জনপ্রিয় জননেতো জনাব মোহাম্মাদ আলী চৌধুরী সাহেব এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারসমুহ ঐক্যবদ্ধভাবে বাগানমাঠ এর জনগণকে রুখে দাড়াবার আহবান জানালেন বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক জনাব খালিদ হাসান রুবেল।
সোমবার
বাগানমাঠ এর জনগণকে মিথ্যাসমুহ এর বিরদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে রুখে দাড়াবার আহবান জানালেন বাগানমাঠ এর জনপ্রিয় জননেতা জনাব মোহাম্মাদ আলী চৌধুরী সাহেব
বাগানমাঠ এর জনগণকে মিথ্যাসমুহ এর বিরদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে রুখে দাড়াবার আহবান জানালেন বাগানমাঠ এর জনপ্রিয় জননেতা জনাব মোহাম্মাদ আলী চৌধুরী সাহেব।
শনিবার
সেক্স মধ্যরাতের পর করবেন না কেন জেনে নিন
সেক্স বা যৌনসঙ্গম একটি জৈবিক প্রক্রিয়া দ্বারা প্রধানত একটি পুরুষের শিশ্ন একটি নারীর যোনিপথে প্রবিষ্টকরণপূর্বক অঙ্গসঞ্চালনকে বোঝায়। এ প্রক্রিয়ায় নর-নারীর যৌনউত্তেজনা প্রশমিত হয় এবং পুরুষের বীযর্পাত ঘটে। সেক্সের মাধ্যমে যোনীতে নিক্ষিপ্ত বীর্য নারীর জরায়ুতে প্রবেশ করে এবং তদ্দ্বারা নারীতে গর্ভসঞ্চার হতে পারে। সেক্স করে আনন্দ লাভ বা প্রজনন বা উভয়বিধ উদ্দেশ্যে নর-নারী সেক্সে প্রবৃত্ত হয়। বাংলায় যৌনসঙ্গম (ইংরেজিতে সেক্স sex ) শব্দটির বিভিন্ন প্রতিশব্দ হল: যৌনমিলন, সঙ্গম, মৈথুন, রতিক্রিয়া, রতিমিলন; যৌন সংসর্গ, যৌন সহবাস, সহবাস ইত্যাদি।
কখন সেক্স করা উচিত না
মানুষের ক্ষেত্রে মৈথুন সম্ভাব্য সবচেয়ে অন্তরঙ্গ মিলন বা মিথস্ক্রিয়া; কেননা এর মাধ্যমে পুরুষ ও নারী একে অপরের সবচেয়ে কাছাকাছি আসে। অনেকের জন্য এটাই আনন্দ ও দৈহিক সুখের সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম এবং প্রেম ও ভালোবাসার সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ। মৈথুনের এক পর্যায়ে সর্বোচ্চ আনন্দ লাভ হয়ে থাকে যাকে চরমানন্দ বা রাগমোচন (ইংরেজিতে Orgasm) বলা হয়। মাত্র ২ মিনিটেই স্ত্রীকে চরম সুখ দেওয়ার উপায় চরমানন্দের সময় পুরুষের বীর্যস্খলন ঘটে। পুরুষের চেয়ে নারীর রাগমোচন অনেক দীর্ঘস্থায়ী হয়। নারীর ক্ষেত্রে রাগমোচন কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এতে আনন্দের সাথে মিশে থাকে দেহ ও মনের এক ধরণের নিরুদ্বেগ শৈথিল্য।
মাসিক শেষে সেক্স করলে কি প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে?
বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবল কোচ পেপ গার্দিওলা। স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার পর জার্মানির ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখকে সাফল্য এনে দিয়ে এখন ম্যানচেস্টার সিটির কোচ। ইংল্যান্ডের এ ক্লাবটির দায়িত্ব নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে নিয়মতান্ত্রিকতা এনেছেন ব্যাপক। বিষয়টি জানালেন ম্যানসিটির ফুটবলার সামির নাসরি। অবশ্য তিনি চলতি মৌসুমে ধারে (লোন) গেছেন স্পেনের ক্লাব সেভিয়ায়। তিনি সেখানে এক সাক্ষাৎকারে খেলোয়াড়দের ওপর দেয়া গার্দিওলার বিভিন্ন নিয়মের কথা জানালেন। তারমধ্যে একটি হলো- সেক্স। গার্দিওলা খেলোয়াড়দের ওপর সেক্সে নিষেধাজ্ঞা দেননি। তবে সেটা মধ্যরাতের আগেই করে ফেলতে বলেন। যাতে রাতের ঘুমটা ভালো হয়। এমন কি পরের দিন ম্যাচ না থাকলেও তিনি এই নিয়ম মানতে বলেন খেলোয়াড়দের। মধ্যরাতের পর কোনো খেলোয়াড়ের সেক্সের বিষয়টি বুঝতে পারলে খুবই কঠোর হন গার্দিওলা। এই নিয়ম মেনে বার্সেলোনার স্ট্রাইকার লিওনেল মেসি মাংসপেশির টান থেকে সুস্থ হয়েছিলেন বলে তিনি ম্যানসিটির খেলোয়াড়দের জানান। এছাড়া বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার রবার্ত লেওয়ানদোস্কিকেও তিনি এই নিয়ম মানিয়ে সুস্থ করেছেন বলে জানান। মধ্যরাতের পর সেক্স করলে পরের দিন এর প্রভাব মাঠে পড়ে বলে মনে করেন গার্দিওলা। খেলোয়াড়দের খাদ্য তালিকায় গার্দিওলার কঠোর নজর বলে জানালেন ফরাসি মিডফিল্ডার সামির নাসরি। দলে থাকার জন্য খেলোয়াড়দের স্লিম ও ফিট থাকা শর্ত তার। ম্যানসিটিতে গার্দিওলার এই নিয়মের বেড়াজালে প্রথম পড়েন নাসরি। স্থূল হয়ে পড়ায় তাকে বারবার সতর্ক করেন গার্দিওলা। এমন কি স্লিম না হওয়া পর্যন্ত তাকে অনুশীলনে পর্যন্ত রাখবেন না বলে জানিয়ে দেন তিনি। সেটা করে ছাড়েন গার্দিওলা। স্বাস্থ্য না কমায় একাদশ তো দূরে থাক নাসরিকে অনুশীলনে পর্যন্ত রাখেননি। আর শেষ পর্যন্ত তাকে সেভিয়ার কাছে লোনে দিয়ে দিলো। বিষয়টি নিজেই স্বীকার করলেন নাসরি।
বলেন, ‘গার্দিওলা স্বাস্থ্য নিয়ে আমাকে বারবার সতর্ক করেছেন। রাগ করে তিনি আমাকে আবর্জনাও বলেছেন। বুট দিয়ে লাথিও মেরেছেন।’ গার্দিওলার দলের খেলোয়াড়দের একসঙ্গে নাস্তা ও দুপুরের খাবার খেতে হয় বলে জানালেন নাসরি। এতে কে কেমন খাচ্ছে সেটার দিকে নজর দিতে পারেন কোচ। অবশ্য নিজের মোটা হয়ে যাওয়া নিয়ে ভুল স্বীকার করলেন নাসরি। তিনি কঠোর পরিশ্রম করে এখন আবার স্বাস্থ্য কমিয়ে ফেলেছেন।
মেয়েদের ২৫ বছরের আগে বিয়ে না হলে যে সমস্যাগুলো হয়
বিবাহ (ইংরেজি: Marriage, matrimony বা wedlock) হল একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দু’জন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়। বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতিভেদে বিবাহের সংজ্ঞার তারতম্য থাকলেও সাধারণ ভাবে বিবাহ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে দু’জন মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও যৌন সম্পর্ক সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে।
ইসলামে বিয়ে করার নিয়ম
আমাদের সমাজে নারীদেরকে বলা হয়ে থাকে কুড়িতেই বুড়ি। আর এই কথাটি বলার কারণ হলো, ২৫ বছর বয়সের পরেই মেয়েদেরকে বিয়ে করিয়ে দেয়ার জন্য নানান দিক থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়।
পরিবার, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী সবাই সারাক্ষণ বিয়ের ব্যাপারে আলাপ করতে শুরু করে। বিয়েই একটি মেয়ের জীবনের মূল লক্ষ্য এমনই প্রচলতি ধ্যান ধারণার কারণেই নানান রকমের বিরক্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় নারীদেরকে। জেনে নিন তেমনই ১৫ টি বিরক্তিকর পরিস্থিতি সম্পর্কে।
বিয়ের পর মেয়েদের স্তন ঝুলে যাওয়া এবং নরম হয়ে যায় কেন?
প্রতিদিন খাবার টেবিলে বিয়ের প্রসঙ্গ :-
সকালের নাস্তার সময় বা রাতের খাওয়ার সময় যখনই হোক, বাবা মা বিয়ের প্রসঙ্গ তুলবেনই। খাবার টেবিলে বাবা মায়ের সাথে মুখোমুখি হতেও সংকোচ ও আতঙ্ক তৈরি হয় এমন অবস্থায়। কর্মক্ষেত্রে গেলেই এর ওর বিয়ের গল্প বাসা থেকে বের হয়ে কর্মক্ষেত্রে গিয়েও যেন শান্তি নেই। অফিসেও আজ এর বিয়ে তো কাল ওর বিয়ে। আর কিছু না হলেও বিয়ের পরিকল্পনা, বিয়ের ঘটনা ইত্যাদি তো সারাক্ষণই শুনতে হয়। ফেসবুকের টাইম লাইনে শুধু বিয়ে,এনগেজমেন্ট ও সদ্যজাত শিশুর ছবি সারাদিন বিয়ের আলাপ শুনে অতিষ্ট হয়ে যে ফেসবুকে কিছুটা সময় কাটাবেন সেই উপায়ও নেই। কারণ ফেসবুকের টাইম লাইন জুড়েও শুধু ব্রাইডাল ফটোগ্রাফি, বন্ধুদের বিয়ের ছবি, বন্ধুর বাচ্চার ছবি দিয়েই ভরা।
ঘন ঘন বিয়ের দাওয়াত পাওয়া :-
বিয়ের প্রসঙ্গ যখন একটি নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় তখন বিয়ের দাওয়াত পাওয়াটাও যেন বেড়ে যায়। আর বাবা মাও বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার জন্য জোর করে। কারণ বিয়ের দাওয়াতেও অনেক সময়ে বিয়ের প্রস্তাব পাওয়া যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য পোশাক খুঁজে না পাওয়া
বিয়ের দাওয়াতে আগে যেমন তেমন ভাবে গেলেই হতো। আর এখন না সেজে গেলে মায়ের বকুনি খেতে হয়। বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার সময়ে তাই কি পরবেন সেটা ঠিক করাই মুশকিল হয়ে যায়।
যে কোনো পার্টিতে বন্ধুদের সাথে বন্ধুদের সঙ্গীরাও আসা বন্ধুদের পার্টিতে গিয়েও শান্তি নেই। বন্ধুদের পার্টিতে আপনার বন্ধুরা সবাই তাদের বয়ফ্রেন্ড অথবা স্বামীকে নিয়ে আসেন। আর আপনি সেখানে যান একদম একা একাই। তখন নিজেকে অনেক অসহায় ও একা লাগে আপনার।
কাছের দূরের সবাই সারাক্ষণ বয়ফ্রেন্ড বা বিয়ে সম্পর্কে প্রশ্ন করা ক্লাসমেটরা, কলিগরা, বন্ধুরা, কাজিনরা সবাই সারাক্ষণ আপনার বিয়ে কবে, বয়ফ্রেন্ড আছে কিনা এসব নিয়ে প্রশ্ন করেন। যেন পৃথিবীতে বিয়ে বা প্রেম ছাড়া আর কোনো কথা বলার বিষয়বস্তু নেই।
আত্মীয় ও বান্ধবীদের মায়েদের সারাক্ষণই আপনাকে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালানো :-
আপনার আত্মীয়রা ও বান্ধবীডের মায়েরা সারাক্ষণই আপনাকে বিয়ে দিয়ে দেয়ার চেষ্টায় থাকবেন। নানান রকমের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসে হাজির হবেন আপনার সামনে। আপনার অভিভাবকদেরকে আত্মীয়দের নিয়মিত জিজ্ঞাসাবাদ আপনার অভিভাবকরাও থাকবেন বিপদে। আপনার অভিভাবকরা যেখানেই যাক না কেন সেখানেই তাদেরকে আপনার বিয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
নানান মনগড়া কাহিনী ও গুজবের স্বীকার হওয়া যখন সবাই আপনাকে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেও তেমন কোনো সাড়া পাবেন না, তখন নানান রকমের মন গড়া কাহিনী তৈরি হবে আপনাকে নিয়ে। আপন নিশ্চয়ই প্রেম করছেন কারো সাথে, আপনি মনে হয় লুকিয়ে লুকিয়ে বিয়ে করেছেন ইত্যাদি গুজব ছড়ালেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।
বিয়ের বায়োডাটা তৈরি ও সুন্দর ছবি তোলার জন্য অভিভাবকের চাপ সৃষ্টি :-
আপনার ছবির সৌন্দর্য নিয়ে আপনার অভিভাবক হঠাৎ করেই বেশ উৎসাহী হয়ে যাবেন। আপনাকে বিয়ের বায়োডাটা তৈরি করতে বলা হবে এবং সুন্দর সুন্দর ছবি তুলতে বলা হবে। মানুষের মুখ বন্ধ করার জন্য বিয়ের মিথ্যা পরিকল্পনা বলা একটা সময়ে আপনি অতিষ্ট হয়ে নিয়ের বিয়ের মিথ্যা পরিকল্পনা করবেন এবং সেটা মানুষকে বলে বেড়াবেন। কেউ বিয়ের কথা জিজ্ঞেস করলে ২০** এর আগে বিয়ে করবো না চাকরি পেয়ে বিয়ে করবো নিজের টাকায় বিয়ে করবো’ ইত্যাদি অজুহাত দিবেন আপনি।
হরহামেশাই আপনাকে বলা হয় যে বয়স হয়ে গেলে বাচ্চা হবে না :-
আপনাকে একটা কথা নিয়মিতই শুনতে হবে। কথাটি হলো এখনও বিয়ে করছো না! বয়স হয়ে গেলে তো বাচ্চা হবে না ।
এতো সব কিছুর পরেও আপনি নিজের জীবন নিয়ে সুখী এতো রকমের জটিল পরিস্থিতিতেও আপনি অনুভব করতে পারবেন ভালোই আছেন আপনি। নিজের মতোই চালিয়ে যাচ্ছেন নিজের জীবনটাকে। অন্যের ইচ্ছায় চলতে হচ্ছে না আপনাকে। আপনার স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করছে না।
একটা সময়ে আপনি নিজেই বিয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবেন একটা সময়ে আপনি নিয়েই বিয়ের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হয়ে যাবেন। আপনি মন থেকে শ্রদ্ধা করতে পারবেন এবং ভালোবাসতে পারবেন এমন কাউকেই নিজের জন্য নির্বাচন করবেন আপনি। তখন ফেলে আসা এসব স্মৃতি মনে করে মনে মনে হাসবেন আপনি।
দীর্ঘসময় মিলন করার জন্য নিশাত ট্যাবলেট খেলে কি কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া হবে?
নিশাত ট্যাবলেট,এটি শক্তিশালী কামোদ্দীপক ও যৌনশক্তি বর্ধক। নিশাত ট্যাবলেট যৌন উদ্দীপনা ও কাম ইচ্ছাশক্তি বৃদ্ধি করে, যৌন অঙ্গাদি শক্তিশালী করে অসময়ে বীর্যপাত রোধ করে। যৌনশক্তি কয়েকগুণ বাড়িয়ে সঙ্গমকালকে দীর্ঘায়িত ও আনন্দদায়ক করে তোলে। নিশাত ট্যাবলেট ওষুধ দীপ্ত যৌবন ও সজীবতা আনয়ন করে। স্ত্রীকে পূর্ণ যৌন তৃপ্তি দানে এটি খুবই কার্যকরী কারণ এটি সেবনে পুরুষ দীর্ঘ সময় ধরে সহবাস করতে পারে।
যেকোনো ঔষধের সাইড এফেক্ট থাকবেই। তাই, নিশাত ট্যাবলেটেরও সাইড এফেক্ট আছে।
সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট বা অন্য কোন ঔষধ খাওয়া উচিত না। এই ঔষধগুলি পুরুষকে একসময় ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় আবার কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়।
আমরা অনেকেই এটি জানি না যে যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র ক্ষেত্র বিশেষে ডাক্তাররা কিছুদিন ঔষধ সেবনের উপদেশ দিয়ে থাকেন।
মাত্র ২ মিনিটেই স্ত্রীকে চরম সুখ দেওয়ার উপায়
গবেষনায় দেখা যায় পুরুষরা পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মধু, খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। ডিমের ক্ষেত্রে হাসের ডিম এবং দুধের ক্ষেত্রে ছাগলের দুধকে প্রাধান্য দিতে পারেন
মাত্র ৭ দিনে লিঙ্গ বড় করুন দুই ইঞ্চি পর্যন্ত- ডাক্তারের পরামর্শ মতে….
ছেলেদের লিঙ্গ বা যৌনাঙ্গ বা পুরুষাঙ্গ বড় হওয়া নির্ভর করে এতে রক্তের চাপ কেমন থাকে। পুরুষাঙ্গ/ পেনিস বা লিঙ্গ একটি মাংসপেশি। অন্য সব মাংসপেশি যেমন ব্যায়াম করলে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় তেমনি এটাও ব্যায়ামের মাধ্যমে বাড়াতে হবে।
লিঙ্গ বড় করার উপায়
আর ব্যায়াম চালু না রাখলে যেমন মাংসপেশি শুকিয়ে যায় তেমন এটাও কমে যাবে। কিছু কিছু পেনাইল সার্জারির প্রচলন বিদেশে আছে। তবে তা স্থায়ী কোনকিছু নয়। পেনিস পাম্প এর প্রচলন ও আছে। কিন্তু ব্যায়ামের চেয়ে ভাল কিছু আর নেই । লিঙ্গ আকার বৃদ্ধির তিন ধরনের ব্যায়াম আছে। যথা—
১. শেকিংঃ
প্রথমে আপনার পেনিস টাকে গোড়ার দিকে দুই আঙ্গুলে ধরুন (শিথিল অবস্থায়)। এরপর সেটাকে আস্তে আস্তে ঝাঁকাতে শুরু করুন আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর…
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের লিঙ্গ এর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত হওয়া উচিত ?
