রাজধানীতে ভিন্ন ধরনের এক ছেলে ধরার সন্ধান মিলেছে, একুশের অনুসন্ধানে। যেসব ছেলেদের মধ্যে একটু মেয়েলিপনা আছে, তাদেরকে ধরে পুরুষাঙ্গ কেটে জোর করে হিজরা বানানোর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।
স্বভাব সূলভ অঙ্গভঙ্গি আর নেচে গেয়ে চলাফেরা আমাদের কাছেও এখন স্বাভাবিক ঘটনা।
ইদার্নিং স্বাভাবিক এসব হিজরাদের মাঝেই অস্বাভাবিক আচরনের কিছু হিজরার দেখা মিলবে যারা ছেলে হয়েও হিজরার চরিত্রে অভিনয় করছে।
এদের মোটামুটি সবাই ছেলে। শুধুমাত্র রাজধানী জুড়েই এরকম প্রায় হাজার খানেক ছেলেকে হিজরা বানিয়ে তাদেরকে ব্যবসায় নামিয়ে দিয়েছে একটি চক্র।
চক্রের অন্যতম সদস্য খাইরুল ইসলাম ওরফে স্বপ্না হিজরা। যিনি নিজেও একজন ছেলে অথচ রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে হিজরা সেজে।
ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার রয়েছে বাড়ি, ফ্লাট প্লট। হিজরা সেজে তার এই বিশাল সাম্রাজ্য যারা গড়ে দিয়েছে তারাও সবাই ছেলে। এমন এক লোম হর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে একুশে টিভি।
প্রতিবেদনে তারা জানায়, যাদের মধ্যে একটু মেয়েলিপনা থাকে সেসব ছেলেদের ধরে জোর করে হিজরা বানানোই এই স্বপ্নার কাজ।
এরকম একজন রোমানা একসময় স্ত্রী সন্তান সবই ছিলো। কিন্তু স্বপ্না তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হিজরা বানানোর ফাঁদ এটেছে। স্বপ্নার কথামত রোমানা তার পুরুষাঙ্গ কাটার জন্য ঢাকা থেকে নাটোরে যাবে। খবর পেয়ে একুশে টিভির কর্মীরাও তার সাথে রওনা হন নাটোরে।
নাটোর বাসস্টান্ডে স্বপ্নার নিয়োগ করা দালাল শরীফ রোমানাদের নিয়ে সোজা হাসপতালে।
কিছুক্ষনের মধ্যেই একুশে টিভির কর্মীরাও হাসপাতালের ভেতরে তাদেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। অবশ্য চিকিৎসক পালিয়ে যায় তার আগেই।
নাকের ডগায় এমন ঘটনা জানতে পেরে হতভম্ব প্রশাসনের লোকজনও।
চক্রের অন্যতম সদস্য খাইরুল ইসলাম ওরফে স্বপ্না হিজরা। যিনি নিজেও একজন ছেলে অথচ রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে হিজরা সেজে।
ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার রয়েছে বাড়ি, ফ্লাট প্লট। হিজরা সেজে তার এই বিশাল সাম্রাজ্য যারা গড়ে দিয়েছে তারাও সবাই ছেলে। এমন এক লোম হর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে একুশে টিভি।
প্রতিবেদনে তারা জানায়, যাদের মধ্যে একটু মেয়েলিপনা থাকে সেসব ছেলেদের ধরে জোর করে হিজরা বানানোই এই স্বপ্নার কাজ।
এরকম একজন রোমানা একসময় স্ত্রী সন্তান সবই ছিলো। কিন্তু স্বপ্না তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হিজরা বানানোর ফাঁদ এটেছে। স্বপ্নার কথামত রোমানা তার পুরুষাঙ্গ কাটার জন্য ঢাকা থেকে নাটোরে যাবে। খবর পেয়ে একুশে টিভির কর্মীরাও তার সাথে রওনা হন নাটোরে।
নাটোর বাসস্টান্ডে স্বপ্নার নিয়োগ করা দালাল শরীফ রোমানাদের নিয়ে সোজা হাসপতালে।
কিছুক্ষনের মধ্যেই একুশে টিভির কর্মীরাও হাসপাতালের ভেতরে তাদেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। অবশ্য চিকিৎসক পালিয়ে যায় তার আগেই।
নাকের ডগায় এমন ঘটনা জানতে পেরে হতভম্ব প্রশাসনের লোকজনও।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন