May 11 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
May 11 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার

আমি অন্যত্র থাকি, মাসে কেবল একবার স্ত্রীর সাথে মিলিত হই, এতেও কি গর্ভসঞ্চার হয়?

 

 

 

আমি অন্যত্র থাকি। মাসে কেবল একবার স্ত্রীর সাথে মিলিত হই। এতেও কি গর্ভসঞ্চার হয়? আমরা এখন সন্তান নিতে চাইনা। কি উপায়?

 

উঃ মাসে একবার সেক্স করলেও গর্ভসঞ্চার হতে পারে। তাই এখনই বাচ্চা না চাইলে কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করুন। সবথেকে সহজ উপায় কনডম ব্যবহার করা। এছাড়াও আপনার স্ত্রী নিয়মিত পিল খেতে পারেন। আপনার স্ত্রীর পিরিওড নিয়মিত হলে পিরিওডের রক্তক্ষরণ শুরু হবার দিন থেকে গুনে প্রথম সাতদিন ও ২১তম দিন থেকে পরের পিরিওড (Period) শুরু হবার দিন পর্যন্ত কনডম ছাড়াও সেক্স করতে পারেন। তাতেও গর্ভসঞ্চারের সম্ভাবনা খুব কম। বিভিন্ন জন্ম-নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্মন্ধে বিশদে জানতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে আমাদের লেখা এই পোস্ট দেখুন।
ক). জন্মনিয়ন্ত্রণের উপায়

 

 

ইতিমধ্যেই যদি আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে থাকেন তবে আপনার সম্মুখে একটাই রাস্তা খোলা রয়েছে। তা হল গর্ভপাত। সেজন্য স্ত্রী-রোগবিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন। গর্ভপাত সম্মন্ধে বিশদে জানতে এই পোস্ট দেখুন – গর্ভপাত। শুভেচ্ছা রইল।

 

 

আমার স্বামী ওর অফিসের কলিগের সঙ্গে সম্পর্ক করে..

 

আমার স্বামী ওর কলিগের সঙ্গে সম্পর্ক করে। আমি আমার স্বামীকে খুব ভালোবাসি। আমার কী করা উচিত? আমি এ নিয়ে সরাসরি ওকে জিজ্ঞাসা করেছি। ও স্বীকার করে না। আমি বুঝতে পারি- ও আমাকে মিথ্যা বলে। আমি খুব কষ্ট পাই। আমার কী করা উচিত?

আপু, সম্পর্ক করে বলতে আপনি কী বোঝাতে চাইছেন? উনাদের মাঝে পরকীয়ার সম্পর্ক আছে? নাকি সেক্সুয়াল সম্পর্ক আছে? আর ব্যাপারটা আপনি জানছেন কীভাবে? এটা কি শুধুই সন্দেহ, নাকি আপনার কাছে তথ্য প্রমাণ আছে?

 

আপনার চিঠি পড়ে মনে হচ্ছে এটা এখনো জাস্ট আপনার সন্দেহ। ইন দিস কেস, আগে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করুন। আসলেই স্বামী কলিগের সাথে কোন সম্পর্কে জড়িত কিনা সেটা যাচাই করে দেখুন। উত্তর হ্যাঁ হলে তথ্য প্রমাণ সহ স্বামীকে হাতে নাতে ধরুন, তাঁকে সুপথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করুন। এতেও কাজ না হলে শ্বশুরবাড়ির সাহায্য নিন, তাঁদেরকে প্রমাণ দেখান। তবে আপু, এটা মনে রাখবেন যে কেউ আপনাকে ভুলে একটি পরকীয়া করতে পারলে দশটিও করতে পারবে।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী

বিয়ের পরে প্রথম সহবাসের সময় কি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার ভাল হবে?

 

 

বিয়ের পরে প্রথম সহবাসের সময় কি কি বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত? লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করলে কোনটা ভাল হবে? কোথায় ভাল লুব্রিকেন্ট পাওয়া যায়?

 

উঃ বিয়ের পর প্রথম সহবাসের জন্য যেটা সবথেকে প্রয়োজন সেটা হল একদম তাড়াহুড়ো না করা। আর লুব্রিকেন্ট স্বাভাবিকভাবে না লাগার কথা কারণ স্ত্রী উত্তেজিত হলে যোনি থেকে কামরস বের হয়ে যোনিদ্বার পিচ্ছিল হবে, যাতে লিঙ্গ সঞ্চালন সহজ হবে। ধীরে সুস্থে অগ্রসর হওয়াই প্রথম সেক্স করার সবথেকে ভাল উপায়। প্রথম রাতেই বৌয়ের উপর সেক্সের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লে বা সেক্সের জন্য জোর করলে বিবাহিত জীবনে চিরকালের জন্য দাগ লেগে যেতে পারে।

তাই নতুন বৌয়ের সাথে প্রথমেই সহবাস বিষয়ক আলোচনা বা ক্রিয়া-কলাপ শুরু করবেন না। ধীরে ধীরে রোমান্টিক কথাবার্তা বা গল্পগুজব করতে করতে অগ্রসর হোন। লক্ষ্য রাখবেন ঘরের পরিবেশ যেন রোমান্টিক থাকে। হালকা মিউজিক চালাতে পারেন। ঘর সুগন্ধি ফুল দিয়ে সাজিয়ে রাখুন। তীব্র আলো না জ্বালিয় হালকা আলো জ্বালিয়ে রাখুন। যদি কোন কারণে নববধূর ওই রাতে সম্পর্ক স্থাপনে অনীহা থাকে তবে তার সেই ইচ্ছেকেও সম্মান করুন। অনেক সময়ই বিয়ের রীতিনীতি পালনে মেয়েরা এতটাই শারীরিক এবং মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে যায় যে তাদের তখন সহবাসের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়। এমতাবস্থায় পরের রাতের জন্য অপেক্ষা করাই শ্রেয়। খেয়াল রাখবেন আপনার আচরণে যেন স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা প্রকাশ পায়।

 

মেয়েরা সাধারণত ছেলেদের থেকে একটু বেশি সংবেদনশীল। তাদের কাছে শারীরিক সম্পর্ক ( সহবাসের আগে ) স্থাপনের আগে ভালবাসা থাকাটা জরুরী। আর হ্যাঁ, স্ত্রীর সান্নিধ্যে আসার সময় আপনার শরীর থেকে যেন দূর্গন্ধ বের না হয়। তাই পারফিউম ব্যবহার করুন।

বীর্যপান করলে কি কোন সমস্যা আছে?

 

 

যদি আমার স্ত্রী আমার বীর্যপান করে তাহলে কি কোন সমস্যা আছে?

 

উঃ স্ত্রী বীর্যপান করলে, কোন সমস্যা নেই। আপনার যদি কোন যৌনরোগ না হয়ে থাকে তবে নির্দ্ধিয়ায় আপনার স্ত্রী বীর্যপান করতে পারেন, তাতে ওনার কোন ক্ষতি হবেনা। বীর্যে মূল উপাদানসমূহ হল জল, প্রোটিন, শর্করা, ফ্যাট, কিছু মিনারেল যেমন দস্তা, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি। কাজেই বীর্য স্বাস্থের পক্ষে মোটেই ক্ষতিকারক নয়। তবে জোর করে বীর্য পান করাতে যাবেন না। বীর্যের স্বাদ সকলের ভালা নাও লাগতে পারে। আপনর স্ত্রীর বীর্যপান করতে ভাল লাগলে তবেই ওনাকে বীর্য পান করতে দিন। জোর করে ওই কাজ করালে দাম্পত্য সম্পর্ক খারাপ হয়ে মানসিক অশান্তি হতে পারে।

বীর্য খাওয়া
মানুষের বীর্য খাওয়ার কিছু কারণ হচ্ছে প্রেমমূলক পরিতৃপ্তি, শারীরিক সুবিধা এবং আধ্যাত্মিক।

বীর্যপানের স্বাস্থ্য ঝুঁকি
একজন সুস্থ পুরুষের বীর্য খাওয়ায় নারীদের কোন ঝুঁকি নেই। মুখমৈথুনের মাধ্যমে আসা ঝুঁকি ছাড়া বীর্য খাওয়ায় অন্যকোনো ঝুঁকি নেই। মুখমৈথুন কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণ যেমনঃ এইচপিভি অথবা হার্পিসের ঝুঁকি বহন করে বিশেষত মুখমৈথুনকারীর মাড়ির রক্তপাত, মুখে খোলা ক্ষত জনিত রোগ থাকলে।

 

 

বীর্যপানের দৈহিক সুবিধা
গড় বীর্যপাত (৩.৪ মিলি) অনেক পুষ্টি উপাদান যেমন দস্তা, ক্যালসিয়াম এবং পটাসিয়াম সেই সাথে ভিটামিন বি১২ রয়েছে। সীমিত গবেষণায় দেখা গেছে বীর্য খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা ইতিবাচক।

কিছু মহিলার দেহে অ্যান্টিবডির কারণে বন্ধ্যাত্ব, খিচুনি এবং মৃত সন্তান হয়। ওরাল সেক্স এবং বীর্য খাওয়ার মাধ্যমে মহিলারা তার সঙ্গীর এন্টিজেন খেয়ে নেয় যা অধিকতর নিরাপদ ও সফল গর্ভধারণে সাহায্য করে।

বীর্যপান করলে মহিলাদের হতাশা দূর হয় এমন কোনো প্রভাব আছে কিনা তা নিয়ে কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানো হয়নি। কিন্তু বীর্যে মহিলাদের মনচাংগা করার বেশ কিছু যৌগ যেমনঃ এন্ডোফ্রিন, এস্ট্রন, প্রলাক্টিন, অক্সিটসিন, থাইরোট্রপিন-রিলিজিং হরমোন এবং সেরোটোনিন আছে। তবে মহিলাদের যোনির মাধ্যমে বীর্য গ্রহণে এই হরমোনগুলোর প্রভাব শুধুমাত্র লক্ষনীয় তা নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে।

জোড়করে একটু চাপ দেয়াতে কিছুটা ভিতরে ঢুকল, দেখলাম কিছুটা ব্লাড বের হল…..

 

 

অামি বিয়ে করছি গত ৬/৬/১৬ তে, অামার wife ডিগ্রি ফাস্ট ইয়ার এ পড়ে। দু ফেমিলির সম্মতিতে অামাদের বিয়ে হয়।অামাদের বিয়ের ২য় দিনে বাসর হয়। অামাদের বাসরঘরে দেয়া হল। কিন্তু সেদিন অামাদের মধ্যে কিছুই হয়নি।কারন সে বলল অাজ অামার অনেক ঘুম অাসছে কালকে হবে। তো অামি চাচ্ছিলাম দুজনের সম্মতি ক্রমে সম্পর্ক হোক। তাই আর কিছু বলিনি।
যাই হোক সে রাত একরকম কেটে গেল।কিন্তু তারপরদিন রাতে ঘটল আরেক কাহিনী। সে বলল আজকে থাক এসব অামি অনেক ভয় পাই। তো অামি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করতেছি এতে ভয়ের কিছু নেই। ও কিছুতেই বুঝেনা। তারপরদিন অনেক কস্টে ওকে রাজি করালাম। একটু চাপ দিতেই সে চিতকার দিয়ে উঠে। ঢুকাতেই দেয়না। জোড়করে একটু চাপ দেয়াতে কিছুটা ভিতরে ঢুকল। তার সে কি চিল্লাচিল্লি। দেখলাম কিছুটা ব্লাড বের হল। তারপর থেকে সে আরো ভয় পেয়ে গেল। আরো করতে দেয়না।
অাজ ১৪ দিন হল অামাদের বিয়ে হয়েছে।।।।।অামার নিজেকে কনট্রল করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।।।সে বুঝতে পারছে সে যেটা করছে এটা ঠিকনা। অামি অনেক জেল ব্যাবহার করছি but কোন কাজ হয়নি। সে এখন অনেক মন খারাপ করে, কেন সে পারছেনা,,,,সবাই পারে সে কেন পারেনা,,,,,তা ভেবে অনেক কাঁদে।।তার কান্না দেখে অামিও কষ্ট পাই। সেজন্য জোর করতে পারি না। এ ভাবে তো চলবেনা।।বিবাহিত হিসেবে আমরা সেক্স করব এটাই স্বাভাবিক, নয়ত বিয়ে করে লাভ কি? কি করব ভেবে পাচ্ছি না।।।।।।।। প্লিজ আমাকে হেল্প করেন।

 

নিয়মিত পাঠকদের কাছে ভালো কোন পরামর্শ থাকলে প্রশ্নকর্তাকে দিয়ে সাহায্য করবেন ধন্যবাদ।

 

 

আব্বু কেন আমার সাথে এমন করে….

 

 

 

আমি এবার h.s.c.exam দিতেছি । আজ আমার আব্বুকে নিয়ে কিছু বলব। তিনি কেন আমার সাথে এমন করেন বুঝিনা। যখন নিজের ভাল দিকta বোঝার khomota হয়েছে তখন থেকেই বুঝতে পারলাম বিনা কারনেই আমার সাথে এমন করে আব্বু। দিনে দিনে খারাপ আচরন বেড়েই চলেছে । আর akto ভূল পেলে তো কোন কথাই নেই। খুব খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে । আমার abbor কথা শুনে প্রতিবেশীরা বলে মেয়েকে কেউ এত খারাপ কথা বলে? পাশের বাসার মানুষের মুখে এসব কথা শুনে আমার বমি আসছে । মনে মনে ভাবি এই কি আমার বাবা?

 

শুধু কি তাই, এর আগে 4 বার আমার বই খাতা পুড়ে ফেলতে চেয়েছে । অনেক হাতে পায়ে ধরে বইগুলো বাচিয়েছি। পড়ালেখার খরচও দিতে চায় না । shamanno ভূল করলেই মারও দেয় আমাকে । মাঝে মাঝে যখন বকা দেয় তখন খারাপ কাজ করে খেতে বলে ,garments এ চাকরি করতে বলে,ভিক্ষা করতে বলে ইত্যাদি । মাঝে মাঝে দামি কোন জিনিসের আবদার করলে বকা দেয় ।দেয়ও না ।ভূলে যদি আমার কাছ থেকে কোন কিছু অপচয় হয় তখনও বোকা দেয় । protibad করলে আরো বেশি মার ,বোকা খেতে হয় ।গত 4 বছরে কয়েক বার ঘার ধরে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে ।কয়েকবার বের করে দেবার পরেও বাসায় ফিরে এসেছি আবার কয়েক বার বের হয়ে সোজা নানার বাসায় থেকেছি সাথে আমার মাও ছিল ।আমার abbo মাঝে মাঝে এমন কাজ করে সমাজের মানুষের সামনে মুখ দেখাতে আমাদের lojja করে।আর সারা দিন চিললা চিললি করে । কেন তিনি আমাদের সাথে এমন করে জানিনা । জানতে চাইলে বলে তোদের ভালর জ্ন্য। এই কথাta আমি মানতে পারি না কিছু বলতেও পারি না,আবার সইতেও পারি না ।এখন আমি কী করব বুঝতে পারছি না ।

 

ডক্টরঃ নিয়মিত পাঠকদের কাছে ভালো কোন পরামর্শ থাকলে প্রশ্নকর্তাকে দিয়ে সাহায্য করবেন ধন্যবাদ।