April 17 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 17 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার

মাসিক চলাকালে স্বামী ধৈর্যধারণ করতে পারে না

 

 

প্রশ্নঃ আমার মাসিক চলা কালে স্বামী ধৈর্যধারণ করতে পারে না। তার সেক্স অত্যাধিক বেশী। আমার মাসিক চলাকালে সে বিকল্প পন্থায় কিভাবে তার সেক্স চাহিদা নিবারণ করতে পারে পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো। ধন্যবাদ। নুস…..

 

উত্তরঃ মাসিক চলা কালে ইসলামে সঙ্গম করা হারাম বিধায় আপনি বিকল্প পদ্ধতিতে আপনার স্বামীর যৌন চাহিদা নিবারণ করাতে চেয়েছেন। আপনি আপনার স্বামী যৌন চাহিদাকে গুরুত্ব দেন এবং তাকে অনেক ভালোবাসেন এই কথার দ্বারাই বুঝা যায়। আপনি চান না আপনার সাময়িক স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য তার কোন কষ্ট হউক।

স্ত্রীর মাসিক চলাকালীন বিকল্প পন্থায় সেক্স করার পদ্ধতিঃ-

প্রথম পদ্ধতিঃ স্ত্রী তার স্বামীকে লিঙ্গকে হ্যান্ডজবের মাধ্যমে বীর্যপাত করিয়ে স্বামীকে যৌন আনন্দ দিতে পারেন। এই কাজ করার পূর্বে আগের মতোই স্বামী স্ত্রী একে অপরকে আলিঙ্গণ, চুম্বনের মাধ্যমে নিজেদের মাঝে যৌন উত্তেজনা জাগিয়ে নিবে।

দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ উত্তেজিত লিঙ্গ স্ত্রীর উরুতে ঘর্ষণের মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটিয়ে স্বামী যৌন আনন্দ উপভোগ করতে পারে। এসম্পর্কে কুরআন ও হাদিসের বাণী দেখুন এখানে।

 

 

 

মাসিক হওয়ার কোনো ঔষধ আছে কি?

 

প্রশ্নঃ আমি কন্ডম ছাড়া সেক্স করেছি বীর্যপাত হল।তাই এখন আমার মাসিক হচ্ছে না।আমি কি ঔষধ খেলে মাসিক হবে।সেক্স করেছি ২৫ ডিসেম্বর মাসিকের তারিখ ১৪ জানুয়ারি,কিন্তু মাসিক হচ্ছেনা এখন আমি কি করব।মাসিক হওয়ার কোনো ঔষধ আছে কি?

 

উত্তরঃ আপনার বনর্না অনুযায়ী প্রেগন্যান্ট হয়ে গেছে|তাই আপনার মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে|প্রেগন্যান্ট হলে মাসিক বন্ধ হওয়া স্বাভাবিক|কোন মেডিসিন দিয়ে মাসিক হবে না|বেবি চেক স্ট্রিপ দিয়ে প্রেগন্যান্সি চেক করে নিন|ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন|

 

 

এম.এম.কিট ফার্মেসীতে গেলেই পাবেন। দাম ২৮০-৩০০ টাকা। নিয়মাবলী প্যাকেটের ভিতরে স্পষ্ট চিত্র সহ দেওয়া আছে।

 

নারীর জীবনে দু’তিনটে পর্বে মাসিক অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে। মেনার্কি বা মেন্সট্রয়েশন শুরুর সময়ে। এ সময় ওভারি ততটা পরিপক্ব হয়ে ওঠে না বলে তার পূর্ণ কর্মক্ষমতা দেখা যায় না। খেয়াল করে দেখবেন ডেলিভারির পর ৩-৪ মাস পিরিয়ড একটু অনিয়মিত থাকে। তবে সন্তানকে ব্রেস্ট ফিডিং করালে এ পর্ব আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ তো সবারই জানা যে মধ্য বা শেষ চল্লিশে ওভারি প্যাক আপ করার জন্য তৈরি হয়। মেনোপজের আগে তাই পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।

মাসিক ইরেগুলার বা অনিয়মিত কিনা বুঝবেন কীভাবে? উপরে উল্লেখ করা সময় ছাড়া যদি দুই পিরিয়ডের মধ্যে ৫ সপ্তাহের বেশি ব্যবধান হয় তবেই বুঝবেন সমস্যা হয়েছে। তবে জীবনে অনেক ঘটনা আছে যা যৌন হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে। তাতেও পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।

 

 

স্ট্রেস :

মানসিক চাপ রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেমকে সহজেই প্রভাবিত করে। পরীক্ষার সময় এমন হয়, খেয়াল করেছেন? পিরিয়ডে একটু গোলমাল। কখনও নিকটাত্মীয় মারা গেলে বা দারুণ অসুস্থ হলে। বাড়ি বদলালে অথবা চাকরি চেঞ্জ করলেও দেখবেন প্যাটার্নটা বদলে যায়। স্বাভাবিক সুস্থ জীবনে ফিরে গেলেই কিন্তু সব ঠিক হয়ে যায়।

বডি ওয়েট :

ওজন ধুম করে বাড়লে বা কমলে নর্মাল সাইকল ব্যাহত হয়। আগে যা শরীরের ওজন ছিল, সেখানে ফিরে গেলেও মাসিক আবার আগের মতো স্বাভাবিক হতে একটু সময় লাগে।

ডায়েট :

হঠাৎ ভেজিটেরিয়ান হয়ে গেলেন বা ক্র্যাশ ডায়েট প্রোগ্রাম শুরু করলেন। আপনি অবশ্যই সমস্যা ডেকে আনলেন। মাসিক ধুম করে বন্ধ হতে পারে কিংবা একেবারে অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।

এক্সারসাইজ :

 

 

কথা নেই বার্তা নেই, প্রচুর ব্যায়াম শুরু করে দিলেন। পিরিয়ডের যে নিয়মিত চক্র, তা বিঘিœত হতে পারে। আসলে বডি ফ্যাট হঠাৎ কমলে হরমোনে বৈষম্যের ফলে ওভারির ফাংশন পরিবর্তিত হয়।

ক্রনিক অসুখ :

কিছু অসুখ আছে যা লম্বা সময় ধরে ভোগায়। যেমন ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অ্যাজমা, টিবি বা যক্ষ্মা, ক্যান্সার। পিরিয়ড বন্ধ হয়েও যেতে পারে, কমতে তো পারেই।

ড্রাগ :

অনেক ওষুধ রয়েছে যা নর্মাল পিরিয়ডকে ব্যাহত করে। যেমন অ্যান্টি-ডিপ্রেসান্ট। লিভারে প্রতিক্রিয়ার জন্য হরমোন লেভেলে রদবদল হয়। যেসব কন্ট্রাসেপটিভে প্রজেস্টোরেন রয়েছে তা থেকেও কিন্তু মাসিক অনিয়মিত হতে পারে। পিরিয়ড বন্ধও হয়ে যায় অনেক সময়।

মনে রাখতে হবে হরমোনের ভারসাম্যের জন্যও কিন্তু ওভ্যুলেশন ডিসঅর্ডার দেখা দিতে পারে।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম :

ওভ্যুলেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ডিম্বাণু আদৌ ম্যাচিওর করে না। আসলে এসব মহিলার একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্নে এগ বা ডিম্বাণু তৈরি হয় না। পলিসিস্টিক কেন? একটা আলট্রাসাউন্ড করলেই দেখা যাবে ওভারিকে ঘিরে রেখেছে অসংখ্য ফলিকল বা সিস্ট। ঠিক যেন মুক্তোর মালার মতো। ডিম্বাণুর অনিয়মিত বৃদ্ধির জন্যই মাসিক বিঘ্নিত হয়। সময়ের ঠিক থাকে না, কবে হবে জানাও যায় না। এরা ওভারওয়েট। ব্রণ থাকবে, তৈলাক্ত ত্বক, মাথার চুলও কমবে। শরীর বেশ রোমশ হয়ে যায়। ওভারিতে হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট হয়, পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজনের মাত্রা বাড়ে। তাই যত বিভ্রাট।

হাইপারপ্রোল্যাকটিনিমিয়া :

চাইল্ডবার্থের পর পিটুইটরি গ্ল্যান্ড তৈরি করে প্রোল্যাকটিন। উদ্দেশ্য মিল্ক সিক্রিশন বাড়ানো। ব্রেস্ট ফিড করান না এমন মহিলার যদি প্রোল্যাকটিন বেড়ে যায়, তাহলে পিরিয়ড বিঘ্নিত হবে। বুকে দুধও অস্বাভাবিকভাবে তৈরি হয়। এসব মহিলার পিটুইটারিতে ছোট বিনাইন টিউমার থাকাও অসম্ভব নয়। তাতে মাথাব্যথা হবে, চোখে দেখার সমস্যাও হতে পারে।

প্রি-ম্যাচিওর মেনোপজ :

৪৫ থেকে ৫০, এটাই মেনোপজের গড় বয়স। ১ থেকে ২% মহিলার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক তাড়াতাড়ি ঘটতে পারে। এরা অসুস্থ, এমনটা ভাবার কারণ নেই। এরা আসলে ওভারিতে কম সংখ্যক এগ নিয়ে জন্মান। তবে ক্রোমোজমে বৈষম্য, ইনফেকশন, সিস্ট/টিউমার, সার্জারি, রেডিয়েশন অথবা কেমোথেরাপিতে ওভারিয়ান ফেলিওর ত্বরান্বিত হয়।

হেভি অথবা অনিয়মিত মাসিক কিন্তু আপনার ওয়েক-আপ কল। দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য নিন। সঙ্গে ওবেসিটি, অস্বাভাবিক হেয়ার গ্রোথ, মিল্ক সিক্রিশন বা মাথা ব্যথা হলে একদম দেরি না। ওভ্যুলেশন প্রবলেম থাকলে যে নারী কনসিভ করার চেষ্টা করছেন, তাকে তো অবিলম্বে পরামর্শ নিতেই হবে।
লেখক পরিচিতি

প্রখ্যাত প্রজনন বিশেষজ্ঞ ও গাইনোকোলজিক্যাল এন্ডোস্কোপিক সার্জন। ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টে দক্ষতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

 

ছোট আকারের পুরুষাঙ্গ সুদৃঢ় হলে কি অনেক বেশি দীর্ঘ হয়?

 

 

 

প্রশ্নঃ ছোট আকারের পুরুষাঙ্গ সুদৃঢ় হলে অনেক বেশি দীর্ঘ হয়

উত্তরঃ ছোট আকারের পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য উত্তেজিত অবস্থায় অনেক বেশি বেশি বেড়ে যায়। ২,৭৭০ জন পুরুষের লিঙ্গের আকারের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে ছোট আকারের পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত অবস্থায় ৮৬% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, যা বড় আকারের পুরুষাঙ্গের আকার বৃদ্ধির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ (বড় আকারের পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত অবস্থায় ৪৭% বাড়ে)।

 

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে উত্তেজিত অবস্থায় দুজন পুরুষের লিঙ্গের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য অনুত্তেজিত অবস্থায় তাদের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যের চাইতে কম হয়। অতএব দেখা যাচ্ছে যে উত্তেজিত অবস্থায় যদি পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্যের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য না থাকে তার মানে হচ্ছে অনুত্তেজিত অবস্থায় যেগুলোর আকার ছোট সেগুলো উত্তেজিত অবস্থায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।

 

পুরুষাঙ্গ বিষয়ক কিছু অজানা তথ্যঃ

পেনিস বিষয়ক অনেকের অনেক রকম ধারনা রযেছে।তার ভিতর কোনটা জানেন, কোনটা জানেন না, কোনটা সঠিক, কোনটা সঠিক না তার পূনাঙ্গ ধারণা দিতে আমাদের আজকের এই পোষ্ট।
১। স্বাভাবিকভাবে পেনিসের দৈর্ঘ্য ৫.১ থেকে ৫.৯ ইঞ্চি হয়ে থাকে।
২। অনেকে মনে করেন পেনিস বড় হলে স্ত্রীকে বেশি আনন্দ দেওয়া যায়, আসলে তা সম্পূর্ণ ঠিক নয়। এক্ষেত্রে দেখতে হবে আপনার স্থায়িত্ব কত মিনিট। স্বভাবিকভাবে স্থায়িত্ব ৭ থেকে ১০ মিনিট হয়ে থাকে।

৩। প্রাকৃতভাবে পুরুষাঙ্গ একেবারে সোজা হয় না।একদিকে একটু বাঁকা থাকবে।
৪। অনেকে মনে করেন পেনিসের আগা মোট গোড়া চিকন বড় ধরণের সমস্যা। আসলে এটা তেমন কোন সমস্যা না।
৫। মনে রাখবেন পেনিস বড় করার জন্য কোন জাদুকরী তেল বা ঝাড় ফু একদম বানোয়াট।ককনো এমন ফাঁদে পড়বেন না।

সেক্স করতে পেনিস ভ্যাজাইনার কোথায় ঢোকাতে হবে? উপরে নিচে না মাঝ বরাবর এই ধরণের আরো কছিু প্রশ্ন ও উত্তর

 

 

 

নারীদের এই আচরণ বলে দিবে সে আপনার সাথে গোপন কাজ করতে আগ্রহি কিনা…

 

 

সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স নামের জার্নালের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, ডেট করার সময় নারীরা যতটুকু অনুভব করেন ততটা বোঝাতে চান না৷ কিন্তু সঙ্গী পুরুষটি ঠিকই টের পেয়ে যান।

দশকের পর দশক ধরে বিজ্ঞানের বেশকিছু গবেষণার ওপর ভিত্তি করে একটা ধারণা চলে আসছে যে, পুরুষরা নারীদের ইচ্ছা ও যৌন আগ্রহ ঠিকঠাক বুঝতে পারে না। নারীদের প্লেটোনিক আগ্রহকে পুরুষরা অনেক সময়ই যৌনাকাঙ্ক্ষা ভেবে ভুল করেন, যে কারণে ডেট করতে গিয়ে হিতে-বিপরীত হয়।

 

 

২০০৮ সালে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি রিভিউতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পুরুষরা বিপরীত লিঙ্গের আগ্রহকে মাত্রাতিরিক্ত ভেবে বসেন। এর ফলে কখনও কখনও শারীরিক সম্পর্কে যাওয়ার তাড়া দেওয়া সহ জোর জবরদস্তি করে বসেন তারা। ভুল বোঝাবুঝি ও তিক্ততায় পর্যবসিত হয় পুরো ব্যাপারটা।

 

 

সাম্প্রতিক এই গবেষণাটিতে মনোবিদ টেক্সাস ইউনিভার্সিটির ক্যারিন পেরিলাক্স এবং ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার রবার্ট কুরজবান মতামত দেন যে, এতদিন পুরুষদের বোঝার অক্ষমতা নিয়ে অতিরঞ্জন করা হয়েছে। তাদের মতে, নারীরা তাদের যৌনাকাঙ্ক্ষা কম বোঝান।

এর কারণ হতে পারে, হয় তারা নিজেদের প্রকৃত ইচ্ছা ঠিকমত বুঝতেই পারেন না, নয়তো অন্যরা তাদের সম্পর্কে কীভাবে ভাববেন তা নিয়ন্ত্রণ করতে চান।

গবেষকরা বিশ্বাস করেন যে, মানুষ সাধারণত সামাজিক লেনদেন করতে গিয়ে যতটুকু আন্দাজ করার দরকার তা যথেষ্ট ভালোভাবেই করতে পারে। তারা দু’জন ৩টি সিরিজে এই গবেষণা করে দেখেন যে পুরুষরা প্রায়ই আন্দাজ করে ফেলেন নারীদের যৌন আগ্রহ কতটুকু।

প্রাথমিক পর্যায়ে, স্বাভাবিকভাবে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ আছে এমন ২৭১ জন পুরুষ এবং ২১৩ জন মহিলার ওপর অনলাইনে এই সমীক্ষা করা হয়। সেখানে তাদের কাছ থেকে ডেটিং-এর কিছু সাধারণ আচার-আচরণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়- ‘হাত ধরা’, ‘সাজগোজ’, ‘গোলাপ ফুল পাঠানো’, ‘ডিনার বানানো’, ‘অ্যাপার্টমেন্টে একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করা’ এরকম ১৫টি আচরণ।

 

 

 

রবিবার

হস্তমৈথুনের সময় মাঝপথে বীর্য আটকালে কি ক্ষতির সম্ভাবনা আছে?

হস্তমৈথুনকালে বীর্য আটকালে ক্ষতিকি ?

জনপ্রিয় অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টাল আপনার ডক্টরের এই পোষ্টটি করা আপনাদের অনুরোধে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রিয় পাঠক তিনি আপনার ডক্টরের মেইলে মেইল করে প্রশ্ন করেছেন যে, হস্তমৈথুনের সময় মাঝপথে বীর্য আটকালে কি ক্ষতির সম্ভাবনা আছে?জনপ্রিয় অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টাল আপনার ডক্টর সেই প্রশ্নের আলোকে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে। চলুন হস্তমৈথুনের সময় মাঝপথে বীর্য আটকালে কোন ক্ষতির সম্ভাবনা আছে কিনা জানা যাক।

 

পাঠক প্রশ্ন: হস্তমৈথুনের সময় মাঝপথে বীর্য আটকালে কি ক্ষতির সম্ভাবনা আছে?
আপনার ডক্টরের উত্তর: যদি মাঝপথে (যখন মনে হবে আর একটু হস্তমৈথুন করলেই বীর্যপাত হবে) বীর্য আটকাতে সক্ষম হও, আটকাও; কোন ক্ষতি হবেনা। তবে বীর্য বের হবার মুহূর্তে যৌনাঙ্গে বা পেরিনিয়ামে (অণ্ডথলী ও মলদ্বারের মধ্যিখানের অঞ্চল) চাপ দিয়ে বীর্যস্খলন আটকাতে যেওনা, তাতে রেট্রোগ্রেড বীর্যস্খলন (বীর্য বের না হয়ে মূত্রথলীতে প্রবেশ করে) হতে পারে।

 

 

আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

 

হস্তমৈথুনকালে যৌন উত্তেজনা আসলেও লিঙ্গ শক্ত বা সহজে উত্থিত হয় না

হস্তমৈথুনকালে  লিঙ্গ শক্ত হয় না

আজকে আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টাল যে বিষয়ের উপর আলোচনা করবে সেই বিষয়টি অত্যন্দ গুরুত্বপূর্ণ, বিষয়টি নিয়ে আমাদের পেজে অনেকেই ম্যাসেজ দিয়েছে।বিষয়টি হলো হস্তমৈথুনকালে যৌন উত্তেজনা আসলেও লিঙ্গ শক্ত বা সহজে উত্থিত হয় না। আসেল এটি উত্তেজনাকালে লিঙ্গ শক্ত বা উথিত না হওয়া বেশ জটিল একটি সমস্যা। চলুন বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।

 

প্রশ্নঃ আগে যখন আমি হস্তমৈথুন করতাম তখন আমার আলাদা করে লিঙ্গ শক্ত বা উত্তেজিত করার প্রয়োজন পড়ত না। লিঙ্গ নিজে নিজে প্রচণ্ড শক্ত এবং উত্তেজিত হয়ে থাকত। আমি শুধু বাথরুমে গিয়ে বা আমার বেড রুমে বসে বা অন্য কোন comfortable place -এ গিয়ে হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত করতাম। কিন্তু এখন প্রায় দেখা যায় আমার মানসিকভাবে খুব যৌন উত্তেজনা আসে কিন্তু লিঙ্গে শক্ত বাব আসে না। লিঙ্গ শক্ত বা উত্তেজিত করতে হলে হাত দিয়ে নাড়তে হয়। এরকম কেন হচ্ছে? তাঁর মানে কি আমার কোন sexual problem হচ্ছে? আর লিঙ্গ যদি নিজে নিজে উত্তেজিত না হয় তাইলে তখন কি আমি হস্তমৈথুন করব ? কিন্তু সেই সময় আমি মানসিকভাবে খুব উত্তেজিত হয়ে থাকি এবং বীর্যপাত না করা পর্যন্ত কোন কাজে মন বসে না। আমার কি কোন doctor দেখান উচিত? Doctor দেখালে কোন doctor এর কাছে যাওয়া উচিত?

 

উঃ মনে হয় না আপনার কোন শারীরিক সমস্যা রয়েছে। শারীরিক সমস্যা থাকলে লিঙ্গ শক্ত বা একেবারেই উত্তেজিত হত না। যেহেতু হাত দিয়ে নাড়লেই আপনার পেনিস উত্থিত হয়ে যায় তাই চিন্তার কোন কারণ নেই এবং এই মুহূর্তে ডাক্তারের কাছে না গেলেও চলতে পারে। বয়ঃসন্ধির সময় সাধারণত সব ছেলেদেরই যৌনতৃষ্ণা খুব বেশি থাকে। ওই বয়সে সামান্য কারণেই খুব বেশি যৌন উত্তেজনা হয় এবং অতি সহজেই লিঙ্গ শক্ত বা উত্থিত হয়ে যায়। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে যৌনচিন্তা ও উত্তেজনা অনেকটা গা-সওয়া হয়ে যেতে পারে এবং উত্তেজনার থ্রেশোল্ড বেড়ে যায়। কাজেই আগে কি হত সেটার সাথে এখনকার তুলনা করবেননা।

 

পর্নোগ্রাফি দেখার সময় বা যৌন উত্তেজক গল্প পড়ার সময় কি আপনার লিঙ্গ উত্থিত হয়? মানসিকভাবে উত্তেজনা আসে কথাটির অর্থ কি? সম্ভবত আপনি হস্তমৈথুন করাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। তাই যেটাকে আপনিযৌন উত্তেজনা ভাবছেন সেটা হয়ত ঠিক উত্তেজনা নয়, নেশা। আপনি লিখেছেন যে বীর্যপাত না করা পর্যন্ত কোন কাজে মন বসে না। এই কথা থেকে প্রমান হয় যে হস্তমৈথুন প্রকৃতপক্ষেই আপনার নেশা হয়ে গেছে। অনেকটা সিগারেটের প্রতি নেশার মত, যতক্ষণ সিগারেট না খাওয়া হচ্ছে ততক্ষণ অন্য কোন কাজে মনোনিবেশ করতে অসুবিধা হয়। কাজেই যৌনতা ও যৌন উত্তেজনা নিয়ে এই মুহূর্তে খুব বেশি মাথা ঘামানো আপনার অনুচিৎ। সৃষ্টিশীল কাজে মন দিন, নিয়মিত শারীরিক কসরৎ বা এক্সারসাইজ করুন। জীবনে সেক্স ছাড়াও উপভোগ করার মত অনেক বস্তু রয়েছে, সেগুলো করুন। যখন লিঙ্গ শক্ত বা উত্তেজিত হবে কেবল তখনই হস্তমৈথুন করুন। বীর্যপাত না করা পর্যন্ত মন উসখুস করলে একটু বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মারুন বা একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসুন বা খানিক এক্সারসাইজ করুন। যাইহোক এই মুহূর্তে দুঃশ্চিন্তা ছেড়ে দদিন। বান্ধবী বা স্ত্রীর সাহচর্যের সময়ও যদি লিঙ্গ শক্ত বা উত্তেজিত না হয় তখন ডাক্তার দেখাবেন।

 

 

হস্তমৈথুন কি বীর্য পাতলা ও স্বপ্নদোষের কারণ ?

 

 

পুরূষের হস্তমৈথুনের সাধারন পদ্ধতি হল – লিঙ্গ হাতের মুঠোয় নিয়ে সামনে ও পিছনে সজোরে সন্চালন করা । ফলে হাতের আঙ্গুলের সাহায্যে লিঙ্গের মুন্ডে চাপ কমে ও বাড়ে ।
সেই সঙ্গে লিঙ্গকে মাঝখানে রেখে উরূদুটি সামনে ও পিছনে রগরানো । কখনো বালিশে, গোটানো বেডশিটে, তোশকে বা এ জাতীয় কোন বস্তুতে, তীব্র জলের ধারা দিয়েও হস্তমৈথুন করে থাকে অনেকেই । বর্তমানে অনেকেই কৃত্রিম পুতুলও ব্যাহার করে থাকে ।
তবে আধুনিক কালে বৈদ্যুতিক শক দিয়েও হস্তমৈথুন করে অনেকেই । এটা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর । লিঙ্গের নার্ভের সঙ্গে একটানা ঘর্ষণের ফলে তা দেহের অন্যান্য অংশের মতই অনূভূতি শূন্য হয়ে যায় ।

 

হস্তমৈথুনের পদ্ধতি কি কি ?
বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে নিয়মিত মিলনের ফলে বারবার বীর্যপাত ঘটে । একারনে অতিরিক্ত বীর্য বীর্য থলিতে জমতে পারে না ।স্বপ্নদোষ বন্ধ হয়ে যাওয়ার এটাই কারণ ।

 

 

আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

সূত্র: বিস্ময়.কম

 

 

 

হস্তমৈথুনের কারণে কি লিঙ্গ সরু হয়?

 

 

 

আত্মমৈথুন, স্বমেহন, হস্তমৈথুন বা স্বকাম একটি যৌনক্রিয়া যাতে একজন ব্যক্তি নিজের যৌনাঙ্গ বা অন্যান্য কামোদ্দীপক অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে হাত বা অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা বস্তু দ্বারা আলোড়ন করে কামোদ্দীপ্ত হওয়া বা বিশেষ করে রাগমোচনে(orgasm, অর্থাৎ কামোদ্দীপনার চরম পর্যায়) পৌছানোকে হস্তমৈথুন বোঝায়। মানুষ ছাড়াও নানা বন্য ও গৃহপালিত পশু স্বমেহন করে থাকে। স্বমেহন বা হস্তমৈথুন মূলত স্বকাম ; তবে এতে মানুষ স্বীয় হাত-আঙ্গুলি ছাড়াও যৌনখেলনা যেমনকৃত্রিম যোনি বা কৃত্রিম শিশ্ন ব্যবহার করে থাকে।

পুরুষের হস্তমৈথুন

সচরাচর স্বীয় শিশ্ন হাতের মুঠিতে আঁকড়ে ধরে ওপর-নিচ ওঠানামা করে পুরুষ মানুষ স্বমেহন বা হস্তমৈথুনে লিপ্ত হয়।হস্তমৈথুনে এক পর্যায়ে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছে এবং বীর্যপাত হয়ে রাগমোচন অর্থাৎ চরমানন্দ লাভ হয়।

 

 

নারীর হস্তমৈথুন বা স্বমেহন

নারীর স্বমেহনের কৌশলের মধ্যে রয়েছে ভালভা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঘর্ষণ করা, বিশেষ করে ভগাঙ্কুরে। এই ঘর্ষণ হতে পারে তার অনামিকা বা মধ্যমা আঙুলের দ্বারা। কিছুক্ষেত্রে জি-স্পটে ঘর্ষণ সৃষ্টির জন্য যোনিপথে এক বা একাধিক আঙুল প্রবেশ করানো হয়। অনেক নারী হস্তমৈথুন বা স্বমেহনের সময় অপর হাতের দ্বারা নিজেদের স্তন ও স্তনবৃন্তে হাত বুলাতে পছন্দ করেন। কারণ এটি যৌন উত্তেজক অঙ্গ ও উত্তেজনা সৃষ্টিতে এর ভূমিকার রয়েছে। আবার কেউ কেউ পায়ু উত্তেজনাও উপভোগ করেন। হস্তমৈথুন বা স্বমেহনের জন্য যোনিপথ পিচ্ছিল করতে অনেকে বাড়তি লুব্রিকেটিং বা তৈলাক্ত পদার্থ ব্যবহার করেন, বিশেষ করে যখন কোনো কিছু প্রবেশ করানো প্রয়োজন হয়। কিন্তু এটির ব্যবহার সকল স্থানে প্রচলিত নয়। অনেক নারী তাঁদের নিজেদের প্রাকৃতিক লুব্রিকেশনকেই যথেষ্ট বলে মনে করেন।
নারীরা প্রধানত যোনি অভ্যন্তরস্থ ভগাঙ্কুর আঙ্গুলের সাহায্যে নাড়াচাড়া করে কামোত্তেজনা প্রশমিত করে থাকে। তবে এতে পুরুষের বীর্যপাতের ন্যায় কোনও চরম ঘটনা ঘটে না। প্রচীনকালে নারী স্বমেহনের জন্য পোড়ামাটির লিঙ্গ ব্যবহার করতো বলে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। আধুনিক কালে হস্তমৈথুনের বা স্বমেহনের সময় যোনি ও ভগাঙ্কুরকে উত্তেজিত করে তুলতে বিভিন্ন কৃত্রিম বস্তুর সাহায্য নেওয়া হতে পারে যেমন কম্পক দণ্ড (ভাইব্রেটর), কৃত্রিম শিশ্ন (ডিলডো) এবং বেন ওয়া বল।

 

পারস্পরিক হস্তমৈথুন কি?

দুজন পুরুষ একে অন্যের লিঙ্গ নাড়াচাড়া করে বীর্যপাত করিয়ে দিলে একে বলা হয় পারস্পরিক স্বমেহন। তেমনি দুজন নারী পরস্পরের যোনিতে হাত তথা অঙ্গুলি চালনা করে রাগমোচন করলে তাও হবে পারস্পরিক স্বমেহন। আবার একজন পুরুষ এবং একজন নারী একে অন্যের যোনি ও লিঙ্গ নাড়াচাড়া করে যথাক্রমে রাগমোচন ও বীর্যপাত করতে সাহায্য করলে তাকেও পারস্পরিক হস্ত মৈথুন বা স্বমেহন বলা হয়ে থাকে। যদিও পুরুষ ও নারীর পারস্পরিক স্বমেহন কিছুটা বিরল ঘটনা। কারণ পুরুষ ও নারী যেহেতু স্বাভাবিকভাবে পরস্পর মৈথুন করতে পারে, তাই তাদের মধ্যে পারস্পরিক স্বমেহন তখনই সম্ভব যখন তারা তাদের রতিক্রিয়াকে একটু অন্যরকমভাবে উপভোগ করতে ইচ্ছুক হয়। পারস্পরিক স্বমেহনে যেহেতু দুজন মানুষের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া হয়ে থাকে তাই একে আর স্বকাম বা আত্মকাম বলা চলে না। কিন্তু পারস্পরিক স্বমেহন আত্মরতির থেকে বেশি সুখদায়ক আবার মৈথুনের থেকে কম সুখদায়ক বলে মনে করা হয়।

 

 

ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে হস্তমৈথুন:

বিশ্বজুড়ে প্রাকঐতিহাসিক যুগের বহু শিলাচিত্রে পুরুষের স্বমেহন করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ থেকে ধারণা করার হয়, অপ্রাকৃতিক যৌন আচরণের সাথে মানুষের পরিচয় প্রাচীন যুগ থেকেই। মাল্টা দ্বীপের এক মন্দির সংলগ্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত, খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় চতুর্থ শতকে নির্মিত একটি মাটির ভাস্কর্যে একজন নারীর হস্তমৈথুরত সময়ের চিত্রও পাওয়া গেছে।তদুপরি, প্রাচীন যুগে মূলত পুরুষের স্বমেহনের প্রমাণই বেশি পাওয়া যায়। তাই ধারণা করা হয় সে সময় এটিই বেশি প্রচলিত ছিলো।

 

প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রাচীন সুমেরীয়দের যৌনতার বিষয়ে শিথিল ধ্যানধারণা পোষণ করতো, এবং স্বমেহন সেখানে সক্ষমতা তৈরির একটি উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি একাকী বা সঙ্গীর সাথে উভয়ভাবেই সম্পন্ন হতো।
প্রাচীন মিশরে পুরুষের স্বমেহন আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হতো। যখন কোনো দেবতার দ্বারা স্বমেহন সংঘটিত হতো, তখন তা অনেক বেশি সৃষ্টিশীল ও জাদুকরী কাজ হিসেবে বিবেচিত হতো। বিশ্বাস করা হতো মিশরীয় দেবতা আতুম স্বমেহনের মাধ্যমে হওয়া বীর্যপাতের দ্বারা এই বিশ্বজগত সৃস্টি করেছেন, এবং সেই সাথে নীল নদের পানি প্রবাহও তার বীর্যপাতের হার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এর সূত্র ধরেই মিশরীয় ফারাওদেরও আনুষ্ঠানিকভাবে নীল নদে স্বমেহন করতে হতো।

 

প্রশ্ন: আমি বেশি বেশি হস্থমৈথুন করতাম। কিন্তু ইদানিং মনে হচ্ছে আমার লিঙ্গ ছোট এবং চিকন। এ অবস্থায় আমি কি করতে পারি। তবে সাধারন অবস্থায় বেশি ছোট মনে হয়। উত্তেজিত হলে ঠিক আছে মনে হয়। কিভাবে আমি এ সমস্যা থেকে সমাধান পেতে পারি জানাবেন।
আপনার ডক্টরের উত্তর: আপনার কোন সমস্যাই নেই তো তার সমাধান কোথা থেকে থাকবে! হস্তমৈথুনের ফলে লিঙ্গ সরু বা চিকন হয় না। সাধারণ অনুত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের আকার ছোট বড় হতে পারে। সেটা পুরোপুরি জিনগত, আপনার কিচ্ছু করার নেই। যেহেতু আপনি উল্লেখ করেছেন যে উত্তেজিত হলে ঠিক আছে মনে হয়, তাই আমি বলব লিঙ্গের আকার নিয়ে ভাবনা পরিত্যাগ করুন। আপনার জানার জন্য বলছি যে উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ মানুষের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য গড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি পরিমান হয়। তবে ব্যাক্তিবিশেষের উপর নির্ভর করে এই মান ৪ ইঞ্চিও হতে পারে। এখানে উল্লেখ্য যে অনুত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্যের উপর উত্তেজিত দৈর্ঘ্য কখনোই নির্ভর করেনা। আরও একটি কথা বলা প্রয়োজন যে, ব্যাক্তির শরীরের বা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের দৈর্ঘ্যের উপরেও উত্তেজিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য নির্ভর করেনা।লিঙ্গের গড় পরিধি প্রায় ৪.৮ ইঞ্চি মত। লিঙ্গের আকার আয়তন নিয়ে বেশি মাথা না ঘামিয়ে অন্য কাজে মন দাও। আদর করার সময় তোমার সঙ্গিনীর তৃপ্তি শুধু লিঙ্গের সাইজের উপর নির্ভর করে না, তোমার আদর করার পদ্ধতির উপর করে। আবারও বলছি লিঙ্গের দৈর্ঘ্য প্রস্থ হস্তমৈথুনের ফলে পরিবর্তিত হয় না। তবে তাই বলে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন কখনো করবে না। তাতে একাধিক ক্ষতি সাধিত হয়। পরিমতি মাত্রায় হস্তমৈথুন কর।

 

 

বিছানায় ঘষে ঘষে হস্তমৈথুন করা কি ক্ষতিকর?

 

 

প্রশ্ন ৩ঃ আমার নাম রসিক, বয়স ২১। আমি অনেক আগে থেকেই হস্তমৈথুন করি। বলতে গেলে অনেক ছোট থেকে না বুঝেই এই জিনিসটা করতাম। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে আমি একটা সমস্যায় আছ। লজ্জায় ডাক্তারের কাছেও যেতে পারছি না। আমি যখন আমার গার্লফ্রেন্ডকে ধরে বসি বা ওর সাথে ফোনে সেক্স সংক্রান্ত কথা বলি তখন আমার পেনিস দিয়ে কাম রস বের হয় যা মাঝে মাঝে খুব বিরক্তিকর হয়ে যায়। তার থেকেও বড় সমস্যা হল আমি যখন হস্তমৈথুন করি তখন ২/১ মিনিটের মধ্যেই আমার বীর্যপাত হয়ে যায়। আমার পেনিস যখন উত্তেজিত হয় তখন এর মাথায় যে মোটা অংশ থাকে ওইটা কেমন যেন নরম থাকে বাকিটা অনেক শক্ত থাকে। আমি আর একটা জিনিস খেয়াল করেছি আমার পেনিসের মাথাটা আগে গোলাপি ছিল কিন্তু এখন সেটা কালচে কালচে হয়ে গেছে। আমি ছোটথেকে বিছানায় উপুর হয়ে শুয়ে আমার পেনিস বিছানায় ঘষে হস্তমৈথুন করতাম। ভাই খুব টেনসন এ আছি আমি কি আবার আগের মত সুস্থ হতে পারব? এই অবস্থায় আমি কি করতে পারি??

 

উত্তরঃ আপনার কোন অসুখই হয়নি, তাই সুস্থ হবার প্রশ্নই আসেনা। আপনি যেসমস্ত লক্ষণগুলির কথা লিখেছেন সবই একজন সুস্থ পুরুষ মানুষের হয়ে থাকে। কাজেই অযথা টেন্সন করবেন না। যৌন উত্তেজনা হলে পুরুষাঙ্গ থেকে কামরস বের হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা। কামরস যৌনাঙ্গকে যৌন সঙ্গমের জন্য তৈরি করে। আপনার ভাল লাগুক আর না লাগুক, কামরস বের হবেই। সুতির অন্তর্বাস ব্যবহার করুন যাতে কামরস বের হলেও তা ওই অন্তর্বাসে শোষিত হয়ে যায়। তাতে আপনার অস্বস্তি কম অনুভব হবে।

 

হস্তমৈথুনের সময় অনেকেরই ১ – ২ মিনিটের মধ্যেই বীর্যপাত হয়। চিন্তা করবেন না। আপনার গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রীর সাথে কিছুদিন সঙ্গম করলেই বুঝে যাবেন কিভাবে বীর্যপার বিলম্বিত করা সম্ভব। তবে এখন থেকে নিয়মিত কেগেল এক্সারসাইজ করুন এবং হস্তমৈথুনের সময় স্টার্ট-স্টপ টেকনিক ব্যবহার করুন। এই দুটি বিষয় সম্মন্ধে বিস্তারিত জানতে হলে

 

 

আপনি কি circumcision (সুন্নৎ) করেছেন? তাহলে লিঙ্গমুন্ডের রঙ সময়ের সাথে কালচে হয়ে যেতে পারে। কিন্তু এটা কোন চিন্তার বিষয় নয়। অনেকেই বিছানায় উপুর হয়ে শুয়ে বিছানায় ঘষে ঘষে হস্তমৈথুন করে। তাতে বিশেষ কোন ক্ষতি হয়না। কেবল খেয়াল রাখবেন লিঙ্গে যেন খুব বেশি চাপ না পড়ে। শুভেচ্ছা রইল। অহেতুক চিন্তা করবেন না।