June 11 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
June 11 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার

যে কারণে ছেলের নাম ‘জয়’ রাখলেন অপু

 

বিনোদন ডেস্ক : বহুদিন ধরে অভিনয়ে অনুপস্থিত অপু বিশ্বাস। গেল বছরে হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া এই অভিনেত্রী বিপুল রহস্য সাঙ্গ করে গেল এপ্রিলে সরগরম ফেলে দেন গোটা ইন্ডাস্ট্রিতে। কারণ, তিনি ফিরে আসেন সন্তানসহ! তাও যে সন্তানটি আর কারো নয় সুপারস্টার শাকিব খানের! এমন গোপন খবর ফাঁস করায় বিষয়টি জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়। নানা নাটকীয়তার পর স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব নেন শাকিব। এইসব মেলোড্রামার ভেতরেই মিডিয়ার কল্যাণে ‘তারকা’ খ্যাতি লেগে যায় ছোট্ট আব্রাম খান জয়ের নামের পাশে। আর এবার গণমাধ্যমে অপু জানালেন, যে কারণে ছেলের নাম ‘জয়’ রাখলেন তিনি!

শনিবার রাতে বেসরকারি টেলিভিশন ‘এটিএন বাংলা’য় ‘সেন্স অব হিউমার’ নামের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অপু বিশ্বাস। এই অনুষ্ঠানে তিনি কথা বলেছেনন তার স্বামী চিত্রনায়ক শাকিব খান, আলোচিত নায়িকা বুবলীসহ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের নানা দিক নিয়ে। এছাড়া আসছে ঈদে নিজের অভিনীত ‘রাজনীতি’ ছবির জন্যেও কথা বলেন অপু। আর এখানেই নিজের ছেলের নাম যে কারণে জয় রেখেছেন, সেটাও খোলাখুলিভাবে বললেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপক ছিলেন ছোট পর্দার অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়। কথা বলার এক পর্যায়ে অপু বিশ্বাসকে জয় বলেন, আচ্ছা, তোমার ছেলের নাম জয় রাখার সময় আমার নামটা তোমার সত্যি সত্যি একবারও মনে হয়েছিলো? এমন প্রশ্নে অপু বলেন, না। আমার ছেলের নাম জয় রাখার একমাত্র কারণ ছিলো, আমিতো অনেক যুদ্ধ করে আমার বাচ্চাটাকে নিয়েছি। তো ওই জায়গাটাতে আমার মা বারবার বলছিলো যে, এতো যুদ্ধের পর যখন ও হয়েছে, ও জয় করে হয়েছে। দ্যাটস হোয়াই, ওর নাম জয়। এর কোনো মিনিং নাই। জয় নামকে নানাভাবে এক্সপ্লেইন করা হয়, আসলে নামের মিনিংসও থাকে। কিন্তু আমার ছেলের নামের কোনো মিনিংস নাই। মিনিংস একটাই, আমি অনেক যুদ্ধ করে বাচ্চাটাকে নিয়েছি, আল্টিমেটলি আমার বাচ্চাটাকে হওয়াইতে পেরেছি এবং ভালোবাসার একটা কাতারে গেছি। সো আমার ছেলে জয় করেছে।

৩ পাকিস্তানির ৯৬ সন্তান!

 

শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন অঞ্চলের বান্নু শহরে তিন ব্যক্তি ৯৬ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন!

এই তিনজনের একজন গুলজার খান, তিনি ৩৬ সন্তানের জনক। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ মানুষসহ গোটা বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছেন। তাহলে কেন আমি শিশু জন্মের এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া থামিয়ে রাখব?’ তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস, ইসলাম পরিবার পরিকল্পনাকে সমর্থন করে না।

গুলজারের ১৫ ভাইবোনের একজন মাস্তান খান ওয়াজির। তিনি তাঁর ভাইয়ের চেয়ে মোটেও পিছিয়ে নেই। তিন স্ত্রীর গর্ভে তাঁর ২২ সন্তান। মাস্তান গর্ব করে বলেন, তাঁর নাতি-নাতনির সংখ্যা গুনে শেষ করা যাবে না।

পাকিস্তানের জনসংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে এ রকম পরিবারগুলো দায়ী বলে মনে করেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা এই জনসংখ্যার ঊর্ধ্বগতিকে অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও সামাজিক সেবাগুলো সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু এই ব্যক্তিরা এ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন। তাঁরা বলেন, এটা আল্লার দান।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের জন্মহার সবচেয়ে বেশি। বিশ্বব্যাংক ও পাকিস্তান সরকারের দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, পাকিস্তানের প্রত্যেক নারীর গড়ে তিনটি সন্তান রয়েছে, যা জন্মহারের উচ্চমাত্রার নির্দেশক।

উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের জাতিগত শত্রুতা এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন অঞ্চলের বান্নু শহরে ৫৭ বছর বয়সী এক আদিবাসী তিন স্ত্রীর সঙ্গে বাস করেন। তাঁর এক স্ত্রী এখন গর্ভবতী। তিনি সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেন, ‘আমরা আরো বেশি শক্তিশালী হতে চাই।’

এএফপি রসিকতা করেই বলেছে, কথা বলার সময় ২৩ সন্তান তাঁকে ঘিরে ছিল। তিনি বসে বসে তাদের পর্যবেক্ষণ করছিলেন। একটা পূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ খেলার জন্যও তাদের বাইরের কোনো বন্ধুর প্রয়োজন নেই।

১৯৯৮ সালের সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী, পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল ১৩ কোটি ৪০ লাখ। এ বছরের শুরুতে করা আদমশুমারি যার ফল জুলাই মাসে প্রকাশ করা হবে। এই জনসংখ্যা ২০ কোটির কাছাকাছি চলে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

যে দেশে এখনো ৬০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে, পর্যবেক্ষকরা বলছেন, জনসংখ্যার আধিক্য সে দেশের সব ধরনের অগ্রগতির অন্তরায়। এ সম্পর্কে জাতিসংঘের জনসংখ্যা কাউন্সিলে কান্ট্রি ডিরেক্টর জেবা এ সাথার বলেন, ‘এটা স্পষ্টভাবে স্বাস্থ্য খাতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়।’