গতি বাড়ান এভাবে একটানা ২০০-২৫০ বার ঝাঁকান মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে। ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন। তারপর আবার করুন এভাবে দিনে দুইবার করুন এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতে পারে। ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন না। এটা করার সময় যদিহস্তমৈথুন করেন তাহলে ব্যায়াম করা আর না করা সমান কথা। যদি ২০০-২৫০ বারের আগেই বীর্য বেরিয়ে যেতে চায় তাহলে থামুন। উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন এটা করলে আপনার পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন আশাতীত ভাবে বাড়বে। একটু কষ্ট করে হলেও এক্সারসাইজ চালু রাখুন বাদ দেবেন না।
ছোট লিঙ্গ দিয়ে কি স্ত্রীকে তৃপ্তি দেওয়া যাবে?পড়ুন এখানে
২. জেল্কিংঃ
প্রথমে পেনিস কে জলে ধুয়ে নিন এবং মুছে ফেলুন। এরপর খানিকটা ক্রিম বা জেল জাতীয় পিচ্ছিল জিনিস, (তেল জাতীয় জিনিস হলেও হবে) যোগাড় করুন। এটি পেনিসে ভালভাবে মাখান (শিথিল অবস্থায়) এবার বুড়ো আঙ্গুল এবং তর্জনীরসাহায্যে ”OK” সাইন এর মত করুন। এবার এই ”OK” সাইন দিয়ে পেনিসের গোড়া ধরুন (একটু জোরে চেপে ধরতে হবে)। এবার আস্তে আস্তে ভেতর থেকে বাইরের দিকে মর্দন করুন। জিনিসটা অনেকটাই হস্তমৈথুনের মতই। কিন্তু খেয়াল রাখবেন এটা শুধু পেনিসের গোঁড়া থেকে অগ্রভাগের দিকে।
উল্টা দিকে করবেন না। এভাবে ৩০-৪০ বার করুন। দিনে দুইবার। এটি করার সময় আপনি নিজেই টের পাবেন যে আপনার লিঙ্গমুণ্ডে রক্তের চাপ বাড়ছে। মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন। এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতে পারে। ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন
না। যদি ৩০-৪০ বারের আগেই বীর্য বেরিয়ে যেতে চায় তাহলে থামুন। উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন এটি করার সময় লিঙ্গমুণ্ডে সামান্য
সাময়িক ব্যাথা বোধ হতে পারে। এছাড়া আপনি দেখবেন লিঙ্গমুণ্ডকে লাল হয়ে ফুলে উঠতে। রক্তের চাপের কারনে এমন হয়।
লিঙ্গে মধু মাখার পর তা কি ধুয়ে ফেলতে হবে?
৩. স্ট্রেচিংঃ
প্রথমে লিঙ্গমুণ্ড পাঁচ আঙ্গুলে সামনে থেকে চেপে ধরুন এবার এটাকে সামনের দিকে টেনে ধরুন এমনভাবে ধরে রাখুন যাতে পিছলে না যায় এভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে রাখুন ২০ সেকেন্ড পর ছেড়ে দিন এভাবে একটানা ২০ বার করুন (দিনে ২ বার) মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে৷ ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন তারপর আবার করুন৷ এর ফলে ধীরে ধীরে আপনার পুরুষাঙ্গ দীর্ঘতায় বাড়বে৷
যে তিনটি ব্যায়ামের কথা বলা হয়েছে সেগুলো একত্রে প্রতিদিন দুইবার করে করুন। একসাথে না করলে লাভের সম্ভাবনা কম। এক্সারসাইজের সময় হস্তমৈথুন করবেন না। হস্তমৈথুনকরলে ব্যায়াম করার কোন দরকার ই নাই। কারন তাতে কোন লাভ হবেনা।
মেয়েদের শরীর নরম হয় কেন জেনে নিন
নারী মানেই কোমল, পেলব একটি শরীর। মেয়েদের শরীর নরম শুধুমাত্র কোনো ধারণা নয়, বাস্তবেও তাই। মেয়েদের শরীর সাধারণত ছেলেদের তুলনায় অনেক অনেক বেশি নরম। কিন্তু এমনটা কেন? এর পেছনে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যাই বা কী? বিজ্ঞান বলছে, মূলত তিনটি বিষয়ের জন্য এমনটা হয়— জিন, হরমোন এবং জীবনযাপনের ধরন মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রাধান্যের জন্য মেয়েদের ত্বক পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি তৈলাক্ত হয়।
কি কারণে মেয়েদের শরীর নরম হয়
ত্বকের কোমল ভাব অনেক বেশি থাকে। এ কারণে সামগ্রিকভাবেই মেয়েদের শরীর নরম লাগে। মেয়েদের কোমল শরীরের পেছনের মূল নিয়ামক কিন্তু জিন। আদিম মানব এবং মানবীরা যতদিন একসঙ্গে শিকার করেছে ততদিন নারী-পুরুষ দুই শরীরই কঠিন এবং পেশীবহুল ছিল।
কৃষিভিত্তিক সভ্যতার সূত্রপাতের সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের ভূমিকা পাল্টে যেতে থাকে। অত্যন্ত কঠিন শারীরিক পরিশ্রমের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত হালকা বাড়ির কাজেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে নারী শরীর। এ অভ্যাসই জিনবাহিত হয়েছে প্রায় দু’হাজার বছর ধরে। তাই আদিম মানবীর জিনগঠনের সঙ্গে আধুনিক মানবীদের জিনগঠনে বহু পার্থক্য, বিশেষ করে শারীরিক কোমলতার নিরিখে।
