May 14 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
May 14 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার

মেয়েদের বক্ষ এত আকর্ষণীয় হওয়ার কারণ কি স্তন ? কি বলে মেয়েরা চলুন জেনে নিই

 

 

স্তন হল স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শরীরে দুগ্ধ (স্তন্য) উৎপাদনকারী গ্রন্থি। স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়লিঙ্গেই ব্রেস্ট থাকলেও একমাত্র স্ত্রী প্রাণীই দুগ্ধ উৎপাদনে সক্ষম। বয়ঃসন্ধিকালে অর্থাৎ যৌবনাগমনে স্ত্রী শরীরে দুধ বা মাই বিকশিত হতে আরম্ভ করে এবং আকারে বৃদ্ধি পায় ও স্থুলতা লাভ করে। সাধারণত ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই দুধ পরিণতি সম্পূর্ণ হয়।

 

পুংশরীরে স্তন থাকলেও তা অপরিণত অবস্থাতেই থাকে এবং কয়েকটি বিরল ক্ষেত্র ব্যতীত তা থেকে দুগ্ধ নিঃসরণ হয় না। যৌবনপ্রাপ্ত স্ত্রীশরীরে পুষ্ট স্তনের আভাস প্রকটভাবে ফুটে ওঠে। প্রকৃতপক্ষে ব্রেস্ট স্বেদগ্রন্থিরই বিবর্তিত রূপ। স্তন্যপায়ী প্রাণীর শরীরে স্বেদগ্রন্থি বিবর্তন লাভ করে স্তনে রূপান্তরিত হয়। মানবশরীরে দু’টি স্তন থাকে কিন্তু অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বহুক্ষেত্রেই দুইয়ের অধিক দুধ পরিলক্ষিত হয়। যৌনমিলন কালে স্তন চুমু দিয়ে বিশেষ আনন্দ পাওয়া যায় ।

 

নারীর সৌন্দর্যের একটা গুরত্বপূর্ণ অংশ হল তাদের স্তন। ১২-১৩ বছরে এই লক্ষণ বোঝা যায়কেন যৌন আকর্ষণের মূলকেন্দ্র মেয়েদের বক্ষস্থল? শুধুই কি যৌনতা নাকি অনেক ক্ষেত্রেই শুধু নান্দনিক আকর্ষণও থাকে? এক এক জনের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাটি অবশ্যই একেক রকম।

মেয়েদের শরীরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ বক্ষস্থল। কিন্তু কীসের জন্য এই আকর্ষণ? শুধুমাত্র ছেলেরা নয়, মেয়েরাও কিন্তু বক্ষসৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হন। কিন্তু কেন?
১) এই বিষয়ে প্রথম তত্ত্বটি অবশ্যই সিগমুন্ড ফ্রয়েডের, যেখানে তিনি বলেছেন যে মায়ের কোল থেকেই অবচেতনে যৌনতা সম্পর্কে প্রথম ধারণাটি জন্মায় মানুষের। অর্থাৎ স্তন্যপানের অভিজ্ঞতাই ভবিষ্যতে স্তন সম্পর্কে আকর্ষণ তৈরি হওয়ার প্রধান কারণ।
২) সম্পূর্ণ উন্মোচিত স্তনের চেয়েও তার আভাস অনেক বেশি আকর্ষণীয়। মনস্তত্ত্ববিদেরা বলেন, এই পুরোটা না দেখতে পাওয়াই তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে মানুষের মধ্যে, ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে।
৩) গঠনগত দিক থেকে মেয়েদের স্তন প্রকৃতপক্ষেই সুন্দর। পুরুষ ও নারী, দু’জনের শারীরিক গড়ন যদি দেখা যায়, তবে সৌন্দর্যের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েদের শরীরের এই অঙ্গই

 

 

মাসিক চলাকালীণ সময়ে যে লক্ষণগুলো দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে

 

 প্রচন্ড মাথা ব্যথা :
পিরিয়ডের সময় মাথা ধরা, মাথা ঝিমঝিম করা বা মাথায় চাপ অনুভব করাটা স্বাভাবিক। মাথাব্যথা প্রচণ্ড আকার ধারণ করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা আছে। কারণ মাইগ্রেনের সাধারণ ওষুধ এ সময় কাজ নাও করতে পারে।

জমাটবাঁধা রক্ত নিঃসরণ :
পিরিয়ডের বেশি ব্যথা হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হলো চাপ চাপ রক্ত যাওয়া বা জমাটবাঁধা রক্ত নিঃসরণ। মাঝে মাঝে এমন হতেই পারে। কিন্তু যদি পরপর কয়েকবার পিরিয়ডের সময় তাহলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। এটি জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে কোনো সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

