2017 at 08:55AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 08:55AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার

ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ বা উপসর্গগুলি কি কি দয়া করে বিস্তারিত জানবেন কি?

 

 

ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ বা উপসর্গগুলি কি কি দয়া করে বিস্তারিত জানবেন কি?

 

ধ্বজভঙ্গের কারণ সমূহ :-

ধ্বজভঙ্গ পুরুষের জন্য একটি মারাত্মক, কঠিন ও জটিল রোগ। হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম, আঘাত প্রাপ্তি, বহুমূত্র, সিফিলিস, গনোরিয়া, পুরাতন অন্ডকোষ প্রদাহ, দীর্ঘকাল যাবৎ অজীর্ণ রোগ, স্নায়বিক রোগ ইত্যাদি কারণে এই লক্ষণটি দেখা দিতে পারে। ইহাতে সন্তান উত্পাদন শক্তি লোপ পায়। অনেক চিকিত্সা বিজ্ঞানী ইহাকে রোগ বলে অভিহিত করতে চান না। ইহা যে কোন কঠিন জাতীয় পুরাতন রোগের লক্ষণ বিশেষ বলে তারা মনে করেন। পুরুষের যৌন উত্তেজনা ও যৌনতার স্থায়ীত্ব কম বেশি হয় কারণ তার দেহের হরমোনের ক্রিয়ার কম বেশি অবস্থা ঘটে। যৌন উত্তেজনা ও যৌন স্থায়ীত্ব কম হাওয়াই ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ নয়।

 

 

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে তার যৌন ক্ষমতা ঠিকই আছে কিন্তু মানসিক কারণে বা হীনমন্যতার জন্য ধ্বজভঙ্গ ভাব প্রকাশ পায়। অনেকেই যৌবন কালে কম বেশি বীর্য ক্ষয় করে থাকে এবং নানা প্রকার কৃত্রিম উপায় অবলম্বন করে বীর্য ক্ষয় করে তাদের মনে তাদের মনে অনেক সময় একটা ভুল ধারণার সৃষ্টি হয় যে তারা ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত, তার যৌন ক্ষমতা বোধ কম এমন একটা দুর্বলতা বিশেষ করে মানসিক দুর্বলতা তার মনে সৃষ্টি হয়। আবার কোন কোন সময় যৌন ক্ষমতা সামান্য কম হলে সে মনে করে তার যৌন ক্ষমতা নেই – ইহাও একটি ভুল ধারণা ।

 

অনেক সময় পুরুষের পেনিস সামান্য ছোট বড় হতে পারে, ইহা প্রকৃতির নিয়মে অথবা বংশগত ধারায়। কিন্তু ছোট বলে অনেক পুরুষ মনে করে যে সে যৌন কার্যে অক্ষম এবং তার ধ্বজভঙ্গ রোগ হয়েছে – এটাও ভুল ধারণা । বেশি পরিশ্রম, পুষ্টির অভাব, দেহে উপযুক্ত প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব হলেও এটি হতে পারে।

প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ রোগ এবং জন্মগত ভাবে ধ্বজভঙ্গ রোগ এই দুই শ্রেণীতে ইহাকে বিভক্ত করা হয়ে থাকে। মানসিক বা দৈহিক কারণে যদি এই রোগ হয় তবে তাকে প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ বলা যায়। আবার যদি জন্মগত ভাবে হয় তখন তাকে ধ্বজভঙ্গ রোগ বলা যায়। মানসিক বা দৈহিক কারণে এই রোগ হলে তার ট্রিটমেন্ট করা যায় কিন্তু জন্মগত ভাবে হলে তার চিকিত্সা করে আরোগ্য করাটা বেশ কঠিন। এবার আসুন প্রকৃত এবং জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের ক্ষেত্রে কি কি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তা দেখি :-

 

 

জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-

যৌবন আগমনের সঙ্গে পুরুষোচিত গুনাবলীগুলি যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। মানুসিক দুর্বলতা প্রকাশ পায়। সর্বদাই হীনমন্যতা ও দুর্বলতার ভাব প্রকাশ পায়।
যৌবনের গুনাবলী ঠিক যে সময় যৌবন ভাব প্রকাশ পাওয়া স্বাভাবিক সেটা দেখা যায় না এবং যৌনতার ভাব যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। দেহের নানা হরমোনের অভাবে এবং স্নায়ুবিক অক্ষমতার কারণ হিসাবে দেখা দেয়।
যৌবন আগমন হলেও যৌনইন্দ্রিয়ের কোনো উত্তেজনা থাকে না। পেনিস ঠিক মত শক্ত হয় না। কখনো কখনো অতি সামান্য দু’এক ফোটা বীর্যপাত হয়।
সর্বদাই এদের চরিত্রে নারী সুলভ ভাবভঙ্গি প্রকাশ পায়। অদ্ভুদ ধরনের হাবভাব প্রকাশ পায় যা সাধারনত কোন পুরুষের মধ্যে থাকে না।
এদের যৌন উত্তেজনা, পেনিসের উত্থান, বীর্যপাত প্রভৃতি কিছুই দেখা যায় না। আচার আচরণে বোকামি প্রকাশ পায়, মানুষের কাছে হস্যম্পদ হয়ে থাকে এবং অনেক সময় মানুষ তাদের নিয়ে উপহাস ও কৌতক করে থাকে।

 

 

মানসিক বা দৈহিক ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-

অন্যের যৌন ক্ষমতা বেশি এবং নিজের কম এই ভেবে অনেক সময় মানসিক দুর্বলতা দেখা দেয়।
যতটা দৈহিক বীর্য ক্ষয় হয় ততটা খাদ্য ঠিক মত পায় না। উপযুক্ত প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব, পেটের রোগ এবং অন্য কোন রোগে ভোগা।

হরমোন ক্রিয়ার কম বেশির জন্য, দীর্ঘকাল যাবৎ বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন অথবা জন্মগত বা পৈত্রিক সূত্রে অনেকের পেনিস একটু ছোট হলে এর জন্য হিনমন্যতায় ভোগে।
অনেক সময় আদৌ রোগ নয়, শুধু মাত্র মানসিক কারণেই এই লক্ষণ দেখা দেয়। তারা প্রকৃতপক্ষে যৌনতায় সুস্থ কিন্তু কৃত্রিমভাবে বীর্যক্ষয় করার কারণে ধ্বজভঙ্গের সন্দেহ করে এবং এই সন্দেহের জন্য নিজেকে ধ্বজভঙ্গ রোগী মনে করে থাকে।
অনেকের ক্ষেত্রে যৌন হরমোন বা অন্য কোন গ্রন্থির হরমোন সমান্য কিছু কম নিঃসরণের জন্য যৌন উত্তেজনা কিছুটা কম হতে পারে কিন্তু যথাযথ ট্রিটমেন্ট করলে হরমোনের এই গোলযোগ ঠিক হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে মানসিক দুর্বলতা অনেক সময় প্রকাশ পেয়ে থাকে।

রোগ নির্ণয় :-

স্ত্রী সহবাসের সময় পেনিসের উত্থান হয় না অথবা সামান্য মাত্র উত্থান হয়ে আবার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। দ্রুত বীর্যপাত অর্থাৎ বীর্য ধারণের সময় যতটা হওয়া উচিত তার চেয়ে অনেক কম। পেনিসে উত্তেজনা দেখা যায় না আর হলেও অনেক কম। বীর্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তরল হয়। বীর্যপাতের পর অস্বাভাবিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। বীর্য এতটা পাতলা যে দেখতে জলের মত।

 

 

 

সোমবার

যোনি থেকে গন্ধ বের হয়, তাই হাজবেন্ড ওরাল সেক্স করতে চায়না, কি ব্যবহার করলে গন্ধ থাকবেনা?

 

প্রশ্ন ২ঃ আমার যোনি থেকে গন্ধ বের হয়। তাই হাজবেন্ড ওরাল সেক্স করতে চায়না। কোন পারফিউম অথবা অন্য কি ব্যবহার করলে গন্ধ থাকবেনা? প্লীজ হেল্প।

 

 

আপনার ডক্টরের উত্তরঃ প্রত্যেকের যৌনাঙ্গের গন্ধ আলাদা এবং সেটা মাসের বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন রকম হয়। একইভাবে কোন গন্ধ কার কাছে খারাপ আর কার কাছে ভাল লাগবে সেটাও ব্যাক্তিবিশেষের উপর নির্ভরশীল। কাজেই আপনার যোনি থেকে নির্গত গন্ধ সত্যিই অস্বাভাবিক (বা বাজে) কিনা সেটা পরীক্ষাসাপেক্ষ। আপনার নিজের কি মনে হয়? আপনার যৌনাঙ্গের গন্ধে বা সেখান থেকে নির্গত স্রাবের (যোনি থেকে নির্গত তরল) বর্ণে কি ইদানিং হঠাৎ কোন পরিবর্তন হয়েছে? সাধারণত যোনি থেকে দূর্গন্ধ বের হবার অর্থ যৌনাঙ্গে জীবাণুর (ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ইত্যাদি) সংক্রমণ। এমতাবস্থায় দূর্গন্ধ দূরীকরণ করতে চাইলে স্ত্রী-রোগবিশেষজ্ঞের (Gynecologists) কাছে গিয়ে পরীক্ষা করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামান্য কয়েকটি ওষুধ (যেমন ছত্রাকের সংক্রমণ হলে antifungal ওষুধ এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে antibiotic) খেয়ে খুব সহযেই এই সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। তবে ওষুধ খাবার আগে পরীক্ষা করে অবশ্যই জানতে হবে সংক্রমণ ঠিক কি থেকে হয়েছে (না হলে সংক্রমণ কমার বদলে বেড়ে যেতে পারে)। সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে যৌনাঙ্গ দিয়ে আঁশটে গন্ধ বের হয় আর ছত্রাক (ঈষ্ট) সংক্রমণ হলে যৌনাঙ্গ দিয়ে ছানার মত স্রাব (রস) বের হয়। এছাড়া আপনার যোনি থেকে হলদে বা সবুজ বর্ণের স্রাব বের হলে সেগুলোও জীবাণু সংক্রমণের বা যৌনরোগের লক্ষণ। যদি জীবাণুর সংক্রমণ হয়েই থাকে তবে কেবল আপনার নয়, আপনার স্বামীরও চিকিৎসা প্রয়োজন। নাহেল আপনি সুস্থ হয়ে উঠলেও স্বামীর সাথে সহবাসের ফলে আবার আপনার দেহে সংক্রমণ হতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে যৌনাঙ্গে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণ খুবই সাধারণ ব্যাপার এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওটা চিন্তার কোন বিষয় নয়। প্রত্যেক মহিলার জীবনেই কখওনো না কখনো এই ঘটনা ঘটে থাকে। কেবল ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা প্রয়োজন। এখানে উল্লেখযোগ্য যে মূত্রত্যাগের পর যৌনাঙ্গ ভাল করে না ধুলে সেখান থেকে প্রস্রাবের ঝাঁঝালো গন্ধ আসতে পারে। সেটাও অনেকে পছন্দ করেননা। আপনি আগে স্বামীর সাথে আলোচনা করে বোঝার চেষ্টা করুন আপনার যৌনাঙ্গের গন্ধটা ঠিক কেমন। যদি সেটা প্রস্রাবের গন্ধ হয় তাহলে জল দিয়ে ধুলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু অন্যরকম গন্ধ হলে ডাক্তার দেখান। সাধারণত পিরিওডের সময় অনেকের যোনি দিয়ে দূর্গন্ধ বের হয়, কিন্তু সেটা সাময়িক। পিরিওড শেষ হলেই ঠিক হয়ে যায়।

 

দূর্গন্ধ দূর করার জন্য ভুলেও পারফিউম ব্যবহার করবেন না। তার বদলে সঙ্গমের পূর্বে হালক গরম জল (পানি) ব্যবহার করে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করে নিন। এমনিতেও প্রত্যহ স্নানের সময় এবং প্রস্রাব (urine) করার সময় কেবল জল (পানি) দিয়ে যৌনাঙ্গ ধুয়ে নেওয়া উচিৎ। প্রয়োজন হলে মাইল্ড সাবানও (যেমন ডাভ সাবান) ব্যবহার করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন যোনির মধ্যে যেন সাবান জল না ঢোকে। ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজারও ব্যবহার করতে পারেন। অবশ্য এক্ষেত্রেও নজর রাখতে হবে যে ময়েশ্চারাইজার যেন যোনির মধ্যে প্রবেশ না করে। চেষ্টা করুন নিয়মিত টক দই খেতে। শুভেচ্ছা রইল।

 

 

মঙ্গলবার

যৌনতায় স্বামীকে খুশি করতে স্ত্রীদের যা করতে হবে

 

 

