July 17 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
July 17 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার

মৌসুমি ফলের সুফল

প্রথম আলো ফাইল ছবি

এখন বর্ষাকাল। কখনো প্রচণ্ড রোদ। গরমে শরীর ঘেমে যায়। আবার কখনো বৃষ্টি। ঠান্ডা বাতাস। গরম আর ঠান্ডা মিলে নানা অসুখ–বিসুখ লেগেই থাকে। এ সময়ের ভাইরাস জ্বর, জন্ডিস, ডায়রিয়া ধরনের রোগ বেশি হয়। এ ছাড়া অনেকে অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগে।

বৃষ্টির পর অনেক সময় গুমোট গরম লাগে। কারণ, ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে অনেক পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির স্বল্পতা ও ইলেট্রোলাইটে ভারসাম্যহীনতা হয়। সহজেই শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

রোগ হলে তো ওষুধ খেতেই হয়। তবে রোগ ঠেকাতে কাজে দেয় কিছু ফল। এসব ফল খুব সহজলভ্য। মৌসুমি ফলগুলো অসুখ থেকে বাঁচায়। অনেক সময় স্বস্তিও দেয়। এ রকমই মৌসুমি কিছু ফলের গুণ জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এম. আখতারুজ্জামান।

আম: আমের নাম শুনেই জিবে জল আসে না এমন মানুষের দেখা পাওয়া খুব কঠিন। ফলটি শুধু স্বাদে নয়, গুণেও অনন্য। পাকা আম ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ফল। ১০০ গ্রাম আমে ১০০০ থেকে ১৫০০ আইইউ ভিটামিন ‘এ’ থাকে। এ ছাড়া আমে ভিটামিন বি ও সি, খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম থাকে। চোখের নানা রোগ, চুলপড়া, খসখসে চামড়া, হজমের সমস্যা ইত্যাদি দূর করতে পারে আম।

জাম: রোগ নিরাময়ে জামের ভেষজ গুণ অনেক। শুধু এর নরম মাংসই নয়, এর বীজও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

আনারস: সুস্বাদু ও ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল হলো আনারস। সর্দি-কাশিতে আনারস খেলে কাজে দেয়। কৃমি সারাতেও এটি কার্যকর।

তরমুজ: তরমুজ আমাদের দেশের অতি পরিচিত এবং সবার প্রিয় ফল। এটি এখন প্রায় সব সময়ই পাওয়া যায়। তরমুজে আছে লাইকোপেন, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পানি। অতিরিক্ত ঘাম এবং তৃষ্ণা দূর করতে তরমুজের রস খুবই কার্যকর। কাজের কারণে ক্লান্তি যতই আসুক তরমুজের রস খেলে অল্প সময়েই ক্লান্তি দূর হয়। তরমুজের বীজ বেটে ঠান্ডা পানিতে চিনিসহ মিশিয়ে খেলে যকৃৎ পরিষ্কার থাকে।

পেঁপে: পেঁপে প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। পেঁপেতে আছে প্যাপাইন। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে পাকা পেঁপে খুব কার্যকর। কাঁচা পেঁপে ডায়রিয়া ও জন্ডিসে সারায়। কাঁচা পেঁপে সবজি হিসেবে এবং পাকা পেঁপে জুস করে খাওয়া যায়।

শসা: গরমে প্রশান্তি দেয় শসা। গরমে শরীরে যে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়, তা শসার মাধ্যমে অনেকটা পূরণ করা যায়। শসা ত্বকের জন্য ভালো।

লেবু: পেট ফাঁপা, পেটের সমস্যা, ঠান্ডা, সর্দি-কাশিতে লেবু খুবই উপকারী। লেবুতে আছে ভিটামিন সি। জ্বর ও মুখের ঘা দূর করতে লেবুর ভূমিকা অনন্য।

কাঁঠাল: কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। পাকা কাঁঠালের ক্যালরি মূল্য প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ কিলোক্যালরি। মোট খনিজ লবণের পরিমাণ প্রায় ০.৯। কাঁচা কাঁঠালে আঁশের পরিমাণ পাকা কাঁঠালের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। তাই ডায়াবেটিক মানুষের জন্য কাঁচা কাঁঠাল উপকারী। রক্তের চিনির মাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য কাঁচা কাঁঠালের জুড়ি নেই।

পানিফল: পানিফল আরেকটি পুষ্টিকর ফল। এতে শতকরা ৪.৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এ ছাড়া রয়েছে শ্বেতসার, খনিজ লবণের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি। ক্যালরিও অনেক এই ফলটিতে।

কলা: কলা প্রায় সব মৌসুমেই পাওয়া যায়। আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি করে কলা অবশ্যই থাকা উচিত।

এম আখতারুজ্জামান আরও বলেন, মানুষ ফরমালিনের ভয়ে ফল খেতে চায় না। ফলের খোসা ফেলে দিলে ও পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এ থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া সম্ভব।

রবিবার

স্ত্রীকে অবিশ্বাস, বাড়িতে সিসি ক্যামেরা!

 

আরব আমিরাতে এক ব্যক্তির সন্দেহ, তাঁর স্ত্রীর অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক আছে। আর এ জন্য তিনি পুরো বাড়িতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি) বসিয়েছেন। এদিকে তাঁকে নিয়ে ‘অপমানজনক’ মন্তব্য করায় ওই নারী পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন। আমিরাতের আল আইন এলাকায় ঘটেছে এমন ঘটনা।

কাজের জন্য ওই ব্যক্তি মাসের পর মাস বাড়ির বাইরে থাকেন। কিন্তু যেহেতু সন্দেহ করছেন যে অন্য পুরুষদের সঙ্গে তার স্ত্রীর সম্পর্ক আছে, তাই তিনি বাড়িতে গোপন ক্যামেরা বসিয়েছেন। এ নিয়ে একদিন হঠাৎ স্ত্রীকে পেটান তিনি। পেটাতে পেটাতে একপর্যায়ে তিন সন্তানসহ স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বিতাড়িত স্ত্রী দেশটির পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন।

আদালতকে ৩৩ বছর বয়সী ওই নারী জানান, অন্য পুরুষদের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ এনে তাঁকে কাজের লোক এবং সন্তানদের সামনে পেটান তাঁর স্বামী। পেটানোর পর বাড়ি থেকে বের করে দেন তাঁর স্বামী। একটি প্রতিষ্ঠানে বেশ ভালো পদে চাকরি করা ওই নারী জানান, বাড়িটি নির্মাণে তিনিও আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন।

ওই নারী আদালতে বলেন, তিন সন্তানকে তিনি একাই লালনপালন করছেন। তাঁর স্বামী প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকেন। কাজের জন্য বাইরে থাকায় কখনো কখনো টানা কয়েক মাস তিনি (স্বামী) বাড়িতে আসেন না। কিন্তু স্বামী যখন তাঁকে অবিশ্বাস করা শুরু করলেন, তখন তিনি বিস্মিত হয়েছেন। এমনকি তিনি যখন বন্ধুদের সঙ্গে শপিং করতে কিংবা অন্য কোথাও যেতেন, তখনো গোয়েন্দাগিরি চালিয়েছেন স্বামী।

উভয় পক্ষের কথা শোনার পরই আদালত বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছেন। এতে সন্তানদের দায়িত্ব তাঁদের মায়ের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে বাড়ি থেকে তাঁদের বের করে দেওয়া হয়েছিল, সেই বাড়িতেই তাঁরা বসবাস করবেন। একই সঙ্গে তিন সন্তানের ভরণপোষণ, স্কুলের বেতন-ভাতাও দেবেন তাদের বাবা। তথ্যসূত্র: খালিজটাইমস ডটকম।