বড় পুরুষাঙ্গের উৎফুলক আসন
নারী যদি পিঠের উপরে শয়ন করে তারে তার নিতম্ব বা পাছা তুলে ধরে- উরুদ্বয় পরস্পর থেকে ছড়িয়ে থাকে তাহলে তাকে বলা হয় উৎফুলক আসন। এই আবস্থায় নারীর পাছার তলে একটি বালিশ রেখে যৌনি বেশ ফাঁকা করতে পারে। এই অবস্থায় পুরুষ নারীর কোমর দুহাতে জাপটে ধরে জোরে করে তার লিঙ্গকে যৌনি মধ্যে আমূল প্রবেশ করাতে পারে। নারী যৌনির গভীরতল প্রদেশে প্রবেশ করিয়া একবার সামনের একবার পেছনে ইন্দ্রিয় সঞ্চালন করলে নারী খুব বেশী আনন্দ পায়। তবে নারীর যৌনিতে আঘাত না লাগে তা দেখতে হবে।
বিজুমিভক আসন
এই ভঙ্গিমায় নারীকে তার জানু গুটিয়ে তুলে, উরুদ্বয় তুলে, উরুদ্বয় উচু করে এবং পরস্পর থেকে ছড়িয়ে দিয়ে তার যৌনি একেবারে ব্যাদিত মুখ করে দিলে পুরুষের সুবিধে হতে পারে।
ইন্দ্রানিক আসন
ইন্দ্র পত্নী শচীদেবী এই আসন করতেন বলে এই নাম। নারী তার হাটু এমন ভাবে জড়িয়ে ধরবে এবং উরুদ্বয় এমন ভাবে জড়িয়ে ধরবে, যাতে নারীর কোমনের দিকে সেগুলি গিয়ে লেগে যায়। এতে একটি সাধারণ নারী, হস্তিনী জাতীয় নারীর মত সুখ দান করতে পারে।
শিথিল যৌনির আসন
এবারে শিথিল যৌনি রতির বিভিন্ন ভঙ্গির কথা বলা হবে।
এই রতিতে প্রধান যা দেখা উচিত তা হলো নারী বা পুরুষের মধ্যে ব্যবধান। নারীর যৌনি শিথিল না পুরুষাঙ্গ অস্বাভাবিক ছোট। এই অবস্থায় পুরুষাঙ্গ যদি ঢল? ঢলে ভাবে যৌনির ভেতরে প্রবেশ করে এতে তা বলে নারী পুর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এখানে উচিত হলো নারীর যৌনিতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করার পর যৌনি শক্ত করা যেন এঁটে পড়ার জন্য পুরুষ আনন্দ পায়। এই অবস্থায় আরও বিভিন্ন আসন আছে।
সম্পূটক আসন
এতে নারী ও পুরুষ তাদের উরুদ্বয় ও পদদ্বয় সম্পূর্ন ছড়িয়ে দেবে (অর্থ্যাৎ লম্বা করে দিবে) তারপর পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে শয়ন করবে। যদি পাশাপাশি শুয়ে জড়িয়ে ধরা হয় তাহলে পুরুষাঙ্গ যৌনিতে প্রবেশ করিয় উরু পা লম্বা করে ছড়িয়ে ধরবে। একে ইংরেজিতে Side Clasping attitude বলে অনুবাদ করা হয়েছে। আর যদি নারীর বুকের উপরে পুরুষ শয়ন করে তাকে বলা হয়
যদি নারী পুরুষের সঙ্গে জড়াজড়ি করে শুয়ে পুরুষের পুরষাঙ্গ নিজের যৌনির মধ্যে প্রবশে কিরয়ে দিয়ে উরুদ্বয় খুব জোরে চেপে ধরে, তাহলে তাহলে তাকে বলে প্রচাপ আসন। এই ভঙ্গিতে সঙ্গমকালে অনেক সময় পুং ইন্দ্রিয় বেরিয়ে আসে তখন পুরুষের উচিত আবার তা যৌনির মধ্যে প্রবেশ করানো।
অর্দ্ধবৃত্ত আসন
পুরুষ আপন লিঙ্গ নারীর যোনি মধ্যে প্রবেশ করিয়ে তাকে ভালে ভাবে জড়িয়ে ধরবে। নারীও তাই দুই উরু বিপরীত দিকে রেখে পুরুষাঙ্গ খুব জোরে চেপে ধরবে। যাতে লিঙ্গ বের হয়ে যেতে না পারে, এই আসনকে বলা হয় অর্দ্ধবৃত্ত আসন। এতে যৌনি বেশ সঙ্কুচিত হয়ে আসে ও নারী বেশ আরাম অনুভব করে।
ক্রান্তাসন
এই ভঙ্গিতে ঘোটকির মত নারীও পুরুষের পুরুষাঙ্গ যৌনির ভেতরে প্রবেশ করিয়ে এত জোরে উরু দুটি বিপরীত দিকে এনে উরু দিয়ে চেপে ধরে, যে পুরুষাঙ্গ কিছুতেই যৌনি থেকে বের হতে পারে না। বাৎস্যায়নের মত অন্ধ্র প্রদেশের নারীরা এরুপ বিহার করতে খুবই অভ্যস্ত ছিল। উপরের লিখে আসনগুলি ছারাও আরও নানা ধরণের আসনের বিষয়ে এবার বলা হয়েছে।
ভগ্নক আসন
এই ভঙ্গিমায় যখন কোনও হস্তিনী নারী তার উরুদ্বয় একত্রিত করে পা দুটি মাথার দিকে উল্টে দেয় এবং পুরুষ তার উরুদ্বয়কে ফাঁকা করে নিজ লিঙ্গ যৌনিতে প্রবেশ করায়, তাকে বলা হয় ভগ্নক আসন।
জৃম্ভিতক আসন
এই ভঙ্গিতে পুরষ নারীর উরু দুটি বেকিয়ে নিজের উপর তুলে নেবে তার পর রতি শুরু করবে।
উৎপীড়িতক আসন
এতে নারী উরুদ্বয় বেকিয়ে পুরষের বুকের ওপর রাখে এবং পুরুষও তার হাত দুটি দিয়ে নারী কটিদেশে চেপে ধরে এই ভঙ্গিমায় রতি শুরু করে। তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে উৎপীড়িতক।
অর্দ্ধ উৎপীড়িতক আসন
যখন এক পা লম্বা থাকে আর এক পা পুরুষের বুকের ওপর থাকে, তখন তাকে অর্দ্ধ উৎপীরিতক বলা হয়।
বেনু বিদারিতক আসন
এই ভঙ্গিতে নারী তার এক পা পুরুষের কাঁধের ওপর চাপায় আর এক পা লম্বা করে রাখে। এই ভঙ্গিমায় একবার এক পা, আর একবার অন্য পা পুরুষের কাঁধের ওপরে চাপান চলে।
শূল চিত্রাতক আসন
এই ভঙ্গিতে নারী এক পা লম্বা করে বিছানায় রাখবে আর অন্য পা বেকিয়ে তার নিজের মাথায় ঠেকবে। এই ভঙ্গিমা আয়ত্বে আনতে একটু অভ্যাসের প্রয়োজন হয়ে থাকে সন্দেহ নাই।
কর্কটক আসন
যখন নারী তার পা গুটিয়ে উরুর সঙ্গে যোগ করে এবং পুরুষের পাছার তলদেশ জড়িয়ে ধরে তার গোড়ালি নিজের পাছায় রাখে এবং অনেক সময় হাটু গেড়ে সুরত আরম্ভ করে। তখন এই ভঙ্গিমার নাম কর্কটক আসন। (সংক্ষিপ্ত)
সোর্সঃ মেডিকেল সেক্স জ্ঞান ধরে রাখুন নিজের সম্মান, ডাঃ রিজিয়া খান মিতা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন