2017 at 01:12PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 01:12PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার

পুরুষের ত্বকের ক্ষতি করতে পারে যেসব জিনিস

আজকের ব্যস্ত পুরুষ নিজের ত্বকের প্রতি উদাসীন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজের অজান্তেই ক্ষতি করেন ত্বকের। নারীদের তুলনায় পুরুষরা ত্বকের ব্যাপারে কম সচেতন। আর এ জন্যেই নারীদের আগেই তারা বুড়িয়ে যান।

 

অনেকে আবার মনে করেন রূপচর্চা একটা মেয়েলি ব্যাপার। তবে নিয়ম মেনে রূপচর্চা না হোক, ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর জিনিসগুলো এড়িয়ে চললেই আপনার ত্বক থাকবে অনেকটা সুস্থ। তাই জেনে নিন কোন জিনিসগুলো পুরুষের ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর-

রোদ –

রোদ পুরুষের ত্বকের জন্যে খুবই ক্ষতিকর। রোদে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে আপনার ত্বকে ক্যানসারও হতে পারে। ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করাটাও অনেক কষ্টের।

সুইমিং পুল –

সুইমিং পুলের পানিতে থাকে ক্লোরিন, যা ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর। তাই বাড়িতে এসে ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করা উচিৎ।

 

মানসিক চাপ –

মানসিক চাপ আপনার ত্বকের জন্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর। তাই যতোটা সম্ভব মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন। ঘুমানোর আগে সব চাপ ভুলে হালকা হয়ে ঘুমাতে যান।

ধোঁয়া –

যানবাহনের ধোঁয়া এবং দূষণের ফলে ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ পড়ে। তাই ঘরে ফিরে ক্লিনজার এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

ধূমপান –

ধূমপান ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর। এটা ত্বকে বিভিন্ন জটিল সমস্যা তৈরি করে। তাই ধূমপান ছাড়ুন।

সাবান –

আপনার ত্বকের নমনীয়তা কেড়ে নেয় সাবান। অতিমাত্রায় সাবানের ব্যবহার ত্বকে ক্যানসারের কারণ হতে পারে। তাই সাবানের পরিবর্তে কম ক্ষারযুক্ত বেবি সাবান ব্যবহার করতে পারেন। অথবা সাবান ব্যবহার পুরোপুরি ছেড়ে দিন।

 

 

বুধবার

সেদিন নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে শুধু তার খুশির জন্য আমি…

 

আমি চট্টগ্রামে থাকি, class 10 তে পড়ি | চলতি বছর এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় ঢাকার একটা ছেলের সাথে fb তে friendship হয়| পরিচিত হবার পর থেকেই বেশ ভাল বন্ধুত্ব তৈরি হয় আমাদের মাঝে | খুব কম সময়ের মাঝেই আমারা অনেক close হয়ে যাই | এভাবেই আমরা একে অপর কে আমাদের পারিবারিক, প্রাতিষ্ঠানিক এমনকি ব্যাক্তিগত ও গোপনীয় বিষয়গুলোও শেয়ার করতে শুরু করি | তার কাছ থেকে জানতে পারলাম, সে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, একটা কোম্পানিতে কম্পিউটার অপরেটর হিসেবে Job করছে | এছাড়া Online-এ কাপড়ের ব্যাবসা করে | আর সবচেয়ে আশ্চর্য ও চমকে দেবার মতো তথ্য হলো সে একজন Call boy!
শুনে প্রথমে আমারও বিশ্বাস হয়নি, কিন্তু এটাই সত্য সে আমাকে নিজে এটা বলেছে | But এখানে বলে রাখা ভালো, সে Call boy হলেও অনেক ভালো family-র ছেলে | তার ব্যাবহারে মোটেও অভদ্র বা বাজে ছেলে মনে হয়না | অবশ্য তার এই পরিনতির জন্য তার আগের Gf দ্বায়ী, তার Gf তাকে ধোঁকা দিয়ে চলে গেছে | কিন্তু তার এতো বড় সত্য জানার পরেও আমি তার সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখি | কারন মিথ্যা কে আমি ঘৃনা করি | তার সততা আমাকে মুগ্ধ করে! তাই আমাদের Friend ship আরো দৃঢ় হয়! সে কখনো আমাকে নোংরা কথা বলেনি | একসময় আমি তাকে ভালোবেসে ফেলি এবং কথায় কথায় একদিন তাকে মনের কথা বলে ফেলি! But সে আমার কাছে ৬ মাস সময় চেয়ে বসে এবং বলে তার অতীত গুলোকে ভোলার জন্য সময় দরকার, আমি তার কথা মেনেও নেই | কিন্তু ছয় মাস তো দূর ছয় দিন না যেতেই চার দিনের মাথায় গিয়ে সে আমার ডাকে সাড়া দেয়!
এর ঠিক আট দিন পর আমারা Meet করি | আমাদের সম্পর্কটা আরো গভীর হয়ে ওঠে | আট দিন পর সে চট্টগ্রাম আসে | সেদিন সকাল 6am to 7:45pm এক সাথে ছিলাম | সেদিন না চাইতেও নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে শুধু তার খুশির জন্য নিজেকে তার কাছে সপে দিতে বাধ্য হই আমি! এরপর সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরে আসি, আর সেও ওই রাতেই ঢাকায় ফিরে যায়| এরপর আমাদের আর দেখা হয়নি, তবে ফোনে ও fb-তে কথা হতো |

এখান থেকে যাবার পর সে তার মাকে আমার ছবি দেখায়, তার মা সোজা কথায় আমাকে অপছন্দ করে কারন আমি মোটা | সে আমাকে আগেও বলেছিল তার মায়ের Slim বউ চাই, যেখানে সে কিনা নিজেই মোটা | এদিকে আবার সেও কিন্তু দখতে অতোটা সুন্দর না, সে খুব কালো! যাই হোক…, এরপর থেকে সে আর আমার সাথে আগের মতো কথা বলেনা, কেমন জানি এরিয়ে চলে আমাকে! আগেও আগ বাড়িয়ে আমিই তার খবর নিতাম। দিন দিন তার মাঝে অনেক পরিবর্তন লক্ষ করতে থাকি আমি, এই পরিবর্তনের কারন জানতে চাইলে সে বলে, সে নাকি তার মায়ের অমতে কাউকে বিয়ে করতে পরাবেনা! এদিকে তার মা আমাকে মোটা বলে পছন্দ করছেনা | অবশেষে শুধু তার জন্য অধিক ডায়েটিং ও ব্যায়াম শুরু করি | এভাবে কয়েক বার অসুস্থও হয়ে পরি, সেই সাথে শারীরিক ভাবেও অনেক দুর্বল হয়ে পরি | কিন্তু এদিকে সে দিন দিন পাল্টে যেতে লাগলো | মাঝে মাঝে সে বলে নাকি নিজেও জানেনা সে আমাকে love করে কিনা, আবার মাঝে মাঝে বলে তাকে ভুলে যেতে! তার এসব কথা শুনে খুব কষ্ট পাই আমি, একবার তো হাতের রগ কেটে আত্মহত্যাও করার চেষ্টা করেছিলাম!
কিছু দিন ধরে তার সাথে কোনো যোগাযোগ নেই আমার ! অথচ সে আমার একটা খবরও নিলোনা | সামনে আমার টেষ্ট পরীক্ষা, পড়ায় একটুও মন বসেনা | লেখাপড়ায় আমার অনেক সাফল্যের রেকর্ড আছে, কিন্তু এক সময় যেই আমি এতো ভালো রেজাল্ট করেছি, সেই আমিই আজ গেরান্টি দিতে পারছিনা টেষ্টে পাশ করবো কিনা! সারাক্ষন ওর কথা মনে পরে, মনে পরে ওই দিনটা | পড়তে বসলেও বইয়ের প্রতিটা পৃষ্ঠায় ওর মুখ ভেসে ওঠে! কি করবো আমি? যখন থেকে ওর সাথে শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে তখন থেকে ওকে স্বামী হিসেবে মেনে নিয়েছি | শুধু ওর জন্য ডায়েটিং আর ব্যায়ামের নামে দিন দিন নিজের উপর অত্যাচার করে চলেছি, আর কতো সইবো? কিন্তু তার সেই একই কথা,মায়ের অমতে কিছু করবোনা | এদিকে আমার পরিবারও খুব কড়া, ওর সাথে সহবাস করেছি জানলে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেবে, নাহলে মা বাবা নিজেরাই আত্মহত্যা করবে ! এই কথা গুলো আমি কাকে বলবো? এসব ভাবলে দম বন্ধ হয়ে আসে আমার! ইচ্ছা করে নিজেই নিজেকে শেষ করে দেই | পরীক্ষা দিলে পাশ করবো কিনা সন্দেহ আছে, আমার পরিবার এসব জানলে আমাকে বের করে দেবে, ওদিকে ওর পরিবারও আমাকে মেনে নেবেনা | এখন সব মিলিয়ে আমি তো আত্মহত্যা ছাড়া কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিনা !
কাউকে সরল মনে ভালবাসাটা কি অন্যায়? এখন আমার কি করা উচিত? দয়াকরে কোনো বাজে মন্তব্য না করে একটা ভালো উপায় বলে দিন |

উত্তরঃ 

আপনি ইমোশনাল ব্লাক মেইলিং এর স্বীকার। এই কথাটা যত দ্রুত বিশ্বাস করতে পারবেন তত দ্রুত আপনি নিজেকে স্বাভাবিক করে তুলতে পারবেন। ছেলেটি আপনাকে বিয়ে না করার জন্য যেসব অজুহাত দিচ্ছে তার সব কটাই মিথ্যা। সে আপনার লাইফে একটা মিশন নিয়ে এসেছিল যা সে ইতিমধ্যে অর্জন করে ফেলেছে। তাই খোয়ারের মোরগ খোয়ারে ফিরে গেছে। এখন আপনি যতই ডায়েট ফায়েট করেন না কেন, কোন লাভ নেই। শুধু শুধু নিজেকে কস্ট দেয়া।

যে সম্পদ হারিয়েছেন সেটা আর ফেরত পাবেন না। কিন্তু যা এখনো হারাননি সেটা হারাতে দিবেন না আশা করি— আপনার ক্যারিয়ারের কথা বলছি। আর হ্যা এখন থেকে খালি পায়ে আর হাটবেন না ! সেন্ডেল পড়ে হাটবেন- পাছে পচা শামুকে না আবার পা কেটে ফেলেন !!! ভাল থাকুন। নিজের জন্য বাঁচুন , নিজের পরিবারের জন্য বাঁচুন।

শুক্রবার

মেয়েদের কোমর বিয়ের পর মোটা হয় কেন? জানলে আপনিও লজ্জা পাবেন !

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা ৩৫০ জন কনের ওপর গবেষণা করে তথ্য বের করেন, বিয়ের পর কেন কনের স্তন ও কোমর মোটা হয়। দেখা যায়, বিয়ের পর প্রথম ছয় মাসে কনেরা প্রায় পাঁচ পাউন্ডের মতো ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, যারা বিয়ের সময়ে সুন্দর দেখাতে নিজের ওজন অনেক দ্রুত কমিয়ে ফেলেন, বিয়ের পর তাদের ওজন দ্রুত বেড়ে যায়।

এটা প্রায়শই দেখা যায় যে, মেয়েরা চায় বিয়ের সময়ে তাদের দেখতে ছিপছিপে এবং কমবয়সী লাগুক। এ কারণে তারা বিয়ের কয়েক মাস আগে থেকেই কঠোর ডায়েটে চলে যান। এমনকি দেখা যায়, পরিবারের মানুষ এমনকি তাদের বাগদত্ত পুরুষেরাই তাদেরকে বলেন ওজন কমাতে।
তারা বেশিরভাগই মোটামুটি ২০ পাউন্ড (৯ কেজির) মতো ওজন কমানোর পরিকল্পনা করে ডায়েট শুরু করেন। অনেকের ওজন এই ডায়েটের ফলে কমে গেলেও বেশিরভাগেরই ওজনে তেমন কোনো হেরফের হয় না। তখন প্রথম ছয় মাসের মাঝেই তাদের ওজন বেড়ে যায় দ্রুত।দেখা যায়, বিয়ের ছয় মাস পর তাদের ওজন বেড়েছে গড়ে ৪.৭ পাউন্ড (২.১ কেজি)। যারা বিয়ের আগে ওজন কমিয়েছিলেন, তাদের ওজন বাড়ার পরিমাণ আরও বেশি, প্রায় ৭.১ পাউন্ড (৩.২ কেজি)। তবে তারা বিয়ের আগে ওজন কমালেও বিয়ের পরে প্রায় ৪.৫ কেজি পর্যন্ত ওজন বেড়ে যায় তাদের।

বিয়ের পরে মেয়েরা মনে করে, সামনে তো আর কোনো বড় উপলক্ষ নেই আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকে তাদের তেমন লক্ষ্য থাকে না। তারা খাওয়াদাওয়া এবং ব্যায়ামের ব্যাপারে নিয়মকানুন অনুসরণ বন্ধ করে দেন, যার ফলে ওজন বেড়ে যেতে থাকে। অনেকে আবার মনে করেন, বিয়ের পরে তাদের আকর্ষণীয় ফিগার বজায় রাখার দরকার নেই, এ কারনেও তাদের ওজন এভাবে বাড়তে দেখা যায়।

বিয়ের পর মোটা হয়ে যাওয়া রোধে করণীয় :
তবে কেবল মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ উভয়েই এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ওজন। হানিমুনে গেলে খুব বেশি জাঙ্ক ফুড না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন – পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে পারেন। সাথে খাবেন প্রচুর পরিমানে সালাদ । আর মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি খাওয়ার বদলে ফ্রুট সালাদ আর ফলের রস খেতে পারেন। ভ্রমনে গেলে রিচ ফুড এমনিতেও এড়িয়ে চলা উচিত।
ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ভিটামিন বি জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে নতুন দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগাবে ভিটামিন বি, বাড়ি খাবারের প্রয়োজন পড়বে না।
বিয়ের পর প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন আত্মীয়ের বাসায় নতুন জুটির দাওয়াত থাকাটাই স্বাভাবিক। আর এতেই ওজন অনেকটা বেড়ে যায়। তাই বলে কোথাও দাওয়াতে গেলে একদমই যে খাবেন না তা কিন্তু নয়, ঘি ও তেল মশলা দেয়া খাবার কম নিয়ে সালাদের পরিমান বাড়িয়ে দিন। কোমল পানীয়ের বদলে পানি পান করুন।
শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মোটা হয়ে যাবার প্রবনতা দেখা দেয়। তাই চা– কফি ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া কমিয়ে দিন। আর রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস দুধ খাবার কথা ভুলবেন না, কারন দুধই ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড় উৎস। কষ্ট করে হলেও ব্যাপারটা মেনে চলুন।