২০০৯ এ আমি HSC পরীক্ষা দেই। এর কয়েকমাস পর আমার একটা বন্ধুর সাথে সম্পর্ক হয়। সম্পর্কের শুরুটাটা অনেক সুন্দর ছিল। আমি একটু চঞ্চল প্রকৃতির মানুষ ছিলাম। খুব হাসিঠাট্টা করতাম। আমরা অনেক সুখী ছিলাম। কিন্তু ৬ মাস যাওয়ার পর থেকে টুকটাক ঝামেলা শুরু হতে লাগল।
কিন্তু এসব কুরুচিপূর্ণ কথা আমি বলতে পারতাম না। আমি খুব অবাক হয়ে চিন্তা করতাম, “ভালবাসা কি এগুলোকেই বলে? আমার কাছে ভালবাসাতো অনেক পবিত্র ছিল। এসবের মাঝে তো কোন পবিত্রতা নেই। আছে শুধুই নোংরামি। এসব নোংরা কথায় ভালবাসা কেমন করে প্রকাশ পায়?” খুব কাঁদতাম তখন। আমার বেশি খারাপ লাগত যখন ও আমাকে ওর ফ্রেন্ডদের প্রেমিকাদের সাথে তুলনা করত। বলতো- “ওরা সবকিছু করে, তুমি পার না কেন?” আমি ওকে বুঝাতে পারতাম না, যে আমি বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ককে মানতে পারি না। এ জন্য সে অনেক অপমান করত। বলতো আমি কোন মেয়ে না। আমার সমস্যা আছে। আমার ডাক্তার দেখানো উচিত। আমি নাকি ব্যাক ডেটেড। এ রকম আরো অনেক কিছু।
ওর কথাগুলো শুনলে মাঝে মাঝে খুব রাগ হত। ইচ্ছা করত ওকে প্রমাণ করে দেই, আমার মধ্যে কী আছে আর কী নাই। কিন্তু তারপর মনে হত, কেন লাগবে প্রমাণ করা। আমি তো জানি আমি কী। সময় হলে ও বুঝবে।
ওর পড়া শেষে চাকরি পেয়ে গেল। কিন্তু একদিন সে আমাকে বলল, “তুমি আগের মত নাই। হাসো না, ঠিক মতো কথা বল না, বের হতে চাও না। কী হয়েছে তোমার?” তখন তাকে শুধু বললাম, “এতদিন পর বুঝলা যে আমি বদলে গেছি? তখন সে বলল, কোন ভালো মেয়ে কখনোই বিয়ের আগে অন্যের সামনে কাপড় খুলে না। আমি তোমাকে পরীক্ষা করেছিলাম, কিন্তু তুমি ফেইল করেছ। বিয়ের আগেই তুমি আমার সামনে কাপড় খুলেছ।
কিন্তু আমি কোন ভাবেই ওকে ভুলতে পারছি না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন