“মিথ্যা বিশ্বাসসমুহ আর সন্ত্রাসী কার্যক্রমসমুহ এবং ধ্বংসসমুহ একই কথা। ”
– সামনের সারির সাংবাদিক নেতা এবং জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা বাংলাদেশ সময় () এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মাদ আলী চৌধুরী
অভিনয়, নাচ, গান, লেখালেখি, পরিচালনা—সংস্কৃতির নানা শাখায় ঈশিতার বিচরণ। সবকিছু ছাপিয়ে সবার কাছে তাঁর অভিনেত্রী পরিচয়টা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। সবার প্রিয় সেই অভিনেত্রী ঈশিতাকে অনেক দিন কোনো নাটকে দেখা যাচ্ছে না। তাহলে কী করছেন ঈশিতা?
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঈশিতার বারিধারার বাসায় আলাপে জানা গেল তাঁর এখনকার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে। জানালেন, ‘সংসার নিয়ে আপাতত তিনি ব্যস্ত। স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে কেটে যাচ্ছে তাঁর সময়। আছে তাঁর পড়াশোনার ব্যস্ততাও।
ঈশিতা এখন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ করছেন। শিগগিরই তাঁর এই পড়াশোনার পাটও চুকে যাবে। তাহলে কী আবার অভিনয়ে দেখা যাবে তাঁকে? শুনুন তাঁর মুখে।
ঈশিতার কথা, ‘অভিনয়ের জন্য যে পরিমাণ সময় দরকার, এই মুহূর্তে আমার তা একেবারে নেই। আমার ছেলে স্কুলে যাচ্ছে। আর মেয়ের বয়স মাত্র সাত মাস। পড়াশোনা, স্বামী-সন্তান আর সংসারের কাজ শেষ করার পর বাসার বাইরের কাজ করার কোনো সময় আমার হাতে থাকে না। তা ছাড়া বাসায় আমি এখন নিজে গানের চর্চাটা চলিয়ে যাচ্ছি।’
তাহলে কি ধরে নেব, ঈশিতা গানের দিকে মনোযোগী হচ্ছেন?
ঈশিতা বলেন, ‘তা অবশ্য বলতে পারেন। সত্যি আমি এখন গানেই মনোযোগী হচ্ছি। বাসায় নিয়মিত গানের চর্চাটা চালিয়ে যাচ্ছি। গানের চর্চা আমি আগেও করতাম। তিন-চার মাস ধরে খুব সিরিয়াসলি চর্চাটা চালিয়ে যাচ্ছি।
ইচ্ছে আছে এ বছরের শেষের দিকে গান নিয়ে নতুন কিছু একটা করার। তবে যদি দেখি যে বছর শেষেও আমি মানসিকভাবে তৈরি নই, তাহলে আরেকটু সময় নেব। কারণ, গানটা আমার ভালোবাসার একটা জায়গা। ভালোবাসা থেকেই কাজটা করছি।’
অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও রুমানা রশিদ ঈশিতার গানের অ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর শেষ অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ১৩ বছর আগে। এই অ্যালবামের সুর ও সংগীত পরিচালনা করেন প্রণব ঘোষ। সব মিলিয়ে পাঁচটি অ্যালবামে ঈশিতা গান গেয়েছেন। সাউন্ডটেক থেকে প্রকাশিত শওকাতের সুর ও সংগীতে কানিজ সুবর্ণা, মিমি আর ঈশিতার ‘কুলসুম’ অ্যালবামটি বেশ আলোচিত ছিল।
ঈশিতা জানান, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানে তিনি গানে প্রথম স্থান অর্জন করেন। সে সময় তিনি ১৩ বছর ধরে ওস্তাদ ওমর ফারুকের কাছে খেয়ালের তালিম নিয়েছেন। একই বিষয়ে ওস্তাদ সঞ্জীব দের কাছে আরও আট বছর তালিম নিয়েছেন। ঈশিতা বললেন, ‘আমি নজরুল আর রবীন্দ্রসংগীত কখনোই শিখিনি। আমি পিউর ক্ল্যাসিক্যাল শিখেছি। নাচের ক্ষেত্রেও আমি শিবলী মহম্মদের কাছে পিউর ক্ল্যাসিক্যাল শিখেছি। নাচ আর গান দুটোরই ক্ল্যাসিক্যাল শেখার কারণে বাকি শাখাগুলোয় বিচরণ করতে খুব একটা সমস্যা হয় না। তবে দীর্ঘদিন ধরে গান থেকে দূরে থাকার কারণে এখনো আমি একজন ওস্তাদজির কাছে নিয়মিত তালিমও নিচ্ছি।’
মৌলভীবাজার : বন্ধুর দুঃখে দুঃখী হয়ে নিজের বউকে তুলে দিলেন বন্ধুর হাতে। বিশ হাজার টাকা কাবিননামা ধার্য করে ৪ জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে এ বিয়ে হয়। ঘটনাটি ঘটে ২৯শে সেপ্টেম্বর রাতে কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা কাজী অফিসে। জানা যায়, কর্মধা ইউনিয়নের মনছড়া বস্তির বাসিন্দা নার্সারি মালিক ফরমান আলী ওরফে বৈজ্ঞানিক (৫২) ও কুলাউড়া পৌরসভার জয়পাশা এলাকার মাসুক মিয়া (৩৭)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ
সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায়ে কিছুদিন আগে মাসুক মিয়ার স্ত্রী তিন মেয়ে ও এক ছেলে রেখে পরকীয়া প্রেমের টানে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায়।
আর বন্ধুর বউয়ের এ বিষয়টি ফরমান আলীর মনে দাগ কাটে। ফরমান আলীর ঘরে দুই বউ থাকায় তিনি মনস্থ করলেন এক বউ উপহারস্বরূপ বন্ধুকে দিয়ে দেবেন। যেমন ইচ্ছা, তেমনি বাস্তবায়নও করলেন।
গত ২৯শে সেপ্টেম্বর রাতে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রবিরবাজারস্থ কাজী অফিসে গিয়ে ফরমান আলী তার ২য় স্ত্রী নূরেতুন বেগম (৩২)কে তালাক দেন। পরে তিনিসহ ৪ জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ২০ হাজার টাকা কাবিন ধার্য করে বন্ধু মাসুক মিয়ার সঙ্গে নূরেতুন বেগমের বিয়ে হয়। নতুন বউকে নিয়ে মাসুক মিয়া তার জয়পাশাস্থ বাড়িতে উঠেছেন। মাসুক মিয়ার স্থায়ী নিবাস হবিগঞ্জের মনতলায়। পেশায় তিনি রিকশাচালক।
পৃথিমপাশা ইউনিয়নের কাজী রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।-এমজমিন
এমটিনিউজ২৪/এস.এ.সুমন/একে
সাধারণ, স্বাভাবিকভাবে মেয়েরা সোফায় বসলেই কি বলে থাকেন মা ও বড়রা। মেয়েদের ওইভাবে বসতে হয় না।
মেয়েদের নাকি, পা ভাঁজ করে বসাটাই সভ্যতা।দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান কী?
ছোট থেকে এটা শুনতে শুনতে বড় হয় মেয়েরা। এর পরে পা ভাঁজ করে বসাটাই অভ্যাস হয়ে যায়। আবার অনেকে স্টাইলিশ লুকের জন্য পায়ের উপরে পা তুলে বসতেই পছন্দ করেন।
অফিসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবেই বসে থাকেন। শুধু মেয়েরা নয়, অনেক ছেলেরাও দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন পায়ের উপরে পা তুলে।
কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, স্টাইলিশ আর স্মার্ট লুক আনতে গিয়ে নিজের শরীরের কত বড় ক্ষতি হচ্ছে। একবার জেনে নেওয়া যাক কী কী ক্ষতি হয়—
এইভাবে বসে থাকার জন্য পায়ে রক্ত চলাচাল বিঘ্নিত হয়। দিনের পর দিন সেটা চলতে থাকায় পায়ের জোর দিন দিন কমতে থাকে। এটা মারাত্মক চেহারা নিয়ে একসময়ে প্যারালাইসিস পর্যন্ত হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ এইভাবে বসে থাকার ফলে শরীরে রক্তচাপ সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হতে পারে।
