ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কাল থেকে শুরু দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে খেলার কথা তাসকিন আহমেদের। কিন্তু কেন? প্রশ্নটা উঠছে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে এখনই তাসকিনের টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা নাকচ করে দেওয়ায়। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ দুপুরে অনুশীলন শেষে কোচ পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, তাসকিনকে এখনই টেস্টে চাইছেন না তিনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের পর থেকেই তাসকিনের টেস্ট খেলার আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। আলোচনার সূত্রপাত, প্রথমে না থাকলেও পরে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচের বিসিবি একাদশ দলে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করায়। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নিজেই বলেছেন, তাসকিনের টেস্ট খেলার সামর্থ্য নিয়ে তাদের প্রশ্ন নেই। তবে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে তাঁরা একবার তাঁর ফিটনেসটা দেখতে চান। সে জন্যই তাসকিনকে প্রস্তুতি ম্যাচের দলে নেওয়া। তাসকিন নিজেও আশাবাদী ছিলেন টেস্ট খেলার ব্যাপারে।
কিন্তু হাথুরুসিংহের কথায় স্পষ্ট হয়ে গেছে, সে সম্ভাবনা আপাতত নেই, ‘ও কি কখনো চার দিনের ক্রিকেট খেলেছে? আপনাদের কি মনে হয়, কেউ একজন সরাসরি মাঠে নেমেই জাদু দেখিয়ে ফেলবে? না।’
কোচের তথ্যে খানিকটা ঘাটতি আছে মনে হলো। তাসকিন চার দিনের ম্যাচ খেলেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ ম্যাচ খেলে তাঁর উইকেট ২৪টি। তবে সমস্যা হলো, হাঁটুর চোট ও চোট–পরবর্তী সতর্কতার কারণে ২০১৩-এর বিসিএলের পর আর কোনো দীর্ঘ পরিসরের প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলেননি এই তরুণ পেসার।
হাথুরুসিংহে হয়তো সে কারণেই তাসকিনকে টেস্ট দলে চাইছেন না। চার দিনের ম্যাচ খেলার অভ্যাস না করে টেস্টে নামার ক্ষতিকর দিকটি মনে করিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কান এই কোচ, ‘ওরাও মানুষ। কেউ যদি সারা জীবনেও কোনো দিন চার দিনের ম্যাচ না খেলে থাকে, মাঠে চারটি দিন দাঁড়িয়ে থাকা ও ১৫ ওভার বল করা তার জন্য একদমই নতুন ব্যাপার হবে। এটা করে আমি কারও ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চাই না।’
ইংল্যান্ড সিরিজে তাসকিনের টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা তাই নেই বললেই চলে। তাঁকে অপেক্ষায় থাকতে হবে নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য। অবশ্য সে পর্যন্ত যদি তিনি কিছু চার দিনের ম্যাচ খেলার সুযোগ পান!
কিন্তু হাথুরুসিংহের কথায় স্পষ্ট হয়ে গেছে, সে সম্ভাবনা আপাতত নেই, ‘ও কি কখনো চার দিনের ক্রিকেট খেলেছে? আপনাদের কি মনে হয়, কেউ একজন সরাসরি মাঠে নেমেই জাদু দেখিয়ে ফেলবে? না।’
কোচের তথ্যে খানিকটা ঘাটতি আছে মনে হলো। তাসকিন চার দিনের ম্যাচ খেলেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ ম্যাচ খেলে তাঁর উইকেট ২৪টি। তবে সমস্যা হলো, হাঁটুর চোট ও চোট–পরবর্তী সতর্কতার কারণে ২০১৩-এর বিসিএলের পর আর কোনো দীর্ঘ পরিসরের প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ খেলেননি এই তরুণ পেসার।
হাথুরুসিংহে হয়তো সে কারণেই তাসকিনকে টেস্ট দলে চাইছেন না। চার দিনের ম্যাচ খেলার অভ্যাস না করে টেস্টে নামার ক্ষতিকর দিকটি মনে করিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কান এই কোচ, ‘ওরাও মানুষ। কেউ যদি সারা জীবনেও কোনো দিন চার দিনের ম্যাচ না খেলে থাকে, মাঠে চারটি দিন দাঁড়িয়ে থাকা ও ১৫ ওভার বল করা তার জন্য একদমই নতুন ব্যাপার হবে। এটা করে আমি কারও ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চাই না।’
ইংল্যান্ড সিরিজে তাসকিনের টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা তাই নেই বললেই চলে। তাঁকে অপেক্ষায় থাকতে হবে নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য। অবশ্য সে পর্যন্ত যদি তিনি কিছু চার দিনের ম্যাচ খেলার সুযোগ পান!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন