April 11 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 11 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার

গর্ভের ৮মাস চলাকালীন সময়ে স্ত্রী সহবাস করা কি যায়?

 

 

 

স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে একজন আরেকজনের কাছে ঘনিষ্ট হন। সহবাসের ক্ষেত্রে, নারীদের চেয়ে পুরুষরাই বেশি আগ্রহ দেখিয়ে থাকেন। সহবাস, সেক্স এই বিষয়গুলি নিয়ে পুরুষদের উৎসাহ যতটা চোখে পরে, নারীদের উত্তেজনা সেই তুলনায় কম। কিন্তু তা বলে কি মহিলারা সহবাস করেন না? নাকি মহিলারা সহবাসে একেবারেই আগ্রহী হন না ? ব্যাপারটা মোটেই তেমন নয়। নারীরা সহবাসে যথেষ্ট আগ্রহী হন এবং রতিক্রিয়ায় সমানভাবে অংশও নেন। কিন্তু সমাজ, পরিবার, আত্মীয় এসবের কথা চিন্তা করে প্রাথমিকভাবে সহবাসে আগ্রহ দেখাতে ভয় পান। কিন্তু পুরুষরা যদি ৫টি কারণ নিয়ে মহিলাদের কাছে হাজির হন, তবে তাঁরা সন্মতি না দিয়ে থাকতে পারেন না।

 

উত্তরঃ এটা নির্ভর করে আপনার স্ত্রীর সুস্বাস্থ্যের উপর। আপনার স্ত্রীর স্বাস্থ্য গত কোনো সমস্যা না থাকলে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সহবাস করতে পারেন। এতে সমস্যার কিছু নেই। তবে এসময় সাবধানে সহবাস করতে হয়। এবং গর্ভাবস্থায় সহবাসের কিছু আসন আছে। আসন অনুযায়ী সহবাস করলে কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। আমরা এরকম কিছু পোস্ট এর তালিকা আপনার সামনে পেশ করতেছি আপনি উল্লেখিত পোস্ট গুলো একে একে পড়ে নিন।

 

আপনার স্ত্রী যেহেতু ৮ মাসের গর্ভবতী তাই আপনি ঘুরে আসুন মা ও শিশু বিভাগ থেকে। আমাদের এই বিভাগে মা ও শিশুর জন্য আছে প্রায় অর্ধশত পোস্ট। যা তাদেরকে অনেক কিছু জানতে সাহায্য করবে। আমাদের কাছে প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি আমাদের পোস্ট গুলো আপনাকে দারুন ভাবে সাহায্য করবে।

 

 

Sex life এ অতিরিক্ত ওজন বাধা হয়ে দাঁড়ায়

 

 

Sex life এ অতিরিক্ত ওজন বাধা হয়ে দাঁড়ায়আরামে আছেন? পকেটও বেশ গরম? তেলে ঝালে না হলে খাবার কী মুখে রোচেনা? ফাস্ট ফুড খাওয়ার আকাঙ্খাও নিশ্চই তীব্র? সুখের সনাক্তকরণের চিহ্ন হিসাবে বাড়ছে ওজন? বাড়ছে ভুঁড়িও? তবে এবার একটু সতর্ক হন। দুধে ভাতে থাকার প্রমাণ দিতে গিয়ে আপনার বেড়ে চলা ওজন কিন্তু তীব্র প্রভাব ফেলতে পারে আপনার স্বাভাবিক Sex life এ।

 

Sex life এ অতিরিক্ত ওজন বাধা হয়ে দাঁড়ায়

সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণিত ওবেসিটি বা ওবেসিটি সংক্রান্ত বিষয় গুলি যৌন ক্ষমতা, যৌন ইচ্ছা মারাত্মক ভাবে কমিয়ে দেয়। ওবেসিটি নিজের সঙ্গেই ডেকে নিয়ে আসে ডায়াবেটিস, হৃৎপিণ্ডের সমস্যা, হাইপারটেনসানের মত ব্যাধি। এই অসুখ এবং অসুখ নিরাময়ের ওষুধ Sex life এ মারাত্মক প্রভাব ফেলে। সারা বিশ্বে ১.৫ বিলিয়ন মানুষ এই সমস্যায় ভোগেন।

অতিরিক্ত ওজন পুরুষত্বহীনতার কারণ হতে পারে। ওবেসিটির সঙ্গেই আসা উচ্চ কোলেস্টরল, হাইপার টেনসন, ডায়াবেটিসের মতো অসুখ শরীরের বিভিন্ন অংশের মতোই পুরুষাঙ্গেও রক্ত সঞ্চালন হ্রাস করে। ফলে সমস্যা দেখা দেয় ইরেকশনে। ওজন কমাতে সক্ষম হলেই অনেকাংশে এই সমস্যা কমে যায়।
ওবেসিটি এবং ওবেসিটির ফলে শরীরে যে সমস্যার সৃষ্টি হয় তার প্রতিষেধক ওষুধের ফলে ইজাকুলেশনে সমস্যা দেখা দেয়। ভীষণ ভাবে কমে যায় ওর্গাজাম।

 

ওবেসিটির ফলে শরীরে বিভিন্ন হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়। কমিয়ে দেয় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা। এর ফলে নারী পুরুষ নির্বিশেষে যৌন ইচ্ছা হ্রাস পায়। শরীরে অতিরিক্ত মেদ বাড়িয়ে দেয় `সেক্স হরমোন বাইন্ডিং গ্লোবুলিনস` (এসএইচবিজি)। এই এসএইচবিজি টেস্টোস্টেরনের সঙ্গে কেমিক্যাল বন্ধন গঠন করে। ফলে স্বাভাবিক Sex life এ দেহের জন্য যে পরিমাণ সেক্স হরমোন প্রয়োজন তা হ্রাস পায়। হরমোন সমস্যার জন্য অতিরিক্ত ওজনের অপ্লবয়সী ছেলেদের দেহে স্তন বৃদ্ধি হতে পারে। সমস্যা দেখা দেয় মেয়েদের ঋতু চক্রে।

অতিরিক্ত ওজন extra weight মহিলাদের ডিম্বাণু গঠন ও ফার্টিলাইজেশনে অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি করে। ওবেসিটি গর্ভপাতের একটি বড় কারণ। পুরুষদের ক্ষেত্রে এর ফল আরও মারাত্মক। ওবেসিটির ফলে নিম্ন মানের শুক্রাণু তৈরি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত ওজনের পুরুষরা স্বাভাবিক ওজনের পুরুষদের থেকে ৩৫% কম শুক্রাণু উৎপাদন করেন। ওবেসিটির ফলে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা ব্যাপক ভাবে হ্রাস পায়।
অতিরিক্ত ওজন পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে। ফলে স্বাভাবিক Sex life এ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থের সম্মুখীন হয়। সূত্র: সংবাদসংস্থা।

 

 

 

 

স্বপ্নদোষ এর শরীরের পক্ষে ভালো ও মন্দ দিকসমূহ

 

 

 

ঘুমের মধ্যে বীর্যস্থলন একটি অতি সাধারণ বিষয়৷ যা অধিকাংশ পুরুষের জীবনের যেকোন পর্যায়ে স্বপ্নদোষ এর মাধ্যমে হতে পারে।

যদিও এটা স্বাভাবিক ঘটনা৷ তবুও স্বপ্নদোষ এর কারণে পুরুষের মানসিক ও শারিরীক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। একটি গবেষণা জানা গিয়েছে, কিশোর বয়সে শারীরবৃত্তিয় হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে এই সমস্যাটি বেশি হয়৷ তবে প্রাপ্তবয়স্কদেরও স্বপ্নদোষের হার অনেক।

 

 

হস্তমৈথুন এবং স্বপ্নদোষ আনুপাতিক হারে বিপরীতমুখী। অর্থাৎ হস্তমৈথুন করলে অনেকের স্বপ্নদোষ হ্রাস পায়। তবে অতিরিক্ত হ্স্তমৈথুনের ফলেও কিছু শারিরীক, মানসিক এবং হরমোনজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়৷ যা এই ধরনের স্বপ্নদোষকে পুরুষের স্থায়ী পুরুষত্বহীনতা এবং লিঙ্গত্থান (ইরোটিক্যাল ডিসফাংশান) এর মত মারাত্মক জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে।

সাধারণত যৌনস্বপ্ন অথবা যে পুরুষ অনেকদিন যাবৎ শারিরীক মিলন করেননি কিংবা যিনি অতিরিক্ত যৌনচিন্তা করেন তাদের দোষ হয়ে থাকে।

