April 25 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 25 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার

তানিয়ার সাথে অনেক বার শারীরিক সম্পর্ক হয়, সত্যি বলতে ও করতে চায়নি আমিই জোর করে…

 

 

আমি আদনান। এইচ এস সি 2nd ইয়ারে পড়ি। আমি পূর্বে 1জনকে ভালবাসতাম তার সাথে কয়েক বার শারীরিক সম্পর্ক হয়। তারপর আমি ব্রেকআপ করি। এর কিছু দিন পর ওর বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর বেশ ভালই আছে সে। সেদিনও দেখলাম হ্যাজবেন্ড এর সাথে রিক্সায়। এর কিছুদিন পর আমি আর একটা রিলেশন করি। মেয়েটার নাম তানিয়া। ষষ্ট শ্রেণীতে পড়ে সে । ওর কোন ভাই বোন ছিলনা।সে তার বাবা মার একমাত্র সন্তান। তানিয়ার সাথে অনেক বার শারীরিক সম্পর্ক হয়। সত্যি বলতে ও করতে চায়নি। আমার ইচ্ছাতেই হয়েছে। বলতে বাধা নেই করতে না দেয়ায় আমি খুব মন খারাপ করতাম। ওর সাথে কথা বলতাম না। তাই আমাকে খুশী করতে সে করেছে।
ও আমাকে খুব ভালবাসত কিন্তু আমি রিলেশনটাকে সিরিয়াসলি নেই নি। কেন জানি ওর প্রতি আমার আকর্ষন কমতে থাকে। তারপর ধীরে ধীরে ওর কাছ থেকে দূরে চলে আসি। ব্রেকআপের সময় তানিয়া অনেক কান্নাকাটি করেছিল।মাস খানেক পার হয়ে গেছে। নতুন আরেকটা রিলেশন করব বলে ভাবছি। কিন্তু আমার কেন জানি খুব খারাপ লাগে তানিয়ার জন্য বিশেষ করে শারীরিক সম্পর্ক করে তাকে ঠকানোর বিষয়টা নিয়ে। ওর সাথে কথা বলতে মন চায়। এখন আমি কি করব?

 

উত্তরঃ নিয়মিত পাঠকদের কারো কোন ভালো পারমার্শ থাকলে প্রশ্নকর্তাকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন।ধন্যবাদ

 

ক্লাস নাইনের ছেলের সাথে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি….

 

 

টেনের শেষের দিকে একদিন কোচিং-এ পড়ার সময় হঠাৎ বাইরে তাকিয়ে একজনকে দেখতে পাই, আমার চোখ সেখানে আটকে যায়। একটা মানুষ এত্ত সুন্দর হয় কীভাবে? প্রথম দেখাতেই চোখ ফেরাতে পারিনি। কিছুদিন পরে খেয়াল করি, সে আমাদের ক্লাসে আসলো। বুঝলাম সে আমাদের সাথেই পড়ে। সেদিন থেকে ওকে পছন্দ করা শুরু করে দিই। কিন্তু কিছুদিন পর জানতে পারি তার প্রেমিকা আছে। খুব কষ্ট পাই কিন্তু নিজেকে ফিরিয়ে আনতে খুব কষ্ট হয়। এদিকে আমার বাসায় বিষয়টা টের পায়। তারা জানতে চাইলে আমি সব বলে দেই। আমাকে তারা বুঝায়, আমি বুঝি যে এই পছন্দের কোন ভবিষ্যৎ নেই। কিন্তু তাও নিজেকে পুরো ফিরিয়ে আনতে আমার ২ বছর লেগে যায়। আমি তখন এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করি, যখন আমি তার থেকে নিজেকে সরিয়ে আনতে সক্ষম হই।

 

এইচএসসির পর আমি মেডিকেলে কোচিং এ ভর্তি হই। তখন আমার পরিচয় হয় দুঃসম্পর্কের এক মামার সাথে। তার আগে একটি সম্পর্ক ছিলো কিন্তু কোনভাবে ভেঙে গিয়েছিলো। আমিও তাকে আমার পছন্দের ছেলের কথা জানাই এবং বলি, আমি ২ বছর ধরে তাকে ভালোবাসি আর এর থেকে সরে আসতে পারছিনা। তখন সে আমাকে সাপোর্ট দেয় এবং আমাকে প্রোপোজ করে। আমি প্রথমে রাজী হইনি। পরে কি ভেবে রাজী হলাম। কিন্তু কিছুদিন সম্পর্কের পরে সে বলে, তার পক্ষে সম্পর্ক রাখা সম্ভব না। তখন আমি খুব ভেঙে পড়ি। তার পরিবারের অনেকের সাথে যোগাযোগ করি। কিন্তু তাদেরও একই কথা। তারা আমাকে মেনে নিতে পারবেনা।

 

যাইহোক, অনেক ঝামেলার পরে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়। এই সম্পর্কের জন্য আমার জীবনযাত্রা পুরো বদলে যায়। আমার আর মেডিকেলে চান্স পাওয়া হয়না। তারপর একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই। ভার্সিটিতে ফার্স্ট ইয়ারের সময় আমার এক মেয়ে ফ্রেন্ডের কাজিনের সাথে পরিচয় হয়। আমরা প্রথমে খুব ভালো বন্ধুত্ব করি। কিন্তু এক সময় সেও প্রোপোজ করে। আমি রাজী হই কারণ সে দেশের বাইরে থাকতো। আর আম্মু বিদেশ খুব পছন্দ করে। তাছাড়া তাদের ফ্যামিলি স্ট্যাটাস, পড়াশোনা সবই মিলে গেছিলো। তাই সব মিলে আমি গ্রহন করি।

 

 

প্রায় এক বছর আমাদের ভালোমত সম্পর্ক ছিলো, আমরা ফোনেই কথা বলতাম। এ বছর পরে ও বাংলাদেশে আসে এবং আমাদের দেখা হয়। আমি তার বিষয়ে খুব কনফিডেন্ট ছিলাম যে আমাদের বিয়ে হবেই। আর এজন্যই আমাদের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক বাদে সবই হয়। আমি খুব দুর্বল হয়ে পড়ি ওর প্রতি। সেও আমাকে তেমনটাই বলে। কিন্তু ২ মাস পরে ও আবার দেশের বাইরে চলে যায়। আপু এই দুই মাসে আমরা প্রায় প্রতিদিনই দেখা করি কিন্তু সমস্যা শুরু হয় ও যাওয়ার পর থেকে। ফেসবুকে অনেকে আমার সাথে যোগাযোগ করে আর সবাই বলে ওর সাথে ওদের সম্পর্ক চলছে। শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে ওদের মাঝে। এসব শুনে আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। আমি ওর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে তারা আমাকে পছন্দ করেনি। কিন্তু ও যখন বাংলাদেশে ছিলো, তখন তারা বলেছিলো যে আমাকে তারা পছন্দ করে। এখন পুরাই উলটা কথা তাদের। ও এসবের কিছুই স্বীকার করতোনা। ওর বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারি ও আসলেই এমন ধরনের।

 

তখনই আরেকটা ভুল করে ফেলি। সুইসাইড করার চেষ্টা করি। কিন্তু বমির কারণে সেটা হয়নি, আজ পর্যন্ত বেঁচে আছি। এরপর আস্তে আস্তে ওর কাছ থেকে নিজেকে সরিয়ে আনি আর ডিসিশন নেই যে বিয়ের আগে আর কোন সম্পর্কে জড়াবোনা। খুব কঠিন করে ফেলি নিজেকে। কিন্তু সবসময়ই নিজেকে খুব ছোট মনে হত, আমি বিয়ের আগেই এত কিছু করলাম, আমাকে অন্য কেউ টাচ করলো, ডিপ্রেশনে ভুগছিলাম। এর মাঝে পরিচয় হয় এক আত্মীয়ের সাথে যে একজন হাফেজ। আমি তার সাথে কিছুদিন কথা বলি। এবং বলি যে আমি অনেক গুনাহর কাজ করেছি। আমাকে মুক্তির পথ দেখান। আর আমি তাকে আমার জন্য শাফায়েতের জন্যেও বলি। এক পর্যায়ে সে আমাকে প্রোপোজ করে। আমি খুব অবাক হই। একজন হাফেজ হয়েও সে আমাকে প্রোপোজ করলো! আমি তাকে অনেক বুঝাই যে এটা সম্ভব না। কিন্তু সে বলে সে আমাকে খুব ভালোবাসে। তার কথায় আর আমার মুক্তির চিন্তা করে আমি রাজী হই কিন্তু তার কিছুদিন পর আমি জানতে পারি তার আগে একটি সম্পর্ক এবং সে ঐ মেয়ের সাথে অনেকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে। এখন সে ঐ মেয়েকে ছেড়ে আমার কাছে আসতে চাইছে। কিন্তু সে আমাকেও ওসব করতে বলে।

 

আমি তাকে বুঝাই যে এসব সম্ভব না। সে একবার বোঝে, আবার চায়। আপু এখন আমি কী করবো? আমিও তাকে ভালোবেসে ফেলেছি। আবার ঐ মেয়েটার জন্যও খারাপ লাগছে। আবার এটাও ভাবি যে আমি হয়তো চেষ্টা করলে তাকে ভালো পথে আনতে পারবো। আবার এটাও ভয় হয় যদি আমার সাথেও ওসব করে?

 

আপু, আমার জীবনের ঘটনাগুলো সংক্ষেপে বললাম। জানি আমাকে সবাই খারাপ ভাবছে কিন্তু আপু একটা কথা বলতে পারি, আমি শুধুমাত্র একটু সত্যিকারের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সবার সাথে সম্পর্কের শুরু করেছিলাম, আমি কাউকে ছেড়ে আসিনি। কেবল প্রথমজন ছাড়া।

 

বিয়ের কথা জানার পর প্রেমিক আমার সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক…

 

 

আমার বয়স ২৩ বছর। আজ পাঁচবছর যাবত একজনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। সে নিজেই দুই-তিনমাস আগে আমার পরিবারকে কথা দিয়েছিল যে সে আমাকে বিয়ে করবে, তাই বাহিরের কোনো প্রস্তাব যেন আমার পরিবার না নেয়। তখন সে চিটাগাং কোর্টে প্র্যাকটিস করতো- আইনবিদের ছাত্র হিসেবে। তা স্বত্বেও আমার বাড়ির লোক ভালো একটি প্রস্তাব পেয়ে আমাকে ওখানে বিয়ে দিয়ে দিতে চেয়েছিল। কারণ আমার প্রেমিক কথা দিলেও, কথার উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারছিল না।

 

আমার বিয়ের কথা জানার পর আমার প্রেমিক আমার সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করে। তারপর সে নিজেই আমার কাছে ক্ষমা চায়; বলে- আমি যাতে অন্য কাউকে বিয়ে করতে না পারি, তাই সে এই কাজটি করেছে। কিন্তু এখন সে নিজেই আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাইছে না। আমার আর আমার পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করতে চাইছে। কিন্তু আমি প্রতারিত হতে চাই না। আমি এখন বুঝতে পারছি না যে কী করব? কোন ধরনের ব্যবস্থা নিলে আমি সফল হব? আমার কী করা উচিত? আমার কাছে ওর কল রেকর্ড আর কিছু ছবি আছে। আমার আর ওর একসঙ্গে ছবি। আমার কী করণীয়? কী করলে আমি ওকে পাব? অনুগ্রহ করে পরার্মশ দিন।

 

সত্য কথা বলি আপু, কিছু করলেই প্রেমিককে আপনি আর ফিরে পাবেন না। নানান প্রমাণ দিয়ে ব্ল্যাক মেইল করে তাঁকে জোর করে বিয়ে হয়তো করতে পারবেন, কিন্তু সেটাকে কি পাওয়া বলে? কেউ যদি কাউকে ভালবাসতে না চায়, তাহলে কি জোর করে ভালোবাসা পাওয়া যায়? প্লাস, একটা মানুষকে জোর করে বিয়ে করার পর আপনি কি কখনো তাঁর সাথে সুখী থাকতে পারবেন?

 

দেখুন আপু, আপনি যথেষ্ট বড় হয়েছে। পরিবার বিয়ের কথা ভাবছেন মানে প্রাপ্ত বয়স্কাও হয়েছে। প্রেমিক কীভাবে “জোর করে” শারীরিক সম্পর্ক করে আপনার সাথে? ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর খাটিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করাকে ধর্ষণ বলে। যদি প্রেমিক আপনার সাথে সেটাই করে থাকে, তাহলে একজন ধর্ষকের স্ত্রী কেন হতে চাইছেন আপনি? আর যদি প্রেমিক সেটা না করে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটায় আপনারও সম্মতি ছিল। তাই আগে নিজেই ঠিক করুন আপু যে আসলে কোনটা ঠিক!

 

 

দেখুন আপু, আমার নীতি এটাই বলে যে জোর করে এই লোককে বিয়ে করলে আপনি কখনোই খুশি থাকবেন না। অন্যদিকে ছেলেটি যে আপনাকে ভালবাসে না, সেটাও হয়তো নয়। ৫ বছর সম্পর্ক রাখা, পরিবারকে বিয়ের কথা দেয়া… ইত্যাদি সবই প্রমাণ করে সম্পর্কটি নিয়ে সে সিরিয়াস ছিল। তাহলে কী এমন হলো যে এখন আর সম্পর্ক রাখতে চাইছেন না? আপনার কোন আচরনে কি কষ্ট পেয়েছেন বা রাগ করেছেন? হতেই পারে সেটা। তাই আগে কারণটি খুঁজে বের করুন ও সেটার সমধান করুন। কোন কারণ ছাড়া নারী পুরুষ কেউই ৫ বছরের একটা সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে চাইবেন না। অনেক সময় আমরা নিজের ভুলটি বুঝতে পারি না। সম্পর্কটি ধরে রাখার একটাই উপায়, আপনাদের মাঝের মনোমালিন্যের কারণটি খুঁজে বের করে মীমাংসা করুন।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী

 

শারীরিক সম্পর্কের আগে পিল খেতে হয়, নাকি পরে?

 

 

আমি একজন মেয়ে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে পিল কখন, কীভাবে খেতে হয়? পিলের পাতায় সাধারণত ২টা রং এর পিল থাকে, কোনটার ব্যবহার কখন? শারীরিক সম্পর্কের আগে কি পিল খেতে হয়, নাকি পরে? ধরুন, পিরিয়ডের দু-এক দিন পর শারীরিক সম্পর্ক করলাম তখন কীভাবে খাবো বা এক পিরিয়ড থেকে পরবর্তী পিরিয়ডের মাঝামাঝি সময় শারীরিক সম্পর্ক করলাম তখন কীভাবে পিল খাবো? প্রতিবার শারীরিক সম্পর্কের জন্য কতদিন খেতে হবে, দিনে রাতে কোন রংয়েরটা কয়টা খেতে হবে? প্রশ্নগুলোর বাইরেও পুরোপুরি বিস্তারিত জানতে চাই| ধন্যবাদ

 

পিল খাওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী ব্যাপার। আপনি কখনই একটি বা দুটি পিল খেয়ে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। আপনার যদি মাসিক নিয়মিত থাকে, হরমোনে কোন সমস্যা না থাকে, কোন হৃদরোগ না থাকে, উচ্চরক্তচাপ, মাইগ্রেইনের সমস্যা, ডায়াবেটিস, জরায়ু, যোনীপথে অস্বাভাবিক ক্ষরণ ইত্যাদি না থাকে তাহলে আপনি পিল খাওয়া শুরু করতে পারেন।

পিল খাওয়ার নিয়ম হল ( আপনার যদি মাসিক নিয়মিত থাকে) : মাসিক যেদিন শুরু হবে, সেদিন থেকে সাদা/ হলুদ বড়ি গুলো খাবেন। এভাবে প্রতিদিন রাতে একটি করে বড়ি খাবেন। ২১ টি সাদা বড়ি শেষ হলে পরে ৭টি লাল বড়ি শুরু খাওয়া শুরু করবেন, এই সময় আপনার মাসিক হবে। এরপর পাতা শেষ হলে আবার নতুন করে সাদা বড়ির পাতা শুরু করবেন। যদি একদিন পিল খেতে ভুলে যান, তাহলে পরদিন যখন মনে পড়বে তখনই পিলটি খেয়ে নিবেন। আর পর পর দুইদিন পিল খেতে ভুলে গেলে ওই মাসে পিল খাওয়া চালিয়ে যাবেন এবং সাথে আপনার স্বামী বাকি মাসটুকু কনডম ব্যবহার করবেন। পরবর্তী মাস থেকে আগের নিয়মে পিল খাওয়া শুরু করবেন। আর বাচ্চা নিতে চাইলে পিল খাওয়া বন্ধ করার ৩-৪ মাসের মধ্যে আপনি গর্ভধারণ করতে পারবেন ( যদি আর কোন সমস্যা না থাকে)। ধন্যবাদ

পরামর্শ দিয়েছেন :
ডাঃ নিবিড়
ইন্টার্ন চিকিৎসক
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ।

 

ওকে অনেকটা বাধ্য করেই শারীরিক সম্পর্ক করি,কিন্তু তখন ওর কোন ব্লেডিং হয়নি।ওকে বললে ও বলে আমি কি করে জানবো?

 

 

 

আমি একটি পাবলিক বিশবিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে পড়ছি।।।দেড় বছর যাবৎ একটি মেয়ের সাথে আমার রিলেশন হয়।ও দশম শ্রণিতে পড়ে।।গত দশ দিন আগে ও আমাকে ব্রেকআপ না করার প্রমিজ করিয়ে, ওর জীবনের একটি কাহিনী শেয়ার করে,,,
এইটে পড়ার সময় নাকি ওর মামাদের এলাকার একটা ছেলে ওকে প্রোপজ করে,,ও রাজি হয়।।তারপর ও বাসায় চলে আসলে ওদের নাকি অনেক ফোনে কথা হতো।।।ছেলেটির সাথে ওর দুইবার দেখা হয়।।।ছেলেটির সাথে পাশাপাশি দাড়িয়ে তোলা দুইটি ছবি আছে।।দেড় মাসের রিলেশন ছিল নাকি ওদের,,তারপর ছেলেটা ওকে বলে তার অন্য একটা গার্ল ফ্রেন্ড আছে,,,এবং ওকে বলে যে ও যদি পরে কারও সাথে রিলেশন করে তাহলে ওর বয়ফ্রেন্ডকে ফোন রেকর্ড শোনাবে আর ছবি দেখাবে।।।এগুলো বলার পর কান্নায় ভেঙে পরে আর আমি যেন ওকে কোনদিন না ঠকাই সে কথা বলে,,, এগুলো শোনার পর আমি ওর সাথে স্বাভাবিক ব্যবহার করি এবং ওকে বলি মনে কর এটা একটা দুর্ঘটনা।।।তবে আমার কষ্টটা আমি ওকে বুঝতে দেইনি। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে ছেলেটার সাথে ওর শারীরিক কিছু হয়েছে।। ছেলেটা তখন মাস্টার্সে পড়তো।

 
আমি এই বিষয়টা নিয়ে খুব কনফিউশনে আছি কারন পরে ও আমাকে বলেছিল যে ছেলেটি ওর জীবন নষট করেছে।কিভাবে জিজ্ঞাসা করলে বলেছিল ছেলেটির কাছে মেয়েটির দুটি ব্যক্তিগত ছবি আছে,যেমন ছেলেটি ওকে একটি স্টুডিও থেকে সিদুর পড়িয়ে দিয়েছিল এবং ও সেটা মজা হিসেবেই নিয়েছে।শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টা জিজ্ঞেসা করলে ও বারবার অস্বীকার করে।।মায়ের দিব্যি, এমনকি দেবতার মূর্তি ছুয়ে বলে। গত ৮/০১/১৬ তে আমি ওকে অনেকটা বাধ্য করেই শারীরিক সম্পর্ক করি,,,কিন্তু তখন ওর কোন ব্লেডিং হয়নি।।।ওকে বললে ও বলে আমি কি করে জানবো…? ও আমাকে বলেছিল, ওদের রিলেশনটা দেড় মাসের। অথচ ও আমাকে ওদের একটি ছবি দেখিয়েছে যা ওদের ব্রেকআপের তারিখ থেকে ১ বছর আগের। তার মানে দেড় মাসের বেশী ওদের রিলেশন ছিল।আমার সব কথাই ও শোনে। আমার সাথে পালাতেও রাজি।।একবার আমি ব্রেকআপ করতে চেয়েছিলাম বলে ও ৬ টি ঘুমের ঔষধ খেয়েছিল।। ওর কি ছেলটির সাথে শারীরিক কিছু হয়েছে এটা কিভাবে বুঝতে পারবো…?(ও এমনকি আমাকে ছেলেটির ফোন নাম্বারও দিয়েছে তাকে প্রশ্ন করতে)

 

উত্তরঃ স্বাভাবিকভাবে প্রথম মিলনে কোন মেয়ের ব্লেডিং হবে এটাই নিয়ম। কোরণ সতিচ্ছেদ পর্দা ফেটে গেলে ব্লেডিং হয়।তবে কোন কারণ বশত যেমন খেলতে গেলে, ভারি কোন জিনিস ওঠাতে গেলে বা ভারি কোন কাজ করলে, সাঁতার কাটার ফলে অথবা বড় কোন আঘাত রাগলে সতিচ্ছেদ পর্দা েআগেই ফেপে ব্লেডিং হতে পারে।অাপনি মেয়েদের ভার্জিনিটি চেনার উপায় এই পোষ্ট পড়লে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আধুািনক যুগে আরো একটা পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে যাতে করে জানতে পারবেন যে কোন মেয়ে কতজনের সাথে সেক্স করছে।তেব সেটি ব্যয়বহুল।

 

 

আমার স্বামী শারীরিক মিলনে অক্ষম , আমার কী করা উচিত?

 

আমরা সব সময় বলে থাকি যে, জীবন থাকলে সমস্যা থাকবে,আর সমস্যা থাকলে উত্তরনের উপায় ও থাকবে, কিছু কিছু সমস্যা প্রকট অবার কিছু সমস্যা সামান্য। তবে সব সমস্যাই সমস্যা, আর এই সব সমস্যা মোকাবেলা করে জীবন কে এগিইয়ে নিতে হবে আমি সোমা সবাইকে এটাই বলে থাকি সব প্রশ্নের উত্তরে। প্রতিদিন আমরা অগণিত মেইল ও মেসেজ পেয়ে থাকি পাঠকের নির্বাচিত কিছু প্রশ্নের উত্তর আমরা দেবার চেষ্টা করি। ঠিক তেমনি আজকেও আমাদের একজন অসহায় বোনের চিঠি…

 

ছোট করে প্রকাশ করে সেটার উত্তর দিচ্ছি..……

আমার স্বামী সাথে আচরণের ক্ষেত্রে সমস্যায় ভুগছি। আমি জানি সে আমাকে আহ্বান করলে, মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকলেও, তার কক্ষে যাওয়া আমার জন্য আবশ্যক। আরও জানি যে মিথ্যা বলা ন্যক্কারজনক অপরাধ। তবে আমার স্বামীকে খুশি করা আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। এমতাবস্থায়, আমি পরিতৃপ্ত হয়েছি বলে ভান ধরা কী জায়েয হবে?

প্রশ্ন– আমার স্বামীর সাথে আচরণের ক্ষেত্রে সমস্যায় ভুগছি। আমি জানি সে আমাকে আহ্বান করলে, মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকলেও, তার কক্ষে যাওয়া আমার জন্য আবশ্যক। আরও জানি যে মিথ্যা বলা ন্যক্কারজনক অপরাধ। তবে আমার স্বামীকে খুশি করা আমার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। এমতাবস্থায়, আমি পরিতৃপ্ত হয়েছি বলে ভান ধরা কী জায়েয হবে? আসলে আমি এই সমস্যায় ভুগছি। আমি মিথ্যাও বলতে চাই না, আবার সে আমাকে পরিতৃপ্ত করতে পারেনি এ-কথা বলে তাকে বিব্রতও করতে চাই না। এভাবে পরিতৃপ্তির ভান ধরা থেকে বিরতও হতে পারছি না, আবার সে বিব্রত বোধ করবে ভয়ে তাকে খোলাখুলি বলতেও পারছি না। আশা করি আপনি আমাকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেবেন। আর আপনার দুয়ায় আমাকে ভুলবেন না।

 

 

উত্তর- আল্লাহর কাছে দুয়া করি, তিনি আপনার ধৈর্য, আপনার রবের নির্দেশ মোতাবেক স্বামীর ইচ্ছা পূরণ ইত্যাদির জন্য তিনি আপনাকে উত্তম জাযা দান করুন। আপনি যা বললেন তার এলাজ হল, স্বামীকে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বলে দেয়া। এভাবে বললে তাকে বিব্রত করা হবে না, তাকে দুর্বল বলে অভিযুক্তও করা হবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এধরনের সমস্যার মূল কারণ, সমস্যা যে আছে সে বিষয়ে স্বামীর অনুভূতিশূন্যতা। স্বামীর অপারগতা বা যৌনদুর্বলতা এ ক্ষেত্রে মূল কারণ নয়। কেননা সে হয়ত সঙ্গমে লিপ্ত হয়ে পড়ে এতৎসংন্ত্রান্ত কিছু বিষয় আমলে না এনেই। অথচ সেগুলো প্রয়োগ করলে স্ত্রীর তৃপ্তিঘটা স্বাভাবিক ব্যাপার। আপনাকে পরামর্শ দিচ্ছি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ও মিলনবিষয়ক কিছু সহায়ক বইয়ের আশ্রয় নিতে; যেমন মাহমুদ মেহদি ইস্তান্বুলির তুহফাতুল আরুস ( নববধূর উপঢৌকন) বইটি।

 

সার কথা হল, এ-বিষয়ে স্বামীর সাথে সরাসরি কথা বলতে ও তাকে এ বিষয়ক বই পুস্তক পড়তে পরামর্শ দেয়ায় কোনো মানা নেই। যার এলাজ হয়ত একেবারেই সহজ সে বিষয়ে কষ্টযাতনা সহ্য করে যাওয়ার চাইতে সরাসরি বলে ফেলাই ভালো। অবশ্য নারীকেও এ-ক্ষেত্রে দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে। এ-ক্ষেত্রে নারীর যা যা করা উচিত করতে হবে। স্বামীর জন্য সাজগোজ করতে হবে। স্বামীকে আদর দিতে হবে। মিলনে তাকে উৎসাহী করে তুলতে হবে। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন মুসলমানদের অবস্থা ভালো করে দেন। আল্লাহই উত্তম জ্ঞানী।

সোমবার

ছেলের বন্ধুর সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক অনেকবার…..

 

 

“আমার বয়স প্রায় ৪৫। ইন্টার পড়ার সময়েই আমার বিয়ে হয় মা বাবার পছন্দে। বরের বয়স তখন ছিল ৩৫, আমার চাইতে অনেক বড়। তিনি দেখতেও ভালো ছিলেন না। তাঁকে আমার কখনোই ভালো লাগেনি। মা বাবার কারণে মুখ বুজে সহ্য করে গিয়েছি। ২০ বছর বয়সে আমার প্রথম সন্তান হয়, ছেলে। ওর বয়স এখন প্রায় ২৫। (আমার প্রেমিকও ২৫) আমার আরেকটি ছেলে আছে, ওর বয়স ১৮।

 

আমার স্বামী খুব ব্যস্ত মানুষ , বেশিরভাগ সময় দেশের বাইরে থাকেন। ছোট ছেলে দার্জিলিং-এ পড়াশোনা করে। বড় ছেলে ও আমি জীবনের বেশির ভাগ সময়টা একাই থেকেছি। ছেলের বন্ধুরা সব সময়েই বাড়িতে আসতো, আমি বাঁধা দিই নি। বছর তিনেক আগে ছেলের সাথে ভার্সিটির এক বন্ধু আসে। ছেলেটি ভীষণ সুন্দর দেখতে। এখানে বলে রাখি, আমিও যথেষ্ট রূপবতী। এখনো আমার বয়স বোঝা যায় না, ফিগারও আকর্ষণীয়।

 

ছেলেটি প্রথমদিন আসার পর থেকেই ঘনঘন বাসায় আসতে থাকে। সে আমাকে প্রচণ্ড গুরুত্ব ও সময় দিত। অনেক প্রশংসাও করতো। আমার ছেলে যখন বাসায় থাকত না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তখনই আসত সেই বন্ধু।

আমাকে বলত ছেলেকে না বলতে, আমিও জানাতাম না। গল্প করতাম, খুব ভালো লাগত। এভাবে আমরা পরস্পরের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ি। ও বলে আমাকে না পেলে সে আত্মহত্যা করবে। আমি তার স্বপ্নের নারীর মত। তার আবেদনে সাড়া দিই। আমাদের মাঝে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক হতে শুরু করে।

 

আমরা পরস্পরকে গভীরভাবে ভালোবেসে ফেলি। তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক আমি খুব উপভোগ করি, যা এত বছরের বিবাহিত জীবনে করিনি। আমরা পরস্পরকে ছাড়া থাকতে পারি না। আমার প্রতি ওর ভালোবাসাটাও খুব খাঁটি। ও আমাকে এখনই বিয়ে করতে চায়। বলে পরিবার সমাজ সব ছেড়ে দিবে। আমাকে নিয়ে দেশের বাইরে চলে যাবে। আমি ছেলেদের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি না।

 

 

এভাবেই চলছিল। কিন্তু ৩/৪ আগে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। আমার ছেলের প্রেমিকা আমাদের সম্পর্ক এমনকি শারীরিক সম্পর্কের কথাও জেনে যায়। আমার ছেলে, ছেলের বন্ধু, ছেলের প্রেমিকা ওরা সবাই সমবয়সী। একই সাথে লেখাপড়া করেছে। যেভাবেই হোক, মেয়েটি আমার প্রেমিকের মোবাইলে আমাদের কিছু ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে ফেলে ও হুমকি দেয় যে আমার ছেলেকে সব জানিয়ে দেবে। মেয়েটি এখনো কিছু জানায় নি। কিন্তু জানিয়ে দিলে আমার মরে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। আমি বুঝতে পারছি না এখন কী করবো। শুধু আত্মহত্যা করতে ইচ্ছা করে।”

 

পরামর্শ:

আপনার সমস্যাটি ভয়াবহ, যেদিকেই যান না কেন একটা না একটা বিপত্তি নিশ্চিত আপু। আমি বয়সে আপনার চাইতে অনেক ছোট, কী পরামর্শ দেব আমি নিজেও বুঝে উঠতে পারছি না। হ্যাঁ, ভালোবাসা যখন তখন হয়ে যেতে পারে। নিজের মনকে বেঁধে রাখা খুবই মুশকিল। কিন্তু নিজের ছেলের বন্ধুর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে শারীরিক সম্পর্ক করাটা আসলে সব দিক দ্যেই অনুচিত কাজ হয়েছে বলে আমি মনে করছি। স্বামী বা সংসার না হোক, বয়সের পার্থক্য না হোক, অন্তত ছেলে কী মনে করবে বা সে জানলে কী হবে এটা ভাবা খুবই জঋ ছিল।

 

প্রেমিক আপনাকে আসলেই ভালোবাসে কিনা শারীরিক সম্পর্ক করাটাই মুল উদ্দ্যেশ্য কিংবা আপনি তাঁকে বিয়ে করে সুখী হবেন কিনা, সেই প্রশ্ন এখন অবান্তর। এখন গুরুত্বপূর্ণ এটাই যে ছেলে জেনে গেলে কী হবে। ছেলের প্রেমিকা যেহেতু এখনো ছেলেকে জানায় নি, হয়তো সে মনে মনে কিছু ভাবছে। এই ক্ষেত্রে আমি মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তাঁকে সমস্ত কিছু বুঝিয়ে বলে অনুরোধ করতে পারেন যেন ছেলেকে না জানায়। মেয়েত ছেলেকে ভালোবাসে, সে হয়তো চাইবে না ভালোবাসার মানুষটি এত প্রচণ্ড কষ্ট পাক।

 

 

একই সাথে আপু, আপনি নিজেও একটা সিদ্ধান্তে আসুন। স্বামী-সংসার ও পরকীয়ার প্রেমিকের সাথে শারীরিক সম্পর্ক সব কিছু একসাথে পাওয়া যায় না। ভেবেচিন্তে নিজের জন্য যেটা ভালো, সেটাই করুন। যে কোন একটি পক্ষকে বেছে নিন, দুই নৌকায় পা দেয়ার ফলাফল কখনোই ভালো হয় না। এখনই একটি সিদ্ধান্ত না নিয়ে পরবর্তীতে অনেক বিশাল সামাজিক কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।

 

অবিবাহিতা মেয়ে কিভাবে চিনবেন জেনে নিন

 

বিয়ের আগে অনেক পুরুষই কুমারী মেয়ে চেনা নিয়ে উদ্বেগে থাকেন। অনেকে আবার অক্ষতযোনী মেয়ে না পেলে তুলকালাম কাণ্ড বাঁধিয়ে ফেলেন। তাদের অবগতির জন্য আমাদের আজকের আয়োজন। আসুন জেনে নিই কুমারী মেয়ে চেনার উপায়।

আগেই বলে রাখি কুমারী মেয়ে চেনার জন্য সাধারণত তেমন কোন লক্ষণ নেই। তবে মেয়েদের যোনী এবং স্তন দেখে মোটামুটি কমারী মেয়ে চেনা যায়। তবে অনেক মেয়ের বংশগতভাবেই স্তন বড় থাকে।

এমনও ঘটনা দেখা গেছে যে, একটি মেয়ের স্তন বেশ বড়, কিন্তু কোন ছেলেকে চুম্বন করা তো দূরের কথা, কখনো হস্তমৈথুন এবং সেক্স পর্যন্ত করেনি। তার মানে কী এই দাড়াঁবে যে, মেয়েটি কুমারীত্ব হারিয়েছে? মোটেই নয়।

আবার এমনও ঘটনা রয়েছে যে, কোন মেয়ে তার জীবনে প্রথম সেক্স করেছে, কিন্তু কোন রক্তপাত হয়নি। তার মানে কিন্তু এই নয় যে, আপনার আগে কোন পুরুষ তার কুমারীত্ব নিয়েছে। তবে আসলেই কুমারী
মেয়ে চেনার তেমন কোন লক্ষণ নেই।

তবুও নিম্নে স্তন এবং যোনী দেখে ভার্জিন মেয়ে চেনার কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হলোঃ

স্তনঃ
১. স্তন ছোট হবে।

২. চ্যাপ্টা হবে, গোল নয়।

৩. দৃঢ় হবে, তুলতুলে নয়।
৪. স্তনের বোটার চারপাশে যে গাঢ় অংশ থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে হালকা বাদামী রঙ এর মতো হবে এবং এই অংশ আয়তনে ছোট হবে।

৫. নিপলের আকার ছোট হবে। সিউডোভারজিন বা নকল কুমারীঃ অনেক সময় অনেক মেয়ের কয়েকবার যৌনমিলনের পরেও হাইমেন বা সতীচ্ছদ অক্ষত থাকে। এদের সিউডোভারজিন বা নকল কুমারী বলা
হয়। তবে এর হার অনেক কম।

যোনীঃ
১. ল্যাবিয়া মাইনরা অর্থাৎ ভিতরের পাপড়িও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে এবং ল্যাবিয়া মেজরা দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই। ল্যাবিয়া মেজরা না সরালে দেখা যাবে না।

 

 

২. ল্যাবিয়া মেজরা অর্থাৎ বাইরের পাপড়ি প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে একসাথে লেগে থাকবে এবং যোনীমুখ দেখা যাবে না।

৩. হাইমেন অর্থাৎ সতিচ্ছদ অক্ষত থাকবে। যদিও অনেক কারনেই ছিঁড়ে যেতে পারে। এটি ছিঁড়লে সাধারণত রক্তক্ষরণ হয়।

৪. যোনীপথ সরু এবং ভিতরের ভাঁজগুলি কম মসৃণ হবে। ভাজ অনেক বেশি হবে।

৫. ক্লিাটোরিস বা ভগাঙ্কুর খুব ছোট এবং এর আবরণকারী চামড়াও পাতলা হবে।

৬. ল্যাবিয়া মাইনরার নিচের প্রান্ত একত্রে থাকবে।

তবে যেসব মেয়ে বেশি খেলাধুলা/ শরীরচর্চা করে, সাইকেল/মোটরসাইকেল চালায়, ঘোড়ায় চড়ে এবং হস্তমৈথুন করে তাদের হাইমেন বা সতীচ্ছদ ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মূলত এভাবেই একটা মেয়ের
কুমারীত্ব চিহ্নিত করা যায়।

 

 

নারীর কুমারীত্ব পরীক্ষার জন্য তৈরী হলো ভার্জিনিটি টেষ্টার মেয়েদের মিথ্যা কুমারীত্ব দাবী আর নয়

 

 

অনেকে মনে করেন প্রথম সহবাস করলে মেয়েদের জনী দ্বার থেকে রক্তপাত না হলে সে ভার্জিন নয়। এ আসলে ঠিক না। কারণ কোন রকম হস্তমৈথুন বা সহবাস করার আগেই একটি মেয়ে ভর্জিনিটি হারাতে পারে। তবে এখন বুঝা যাবে আসলে নারী সহবাসের মাধ্যমে ভার্জিনিটি হারিয়েছে নাকি অন্য কোন স্বাভাবিক কারনে(খেলাধূলা, সাঁতার বা কোন ভারী কাজের মাধ্যমে) হারিয়েছে।কারণ এখন ভার্জিনিটি টেষ্ট করার জন্য আবিষ্কৃত হয়েছে ভার্জিনিটি টেষ্টার। বিয়েরপর স্বামী যেমন স্ত্রীকে মিথ্য দোয়ারোপ করতে পারবে না, তেমনি স্ত্রীও কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে কৃমারিত্ব হারালেও বুঝা যাবে।

 

কুমারীত্ব পরীক্ষার জন্য আবিষ্কার হলো ভার্জিনিটি টেষ্টার :
বিভিন্ন দেশের কুমারীরা তাদেরকে কুমারীত্ব দাবী করে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম, ফেজবুক, টুইটারে লিখেন। তবে এবার মিথ্যা কুমারীত্ব দাবী করার দিন শেষ হল ভার্জিনিটি টেষ্টারের আবিষ্কারের ফলে। ।
তাদের জন্য দুঃখের সংবাদ এবার কুমারিত্ব পরীক্ষা নিরিক্ষা করার জন্য চীনের ফুয়াং ইজং কোম্পানীর গাইণী বিশেষজ্ঞদল একটি টেষ্টার তৈরি করেছে এই ভার্জিনিটি টেষ্টার আর এই টেষ্টারটি ণির্ণয় করতে সক্ষমহবে কুমারিত্ব ।

 

কোম্পানীর মার্কেটিং ম্যানেজার সাওরূণ এমন চ্যালেঞ্চ করার মত তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কতজন পুরুষের সাথে মেলামেশা করেছে এমন তথ্যও দিতে সক্ষম হবে এই ভার্জিনিটি টেষ্টার । তবে এজন্য কাজ চলছে বর্তমানে ভার্জিনিটি টেষ্টারটি কুমারিত্ব সনাক্ত করতে সক্ষম হবে। বিপণন বিভাগ থেকে আরো জানান, চৌকস গাইনী বিশেষজ্ঞ দল এই ভার্জিনিটি টেষ্টারটি আবিষ্কার করেছেন। এর মুল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশী টাকায় ১২ হাজার ৩০০ টাকা এবং ডলারে ১৪৫ ডলার। ভার্জিনিটি টেষ্টারটি যেকোন ব্যক্তি ইচ্ছে করলেই ব্যাবহার করার চেষ্টাও করতে পারবে না। তবে আদালত কর্তৃক নির্দেশের প্রয়োজন রয়েছে।