January 28 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
January 28 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার

পুরুষাঙ্গের মাথায় কি লাগালে নারীকে চরম তৃপ্তি দেওয়া যায়?

 

বিয়ের মাধ্যেমে একটা মেয়ে তার স্বামীর সংসারে এসে দুটো জিনিসে বেশি খুশি হয়।প্রথমত স্বামীর স্বচ্ছলা অথ্যাৎ ভালো অর্থনৈতি অবস্থা দ্বিতীয়ত স্বামীর আদর।তবে প্রথমটার থেকে দ্বিতীয়টা বেশিরবাগ নারীর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রত্যেক স্মামীর ও উচিত স্ত্রীকে সুখ দেওয়া।অনেক পুরুষ পর্যাপ্ত যৌন জ্ঞানের অভাবে স্তীকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিতে পারে না। তাদের জন্য আজকের এই পোষ্ট।চলুন দেকা যাক কীভাবে নারীকে দ্রুত তৃপ্তি দেওয়া যায়।
১। স্পর্শকাতর স্থানে যেমন গাল, ঠোঁট, কান, গলাতে ঘন ঘন চুমু দেওয়া।
২। আপনার সঙ্গিনীর উরুতে মৈথুনীর পূর্বে ঘর্ষণ করা।
৩।খুব শিঘ্রিই সঙ্গম না করা অথ্যাৎ সঙ্গোমের পূর্বে যোনিদেশ, ভঙ্গাঙ্কুরে কামাদ্রিভাবে আলতোভাবে আদর করা।
৪। ভগাঙ্কুর নারীর অন্যতম যৈন কাতর স্থান। এই অঙ্গের মর্দনের ফলে নারী দ্রুত উত্তেজিত হয়।
৫। নারীর সবগুলো স্পর্শকাতর অঙ্গের ভিতর স্তন অন্যতম অরো একটি।সহবাসকালে স্তন মর্দন করা।
৬। এটি একটি খুব ফলপ্রসু পদ্ধতি।সহবাসের ঠিক আগে পুরুষাঙ্গের মাথায় সামান্য কর্পূর গুঁড়া লাগালে বীর্জপাত দেরিতে হয়।ফলে স্ত্রী চরম তৃপ্তি লাভ করে।মনে রাখবেন কর্পূর গুঁড়া বেশি পরিমাণে হলে কিন্তু স্ত্রীর যোনী ও পুরুষাঙ্গে হালকা জ্বালা অনুভূত হতে পারে।
অামাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।আপনাদের সুস্থ্য সুন্দর জীবনই আমাদের একান্ত্য কাম্য।
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

যে ৫টি লক্ষণ দেখলে বুঝবেন আপনি ভবিষ্যতে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে চলেছেন। এখনি মিলিয়ে নিন…

 

জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য অর্থ প্রায় অপরিহার্য একটি উপাদান বলেই বিবেচিত হতে পারে। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল জীবনযাপনের স্বপ্ন কমবেশি সকলের মনেই থাকে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় কোন কোন লক্ষণ দেখে আপনি বুঝবেন যে, ভবিষ্যতে আপনি উচ্চ আয় করতে পারবেন? ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ অ্যাপ্লায়েড বি়জনেস অ্যান্ড ইকনমিক রিসার্চ’ চিহ্নিত করছে ৫টি লক্ষণকে, যেগুলো ভবিষ্যতে আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতার পূর্বাভাস—

১. এমন একটি চাকরি যেখানে উচ্চ আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে: সব চাকরিতে এক রকম উপার্জনের সম্ভাবনা থাকে না। কোনও কোনও চাকরিতে কোনওভাবেই উচ্চ আয় সম্ভব নয়। আপনি যদি সেরকম কোনও চাকরিতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে পেশা বদল না করলে ভবিষ্যতেও আপনার প্রচুর আয়ের সম্ভাবনা কম। কিন্তু যদি এমন কোনও চাকরিতে নিযুক্ত থাকেন যেখানে উচ্চ আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে, সেরকম একটি চাকরিতে নিচু পদে শুরু করলেও কালে কালে উচ্চ পদে আরোহণের সম্ভাবনা রয়েছে। উচ্চ পদের পাশাপাশি রয়েছে মোটা টাকা উপার্জনের সম্ভাবনা থাকে।

২. মোটা মাইনে: আপনি যদি চাকুরিজীবী হন, তাহলে মাইনেই আপনার আয়ের প্রধান, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে একমাত্র উৎস। কাজেই আপনার বর্তমান বেতন আপনার ভবিষ্যৎ আর্থিক অবস্থার ভিত নির্মাণ করে দেবে। আপনি যদি বর্তমানে মোটা মাইনে পান, তাহলে ভবিষ্যতেও যে আপনি উচ্চ আয় করবেন, এমনটা বলা যেতেই পারে।

হস্তমৈথুনের ফলে কতো শক্তি খরচ হয় ? কি খেলে তা পূরণ করা সম্ভব হয় (ভিডিও সহ)

 

প্রশ্নঃ হস্তমৈথুনের ফলে কতো ক্যালোরী খরচ হয় ? কি খেলে ক্ষয়পূরণ করা সম্ভব হয়? হস্তমৈথুন করার ফলে আমার লিঙ্গের গোড়ার দিক সরু হয়েছে ও লিঙ্গ উথান হচ্ছে না এটা কি ভালো হবে?

উত্তরঃ নির্ভর করে আপনি কতক্ষণ যাবত করছেন তার উপর। সাধারণত ৬ cal/min (সুত্র: Yahoo Answers)

আর এই ক্যালরি পূরণ করতে যে কোনো খাবার যেমন চিনি (প্রতি: ২.৮ গ্রামে ১১ ক্যালরি থাকে) খেতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন, এতে হয়তো আপনার ক্ষয়কৃত শক্তি ফিরে পাবেন, কিন্তু ইন্টার্নাল ড্যামেজের ক্ষতি কোনোভাবেই সহজে পূরন করতে পারবেননা।

অকাল বীর্যপাত। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়। বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না।।

বীর্য পাতলা হয়ে যায়  হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম। যার ফলে গধষব Male infertility দেখা দেয়। অর্থাৎ সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতা দেখা দিতে পারে। একজন পুরুষ যখন স্ত্রীকে রমন করেন তখন তার পুরুষাঙ্গ থেকে যে বীর্য বের হয় সেই বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত।

বিজ্ঞান বলে, কোনও পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ কোনও সন্তানের জন্ম দিতে পারেন না। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়।

এবং আরও অন্যান্য system ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ-বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায়।

চোখের ক্ষতি হয়। স্মরণ শক্তি কমে যায়।

নারীকে পরিপূর্ন যৌন তৃপ্তি দেওয়ার সহজ উপায় !

 

বিয়ের মাধ্যেমে একটা মেয়ে তার স্বামীর সংসারে এসে দুটো জিনিসে বেশি খুশি হয়।প্রথমত স্বামীর স্বচ্ছলা অথ্যাৎ ভালো অর্থনৈতি অবস্থা দ্বিতীয়ত স্বামীর আদর।তবে প্রথমটার থেকে দ্বিতীয়টা বেশিরবাগ নারীর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রত্যেক স্মামীর ও উচিত স্ত্রীকে সুখ দেওয়া।অনেক পুরুষ পর্যাপ্ত যৌন জ্ঞানের অভাবে স্তীকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিতে পারে না। তাদের জন্য আজকের এই পোষ্ট।চলুন দেকা যাক কীভাবে নারীকে দ্রুত তৃপ্তি দেওয়া যায়।

১। স্পর্শকাতর স্থানে যেমন গাল, ঠোঁট, কান, গলাতে ঘন ঘন চুমু দেওয়া।

২। আপনার সঙ্গিনীর উরুতে মৈথুনীর পূর্বে ঘর্ষণ করা।

৩।খুব শিঘ্রিই সঙ্গম না করা অথ্যাৎ সঙ্গোমের পূর্বে যোনিদেশ, ভঙ্গাঙ্কুরে কামাদ্রিভাবে আলতোভাবে আদর করা।

৪। ভগাঙ্কুর নারীর অন্যতম যৈন কাতর স্থান। এই অঙ্গের মর্দনের ফলে নারী দ্রুত উত্তেজিত হয়।

৫। নারীর সবগুলো স্পর্শকাতর অঙ্গের ভিতর স্তন অন্যতম অরো একটি।সহবাসকালে স্তন মর্দন করা।

৬। এটি একটি খুব ফলপ্রসু পদ্ধতি।সহবাসের ঠিক আগে পুরুষাঙ্গের মাথায় সামান্য কর্পূর গুঁড়া লাগালে বীর্জপাত দেরিতে হয়।ফলে স্ত্রী চরম তৃপ্তি লাভ করে।মনে রাখবেন কর্পূর গুঁড়া বেশি পরিমাণে হলে কিন্তু স্ত্রীর যোনী ও পুরুষাঙ্গে হালকা জ্বালা অনুভূত হতে পারে।

অামাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।আপনাদের সুস্থ্য সুন্দর জীবনই আমাদের একান্ত্য কাম্য।

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

স্কুল পালিয়ে মেয়েরা কোথায় যায় -অভিভাবকরা কি খবর রাখে ? (ভিডিওতে দেখুন)

 

স্কুল পালিয়ে মেয়েরা কোথায় যায় -অভিভাবকরা কি খবর রাখে ? (ভিডিওতে দেখুন)

প্রাকৃতীক কোন জিনিস পুরুষাঙ্গে দিলে সহজে বীর্যপাত হয় না ও শক্ত হয়! জেনে রাখুন (দেখুন ভিডিওসহ)


প্রাকৃতীক কোন জিনিস পুরুষাঙ্গে দিলে সহজে বীর্যপাত হয় না ও শক্ত হয়! জেনে রাখুন (দেখুন ভিডিওসহ)

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

 

কী হবে এই ৬ বোনের? কে করবে বিয়ে?

 

একটি পরিবারে ৬টি সন্তান। আর এ ৬জনই হচ্ছে মেয়ে। তাদেরও স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া করে বাবা-মায়ের ছেলে সন্তানের অভাব দূর করার। কয়েক বছর আগে হারায় বাবাকে। তিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় মাও। মাথার উপর থেকে যেনো শেষ ছায়াটুকু সরে যায়। এখন কী হবে অভিভাবকহীন এই ৬ বোনের?

গত রোববার সন্ধ্যায় ট্রাকচাপা পড়ে পার্বতীপুরের ফ্যাক্টরি পাড়া মোড়ে ওই বিধবা মা আরজিনা বেগম (৪৫) নিহত হন। পার্বতীপুর থেকে দিনাজপুরগামী একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ সময় তিনি তার একটি গাভী নিয়ে ওই পথে বাড়ি ফিরছিলেন।

নিহত আরজিনা মন্মথপুর ইউনিয়নের ছোট হরিপুর মুন্সীপাড়া গ্রামের মৃত মোফাখখারুল ইসলামের স্ত্রী।

প্রতিবেশীরা জানায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল স্ত্রী ও ৬ কিশোরী কন্যাকে রেখে মারা যান পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মোফাখখারুল ইসলাম। তার মৃতুর পর লেখাপড়া ছেড়ে সংসারের হাল ধরতে বাধ্য হন বড় দুই মেয়ে মুক্তা ও রিক্তা। তারা দুজনেই কাজ নেন ঢাকার দুই গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে।

বর্তমানে মুক্তা (২৪), রিক্তা (২২) ও মোমিনা (১৮) তিনজনেই বিবাহযোগ্যা। এছাড়া ছোট বোন লিপি (১৩) ৮ম, মমতাজ ( ১৫) নবম শ্রেণি ও মুসরাত জাহান ইতি ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ছে। ৩ জনেই মেধাবী ছাত্রী।

প্রতিবেশী মেনহাজুল হক বলেন, পরিবারটির ৫ শতক বসত ভিটা ছাড়া তাদের আর কোনো আবাদি জমি নেই। মায়ের মৃত্যুর পর ছোট ৪ বোনকে বাড়িতে রেখে বড় দুই বোন আবার চাকরিস্থলে ফিরে যাবে, নাকি চাকরি ছেড়ে বোনদের সাথে বাড়িতে থাকবে এ নিয়ে উভয় সঙ্কটে পড়েছে বড় দুই বোন মুক্তা ও রিক্তা।

মুক্তা ও রিক্তা কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, বাবা মার ইচ্ছা ছিল ৬ বোনকে শিক্ষিত করার। কিন্তু দারিদ্রতার কারণে তারা দু’বোন সংসারের হাল ধরেছিল। এখন অবিভাবকহীন হয়ে তারা কীভাবে বোনদের পড়ালেখা ও সংসার চালাবে তা ভেবে পাচ্ছে না।

 

মধু দিলে পুরুষের লিঙ্গ শক্ত,মোটা ও শক্তিশালী হয় কেন? কিভাবে লিঙ্গে মধু ব্যবহার করতে হয়:

 

মধু একটি খুব উপকারী খাদ্য, পন্য ও ঔষধ। জন্মের পর নানা দাদীরা মখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্য চর্চা সহ নানাভাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে। শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা অনেক।

আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যার জনক নামে পরিচিত হিপ্পোক্রেটস শরীরের প্রদাহ ও সিফিলিস রোগের চিকিৎসায় মধু ব্যবহার করতেন বলে কথিত আছে। ২ হাজার বছর আগেও যখন চিকিৎসা বিজ্ঞান আজকের মতো এতটা উন্নত ছিল না, তখনও মানুষ জানত মধুর কি গুণ!

গ্রিক অ্যাথলেটরা অলিম্পিকে অংশ গ্রহণের আগে প্রচুর পরিমাণ মধু সেবন করত শক্তি বাড়ানোর জন্য। তাদের ধারণা ছিল, মধু খেলে তাদের পারফরমেন্সের উন্নতি হবে। কারণ মধুতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ যা যকৃতে গ্রাইকোজেনের রিজার্ভ (যে ফর্মে গ্লুকোজ লিভারে সঞ্চিত হয়) গড়ে তোলে।

কিভাবে লিঙ্গে মধু ব্যবহার করতে হয়:

পরনের কাপড় সরিয়ে আপনার লিঙ্গকে হালকা উত্তেজিত করুন। (এমন ভাবে উত্তেজিত করবেন না যাতে বীর্জ বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে)। এবার দুই হাতে হালকা মধু লাগিয়ে নিন। আপনার বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী আঙ্গুল এর আগা একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত করুন যাতে মাঝে গোলাকার (যেভাবে আমরা ok sign ইশারা করি) ছিদ্রের মত হয়। এবার এই রকম হাতে লিঙ্গের গোড়ার দিক থেকে লিঙ্গের গা ঘেষে (ছিপে ধরে) লিঙ্গের আগার দিকে হাত সঞ্চালন করুন (যেভাবে গরুর দুধ ধোওয়া হয় অথবা কোন ফাপা নল থেকে সবটুকু তরল বের করার জন্য আমরা যেভাবে গোড়া থেকে আগার দিকে হাত চালাই)।  আবার লিঙ্গ উত্তেজিত হলে হস্তমৈতুন করবেন না, করলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে।

হস্তমৈথনের কারনে লিঙ্গ ছোট হলে সেটা মোটা করার জন্য কি কি উপায় অবলম্বন করা উচিৎ? জেনে নিন

 

অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে লিঙ্গ ছোট দূর্বল এগুলো হয়ত অাপনার ভুল ধারনা। এখন থেকে সচেতন হউন, হস্তমৈথুন কমিয়ে দিন। মনে রাখবেন পুর্ণ তৃপ্তির জন্য লিঙ্গ 4″-5″ ইঞ্চিই যথেষ্ট। নিয়ম মেনে পুষ্টিকর খাবার খান, প্রচুর সব্জি, ফল খান অার প্রচুর পানি পান করুন। প্রতিদিন 2চামচ খাটি মধু হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নিয়মিত পান করুন।

প্রথমেই আপনার হস্তমৈথুন হতে বিরত থাকিতে হবে। হস্তমৈথুন বন্ধ করে পুষ্টিকর খাবার খান দেখবেন আস্তে আস্তে দুর্বলতা কেটে গেছে।
আপনি বলেছেন আপনার লিঙ্গটি খুব ছোট। উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4.7 থেকে 6.3 ইঞ্চি। এটা ভৌগলিক অবস্থান ভেদে বিভিন্ন দেশের পুরুষদের আবার বিভিন্ন আকারের হয়।

কিন্তু আপনার লিঙ্গ বা পেনিস যদি লম্বায় সর্বনিম্ন 4 (চার) ইঞ্চিও হয়ে থাকে তাহলেও আপনার স্ত্রীকে তৃপ্তি দেয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে ৩ ইঞ্চি পেনিস দিয়েও স্ত্রীকে আনন্দ দেয়া সম্ভব যদি সে যৌন মিলনের নানা কলা কৌশল আয়ত্ত করতে পারে।

কারণ একটা Successful সেক্সুয়াল Intercourse শুধু মাত্র পেনিসের আকারের উপর নির্ভর করে না, এর জন্য আপনাকে যৌন মিলনের নানা কলা কৌশল রপ্ত করা উচিত। মনে রাখবেন নারীদের যৌনাঙ্গে এক প্রকার খাজ কাটা থাকে যাতে ঘসা লাগলে তারা আনন্দ পায়। তার জন্য মাত্র ১০-১২ বছরের ছেলেদের লিঙ্গ দিয়েও তাদের আনন্দ দেয়া সম্ভব।

মেয়েদের হস্তমৈথুন করার ৫ টি দারুন উপায়! না পড়লে বিশ্বাস করতে পারবেন না।

নিজেই নিজের যৌনাঙ্গ উত্তেজিত করে আনন্দ লাভ করাই হল হস্তমৈথুন বা স্বমেহন। নাম থেকে এই কাজে হস্তের ভূমিকা মুখ্য মনে হলেও অনেক সময় হস্ত ব্যবহার না করেও হস্তমৈথুন করা সম্ভব। সার্ভে করে দেখা গেছে যে পৃথিবীর প্রায় ৯৫% শতাংশ পুরুষ ও ৭০ থেকে ৮০% শতাংশ মহিলা জীবনের কোন না কোন সময় মাস্টারব্রেশন করেছেন। তবে কিছু কিছু সমাজিক ও ধর্মীয় ব্যবস্থায় হস্তমৈথুন করাকে অন্যায় কাজ মনে করা হয়।

বলা হয় মাস্টারব্রেশন করলে নাকি শরীরের ও মনের ক্ষতি হয়। কিন্তু এমন দাবীর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। পরিমিত মাত্রায় হস্তমৈথুন একটি পুরোদস্তুর স্বাস্থ্যকর বিষয়। এর ফলে মানসিক বা শারিরীক কোন ক্ষতিই হয় না। যদিও মাস্টারব্রেশন করার পদ্ধতি বেশিরভাগ নারী-পুরুষ নিজে থেকেই শিখে যায়, তবুও অনেকের সঠিক উপায়ে মাস্টারব্রেশন করা হচ্ছে কি না সে ব্যাপারে দুঃশ্চিন্তা থাকে। আমরা এই পোস্টে মেয়েদের হস্তমৈথুন করার উপায় সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করবে। তবে উল্লেখ্য যে হস্তমৈথুন একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই ঠিক কিভাবে মাস্টারব্রেশন করলে সবথেকে বেশি তৃপ্তি লাভ হয়ে সেটা নিজেকেই খুঁজে বের করতে হয়। আমাদের এই আলোচনাকে একপ্রকার গাইডলাইন ভাবা যেতে পারে।

১. যোনিদ্বার বা ভালভা এবং ক্লিটোরিস ঘষে বা স্পর্শ করে উত্তেজিত করাই মেয়েদের হস্তমৈথুন -এর সবথেকে সহজ উপায়। মেয়েদের যৌনাঙ্গের বাইরের অংশই যোনিদ্বার বা ভালভা নামে পরিচিত। যোনির সবথেকে বাইরের ফোলা ঠোটের মত অংশ দুটির নাম ল্যাবিয়া মেজরা বা বৃহদোষ্ঠ। বৃহদোষ্ঠের ভেতরে আরও দুটি পাতলা ঠোটের মত বা পাঁপড়ির মত অংশ থাকে যার নাম ক্ষুদ্রোষ্ঠ বা ল্যাবিয়া মাইনোরা। যোনির উপরের দিকে ক্ষুদ্রোষ্ঠদ্বয় পরষ্পরের সাথে যেখানে মিলিত হয় সেই স্থানে ঘোমটার মত একটু ত্বকের দ্বারা আবৃত একটি ছোট্টো, সাদাটে ও ডিম্বাকৃতি অঙ্গের নাম ক্লিটোরিস বা ভগাঙ্কুর। হাতের একটি, দু্টি (বা যতগুলি ইচ্ছে) আঙ্গুল বুলিয়ে (বা ঘষে) সহজেই বৃহদোষ্ঠ এবং ক্ষুদ্রোষ্ঠ উত্তেজিত করে যৌন আনন্দ লাভ করা যায়। তবে সবথেকে বেশি আনন্দ হয় আঙুল বুলিয়ে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে। স্নায়ুর আধিক্যের জন্য ক্লিটোরিসে স্পর্শ করলে তীব্র যৌন আনন্দ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে মেয়েদের অর্গ্যাজম হবার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। হস্তমৈথুনের সময় এমনিতেই যৌনাঙ্গ দিয়ে একধরনের তরল ক্ষরিত হয় যা লুব্রিকেন্ট হিসেবে কাজ করে। তবে শুকনো অবস্থায় মাস্টারব্রেশন করা উচিৎ নয়, তাতে পরবর্তীতে ব্যথা হতে পারে। তাই শুরুতে কিছুক্ষণ যৌন চিন্তা করে বা পর্ণ দেখে বা চটি গল্প পড়ে যৌন উত্তেজনার মাধ্যমে যৌনাঙ্গ থেকে তরল বের হতে শুরু করলে তারপর হস্তমৈথুন করতে পারেন। প্রয়োজনে নিজের লালারস কিংবা ভেসলিন জাতীয় লুব্রিকেন্টও ব্যবহার করা যায়। উল্লেখ্য যে ক্লিটোরিসের গঠন অনেকটা পুরুষদের লিঙ্গের মতন।

২. যোনির মধ্যে আঙ্গুল বা অন্য কিছু যেমন ডিলডো, ভাইব্রেটর প্রবেশ করিয়েও হস্তমৈথুন করা যেতে পারে ওই সময় যদি যোনির সামনের দেওয়ালে অবস্থিত G-spot উত্তেজিত করা যায় তবে আনন্দ আরও অনেক বেশি হতে পারে। G-spot খুঁজে বের করতে হলে যোনির ভেতরে আঙুল প্রবেশ করিয়ে যোনির ২ থেকে ৩ ইঞ্চি ভেতরে যোনির উপরের দেওয়ালের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে দেখা যেতে পারে। যে স্থানে স্পর্শ করলে তীব্র যৌন আনন্দ হবে সেটাই g-spot। দুর্ভাগ্যবশত যেহেতু অনেক সংস্কৃতিতে (বা ধর্মে) মেয়েদের সতীচ্ছদ বা হাইমেনের উপস্থিতি তার কুমারীত্বের প্রমান হিসেবে গন্য করা হয় তাই অবিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে যোনির মধ্যে কোন কিছু প্রবেশ করানো ভবিষ্যতে বিয়ের পথে অন্তরায় হতে পারে। এইসকল ক্ষেত্রে হস্তমৈথুনের প্রকৃষ্ঠ উপায় ক্লিটোরিসে আঙ্গুল বুলিয়ে বা আঙ্গুল ঘষে উত্তেজিত করা।
৩. বিছানায় চিৎ হয়ে পা দুটো একটু ফাঁকা করে শুয়ে উপরে বর্ণিত দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করে ভালভা, ক্লিটোরিস এবং যোনি আঙুল দিয়ে ঘষে সহজেই হস্তমৈথুন করা যায়। তবে ইচ্ছে হলে বসে, দাঁড়িয়ে, নিলডাউন করে, স্নান করার সময় শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে, ইত্যাদি যে ভঙ্গিমায় সুবিধে সেই ভঙ্গিমাতেই উপরের পদ্ধতি অবলম্বন করে হস্তমৈথুন করতে পারেন। হস্তমৈথুনের সময় এক হাত দিয়ে স্তনের চুচুক, নিতম্ব ইত্যাদিও স্পর্শ করে দেখতে পারেন। তাতে যৌন আনন্দ আরও বেশি হতে পারে।

৪. জামা কাপড় পড়া অবস্থায় বিছানায় উল্টো হয়ে শুয়ে দুটো ঊরুর মাঝে বালিশ রেখে বালিশের সাথে যৌনাঙ্গ ঘষেও হস্তমৈথুন করতে পারেন। একটু বৈচিত্রের জন্য দাঁড়ানো অবস্থায় টেবিল ইত্যাদির প্রান্তের সাথে আলতো করে যৌনাঙ্গ ঘষেও মাস্টারব্রেশন করা সম্ভব।

৫. দুটো ঊরু ক্রস করে চেয়ারে বসে (এক ঊরুর উপর অপর ঊরু তুলে বসে) যদি পায়ের পেশী সংকুচিত করার চেষ্টা করা হয় তাহলেও যৌন আনন্দ লাভ হতে পারে। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে সকলের সামনে স্বমেহন করলেও কেউ বুঝতে পারবে না যে আপনি কিছু করছেন (যদি না আনন্দ আপনার আওয়াজ বা মুখ-চোখের ভঙ্গিমায় ফুটে ওঠে)।

মোদ্দা কথা হল নিজের যৌনাঙ্গ কিভাবে উত্তেজিত করলে সবথেকে বেশি আনন্দ লাভ হয় সেটা নিজেকেই খুঁজে বের করতে হয়। হস্তমৈথুনের মাধ্যমে এই ভাললাগর উপায় খুঁজে বের করতে পারলে তা সত্যিকারের মৈথুন বা যৌসঙ্গমের সময় অনেক কাজে লাগে। তবে একটু ধীরে সুস্থেই মাস্টারব্রেশন করা উচিৎ, নচেৎ যৌনাঙ্গে আঘাত লাগতে পারে। আর কোন অবস্থাতেই হস্তমৈথুন অভ্যাসে পরিণত হতে দেবেন না। তাতে ভবিষ্যতে সহবাসের সময় যৌন আনন্দ কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে

 

মেয়েরা চুড়ি ও নাকফুল না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে, ইসলামের ব্যাখ্যা

Image result for মেয়েরা চুড়ি ও নাকফুল না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে, ইসলামের ব্যাখ্যা

 

আমাদের সমাজে অনেক বিবাহিতা মহিলাকেই শুনতে হয় যে হাতে চুড়ি না পড়লে বা নাকে নাকফুল nose-ring না পড়লে স্বামীর আয়ু কমে যায় বা স্বামীর অমঙ্গল হয়।

ঠিক যে বিশ্বাস নিয়ে বিধর্মী মহিলারা শাঁখা-সিঁদুর পরে, আজও অনেক মুসলমান মা বোন সেই একই ধরনের কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে চুড়ি-নাকফুল Bangles nose-ring পরেন।

কিন্তু ফিক্বাহ শাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি অধ্যয়নে একথাই প্রমাণিত হয় যে, মেয়েরা কান ও নাক ছিদ্র করে গহনা পরতে পারবে। কেননা কানে গহনা পরার রীতি নবী করীম (সাঃ) জীবিত থাকা অবস্থায়ও ছিল, তথাপি তিনি এটি নিষেধ করেননি।

প্রশ্নে উল্লিখিত ধারণাটি ভ্রান্ত, কুসংস্কার ও আল্লাহ তায়ালার কালাম পাকের বিপরীত। কারণ আল্লাহ তায়ালা সমস্ত মানুষের হায়াত নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। সে সময়ের পূর্বে বা পরে কারো মৃত্যু হবে না। তাই ঐ সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য।

জেনে নিন, ছেলে সন্তান এবং মেয়ে সন্তান নেয়ার জন্য স্বামী-স্ত্রীকে যা করতে হবে!

Screenshot_2-35

 

( সতর্কতাঃ এই লেখায় নারী পুরুষের যৌনতার অনেক বিষয় খোলামেলা আলোচনা করা হয়েছে , এটা চিকিৎসা বিষয়ক জ্ঞান তাই কোনো ভাবেই এই লেখাকে অশ্লিলতার আওতায় আনা যাবেনা । এবং এই লেখা কঠোর ভাবে বিবাহিতদের জন্য , এ বিষয়ে সকল পাঠক পাঠিকার সহানুভুতি কাম্য )

দম্পতির সন্তান না হলে যেমন বিড়ম্বনা তেমনি কোন কোন ক্ষেত্রে ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান হলেও বিড়ম্বনা । পুরুষের কোষে X ও Y ক্রোমোজোম এব্ং মেয়েদের কোষে X ও X ক্রোমোজোম থাকে । পুরুষের X ও মেয়েদের X মিলে হয় মেয়ে সন্তান (XX ) আর পুরুষের Y ও মেয়েদের X মিলে হয় পুত্র (XY) সন্তান , স্ত্রীর ডিম্ব ( ওভাম ) বেরিয়ে আসার সময় ও জরায়ুর ভিতর শুক্রকিট ( স্পার্ম ) প্রবেশের সময় এই দুটির মধ্যে ছেলে কিংবা মেয়ে সন্তান জন্মের একটি সুন্দর সম্পর্ক আছে । এর উপর ভিত্তি করেই মার্কিন গবেষক ডাঃ ল্যানড্রুম বি শ্যাটলস ও ডাঃ জন রক নিজের ইচ্ছায় ছেলে বা মেয়ে সন্তান জন্মাবার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন । আপনি যদি ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চান তাহলে এই লেখাটি আর আপনার ইচ্ছা যথেষ্ঠ । এই পদ্ধতিতে সফলতার হার ৯০ % । আপনার স্বপ্ন এবার সত্যি হবে ।

চলুন শুরু করি –

টেকনিকঃ একজন পুরুষ যখন একজন মেয়ের সাথে সেক্স করে , তখন পুরুষের চরম অবস্থায় বির্যের সাথে লক্ষ লক্ষ শুক্রকিট মেয়ের জরায়ুতে নির্গত হয় ! এখান থেকে যে কোনো একটি শুক্রকিট মেয়ের ফ্যালোপিয়ান টিউবে অবস্তিত ডিম্বের সাথে নিষিক্ত হয় ! মেয়েদের যেহেতু একই রকম (XX) ক্রোমোজোম থাকে তাই সন্তান মেয়ে বা ছেলে হওয়ায় তাদের কোনো হাত নেই , এটা নির্ভর করে পুরুষের উপর , কারন মেয়ের X এর সাথে পুরুষের X মিললে মেয়ে বাচ্চা ও মেয়ের X এর সাথে পুরুষের Y মিললে ছেলে বাচ্চা হবে !

এখন আমাদের এমন টেকনিক অবলম্ভন করতে হবে যাতে আমরা ছেলে সন্তান চাইলে পুরুষের একটি Y গিয়ে মেয়ের X এর সাথে মিলিত হয় আর মেয়ে সন্তান চাইলে পুরুষের একটি X গিয়ে মেয়ের X এর সাথে মিলিত হয় ।

বিজ্ঞানিরা গবেষনা করে দেখেছে যে জরায়ুর পরিবেশ এসিডিক হলে পুরুষের X শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হয়ে মেয়ে সন্তান আর জরায়ুর পরিবেশ ক্ষারীয় হলে পুরুষের Y শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হয়ে ছেলে সন্তান হয় !!

সাথে আরো কিছু নিয়ম পালন করতে হয় ! আসুন বিস্তারিত জানি ।

বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি! যার কৃপণের কাহিনী শুনলে হাঁসতে হাঁসতে গড়াগড়ি খাবেন…

Image result for বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি! যার কৃপণের কাহিনী শুনলে হাঁসতে হাঁসতে গড়াগড়ি খাবেন…

 

বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি একজন নারী! তিনি একজন আমেরিকান। তার নাম হেট্টি গ্রিন। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের এ বাসিন্দা। আমাদের একসাথে সবার সাথেই মিলেমিশে চলতে হয়। আমাদের আত্বীয় স্বজনদের সাথে,বন্ধু-বান্ধবদের সাথে। আমাদের প্রতিদেনের জীবনে যাদের সাথে সব সময় চলতে হয় তারা প্রত্যেকেই একেক জন একেক ধরণের।

কেউ বোকা,কেউ চালাক,কেউ উদার,কেউ হিসেবী,কেউ কৃপণ আবার কেউ কেউ অত্যাধিক কৃপন। আর কৃপণাতার দিক থেকে বরাবরই নারীরা পুরুষদের থেকে এগিয়ে।

বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি একজন নারী! তিনি একজন আমেরিকান। তার নাম হেট্টি গ্রিন। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের এ বাসিন্দা। বিপুল সম্পদশালী হয়েও সর্বকালের সেরা কৃপণ হিসেবে খ্যাতি আছে এ ব্যবসায়ী নারীর।

তিনি এতোটাই কৃপণ ছিলেন যে শীতের সময় গরম পানি পর্যন্ত ব্যবহার করতেন না। খেতেন মাত্র ১৫ সেন্ট ব্যয় করে এক ধরনের ঠাণ্ডা পুডিং। একেবারে জরাজীর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি তার একমাত্র কালো পোশাকটি কখনও পরিবর্তন করতেন না। পানি খরচ হবে বলে হাত ধুতেন কম, গাড়িও চড়তেন একটি অতি পুরনো।

এমনও শোনা গেছে যে সাবান খরচ বাঁচানোর জন্য তার পোশাক যখন অতিরিক্ত ময়লা হয়ে যেত তখন শুধু ময়লা অংশটুকু ধুয়ে নিতেন। এই নারী পেশায় ছিলেন একজন সফল রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী। ১৮৩৫ সালে জন্ম নেওয়া এই নারী ব্যবসায়ী ১৯১৬ সালে মৃত্যুর সময় ব্যাংকে ৯৫ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বর্তমান হিসাবে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা রেখে যান।

সে সময়ের অন্যতম ধনী হেট্টি গ্রিনের পারিবারিক একটি ঘটনা আরও অবাক করার মতো। এক দুর্ঘটনায় তার ছেলের পা ভেঙে যায়।

কিন্তু তাকে দ্রত সময়ে চিকিৎসা না দিয়ে দাতব্য চিকিৎসালয় সন্ধানে এতো বেশি সময় ব্যয় করেন যে পা নষ্ট হয়ে অকেজো হয়ে যায়! তাহলে এবার ভেবে নিন কেমন কৃপণ নারী ছিলেন তিনি!