2017 at 09:58AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 09:58AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার

আমার পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য ৬.৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ৫ ইঞ্চি, এটা কী আমার সঙ্গীনীর জন্য বেদনাদায়ক হতে পারে

 

 

আমার বয়স ২০ এবং আমার উচ্চতা ৬ ফুট। কিন্তু আমার পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য ৬.৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ৫ ইঞ্চি। এটা কী আমার সঙ্গীনীর জন্য বেদনাদায়ক হতে পারে এবং একারণে কী আমরা যৌন সুখ থেকে বঞ্চিত হতে পারি? একজন সাধারণ বাঙালি নারী কেমন পুরুষাঙ্গ আশা করে?

 

উঃ আপনার পুরুষাঙ্গের প্রস্থ ৫ ইঞ্চি, না পরিধি (circumference) ৫ ইঞ্চি? প্রস্থ ৫ ইঞ্চি একটি অস্বাভাবিক সাইজ। কিন্তু সেটা যদি পরিধি হয় তাহলে কোন অসুবিধা নেই। সেটা স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই পড়ে। আপনার পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্যও স্বাভাবিক। ৬.৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৫ ইঞ্চি পরিধি বিশিষ্ট পুরুষাঙ্গ থেকে মেয়েদের কোন অসুবিধা হবার কথা নয়। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন। যৌন উত্তেজনার সময় সাধারণত যোনির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বৃদ্ধি পায়, তবে সেটা কতটা বৃদ্ধি পাবে তা একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। তাই সহবাসের সময় একটু ধীরে ধীরে শুরু করুন এবং নিজের সঙ্গিনীর সাথে কথা বলে জানার চেষ্টা করুন তার কোন অসুবিধা হচ্ছে কি না। মনে রাখবেন সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গ যদি যোনির শেষপ্রান্তে অবস্থিত সারভিক্সে ধাক্কা লাগে তবে তা স্ত্রীর পক্ষে বেদনাদায়ক হতে পারে। কোন নারী কেমন পুরুষাঙ্গ আশা করবে সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

 

 

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের যৌনতৃপ্তি নির্ভর করে আদর করার পদ্ধতির উপর, পুরুষাঙ্গের আকার-আয়তনের উপর নয়। এছাড়াও মেয়েদের যৌনতৃপ্তির জন্য সম্পর্কে ভালবাসা থাকাটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। [বিঃ দ্রঃ – অনেক মেয়েদেরই প্রথম প্রথম সহবাসের সময় একটু ব্যাথা লাগতে পারে। তাই সহবাস শুরু করার পূর্বে ভাল করে ফোর-প্লে (fore play) করুন।]

বুধবার

প্রথমবার সেক্স যার কারণে ভয় হচ্ছিল কেউ এসে পড়বে কিনা…

 

 

সেক্স করতে চেষ্টা করার ওই ঘটনার পর থেকে আমার পেনিস ঠিক মতই বড় হচ্ছে।কিন্তু তার সামনে পেনিস বড় হলো না কেনো? আমার কি সমস্যা আছে?

 

 

 

আমার ভিতরে অনেক ভয় কাজ করছিল। মনে হচ্ছিল এই বুঝি কেউ এসে পড়বে।

ভাই আসসালামুআলাইকুম।আশা করি ভাল আছেন।আমি আপনার পেজের নিয়মিত পাঠক।আমি অনেক জিনিস জানতে পারি আপনার পেজ থেকে। আসল কথায় আসি।কিছুদিন আগে আমার একটা বিবাহিত মেয়ের সাথে পরিচিত হয়।সে আমার সাথে নিয়মিত ফোনে কথা বলে।একদিন সে আমাকে সেক্স এর কথা বলে।কিন্তু আমি রাজি হইনা। কারন আমি লোক লজ্জা,মানসম্মানের ভয় পাই।জানা জানি হয়ে গেলে বাবা মার মান সম্মান সব শেষ হয়ে যাবে।সে আমাকে সেক্স করার জন্য উত্তজিত করার চেস্টা করত।

 

 

একদিন বয়সের দোষে সেক্স করার সিদ্ধান্ত নিলাম।সেদিন বাসায় কেউ ছিল না।তাই তাকে বাসায় ডাকি।সে খুশী মনে চলে আসে। আমার ভিতরে অনেক ভয় কাজ করছিল। মনে হচ্ছিল এই বুঝি কেউ এসে পড়বে। কিস করার পর তার ব্রেস্টে হাত দিলাম। তখনো আমার পেনিস অনেক স্ট্রং ছিল। কিছুক্ষন ব্রেস্ট টেপার পর যখন পেনিস ঢুকাবো তখন পেনিস ছোট হয়ে গেল।শত চেষ্টা করেও আর বড় হলো না। সে আমার পেনিস অনেক ভাবে নাড়াচাড়া করল কিন্তু কোন কাজ হলনা। এমনকি সে সাক করল, তাও দাড়াল না। এতে সে খুব রাগ করল। তখন লজ্জা , অপমান সবকিছুই আমার মধ্যে কাজ করছিল। এরপর থেকে সে আমার সাথে ঠিক মত কথা বলেনা। একটা জিনিস খেয়াল করলাম, সেক্স করতে চেষ্টা করার ওই ঘটনার পর থেকে আমার পেনিস ঠিক মতই বড় হচ্ছে।কিন্তু তার সামনে পেনিস বড় হলো না কেনো? আমার কি সমস্যা আছে?

 

আপনার ডক্টরের উত্তরঃ যেহেতু আপনার জীবনের প্রথম সেক্স তাই এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভয়ের কোন কারণ নেই।জীবনের প্রথম সেক্সে সবকিছু নতুন তাই বিশেষ করে মানসিক দুর্বলতার কারণে এমন হয়।দেখবেন পরবর্তীতে এমন কোন সমস্যা হবে না।

 

 

 

 

শনিবার

অধিক সময় ধরে মিলন করার জনপ্রিয় তিনটি পদ্ধতি!!!

 

তাছাড়া এক নারী কিংবা একপুরুষের সাথে বার বার মিলন করলে যৌন মিলনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মিলনে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত মিলনে একে অপরের শরীর এবং ভাললাগা/মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

[উল্লেখ্যঃ যারা বলেন “এক তরকারী দিয়ে প্রতিদিন খেতে ভাল লাগেনা – তাই পর নারী ভোগের লালসা” – তাদেরকে অনুরোধ করছিঃ দয়াকরে মিথ্যাচার করবেন না। এমন যুক্তি ভিত্তিহীন। পরকীয়া আমাদের সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে। মাত্র কয়েক মিনিটের কাম যাতনা নিবারনের জন্য আজীবনের সম্পর্কে অবিশ্বাসের কালো দাগ লাগাবেন কেন? অবিবাহীত ভাই ও বোনেরা, আপানাদের কি অতটা বড় বুকের পাটা আছে – যদি বিয়ের পরে আপনি জানেন যে আপনার স্ত্রী ‘সতী’ নয় তখন তার সাথে বাকি জীবন কাটাবেন? তাহলে কেন শুধু শুধু বিবাহ-পুর্ব মিলনের জন্য এত ব্যকুলতা? যে ধরনের নারীকে আপনি গ্রহন করতে পারবেন না – অথচ সেই আপনি অন্য পুরুষের ভবিষ্যৎ বধুর সতীত্ব লুটবেন?

দুঃখিত যদি কারো ব্যক্তি সত্বায় আঘাত করে থাকি।]

মুল আলোচনায় আসি। বলছিলাম যৌন মিলনে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমুহ নিয়ে…

পদ্ধতি ১:- চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা:

এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।

এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।

স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

পদ্ধতি ২:- সংকোচন (টেনসিং):

এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।

এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।

সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

পদ্ধতি ৩:- বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে):

এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃৎ। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।

বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

পরিশিষ্ট: উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া।