অধিকাংশ পুরুষের অভিযোগ তাদের স্ত্রী তাদের সন্তুষ্ট করতে পারে না। যৌন মিলন চলাকালীন শুধু বিছানায় শুয়ে থাকে। বিপরীত কোন প্রতিক্রিয়াই নেই। যা করার স্বামীকেই করে নিতে হয়। আবার অপর কি স্ত্রীরাও দিশেরা কি করে স্বামীকে খুশী করতে হয়। যা আমরা জানতে পারি গুগলে তাদের অনুসন্ধান দেখে। আসলে সব নারীই চায় তাদের স্বামীকে খুশি করতে। আমরাও নারীদের কে সাহায্য করতে প্রকাশ করি নারীদের যৌন জ্ঞান নামক এই বইটি। আশা বোনেরা এই বইটি পড়ে নিজেদের যৌন জ্ঞান বাড়িয়ে নিতে সক্ষম হবে।

 

যৌন মিলনে স্বামীকে খুশি করতে মেয়েরা নিচের দেওয়া পদ্ধতি গুলোকে অনুসরণ করতে পারেন।

১. রঙিন অন্তর্বাস : কোনও জিনিসের ঢাকনা যদি আকর্ষণীয় হয়, সেই জিনিসটির প্রতি আমাদের লোভ বেড়ে যায়। সে চকোলেটই হোক বা জামার প্যাকেট। তৎক্ষণাৎ সেই জিনিসটি আমরা কিনে ফেলতে চাই। অন্তর্বাসের ব্যাপারটিও তাই। স্ত্রীর সামনে নিজেকে পুরোপুরি মেলে ধরার আগে কয়েক জোড়া আকর্ষণীয় অন্তর্বাস রাখুন স্টকে। দোকানে গিয়ে স্যাটিন বা লেস দেওয়া সুন্দর কয়েকটি অন্তর্বাস কিনে ফেলুন। ম্যাটিরিয়ালের সঙ্গে ভ্যারাইটিতেও রকমফের চাই। জি-স্ট্রিং, থং, বিকিনির মতো অন্তর্বাস বেছে নিন। সেই অন্তর্বাসই স্বামীকে আপনার দিকে চুম্বকের মতো টেনে নিয়ে আসবে।

২. স্ট্রিপটিজ় : নারীর বস্ত্রত্যাগের চেয়ে আর কোনও কিছুতে পুরুষকে উত্তেজিত করা যায় না। তাই সেই পন্থাকেই বেছে নিন। স্বামীকে চমকে দিতে চাইলে খুব সম্মোহনী অন্তর্বাস পরে তার সামনে এসে দাঁড়ান। ধীরে ধীরে বস্ত্রত্যাগ করতে শুরু করুন। আপনার এই উদ্যোগে স্বামীর ঘোর লেগে যাবে। বাকিটা আর বলছি না

৩. উত্তেজকপূর্ণ জায়গায় কামড় দিন : আপনার স্বামী আপনাকে এযাবত কাল আপনার সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে খেয়াল রেখে এসেছেন। এখন আপনার পালা। স্বামীর শরীরের কোন জায়গাগুলো উত্তেজনার হটস্পট, তা জেনে নিতে হবে আপনাকে। ক্রিয়া চলাকালীন সেসব জায়গাতেই ফোকাস বজায় রাখুন। অথবা এই বইতে দেখুন।

 

 

৩. স্বামীকে চুম্বন করা : প্রাণের স্বামীকে বশ করার আরো একটা উপায় হচ্ছে নিজ ইচ্ছায় তাকে চুম্বন করা। যে স্ত্রী ভালো কিসার, স্বামীর হৃদয়ে তার জয় জয়কার। কেননা, স্বামী মনে করে ভালো চুম্বন খাওয়াটা হল হটনেসের প্রতীক। যতবেশি হট, ততবেশি হিট। যতবেশি হিট, ততবেশি ওয়েট  ।

৪. মাঝরাতে তলব করা : ও গো ওঠো না: এই “ওঠো না” বাথরুমে যাওয়ার সময় ভয় পেয়ে “ওঠো না” নয়  । এই ওঠো না সেই ওঠো না, যার জন্য অনেকগুলি রজনী না ঘুমিয়ে কাটিয়েছে আপনার স্বামী। এই ওঠো না উত্তাপের ওঠো না। মোদ্দা কথা হল, স্বামীকে গভীর রাতে ঘুম থেকে তুলে যৌনতা ভরা প্রেমে আলিঙ্গন করা। এতে প্রাণের পুরুষটি বুঝবেন আপনার মিলিত হওয়ার স্বাদ তার চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। হলফ করে বলতে পারি, ঘুম-ফুম শিকেয় তুলে তিনিও জেগে উঠবেন নতুন করে।

শেষ কথাঃ বিবাহিত ভাইদেরকে বলি, আপনার স্ত্রীর নিকট ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে এই লেখাটি আপনার স্ত্রীকে পড়ান