পা ভাঁজ করে রাখার জন্য রক্ত শরীরের নীচের দিকে স্বাভাবিক গতিতে নামতে না পেরে উপরের দিকে চাপ তৈরি করে। এর থেকে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পায়ের নীচের অংশে দীর্ঘক্ষণ রক্ত আটকে থাকায় শিরার উপরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি করে।
প্রথম দিকে খুব বেশি সমস্যা বোঝা যায় না কিন্তু, দিনের পর দিন বসার ভঙ্গি থেকে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। সুতরাং, সাবধান।
আপনার স্টাইল যেন আপনার ভবিষ্যৎকে কষ্টকর করে না তোলে।
শুধু ১টি দুই টাকার কয়েন থেকেই চাইলে আয় করতে পারেন ৪ লাখ টাকা। জেনে নিন কিভাবে. এযুগে একটি দুটাকার কয়েনের কতটুকুই বা দাম? আজকাল এক জন ভিখারিকেও দুটাকার কয়েন ভিক্ষা দিতে গেলে তিনি বোধহয় মুখ ফিরিয়ে চলে যাবেন। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি, একটি দু’টাকার কয়েনও আপনার সামনে খুলে দিতে পারে তিন লক্ষ টাকা উপার্জনের সুযোগ! শুনে যতই অবাক লাগুক না কেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মানুষ বি চন্দ্রশেখর এমনই এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছেন।
বি চন্দ্রশেখরের একটি ভিন্টেজ কয়েনের দোকান চালান। হায়দ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড তেলুগু কনফারেন্সের অফিসের সামনে রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকান চন্দ্রশেখরের। পুরনো কয়েন বিক্রি হয় সেই দোকান থেকে। তেলুগু কনফারেন্সের অফিসে সারা দিনই লোকজনের যাতায়াত লেগেই থাকে। তাঁদের মধ্যেই উৎসাহী লোকজনেরা উঁকিঝুঁকি মারেন চন্দ্রশেখরের দোকানে। যাঁরা পুরনো কয়েন সংগ্রহ করতে আগ্রহী, তাঁরা পছন্দমতো কয়েন কিনে নিয়ে যান চন্দ্রশেখরের কাছ থেকে। যা রোজগার হয়, তাতেই সংসার চলে যায় চন্দ্রশেখরের।
কিন্তু নিছক সংসার চালানো নয়, পুরনো কয়েন বেচে লাখপতি হয়ে গিয়েছেন চন্দ্রশেখর। এবং যেটা আরও আশ্চর্যের তা হল এই তথ্য যে, কেবল একটি দুটাকার কয়েন তাঁকে তিন লক্ষ টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। দিন কয়েক আগে একটি দু’টাকার কয়েন তাঁর কাছ থেকে এক জন কিনে নিয়ে গিয়েছেন তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে।
কিন্তু কেন একটি কয়েনের দাম তিন লক্ষ টাকা? কী এমন বিশেষত্ব সেই কয়েনের? আসলে এই বিশেষ দু’ টাকার কয়েনটি তৈরি হয় ১৯৭৩ সালে মুম্বই মিন্টে। মুম্বই মিন্ট ভারতের প্রাচীনতম টাঁকশালগুলির মধ্যে একটি। মুম্বই মিন্টে তৈরি করা মুদ্রায় একটি ডটের আকারে হিরের ছবি খোদাই করা থাকে। ফলে সংগ্রাহকদের কাছে এই ধরনের কয়েনের বিশেষ মূল্য রয়েছে। সেই রকমই কোনও এক উৎসাহী কয়েন সংগ্রাহক এসেছিলেন চন্দ্রশেখরের দোকানে। নিজের সংগ্রহে থেকে যাওয়া এই প্রাচীন কয়েনের দাম যে যথেষ্ট বেশি, তা জানতেন চন্দ্রশেখরও। তিনিও তাই সুযোগ বুঝে চড়া দাম হাঁকেন। দরাদরিতে তিন লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়ে যায় সেই কয়েন। অতএব, কয়েন জমানোর শখ যদি আপনার থাকে, এবং ভাগ্য যদি অনুকূল হয়, তাহলে দু’টাকার কয়েন থেকে লাখপতি হতে পারেন আপনিও।
সৌজন্যেঃ এবেলা
নারীর পা দেখেও মুগ্ধ হয় পুরুষ মন। আবার নারীও পা দেখিয়ে টানে পুরুষের চোখ। কিন্তু জানেন কি কেমন পা কী বোঝায়!
বলা হয়, মেয়েদের চুল আর চোখ সব থেকে আকর্ষণীয়। কিন্তু এর পরেই হচ্ছে নারীর পা যা ছেলেদের চোখ ও মন, দুই-ই টানে।
কিন্তু কেন পা দেখে পুরষের বুক আলোড়িত হয়? পায়ের পেলবতা, নাকি গঠন? এনিয়ে অনেক মতান্তর থাকতে পারে। কিন্তু পা দেখে কী বোঝা যায় সেটা একটু জেনে নেওয়া যাক। কেমন পা দিয়ে নারী কেমন চাহিদা প্রকাশ করে—
১। লম্বা পা সব সময়েই আকর্ষণীয়। সে কারণেই মেয়েরা হাই হিল জুতো পরে। অন্যের চোখে লম্বা দেখানোটাই একমাত্র কারণ নয়। পুরুষের চোখ সেই পা বেশি টানে যা শরীরের অনুপাতে বড়। তাই হিল তোলা জুতো পরা মেয়ে দেখলেই বুঝবেন সে পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়।
২। আলতা রাঙা পা। মনে হতে পারে এটা সেকেল ব্যাপার। কিন্তু আদৌ তা নয়। অনেকেই, বিশেষত, নববধূ আলতা রাঙা পা দিয়ে স্বামীর মন পেরিয়ে শরীর পেতে চায়।
৩। ছোট মেয়েরা নূপুর পরলে সেটা সখ। কিন্তু যুবতী যখন নূপুর পরে তখন, মনে রাখবেন, এর সঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণের সম্পর্ক আছে। পা তখন শুধু চোখ টানা নয়, কান টানার কাজও করে। আর কে না জানে কান টানলে মাথা আসে।
৪। পায়ের তিল বেশ আকর্ষণীয়। বিশেষ করে হাঁটুর আশপাশে। আর যেসব মহিলার হাঁটুতে তিল থাকে তারা তা স্পষ্ট করে তুলে ধরার চেষ্টাও করে। পায়ের তিল যে যৌনতার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেয় সেটা কে না জানে।
৫। পা দেখে আকৃষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পা দেখে বুঝেও নিতে পারেন আপনার প্রেমের নারী কেমন। যত্নের ছাপ দেখলে বুঝবেন সে সৌখিন।
৬। যে মেয়ের পায়ে অযত্নের ছাপ দেখবেন, মনে রাখবেন, সে নিজের প্রতিও যত্নশীল নয়। সেই সঙ্গে অলস। যৌনতাতেও সেই আলস্য থাকলে মুশকিল।
৭। প্রেম নিবেদন করার সময়ে যদি মেয়েটি পা শরীর থেকে দূরে সরিয়ে রাখে, বা যদি দুই পা এক না করে রেখে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখে (প্রসারিত করে রাখে) বুঝবেন কেল্লাফতে।
৮। প্রেম নিবেদনের সময়ে মেয়েটি যদি পা ক্রস করে বসে বা দাঁড়ায়, সেই মেয়ের আশা ছেড়ে দেওয়াই ঠিক। কারণ তার মানে সে সরাসরি আপনাকে গ্রহণ করতে চাইছে না। খেলাতে চাইছে।
রূপসী মেয়েদের জন্য যেমন পাগল পুরুষরা ঠিক তেমনি পুরুষদের জন্যও পাগল মেয়েরাও। তবে মাত্র দুটো জিনিস চাই। দুটো জিনিসের একটি ঘাটতি হলে কিন্তু মহাবিপদ। সেজন্য আগেভাগেই মাথায় রাখতে হবে পুরুষদের। একজন নারী তার স্বামীর সংসারে এসে দুটো জিনিসে সবথেকে বেশি খুশি হয়।
প্রথমত স্বামীর ভালো অর্থনৈতিক অবস্থা দেখলে, দ্বিতীয়ত স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া ভালবাসায়। তবে প্রথমটার থেকে দ্বিতীয়টাই মহিলাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রত্যেক স্বামীরও উচিত নিজের স্ত্রীকে পরিপূর্ণ সুখ দেয়া। অনেক পুরুষ জ্ঞানের অভাবে স্ত্রীকে এ দুটো জিনিস দিতে পারে না। ফলে যা হবার তাই হয়। তবে এ জন্য মাথা খারাপ করলে চলবে না। জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে পুরুষকে। দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে চাইলে দুটি জিনিসে ঘাটতি রাখা যাবে না। এ জন্য পুরুষদের হিসাব কষে এগুতে হবে। কোনো অবস্থাতেই এ দুটো দুর্বলতা নিয়ে রূপসীর প্রেমে পড়বেন না। তাহলে কিন্তু কেল্লা ফতে।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রোগবিহীন বাঁচতে হলে খাওয়ার পর যে ৭টি কাজ করা একদমই করবেন না। কেননা, দেখা যায় খাওয়ার পরপরই অনেকে এটা সেটা খান। আর তখন বাধে বিপত্তি। যখন আপনি এসব কাজ খাওয়ার পরে করবেন তখন আপনার শরীরের উপর প্রভাব পরবেন। শরীর আস্তে আস্তে বিষময় হয়ে উঠবে। আপনি পরবেন মারাত্নক বিষাক্ত রোগে। এমনকি মারাও যেতে পারেন। তাই দেরি না করে দেখে নিন সেই নিষিদ্ধ ৭টি কাজ, যা অনেকেই খাওয়ার পরপরই করে থাকেন।