May 12 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
May 12 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার

প্রেমিকা বলে হয় অবৈধ যৌনমিলন করতে হবে, তানাহলে…

 

 

আমি একটি মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে আছি। ওকে আমি যেমন হৃদয় থেকে ভালোবাসি, ঠিক তেমনি ও নিজেও আমাকে ভালোবাসে। আগে কোনোদিন ওকে আমি হিজাব ছাড়া দেখিনি। অথচ ও নামকরা মেডিকেল কলেজে পড়ছে। ওকে আমি ওর ধর্মীয় ও নারী সচেতনতার কারণে শ্রদ্ধা করি গভীরভাবে। দীর্ঘ এই সময়ে কোনোদিন ওর কাছাকাছি বসতে পারিনি। হয়তো সামনে, না হয় এক হাত দূরে বসতে ও আমাকে বাধ্য করত। ওর সঙ্গে মাসে বা পনের দিনে একবার দেখা হতো। ফোনে কথা হতো। বেশিরভাগ সময়ই এস.এম.এস এর মাধ্যমে যোগাযোগ হতো। যা আমি আর ও বুঝত। ও আর আমি উভয়েই একটি সমস্যায় থাকতাম- যখন তখন কেউ কারো সঙ্গে কথা বলতে পারতাম না। ওর সঙ্গে কখনও রোম্যান্টিক কথা বলতে গিয়ে সামান্যতম অভদ্রতা করতে দিতো না। ওর একটিই কথা- ‘আমি তোমার প্রেমিকা হয়েছি, বৌ নয়’। যখন বৌ হব তখনের জন্য রাখো’।

 

সব ঠিকঠাকই ছিল। রমজানের দুমাস আগে থেকে দেখছি ও আমাকে বারবার উল্টা পাল্টা এস.এম.এস করে যাচ্ছে যা ওর স্বভাব বিরোধী। কারণ জিজ্ঞাসা করলে ও অস্বীকার করে, আমাকেই খারাপ ভাবে! অভিমান করে। রোজার কয়েক দিন পূর্বে ওর সঙ্গে দেখে হয়েছিল, তখন ও একদম আমার গা ঘেঁষে বসে কথা বলেছিল। ওকে কয়েক বার বলার পর এমনকি আমি নিজে সরার পরও কাজ হয়নি। হঠাৎ ঈদের দুদিন আগে বলেছে- ‘চলো ঈদে কোথাও ঘুরে আসি’। আমি প্রথমে না বললেও পরে রাজি হই। আমি জানতাম ওকে নিয়ে কাছে কোথাও কয়েক ঘণ্টা ঘুরে আসলেই চলবে। ও ঈদের রাতে কল করে বলে- ‘চল আমরা দুজন কক্সবাজার যাই! প্রথমে মনে করেছি মজা করছে, পরে দেখলাম না, ও সিরিয়াস! তখন অনেক বোঝানোর পর- জেদ করে না বলে দেয়। কিন্তু হঠাৎ করে ঈদের তিনদিন পর বলে- ‘চলো, প্রেমিক-প্রেমিকারা যা করে আমরাও তা করি’। আমি অনেক দুষ্টামি করার পর ওর কথার সারমর্ম বের করলাম- শারীরিক সম্পর্ক করা। ওকে বলি- তোমার কি মাথা নষ্ট হয়ে গিয়েছে! জানো না, এসব করার পর আমার থেকে তোমার সমস্যা বেশি হবে। তখন ও আমাকে জিজ্ঞাসা করে- ‘তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে না? করলে তার আগে করলে সমস্যা কী? সবাই তো করছে। যা করতে হবে আমি করব, তুমি শুধু নিরাপদ জায়গা খোঁজো’।

 

তখন অনেক ভাবে আমি ওকে বোঝালাম। এসবের ক্ষতি সম্পর্কে কয়েকটি ই-বুক নামিয়ে দিলাম, ও যাতে পড়ে এর ক্ষতি সম্পর্কে জানতে পারে। না, ও পড়েনি; বলেছে- হয় আমাকে বিয়ে কর, না হয় সম্পর্কের ব্রেকআপ। আমি কারণ জানতে চাইলে বলে তুমি আমাকে বিয়ে করবে না তাই আমার কথা রাখছো না। আমি বুঝতে পারছি না- কী এমন হলো! ওকে একেবারে আমার কাছে অপরিচিত মনে হচ্ছে। ওই তো আমাকে বলতো হাত না ধরেও চলা যায়, মনের মিল থাকলে হয়। তোমাকে ভালোবাসি, তাই বলে হাত ধরার অধিকার দেইনি। সেই অধিকার একমাত্র আমার স্বামীর, প্রেমিকের নয়। এমন মেয়ে কীভাবে বদলে গেল! ওর একটি বড় বোন রয়েছে অবিবাহিত। আমারও রয়েছে। ওর যেমন লেখাপড়া শেষ হয়নি, আমারও হয়নি। ওকে বলেছি তোমার ডাক্তারি পড়া শেষ হোক, আমিও নিজের ক্যারিয়ার গড়ে নিই। তোমার বোনদের বিয়ে হয়ে গেলে তোমার পালা আসবে তখন সামাজিক ভাবেও ভালো হবে। কিন্তু ও বুঝতে চায় না। হয় অবৈধ মিলন করো না হয় বিয়ে, কোনটিই না করলে সম্পর্ক ইতি টানার হুমকি! কিন্তু আমার দ্বারা কোনটিই সম্ভব নয়। অবাধ্য কাজ করতে পারব না আল্লাহর ভয়ে। আমি ওকে বিয়ে করব, কেউ কি চায় তার বৌকে নিয়ে কেউ বাজে ধারনা রাখুক। কেউ কি এটা মানতে চায় যে তার সন্তানের মা বিয়ের আগেই অবাধ্য সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। কেউ কি চায় তার প্রথম সন্তান নষ্ট হোক। না আর বলতে ইচ্ছা করছে না। বিয়ে করতে পারব না। আমার মা-বাবা ভাই বোন ও ওর-আমার উভয়ের পরিবারের কারণে।

 

আমরা যদি গোপনে বিয়ে করি, তা কয়দিন গোপন রাখতে পারব? বিয়ে করলে বাবাকে সারা জীবনের জন্য হারাতে হবে, তেমনি চলে যাবে পরিবার ও নিজেদের মানসম্মান। তাঁদের কোনো রকম ক্ষতি হোক আমি তা চাই না। আমি নিজে চলি বাবার টাকায়। এখন বিয়ে করলে ওর ডাক্তারি পড়া হয়তো আর হবে না। ও আমাকে বলে- ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না’। কোনো একটা কিছু করো, না হয় আমি শুধু তোমার জীবনই নয়, সবার জীবন থেকে হারিয়ে যাব। আমিও পারব না ওকে ছাড়া থাকতে। ওই আমার প্রথম, ওই আমার শেষ। ওকে হারিয়ে ফেলার জন্য আমি প্রেম করিনি, ওকে পাবার জন্য প্রেম করেছি। আমার আর ওর বিয়ের কথা ওঠাব কেবল সেই সময়ই যখন পরিবার অথবা সমাজ কোনটিই বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। আমাদের প্রেম সম্পর্কে ও আর আমি এবং অল্প কয়েকজন লোক জানে, তাঁরা গভীরভাবে ওকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে। আর হ্যাঁ, আমি ওর পরিবর্তনের কথা জিজ্ঞাসা করলে ও কিছুই বলে না। উল্টা আমাকে বলে স্বার্থপর। এখন আমি কী করতে পারি?

 

আপনার চিঠি পড়ে আসলেই খুব বেশি অবাক হচ্ছি ভাইয়া! কারণ এমন চিঠি এতদিন মেয়েরাই লিখেছে যে সঙ্গী শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দেয়। আপনার ক্ষেত্রে ব্যাপারটি একেবারেই উল্টো।

হ্যাঁ, আমি মানছি যে এত নির্দিষ্ট বয়সে এসে সব প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষেরই শরীরের একটা চাহিদা তৈরি হয়। কিন্তু বিয়ের আগ পর্যন্ত অনেকেই ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করা শিখে নেন। আপনার প্রামিকা যেখানে হাতও ধরতে দিতেন না, তাঁর রাতারাতি এমন পরিবর্তন আসলেই প্রচণ্ড অবাক করার মত। এটার একটাই ব্যাখ্যা হতে পারে ভাই, তিনি আগে যা দেখিয়েছেন সেই সবই নকল ছিল। আপনার চোখে ভালো সাজতেই তিনি এসব করেছেন। ভেবেছিলেন আপনি পুরুষ, আপনি নিজেই হাত বাড়াবেন তাঁর দিকে। কিন্তু আপনি যেহেতু বাড়ান নি, প্রেমিকা এখন অধৈর্য হয়ে নিজেই স্টেপ নিয়েছেন।

 

 

ভাইয়া, আমার মনে হয় পুরো বিষয়টি নিয়ে আপনার খুব ভালো করে ভাবার দরকার আছে। কারণ কেবল হিজাব পরলেই ধর্ম হয় না। যে মানুষ হিজাব করেন কিন্তু প্রেমিকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছেন, সে আসলে কতটা ধর্মপ্রাণ এইটা নিয়ে আমার বেশ সন্দেহ হচ্ছে। বিয়ে করার তো প্রশ্নি ওঠে না। আপনি বরং মেয়েটিকে সাফ জানিয়ে দিন যে এই ধরণের মেয়ের সাথে আপনি কোনভাবেই সম্পর্ক রাখবেন না, কারণ আপনার আল্লাহ আপনাকে সেই অনুমতি দেয় না। প্রেমিকা যদি সত্যিই আপনাকে ভালোবেসে থাকে, সে নিজেকে সংশোধন করে সুপথে আসবে। কিন্তু সে যদি উল্টো আপনাকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে, জানবেন যে প্রেমিকার সবই ভড়ং ছিল। সেক্ষেত্রে এমন মেয়ের সাথে সম্পর্ক না রাখাই উত্তম হবে ভাইয়া।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী
লেখক ও রন্ধনশিল্পী

 

বীর্য স্ত্রীর যোনিতে পড়লে প্রচন্ড জ্বালা করে এর কারণ কি?

 

 

আমার শুক্রাণু/বীর্য বৌয়ের যোনিতে পড়লে প্রচন্ড জ্বালা করে। এর কারণ কি? এটা কি আমার সমস্যা না ওর সমস্যা?

 

উত্তরঃ  বীর্য স্ত্রীর যোনিতে পড়লে প্রচন্ড জ্বালা করে  খুব সম্ভবত এটা পুরোপুরি আপনার স্ত্রীর সমস্যা। এমন ঘটনা একাধিক কারণে হতে পারে। একটি কারণ হল বীর্যের প্রতি আপনার স্ত্রীর এলার্জি (Allergy)। এর ফলে বীর্য যোনিতে লাগলে বা সংস্পর্শে এলে যোনিতে জ্বালা, চুলকানি হতে পারে, যোনি ফুলে বা লাল হয়ে যেতে পারে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে আবার শুধু যৌনাঙ্গেই নয়, বীর্যের সংস্পর্শে এলে এলার্জি হতে পারে সমগ্র শরীরেই। সত্যিই এলার্জির ফলেই আপনার স্ত্রীর সমস্যা হচ্ছে কিনা সেটা পরীক্ষা করতে হলে কনডম পরে সেক্স করে দেখুন। যদি কনডম পরে সঙ্গম ও বীর্যপাত করলে কোন জ্বালা-যন্ত্রণা না হয় তবে বোঝা যাবে যে সত্যিই আপনার স্ত্রীর বীর্যের প্রতি এলার্জি রয়েছে। এমতাবস্থায় চিকিৎসার জন্য কোন ভাল স্ত্রী-রোগবিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।

 

বীর্য লাগলে বা সংস্পর্শে এলে যোনির ভেতরে জ্বালা করার অপর একটি কারণ হল ভালভার ভেস্টিবিউলাইটিস (Vulvar vestibulitis)। এই রোগে যোনিদ্বার ও যোনির ভেতরে কিছু স্থানে লাল হয়ে বা ফুলে থাকে যেখানে চাপ লাগলে ব্যাথা বা জ্বালা অনুভব হয়। এমতাবস্থায় ওইসব অঞ্চল বীর্যের সংপর্শে এলে বীর্যের অম্ল-ধর্মের (acidic) প্রভাবে জ্বালা-যন্ত্রণা বেশি অনুভূত হতে পারে। তবে এই রোগের আরও কিছু লক্ষণ হল সঙ্গম করার সময় বা অন্যসময় যোনির মধ্যে কোন কিছু প্রবেশ করাতে গেলে ব্যাথা লাগে, সাইকেল চালাতে বা নাচতে গেলেও ব্যাথা লাগতে পারে, বারংবার প্রস্রাব করতেও ইচ্ছে হতে পার।

 

এগুলো ছাড়া বিভিন্ন যৌনরোগ যেমন হার্পস, ঈষ্ট ইনফেকশন, ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ, Vaginitis ইত্যাদির ফলেও যোনির ভেতরে জ্বালা হতে পারে। ঠিক কি হয়েছে সেটা সম্মন্ধে নিশ্চিত হতে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা করাতে হলে সত্ত্বর কোন ভাল স্ত্রী-রোগবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ডাক্তার আপনার স্ত্রীর যৌনাঙ্গ পরীক্ষা করে বুঝতে পারবেন আপনার স্ত্রীর সমস্যা ঠিক কোথায়। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চললে শীঘ্রই আপনাদের বীর্য জনিত কাণে যোনিতে জ্বলা করার সমস্যার সমাধান হবে আশা করা যায়। তবে দয়া করে কোন কবিরাজ বা হাতুড়ে বা ইউনানী ডাক্তারের কাছে যাবেননা, তাতে আখেরে আপনাদেরই ক্ষতি। ভাল থাকুন।

 

 

বৃহস্পতিবার

আমাদের জীবনটা বিবাহিত জীবনের মত, শুধু বিয়ে হয়নি কিন্তু আমার নিয়মিত…

 

আমি যাকে ভালোবাসি সে আমার চেয়ে ১৮ বছরের বড়। আমার বয়স ২২ বছর, আমি পড়াশোনা করি। মা বাবার ছোট মেয়ে। বোনেরও বিয়ে হয়নি। তবে আমাদের মাঝে বয়স নিয়ে কোনো সমস্যা হয় না। দুজনের মন মানসিকতাও অনেক মিল। আমি খুব রাগী; রাগ করলে সবসময় বলি-‘তোমাকে ছেড়ে দেবো, কিন্তু ওকে ছাড়া একমুহূর্ত থাকতে পারি না। দুই-একদিনেই রাগ শেষ।

আমাদের জীবনটা বিবাহিত জীবনের মতোই। সে আমার প্রতি ওর স্ত্রীর মতোই সকল দায়িত্ব পালন করে। মোট কথা আমাদের বিয়েটিই কেবল হয়নি এছাড়া আমরা খুবই সুখী। সমস্যা হচ্ছে ওর বয়স অনেক বেশি তাই আমার পরিবার আমাকে ওরসঙ্গে কোনোভাবেই বিয়ে দেবে না। আমরা চাই গোপনে বিয়ে করে রাখব, তবে যদি বিয়ে করি আর সেটা কোনোভাবেই পরিবার মেনে না নেয়, তাহলে কি আমি ডির্ভোস দিতে পারব? কারণ বর্তমানের সম্পর্কটি পবিত্র রাখতে চাই। বাসায় জানবে না আমাদের বিয়েটা।

কীভাবে বিয়ে করব? কীভাবে বিয়ে করলে ভালো হবে?

আপু, আমার পরামর্শ যদি সত্যি জানতে চান তো বলবো আপনার কোনভাবেই বিয়েটি করা উচিত হবে না। কারণ অনেক, আমি এক এক করে বলছি।

-যে মানুষটির সাথে আপনি প্রেম করছেন, তিনি আপনার চাইতে ১৮ বছরের বড়। অর্থাৎ বলাই বাহুল্য যে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান আছে। আপনি আরেকজনের স্বামীর সাথে বিয়ের দোহাই দিয়ে বিছানায় যাচ্ছেন, আবার সেই বিছানায় যাওয়াকে হালাল করার জন্য বিয়ে করতে চাইছেন… আপু, সৃষ্টিকর্তা কি কিছুই দেখছেন না? আরেকজনের স্বামীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক করে সেটাকে হালাল করার জন্য বিয়ে করলেই কি ব্যাপারটি ঠিক হয়ে যাবে? আপনি নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকবেন? বিষয়টি কি এতই সোজা? আপনি হয়তো বলবেন যে লোকটির স্ত্রে এওনেক খারাপ, তাঁকে ভালবাসে না ইত্যাদি ইত্যাদি। সেসব সত্য হলেও আপু আরেকজনের স্বামীর সাথে পরকীয়া করার রাইট আপনার নেই।

 

 

– দ্বিতীয়ত, ধরে নিলাম লোকটি অবিবাহিত , ডিভোর্সি বা স্ত্রী মারা গিয়েছেন। সেটা হলেও আপনি তাঁর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক করতে পারেন না, আর সেটা হালাল করার জন্য বিয়ে করতে পারেন না। কারণ আপনি নিজেই বিয়েটা এমনভাবে করতে চাইছেন যেন ডিভোর্সের পথ খোলা থাকে!!! এটা কেমন ভালোবাসা আপু? বিয়ে কি ছেলে খেলা যে সেক্স করার জন্য সম্পর্ক করলেন আবার চাইলেই ডিভোর্স নিয়ে নিলেন? এতই সহজ বিয়ে? আপনি যে কেবল এটুকুই চাইছেন, সেটাও না। আপনি মা বাবাকেও ঠকাতে চাইছেন। ডিভোর্স দিয়ে আরেকজনকে বিয়ে করলে তাঁকেও ঠকাতে চাইছেন। আপনার পরিকল্পনা দেখে আমি সত্যিই বিস্মিত হচ্ছি!!!

 

দেখুন আপু, আপনার বয়স মাত্র ২২। একটা জিনিস জেনে রাখুন, স্বামী স্ত্রীর মত বিছানায় গেলেই সেটা দাম্পত্য হয় না। দাম্পত্য অনেক বড় আর পবিত্র একটা ব্যাপার। কারো স্ত্রী হতে গেলে অবশ্যই ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক স্বীকৃতির প্রয়োজন। দাম্পত্য আজীবনের বন্ধন। বিয়ে হয়তো গোপনে করা যায়, ডিভোর্স গোপনে হয় না। ডিভোর্সে কাদা ছিটবেই আর সেটা সকলের গায়েই লাগে। তাই শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য গোপনে বিয়ে ও আগ্রহ ফুরিয়ে গেলে গোপনে ডিভোর্সের ইচ্ছা থাকলে বিয়ে না করাই ভাল আপনাদের। এই ভালোবাসা যে চিরস্থায়ী হবে না, সেটা আমি লিখে দিতে পারি। লোকটি ইউজ করছে আপনাকে, হয়তো আপনিও ইউজ করছেন তাঁকে। এই সম্পর্ককে আমি ভালোবাসা বলতে পারছি না। দুঃখিত আপু!

আমার মনে হয় সম্পর্কটি থেকে সরে আসাই উত্তম আপনার জন্য। বাস্তব জীবনটা সিনেমা নয়।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী

 

 

 

আমার পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য ৬.৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ৫ ইঞ্চি, এটা কী আমার সঙ্গীনীর জন্য বেদনাদায়ক হতে পারে

 

 

আমার বয়স ২০ এবং আমার উচ্চতা ৬ ফুট। কিন্তু আমার পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য ৬.৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ প্রায় ৫ ইঞ্চি। এটা কী আমার সঙ্গীনীর জন্য বেদনাদায়ক হতে পারে এবং একারণে কী আমরা যৌন সুখ থেকে বঞ্চিত হতে পারি? একজন সাধারণ বাঙালি নারী কেমন পুরুষাঙ্গ আশা করে?

 

উঃ আপনার পুরুষাঙ্গের প্রস্থ ৫ ইঞ্চি, না পরিধি (circumference) ৫ ইঞ্চি? প্রস্থ ৫ ইঞ্চি একটি অস্বাভাবিক সাইজ। কিন্তু সেটা যদি পরিধি হয় তাহলে কোন অসুবিধা নেই। সেটা স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই পড়ে। আপনার পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্যও স্বাভাবিক। ৬.৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৫ ইঞ্চি পরিধি বিশিষ্ট পুরুষাঙ্গ থেকে মেয়েদের কোন অসুবিধা হবার কথা নয়। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন। যৌন উত্তেজনার সময় সাধারণত যোনির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বৃদ্ধি পায়, তবে সেটা কতটা বৃদ্ধি পাবে তা একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। তাই সহবাসের সময় একটু ধীরে ধীরে শুরু করুন এবং নিজের সঙ্গিনীর সাথে কথা বলে জানার চেষ্টা করুন তার কোন অসুবিধা হচ্ছে কি না। মনে রাখবেন সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গ যদি যোনির শেষপ্রান্তে অবস্থিত সারভিক্সে ধাক্কা লাগে তবে তা স্ত্রীর পক্ষে বেদনাদায়ক হতে পারে। কোন নারী কেমন পুরুষাঙ্গ আশা করবে সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

 

 

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের যৌনতৃপ্তি নির্ভর করে আদর করার পদ্ধতির উপর, পুরুষাঙ্গের আকার-আয়তনের উপর নয়। এছাড়াও মেয়েদের যৌনতৃপ্তির জন্য সম্পর্কে ভালবাসা থাকাটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। [বিঃ দ্রঃ – অনেক মেয়েদেরই প্রথম প্রথম সহবাসের সময় একটু ব্যাথা লাগতে পারে। তাই সহবাস শুরু করার পূর্বে ভাল করে ফোর-প্লে (fore play) করুন।]

এখন শুধু পাতলা পানির মত বীর্য বের হয়……

 

 

আমি ক্লাস ৮ থেকে মাস্টারবেসন করতাম। কিন্তু করার পরিমানটা বেশি হয়ে যাওয়ার কারনে আমার শরীরের উপর এটার একটা প্রভাব পড়ে। আমি সেটা যখন বুঝতে পারলাম ততোক্ষণে অনেক দেরি হইয়া গেছে। আমার চোখ বসে গেছে। চোখের নিচে কাল দাগ পড়ে গেছে। আমার বয়সের একটা ছেলের মধ্যে যে পরিমান এনার্জি থাকা দরকার তা নাই।

 

বলে রাখা ভাল আমি আগে প্রচুর পর্ণ দেখতাম কিন্তু আমি এইচ এস সি ২য় বর্ষতে যখন উঠলাম তখন বুঝতে পারি আমি আর আমি নাই। কারন মাস্টারবেসন এর জন্য আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আমার আগের মত সৃতিশক্তিও নাই। এখন পড়া মুখস্ত করতে গেলে যে সময় লাগে সেই একই পড়া আগে মুখস্ত করতে এত সময় লাগতো না। গত ২ বছর যাবত আমি সব কিছু ছেড়ে দিয়েছি, মাস্টারবেসন করি না, পর্ণ দেখি না।কিন্তু ভাইয়া আমি সব ছেড়ে দিলেও এই পাপ আমার পিছু ছাড়ছে না।
এখন আমার প্রছুর পরিমান সপ্নদোষ হয়। আমি এটা কোন ভাবেই বন্ধ করতে পারছি না। আমি মরে যেতে রাজি আছি কিন্তু এটা আমি কাও কে শেয়ার করতে পারব না।
ভাইয়া বলে রাখা ভাল, এখন আর আগের মত ঘনত্ব নাই আমার বীর্যের। আমি একদম শেষ হয়ে গেছি। আমার এখন শুধু পাতলা পানির মত বীর্য বের হয়। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

 

আমি এখন দেশের সনাম ধন্য একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে আই বি এ তে পড়ছি। কিন্তু আমা দূর্বলতার কথা ভাবতে ভাবতে আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি। আমি কারোর সাথে মিশতেও পারি না। আমার মনে হয় মাঝে মাঝে আমি আমার রুমের ফ্যানের সাথে ঝুলে পড়ি। আমাকে বেচে থাকার একটা পথ দেখান। আমিতো সব কিছু ছেঁড়ে দিয়েছি সুস্থ জীবনে ফেরার জন্য কিন্তু আমাকে আমার পাপ কোন ভাবেই ছাড়ছে না । আমাকে বাচার মত একটা পথ দেখান। আমি দেখেছি আপনি অনেক সময় অনেক কে বিভিন্ন ওষুধও সাজেস্ট করেন। ভাইয়া আমাকে হেল্প করেন। আমি বাচতে চাই।

 

উত্তরঃ আপনি বীর্য ঘন করার উপায় সম্পর্কে পোষ্টটি পড়ুন