বীর্য পুরুষের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়৷ যা পরবর্তীতে শারিরীক মিলন কিংবা হস্তমৈথুনের সময় চরম তৃপ্তির পর্যায়ে শরীরথেকে নির্গত হয়ে যায়। কিন্তু অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে টেষ্টষ্টোরেন হরমোন অধিক পরিমান (প্রয়োজনের অতিরিক্ত) বীর্য তৈরি করে এবং একই সঙ্গে স্পিংটার পেশী এবং স্নায়ু দুর্বল করে দেয়৷ যার ফলে বীর্য যৌনতন্ত্রে আটকে যায়। পরবর্তীতে আটকে থাকা বীর্য মুত্রের সঙ্গে কিংবা কোন রকম খারাপ স্বপ্ন ছাড়া ঘুমের মাঝে শুধুমাত্র বিছানার ঘর্ষনের ফলে নিজ থেকে বেরিয়ে যায়।

 

 

বীর্য আটকে থাকার কারণে এবং তা থেকে স্বপ্নদেষের সৃষ্টির কারণে ক্রমশ নিম্নের সম্যসাগুলি হতে পারে

লিঙ্গত্থান, শুক্রানুর পরিমান কমে যাওয়া।
বীর্যের পরিমান হ্রাস পাওয়া।
শারিরীক দুর্বলতা বৃদ্ধি।
অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব।
হাটু এবং অন্যান্য জোড়ার ব্যাথা।

স্বপ্নদোষ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়

# ঘুমোতে যাবার আগে মুত্রত্যাগ করে নিন। যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়৷ তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরীরকে সাহায্য করে।

# ঘুমোতে যাওয়ার আগে এককাপ ঋষি পাতা দিয়ে (Sage Leaves) লাল চা পান করলে অতিরিক্ত হস্তমৈথুনজনিত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

# অশ্বগন্ধা (Withania somnifera) স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যায় উপকার সহ সর্বোপরি যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি, হরমোন ব্যালেন্স এবং হস্তমৈথুনের ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশীশক্তি ফিরে পাওয়া ও ভিতরগত ছোট-খাট ইনজুরি সারিয়ে তুলতে পারে।

# ঘুমোনোর আগে অতিরিক্ত জল পান করবেন না। যদি সামান্য পরিমান মুত্রের লক্ষনও থাকে শুতে যাওয়ার আগে মুত্রত্যাগ করে নিন।

# রাতের খাবার খাওয়ার পর-পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষন হাটা-হাটি করুন।

# প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

 

 

 

যৌন জীবনে সুপার সেক্সের অভিজ্ঞতা পেতে কী করবেন?

 

 

 

যৌন জীবনে যৌনতা নিয়ে কথা বলতে অনেকেই ভুরু কুঁচকান, নাক সিঁটকান। কিন্তু, এটা ১০০ শতাংশ খাঁটি কথা যে, যৌনতা জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সুস্থ যৌনজীবন পালন করেন যাঁরা, সমীক্ষা বলছে তাঁরা হতাশায় কম ভোগেন। সবসময় হাসিখুশি থাকেন। এখন এই যৌন জীবনকে দুর্দান্ত করে তোলার উপায় কী? সুপার সেক্স লাইফ কারা উপভোগ করতে পারেন?

 

সমীক্ষা বলছে, যাঁরা আত্মবিশ্বাসে ভরপুর, যাঁরা নিজেদের কাজ, উপস্থিতি ও দেহ সৌন্দর্য সম্পর্কে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। তাঁদের সেই আত্মবিশ্বাস প্রতিফলিত হয় সঙ্গীর সঙ্গে যৌন মিলনের সময়েও। ফলে খুব সহজেই তাঁদের যৌন জীবন উপভোগ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু সুপার সেক্স লাইফ এনজয় করতে হলে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও অ্যাপিয়ারেন্স ছাড়াও শয্যায় কয়েকটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা জরুরি। ঠিক যেমন খেতে বসে আমরা বেশ কয়েকটি ‘ম্যানারিজম’ মেনে চলি। একইভাবে বিছানায় সঙ্গীর পাশে শুয়ে বেশ কিছু ম্যানারিজম অবশ্যই সকলের মেনে চলা উচিত। তাহলেই মিলবে বহু কাঙ্খিত সুপার সেক্স লাইফ!

 

১. মার্জিত কথাবার্তা: সারাদিনের কাজের পরে বিছানায় সঙ্গিনীকে সোহাগ করার বদলে যদি হাজারো গল্পের ভাণ্ডার খুলে বসেন তাহলে তা দুজনের কাউকেই তৃপ্তি দেবে না। ফলে দরকারি কথা অবশ্যই বলবেন, তবে তা যেন মাত্রা না ছাড়ায়।

২. অভিনয় নয়: যৌন মিলনের সময়ে নানা ভঙ্গিমা বা ‘পোজ’ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে তা যেন অভিনয় না হয়ে ওঠে এবং সঙ্গীকে বিরক্ত না করে।

৩. ভবিষ্যত নিয়ে অতিরিক্ত ভাবা: সঙ্গীর সঙ্গে একান্ত সময় না কাটিয়ে যদি ভবিষ্যতের কথা ভাবতে বসেন তাহলে মুড ও সময় দুটোই নষ্ট হবে। ফলে সে পথে না গিয়ে মুহূর্তগুলোকে উপভোগ করুন।

৪. সঙ্গীকে নিরুৎসাহিত করা: যদি আপনার সঙ্গী নিজে থেকেই উৎসাহ দেখিয়ে আপনাকে শয্যায় টেনে নিয়ে যেতে চান, তাহলে তাঁকে নিরুৎসাহিত করবেন না।

৫. উপহাস করা: মনে রাখবেন সঙ্গীকে নিয়ে নিয়ে উপহাস করতে নেই। বিশেষ করে শয্যায় ভালোবাসার মুহূর্তে তো একেবারেই নয়। তাহলেই যৌন জীবনে সুপার সেক্সের ভালো ফল আশা করা যাবে।

 

গর্ভবতী থাকাকালে স্ত্রী সহবাস করতে হয় কিভাবে?

 

 

 

যদি আপনার স্ত্রীর গর্ভবতী থাকার সময় স্বাভাবিক ভাবে চলমান থাকে তাহলে আপনি সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায়ও তার সাথে সহবাস করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না।আবার কিছু কারন আছে যার ফলে গর্ভবতী সময়ের নির্দিষ্ট কিছু সময়ব্যপ্তিতে যৌন মিলন করা থেকে বিরত থাকা জরুরি।

 

যে কারনে গর্ভকালীন সময় যৌনমিলন থেকে বিরত থাকা উচিত:-

কোন কারনে যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরন হলে:-গর্ভকালীন সময়ে অল্প কিংবা বেশি রক্তক্ষরন পরিলক্ষিত হলে শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।

প্রাক প্রসব বেদনা:- বীর্যের সংশ্চর্ষে প্রোস্টাগ্লেনডিনস্ সংকুচিত হবার সম্ভাবনা থাকে যা প্রাক-প্রসব-বেদনাকে ঝামেলাপূর্ণ করে তুলতে পারে।

জরায়ুর গলদেশে সমস্যা থাকলে:- যদি আপনার জরায়ুর মুখ অকালে খুলতে শুরু করে তাহলে শাররীক মিলন করলে রোগ সংক্রমনের সমুহ সম্ভাবনা থাকে।

 

 

গর্ভের ফুল/অমরা সমস্যায় থাকলে:- যদি গর্ভের ফুল/অমরা জরায়ুমুখ আংশিক কিংবা সম্পুর্নরূপে ঢেকে ফেলে তাহলে শাররীক মিলনের ফলে রক্তপাত এবং প্রাক প্রসব বেদনা শুরু হয়ে যেতে পারে।
যৌন-সংক্রামন ব্যাধি:- আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার যৌন-সংক্রামন ব্যাধি থাকলে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।

 

 

যদি আপনার ডাক্তার আপানাকে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলে তাহলে খুজে বের করুন ডাক্তার কি বলতে চেয়েছে? ডাক্তার কি শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলেছে নাকি যৌন উত্তেজনা/তৃপ্তি থেকে বিরত থাকতে বলেছে? আর যদি ডাক্তার বারন করে তাহলে অবশ্যই জেনে নিবেন – কত সময়ের জন্য বারন করেছেন? উদাহরন স্বরূপঃ অনেক নারীর গর্ভধারনের প্রাথমিক ধাপে (প্রথম তিনমাস সময়ে) যদি অল্প পরিমান রক্তক্ষরন হয় তাহলে ডাক্তার বলেন শেষ বার রক্তক্ষরনের পর কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময়কাল মিলন/অন্যকোন ভাবে যৌন তৃপ্তি থেকে বিরত থাকেন।

 

এক রাতের সহবাস মানেই ব্যভিচার নয়!

 

কী সেই মামলা? সূত্রের খবর, গুজরাতের পাটান জেলার এক মহিলা সম্প্রতি তাঁর স্বামীর কাছে খোরপোষ দাবি করে নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হন। মহিলা জানান, তাঁর স্বামী তাঁকে বাড়িতে থাকতে দেন না। এমনকী তাঁর নাবালক সন্তানেরও দেখভাল করেন না। কিন্তু কেন!

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মহিলা নিজেই তাঁর দীর্ঘদিনের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ও পরপুরুষের সঙ্গে অবাধ যৌনতার কথা স্বীকার করেন। এবং তার পরেই নিম্ন আদালত জানায়, স্ত্রী যে হেতু ব্যভিচারে লিপ্ত, তাই স্বামী তাঁর দেখভাল না-ও করতে পারেন।

তবে নাবালক সন্তানের দায়িত্ব বাবাকেই নিতে হবে বলে জানায় দায়রা আদালত।

 

এক রাতের সহবাস মানেই ব্যভিচার নয়। বিশেষত সেই যৌনমিলন যদি মুহূর্তের ভুলে হয়ে গিয়ে থাকে, তা হলে কখনওই তাকে পরকীয়া বলা যাবে না। বরং ‘অনিচ্ছাকৃত’ সেই ‘দুর্ঘটনা’ যদি একাধিক বারও হয়, তবুও তাকে ‘সাময়িক বিচ্যুতি’ হিসেবেই গণ্য করা উচিত। ব্যভিচার ও বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত একটি মামলায় বুধবার এমনটাই জানিয়েছে ভারতের গুজরাটের হাইকোর্ট।

 

একই সঙ্গে ওই মহিলার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়েও মতামত দেয় নিম্ন আদালত। অভিযোগকারিণীর দিকেই আঙুল তুলে সে বার আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল- ‘‘অন্য পুরুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের এই সম্পর্ক কোনও ভাবেই মুহূর্তের ভুল কিংবা সাময়িক পদস্খলন নয়। এ ক্ষেত্রে যা ঘটেছে, সবটাই পূর্বপরিকল্পিত এবং স্বেচ্ছায়। তা-ই এটা ব্যভিচার ছাড়া কিছু নয়।”

 

কিন্তু এই যৌনমিলন যদি পরিকল্পিত ভাবে না হয়? সে ক্ষেত্রে নিম্ন আদালতের বক্তব্য ছিল-একে ব্যভিচার নয়, মুহূর্তের ভুল বলেই গণ্য করা উচিত। এই রায় ও পর্যবেক্ষণকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই হাইকোর্টে আসেন ওই মহিলা। আর হাইকোর্টেরও সেই এক মত ‘দুর্বল’ মুহূর্তের সহবাস ব্যভিচার নয়।

 

 

সোমবার

যৌনমিলন দীর্ঘস্থায়ী করার উপায়

 

 

 

অনেক দম্পত্তি খুব টেনশন এ আছেন তাদের যৌন মিলন দীর্ঘক্ষণ উপভোগ করতে পারেন না বলে। যৌনতা ধরে রাখা অনেক এখন অনেক পুরুষের ক্ষেত্রেই একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়৷ যার ফলে দাম্পত্য জীবন হতে পারে এক বড় সমস্যা বহুল৷ বেশ কিছু পদক্ষেপ রয়েছে আপনারা যদি তা গ্রহন করে থাকি, আপনাকে এইসমস্ত ঝামেলা থেকে একদম মুক্তি দিতে পারে তা ৷ কিছু নিয়ম আপনাকে করে তুলতে পারে অনেক বেশি আবেগপ্রবন যখন আপনার সঙ্গীর সঙ্গে মিলিত হতে যান। হওয়ার আগে ও পরে আপনি হয়ে যাবেন আরও আকর্ষণীয়৷

 

যৌন মিলনের আগে:
শান্ত করতে হবে মন সহবাস করার আগে। মনে কোন রকমের ঋনাত্মক ভাবনা আনলে একদম চলবে না৷ শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা হল স্বল্পস্থায়ী যৌনতার একমাত্র কারণ।
শারীরিক ভাবে তৈরি করুন নিজেকে শারীরিক মিলেনর জন্য। মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমিয়ে আনুন৷ প্রয়োজনে সুস্থ এবং স্বাভাবিক নিয়মে করতে পারেন হস্তমৈথুন ৷
• নিয়মিত যৌনসঙ্গী খুঁজুন যদি সম্ভব হয় তবে। আপনার শারীরিক এবং মানসিক পরিস্থিতি সরল করতে সাহায্য করবে যদি আপনি এমনটা করেন৷ অথবা নিজের অসুবিধার কথা জানান নিজের সঙ্গীকেও ৷ তবে যদি নিয়মিত আপনি যৌনসঙ্গী বদল করে থাকেন তাহলে আপনি তার সঙ্গে খোলামেলা ভাবে অনেক আলোচনা করতে ব্যর্থ হবেন৷
• অবশ্যই কন্ডোম ব্যবহার করুন৷ আবার বেশির পুরুষের অভিযোগ করেন যে কন্ডোম ব্যবহারের ফলে তাদের আগের চেয়ে অনেক বেশি যৌন আকাঙ্খা হ্রাস হচ্ছে৷ এটি মনের ভুল ছাড়া কিছুই নয় বলে মনে করা হয়৷

 
• তামাক,মদ ও অন্যান্য ওষুধের অতিরিক্ত পতিমানের সেবন করলে দীর্ঘস্থায়ী যৌনতার ক্ষেত্রে অনেক বাধা সৃষ্টি করতে পারে৷
যৌনমিলনের সময়:
• কোন ফোর প্লে বাদ দেবেন না যৌনমিলনের আগে
• অবস্থানে পরিবর্তন করুন যত খুশি৷ নতুন কিছু করে আপনার মনোযোগকে আরও বেশি রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারেন ৷ আর অবশ্যই সঙ্গীর চাহিদার দিকে নজর দিন৷
• সঙ্গীর আধিপত্যে সহবাসের সময় লজ্জাবোধ করার কোন ধরনের কারণ নেই৷
• পরিশ্রম কম অনুভব হবে যদি আপনি ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। এর ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ যৌনমূলনের সাথে উপযুক্ত থাকবে৷
আপনারা যদি এই বিষয় গুলো অনুশরন করে থাকেন তবে আপনাদের জিবন কে করে তুলতে পারেন অনেক বেশি আনন্দময়। তাই এই মিলনের আগে আরোও ভাল করে জেনে নিন যে আপনার কি করা উচিত আর কি করা উচিত না।

 

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

মেয়েদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে কী করবেন?

 

 

 

ভালো থাকতে তো সবাই চায়।কিন্তু রোগ ব্রধির সাথে আমাদের যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয় প্রতিনিয়ত।মেয়েদের বিভিন্স্বান রকম শারিরীক সমস্স্থ্যযা থাকে। তার মধ্যে প্রধান একটি সমস্যা প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া

 

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করার জীবাণুটি হলো ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং ভাইরাস। কারণ মেয়েদের মূত্রনালী পায়ুপথের খুব কাছে এজন্য সহজেই জীবাণু প্রবেশ করতে পারে। তবে ই-কলাই নামক জীবাণু শতকরা ৭০-৮০ ভাগ প্রস্রাবের প্রদাহের কারণ বেলে মনে করা হয়। আবার অনেক সময় যৌন সঙ্গমের কারণেও জীবাণু মূত্রনালীতে প্রবেশ করতে পারে।আবার  এসব জীবাণু মূত্রনালীপথে কখন কখন মূত্রথলি ও কিডনিতে প্রবেশ করে থাকে।যা সহজেই দৈনন্দিক ও যৌন জীবনে অশান্তি সিয়ে আসে।

যার কারণে এমণ সমস্য দেখা দেয়  যেমন প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, বার বার প্রস্রাবের বেগ, ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব ইত্যাদি।উপস্বর্গ প্রস্রাবের রং ধোঁয়াটে, দুর্গন্ধযুক্ত ও পরিমাণে কম ই্ত্যাদি।এছাড়া  তলপেটে ব্যথা হতে পারে।

এই  প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া সমস্যা প্রতিরোধের উপায় কী?

আশাকরি আপনি আপনার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবেন।
আপনার যে কোন শারিরীক সমস্যার সমাধান পেতে আপনার ডাক্েতারের সাথে থাকুন।

* পানিকে করুন জীবন বন্ধু। প্রত্যেকদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। মানে আপনার উদ্দেশ্য  হবে প্রস্রাবের বেগ আন দিনের মধ্যে ২/৩ ঘন্ট অন্তর অন্তর  প্রস্রাব করতে হবে। কখনো প্রস্রাব আটকে রাখা যাবে না।এতে শরীরের ক্ষতি হয়।

* রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে প্রস্রাব করতে হবে এবং ঘুম থেকে জাগার পর ও প্রস্রাব করতে হবে।

* প্রত্যেকবার সহবাসের পর ভালো করে পানি দিয়ে ভালোভাবে প্রস্রাবের রাস্তা ধুয়ে ফেলতে হবে।

* খেয়াল রাখবেন মলত্যাগের পর শৌচকাজ সতর্কতার সাথে করবেন এবং শৌচকাজের পানি যেন প্রস্রাবের রাস্তায় না আসে।

 

 

সেক্সের পূর্বে যৌন শক্তি বাড়াবার ঔষধ সেবন কি আদেও উচিত ?

 

 

 

যৌন জীবনকে সুখি করতে কে না চায়? সবাই চায় তার সঙ্গীকে খুশি করার জন্য। কারণ সবার যৈনশক্তি একরকম নয়।কারো বেশি কারো কম। এইটা হতে পারে খাদ্য তারতম্যের কারণে বা জীনগত কারণে।

 

অনেকেই আছেন যরা বাসের পূর্বে বা শখের বসে বা মনোবলের অভাবে যৌন শক্তি বাড়ানোর ঔষধ ইয়াবা অথবা ট্যাবলেট সেবন করে।কিন্তু এগুলো না জেনে করে কারণ জনলে এগুরো সেবন করতো না। সেই সমস্ত ব্যক্তিদের জন্য একটি পরামর্শ সেক্স বাড়ানোর জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না । এই যৌন শক্তি বাড়াবার ঔষধ পুরুষ কে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয়, অনেকক্ষেত্রে জীবন হুমকির মুখে নিয়ে যায়। যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই.গবেষনায় দেখা গেছে পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে । তাই গাভীর খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন।এই সমস্ত খাদ্যে যৌনশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধগুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে । এজন্য অবশ্যই অভিঞ্জ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে পারেন । মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট কিনবেন না । যৌন বাড়ানোর কোন মন্ত্র তন্ত্র আছে বলে  বিশ্বাস করবেন না। যদি কেউ আপনাকে মন্ত্র পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়.মনে রাখবেন তারা আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। তাই যে কোন চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিযে ওষুধ খন।

 

সুস্থ্য সুন্দর জীবন কাটান। কারণ আপনাদের সুস্থ্যতাই আমাদের কাম্য।

 

 

গোপন অঙ্গের দুর্গন্ধ দূর করার কার্যকরী উপায়

 

 

 

গোপন অঙ্গের দুর্গন্ধ যেমন বিরকিত্কর তেমনি অসহ্য। কারো সাথে শেয়ার ও করা যায় না আবার ডাক্তারের কাছে যেতে লজ্জ্বা করে।বিশেষ করে গরমকালে এই সমস্যাটা একটু বেশি দেখা যায়।এই সমস্যা সবার ক্ষেত্রে না। শুধু কিছু  কিছু ব্যক্তিদের হয়ে থাকে।এই সমস্য আপনার যৌন জীবনের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলে।চলুন দেখা যাক কীভাবে এই গোপন অঙ্গের দুর্গন্ধ দূর করা যায়।

 

মানুষেরর প্রত্যেক ভাজে কম বেশি গন্ধ থাকে।যেমন বগল,পায়ের পাতা,গোপন অঙ্গে ছাাড়াও বিভিন্ন অঙ্গে। কীভাবে এই দুর্গন্ধ হয়?

*  আপনি যদি  স্বাস্থবান হয়ে থাকেন, তবে শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ঘাম জমে যাবে। সেখানে ব্যাকটেরিয়া জন্মায় এবং দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।

* তাছাড়া গোপন অঙ্গসমূহে ইস্ট বা ব্যাকটেরিয়া জনিত ইনফেকশন থেকে হতে পারে খুবই বাজে দুর্গন্ধ।

 

 

* গোপন অঙ্গসমূহ ভালভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না করা, পিরিয়ডের সময় এক প্যাড দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করা ইত্যাদি কারণেও সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ।

* আপনি যদি খুব বেশী টাইট পোশাক অনেক্পষণ ধরে পরিধান করে থাকেন তবে ঘামে দুর্গন্ধ হতে পারে। অনেকের প্রস্রাব লিক করার কারণে দুর্গন্ধ হয়।

কী করবেন?

*  সবকিছুর সর্বপ্রথম সমাধান হলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। নিজের গোপন অঙ্গের যত্ন খুব ভালোভাবে নিতে হবে। সর্বদা ভালো অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করা চেষ্ট করুন।

 

 

*  দুরন্ধ দূর করার  জন্য বাজারে পাওয়া বালো মানের গোপন অঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য বিশেষ সাবান এবং শেররের জন্য বডি স্প্রে ব্যবহার করেতে পারেন।

* গোপন অঙ্গে  অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও সুগন্ধী পাউডার ব্যবহার করুন।তবে মনে রাখবেন  দীর্ঘসময় একই স্থানে পাউডার দিয়ে রাখা ঠিক না।

* আপনার প্যানটি পরার আগে ভারোকরে পারফিউম ছিটিয়ে নিন।

* টাইট পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন।কারণ এতে ঘাম বেশি হয়। গোপন অঙ্গে  যদি দুর্গন্ধ হয় তবে ঢিলেঢালা পোশাক পরাই সবচাইতে ভালোেএতে গন্ধ বাড়তে পারে না।

* আপনার কি চুইয়ে চুইয়ে প্রশ্রাব এসে কি প্যানটি ভিজে যায়? এমন সমস্যা অনেক নারীরই থাকে। যদি তা হয় তো অবিলম্বে ডাক্তারেরপরামর্শ নিন।

* পিরিয়ডের সময় একটু বেশি পরিছন্ন থাকুন।আর ভালো কোম্পানির স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করার চেস্ট করবেন।

* আপনার গোপন অঙ্গ পরিষ্কার করতে হালকা উষ্ণ পানি ব্যবহার করুন। যতবার টয়লেট ব্যবহার করবেন, প্রতিবার ভালো করে সাবান দিয়ে পরিছন্ন হোন।

আশাকরি উপরের বিশয়গুলো একটু মেনে চললে ভারো এবং তাড়াতাড়ি ভারো ফল পাবেন।আর এরপরও যদি কোন সমস্যা থাকে তবে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান। এটা হতে পারে অন্য কোন শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত! লজ্জায় নিজের শরীরকে অবহেলা করবেন না।দেশে অনেক ভালো ভালো গাইনি ডাক্তার আছেন। জীবনকে সুখময় করতে অবশ্যই তাদের পরামর্শ নিন।

 

 

 

স্বপ্নদোষ কেন? কিভাবে হয়?

 

 

 

সাধারনত ১৩-১৯ বছর বয়সীদের মাঝে প্রায়ই সপ্নদোষ এর সমস্যা হয়ে থাকে । একে ভেজা সপ্ন বা সেক্স ড্রিম ও বলা হয়। এ ধরনের সপ্ন যৌন সম্পর্কের হতেও পারে নাও পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে ও এ সমস্যা হতে পারে।যৌন উত্তেজনা বা চরম পুলক লাভের মত সপ্নও হতে পারে।

 

 

এই সপ্নদোষ বিভিন্নমাত্রার হতে পারে। আমেরিকাতে প্রায়িই ৮৩ শতাংশ লোক এই সমস্যায় ভোগে। আমেরিকার বাইরে প্রাই ৯৮ শতাংশ রোকের মধ্যে দেখা যায়।অবিবহীতদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে .১৮ বার এ সমস্যা হয় ।কিন্তু বিবাহিতদের ক্ষেত্রে.১৫ বার এ সমস্যা দেখা দেয়।সাধারনত বয়সন্ধিকালের সময় থেকে এ সমস্যা হয়ে থাকে।দেখা যায় যে জারা সপ্নদোষে ভোগে তারা হস্তমৈথুন করে কম। কিছু রোকের ওপর গবেষনা করে দেখা গেছে যে টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে যৌন আকাঙ্খা বা সপ্নদোষ ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯০ শতাংশ হয়।অনেকের ক্ষেত্রে প্রথম বীর্যপাতের ঘটনা শুরু হয় সপ্নদোষের মাধ্যমে কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় যে বেশিরভাগই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।

 

 

মহিলাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ৫৫০০ মহিলার মধ্যে প্রায়ই ৪০ শতাংশ এ সমস্যার সম্মূখীন হয়েছেন।তবে ৮৫ শতাংশ মহিলা ২১ বছর বয়সে সপ্নদোষের শিকার হয়। অনেকেই ১৩ বছরে এ সমস্যায় পড়েন।

সাধারনত এত কোন বড়ধরনের সমস্যা হয়না বলে এটাকে খুব গূরুত্ব ও দেয়া হয়না্ ।অনেকে এর চিকিৎসা করিয়ে প্রতারিত হয়েছেন।ধঅনেকে হারবাল চিকিৎসাও করাচ্ছেন কিন্তু তা বিজ্ঞান সম্মত না হওয়ায় অনেকে পছন্দ করছেননা।

 

 

অনেক লোক একে বড় যৌনরোগ ভাবেন এবং কিছু চিকিৎসক এই সুযোগ নিয়ে ভুল চিকিৎসা দিয়ে বিপত্তি ও ডেকে আনেন।
আরও নতুন কিছু জানতে আমোদের সাথেই থাকুন। আপনার সুসাস্থই আমাদের একান্ত কাম্য।