স্ত্রী সতীনারী হলে বিয়ের প্রথম রাতে সেক্সের ফলে গুপ্ত স্থান থেকে রক্ত বের হয় একথা কি সঠিক?
উত্তরঃ একথাটি পুরোপুরিভাবে ঠিক নয়। প্রথম সেক্সে স্ত্রীর যোনিপথ দিয়ে রক্ত বেরোলেই স্ত্রী সতী আর না বেরোলে স্ত্রী অসতী হয়ে যাবে না। কেননা মেয়েদের সতীচ্ছদের পর্দা খুবই পাতলা। এটা যৌন সঙ্গম ব্যতীতই ছিড়ে যেতে পারে। যার ফলে স্বামী স্ত্রীর প্রথম মিলন হলেও রক্তপাত হবে না। কেননা প্রথমসেক্সের ফলে মেয়েদের যোনিপথ যে রক্ত বের হয় তা ঐ সতীচ্ছদের পাতলা আবরণ বিশিষ্ট পর্দাটি ফেটে যাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। এই সতীচ্ছদ পর্দাটি যৌন মিলন ব্যতীত এর পূর্বেই ফেটে যেতে পারে। খেলাধুলা, দৌড়ঝাঁপ, সাঁতারকাটা, হস্তমৈথুনের ফলে এটি ছিড়ে যেতে পারে। এর জন্য মেয়েটি দ্বায়ী নয়। হ্যাঁ, আমাদের সমাজে কিছু দুষচরিত্রা ছেলে আছে যারা মেয়েদেরকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সেক্সের মাধ্যমে নিজের যৌবনের চাহিদা মেটায়। পরে একে ছুঁড়ে ফেলে আরেকজনের সাথে নষ্টামীতে লিপ্ত হয়। এক্ষেত্রে মেয়েদেরকে একা দোষ দেওয়া যাবে না। কারণ, মেয়েরা মিষ্টি কথায় কাবু হয়ে যায়। আর এটা মেয়েদের গঠনতন্ত্রের দোষ। বর্তমানের মেয়েরা বুঝতে পারে না তাদের সতীত্বের মূল্য কত। এটা অনুধাবন করতে পারে না বলেই তারা দুষ্টদের মিষ্টি কথায় কাবু হয়ে যায়। আসলে মানুষের একটি সময় আসে, যখন আগুনে ঝাঁপ দিলে পুড়ে যাবার নিশ্চিত জেনেও অনেকে ঝাঁপ দেয়। ছেলে-মেয়েদের বেলায় এমনটাই হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দোষ পরিবার ও সমাজের এবং বিনোদনের জগতের। পরিবারের দোষ হচ্ছে, ছেলে-মেয়েদের নৈতিক শিক্ষা না দেওয়া। ছেলে-মেয়েদের সাথে অবাধ মেলামেশার সুযোগ না দেওয়া। কিন্তু আমাদের সমাজের বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। যার কারণে আজ সমাজে বৃদ্ধি পাচ্ছে কুমারীহীন মেয়েদের সংখ্যা। একই অপরাধ দুই জনে করলেও দিন শেষে মেয়েরা কুমারীত্বহীনের তকমা পেলেও ছেলেরা পায় না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন