সেক্স কমেডি নির্ভর ছবি বরাবরই দর্শক চাহিদার তুঙ্গে। আন্তর্জাতিক সিনে মহলে এমন ছবির সংখ্যা কম নয়। হলিউডের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে বলিউডের পরিচালকরাও বিভিন্ন সাহসী দৃশ্যের ছবি নির্মাণ করছেন। সেক্স ঘরানার এমন অনেক ছবি রয়েছে যেগুলো দর্শকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। চলুন দেখে নেয়া যাক বিশ্বের জনপ্রিয় পাঁচ সেক্স কমেডি সিনেমার নাম ও কাহিনী।
আমেরিকান পাই সিরিজঃ শালীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে কিন্তু সফলতার বিচারে নয়। বলা ভাল সেক্স কমেডি জনারের মাইলস্টোন সিনেমা। যেমন মজার, তেমন সেক্সের সুড়সুড়িও আছে। এই সিরিজের আটটি সিনেমায় বক্স অফিসে দারুণ সফল।
রোড ট্রিপঃ চার বন্ধুর গল্পের সিনেমা রোড ট্রিপ। মুক্তি পায় ২০০০ সালে। সিনেমার গল্পে চার বন্ধু ১৮০০ মাইল পাড়ি দেয় একটি অবৈধ সেক্স টেপ উদ্ধার করতে। ভুল করে সেই টেপটি মেইল করা হয়ে গিয়েছিল তাদের একজনের গার্লফ্রেন্ডকে। ছবিটি হলিউডের বহুল জনপ্রিয় সেক্স সিনেমা।
সেভেন্টিন অ্যাগেইনঃ অসাধারণ কনসেপ্টের ছবিটি ২০০৯ সালে মুক্তি পায়। একজন পুরুষ তাঁর জীবন নিয়ে বড় আফসোসে থাকে। সে একদিন হঠাৎ করে ঘুম থেকে উঠে দেখে তার বয়স অনেক কমে গিয়ে ১৭তে নেমে গেছে। সে এবার তার জীবন বদলাতে শুরু করে। এমন কাহিনীর ছবি ‘সেভেন্টিন অ্যাগেইন’।
দ্যা ফোরটি ইয়ার ওল্ড ভার্জিনঃ ‘দ্যা ফোরটি ইয়ার ওল্ড ভার্জিন’ ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৫ সালে। স্টিভ ক্যারেলের অভিনীত এই সিনেমায় প্রধান চরিত্র অ্যান্ডির বয়স ৪০ বছর। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার সে এখনও ভার্জিন। অনেকবার সুযোগ পেলেও কারো সঙ্গে সেক্স করা হয়ে উঠেনি। একথা তার বন্ধুরা জানলে তারা অ্যান্ডিকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে চায় । কিছুদিন পর অ্যান্ডি একজন সিঙ্গেল মাদার ট্রিশের দেখা পায় এবং আস্তে আস্তে তারা একে অপরের প্রেমে পড়ে যায়। অভিনয়ে আছেন স্টিভ ক্যারেল, ক্যাথরিন কীনার এবং সেথ রোজেন । পরিচালনা করেছেন জুড অ্যাপাটাও।
হান্ড্রেড গার্লসঃ ২০০০ সালে মুক্তি পায় ‘হান্ড্রেড গার্লস’ ছবিটি। তরুণ এক ছেলে একদিন লিফটে উঠার পর ইলেক্ট্রিসিটি চলে গিয়ে লিফট বন্ধ হয়ে যায়। অন্ধকার লিফটে তার স্বপ্নভ্রম হয়। দেখা হয় এক সুন্দরীর সঙ্গে। তারপর গল্পে আসে নানা মোড়। সেক্স এবং কমেডির মসলার মিশেলে এই সিনেমা সে সময় বেশ সাড়া তোলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন