2017 at 09:35PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 09:35PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার

পিরিয়ড চলাকালে গোপন অঙ্গের দুর্গন্ধ দূর করার ১২টি কার্যকরী উপায়!

 

 

রজঃস্রাব (ইংরেজি: Menstruation) বা পিরিয়ড হলো উচ্চতর প্রাইমেট বর্গের স্তন্যপায়ী স্তরী- একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যা প্রজননের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতি মাসে পিরিয়ড হয় বলে এটিকে বাংলায় সচরাচর মাসিক বলেও অভিহিত করা হয়।পিরিয়ডের সময় অথ্যাৎ প্রজননের উদ্দেশ্যে নারীর ডিম্বাশয়ে ডিম্বস্ফোটন হয় এবং তা ফ্যালোপিয়ন টিউব দিয়ে জরায়ুতে চলে আসে এবং ৩-৪ দিন অবস্থান করে। এ সময় যদি পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলনের মাধ্যমে নারীর জরায়ুতে শুক্র না-আসে এবং এই না-আসার কারণে যদি ডিম্ব নিষিক্ত না হয় তবে তা নষ্ট হয়ে যায় এবং জরায়ুগাত্রের অভ্যন্তরতম সরস স্তর(এন্ডমেট্রিয়াম) ভেঙ্গে পড়ে। এই ভগ্ন ঝিল্লি, সঙ্গের শ্লেষ্মা ও এর রক্ত বাহ থেকে উৎপাদিত রক্তপাত সব মিশে তৈরী তরল এবং তার সংগে এর তঞ্চিত এবং অর্ধ-তঞ্চিত মিশ্রণ কয়েক দিন ধরে লাগাতার যোনিপথে নির্গত হয়। এই ক্ষরণই রজঃস্রাব বা রক্তস্রাব বা পিরিয়ড । কখনো একে হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। যদি নারী জরায়ুতে অবমুক্ত ডিম্বটি পুরুষের স্খলিত শুক্র দ্বারা নিষিক্ত হয়ে এণ্ডোমেট্রিয়ামে প্রোথিত (ইম্প্ল্যান্টেশন) হয় তবে আর রজঃস্রাব বা পিরিয়ড হয় না। তাই মাসিক রজঃস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া নারীর গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে শরীরে বাজে দুর্গন্ধের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। পিরিয়ড চলাকালে এই গন্ধ এতটাই তীব্র হয়ে থাকে যে অনেক নারীর ক্ষেত্রেই ব্যাপারটি মারাত্মক বিব্রতকর হয়ে দাঁড়ায়? চলুন, আজ জেনে নিই পিরিয়ডের দুর্গন্ধ দূর করার ব্যাপারে কিছু বিস্তারিত পরামর্শ।
১) পিরিয়ডের সময়ে অন্যান্য সময়ের চাইতে বাড়তি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অপরিহার্য। প্রত্যেকবার প্যাড পরিবর্তনের সময় কুসুম গরম পানি ও একটি কোমল সাবান বা বডি ওয়াশ ব্যবহার করুন।

২) পিরিয়ডের দুর্গন্ধের সমস্যা থাকলে দিনে দু-বার গোসল করুন, বিশেষ করে গরমের দিনে।

৩) অধিক শোষণক্ষমতা সম্পন্ন সিনথেটিক কোন স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড মোটেও ব্যবহার করবেন না। এসব প্যাডের শোষণ ক্ষমতা উচ্চ হলেও এগুলোর মাঝে জমাট বাঁধা রক্ত বাজে গন্ধ ছড়ায়। সাধারণ তুলোর তৈরি পয়াদ ব্যবহার করুন দুর্গন্ধের সমস্যা থাকলে।

 

৪) অনেকেই পিরিয়ডের সময় period time গোপন অঙ্গের দুর্গন্ধ ঢাকতে পারফিউম যুক্ত প্যাড ব্যবহার করে থাকেন। এই কাজটিও করবেন না। এই বাড়তি পারফিউমের রাসায়নিক উপাদানের কারণে গোপন অঙ্গের PH লেভেলের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়, ফলে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ বেড়ে যায়। এতে হরেক রকম ইনফেকশন হবার ও বাজে দুর্গন্ধ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেক গুণ বেশী।

৫) একই কারণেই ওয়েট টিস্যু বা বেবি ওয়াইপসও ব্যবহার করবেন না।

 

 

৬) প্রত্যেকবার প্যাড পরিবর্তনের পর হাত ভালো করে ধুয়ে নিন। আপনার প্রিয় পারফিউম ব্যবহার করতেই পারে, তবে সেটা পোশাকে গোপন অঙ্গে বা এর আশেপাশে নয়।

৭) অবশ্যই পিরিয়ডের সময়ে সুতির প্যানটি পরিধান করুন। একই সাথে কোন টাইট পোশাকও পরবেন না। এতে গন্ধ বাড়বে।

৮) পিউবিক হেয়ার পরিষ্কার রাখুন। ঘাম ও রক্ত পিউবিক হেয়ারে জমে গিয়ে বাজে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

 

 

১/ পিরিয়ডের সময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন প্রচুর সবজি ও ফলমূলের সাথে। খাবার তালিকায় অবশ্যই রাখবেন প্রচুর পানি ও টক দই। এই টক দই গোপন অঙ্গের যে কোন ইনফেকশন প্রতিরোধ করবে ও দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করবে।

২/ খাদ্য তালিকায় নিয়মিত রাখুন রসুন। রসুন বিখ্যাত তাঁর অ্যান্টি ফাঙ্গাল গুণাবলীর কারণে।

৩/ কিছু মেথি রাতের বেলা এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পানিতি পান করুন ও মেথিগুলো চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

 

 

৪/ চাল ধোয়া পানিও এক্ষেত্রে বেশ উপকারে আসে। গোপন স্থান ধোয়ার জন্য চাল ধোয়া পানি ব্যবহার করতে পারেন।

 

 

এই ঘরোয়া উপায়গুলো আপনার পিরিয়ড চলাকালীন during period দুর্গন্ধ দূর করতে সহায়তা করবে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার পরও যদি দুর্গন্ধের সমস্যা রয়েই যায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই একজন স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন। পিরিয়ডের সময় বাজে দুর্গন্ধ হবার অন্যতম কারণ হতে পারে ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন, যা কেবল একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেই প্রতিকার হওয়া সম্ভব।

সোমবার

মাসিক চলাকালে স্বামী ধৈর্যধারণ করতে পারে না

 

 

প্রশ্নঃ আমার মাসিক চলা কালে স্বামী ধৈর্যধারণ করতে পারে না। তার সেক্স অত্যাধিক বেশী। আমার মাসিক চলাকালে সে বিকল্প পন্থায় কিভাবে তার সেক্স চাহিদা নিবারণ করতে পারে পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো। ধন্যবাদ। নুস…..

 

উত্তরঃ মাসিক চলা কালে ইসলামে সঙ্গম করা হারাম বিধায় আপনি বিকল্প পদ্ধতিতে আপনার স্বামীর যৌন চাহিদা নিবারণ করাতে চেয়েছেন। আপনি আপনার স্বামী যৌন চাহিদাকে গুরুত্ব দেন এবং তাকে অনেক ভালোবাসেন এই কথার দ্বারাই বুঝা যায়। আপনি চান না আপনার সাময়িক স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য তার কোন কষ্ট হউক।

স্ত্রীর মাসিক চলাকালীন বিকল্প পন্থায় সেক্স করার পদ্ধতিঃ-

প্রথম পদ্ধতিঃ স্ত্রী তার স্বামীকে লিঙ্গকে হ্যান্ডজবের মাধ্যমে বীর্যপাত করিয়ে স্বামীকে যৌন আনন্দ দিতে পারেন। এই কাজ করার পূর্বে আগের মতোই স্বামী স্ত্রী একে অপরকে আলিঙ্গণ, চুম্বনের মাধ্যমে নিজেদের মাঝে যৌন উত্তেজনা জাগিয়ে নিবে।

দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ উত্তেজিত লিঙ্গ স্ত্রীর উরুতে ঘর্ষণের মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটিয়ে স্বামী যৌন আনন্দ উপভোগ করতে পারে। এসম্পর্কে কুরআন ও হাদিসের বাণী দেখুন এখানে।

 

 

 

রবিবার

যৌন স্বাস্থ্য রক্ষায় যে খাবারগুলো পরিহার করা উচিত

আমারা প্রত্যেকে চাই যৌন জীবনটা সুন্দর হোক।কিন্তু এটা জানি না আমাদের যৌন জীবনকে হতাশার দিকে ঠেলে দিতে আমারা নিজেরাই কিছু কিছু ভুল কাজ করি।অনেকগুলো ভুল কাজের ভিতর খাদ্য ও আছে।এমন কিছু কিছু কাদ্য আছে যেগুলো খেলে যৌন জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ে। যৌন উত্তেজনা কমাতে থাকে এই খাদ্য গ্রহনের ফলে।কি জানতে ইচ্ছা করছে সেই খাদ্যগুলো কি কি? হ্যা এখন সেই খাদ্যগুলো নিয়ে আলোচনা করব।চলুন দেখি যৌন স্বাস্থ্য রক্ষায় যে খাবারগুলো পরিহার করা উচিত।
দুগ্ধজাত খাবার: দুধ পরিহার! এ কেমন কথা? আমরা তো জানি দুধ একিটি সুষম খাদ্য।কিন্তু আপনি জেনে নিশ্চই অবাক হবেন যে, দুধ হতে তৈরী ছানা, পনির জাতীয় খাবার এস্ট্রোজেন তৈরী করে।যার কারণে sex ক্রমশ লোপ পেতে থাকে।একারণে অতিমাত্রায় দুধ জাতীয় খাবার পরিহার কারাটা আপনার যৌন জীবনের জন্য সহায়ক হবে।
আ্যালকোহল: অনেকে জানেন যে, নির্দিষ্ট পরিমানে আ্যালকোহল শরীরের জন্য উপকার।কিন্তু প্রতিদিন আ্যলকোহল গ্রহনে পুরুষদের টেস্টসটেরন হরমোন উৎপাদন মাত্রা লোপ পেতে থাকে।যাতে করে যৌন জীবন বিত্তিহীন বসতীর মত রূপ ধারণ করবে।
পুদিনা : পুদিনাতে বিদ্যমান পিপারমিন্ট যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দেয়। যার কারণে পুদিনা পাতা খাওয়া উচিত নয়।অন্তত্য যৌন জীবনের ক্ষেত্রে।
কৃত্রিম চিনির ব্যবহার : আপনি কি জানেন কৃত্রিম চিনি আপনার যৌন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।অনেকে আছেন কৃত্রিম চিনি ডায়াবেটিস , শরীরের মেদ কমাতে ব্যবহার করে থাকেন।কিন্তু জেনে অবাক হবেন যে, কৃত্রিম চিনি শরীরের যৌন উত্তেজক সেরোটোনিনের উৎপাদন মাত্রা কমিয়ে দেয়।এই সেরোটোনিনের ঘাটতির জন্য মাথা ব্যাথা, বিষন্নতা সহ আরো উপসর্গ দেখা দেয়।
কফি পান : যারা অতিরিক্ত কফি পান করেন তাদের জন্য যৌন জীবন হুমকীর মুখে পতিত হতে পারে। কারণ অতিরিক্ত পানে স্ট্রেস হরমোন উৎপন্ন হয়, যার কারণে সেক্স হরমোন ও থাইরয়েড হরমোনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং যৌন জীবন শিথীল হয়ে পড়ে।
তেলে ভাজা খাবার: তেলে ভাজা খাবারে ট্রান্স ফ্যাট থাকে।যেটা যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দেয়।গবেষকরা তেলে ভাজা খাবারের বদলে বেক কার খাবার খাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
আপনার ডক্টর সাইটটির একমাত্র উদ্দেশ্য আপনাদের সু্স্থ্য ও সুন্দর জীবনের।আপনাদের জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করার জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন আপনার ডক্টর সাইটে।মনে না থাকলে আপনি সাইট আপনার ব্রাউজারে সেভ করে রাখুন।
আর একটা অনরোধ আমাদের পোষ্ট আপনাদের সামান্যতম উপকারে আসলে পোষ্টটি শেয়ার করবেন।
সূত্র: বাংলাহেলথসেক্স.কম