প্রচণ্ড পেটব্যথা :
মাসিকের সময় তলপেটের ব্যথা কমবেশি সব মেয়েদেরই করে। তবে প্রচণ্ড রকমের পেটব্যথা করলে তার কথা আলাদা। প্রচণ্ড এই ব্যথা হতে পারে হরমোন, জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের সমস্যার কোনো লক্ষণ। তাই পিরিয়ডের সময় প্রচণ্ড পেটব্যথা হলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।

দীর্ঘমেয়াদী বিষণ্নতা ও রাগ :
মাসের এই বিশেষ দিনগুলোতে অনেকেই বিষণ্ন থাকেন। তেমন কোনো কারণ ছাড়াই মন থাকে খারাপ। তবে এই মন খারাপ যদি দীর্ঘদিন ধরে থাকে তাহলে তা ডিপ্রেশন রোগে রূপান্তরিত হতে পারে।
একই কথা রাগের ক্ষেত্রেও। পিরিয়ডের সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া রাগ হয়ে যেতে পারে আপনার রোগ। রেগে গিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি, ভাঙ্গচুর করার অভ্যাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াটাই ভালো।

আপনাদের সুস্থ্য ও সুন্দর জীবনই আপনার ডক্টরের একমাত্র উদ্দেশ্য।মেয়েদের যেকোন গোপন ও জটিল রোগের সুপরামর্শ পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন আপনার ডক্টর।ধন্যবাদ
কৃতজ্ঞতা: ডা. রিতা হাজরা
সূত্র: প্রিয় লাইফ

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

 

 

 

মেয়েদের যৌনাঙ্গের নিবিড় পরিচর্যা নেওয়ার উপায়

 

মেয়েদের যৌনাঙ্গ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখলে যে শুধু মাত্র স্বাস্থ্যকর যৌন মিলন করা যায় তা নয়, বরং সব কাজে মন বসে ও আরাম পাওয়া যায়। অনেকেই যৌনাঙ্গ পরিষ্কার মানে মনে করে হেয়ার রিমূভাল দিয়ে যৌনাঙ্গের সব চুল তুলে ফেলা। আসলে যৌনাঙ্গ পরিষ্কারের জন্য সব চুল তুলে ফেলতে এরকম কোন কথা নেই। আপনার মূল্যবান গোপন অঙ্গের যত্ন নেয়ার কয়েকটি গুরুত্ব পূর্ণ টিপস নিচে আলোচনা করা হল –

 

১। যৌনাঙ্গের চুল পুরো না ফেলে নিয়মিত ট্রিম করুন। এতে করে অবাঞ্ছনীয় বাম্প, গোটা বা একনির হাত থেকে রক্ষা পাবেন। ট্রিম করার জন্য ইলেকট্রিক রেজার ব্যবহার করতে পারেন।

২। গোসলের আগে বেবী লোশন ব্যবহার করুন। প্রায় দশ মিনিটের বেশী ম্যাসাজ করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

 

 

৩। যৌনাঙ্গ প্রতিদিন পাঁচ বার পানি ও হাল্কা ক্লিঞ্জার ব্যবহার করে পরিষ্কার করুন।

৪। কাজে, বাইরে বা শিক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় পরিষ্কার পাতলা পেনটি ব্যবহার করুন।

 

শনিবার

মাসিক চলাকাালে আমার সাথে একই বিছানায় কেউ থাকলে সকালে কি তার কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে?

 

 

 

মাসিক চলাকাালে আমার সাথে একই বিছানায় কেউ থাকলে সকালে কি তার কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে?

 

মাসিক/ ঋতৃস্রাব/ পিরিয়ড নারীদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় প্রভাবকারী একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হচ্ছে মাসিক। ডিম্বাশয়, ডিম্বাশয় হতে বহির্গত হবার নালী (Fallopian tube), জরায়ু, এন্ডোমেট্রিয়াম (Endometrium) এবং যোনির সমন্বয়ে তৈরী প্রজনন অঙ্গ তলপেটে অবস্থিত। মাসিক চক্রের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনে আছে এসট্রোজেন এবং প্রজেসটেরোন যা শরীরকে গর্ভবস্থার জন্য তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণত, প্রতি ২৮ দিন পরপর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নি:সৃত হয়, যা জরায়ুর দুই পাশের নালী (Fallopian tube) দিয়ে জরায়ুর মধ্যে প্রবেশ করে। গর্ভধারণ না করলে, অনিষিক্ত ডিম্বাণু এবং জরায়ুর আবরণ (এন্ডোমেট্রিয়াম) একত্রে প্রত্যেক চক্রে শরীর থেকে ঝরে যায়। একেই মাসিক তৈরী হওয়া বা রজ:স্রাব (Menstruation) বলা হয়। –

 

উত্তরঃ মাসিক চলাকাালে আপনার সাথে যিনি শুবেন তার কাপড়ে যদি কোন নাপাকি না লাগে তাহলে তার কাপড় ধোয়ার কোন প্রয়োজন নেই।