June 07 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
June 07 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার

বাসর রাতে ট্যাবলেট খেয়ে সংগম করে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই, জ্ঞান আসার পর দেখি..

 

আমার যখন বিয়ে হয় তখন আমি ক্লাস ৭ এ ছিলাম। খুব ছোট বলতে গেলে। বিয়েটা কী বুঝতাম না। স্বাভাবিকভাবেই আমার বিয়ে হয়েছিলো। কিন্তু বিয়ের পর বুঝতে পারলাম একজন বয়স্ক লোকের সাথে আমার বিয়ে হয়েছে। তার বয়স ৩৬ বছর আর আমার ১৪। সবাই খুব অত্যাচার করতো, মারতো, বকা দিত। আম্মুকে আর পরিবারকে অনেক মিস করতাম।

 

এমনকি বিয়ের পর আমাকে বাড়িতেও আসতে দেয়নি। খুব ছোট ছিলাম তাই খুব একটা ঘরের কাজ পারতাম না। আমার স্বামী যিনি ছিলেন তার সাথে  বাসর রাতে শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার পর আমি প্রায় ৫দিন কোমায় ছিলাম। কিন্তু যখন জ্ঞান ফিরে তখন শুনি আমার শ্বশুরবাড়ির কেউ আমাকে দেখতে আসেনি, এমনকি আমার স্বামীও না। আমার সব বই পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো। আর ছোটবেলা থেকে আমার কবিতা, ছোট গল্প আর যা মনে আসতো তা কবিতার ভাষায় লেখার অভ্যাস ছিলো। আমার উপর যেসব অত্যাচার হত তা আমার মাথায় সবসময় ঘুরতো। তাই একদিন বিকেলে অবসর সময়ে আমি এসব লিখছিলাম আমার কবিতার খাতায়। আমার ননদ যিনি ছিলো, উনি দেখে ফেলেছিলো যে আমি কী সব লিখছি। উনি ভেবেছিলেন যে আমি উনাদের নিয়ে বিচার দিয়ে বাড়িতে চিঠি লিখছি। এই কথা আমার স্বামী জানার পর আমাকে অনেক মারধর করে। তখন আমি প্রেগন্যান্ট ছিলাম ৩ মাসের।

 

 

অত্যাচারের কারণে আমার প্রচুর ব্লিডিং হয়। পরে বুঝতে পারি যে বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে। এর কিছুদিন পর আমার ডিভোর্স হয়ে যায়। আমার কাকা আর গ্রামের মেম্বার মিলে ডিভোর্সটা করায়। ডিভোর্সের পর আমি আমার পড়া শুরু করতে চাই কিন্তু কেউ আমাকে সাহস দিচ্ছিলো না। আমার খুব কষ্ট লাগতো এই ভেবে যে আমি তো পালাইনি, এমনকি খারাপ কোন কাজ করিনি, শুধু পরিবার যা চেয়েছে তাই করেছি। তাহলে কেন আমাকে এত বদনাম পেতে হচ্ছে। আমি অনেক কষ্ট করে সবাইকে অনুরোধ করে ক্লাস ৮-এ ভর্তি হই।

 

 

আমি আমার শ্বশুরবাড়ি ৬ মাস ছিলাম তাই ক্লাস সেভেনের ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো। আমার মা বাবা, নানু, নানা সবাই প্রচুর উৎসাহ দিয়েছিলো। কিন্তু আমার ছোট কাকা কাকি প্রচন্ড মানসিক অত্যাচার করেছিলো। এখন আমি মেডিকেলে পড়ছি। অনেক যুদ্ধ করেছি, এখনও করছি কিন্তু মনের ভেতর কোথাও যেন একটা কষ্ট থেকেই গেছে। মা সারাদিন বকে কারণ আমি দেখতে অতটা সুন্দর নই এবং কোন বিয়ের প্রপোজাল আসেনা, যার কারণে দিনরাত আমি কথা শুনতে হয়। আমার কোন অধিকার নেই এই পরিবারে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করার।

 

আমার ছোট যে বোন, ও খুব সুন্দর। ও এখন মাত্র ক্লাস ৭-এ পড়ে। ওর সাথেও আমার পরিবার ঠিক একই কাজ করতে চাইছে যেই জঘন্য কাজ ওরা আমার সাথেও করেছিলো। ঐ কাজটা আমি করতে দেইনি যার কারণে এখন মানসিক কষ্ট আমাকে প্রতিদিন পেতে হচ্ছে। আমি প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণা অনুভব করছি। আমি এটা থেকে বেরোতে চাই। আমার কী করা উচিত? আমি স্বাভাবিক জীবন চাই। আমি চাইনা কেউ বলুন যে- দেখো একবার বিয়ে হয়েছে। ডিভোর্স প্রাপ্ত মেয়ে। একে কেউ বিয়ে করবেনা।”“

বিয়ের পর হবু বউ এর সঙ্গে কথা বলবেন কীভাবে?

 

বিয়ের সময় যত ঘনিয়ে আসছে মনের ভেতর অস্থিরতাও তত বাড়ছে। যাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক হয় তাদের ক্ষেত্রে এই অস্থিরতার মাত্রা আরও অনেক বেশি থাকে। কারণ, একেবারেই অচেনা একটা মানুষের সঙ্গে হুট করেই একসঙ্গে থাকার আয়োজন।

 

অধিকাংশ অভিভাবকই চান বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী একে অপরের সঙ্গে কথা বলুক। কিছুটা সহজ করে ফেলুক নিজেদের সম্পর্কটা। সেজন্য অভিভাবকরা তাদেরকে একসঙ্গে ঘোরাফেরা করা এবং ফোনে কথাবার্তা বলার সুযোগ করেন দেন। আর এতেই ঘটে বিপত্তি! দুজনের মনেই প্রচণ্ড অস্বস্তি ভর করে বসে। কোথা থেকে কথা শুরু করবে, কীভাবে কথা বলবে, কিভাবে তার সামনে যাবে, অঙ্গভঙ্গি কেমন হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানান দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। তাই পাত্র হিসেবে আগেই সচেতন থাকা ভালো। সেজন্য জেনে নিতে পারেন কথা বলার কিছু কৌশল।

 

ভদ্রতার সঙ্গে কুশলাদি

কথা শুরু করার সময় প্রথমেই উচিৎ কুশলাদি জিজ্ঞাসা করা। এই ভদ্রতাটুকু অবশ্যই করতে হবে প্রথম কথাতে। কেমন আছেন, বাসার সবাই কেমন আছে, কী করছেন ইত্যাদি নানান রকমের প্রশ্ন করে কথা শুরু করতে পারেন।

 

 

কথা বলার শুরুতে অবশ্যই পাত্রীকে ‘আপনি’ সম্বোধনে কথা বলবেন। কথা কিছুক্ষণ চলার পর হবু জীবন সঙ্গীকে ‘তুমি’ বলার অনুমতি দিয়ে তার কাছ থেকেও অনুমতি নিয়ে নিতে পারেন। ‘তুমি’ সম্বোধনে সম্পর্কটা অনেক সহজ হয়ে যাবে আপনাদের।

 

পছন্দের বিষয়ে কথা বলা

ধীরে ধীরে আপনাদের আলোচনার মোড় ঘুরতে পারে একে অপরের পছন্দ অপছন্দের বিষয় নিয়ে। তবে ব্যাপারটা স্মার্টভাবে করতে হবে আপনাকে। হুট করে ‘আপনার প্রিয় রঙ কী?’ এই ধরনের প্রশ্ন করা যাবে না। এতে আপনার সম্পর্কে তার ধারণা হালকা হয়ে যেতে পারে। প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয়ে কথা বলার মাধ্যমে পছন্দ অপছন্দের বিষয়টি জেনে নিন।

 

পুরনো সম্পর্ক এড়িয়ে চলা

আপনার হবু জীবন সঙ্গীকে কখনই হুট করে পুরনো কোনো সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত হবে না। পুরনো প্রেম নিয়ে প্রথম কথাতেই জিজ্ঞাসা করলে আপনার হবু সঙ্গী আপনাকে সন্দেহপ্রবণ ভাবতে পারে।

 

অশালীন কথা এড়িয়ে যান

আপনার সঙ্গে যার বিয়ে হতে চলেছে তাকে হুট করে অতিরিক্ত ব্যক্তিগত কোনো কথা বলবেন না। প্রথম কথাতেই একান্ত ব্যক্তিগত বা অশালীন কোনো কথা বলা ঠিক নয়। এধরনের মন্তব্য করলে আপনার সম্পর্কে তার খারাপ ধারণা সৃষ্টি হবে।

 

তাই প্রথম আলাপ হওয়া চায় প্রাসঙ্গিক, ভদ্রতা ও শালীনতা সম্পন্ন। যা সঙ্গীকে আপনার সম্পর্কে উচ্চ ধারণা দিতে সাহায্য করবে।

 

 

আপু পুরপূর্ণ বয়স পার হয়ে গেছে কিন্তু স্তন গঠন এখনো হয়নি করণীয় কি?

 

আমার বয়স ১৯ বছর। ১৪ বছর বয়সে আমার ঋতুস্রাব হয় এবং তার ৪/৫ মাস আগে আমি আমার স্তন বৃদ্ধি পাওয়ার কিছু লক্ষণ দেখতে পাই তবে খুব ধীরে ধীরে আমার স্তন একটু করে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ঋতুস্রাব হওয়ার কয়েকমাস পর বৃদ্ধি পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এমকি স্বাভাবিক শরীর গঠন ই আর হচ্ছেনা। আমার বুক দেখলে একটি ছেলের বুকের মতো লাগে। আমি খুব চিকন তাই ভেবেছিলাম শরীরের গঠন ঠিক হতে বেশি সময় লাগবে কিন্তু দেখতে দেখতে কৈশোর পার করে ফেলছি তবুও আমার স্তন স্বাভাবিক আকার তো হচ্ছেইনা বরং ১ম এ যেমন ছিল তেমনি আছে। স্তন নেই বললেই চলে তাই আমার ব্রা/গেঞ্জি কিছুই ব্যবহার করতে হয়না। বয়স হওয়া স্বত্তেও বুক এর গঠন ঠিক না থাকায় আমি এবং আমার মা খুবই চিন্তিত। এ বিষয়ে একটু সাহায্য চাই আপনার কাছে। আমি এখন কি করতে পারি উপায় বলে দিন।

 

উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধি (Puberty) ঃ

– পুরুষের বেলায় ১২ -১৫বছরে ও নারীদের বেলায় ১১ -১৪ বছরের মধ্যে দেহের পিট্যুইটারি গ্রন্হি থেকে দুধরনের গোনাডোট্রফিক হরমোন নিঃসৃত হয় এবং এই হরমোন গুলোর কারনেই মূলত ছেলেমেয়ে উভয়েরই জননাঙ্গ পূর্ণতা পায় এবং সেকেন্ডারী যৌন বৈশিষ্টের উদ্ভব ঘটে । এটাকেই মূলত বয়ঃসন্ধিকাল বা Puberty বলে ।

কিভাবে শুরু হয় বয়ঃসন্ধি (Puberty ) ?-
মুলত বয়ঃসন্ধির শুরু হয় GnRH (জিএনআরএইচ)-এর উচ্চ স্পন্দনের মাধ্যমে এবং তখন যৌন হরমোনের ক্ষরণ বাড়তে থাকে । ( মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশে জিএনআরএইচ হরমোন ক্ষরণ হয় ) পুরুষের বেলায় বয়ঃসন্ধিতে ৫৫ কে.জি. এবং মেয়েদের বেলায় ৪৭ কে.জি. শরীরের ওজনে শুরু হয় । শরীরের ওজনের এই পার্থক্যের কারণ জিএনআরএইচ বৃদ্ধি, যা লেপ্টিনের (এক প্রকার প্রোটিন হরমোন) বৃদ্ধি পায় । অবশ্য বংশগত কারণে ইহা পরিবর্তনশীল ।

 

মেয়েদের বেলায় ঃ-
মস্তিষ্ক থেকে গোনাডে (ডিম্বাশয় ও শুক্রাশয়) হরমোন সংকেত যাবার মাধ্যমে এটির সূচনা ঘটে। ফলশ্রুতিতে গোনাড বিভিন্ন ধরনের হরমোন উৎপাদন শুরু করে যার ফলে মস্তিষ্ক, অস্থি, পেশি, ত্বক, স্তন, এবং জনন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহের বৃদ্ধি শুরু হয় এবং যৌন অনুভূতি বা আকর্ষণ ইত্যাদি এস্ট্রাডিওল ও ইস্ট্রোজেন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে বা ইহা স্তন ও জরায়ুর ও অন্যান্য অঙ্গকে অনুভূতিশীল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই মহিলাদের বেলায় ইহাই প্রধান হরমোন যা বয়ঃসন্ধিকালীন বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং এপিফিসিয়াল পরিপক্কতা ঘটায় এবং সম্পূর্ণ করে।

 

রজঃচক্র এবং উর্বরতা—প্রথম রজঃচক্রকে মেনারশে বলে এবং সাধারণত থেলারশে শুরু হওয়ার দুই বছর পরে এটা শুরু হয়। আমেরিকান মেয়েদের মধ্যে মেনারশে শুরু হওয়ার গড় বয়স ১১.৭৫ বছর।প্রথম দুই বছর মেনসেস (মাসিক রক্তস্রাব বা মাসিক) অনিয়মিত হয় অর্থাৎ প্রতি মাসে হয় না। উর্বরতার জন্য ডিম্বক্ষরণ (Ovaluation) জরুরি, কিন্তু প্রথম দিকের মাসিকগুলোতে ডিম্বক্ষরণ ঘটতেও পারে আবার নাও ঘটতে পারে।প্রথম রজঃচক্র হওয়ার পরবর্তী প্রথম বছরে (প্রায় ১৩ বছর বয়সে) ৮০% মেয়ের রজঃচক্রে একবার ডিম্বক্ষরণ ঘটে, ৫০% মেয়ের তৃতীয় বছরে (প্রায় ১৫ বছর বয়সে) এবং ১০% মেয়ের ষষ্ঠ বছরে (প্রায় ১৮ বছর বয়সে) একবার ডিম্বক্ষরণ ঘটে।

দেহের আকার, মেদ—মাসিকের সময়, ইস্ট্রোজেন হরমোনের সীমা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে পেলভিসের অর্ধনিম্নাংশ বা হিপ প্রশস্ত হতে শুরু করে। এর ফলে জন্ম নালি (birth canal) আরো বড়ো হয়। মেদ কলার বৃদ্ধি ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের শরীরের বেশি অংশ জুড়ে ঘটে। সাধারণত মেয়েদের শরীরের যেসকল স্থানে মেদ কলার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় তার মধ্যে আছে: দুই স্তন, হিপ, নিতম্ব, উরু, উপরের বাহু, এবং পিউবিস। দশ বছর বয়সে, একটি মেয়ের শরীরে একই বয়সের একটি ছেলের তুলনায় গড় চর্বির পরিমাণ থাকে মাত্র ৫% বেশি, কিন্তু বয়ঃসন্ধির শেষে এসে এই পার্থক্য হয় ৫০%-এর কাছাকাছি।

 

নিউরোহরমোনাল প্রক্রিয়া
হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারি, গোনাড, ও অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি নিয়ে অন্তক্ষরা প্রজননতন্ত্র গঠিত ।
পিটুইটারি গ্রন্থির বাহিরের অংশ কাজ করা শুরু করে, এবং এলএইচ ও এফএসএইচ হরমোন ক্ষরণ হওয়া শুরু হয়, ও রক্তের মাধ্যমে তা প্রবাহিত হয়। শরীরে এস্ট্রাডিওল ও টেস্টোস্টেরনের বৃদ্ধি ঘটায় মেয়ে ও ছেলের মাঝে বয়ঃসন্ধিকালীন বৈশিষ্টগুলো প্রকাশ পেতে থাকে।
শরীরে শুরু হওয়া নিউরোহরমোনাল প্রক্রিয়ার এই পরিবর্তন দেখতে ১-২ বছর সময় লাগতে পারে।

মানসিক ভাবে ঃ-
(প্রায় ১৫ শতাংশ মেয়ের স্তন বৃদ্ধির আগেই শ্রোণীদেশীয় কেশরাজির আবির্ভাব পরিলক্ষিত হয়) – নারী-সুলভ কমনীয়তা ফুটে ওঠে, মানসিক পরিবর্তন দেখা দেয়, কণ্ঠস্বর খুবই মিষ্টি হয়ে ওঠে, ছেলেদের সাথে যৌন মিলনের বাসনা খুব তীব্র হয়ে ওঠে, বা মেনারেশ শুরু হয় ( প্রথম মাসিক )

মেয়েদের প্রথম মাসিক স্রাব ঃ-
প্রথম ঋতুস্রাবকে মেনারশে বলে এবং সাধারণত থেলারশে শুরু হওয়ার দুই বছর পরে এটা শুরু হয় । প্রথম দুই বছর মেনসেস (মাসিক রক্তস্রাব বা মাসিক) অনিয়মিত হয় অর্থাৎ প্রতি মাসে হয় না। উর্বরতার জন্য ডিম্বক্ষরণ (Ovaluation) জরুরি, কিন্তু প্রথম দিকের মাসিকগুলোতে ডিম্বক্ষরণ ঘটতেও পারে আবার নাও ঘটতে পারে। প্রথম ঋতুস্রাব হওয়ার পরবর্তী প্রথম বছরে (প্রায় ১৩ বছর বয়সে) ৮০% মেয়ের ঋতুস্রাবে একবার ডিম্বক্ষরণ ঘটে, ৫০% মেয়ের তৃতীয় বছরে (প্রায় ১৫ বছর বয়সে) এবং ১০% মেয়ের ষষ্ঠ বছরে (প্রায় ১৮ বছর বয়সে) একবার ডিম্বক্ষরণ ঘটে।

 

দেহের আকার ও মেদ পুরুষের চাইতে মহিলাদের কেন বেশী হয় ঃ
মাসিকের সময়, ইস্ট্রোজেন হরমোনের সীমা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে পেলভিসের অর্ধনিম্নাংশ বা হিপ প্রশস্ত হতে শুরু করে। এর ফলে জন্ম নালি (Birth Canal) আরো বড়ো হয়। মেদ কলার বৃদ্ধি ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের শরীরের বেশি অংশ জুড়ে ঘটে। সাধারণত মেয়েদের শরীরের যেসকল স্থানে মেদ কলার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় তার মধ্যে আছে: দুই স্তন, হিপ, নিতম্ব, উরু, উপরের বাহু, এবং পিউবিস। দশ বছর বয়সে, একটি মেয়ের শরীরে একই বয়সের একটি ছেলের তুলনায় গড় চর্বির পরিমাণ থাকে মাত্র ৫% বেশি, কিন্তু বয়ঃসন্ধির শেষে এসে এই পার্থক্য হয় ৫০%-এর কাছাকাছি। এ ছাড়া ইস্ট্রোজেন ক্ষরণ বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে যৌন অনুভূতি অঙ্গ সমূহ অন্যান্য অঙ্গের চাইতে বেশী বেশী অনুভূতিশীল হয়ে থাকে । ( রিসার্চ অনুসারে তাই দেখানো হয়েছে )

বয়ঃসন্ধি (Puberty ) পরিমিত বয়সে না হওয়ার কারন ঃ–
ছেলেমেয়েদের যৌবনপ্রাপ্তি একেবারেই না হওয়া বা বিলম্বে হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। ঠিক সময় যৌবনপ্রাপ্তি না হলে তাকে রোগ মনে করতে হবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে পিটুইটারি, ডিম্বাশয় বা ক্রোমোসোম গঠিত রোগ বিলম্বিত যৌবনপ্রাপ্তির অন্যতম কারণ এবং ছেলেদের বেলায় যে কোন কারণে টেস্টিসের বেশী বৃদ্ধি বা পিটিইটারি গ্ল্যান্ড থেকে ফলিক্যাল স্টিমুলেটিং বেশী প্রভাব বিস্তার করলে । এছাড়াও বিরূপ-সামাজিক পরিবেশ ও বংশগত কারণেও যৌবনকালীন পরিবর্তন বিলম্বিত হতে পারে।
সে সময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্বাবধানে এই রোগ সঠিকভাকে নির্ণয় করা সম্ভব। তিনি প্রয়োজনে রক্তের হরমোন পরীক্ষা ইত্যাদি করে এর প্রকৃত কারন খুজে বাহির করতে পারলে চিকিৎসা সেই মোতাবেক করাতে পারলে খুভ তাড়া তাড়ি বয়ঃসন্ধি (Puberty ) হওয়ার কথা তবে যদি শারীরিক কোন ত্রুটির কারণে না হয় । বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ১০% বেলায় পুরুষের এবং মেয়েদের বেলায় ৩% দেরিতেই বয়ঃসন্ধি (Puberty ) দেখা যায় যার ৯৬% প্রকৃতিগত কারনেই হয়ে থাকে –

ব্রা পরার যে ভুলের কারণে স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে দেখুন ভিডিওসহ…

 

বক্ষবন্ধনী বা কাচুলি (ইউকে /ˈbræzɪər/ বা ইউএস /brəˈzɪər/), যা সাধারণত ব্রা /ˈbrɑː/ নামেই পরিচিত, হল নারীদের অন্তর্বাস যা তাদের স্তনযুগল সঠিক স্থানে রাখতে সহায়তা করে। বৈশিষ্ট্যসূচকভাবে বক্ষবন্ধনী বিভিন্ন বৈচিত্রময়; শুধুমাত্র নারীরা তাদের স্তন সমর্থনের জন্যই নয়, ফ্যাশন পণ্য হিসেবেও তারা এর বিকাশ ঘটিয়েছে।

কিছু পোশাক, যেমন ক্যামিসোল, ট্যাংক টপ এবং পশ্চাতবিহীন পোশাকে সন্নিবেশিত স্তন সমর্থনের ব্যবস্থা রয়েছে, যা আলাদা বক্ষবন্ধনী পরিধানের প্রয়োজনীয়তা লাঘব করে।

স্তন সমর্থনের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য ছাড়িয়ে সাংস্কৃতিক বিশেষ ইঙ্গিতপূর্ণ দিক থেকে বক্ষবন্ধনী নারীত্বের আইকন বা প্রতীক হয়ে ওঠে। কিছু নারীবাদী,[১] নারীদেহের অবদমীত কামনা-বাসনার প্রতীক হিসেবেও বক্ষবন্ধনী বিবেচনা করেন।

 

ব্রা পরার যে ভুলের কারণে স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে

মঙ্গলবার

প্রথম প্রেম যে কারণে ভোলা যায় না

 

প্রেম অথবা রোমান্স (ইংরেজি: Romance, রোমান্স) হল ভালোবাসার এক প্রকার রহস্যময় এবং উত্তেজনাপূর্ণ আবেগ বা অনুভূতি। প্রেম হল কোন ব্যক্তির প্রতি যৌন আকর্ষণের সাথে সম্পর্কিত কোন আবেগীয় আকর্ষণ হতে উদ্বুদ্ধ একটি বহিঃপ্রকাশমূলক ও আনন্দঘন অনুভূতি।

 

প্রথম প্রেম – First Love

২০ বছর আগে তাঁর সঙ্গে আমার প্রেম হয়। সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিক। আমার বয়স তখন ১৭, আর ওর ১৯। আমরা একজন আরেকজনের জন্য পাগল ছিলাম। তবে আমাদের সম্পর্কটা ভেঙে যায়। এরপর অনেক সময় পেরিয়ে গেছে। কিন্তু আমি এখনো তার কথা ভাবি। সে আমার স্বপ্নে আসে। আমি এখন একজন বিবাহিত সুখী মানুষ। আমি খুবই সুখী। কিন্তু আশ্চর্য লাগে, তাকে ভুলতে পারি না। কিছুদিন আগে আমাদের আবার যোগাযোগ হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয়, আমার এখান থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। আমি কী করব? দয়া করে পরামর্শ দিন।’

পত্রিকা বা নিউজ পোর্টালের পরামর্শ কলামে যদি নিয়মিত চোখ রাখেন, তাহলে এই ধরনের সমস্যা প্রায় প্রতিদিনিই খুঁজে পাবেন। আগের সম্পর্ককে ভুলতে না পারা এবং বারবার সেই কথা মনে করে বর্তমান জীবন বিপর্যস্ত হওয়ার ঘটনা বেশ উদ্বেগজনক। প্রথম প্রেম, প্রথম অনুভূতি, প্রথম ভালোবাসার মতো অনুভূতিগুলো প্রবলভাবে বিদ্যমান থাকে। ফলে সেই সম্পর্ক ভেঙে গিয়ে নতুন সম্পর্কে জড়ানোর পরও অতীত বর্তমানে এসে হানা দেয়।

 

এনডিটিভি জানিয়েছে, এর কারণ হলো, দীর্ঘ সময় পরেও মানুষের জীবনের প্রথম প্রেমের প্রভাব রয়ে যায়। সেই প্রেম কোনো খারাপ অভিজ্ঞতা দিয়ে শেষ হলেও সেই স্মৃতি মুছে যায় না। কিন্তু কেন?

 

 

কেন এসব স্মৃতি আমার মনে ও মস্তিষ্কে এত গভীরভাবে গেঁথে থাকে? অন্য স্মৃতির চেয়ে কেন সেগুলো উজ্জ্বল হয়।

একটি মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, প্রথম প্রেমের অনুভূতি অনেকটা প্রথমবার স্কাইডাইভিং বা বিমান থেকে প্যারাস্যুট নিয়ে লাফ দেওয়ার মতো। এরপর আপনি যতবারই লাফ দেন না কেনো, প্রথমবারের স্মৃতিটা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে মনে থাকে।

নিউইয়র্ক স্টেট ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক আর্ট অ্যারন বলেন, ‘যে কোনো বিষয়ে আপনার প্রথমবারের অভিজ্ঞতা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি ভালো মনে থাকে। সম্ভবত প্রথমবার কোনো কাজ করার সময় কিছুটা ভীতি, কিছুটা উত্তেজনা কাজ করে সে জন্য। প্রেমে পড়ার বিষয়টিও অনেকটা এ রকম। কারণ প্রথম প্রেমের ক্ষেত্রে কখনো কখনো ভীতি থাকে, প্রত্যাখ্যাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রত্যাশা পূরণ হবে কি না, সে নিয়ে সংশয় থাকে। উদ্বেগ হচ্ছে প্রেমের সবচেয়ে বড় অংশ। বিশেষ করে প্রথম প্রেমের ক্ষেত্রে।’

 

সে কারণে প্রথম প্রেম আমাদের স্মৃতি খুব গভীরে প্রোথিত থাকে। আর কোনো প্রেমের স্মৃতিই আর এভাবে মনে দাগ কাটতে পারে না। বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, সবশেষে যে প্রেমটি জীবনে আসে, সেটিই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। সেই প্রেমটিতেই সবচেয়ে বেশি যত্ন পায় মানুষ। তবু প্রথম প্রেমের স্মৃতি কখনো না কখনো মনে পড়েই যায়।

অ্যারন বলেন, এটা এ কারণে হতে পারে যে, বেশির ভাগ প্রথম প্রেম হয় বয়ঃসন্ধিকালে। যখন প্রবলভাবে হরমোনের পরিবর্তন হয়, পরিবারের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। মোট কথা, সব মানুষের জীবনেরই সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। আর সে কারণেই এই সময় হওয়া প্রেমের প্রভাব অনেক গভীরভাবে পড়ে জীবনে।

যে কারণে মেয়েরা অল্প বয়সে কেন প্রেমে পড়ে

 

অল্প-বয়সে-মেয়েরা-কেন-প্রেমে-পড়েঅল্প বয়সী মেয়েরা বর্তমানে যে শুধু পিতার বয়সী কিংবা তাঁর চাইতেও বেশি বয়সের পুরুষদের প্রেমে পড়ে, তা কিন্তু মোটেও নয়। অতীতেও ছিল, তবে অবশ্যই এতটা প্রকট ভাবে দেখা যায়নি।যা ইদানিং প্রেম করে বিয়ে করাটা তরুণীদের জন্য খুব সহজ একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে বিবাহিত পুরুষটিকে তরুণীরা একপ্রকার ছলে-বলে-কৌশলে প্রেমের ফাদে ফেলে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়ে নিজেকে তার স্ত্রী রূপে অধিষ্ঠিত করছে।

 

কমবয়সী একটি মেয়ে প্রেমে হাবুডুবু খেলে বেশিরভাগ পুরুষের জন্যই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব একটি ব্যাপার। আবার অনেক পুরুষই সূক্ষ্ম কৌশল বাদ দিয়ে বেশ মোটা দাগেই কমবয়সী মেয়েদের পটাবার চেষ্টা করে থাকেন। পুরুষের কারণটি পরিষ্কার, একটি তরুণী নারীকে সঙ্গী হিসাবে কামনা করেন তারা। কিন্তু একটি কমবয়সী মেয়ে কেন প্রেমে পড়ে বাবার বয়সী একজন পুরুষের সাথে সেটাই এখন জানার বিষয়!

আর্থিক নিরাপত্তা :একজন মধ্যবয়সী পুরুষ মানেই অর্থনৈতিক ভাবে তিনি যথেষ্ট স্থির ও জীবনে প্রতিষ্ঠিত। মেয়েরা সেই আর্থিক নিরাপত্তাটাই খোঁজে, বিনা পরিশ্রমে নিজের জন্য সুখ নিশ্চিত করতে চায়। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, মেয়েরা শুধু সেইসব মধ্যবয়সী পুরুষদের প্রেমেই পড়ে যারা আর্থিক ভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত।

 

 

যৌনতার আনন্দে-অভিজ্ঞতায়: অনেক মেয়ে মনে করে একজন মধ্যবয়সী পুরুষ মানে যৌনতা সম্পর্কে অনেক বেশি অভিজ্ঞ কমবয়সী একজন তরুণের তুলনায়। অনেকের আবার ভালোই লাগে মধ্যবয়সী পুরুষকে। তাছাড়া এই বয়সী পুরুষের অতি অবশ্যই একাধিক নারীর অভিজ্ঞতা হয়ে যায়। ফলে একজন কমবয়সী তরুণীকে ভালো বোঝে সে। সব মিলিয়ে তরুণীরা নিজের চাইতে অধিক বয়সের পুরুষকে সঙ্গী রূপে বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে যৌনতা বেশ একটা বড় ভূমিকা পালন করে।

পরের সংসারের সুখের লোভ: পুরুষটি যদি নিজের স্ত্রী সংসারকে অনেক ভালোবেসে থাকেন ও তাঁদের নিয়ে অনেক সুখী হয়ে থাকেন, অনেক মেয়েই তাঁদের এই সুখ দেখে লোভে পড়ে যায়। বিশেষ করে পারিবারিক অশান্তি দেখে বেড়ে উঠেছে এমন মেয়েরা। তারা ভাবে পুরুষটি নিজের প্রথম স্ত্রীকে যেমন ভালোবাসছে বা যত্ন করছে, তাকেও তেমনটা করবে। সেই সুখের স্থানে নিজেকে বসাবার লোভে মেয়েরা প্রেমে পড়ে বাবার বয়সী একজন পুরুষের।

 

 

পরাশ্রয়ী তরুণী: অনেকে মেয়েই আছে পরাশ্রয়ী উদ্ভিদের মতন। তারা নিজেরা কিছু করতে পারে না, প্রতিটি ব্যাপারেই অন্য মানুষের সহযোগিতা চায়। তারা মনে করে যে একজন “ম্যাচিউর” পুরুষ তাদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে পারবে। তাই বেছে নেয় সঙ্গী হিসাবে অধিক বয়সী পুরুষকে।

 

 

তরুণ প্রেমিক থেকে আঘাত পাওয়া:নিজের প্রথম প্রেমিক যদি আঘাত দিয়ে চলে যায়, তবে অনেক মেয়েই অধিক বয়সের পুরুষদের দিকে ঝোঁকে। কারণ তাদের মনে হয় তরুণ প্রেমিকেরা ভালোবাসায় অসৎ ও অস্থির আর বয়স্ক পুরুষেরা স্থির ও নির্ভরযোগ্য।