপ্তবয়স্কের মতামত নেওয়া হয়। আয়োজনটির উদ্যোক্তা আটলান্টার সেক্স খেলনা প্রস্তুতকারক কোম্পানি লাভহানি ডটকম।

 

নারীদের যৌন ইচ্ছা কত বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়?

অন্যদিকে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির এই সমীক্ষায় এটাও বলা হয় যে, সান ফ্রান্সিসকোর নারীরা তাদের জীবনে ২৪ বছর বয়সেই সবচেয়ে বেশি যৌনতা উপভোগ করেন। সে ক্ষেত্রে পুরুষরা যৌনতার আস্বাদ গ্রহণ করেন ২৭ বছরের পরবর্তী সময়ে। সমীক্ষায় দেখা যায়, অধিকাংশ নারীই যৌনতার প্রথম স্বাদ গ্রহণ করেছেন ১৮ বছরের পর।

নারীদের যৌন উত্তেজনার লক্ষণগুলো কী কী?

কিন্তু সে ক্ষেত্রে আবার পুরুষরা ১৭ বছরের গোড়ার দিকেই প্রথম যৌন উত্তেজনা অুভব করেছেনে। দেখা যায়, পুরুষদের প্রথম যৌন অনুভূতি উপভোগ করার পর প্রায় ১৫ বছর পরে তারা যৌনতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে নারীরা প্রথম যৌনতার আস্বাদ নেয়ার ১০ বছর পরই যৌনতাকে চূড়ান্তভাবে উপভোগ করতে পারেন। সূত্র : ওয়েবসাইট

 

কি কারণে বাংলাদেশের মেয়েরা পুরুষের গোপনাঙ্গ চুষতে চায় না?

 

 

পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে গোপনাঙ্গ , লিঙ্গ বা সোনা বা ধোন চুষে দেওয়া (ব্লো-জব) বেশ জনপ্রিয় হলেও আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে তা জনপ্রিয় নয়। এর মূল কারণ হলো, ভারতীয় উপমহাদেশের মেয়েরা ব্লোজবে অভ্যস্ত না। আবার অনেক মেয়ে পুরুষের লিঙ্গ চোষাকে ঘৃণা করে। তাই জেনে নিন যেসকল কারণে মেয়েরা পুরুষাঙ্গ চুষে দিতে চায় নাঃ

 

১. অধিকাংশ পুরুষকে মানতেই হবে যে, তাদের গোপনাঙ্গ অধিকাংশ সময় নোংরা থাকে, ফলে পুরুষাঙ্গ থেকে একধরণের দুর্গন্ধ বের হয়। যা মেয়েরা মোটেও পছন্দ করে না।

২. অনেক মেয়েই ব্লোজব করতে পারে না, কিন্তু পার্টনারকে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা ব্লোজব করে থাকে। কিন্তু এর ফলে অনেক মেয়েরই বমি বমি ভাব তৈরী হয়।

 

৩. অনেক পুরুষের গোপনাঙ্গ / লিঙ্গ লম্বা থাকার কারণে অনেক মেয়ে ব্লোজব করতে চায় না। এর কারণ হলো, পেনিসটা অনেক মেয়েরই গলার ভেতর ঢুকে যায়, যা মেয়েদের থ্রোটে আঘাত করতে পারে।

৪. অনেক ছেলেই ব্লোজবের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। ফলে মেয়েটির মুখেই বীর্যপাত করে ফেলে। আর এটি অধিকাংশ মেয়েই পছন্দ করে না।
৫. ব্লোজবে মেয়েরা তেমন মজা পায় না। এর কারণ হলো, অনেক মেয়েই এটি নোংরা হিসেবে দেখে। তাছাড়া অনেক মেয়েই ব্লোজবে ন্যাচারাল কিছু খুজে পায় না।

৬. অনেক মেয়েই ছেলেটির স্বাস্থ্য নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে না, ফলে মেয়েদের ব্লোজবের ইচ্ছা কমে যায়।

৭. ব্লোজবের সময় অধিকাংশ ছেলেই মেয়েটিকে সাদরে গ্রহণ করে না।

৮. অধিকাংশ ছেলেই ব্লোজব শেষে সঙ্গীনি মেয়েটিকে বিনিময়ে তেমন মজা দিতে পারে না। কারণ, মেয়েরাও চায় ছেলেরাও তাদেরট গোপনাঙ্গ (যোনি) চুষুক। আর তখনই ঘটে বিপত্তি। কারণ, অনেক ছেলেই মেয়েদের যোনী চুষে দিতে চায় না। হয়তো একটু আঙ্গুল দেয়, কিন্তু মুখ দিতে চায় না

 

 

 

যৌন মিলনের সময় কেমন লাগে মেয়েদের?

 

 

যৌন মিলনের সময়ে কেমন লাগে মেয়েদের? কেমন হতে পারে সেই যৌনতার অভিজ্ঞতা? টুইটারে এই প্রশ্ন রেখেই বিতর্কের ঝড় তুলেছেন ডেমি ওলোনিসাকিন।

 

ব্রিটিশ ব্লগার ডেমি আদপে যৌন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ।কিছুদিন আগে তিনি তাঁর ফলোয়ারদের মধ্যে যাঁরা মহিলা তাঁদের কাছে আবেদন রাখেন, তাঁরা যেন নিজেদের সবচেয়ে সাহসী এবং প্রথাভাঙা যৌন অভিজ্ঞতাগুলির কথা খোলাখুলিভাবে তাঁকে জানান। মেয়েদের যৌন জীবন নিয়ে একটা সৎ আলোচনা শুরু করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। ডেমির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বহু মহিলাই তাঁদের যৌন অভিজ্ঞতার কথা জানাতে থাকেন তাঁকে। ডেমি সেইসব মহিলাদের নাম গোপন রেখে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করতে থাঁকেন তাঁর ব্লগে। ক্রমশ প্রকাশ পেতে শুরু করে বিচিত্র সব যৌন অভিযানের বৃত্তান্ত। কেউ জানান, কীভাবে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে বহু পুরুষের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। কেউ বা বলেন, একসঙ্গে তিন বা চার জন পুরুষের সঙ্গে তাঁদের যৌন মিলনের কাহিনি। পুঙ্খান‌ুপুঙ্খ বিবরণে উন্মোচিত হয় বিচিত্র যৌনতার জগৎ।

 

এই নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে যথেষ্ট। অনেকেই মনে করছেন, যৌনতার কথা গোপন থাকাই ভাল। তাকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা মানে ‘অশালীনতা।’ বহু পুরুষ আবার ডেমির ব্লগে আপত্তিকর ভাষায় ডেমিকে আক্রমণ করেছেন বলেও জানা গিয়েছে।