যুগ যুগ ধরে এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মে বাহিত হওয়া জিনই মেয়েদের শরীরের কোমলতার মূল কারণ। এর কারণেই মেয়েদের মাংসপেশীতে ফ্যাটি টিস্যুর পরিমাণ ছেলেদের তুলনায় অনেক বেশি।
মেয়েদের শরীরের হাড় ছেলেদের তুলনায় অনেক বেশি পাতলা হয়। এ কারণেও মেয়েদের শরীর অনেক বেশি নরম লাগে।
মেয়েদের পেটের নাভি সম্পর্কে আশ্চর্যজনক কিছু তথ্য জেনে নিন
কী ধরনের জীবনযাপন করেন একজন নারী তার উপরেও নির্ভর করে শরীর কতটা কোমল থাকবে। যে নারী মাউন্টেনিয়ারিং করেন তার তুলনায় যিনি হোমমেকার তার শারীরিক কোমলতা স্বাভাবিকভাবেই বেশি হবে।
মূলত জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই মেয়েদের শরীর নরম এবং পুরুষদের শরীর অনেক বেশি শক্ত হয়ে থাকে। যদিও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজ মানুষ হিসেবে নারী পুরুষের একই রকম তবুও হরমোনের এবং জিনগত পার্থক্যের কারণে এগুলোর গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কিছুটা ভিন্ন। এছাড়া নারী পুরুষের লাইফ স্টাইলের ভিন্নতার কারণেও ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়।
শরীরে টেস্টোস্টেরনের আধিক্যের কারণে পুরুষের শরীর নারীদের তুলনায় শক্ত হয়ে থাকে। এর ফলে পেশী ফুলে যায় এবং শরীর টানটান হয়ে থাকে।
এছাড়া পেশীতে থাকা ফাইবারের ভিন্নতার কারণেও মেয়েদের তুলনায় পুরুষদের শরীর শক্ত হয়ে থাকে। পেশীর গঠন কাঠামো নারী পুরুষের একই রকম থাকলেও বংশগত বৈশিষ্ট্য এবং প্রতিদিদের দৈহিক পরিশ্রমের কারণে ফাইবারের কম বেশি হয়ে থাকে। এই ভিন্নতার কারণেই নারীদের শরীর নরম এবং পুরুষের শরীর শক্ত হয়ে থাকে। ধন্যবাদ
বাচ্চা হওয়া বাদে কি মেয়েদের বুকে দুধ আসে?
প্রশ্নঃ বাচ্চা হওয়া বাদে কি মেয়েদের বুকে দুধ আসে?
আপনার ডক্টরের উত্তরঃ গর্ভধারন কিংবা বাচ্চা হওয়া বাদেও একাধিক কারনে বুকে দুধ আসতে পারে। যদিও এ সম্ভবনা খুবই কম, তদুপরি হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কিংবা বিশেষ কোন ঔষধ সেবন কিংবা বয়সের কারনেও এমনি ঘটতে পারে।
মেয়েদের স্তনে কখন দুধ আসে
মেয়েদের বুক দুধ আসার জন্য প্রোল্যাকটিন prolactin নামের এক হরমোন দায়ী। যা এটি মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে তৈরি হয়।
প্রাকৃতিকভাবে মেয়েদের দুধ বড় করার সহজ উপায়!
ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ঔষধ যেমন মেটাক্লোপ্যারামাইড (metoclopramide) কিংবা থিওরিডাজাইন (thioridazine) ব্যবহারে, শরীরে প্রোল্যাকটিন (prolactin ) হরমোন তৈরী করতে পারে ,যাতে গর্ভধারন বাদেও বুকে দুধ আসতে পারে।
এছাড়া গর্ভধারনে শেষের দিকে শরীরে এই হরমোনের আধিক্যের জন্য বুকে দুধ আসা শুরু করে।
এছাড়াও অনেক সময় বয়স্ক মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভধারন বাদেও বুকে দুধ আসতে পারে , তবে তা খুবই সামান্য, এ ঘটনাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ’duct ectasia’ বলে ।
আমি এত জলদি প্রেগন্যান্ট হতে চাই না। প্লিজ সাহায্য করুন
প্রশ্নঃ আমি আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে প্রথম সেক্স করার সময় তার কামরস আমার যৌনির একটু ভিতরে ঢুকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য আর আমার পিরিয়ডের ৮ তম দিন চলছিল আমার পিরিয়ড ৩ দিনে শেষ হয় প্লিজ আমাকে বলুন আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারি,, আমি এত জলদি প্রেগন্যান্ট হতে চাই না?
জেনে নিন কিভাবে সেক্স করলে গার্লফ্রেন্ড প্রেগন্যান্ট হবেনা?
উত্তরঃ সাধারণত কামরসে প্রেগনেন্ট হয় না ।তবে অনেক সময় হয়ে থাকে কারণ কামরসের সাথে বীর্য যদি লেগে থাকে তবে প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর প্রেগনেন্ট হওয়ার জন্য বেশী সময়ের জন্য কামরস বা বীর্য যোনি ভিতরে ঢুকা লাগে না । ঢুকলেই প্রেগনেন্ট হতে পারে অথ্যাৎ কোন ভাবে বীর্য। যদি ডিম্বানুর সাথে মিলিত হয় তবে গর্ভধারণ হয়ে যায।
এবং
মাসিক বা পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর ৭-৮ দিন নিরাপদ সময় ।তাই আপনার প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম ।
আপনার উচিত ছিল মিলিত হওয়ার ২৪ বা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইমারজেন্সি পিল সেবন করা ।
আমি বিবাহিত।মিলনের কিছু দিন পর থেকে আমার যোনি চুলকায়….
প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে আজকের প্রশ্নঃ আমি বিবাহিত।বয়স ২১। মিলনের কিছু দিন পর থেকে আমার যোনি চুলকায়। যোনি খুব চুলকায়। জলে খুব। ফুলে যায় । মাসে একবার হয়ে থাকে।
যৌনিতে ইচিং বা চুলকানির কারণ ও প্রতিকার
আপনার ডক্টরের উত্তরঃ যোনি (ইংরেজি: Vagina – ভ্যাজাইনা; মূলতঃ লাতিন: উয়াগিনা) হলো স্ত্রী যৌনাঙ্গ, যা জরায়ু থেকে স্ত্রীদেহের বাইরের অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ফাইব্রোমাসকুলার নলাকার অংশ। মানুষ ছাড়াও অমরাবিশিষ্ট মেরুদণ্ডী ও মারসুপিয়াল প্রাণীতে, যেমনঃ ক্যাঙ্গারু অথবা স্ত্রী পাখি, মনোট্রিম ও কিছু সরীসৃপের ক্লোকাতে যোনি পরিদৃষ্ট হয়।
শিশু হতে বয়োসন্ধিকাল পর্যন্ত নানাবিধ কারণে যোনিপথে চুলকানি হয়। বয়োসন্ধিকালের পর হতে যৌনক্ষম বয়স পর্যন্ত যোনিপথে চুলকানির কারণ অনেক কম ও ভিন্ন। তবে রোগ সংক্রামণের জীবাণুগুলো অনেকাংশে একই। যোনিপথে কিছু কিছু ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়া স্বাভাবিকভাবেই বাস করে। স্বাভাবিক পরিবেশে এইসব ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়া কোনো ক্ষতি করে না। তবে স্বাভাবিক পরিবেশ যখনই ব্যাহত হয় তখনই এইসব ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়া কার্যকর হয় এবং সংক্রমণ ঘটায়। এই অপ্রতিকূল পরিবেশ ঘটে বিভিন্ন কারণে। বিশেষ করে যৌনবাহিত রোগ জীবাণু সহজেই সংক্রমণ ঘটায়। যেমন : গনোরিয়া, সিফিলিস, ফাংগাস, স্ট্রাইকোমোনাস, ব্যাকটেরয়েড, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস, এইডস ইত্যাদি। তবে এই সমস্ত সংক্রমণে সবক্ষেত্রে যোনিপথে চুলকানি নাও হতে পারে। তবে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব ও চুলকানি একসাথে থাকলে অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে চিকিৎসা করাতে হবে। চুলকানি অনেক সময় পিরিয়ডের সময় হয়, অনেক সময় পিরিয়ড শেষে হয়। প্রাথমিক অবস্থায় এন্টি ফাংগাস, এন্টিহিস্টামিন ও এন্টি ফাংগাস মলম ব্যবহার করলে এই সংক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
মেয়েদের যোনিতে বীর্যপাত করলে মেয়েরা আনন্দ পায় কি?
বড় নখ দিয়ে চুলকিয়ে অনেকে ব্যাকটেরিয়ার ক্ষত সৃষ্টি করে। সেক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক মলমও দিতে হবে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে বাহ্যিক এই সংক্রমণ জরায়ুতে প্রবেশ করে যৌনাঙ্গে ইনফেকশন সৃষ্টি হবে, যা ভবিষ্যতে বিরাট সমস্যার সৃৃষ্টি করে।
প্রশ্ন হতে পারে কোন সময় সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি? পিরিয়ডের সময়, ডেলিভারির সময় ও ডেলিভারির পরপরই। এবরশন হলে, ইচ্ছাকৃতভাবে এবরশন করালে সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তবে বহুগামীÑযারা নিজে বা যাদের স্বামী, সেইসব ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরো বেশি। তাই সংক্রমণের চিকিৎসার সাথে সাথে বহুগামিতা রোধ করতে হবে।
স্ত্রীর যোনিতে কখন যৌনাঙ্গ প্রবেশ করালে স্ত্রী আনন্দ পাবে? জেনে নিন
কিছু কিছু ক্ষেত্রে যোনিপথের বাইরে সাদা হয়ে যায় এবং চুলকানি হয়। এই উপসর্গ উক্তস্থানের ক্যান্সারের পূর্বলক্ষণ। সময়মতো চিকিৎসা না হলে সময়ের সাথে সাথে এটি ক্যান্সারে রূপ নেয়। এই সমস্যা মাসিক বন্ধের পরই বেশি দেখা যায়; তবে তার আগেও হতে পারে। তাই বেশি মাত্রায় চুলকানি হলে উক্ত স্থান চোখে দেখার প্রয়োজন আছে। ডাক্তারের পরামর্শ মতে উক্ত সাদা স্থানের biopsy report করা জরুরি। অতঃপর কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন; যা দীর্ঘমেয়াদী মাসিক বন্ধের পর যোনিপথের স্বাভাবিক আদ্রতা ও পরিবেশের পরিবর্তন হয়। ইস্ট্রোজেন হরমোন ঘাটতি এর কারণ। যার কারণে উক্ত স্থান শুকনা ও রাফ হয়, এ থেকেও চুলকানি হয়।
যোনি থেকে সাদা স্রাব বের হয়, কি করব? পড়ুন এখানে
তাই অতিসত্ত্বর গাইনী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিৎ। ইস্ট্রোজেন হরমোনসমৃদ্ধ মলম এখানে কার্যকর। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানসিক কারণে, যৌন জীবনে অতৃপ্তি, পারিবারিক অস্থিরতা ও মনোমানিল্য এইসব কারণেও চুলকানি হতে পারে।
কারণ যাই হোক না কেন দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে এই সব সামান্য উপসর্গকে অবহেলা না করে চুলকানির কারণ খুঁজে বের করা উচিত এবং তার অতিসত্তর চিকিৎসা প্রয়োজন।
সন্তান ছেলে না মেয়ে বলে দেবে মায়ের রক্তচাপ
ভবিষ্যৎ সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে হবে তা মায়ের রক্তচাপ থেকেই অনুমান করা সম্ভব বলে নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।
সহজ পরিক্ষায় জেনে নিন সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে
গবেষকরা বলেন, গর্ভধারণের আগে যেসব নারীর রক্তচাপ কম থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা কন্যা সন্তান জন্ম দেয় বলে তাদের গবেষণায় উঠে এসেছে।
ভারতীয় গবেষক রবি রত্নাকরণের নেতৃত্বে কানাডার মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের গবেষকদল এ গবেষণা করেন।
সন্তান হওয়ার ৪০ দিনের মধ্যে আবার গর্ভধারণ করতে চাই, সহবাসের সঠিক সময় কোনটি?
প্রধান গবেষক রত্নাকরন বলেন, নারীদের উচ্চ রক্তচাপ তার গর্ভের সন্তান ছেলে হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে নিম্ন রক্তচাপ থাকলে ভবিষ্যতে কন্যা সন্তান জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে বলে আমাদের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে।
“এই গবেষণা এটাই বলছে, গর্ভধারণের আগে নারীদের রক্তচাপ ভবিষ্যতে তার পুত্র বা কন্যা সন্তান জন্মদানের সঙ্গে সম্পর্কিত।”
“দারুণ এই আবিষ্কার উভয় ধরনের প্রজনন পরিকল্পনার ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যেতে পারে।”
২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে গবেষকরা এ গবেষণা শুরু করেন। চীনের লিউয়াংয়ে ৩৩৭৫ নারী গবেষণায় অংশ নেন।
আমেরিকান জার্নাল অব হাইপারটেনশনে এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ পায়।
সহবাস করার আগে কী খাবেন, কী খাবেন না!
শরীর বুঝে সব। কিন্তু কখনও ভেবেছেন কি, সহবাস -এর আগে কী খাওয়া উচিত, আর কী নয় । আপনি শুয়ে বসে থাকলে ক্ষিদে কম পাবে দৈহিক শ্রম হয় এমন কাজ করলে ক্ষিদের পরিমাণটা তুলনামূলভাবে বেশি হবে।সহবাস করলেও কিন্তু শরীর অধিক পরিশ্রম হয়। সহবাসকালে শরীর থেকে শীদের দিনেও ঘাম বের হওয়টা অবাক করার মত কিছু নয়। ভালো খাবার শরীরগতিকের সেই তত্ত্ব জেনে নিন এবার।
সহবাসে স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তি দেয়ার উপায় কি? জেনে নিন
১. প্লেন টোস্ট চলতে পারে। খুব বেশি হলে একটু মাখন। পাঁউরুটির অন্য কিছু নয়।
২. ডিমের সাদা অংশ চলতে পারে। সসেজ বা সালামি একেবারেই নয়।
৩. কফি ভুলে যান। লিকার চা হতে পারে সঙ্গী।
৪. রাতে মাছ বা চিকেন চলতে পারে। অন্য কোনও মাংস নয়।
৫. ব্রোকোলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি নয়, গ্রিন সালাড, শশা, মাশরুম বা টোম্যাটো খান।
৬. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নয়। আলু খেতে হলে সিদ্ধই ভাল।
৭. এগ, চিকেন, মাটন— রোল, বিরিয়ানি কিছুই চলবে না। মাংস খেলে একেবারে হালকা করে খান।
৮. ওয়াইন ভাল। টেকিলা চলবে। কিন্তু সুরা-গোত্রের আর কিছু নয়।
৯. পিৎজা নয়, পাস্তা। জেনে নিন কখন সহবাস করলে বাচ্চা হয় না?
১০. সহবাস -এর আগে পপ কর্ন খাওয়া ভাল।
১১. মুখের জন্য চিউইং গাম নৈব নৈব চ। মাউথওয়াশ হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বিকল্প।
১২. আইসক্রিম খেতে পারেন, তবে তা হতে হবে লো ফ্যাট।

