মঙ্গলবার

রশ্নঃ আমি যখন আমার গার্ল ফ্রেন্ড এর সাথে কথা বলি আমার পুরুষাঙ্গ দিয়ে একপ্রকার পানি বের হয় এটা কি কোন সমস্যা ?

 

উত্তরঃ গার্ল ফ্রেন্ড এর সাথে কথা বলার সময় পুরুষাঙ্গ দিয়ে একপ্রকার পানি বের হয় এই সমস্যা প্রায় ৯০% পুরুষের হয়ে থাকে। পুরুষাঙ্গ দিয়ে একপ্রকার পানি বের হওয়া এটি এমন কোন জটিল সমস্যা না। আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা হেল্থ এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরছে।পুরুষাঙ্গ দিয়ে একপ্রকার পানি বাহির হওয়া এই পানিকে বেশির ভাগ মানুষ কাম রস নামে জানে আর কাম রস হচ্ছে প্রাক-চরমানন্দ-তরল। এটি স্বচ্ছ পানির রঙের আঠালো তরল, যা যৌন চিন্তা/লিঙ্গত্থানের পর পুরুষাঙ্গ থেকে নিঃস্বরিত হয়। কাম রসকে ইংরেজীতে প্রি-কাম, ডগ ওয়াটার কিংবা স্পিড ড্রপ ও বলা হয়।
কাম রস এবং বীর্য প্রায় একই প্রকার তরল। এতে শুধু কিছু রাসায়নিক পার্থক্য আছে। এই তরলের পরিমান ব্যক্তিভেদে পার্থক্য হয়। অনেক পুরুষের এটি বিন্দুমাত্রও নির্গত হয়না আবার অনেকের তা ৫ মিঃলিঃ পর্যন্ত হতে পারে।
কাম রসের কাজ সমুহঃ
১) অম্লিক পরিবেশ শুক্রানুর জন্য ক্ষতিকর। প্রস্রাবের ফলে মুত্রনালীতে কিছুটা রাসায়নিক পদার্থ থেকে যায়। কাম রস সেসব অপ্রয়জোনীয় রাসায়নিক পদার্থকে নিষ্ক্রিয় করে শুক্রানুর জন্য নিরাপদ রাস্তা তৈরি করে।
২) অপরদিকে নারী যোনী সাধারনত অম্লিয় (এসিডিক), তাই মুল বীর্যপাতের আগে এ তরল যোনীতে প্রবেশ করে যৌনাঙ্গের ভিতরের পরিবেশকে স্বাভাবিক করে যাতে বীর্যের সাথের শুক্রানু যোনীতে জীবিত থাকে।

৩) এটি যোনীপথকে পিচ্ছিল করার জন্য লুব্রিকেটর হিসাবে কাজ করে।
সমস্যা সমুহঃ
১) যদিও কাম রস পরিমানে অতি সামন্য তবুও এর সাথে পুর্বের কিছু শুক্রানু (এমনকি একদিন পুরানো) বেরিয়ে আসতে পারে। তাই নারী-পুরুষের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিৎ যে কাম রস যোনীতে প্রবেশ করলে এর থেকেও গর্ভধারন হয়ে যেতে পারে।
২)কাম রস থেকেও এইডস সহ অন্যান্য যৌন বাহীত রোগ (STD) ছড়াতে পারে।।
ইসালামে কাম রসঃ
কাম রস মুলত শরীরকে নাপাক করে না। মানে বীর্য নিঃস্বরিত হলে পবিত্রতার জন্য যেমন পুর্ন গোসল করতে হয়, কিন্তু কাম রস নির্গত হলে গোসল করতে হয়না। শুধু যে অঞ্চলে কাম রস লেগেছে সে অঞ্চল ধুয়ে নিলেই পবিত্র হয়ে যাবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন