May 23 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
May 23 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার

বেডরুমে মোটা মহিলাদেরই পছন্দ করেন পুরুষরা

 

 

মোটা মহিলারা রোগা হওয়ার জন্য অনেক মেহনত করেন৷ কেউ তো খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দেন৷ আবার কেউ জিরো সাইজ ফিগার পাওয়ার আশায় দিন রাত জিমের চক্কর কাটেন৷ তবে জানেন কি বেশীরভাগ পুরুষ কিন্তু সহবাসের ক্ষেত্রে মোটা মহিলাদেরই পছন্দ করেন৷

ফ্যাশান শো এর মঞ্চে জিরো সাইজ ফিগারকে দেখতে ভালোবাসলেও বেডরুমে কিন্তু পার্টনার হিসাবে তারা হেলদি মহিলাদেরই পছন্দ করেন৷ সম্প্রতি এই বিষয়টি নিটে বৃটেনে একটা সমীক্ষা করা হয়েছিল৷

এই সমীক্ষাতে ধরা পড়েছে 89 শতাংশ পুরুষরা বলেছেন সহবাসের জন্য তারা মোটা মহিলাদেরই ভালো লাগে৷ অপরদিকে 68% মহিলা জানিয়েছেন সহবাসের ক্ষেত্রে মোটা পুরুষদেরই তারা পছন্দ করেন৷

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায় কী?

 

 

নিয়মিত হস্তমৈথুন শরীরের জন্য ভালো। তবে এটা খুব বেশি করলে এবং সেই অনুপাতে শরীরের যত্ন না নিলে শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্লান্তি আসতে পারে। এটা যাতে নেশায় পরিনত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাদের কাছে এটা নেশার মত মনে হয়, এবং মনে প্রাণে কমিয়ে দিতে চাইছেন, তাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করণীয় হতে পারে-

১. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, হস্তমৈথুন বা স্বমেহন কোন পাপ বা অপরাধ নয়। এটা প্রাণীদের একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা করে ফেলে কোন প্রকার অনুশোচনা, পাপ, বা অপরাধবোধে ভুগবেন না। এমন হলে ব্যাপারটা সব সময় মাথার মধ্যে ঘুরবে এবং এ থেকে মুক্তি পেতে আবার এটা করে শরীর অবশ করে ফেলতে ইচ্ছে হবে।
মনে রাখবেন আপনি মানুষ। আর মানুষ মাত্রই ভুল করে। এটা করে ফেলার পর যদি মনে করেন ভুল হয়ে গেছে তো সেজন্য অনুশোচনা করবেন না। নিজেকে শাস্তি দেবেন না। বরং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন যাতে ভবিষ্যতে মন শক্ত রাখতে পারেন।

২. যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন।
যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইব বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন।
কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন।
কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন।
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। সব সময় কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকুন। আগে থেকে সারাদিনের শিডিউল ঠিক করে রাখুন। তারপর একের পর এক কাজ করে যান। হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসবে না।
যারা একা একা সময় বেশি কাটায়, যাদের বন্ধুবান্ধব কম, দেখা গেছে তারাই ঘনঘন হস্তমৈথুন বেশি করে। একা একা না থেকে বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটান। একা একা টিভি না দেখে বন্ধুদের সাথে কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব না থাকলে ঘরে বসে না থেকে পাবলিক প্লেসে বেশি সময় কাটান।

৩. বসে না থেকে সময়টা কাজে লাগান। জীবনকে সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড দিয়ে ভরিয়ে তুলুন। সব সময় নতুন কিছু করার দিকে ঝোঁক থাকলে হস্তমৈথুনের ব্যাপারটা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে। এই সাথে আরো সব বাজে জিনিসগুলোও জীবন থেকে হারিয়ে যাবে। নতুন ভাবে জীবনকে উপলব্ধি করতে পারবেন, বেঁচে থাকার নতুন মানে খুঁজে পাবেন।
সৃষ্টিশীল কাজে জড়িয়ে পড়ুন। লেখালেখি করতে পারেন, গান-বাজনা শিখতে পারেন, আঁকাআঁকি করতে পারেন, অথবা আপনি যা পারেন সেটাই করবেন।
নিয়মিত খেলাধূলা করুন। ব্যায়াম করুন। এতে মনে শৃঙ্খলাবোধের সৃষ্টি হবে। নিয়মিত হাঁটতে পারেন, দৌড়াতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন, জিমে গিয়া ব্যায়াম করতে পারেন। বিকেলে ফুটবল, ক্রিকেট- যা ইচ্ছে, কিছু একটা করুন।
স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন। ফলমূল-শাকসবজি বেশি খাবেন।
নতুন কোন শখ বা হবি নিয়ে মেতে উঠুন। বাগান করতে পারেন, নিজের রান্না নিজে করতে পারেন, আরো কত কিছু আছে করার। আপনি যা করতে বেশি পছন্দ করেন, সেটাই করবেন। কিছুদিন পর আবার আরো নতুন কিছু করতে বা জানতে চেষ্টা করুন।
অফুরন্ত সময় থাকলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ুন। দেশ ও দশের জন্য সেবামূলক কাজে জড়িত হোন।

৪. ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনের একটা নেশা থেকে মুক্ত পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার আগাতে হবে।
ভালো কাজ করলে নিজেকে নিজে নিজে পুরস্কৃত করবেন। ভালো কোন জায়গাত ঘুরতে যাবেন। ভালো কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে আসবেন। নিজেকে ছোট ছোট গিফট কিনে দেবেন এবং সেগুলো চোখের সামনে রাখবেন এবং মনে করবেন যে অমুক ভালো কাজের জন্য এই জিনিসটা পেয়েছিলেন।

৫. অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

###########

কিছু টিপস:
১. ঘুমে সমস্যা হলে তখন সুগার ফ্রি মিন্টস্‌ বা ক্যাণ্ডি চিবাতে পারেন। হালকা কিছু খেলেও তখন উপকার হয়। তবে ঘুমিয়ে পড়ার আগে দাঁত ব্রাশ করে নেবেন।
২. কম্পিউটারে পর্ণ ব্লকিং সফটওয়ার ইনস্টল করে নিন। আজব একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন যাতে পরে ভুল যান। অথবা কোন বন্ধুকে দিয়ে পাসওয়ার্ড দিন। নিজে মনে রাখবেন না।
৩. কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে।
৪. হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না। নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন নয়।
৫. যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন।
৬. যখন দেখবেন খুব বেশি হস্তমৈথুন করতে ইচ্ছে হচ্ছে এবং নিজেকে সামলাতে পারছেন না, বাইরে বের হয়ে জোরে জোরে হাঁটুন বা জগিং করুন।
৭. সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন।
৮. ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে।
৯. হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন।
১০. সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না।
১১. ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন।
১২. যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন।
১৩. বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন।
১৪. যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন।
১৫. মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন।
১৬. হাতের কব্জিতে একটা রাবারের ব্যান্ড লাগিয়ে নেবেন। সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হলে তুড়ি বাজাতে পারেন, পা দোলাতে পারেন- এতে কুচিন্তা দূর হয়ে যাবে।
১৭. যতটা সম্ভব নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
১৮. যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন।
১৯. বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান।
২০. ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।
২১. নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন।
২২. বাড়িতে বা রুমে কখনো একা থাকবেন না।
২৩. কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।
২৪. উপুর হয়ে ঘুমাবেন না।
২৫. বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না।
২৬. গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাম করবেন না।
২৭. ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন।

 

 

 

সকালের যৌন মিলন শরীর ভাল রাখে

 

 

সকালবেলার যৌন মিলন শরীরের সঙ্গে মনও ভাল রাখে৷ খবরটা শুনে মোটেও চমকাবেন না৷ একটি সমীক্ষাতে এই তথ্য উঠে এসেছে৷ লন্ডনের বেলফাস্টের কুইন্স ইউনিভার্সিটি এই সমীক্ষা করেছে৷

সমীক্ষায় জানা গেছে সপ্তাহে তিনদিন যদি ভোরবেলা যৌন মিলন করা যায়, তাহলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অর্ধেক করে দেয়৷ আর যদি এটি ঠিকমত করা যায় তাহলে ব্লাড প্রেশারের মত মারাত্মক রোগ সারাতে সাহায্য করে৷

একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় জানা গেছে সপ্তাহে দুইদিন যদি ভোরবেলা যৌন মিলন করা যায়, তাহলে শরীরে অ্যান্টীবডি গঠন করতে সাহায্য করে৷ সকালের যৌন মিলন আর্থারাইটিস ও মাইগ্রেনের মত রোগ সারিয়ে তোলে বলে সমীক্ষাতে জানা গেছে৷

আরও জানা গেছে যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের পক্ষে সকালের যৌন মিলন অত্যন্ত ফলপ্রদ৷ সকালের আধঘন্টার যৌন মিলনে 300 ক্যালোরির মত শক্তির খরচ হয় যেটা ডায়বেটিস কমাতে সাহায্য করে৷

এই পরীক্ষাটি করা হয়েছিল 300টি সেক্সী মহিলার উপর যাদের সঙ্গীরা কখনই কন্ডোমের ব্যবহার করে না৷ তারা জানিয়েছে এর ফলে তাদের মনে কোন মানসিক অবসাদ নেই৷ এছাড়া দেহের হাড়ের গঠনেও সকালের যৌন মিলন বিশেষ ভূমিকা পালন করে বলে জানা গেছে৷

সকালের এই মানসিক তৃপ্তিটার কারণে চুল ও চামড়ায় উজ্জ্বলতা আনে কারণ এইসময় ওসট্রোজেন ও অন্যান্য হর্মোনের ক্ষরণের কারণে৷ অবশ্য সমীক্ষরাও এও জানিয়েছেন প্রতিদিন যদি যৌন মিলন করা হয় তাহলে শরীরের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়৷

সোমবার

মেয়েদের পাছা বড় ভারী ও নরম করার সহজ উপায়

 

 

মেয়েদের পাছা বড় ভারী ও নরম করার সহজ উপায় জানতে পুরা পোস্ট টি পড়ুন। যে ব্যায়াম গুলো এখানে দেয়া আছে সেগুলো করলে পাছা বড় হবে। গড়ন কিছুটা ঢলঢলে হলে সব ছেলেরই ভালো লাগে। শক্তিশালী উরু আর নিতম্ব (পাছা) সুন্দর দেখতে হওয়ার জন্য তো বটেই, আপনার শারীরিক সক্ষমতার জন্যেও অত্যন্ত জরুরী। কারণ, পায়ের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে আপনার গোটা শরীরের ভার। আর আপনি যখন বসে কাজ করছেন, আপনার শরীরের ভার বইছে আপনার নিতম্ব। আর সুগঠিত নিতম্ব আপনাকে আকর্ষণীয় করে তোলার পাশাপাশি আপনার শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন।

 

সুঠাম উরু আর সুগঠিত নিতম্ব পেতে হলে জন্য ব্যায়ামের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। সঙ্গে দিনে ২-৩ লিটার জল খাওয়া জরুরি।

 

১। পাছায় নিয়মিত বেবি লোশন মাখুন।
২। নিয়মিত দড়ি লাফ খেলুন।
৩। রাতে শোবার সময় পাছায় হাল্কা বরফ ঘষে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধু মাত্র গরমের দিনে করবেন।
৪। প্রচুর হাঁটুন এবং…পানি পান করুণ।
৫। বেশী ক্ষণ একটানা বসে থাকবেন না। এতে পাছার গড়ন খারাপ হয়ে যেতে পাড়ে।
৬। আপনার পাছা খুব ছোট হলে সঙ্গীকে মর্দন করতে বলুন।
৭। পায়খানা করার জন্য কমোড ব্যবহার করুণ। প্যানে পায়খানা করলে পাছার মাঝখানের ফাঁক বড় হয়ে যায়।

 

দেওয়ালের দিকে পিঠ করে দাঁড়ান। এবার যেভাবে চেয়ার এ বসে সেইভাবে হাঁটু ভাজ করে বসার চেষ্টা করুন। যতক্ষণ পারেন এই অবস্থায় থাকুন তার পর উঠে দাঁড়ান। ১০-১৫ বার এই ব্যায়ামটা করতে হবে।

এক পাশ হয়ে মাটির উপর শুয়ে পরুন। শরীরকে সমান রাখবেন পা সহ। এবার মাটির উপর যে পা-টি আছে তাকে একই জায়গায় রেখে অন্য পা-টি উপরে একবার তুলুন আবার নামান। এইভাবে ২০ বার করুন। এবার উলটো দিকে কাত হয়ে শুয়ে একই ভাবে অন্য পা করুন ২০ বার।

 

মাটিতে সোজা হয়ে শুয়ে পরুন। হাত ২টো কাঁধ বরাবর ছড়িয়ে দিন। এবার হাঁটু ভাজ করে পায়ের পাতার উপর ভর দিয়ে হিপ তুলুন আর নামান এইভাবে ১০ বার এর পর হিপ তুলে ২০ গুনুন। এই পুরোটা ১০-১৫ বার করবেন।

উপুর হয়ে শুয়ে পরুন। ২টো হাত মুখের থুতনির নিচে রাখুন। এবার ১টা করে পা হাটুঁ ভাজ করে পিছনের দিকে চাপ দিন দেখবেন হাঁটু যেন মাটি থেকে উঠে না যায়। একবার বাঁ পা আর একবার ডান পা এইভাবে ২০ বার। এবার এক সঙ্গে ২টো পা ২০ বার করুন। সামনের থেকে পিছনের দিকে বেশী চাপ দেবেন। এইভাবে পুরো সেট টা ৫-৬ বার করবেন।

পা জোড়া করে সোজা হয়ে বসুন। ২টো হাত একসঙ্গে কাত হয়ে বাঁদিকে মাটি স্পর্শ করুন, এবার ডান দিকের মাটি স্পর্শ করুন। এইভাবে ২০ বার।

মা হওয়ার লক্ষন জেনে নিন – Pregnancy Tips

 

 

প্রতিটি নারীর কাছেই খুশির সংবাদ হল সন্তানের মা হওয়া। গর্ভধারণের  প্রক্রিয়াটি শুরু হয় আপনার গর্ভে ভ্রুনের জন্মের মধ্য দিয়ে। আর আপনি আসলেই সন্তানসম্ভবা হয়েছেন কিনা তা ঘরে বা ক্লিনিকে Pregnancy Test Kit দিয়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে নিয়মিত মাসিক বন্ধ হওয়ার পর আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু আপনার শরীর তার আগে থেকেই আপনাকে বিভিন্ন ভাবে জানিয়ে দিবে যে আপনি মা হতে চলেছেন।

 

ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া :
যাদের নিয়মিত মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে গর্ভধারনের সর্বপ্রথম চিহ্ন মাসিক বন্ধ হওয়া। মাঝে মধ্যে গর্ভবতী হলেও মাসিকের সময় সামান্য রক্তক্ষরণ হতে পারে। সবচেয়ে প্রচলিত ও তাৎপর্যপূর্ণ লক্ষণ হলো মাসিক বা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া। তবে কোনো কোনো গর্ভবতী নারীর পিরিয়ড থাকতে পারে তবে তা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক হাল্কা মাত্রার ও কম সময়ের জন্য। কোনো নারীর যদি আগে থেকেই অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে তবে গর্ভধারণের এ লক্ষণটি তার ক্ষেত্রে একটু সমস্যার সৃষ্টি করবে। ঠিক কবে থেকে মাসিক বন্ধ হলো তা সনাক্তকরণ একটু কঠিনই হবে।

 

খাবারের প্রতি অনীহা :
সবচেয়ে কমন একটি লক্ষন। আগে ভাল লাগত এমন খাবার বিস্বাদ লাগে আর নতুন নতুন খাবার খেতে ইচ্ছে করে। আবার অনেকের মুখে তামাটে স্বাদ লাগে।

 

তলপেট ফাপা :
এটিও হয় হরমোনের পরিবর্তনের কারনে। মাসিক শুরু হওয়ার আগেও একি রকম লক্ষন দেখা দেয়।

ঘন ঘন প্রস্রাব :
গর্ভধারণের পর হরমোনের পরিবর্তনের কারনে কিডনিতে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এর ফলে কিডনির ব্লাডার দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায় এবং ফলশ্রুতিতে ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। গর্ভধারণের ৬ সপ্তাহের মাঝেই এই লক্ষন প্রকাশ পায়। গর্ভাবস্থার পরবর্তী মাস গুলোতে এর মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

 

ক্লান্তি/অবসাদ :
প্রজেস্টেরনের বৃদ্ধির কারনে এই সময়ে অল্পতেই ক্লান্ত অনুভব করতে পারেন। গর্ভকালীন সময়ে মর্নিং সিকনেস (Morning Sickness) (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) এবং রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার কারনেও অবসাদ গ্রস্ততা বেড়ে যায়।

 

মাসিকের সময়েও এই অসস্তিকর লক্ষন গুলো দেখা যায়, তবে গর্ভকালীন সময়ে এর তীব্রতা অনেক বেশী হয়। শরীরে হরমোনের পরিবিরতনের কারনে এমনটি হয়। গর্ভধারণের পরবর্তী মাসগুলোতে শরীর যখন ধীরে ধীরে হরমোনের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয় তখন এই অসস্তিকর অনুভুতি কমে যায়।

বমির ভাব :
কনসিভ করার ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর থেকে মর্নিং সিকনেস (সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ক্লান্ত লাগা ও বমির ভাব হওয়ার প্রবনতা) দেখা দেয়। বমি বমি ভাব শুধু সকালেই নয় এমনকি দুপুরে ও রাতেও অনুভুথতে পাজায়। সাধারনত গর্ভধারণের ১২-১৬ সপ্তাহ পরে বমির ভাব অনেকটাই কমে যায়।