May 30 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
May 30 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার

প্রত্যক্ষ মিলন ও মিলনের ১৬ টি আসন সম্বন্ধে জানুন (সংক্ষেপে)

 

বড় পুরুষাঙ্গের উৎফুলক আসন

নারী যদি পিঠের উপরে শয়ন করে তারে তার নিতম্ব বা পাছা তুলে ধরে- উরুদ্বয় পরস্পর থেকে ছড়িয়ে থাকে তাহলে তাকে বলা হয় উৎফুলক আসন। এই আবস্থায় নারীর পাছার তলে একটি বালিশ রেখে যৌনি বেশ ফাঁকা করতে পারে। এই অবস্থায় পুরুষ নারীর কোমর দুহাতে জাপটে ধরে জোরে করে তার লিঙ্গকে যৌনি মধ্যে আমূল প্রবেশ করাতে পারে। নারী যৌনির গভীরতল প্রদেশে প্রবেশ করিয়া একবার সামনের একবার পেছনে ইন্দ্রিয় সঞ্চালন করলে নারী খুব বেশী আনন্দ পায়। তবে নারীর যৌনিতে আঘাত না লাগে তা দেখতে হবে।

 

 

বিজুমিভক আসন

এই ভঙ্গিমায় নারীকে তার জানু গুটিয়ে তুলে, উরুদ্বয় তুলে, উরুদ্বয় উচু করে এবং পরস্পর থেকে ছড়িয়ে দিয়ে তার যৌনি একেবারে ব্যাদিত মুখ করে দিলে পুরুষের সুবিধে হতে পারে।

ইন্দ্রানিক আসন

ইন্দ্র পত্নী শচীদেবী এই আসন করতেন বলে এই নাম। নারী তার হাটু এমন ভাবে জড়িয়ে ধরবে এবং উরুদ্বয় এমন ভাবে জড়িয়ে ধরবে, যাতে নারীর কোমনের দিকে সেগুলি গিয়ে লেগে যায়। এতে একটি সাধারণ নারী, হস্তিনী জাতীয় নারীর মত সুখ দান করতে পারে।

 

 

শিথিল যৌনির আসন

এবারে শিথিল যৌনি রতির বিভিন্ন ভঙ্গির কথা বলা হবে।

এই রতিতে প্রধান যা দেখা উচিত তা হলো নারী বা পুরুষের মধ্যে ব্যবধান। নারীর যৌনি শিথিল না পুরুষাঙ্গ অস্বাভাবিক ছোট। এই অবস্থায় পুরুষাঙ্গ যদি ঢল? ঢলে ভাবে যৌনির ভেতরে প্রবেশ করে এতে তা বলে নারী পুর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এখানে উচিত হলো নারীর যৌনিতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করার পর যৌনি শক্ত করা যেন এঁটে পড়ার জন্য পুরুষ আনন্দ পায়। এই অবস্থায় আরও বিভিন্ন আসন আছে।

 

 

সম্পূটক আসন

এতে নারী ও পুরুষ তাদের উরুদ্বয় ও পদদ্বয় সম্পূর্ন ছড়িয়ে দেবে (অর্থ্যাৎ লম্বা করে দিবে) তারপর পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে শয়ন করবে। যদি পাশাপাশি শুয়ে জড়িয়ে ধরা হয় তাহলে পুরুষাঙ্গ যৌনিতে প্রবেশ করিয় উরু পা লম্বা করে ছড়িয়ে ধরবে। একে ইংরেজিতে Side Clasping attitude বলে অনুবাদ করা হয়েছে। আর যদি নারীর বুকের উপরে পুরুষ শয়ন করে তাকে বলা হয়

যদি নারী পুরুষের সঙ্গে জড়াজড়ি করে শুয়ে পুরুষের পুরষাঙ্গ নিজের যৌনির মধ্যে প্রবশে কিরয়ে দিয়ে উরুদ্বয় খুব জোরে চেপে ধরে, তাহলে তাহলে তাকে বলে প্রচাপ আসন। এই ভঙ্গিতে সঙ্গমকালে অনেক সময় পুং ইন্দ্রিয় বেরিয়ে আসে তখন পুরুষের উচিত আবার তা যৌনির মধ্যে প্রবেশ করানো।

অর্দ্ধবৃত্ত আসন

পুরুষ আপন লিঙ্গ নারীর যোনি মধ্যে প্রবেশ করিয়ে তাকে ভালে ভাবে জড়িয়ে ধরবে। নারীও তাই দুই উরু বিপরীত দিকে রেখে পুরুষাঙ্গ খুব জোরে চেপে ধরবে। যাতে লিঙ্গ বের হয়ে যেতে না পারে, এই আসনকে বলা হয় অর্দ্ধবৃত্ত আসন। এতে যৌনি বেশ সঙ্কুচিত হয়ে আসে ও নারী বেশ আরাম অনুভব করে।

ক্রান্তাসন

এই ভঙ্গিতে ঘোটকির মত নারীও পুরুষের পুরুষাঙ্গ যৌনির ভেতরে প্রবেশ করিয়ে এত জোরে উরু দুটি বিপরীত দিকে এনে উরু দিয়ে চেপে ধরে, যে পুরুষাঙ্গ কিছুতেই যৌনি থেকে বের হতে পারে না। বাৎস্যায়নের মত অন্ধ্র প্রদেশের নারীরা এরুপ বিহার করতে খুবই অভ্যস্ত ছিল। উপরের লিখে আসনগুলি ছারাও আরও নানা ধরণের আসনের বিষয়ে এবার বলা হয়েছে।

ভগ্নক আসন

এই ভঙ্গিমায় যখন কোনও হস্তিনী নারী তার উরুদ্বয় একত্রিত করে পা দুটি মাথার দিকে উল্টে দেয় এবং পুরুষ তার উরুদ্বয়কে ফাঁকা করে নিজ লিঙ্গ যৌনিতে প্রবেশ করায়, তাকে বলা হয় ভগ্নক আসন।

জৃম্ভিতক আসন

এই ভঙ্গিতে পুরষ নারীর উরু দুটি বেকিয়ে নিজের উপর তুলে নেবে তার পর রতি শুরু করবে।

উৎপীড়িতক আসন

এতে নারী উরুদ্বয় বেকিয়ে পুরষের বুকের ওপর রাখে এবং পুরুষও তার হাত দুটি দিয়ে নারী কটিদেশে চেপে ধরে এই ভঙ্গিমায় রতি শুরু করে। তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে উৎপীড়িতক।

অর্দ্ধ উৎপীড়িতক আসন

যখন এক পা লম্বা থাকে আর এক পা পুরুষের বুকের ওপর থাকে, তখন তাকে অর্দ্ধ উৎপীরিতক বলা হয়।

বেনু বিদারিতক আসন

এই ভঙ্গিতে নারী তার এক পা পুরুষের কাঁধের ওপর চাপায় আর এক পা লম্বা করে রাখে। এই ভঙ্গিমায় একবার এক পা, আর একবার অন্য পা পুরুষের কাঁধের ওপরে চাপান চলে।

শূল চিত্রাতক আসন

এই ভঙ্গিতে নারী এক পা লম্বা করে বিছানায় রাখবে আর অন্য পা বেকিয়ে তার নিজের মাথায় ঠেকবে। এই ভঙ্গিমা আয়ত্বে আনতে একটু অভ্যাসের প্রয়োজন হয়ে থাকে সন্দেহ নাই।

কর্কটক আসন

যখন নারী তার পা গুটিয়ে উরুর সঙ্গে যোগ করে এবং পুরুষের পাছার তলদেশ জড়িয়ে ধরে তার গোড়ালি নিজের পাছায় রাখে এবং অনেক সময় হাটু গেড়ে সুরত আরম্ভ করে। তখন এই ভঙ্গিমার নাম কর্কটক আসন। (সংক্ষিপ্ত)

সোর্সঃ মেডিকেল সেক্স জ্ঞান ধরে রাখুন নিজের সম্মান, ডাঃ রিজিয়া খান মিতা

হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস

পুরুষাঙ্গ কত বড় হলে বউ অন্য ছেলের কাছে যাবে না?

 

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে, যৌনতার ক্ষেত্রে নারীর কাছে পুরুষাঙ্গের আকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু গবেষণার পর এ ধারণার সঙ্গে একমত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তারা জানাচ্ছেন, এ ক্ষেত্রে নারী কি চায় পুরুষের কাছে।

সুইজারল্যান্ডের এক দল গবেষকের গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় ‘জার্নাল অব সেক্সুয়াল মেডিসিন’-এ। তারা ১০৫ জন নারীর ওপর জরিপ চালান। দেখা গেছে, যৌনতায় তাদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকার সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বিবেচিত হয়েছে।

গবেষকরা জানান, জন্মের সময় ছেলেদের ০.৩-০.৫ শতাংশ ত্রুটিপূর্ণ পুরুষাঙ্গ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। জন্মের প্রথম বছরের মধ্যে সার্জারির মাধ্যমে তা ভালোও করা যায়।

 

 

৪ থেকে ৬ ইঞ্চি হচ্ছে বেশিরভাগ পুরুষের উত্তেজিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য। এর চেয়ে ছোট হলে যৌনমিলনের কোন কোন আসনে যোনিতে লিঙ্গ চালনা কঠিন হতে পারে। বেশি বড় হলেও আবার সঙ্গিনী ব্যাথা পেতে পারে।

 

পুরুষের লিবিডো বা কামচেতনা এবং যৌনক্ষমতা আনুপাতিক—এ এক বহুপ্রচলিত বিশ্বাস। এই বিশ্বাসকে যারা ব্যাখ্যা করে তারা বলে বেড়ায় যে পুরুষাঙ্গের আকার যত বড় হবে যৌন প্রেরণাও ততই বাড়বে। একইভাবে লিঙ্গোত্থান ঘটানো  ও তা বজায় রাখাও পুরুষাঙ্গের বর্ধিত আকারের ওপর নির্ভরশীল।

 

কোন ব্যক্তি কি পরিমাণ যৌন প্রেরণায় অধিকারী মনস্তাত্ত্বিক পরিভাষায় তা বর্ণনা করতে লিবিডো শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যৌন প্রেরপণা হল বংশপরস্পরায় প্রাপ্ত যাবতীয় সহজাত অনুভূতি, হরমোন বা গ্রন্থি নিঃসরণ সংস্ক্রান্ত যাবতীয় তাগিদ এবং চেতন ও অচেতন নির্বিশেষে সবরকম মানসিক অনভূতির এক জটিল সংমিশ্রণ। এই পোস্ট টি করা হয়েছেঃ হেল্‌থ বাংলা ওয়েবসাইট এ, আপনি যদি এটি অন্য কোন ওয়েবসাইট এ পেয়ে থাকেন, তাহলে গুগল এ সার্চ করে হেল্‌থ বাংলা সার্চ করে আসল ওয়েবসাইট খুজে নিন। এইসব উপাদানের প্রত্যেকটিই লিবিডোর ওপর পুরুষাঙ্গের আকারের কোনও প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই।

 

জরিপে অংশ নেওয়া ১৬-৪৫ বছর বয়সী নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক চেহারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক, স্বাভাবিক আকৃতি, স্বাভাবিক অণ্ডকোষই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।

 

ফ্যাশন ম্যাগাজিন কসমোপলিটানের এক জরিপে অংশ নিয়েছেন ১১ শ পাঠক যার অধিকাংশই নারী। এ জরিপে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যে নারীর বয়স এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা যত বেশি, তার কাছে সঙ্গীর পুরুষাঙ্গের আকার তত কম গুরুত্বপূর্ণ। মূলত অভিজ্ঞতাই তাদের এ সত্য উপলব্ধিতে সাহায্য করেছে।

পুরুষাঙ্গের আকার সম্পর্কে যেসব ভ্রান্ত ধারণা দেখা যায় তাদের অধিকাংশেরই মুলে রয়েছে পুরুষাঙ্গের দুটি স্বাভাবিক অবস্থা। প্রথমটি হল শিথিল অনুত্থিত লিঙ্গ, এবং দ্বিতীয়টি হল উত্থিত লিঙ্গ। যৌন বাসনা চালিত হলে লিঙ্গের উপরিভাগ বরাবর দুটি ‘কর্পাস ক্যানভারনোসার’ মৌচাক সদৃশ্য ফাঁপা টিস্যু বা কলা এবং লিঙ্গের নিম্ম ভাগে অবস্থিত কর্পাস স্পঞ্জিয়োসাম—এর থলথলে টিস্যু যখন রক্তে ভরে ওঠে তখনই পুংলিঙ্গ বা পুরুষাঙ্গের ইরেকশান অর্থাৎ উত্থান হয়।

শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য তিন থেকে সাড়ে তিন ইঞ্চি হয়ে থাকে। উত্থিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য আরও দুই থেকে চার ইঞ্চি বেড়ে যায়। কিন্তু যেসব পুরুষাঙ্গ আকারে ক্ষুদ্র সেগুলো শিথিল অবস্থায় স্বাভাবিক পুরুষাঙ্গের তুলনায় অনেক বেড়ে যায় এবং তা দৈর্ঘ্য দ্বিগুণও হয়ে থাকে। শিথিল অবস্থায় যেসব পুরুষাঙ্গের আকার উত্থিত অবস্থায় চাইতে বড় হয় (তিন থেকে চার ইঞ্চি দৈর্ঘ্য), উত্থান হলে আনুপাতিকভাবে তাদের বৃদ্ধি হয় অনেক কম ( উত্থিত অবস্থায় দুই বা আড়াই ইঞ্চি বৃদ্ধি পায়) এইভাবে ছোট ছোট পুরুষাঙ্গের মধ্যে যে পার্থক্য তা যৌন ক্ষমতা চালনার সঙ্গে হ্রাস পায়। উত্থিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় মাপ হল সাড়ে পাঁচ থেকে সাড়ে ছয় ইঞ্চি (মূল থেকে অগ্রভাগ পর্যন্ত)।

এমনকি ৩৩ জন পুরুষ সার্জারির মাধ্যমে পুরুষাঙ্গে আকার ছোট করে নিয়েছেন বলেই এ গবেষণায় উঠে এসেছে।

 

অতএব দেখা যাচ্ছে যে, ওপরে বর্ণিত এইসব তথ্য সেই অলীক ও ভ্রান্ত বিশ্বাসকে খন্ডন করতে সমর্থ, যে পুরুষের লিঙ্গের আকার যত বড় হয় সে তার শয্যাসঙ্গিনীকে সহবাসকালে ততই অধিক পরিমাণে পরিতৃপ্তি প্রদানে  সমর্থ হবে। আকারে অস্বাভাবিক দীর্ঘ পুরুষাঙ্গও সহবাসকালে যেকোন নারীর পক্ষে যন্ত্রাণার কারণ হতে পারে, অবশ্য সেই নারী যদি এই যন্ত্রাণাকে হাসিমুখে গ্রহণ করে ত সে ক্ষেত্রে বলার কিছু নেই। তাঁকে আনন্দ ও বেদনার এক মিশ্র অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করা চলে ।এক্ষেত্রে নারীর উরু ওপরে ওঠালে অথবা তার পিঠ ও কোমরের মাঝামাঝি জায়গায় একটি বালিশ রাখলে তা উভয়ের পক্ষেই সুবিধাজনক হবে।

 

 

যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে পুরুষরা তাদের লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে আসছে । আর প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার এখন পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি । কারণ সত্যিকার অর্থে খাবার বড়ি, ক্রিম, লকিং মেশিন ইত্যাদির কোনটিই কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষই লিঙ্গত্থান সমস্যাসহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত ।

 

ডক্টর মাইকেল ও’লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল, ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, “বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা ।”

প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট । বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪ (চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজন দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয় । অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।

 

 

একটা বিষয় চিন্তা করুন, বাংলাদেশের বড় বড় ঔষধ কোম্পানিগুলি বসে বসে কি করছেন। তারা কেন পেনিস বড় করার ঔষধ তৈরী করেন না ? দেশের বড় বড় খ্যাতনামা যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা কেন তাদের রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপসনে এইসব ঔষধের নাম লিখেন না ? এর কারণ লিঙ্গ বড় করার মত কোনো ওষুধের ফর্মূলা এখনও আবিষ্কার হয়নি। যদি আসলেই স্বাভাবিক পেনিস লম্বা বা মোটা করার কোন ঔষধ থাকত তাহলে অবশ্যই তার সরকারী অনুমোদন থাকত আর সেটি আপনি আপনার পাশের ঔষধের দোকান থেকেই কিনতে পারতেন ।

* পেনিসের আকার কতটা হওয়া দরকার ?

প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট । বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪ (চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজম দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।

 

 

হস্তমৈথুন এবং লিঙ্গের আকার

অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় দীর্ঘদিন হস্তমৈথুন করার কারণে লিঙ্গের আকার কিছুটা পরিবর্তন হয়ে যায় এবং পেনিসে কিছুটা বক্রতাও সৃষ্টি হয় এর কারণে। কিন্তু তথা কথিত বিশেষজ্ঞরা হস্তমৈথুন করাকে ক্ষতিকর বলার বিপক্ষে, কিন্তু আমাদের দেশের পরিস্থিতিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। যেহেতু ধর্মীয় বিধি নিষেধ আছে, যেমন ইসলামে হস্তমৈথুন করা কবিরা গোনাহ, তাই এটা করলে মানুষের মনে পাপ বোধ জন্মাবে এটাই নিয়ম, তার সাথে সাথে নানা মানুষিক বিপর্যয় দেখা দিবে এটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়, তাই হস্তমৈথুনও যৌন সমস্যার কারণ হয়ে থাকে। তাই হস্তমৈথুন না করাই অতি উত্তম।

 

 

তবে লিঙ্গ প্রাকৃতিক ভাবে ছোট বা বড় হয়ে যেতে পারেনা । এটি শুধু উত্তেজনার সময় পর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে আকার পরিবর্তন করে। দীর্ঘদিন হস্তমৈথুন (এটা অপ্রাকৃতিক এবং কবিরা গুনাহ ) করার কারণে বার বার একই জায়গায় অতিরিক্ত প্রেসারের ফলে অনেকের ক্ষেত্রে পেনিসের আকার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। তবে হস্তমৈথুন অভ্যাস এবং এ সংক্রন্ত যাবতীয় কুফল দূর করার সফল চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। যেটা যৌন ক্ষমতার কোনো ক্ষতি করে না বরং উল্টো আরো যৌন শক্তি বাড়িয়ে থাকে। কিন্তু মন থেকে হস্তমৈথুন করার চিন্তাটাই দূর হয়ে যায়। হোমিও ঔষধ যে কোন রোগের কারণটাকে মূল থেকে দূর করে ফেলে। তবে তার জন্য দরকার অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার এবং যথাযথ ট্রিটমেন্ট।

অনেক পুরুষ কিংবা নারী পর্ন ফিল্ম দেখে লিঙ্গের আকার এবং মিলেনের সময় নিয়ে নিজের মধ্যে একপ্রকার নেগেটিভ ধারনা করে রাখে। সত্যিকার অর্থে ছবিতে নায়ক তারাই হয় যারা অন্যদের তুলনায় হ্যান্ডসাম হয়। পর্নষ্টারও তার ব্যতিক্রম নয় । পর্নগ্রাফিতে ক্যামেরা এমন এঙ্গেল এ ধরা হয় যাতে ভিজ্যুয়ালী লিঙ্গকে বড় দেখা যায়।

 

 

উদাহরন স্বরুপ আপনি যদি কোন একটি উচু স্থানে থেকে নিচে দাড়ানো আপনার কোন বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে তাকে খাটো দেখাবে। তেমনি যদি আপিনি মাটিতে বসে কিছুটা উপরে দাড়ানে অবস্থায় আপনার বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে একই ব্যাক্তিকে অনেক লম্বা দেখাবে। আর সে জন্যই আমরা যখন মাথা নিচু করে আমাদের নিজের লিঙ্গ দেখতে যাই তখন ভিজ্যুয়াল ইল্যুশানের কারনে আমাদের লিঙ্গের আকার প্রকৃত আকারের চেয়ে ছোট দেখা যায়।

 

এখানে এ বিষয়টি বলে রাখতে চাই পর্ন ফিল্মে দেখা যায় একই যুগল ২০/২৫ মিনিট মিলন করছে। সত্যিকার অর্থে তাদের এই ২০ মিনিট এর মিলন দৃশ্যের শুটিং হয়েছে ২/৩ দিন ধরে। তাদের অনেকবারের মিলনের দৃষ্টিনন্দন অংশগুলো ভিডিও এ্যাডিটে কাট-ছাট করে একটি ক্লিপ বাজারে আসে। তাই পর্ন ফিল্ম দেখে পেনিসের আকার এবং মিলনের সময় নিয়ে আমাদের হতাশ হবার অবকাশ নেই । কারণ সমীক্ষায় দেখা গেছে, ওই সব দেশের বেশির ভাগ পুরুষরই ২-৩ মিনিটের বেশি মিলন করতে পারে না। এটা হলো তাদের বাস্তব চিত্র।

যৌন তৃপ্তির জন্য লিঙ্গের আকার মুল বিষয় নয়। প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মিলনে এবং সিঙারে আপনার কারুময়তা । আপনি যত বেশি সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে স্ত্রীকে “অন” করবেন সে তত বেশি আপনার পার্সোনালিটির প্রতি আবেগী হবে।

নারী শরীরে মাসিক কখন আরম্ভ ও শেষ হয়? না জানলে জানুন

 

কিশোরীদের প্রথমবার মাসিক অথ্যাৎ ঋতুমতী হওয়ার (মেনার্কি) অভিজ্ঞতা হরেক রকম, আবার মহিলাদের রজোঃনিবৃত্তির (মেনোপজ) অভিজ্ঞতাও বহুবিধ। এই ভিন্নতার পেছনে প্রধান ভূমিকা জীব-বিজ্ঞানের। অবশ্য এক্ষেত্রে যেখানে আমরা থাকি সেই স্থান-কাল ও সংস্কৃতি, এগুলির ভূমিকাও অনস্বীকার্য। মাসিক বা ঋতুমতী হওয়া আমাদের শিশু অবস্থা থেকে শারীরিক পূর্ণাঙ্গতা পাওয়ার দিকে একটি ধাপ। মেয়েদের শরীরে ঋতুমতী / মাসিক /রজঃস্রাব হওয়ার সমসাময়িক আরও কয়েকটি ঘটনা হল স্তনের উদ্ভেদ, যৌনকেশ (অল্প বয়সী মেয়ে বা নারীদের কি যৌনকেশ নিয়মিত কামিয়ে ফেলা উচিত?) ও বগলের তলায় কেশের আগমন, এবং হঠাত্ উচ্চতা এবং ওজন বৃদ্ধি। এ সময়ে শরীরে হাড়ের শক্তি এবং পরিমাপ বাড়া বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু বয়স বিশের কোঠা পার না হওয়া পর্যন্ত হাড়ের ভিতরের বৃদ্ধি অব্যহত থাকে।

 

 

মেয়েদের শরীরের প্রজনন প্রক্রিয়া হর্মোন নিয়ন্ত্রণ করে। হর্মোন হল রক্তধারায় এবং মস্তিষ্কে অবস্থিত রাসায়নিক যা আমাদের শরীরের এক অংশ থেকে অপর অংশে সংকেত পৌঁছে দেয়। শরীরে যৌন হর্মোন গুলির পরিমাণ শৈশবে কম থাকে, প্রজননক্ষম বয়সে ভীষণ বৃদ্ধি পায়। তারপর এগুলি ক্রমশ কমতে থাকে ও রজোঃনিবৃত্তির পরে এগুলির অনুপাত বদলে যায়। প্রথম মাসিক বা ঋতুস্রাবের দিন থেকে রজোঃনিবৃত্তি পর্যন্ত জীবনে আমরা যে সমস্ত পরিবর্তন অনুভব করি, সেগুলি এই হর্মোনগুলির উপস্থিতির আনুপাতিক হার, কমা-বাড়ার জন্যেই হয়।

 

ডিম্বাণুর জন্ম এবং ঋতুস্রাব মাসিক মেয়েদের গড়ে সড়ে বারো বছর বয়সে শুরু হয়। তবে নয় থেকে আঠারো যে কোন বয়সেই এগুলি শুরু হওয়া স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়। ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার বয়স অনেকগুলি কারণে ভিন্ন হয়। এর মধ্যে কতকগুলি কারণ বৈজ্ঞানিক। যেমন একটি মেয়ের শরীরের স্নেহ বা চর্বির (ফ্যাট) ওজন তার শরীরের ওজনের এক চতুর্থাংশ হলে তবেই সে ঋতুমতী হবে। তাই মাসিক বা ঋতুচক্রের সঠিক বিবর্তনের জন্যে আমাদের খাদ্যতালিকায় সঠিক অনুপাতে স্নেহ জাতীয় পদার্থ (ফ্যাট), কার্বোহাইড্রেট, এবং প্রোটিন থাকা জরুরী। আবার কতকগুলি কারণ আবহাওয়াজনিত। বিভিন্ন সংস্কৃতির আবহে বেড়ে ওঠা মেয়েরা বিভিন্ন সময়ে প্রথম ঋতুমতী হতে পারেন। যেমন তাইওয়ানের মেয়েদের প্রথমমাসিক বা ঋতুমতী হওয়ার গড় বয়স এবং আমেরিকার মেয়েদের প্রথম ঋতুমতী হওয়ার গড় বয়স আলাদা। আবার তাদের খাদ্যাভ্যাস, ওজন, জাতি, আবহ, এবং পারিবারিক ইতিহাসের ভিন্নতার ভিত্তিতে একই দেশের মেয়েদের প্রথম ঋতুমতী হওয়ার গড় বয়স বিভিন্ন হতে পারে।

 

মাসিক নিয়ে সনকা ও কল্পনার অভিজ্ঞতা

আমার মাসিক হয়েছিল ১৪ বছর বয়সে। এ রকম যে কিছু হয় আমি জানতাম না। মা কোনদিন কিছু বলেই নি! আমি ঠাকুরমার সঙ্গে পুজো দিতে গিয়েছিলাম – তখন হঠাত্ রক্তে আমার জামা ভেসে যায়। সে এক বিচ্ছিরি অবস্থা। ঠাকুরমা তাড়াতাড়ি বাড়ি নিয়ে আসার পর আমার বৌদি দেখিয়ে দেয় কি করে প্যাড পরতে হয়। আমাদের তো প্যাড কেনার পয়সা ছিল না, তাই পরিষ্কার ধোয়া কাপড় মাসিকের সময় ব্যবহার করতাম। আমার মেয়েকেও আমি কিছু বলতে পারি নি। ওর স্কুলের দিদিমণিরাই ওকে সব বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। আমার মেয়েকে আমি প্যাড পরতেই বলেছি। তাতে ও পরিষ্কার থাকে।

 

 

আমি ছোটবেলা থেকেই লোকের বাড়িতে থাকি, কাজ করি। সে রকম এক বাড়িতেই আমার মাসিক আরম্ভ হয়। আমাকে কেউই এ ব্যাপারে কিছু জানায় নি। বয়সে বড় অন্যান্য মেয়েদের সঙ্গে মিশে আমি সব কিছু জেনে গিয়েছিলাম। তাই যখন প্রথম মাসিক হল, কাউকে জানাই নি, কারোর সাহায্য নিতে হয় নি। কেমন করে কাপড় দিয়ে প্যাড বানাতে হয় তাও নিজের থেকেই শিখে নিয়েছিলাম। অত কাপড় তো ছিল না, তাই ব্যবহার করা কাপড়ই ভাল করে ধুয়ে নিতে হত। এ নিয়ে কারোর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হয় নি। এখন আমার মাসিক আর হয় না – কেন জানি না। বোধহয় তাড়াতাড়িই মাসিক শেষ হয়ে গেল।

প্রজননক্ষম বয়সে ডিম্বাণুর জন্ম ও ঋতুচক্র হর্মোন চক্রের ছন্দের ওপর নির্ভর করে। এই ঋতুচক্র মেয়েদের শরীরে সন্তান জন্ম দেবার উর্বরতা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে প্রত্যেক মাসে মাত্র কয়েকদিন আমাদের শরীর গর্ভাধানের সম্ভাবনার জন্যে তৈরী হয়। অনেক মহিলার ক্ষেত্রে এই বিশেষ সময়ে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখা যায়, যেমন আবেগ-অনুভূতির পরিবর্তন, স্তনে তীক্ষ্ণ সংবেদনশীলতা ও আরও কিছু পরিবর্তন, বিশেষ বিশেষ খাবার খাওয়ার ইচ্ছে ইত্যাদি। মেয়েদের শরীরে ঋতুচক্র ও ডিম্বাণুর জন্ম গড়ে প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়স পর্যন্ত চলে। তবে চল্লিশ থেকে পঞ্চান্ন বছর বয়সের মধ্যে যে কোনও সময়ে ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়। মাসিক বা ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে গেলে রজোঃনিবৃত্তি (মেনোপজ) হয়েছে বলা হয়। মেয়েদের শরীরে প্রজননের ক্ষমতা থাকাকালীন অবস্থা এবং তার পরবর্তী কালে যে সমস্ত পরিবর্তন দেখা দেয় সেগুলি প্রায় পনেরো বছর ধরে চলতে পারে। ডিম্বাণু এবং রক্তস্রাব ঋতুচক্রের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকলে মাসিক চলাকালীন বা ঋতুকালীন সমস্যাগুলি, যেমন খিল ধরার ব্যথা ইত্যাদির ক্ষেত্রে কি করতে হবে তা বুঝতে সুবিধা হবে। এ বিষয়ে আগের সারণী, ছবি ইত্যাদি মনে রাখুন। সেখানে শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গগুলি এবং সেগুলির ভূমিকা বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।

 

১৪ বছর বয়সে টানা ২২ ঘন্টা সেক্স

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : তখন তার বয়স ১৪। সেই সময়ের বাচ্চা মেয়েটি মায়ের হাত ধরে ঘুরতে গিয়েছিল গ্রিসে। ঘুরতে যাওয়ার প্রথম দিনটা তার কাছে চিরকালের স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ, গ্রিসে পৌঁছেই মিউজিয়াম থেকে শুরু করে সব জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিল, ভালোমন্দ খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে কি ছিল না সেদিন। কিন্তু এত আনন্দের মধ্যে যে তার জীবনে একটা গভীর অন্ধকার লুকিয়ে রয়েছে, তা বোধহয় তার জানা ছিল না। সম্প্রতি এক টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারে এই ব্রিটিশ মহিলা জানাচ্ছেন, প্রথমদিন সমস্ত জায়গা ঘুরতে ঘুরতে বেশ রাত হয়ে যায়। তাই পরের দিন আবার বেরনোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো সকাল হতেই মায়ের হাত ধরে শহর দেখতে বের হয় সে। কিন্তু এক ভিড় জায়গায় মায়ের হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পর জীবনে নেমে আসা অন্ধকার। ওই টেলিভশনে ওই মহিলা জানাচ্ছেন, কতগুলো লোক তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে বিক্রি করে দেওয়া হয় এক পতিতালয়ে। সেখানে এক বছর কাটানোর পর পতিতালয়ের মালিক তাকে বিক্রি করে দেয় অন্য এক জায়গায়। সেই জায়গাতে তার ওপর চলত অসম্ভব শারীরিক নির্যাতন। সেই মহিলা জানিয়েছেন, ২২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ১১০ জন পুরুষ ধর্ষণ করে। শেষ অবধি সে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বরাত জোরে সে বেঁচে যায়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সে নতুন জীবন পায়। তার জীবনে প্রেম আসে। বদলে যায় জীবন। এই বদলটা সবটাই ভালর জন্য। এখন সে সন্তানসম্ভবা। টিভির সামনে নিজের জীবনের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন এই মহিলা।