2017 at 09:36AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 09:36AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার

মেয়েদের পাছা বড় ভারী ও নরম করার সহজ উপায়

 

 

মেয়েদের পাছা বড় ভারী ও নরম করার সহজ উপায় জানতে পুরা পোস্ট টি পড়ুন। যে ব্যায়াম গুলো এখানে দেয়া আছে সেগুলো করলে পাছা বড় হবে। গড়ন কিছুটা ঢলঢলে হলে সব ছেলেরই ভালো লাগে। শক্তিশালী উরু আর নিতম্ব (পাছা) সুন্দর দেখতে হওয়ার জন্য তো বটেই, আপনার শারীরিক সক্ষমতার জন্যেও অত্যন্ত জরুরী। কারণ, পায়ের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে আপনার গোটা শরীরের ভার। আর আপনি যখন বসে কাজ করছেন, আপনার শরীরের ভার বইছে আপনার নিতম্ব। আর সুগঠিত নিতম্ব আপনাকে আকর্ষণীয় করে তোলার পাশাপাশি আপনার শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন।

 

সুঠাম উরু আর সুগঠিত নিতম্ব পেতে হলে জন্য ব্যায়ামের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। সঙ্গে দিনে ২-৩ লিটার জল খাওয়া জরুরি।

 

১। পাছায় নিয়মিত বেবি লোশন মাখুন।
২। নিয়মিত দড়ি লাফ খেলুন।
৩। রাতে শোবার সময় পাছায় হাল্কা বরফ ঘষে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধু মাত্র গরমের দিনে করবেন।
৪। প্রচুর হাঁটুন এবং…পানি পান করুণ।
৫। বেশী ক্ষণ একটানা বসে থাকবেন না। এতে পাছার গড়ন খারাপ হয়ে যেতে পাড়ে।
৬। আপনার পাছা খুব ছোট হলে সঙ্গীকে মর্দন করতে বলুন।
৭। পায়খানা করার জন্য কমোড ব্যবহার করুণ। প্যানে পায়খানা করলে পাছার মাঝখানের ফাঁক বড় হয়ে যায়।

 

দেওয়ালের দিকে পিঠ করে দাঁড়ান। এবার যেভাবে চেয়ার এ বসে সেইভাবে হাঁটু ভাজ করে বসার চেষ্টা করুন। যতক্ষণ পারেন এই অবস্থায় থাকুন তার পর উঠে দাঁড়ান। ১০-১৫ বার এই ব্যায়ামটা করতে হবে।

এক পাশ হয়ে মাটির উপর শুয়ে পরুন। শরীরকে সমান রাখবেন পা সহ। এবার মাটির উপর যে পা-টি আছে তাকে একই জায়গায় রেখে অন্য পা-টি উপরে একবার তুলুন আবার নামান। এইভাবে ২০ বার করুন। এবার উলটো দিকে কাত হয়ে শুয়ে একই ভাবে অন্য পা করুন ২০ বার।

 

মাটিতে সোজা হয়ে শুয়ে পরুন। হাত ২টো কাঁধ বরাবর ছড়িয়ে দিন। এবার হাঁটু ভাজ করে পায়ের পাতার উপর ভর দিয়ে হিপ তুলুন আর নামান এইভাবে ১০ বার এর পর হিপ তুলে ২০ গুনুন। এই পুরোটা ১০-১৫ বার করবেন।

উপুর হয়ে শুয়ে পরুন। ২টো হাত মুখের থুতনির নিচে রাখুন। এবার ১টা করে পা হাটুঁ ভাজ করে পিছনের দিকে চাপ দিন দেখবেন হাঁটু যেন মাটি থেকে উঠে না যায়। একবার বাঁ পা আর একবার ডান পা এইভাবে ২০ বার। এবার এক সঙ্গে ২টো পা ২০ বার করুন। সামনের থেকে পিছনের দিকে বেশী চাপ দেবেন। এইভাবে পুরো সেট টা ৫-৬ বার করবেন।

পা জোড়া করে সোজা হয়ে বসুন। ২টো হাত একসঙ্গে কাত হয়ে বাঁদিকে মাটি স্পর্শ করুন, এবার ডান দিকের মাটি স্পর্শ করুন। এইভাবে ২০ বার।

বুধবার

আব্বু কেন আমার সাথে এমন করে….

 

 

 

আমি এবার h.s.c.exam দিতেছি । আজ আমার আব্বুকে নিয়ে কিছু বলব। তিনি কেন আমার সাথে এমন করেন বুঝিনা। যখন নিজের ভাল দিকta বোঝার khomota হয়েছে তখন থেকেই বুঝতে পারলাম বিনা কারনেই আমার সাথে এমন করে আব্বু। দিনে দিনে খারাপ আচরন বেড়েই চলেছে । আর akto ভূল পেলে তো কোন কথাই নেই। খুব খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে । আমার abbor কথা শুনে প্রতিবেশীরা বলে মেয়েকে কেউ এত খারাপ কথা বলে? পাশের বাসার মানুষের মুখে এসব কথা শুনে আমার বমি আসছে । মনে মনে ভাবি এই কি আমার বাবা?

 

শুধু কি তাই, এর আগে 4 বার আমার বই খাতা পুড়ে ফেলতে চেয়েছে । অনেক হাতে পায়ে ধরে বইগুলো বাচিয়েছি। পড়ালেখার খরচও দিতে চায় না । shamanno ভূল করলেই মারও দেয় আমাকে । মাঝে মাঝে যখন বকা দেয় তখন খারাপ কাজ করে খেতে বলে ,garments এ চাকরি করতে বলে,ভিক্ষা করতে বলে ইত্যাদি । মাঝে মাঝে দামি কোন জিনিসের আবদার করলে বকা দেয় ।দেয়ও না ।ভূলে যদি আমার কাছ থেকে কোন কিছু অপচয় হয় তখনও বোকা দেয় । protibad করলে আরো বেশি মার ,বোকা খেতে হয় ।গত 4 বছরে কয়েক বার ঘার ধরে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে ।কয়েকবার বের করে দেবার পরেও বাসায় ফিরে এসেছি আবার কয়েক বার বের হয়ে সোজা নানার বাসায় থেকেছি সাথে আমার মাও ছিল ।আমার abbo মাঝে মাঝে এমন কাজ করে সমাজের মানুষের সামনে মুখ দেখাতে আমাদের lojja করে।আর সারা দিন চিললা চিললি করে । কেন তিনি আমাদের সাথে এমন করে জানিনা । জানতে চাইলে বলে তোদের ভালর জ্ন্য। এই কথাta আমি মানতে পারি না কিছু বলতেও পারি না,আবার সইতেও পারি না ।এখন আমি কী করব বুঝতে পারছি না ।

 

ডক্টরঃ নিয়মিত পাঠকদের কাছে ভালো কোন পরামর্শ থাকলে প্রশ্নকর্তাকে দিয়ে সাহায্য করবেন ধন্যবাদ।

বৃহস্পতিবার

মাসিকের কত দিন আগে বা পরে কনডম ছাড়া সেক্স করা যায়?

 

 

অতিরিক্ত জনসংখ্যা যে পৃথিবীর সবথেকে বড় সমস্যা সেটা বোঝার এখন সময় এসেছে। একটু ভুল বললাম, তাই না? সময় ৫০ বছর আগেই এসে চলে গেছে! জনসংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আগামী ২০৫০ নাগাদ খাদ্য, জল, বাসস্থানের সমস্যা অবস্যম্ভাবি। এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত গর্ভনিরোধ পদ্ধতি। আধুনিক বিজ্ঞানের দৌলতে জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে, তার মধ্যে থেকে নিজের পছন্দমত বেছে নিয়ে নিশ্চিন্তে  সেক্স উপভোগ করুন ও ধরিত্রীর বোঝা কমাতে একটু সহযোগিতা করুন। এই পোস্টে জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পন্থা সম্মন্ধে আলোচনা করা হল।

 

১) কন্ডোম – জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার সবথেকে সহজ, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য উপায় হল কন্ডোম বা নিরোধ ব্যবহার। কন্ডোম পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্যেই পাওয়া যায়। তবে পুরুষ কন্ডোম ব্যবহার অপেক্ষাকৃত সহজ। সঠিক উপায় কন্ডোম ব্যবহার করলে পুরুষ কন্ডোমের সফলতার হার প্রায় ৯৮%। পুরুষ কন্ডোম উত্তেজিত লিঙ্গে পড়ানো হয় এবং মহিলা কন্ডোম সঙ্গমের পূর্বে যোনির মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। কন্ডোম ব্যবহার করলে বীর্য ওর মধ্যে আটকে যায় এবং সরাসরি যোনির সংস্পর্শে আসেনা। ফলে গর্ভসঞ্চার হয় না। কন্ডোম সাধারণত ল্যাটেক্স, পলিইউরেথিন বা নাইট্রাইল নামের পদার্থ দিয়ে তৈরি। পুরুষ কন্ডোমের বাইরের গায়ে লুব্রিকেশন লাগানো থাকে। প্রয়োজন হলে আলাদাভাবেও অতিরিক্ত লুব্রিকেন্ট কন্ডোমে লাগানো যায়। তবে উল্লেখ্য যে ল্যাটেক্স কন্ডোম ব্যবহারের সময় তেল বা তেল দিয়ে তৈরি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ নয়, কারণ ল্যাটেক্স তেলে দ্রবিভূত হয়ে সেক্সের সময় কন্ডোম ছিড়ে যেতে পারে। তার বদলে জল দিয়ে তৈরি বিশেষ লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ।কন্ডোম সম্পর্কে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হল যে একসাথে একটির বেশি কন্ডোম ব্যবহার করা উচিৎ নয়। তাতে কন্ডোম ছিড়ে যাবার বা খুলে যাবার সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পায়। একথা এজন্যে বললাম কারণ দেখা গেছে অনেক ব্যক্তি বেশি সুরক্ষা পাবার উদ্দেশ্যে একসাথে দুটি কন্ডোম পড়ে নেয়। উল্লেখযোগ্য যে অন্যান্য সমস্ত জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির তুলনায় কন্ডোমের একটি বিশেষ সুবিধে হল যে জন্ম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও কন্ডোম ব্যবাহার করলে যৌনরোগের হাত থেকেও বাঁচা যায়। ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন

 

২) পিরিওডের নিরাপদ সময় – পিরিওডের রক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার দিন থেকে প্রথম সাত দিন ও শেষ সাত দিন সেক্স করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। তাই ওই সময়কে সেক্সের  নিরাপদ সময় হিসেবে ধরা হয়। তবে এই শর্ত কেবল সেইসকল নারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যাদের পিরিওড নিয়মিত ২৮ দিন (বা নিয়মিত ২৬ থেকে ৩১ দিন) অন্তর অন্তর হয়। এদের ক্ষেত্রে রজস্রাব শুরু হওয়ার দিনকে প্রথম দিন ধরে গুণতে থাকলে মোটামুটি ১২ থেকে ১৯ তম দিনে ডিম্বাণু নির্গমণ হয়। ডিম্বাণু ওভিউলেশনের পর প্রায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা জীবিত থাকে এবং স্ত্রী জননতন্ত্রে বীর্যস্খলনের পর শুক্রাণু ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে। তাই পিরিওডের সপ্তম থেকে ২১ তম দিন পর্যন্ত সেক্স করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি। পিরিওডের বাকি দিনগুলো, প্রথম থেকে সপ্তম ও ২১ তম দিন থেকে পুনরায় রজস্রাব শুরু হওয়ার দিন পর্যন্ত সেক্সের নিরাপদ সময় হিসেবে গন্য করা হয়। মনে রাখবেন যে রক্তক্ষরণ শুরু হবার দিনকে প্রথম দিন ধরেই কিন্তু উপরোক্ত হিসেব দেওয়া হয়েছে। এসম্মন্ধে বিশদে জানতে পিরিওড সংক্রান্ত এই পোস্ট দেখুন। তবে উল্লেখযোগ্য যে পিরিওডের কোন দিনই প্রকৃত নিরাপদ দিন নয়। উপরিউল্লিখিত নিরাপদ সময়ে সেক্স করলেও গর্ভধারণের স্বল্প হলেও কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। কাজেই অপর কোন জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপায়, যেমন কন্ডোম বা পিল ব্যবহার করাই শ্রেয়। কারণ যাদের পিরিওড অনিয়মিত বা ২৮ দিনের থেকে অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু উপরোক্ত হিসেব প্রযোজ্য নয়। উপরন্তু যৌনরোগের সম্ভাবনা সব সময়েই থাকে। তাই ক্যাসুয়াল সেক্স বা বিবাহবহিঃর্ভুত সেক্স করার সময় জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার এই পদ্ধতির উপর কখওনই নির্ভর করা উচিৎ নয়। এই পদ্ধতি শুধুমাত্র সেইসকল দম্পতিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যারা হয়তো এখওনই বাচ্চা-কাচ্চা চান না, কিন্তু নেহাৎ হয়ে গেলেও কোন অসুবিধা নেই।

 

 

৩) গর্ভনিরোধোক বড়ি – মহিলাদের ব্যবহারযোগ্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায় হল গর্ভনিরোধোক বড়ি। এগুলো মূলত ইস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন হরমোনের বড়ি। ওইসব বড়ি খেলে ওভিউলেশন বা ডিম্বাণু নির্গমন হয় না। ফলে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাবনাও থাকে না। দুধরনের বড়ি পাওয়া যায় – একটিতে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন দুটোই থাকে এবং অপরটিতে শুধু প্রোজেস্টেরন থাকে। দুটোই গর্ভসঞ্চার রোধে সমান কার্যকরী, কিন্তু প্রথম বড়িটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যেমন স্তন্যদায়ী মহিলা এবং এমন মহিলা যাদের রক্তবাহে রক্ত তঞ্চনের সম্ভাবনা বেশি, ইত্যাদি। উভয় বড়িই পিরিওডের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং ব্যাথা বা কমায়। গর্ভনিরোধোক বড়ি নিয়মিত খেতে হয়। যেসকল বড়িতে কেবল প্রোজেস্টেরন থাকে তাদের প্রত্যহ একটি নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হয়। তবে গর্ভনিরিধোক বড়ি খেতে শুরু করার পর প্রথম সপ্তাহে তার সাথে অন্য কোন কার্যকরী গর্ভনিরোধ (জন্ম নিয়ন্ত্রণের) পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ ওই সকল বড়ির প্রভাব কার্যকরী হতে কিছুটা সময় লেগে যায়। উল্লেখ্য যে গর্ভনিরোধোক বড়ি খাওয়া শুরু করার পূর্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিৎ।

 

 

 

রবিবার

স্ত্রীর দুধ পেটে চলে গেলে কি স্ত্রী হারাম হয়ে যায়?

প্রশ্নঃ সন্তান মায়ের স্তন বৃন্ত চুষে দুগ্ধপান করে। মিলনের পূর্বে স্ত্রীর স্তনবৃন্ত চোষণ করা কি স্বামীর জন্য বৈধ? পক্ষান্তরে অসাবধানতায় যদি পেটে দুধ চলে যায়, তাহলে কি স্ত্রী মায়ের মত হারাম হয়ে যাবে?

উত্তরঃ  স্বামীর জন্য বৈধ তার স্ত্রীর স্তনবৃন্ত চোষণ করে উভয়ের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করা। সে ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর দুধ তার পেটে চলে যায়, তাহলে তাতে কোন প্রকার ক্ষতি হয় না এবং স্ত্রী তার মা হয়ে যায় না। কারণ দুধ পানের মাধ্যমে হারাম হওয়ার যে সব শর্ত আছে, তা হলঃ

১। দুই বছর বয়সের মধ্যে দুধ পান করতে হবে। সুতরাং তার পরে বড় অবস্থায় দুধ পান করলে হারাম হবে না।

২। পাঁচবার পান করতে হবে।

সুতরাং ২/৪ বার পান করলে কোন প্রভাব পড়ে না। আর বড় অবস্থায় ৫ বারের বেশী পান করলেও কোন ক্ষতি হয় না। (ইবনে বায, ইবনে উষাইমীন)

উত্তর দিয়েছেনঃ আবদুল হামিদ ফাইযী’র দ্বীনী প্রশ্নত্তর থেকে।