April 12 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 12 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার

যৌন ভয় দুর করার উপায়

পুরুষের যৌন ভয় কাটাতে কি করবেন মহিলারা !

বিয়ের আগে এবং পরে অনেক পুরুষেরই কিছু যৌন ভয় কাজ করে। যে সমস্ত যৌন ভয় কাজ করে তা নিচে দেওয়া হল৷

মন থেকে সেক্স করার ভয় দূর করা:

ভয় এবং সেক্স পরষ্পরের শত্রু। পুরুষ অথবা নারীর মনে ভয় থাকলে তারা যৌনকাজ করার চিন্তা পর্যন্ত করবে না। আপনি কি রাস্তায় কাউকে সেক্স করতে দেখেছেন? নিশ্চই না। তাই না করার পেছনে প্রধান কারণ লজ্জা নয় – ভয়। ভয়ে পুরুষের লিঙ্গ পর্যন্ত কঠিন হয়না। বিয়ের আগে যদি কোন কারনে স্বল্প সময়ে স্থলন সমস্যা দেখেন তা হয়তো আপনার যৌন ভয় জনিত কারণ।

স্ত্রী এবং প্রেমিকা এক বিষয় নয়:

স্ত্রী এবং প্রেমিকা কখনই এক বিষয় হতে পারে না। কোন নারী যখন স্ত্রী হিসেবে আপনার ঘরে আসবে তখন আপনি প্রানপণে চেষ্টা করবেন তাকে সুখী করার এবং সেই আত্মবিশ্বাস আপনাকে লম্বা সময় মিলন করা শিখাবে। সেক্স একপ্রকার খেলা। এটা শিখতে হয় এবং এর প্র্যাকটিস প্রয়োজন। আপনি যখন আপনার স্ত্রীকে ঘরে আনবেন তখন তার শরীর, তার চাওয়া-পাওয়া আপনার কাছে অজানা থাকবে।কিন্তু যতই দিন যাবে, আপনি জানবেন কিভাবে সে সুখ পায়, কোন পজিশনে তাকে কাবু করা যায় এবং সেও আপনার টার্নিং পয়েন্ট বুঝবে এবং দুইজনের সমন্বয়ে দীর্ঘ সময়ের সেক্স হবে। প্রথম দিকে আপনার দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে, কিন্তু এটা খুবই স্বাভাবিক। আপনার স্ত্রীকেও এই বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলতে হবে। এসব থেকেই আপনার যৌন ভয় দুর হয়ে যাবে।

পুরুষের যৌন ভয় দূর করতে মহিলার করণীয়:

একজন মহিলা চাইলে স্বামীকে বাঘ বানাতে পারে, চাইলে ছাগল বানাতে পারে। তবে বাঘ বানালেই সে লাভবান হবে। স্বামীকে যদি বলে “এভাবে করো, তোমার এই স্টাইলটা ভালো লাগছে / তুমি খুব ভালো আনন্দ দিতে পারো / উফফ…দারুণ হচ্ছে অথবা কোন কথা না বলেও যদি আপনি তৃপ্তির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকান, অথবা তার দিকে তাকিয়ে নিজের ঠোঁট কামড়াতে থাকেন অথবা তাকে জড়িয়ে ধরে তার পিঠে যদি নখ বসিয়ে দেন, তাহলে আপনার স্বামী বুঝবে তার কার্যক্রম আপনি উপভোগ করছেন।তাহলে সে ঘুমন্ত হলেও জেগে উঠবে। কারণ, স্ত্রীর দেওয়া সামান্য আত্মবিশ্বাস তার কছে মহাশক্তি রূপে আবির্ভূত হবে। আর সেই নারীই যদি পুরুষকে বলে, “তুমি পারছো না / ধ্যাৎ…তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না” – তাহলেই শেষ। যত শক্তিশালী পুরুষই হোক না কেন, সে রণে ভঙ্গ দেবে। তাই মনে রাখবেন, আপনি যদি ভাবেন স্বামীকে হারাবেন, তাহলে নিজেই ঠকবেন।

নারীর গোপনাঙ্গে মুখ দেওয়া নিয়ে ইসলাম যা বলে জেনে নিন

মেয়েদের বলতে গেলে প্রায় পুরো দেহটিই স্পর্শকাতর। তার মাঝেও কিছু কিছু স্থান রয়েছে যেগুলোতে আদর পেলে তারা চূড়ান্ত উত্তেজনার দিকে তড়িৎগতিতে অগ্রসর হয়। তবে ছেলেদের দেহেরও শুধুমাত্র লিঙ্গই একমাত্র যৌন অঙ্গ নয়। আজকালকের দিনে এমনকি আমাদের দেশের ১০-১২ বছরের ছেলে-মেয়েরা পর্যন্ত জেনে যাচ্ছে কিভাবে সেক্স করতে হয়। তাই বলা যায় বিয়ে তো বহুদূরের কথা, এখনকার ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড হওয়ার আগেই তারা এ বিষয়ে বহু কিছু জানে। কিন্ত তাদের এ জানাই কি যথেষ্ট? ছোটকালে বাচ্চারা একটা খেলা খেলে, এটাকে ওরা বলে ডক্টর ডক্টর খেলা। বিশেষ করে একটি বাচ্চা ছেলে ও মেয়ে খেলার সাথী থাকলেই তারা লুকিয়ে এই খেলা খেলে থাকে। এতে দুজনেই কাপড়-চোপড় খুলে নিয়ে একজন-আরেকজনের যৌন-অঙ্গগুলো নিয়ে খেলা করে, তাদের মাঝে পার্থক্য আবিস্কার করে। সবার অবশ্য এ অভিজ্ঞতা হয়না। তবে সে যাই হোক মোটকথা আমাদের সঙ্গী-সঙ্গিনীকে পরিপূর্ন যৌনসুখ দিতে হলে তাদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গগুলো সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারনা থাকা দরকার। অনেকে বলতে পারেন কি দরকার? নিজে মজা পেলেই হল। তাদের জন্য বলছি আমার এ প্রয়াস ভালোবাসার অনুভুতিবিহীন যৌন লালসাময় সেক্সের জন্য নয়। যে তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ভালবাসে সে অবশ্যই চাবে তাকে আনন্দ দিতে এবং এতে সে নিজেও আনন্দ লাভ করে।
মূলত ছেলে ও মেয়ের যৌনকাতর অঙ্গগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই Common রয়েছে এবং তাদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ছেলে বা মেয়ে ভেদে প্রায় একই হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন। এসকল কিছু উল্লেখপূর্বক এখানে আমি তাদের এ অঙ্গগুলোর বিবরন ছাড়াও কি কি উপায়ে সেগুলোকে উত্তেজিত করে তোলা যেতে পারে তার উপরেও আলোকপাত করেছি। আশা করি সবার ভালো লাগবে।

 

 

মেয়েদের ক্ষেত্রেঃ মেয়েদের দেহের বেশ কয়েকটি যৌনস্পর্শকাতর অংশ আছে যেগুলো সরাসরি তাদের যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটায়। সাধারন অবস্থা থেকে এ অংশগুলোর মাধ্যমেই একটি ছেলে তার মাঝে যৌনাভুতি জাগিয়ে তুলতে পারে। আর কিছু অংশ আছে যেগুলো মেয়েটির যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটার পরই উত্তেজিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠে, অথচ সাধারন অবস্থায় এগুলো উত্তেজিত করার চেষ্টা করলে মেয়েটি এমনকি ব্যাথা বা অসস্তিও বোধ করতে পারে। মেয়েদের সবচাইতে যৌনস্পর্শকাতর অংশটিও এই দ্বিতীয় শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত।

 

গোপনাঙ্গে মুখ দেয়া নিয়ে ইসলামিক বিধান কি? ইসলাম এটিকে হারাম বলেছেন কারন নাপাক জায়গায় মুখ দিলে মানুযের মুখ আপবিএ হয়। যা ইসলামে সম্পৃণ নিষিদ্ধ।

প্রথমতঃ
শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে করা স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয়তার ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক কোন হস্তক্ষেপ করেন না। তারা নিজেদের শারীরিক সুখের ব্যাপারে কি করবে না করবে সেটা তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার।
তবে অস্বাস্থ্যকর যৌনকর্ম ইসলামে নিষিদ্ধ। যেমন পায়ুপথে যৌনমিলনে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঝুঁকির সম্ভাবনা পাওয়া গেছে, ইসলামে অনেক আগে থেকেই নিজের স্ত্রীর সাথেও পায়ুপথে যৌন মিলনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
যৌনাঙ্গে মুখ দেওয়া হারাম না হালাল সেটা নিয়ে অনেক মতপার্থক্য আছে। একদল মনে করেন, যে মুখ দিয়ে আল্লাহ ও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর পবিত্র নাম নেওয়া হয় সে মুখ অন্য কোন অপবিত্র স্থানে দেওয়া ঠিক না। আবার,
আরেক দল মনে করে যৌনমিলনে নিজের জীবনসঙ্গীকে চরম সুখ দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যেক নর-নারীর কর্তব্য। এমতাবস্থায় যৌনাঙ্গে মুখ দিয়ে যদি যৌনসুখ বাড়ানো সম্ভব হয় তবে তা নিশ্চয়ই দোষের কিছু হবে না। জানুন নারীর গোপনাঙ্গের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করবেন ।
এছাড়া যৌন মিলন করলে শুধু মুখ না, মানুষের শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গই অপবিত্র হয়ে যায়। ফরজ গোসলের মাধ্যমে সারা দেহের প্রতিটি অঙ্গের পবিত্রতা ফিরে আসে। তবে চর্মরোগজনিত কোন সমস্যা থাকলে যৌনাঙ্গে মুখ দেওয়া থেকে বিরত থাকা-ই ভাল।

দ্বিতীয়ত্বঃ
যৌনাঙ্গতে মুখ লাগানো এটি একটি পশুভিক্তিক আচরণ। যৌনাঙ্গতে মুখ লাগানো এটা সভ্য মানুষের আচরণ হতে পারেনা। পুশুদের হাত নেই বলেই তার সঙ্গীনিকে মুখ দ্বারা উত্তেজিত করে। কিন্তু আপনার তো হাত আছে। আপনার হাত থাকতে কেনো আপনি (পুরুষ ও নারী) কেনো যৌনাঙ্গতে মুখ লাগিয়ে আপনার সঙ্গীনিকে উত্তেজিত করবেন?? জানা মতে পুশুরাও তো যৌনাঙ্গতে মুখ লাগায় না। তবে আপনি কেনো সৃষ্টির সেরা হয়ে যৌনাঙ্গতে মুখ লাগাবেন? ইসলামের চোখে হস্তমৈথুনের খারাপ দিক ।
এটা তো প্রসাবের রাস্তা। আপনি কি যে পাত্রে প্রসাব করেন সে পাত্রে কি খাদ্য রেখে খাবেন? আপনার রুচিতে হলে খেতে পারেন আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার এই কথার বিপরীতে যদি আপনি বলেন এটা (যৌনাঙ্গ) তো ধোয়া ও পরিস্কার থাকে। জবাবে আমি আপনাকে বলবো আপনি কারো বাসায় মেহমান হয়ে গেলেন। আপনার সামনে সে বাসার মালিকের ছোট্ট ছেলে ফল রাখার পাত্রেতে প্রসাব করে দিল এবং বাসার মালিক তা ধুয়ে সে পাত্রে আপনাকে ফল বা খাবার আপনি কি সে খাবার খাবেন? অবশ্য আপনার রুচিতে হলে খেতে পারেন। আপনি তাকান তো আপনার নিজের দিকে। আপনি যখন আপনার মায়ের গর্ভে ছিলেন, তখন মহান আল্লাহ আপনার মায়ের মাসিকের রক্ত বন্ধ করে সে রক্ত দিয়ে আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছেন। সে মাসিকের রক্ত কি আপনাকে মুখ দিয়ে পান করিয়েছেন না কি নাড়ী দিয়ে। মহান আল্লাহ মাসিকের রক্ত নাড়ী দিয়ে আপনার দেহ প্রবেশ করিয়ে আপনার প্রাণ রক্ষা করেছেন। কেনো করেছেন? উত্তর হচ্ছে এই রক্ত যদি আপনার মুখ দিয়ে আপনার দেহে প্রবেশ করাতেন তাহলে আপনার মুখ টা নাপাক হয়ে যেত। তা হলে আপনি দুনিয়াতে এসে অপবিত্র মুখ দিয়ে মহান আল্লাহর নাম নিতেন। আপনি যাতে পবিত্র মুখ দিয়ে মহান আল্লাহর নাম জপতে পারেন সে জন্য মহান আল্লাহ এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মায়ের গর্ভে আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছেন।

তৃতীয়তঃ
যৌনাঙ্গতে মুখ লাগালে যৌনাঙ্গতে লেগে থাকা জীবাণু আপনার দেহে প্রবেশ করবে। তাতে আপনি অসুস্থ হওয়ার সম্ভবনা আছে। তাছাড়া আপনি যৌনাঙ্গতে মুখ লাগাবেন সে যদি যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তখন আপনি কি করবেন?
এখন আপনি যদি প্রশ্ন করেন ডাক্তারেরা তো বলে যৌনাঙ্গতে মুখ লাগাতে। উত্তরে আমি বলতে চাই, ডাক্তারেরাতো বলে পানি ফুটালে পানিতে থাকা জীবাণুরা মরে যায়। কিন্তু পানিতে থাকা জীবাণুরা মরে কি উড়ে যায় নাকি সে জীবাণু পানিতেই থেকে যায়? এখন আপনি যদি সে পানি খান তাহলে মরা জীবাণুর সাথেই সে পানি খাচ্ছেন।

মেয়েদের যৌন তৃষ্ণা কি কারণে বাড়ে?

যৌন তৃষ্ণা সবার সমান না। কারো কারো বেশি আবার কারো কারো কম। বয়সের সাথে সাথে আবার এই যৌন তৃষ্ণার পরিবর্তন লক্ষ্যনীয়। মেয়েদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তন আসে। সাধারণত এই পরিবর্তন দুটি সময়ে প্রবল হয়ে ওঠে। এক বয়স বয়:সন্ধি কাল, দুই ঋতুনিবৃত্তিকাল। আর এই ঋতুনিবৃত্তি কালকে বলা হয় মেনোপজ।সাধারণভাবে প্রোঢ়ত্বের শেষে ৪৮ থেকে ৫২ বছর বয়সের মধ্যে মেনোপজ হয়। এই বয়সে যদি সম্পূর্ণ এক বছর টানা পিরিয়ড বন্ধ থাকে তাহলেই তাকে বলা হবে মেনোপজ। আর এই পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে মানসিক অবসাদে ভোগে। অনেক সময় ছেলে, মেয়ে ও অন্যান্য অল্পবয়স্ক আত্মীয়স্বজন থেকে মানসিক দূরত্ব তৈরি করে ফেলেন এবং ক্লান্তি ও বিষাদে মন ভারাক্রান্ত করে ফেলেন। অথচ এই সময়কার পরিবর্তন জীবনের আর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ভেবে নিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই বিগত যৌবনের জন্য আকাঙ্ক্ষা ও উদ্বেগ ভুলে যাওয়া সহজ হয়।

 

 

 

অথচ এই সময়কার পরিবর্তন জীবনের আর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ভেবে নিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই বিগত যৌন তৃষ্ণা ও যৌবনের জন্য আকাঙ্ক্ষা ও উদ্বেগ ভুলে যাওয়া সহজ হয়।

 

মেয়েদের কী কী পরিবর্তন হয়:
পরিপূর্ণভাবে ঋতুনিবৃত্তি বা মেনোপজ হয়ে গেলে মেয়েদের প্রজনন ক্ষমতা থাকে না। এ সময় কিছু কিছু দৈহিক পরিবর্তন হয়, হাতে, পায়ে, ঘাড়ে, নিতম্ব ও থাইতে চর্বি জমার সম্ভাবনা থাকে, ওজনও বেড়ে যেতে পারে। কেউ কেউ আবার বেশি রোগা হয়ে যায়। কারও ত্বকের মসৃণতা কমে যায়, বলিরেখা পড়তে পারে। শরীরে কোথাও ব্যাথা অনুভূত হতে পারে। উদ্বেগ, রাগ ও শুচিবাই রোগ দেখা দিতে পারে। এই সকল উপসর্গে মানসিক দুর্বলতা আসে। এই পর্যায়ে যৌন তৃষ্ণা কম েযায়।

 

রক্ত চলাচলের ক্রিয়ায় পরিবর্তন হয় তাই মাঝে মাঝে হঠাৎ করে গরম বা ঠান্ডার অনুভূতি হতে পারে। দিনে মধ্যে চার-পাঁচবার শরীর ঘেমে ওঠে, যাঁদের হাই ব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস আছে, তাদের এসব উপসর্গ বেশি হয়। এই সময় শরীরে হরমোন নিঃসরণের ক্রিয়ার বিশেষ পরিবর্তন হয়। ওভারি শুকিয়ে ছোট হয়ে যায়, ডিম্বাণুও থাকে না, তাই স্বভাবতই ওভারি থেকে নিঃসৃত স্ত্রী হরমোনের পরিমাণ কমতে থাকে। ওভারির নিঃসৃত হরমোন হ্রাস পাওয়ার ফলে পিটুইটারি ও অ্যাডরেনাল গ্রন্থিসমূহের হরমোন বৃদ্ধি পায়, তাই কারও কারও মুখে বা চিবুকে চুলের মতো লোম দেখা দিতে পারে। এই সকল উপসর্গ কিন্তু সকলের হয় না। যৌন তৃষ্ণা ও বিভিন্ন পর্যায়ে নানরূপ ধারণ করে।

চিকিৎসা:
অনেকেরই তেমন কোনও চিকিৎসা দরকার হয় না, তবে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। শরীরের যতœ, ত্বকের যতœ, ব্যায়াম এই তিনটি ব্যাপার বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। সুষম আহার, কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা আর ঠিকঠাক ঘুম দরকার। নিয়মিত হেলথ চেক আপ জরুরি। যাদের খুব বেশি উপসর্গ থাকে, যেমন বার বার কান মাথা জ্বালা করছে, গাঁটে গাঁটে খুব ব্যথা বা একেবারে ঘুম হচ্ছে না, অসম্ভব টেনশন, সেই সকল ক্ষেত্রে এইচ-আর-টি বা হরমণ রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির দরকার হতে পারে অল্পদিনের জন্য। এছাড়া এই সময় স্ত্রীরোগ বিশেষঞ্জরা ত্বক, চুল ও শরীর ভাল রাখার জন্য কয়েকটি ওষুধ (medicine) দিয়ে থাকেন।

 

মেয়েদের যৌন তৃষ্ণা বিষয়ক এই অনুচ্ছেদে কয়েকটি তথ্য:

মেনোপজ হঠাৎ একদিন হয় না প্রথমে হয়তো তিন মাস বন্ধের পর আবার একবার হল, তারপর আবার কিছুদিন বন্ধ থেকে একমাসে দু-বার পিরিয়ড হল, আবার বন্ধ এইভাবে ক্রমশ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।

 

এসময় যদি অত্যধিক ব্লিডিং হয় তাহলে বা তা না হলেও গাইনোকোলজিস্ট দেখিয়ে নেবেন। কারণ এই বয়সে মেনোপজ ছাড়াও জরায়ুর টিউমার বা অন্য অসুখ হতে পারে। যে সব মহিলাদের ৪০-এর নীচে মেনোপজ হয়ে থাকে তাহলে সেই মহিলারাও আরলি মেনোপজ বলা হয়।

আজকাল মেয়েদের ১০ বছর বয়সের আগেই পিরিয়ড হয়ে যায়, তার মানে কিন্তু এই নয় যে তাড়াতাড়ি মেনোপজ হয়ে যাবে, আবার এও বলা যায় না যে যাদের প্রথম পিরিয়ড শুরু হয়েছে দেরিতে, তাদের মেনোপজ আরও দেরিতে হবে। ডায়বেটিস থাকলে মেনোপজের দেরি হতে পারে। তবে মেনোপজের এর কারণে স্বাভাবিক শারীরিক মিলন বাধাপ্রাপ্ত হয় না।

নেক সময় মেনোপজের সময় অনেক মহিলাদের শারিবীক চাহিদা বেড়ে যায়। আর অনেকের কমেও যায়। এখন আলট্রাসোনোগ্রামের মাধ্যমে মেনোপজের ডায়াগনসিস খুব সহজে করা যায়। এ সময় মহিলারা নিয়মিত পার্লার ও জিমে যাবেন তা না হলে আত্মবিশ্বাস যাবে চলে। মনে রাখবেন মনের জোর ও সঠিক চিকিৎসায় মেনোপজের উপসর্গগুলি অতিক্রম করা যায় এবং নিশ্চিন্ত দাম্পত্যজীবন কাটানো যায়।

যৌন তৃষ্ণাযেমন কমে বাড়ে তেমনি  যৌন তৃষ্ণা নিবরণের লক্ষ্যে কেউ অবৈধ তৃপ্তি খোজার চেষ্টা করবেন না। এত করে অাপনার যৌন রোগে আক্রান্ত হেওয়ার সম্ভানা থাকে। আপনার সুস্থ্য ও সুন্দর জীবনের কামনার  যৌন তৃষ্ণা বিষয়ক আজকের পোষ্ট এখানেই সমাপ্ত করলাম।ধণ্যবাদ

কন্ডোম ব্যবহারের যে চারটি ভুল আপনি করেন!

অযাচিত গর্ভধারণ এবং যৌনবাহিত রোগ আটকাতেই জন্মনিরোধকের ব্যবহার। কিন্তু অনেকেই মনে করেন, শারীরিক মিলনের সময় এটি ব্যবহার করলেই আর কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু কন্ডোম ব্যবহারের কয়েকটি সাধারণ ভুল অনেকেই করেন। দেখুন এই সমস্যা আপনারও হয়েছে কী না।

১) বহুদিন ফেলে রাখা কন্ডোম ব্যবহার নিরাপদ নাও হতে পারে। ঘরে পড়ে থাকা বা মানিব্যাগে থাকা কন্ডোম ঘষা লেগে এবং গরম তাপমাত্রার কারণে কার্যকারিতা হারাতে পারে।”
২) সঠিক মাপের কন্ডোম ব্যবহার করুন। বেশি আলগা হলে সঙ্গমের সময় এটি খুলে যেতে পারে। আর বেশি চেপে থাকলে ফেটে যেতে পারে।
৩) সঙ্গমের সময় অনেকেই প্রথম থেকে কন্ডোম ব্যবহার করেন না। এতে অযাচিত গর্ভধারণ এবং যৌনবাহিত রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়।
৪) যে কোনও কন্ডোমের নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। ব্যবহারের সময় সেটি দেখে নিন। যতটা সম্ভব নতুন কন্ডোম ব্যবহার করে নিরাপদ ও সুস্থ যৌন জীবন এনজয় করুন।

আঘাতকর হস্তমৈথুন্য সিন্ড্রোম/লক্ষন (Traumatic Masturbatory Syndrome -TMS) কি? জেনে রাখুন

Traumatic Masturbatory Syndrome হল এমন একটি স্বমৈথুন্য অভ্যাস যা পুরুষ বিছানায় উপুড় হয়ে করে থাকে। কিছু টিএমএস রোগী তাদের লিঙ্গকে বিছানা, বালিশ বা অন্য কোন শক্ত বস্তুতে ঘষে থাকে। আবার অনেকে তাদের হাতকে ব্যবহার করে।

 

সমস্য: উপুড় হয়ে শুয়ে স্বমৈথুন্য করেলে শরীরের সমস্ত চাপ লিঙ্গের উপর পড়ে, বিশেষ করে লিঙ্গের গোড়ার দিকে। যেহেতু এটা কোন স্বাভাবিক অভ্যাস নয় তাই এটি নারী সঙ্গীর সাথে শাররীক যৌন মিলনে গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করে (সামর্থ্য থাকেনা)। জরিপে দেখা গেছে যারা স্বাভাবিক স্বমৈথুন্য করেছেন তারা টিএমএস অব্যস্থ ব্যাক্তির চেয়ে শতকরা ৬.৬ ভাগ বেশি যৌন মিলন করতে পারেন।

যারা টিএমএস রোগী তাদের আরেকটি স্বাভাবিক সমস্যা হল “ইনওরগাসমিয়া” (শাররীক মিলনকালে রাগমোচন বা পুর্নকাম তৃপ্তি অর্জনে অসমর্থ হওয়াকে ইনওরগাসমিয়া বলে।) অথবা দেরীতে পুর্ন কাম তৃপ্তি অর্জন করা। অনেকটিএমএস রোগী লিঙ্গোথ্থান (লিঙ্গ খাড়া হওয়া) প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন।

সাধারনত যেসকল পুরুষ প্রায় আধাঘন্টাযাবৎ উপুড় হয়ে স্বমৈথুন্য করায় অভ্যস্থ ছিলেন তারা তাদের স্ত্রীদের সাথে মিলনে পুর্ন কাম তৃপ্তি অর্জনে সামর্থ হয়না,তখন তারা তাদের সঙ্গীর দুই পা এর মাঝখানে ঘষে অথবা বিছানা বা শক্ত বস্তুর সাথে ঘষে বীর্যস্থলনের চেষ্টা করেনযা তাদের নারী সঙ্গীকে অস্বস্তিতে ফেলে।

 

 

প্রায় ৬০ শতাংশ পুরুষ যারা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য করেন তারাইনওরগাসমিয়া অথবা দেরীতে কাম তৃপ্তির সমস্যায় ভোগেন, আর মাত্র ৪ শতাংশ পুরুষ যারা অল্প মাত্রায় হস্তমৈথুন্যকরেন তারা এরকম সমস্যায় পড়েন।

প্রায় প্রতি তিনজনের একজন পুরুষ যারা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য করেন তারা নারী সঙ্গীর সাথে শাররীক মিলনের সময়লিঙ্গথ্থান বা ইরিটিক্যাল ডিসফাংশান সমস্যয় ভোগেন। একই সময় যারা অল্প মাত্রায় হস্তমৈথুন্য করেন তাদের মাত্রশতকরা ৫ ভাগ এ সমস্যায় পড়ে।

যে সকল পুরুষ হস্তমৈথুন্য করতে অব্যস্থ হয়ে পড়ে তারা সরাসরি যোনি পথে মিলনে ততটা আনন্দ পান না – যতটাহস্তমৈথুন্য করে অর্জন করেন। কারন হস্তমৈথুন্যে কাম সুখ, উত্তেজন এবং বীর্যস্থলন নিয়ন্ত্রন করা যায়। কিন্তুযৌনমিলনে তা অনেক সময় নিজ নিয়্ন্ত্রনে থাকেনা। টিএমএস রোগীদের জন্য শাররীক মিলন পরিমানে খুব সামান্যযা তারা স্বমৈথুন্যে পেয়ে থাকেন।

 

 

 

পারিশেষে বলা যায় “অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য এবং টিএমএস অর্থাৎ বিছানায় উপুড় হয়ে স্বমৈথুন্য করা যৌন স্বাস্থের জন্য চরম ক্ষতিকর”!

লজ্জা নয় যৌন বিষয়ে জানুন সচেতন থাকুন। যৌন শিক্ষা জীবনের জন্য শিক্ষা। মনে রাখবেন আপনার যৌন জীবনে অশান্তি মানেই আপনার জীবন তেজপাতা!  অাপনার ডক্টরের সাখে থাকুন যৌন বিষয়ে জানুন সুস্থ সুন্দর দাম্পত্য জীবন গড়ুন।

যৌনমিলনের ১০ টি প্রধান উপকারীতা -কিভাবে শাররীক মিলন স্বামী-স্ত্রীর উপকারে আসতে পারে?

যখন আপনার মন প্রশান্ত তখন শেষ জিনিস যেটা আপনি ভাবেন তা হল সুস্থ্য শরীর এবং শরীরের সুন্দর একটা শেপ (শরীরের সঠিক ওজন)। ভাল (তৃপ্তি যুক্ত) যৌন মিলন থেকে আপনি অবশ্যই এসব পেতে পারেন। যৌন মিলন বিবিধ ভাবে আপনার শরীরের জন্য উপকারী। নিন্মে তার উল্লেখযোগ্য কিছু দিক বর্ননা করা হল।

১. যৌন মিলন দুশ্চিন্তা রোধ করে:
যৌন মিলনের একটি বড় সুবিদা হল এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে এবং মোটের উপর দুশ্চিন্তা রোধে সহায়তা করে। স্কটল্যান্ড থেকে প্রকাশিত বায়োলজিক্যাল পিজিওলজি জার্নালে প্রকাশিত এক জরিপে এ তথ্য পাওয়া যায়। জরিপে ২৪ জন নারী এবং ২২ জন পুরুষের যৌন কর্মকান্ড লিপিবদ্ধ করা হয়। জরিপ চলা কালে তাদেরকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঝামেলা যুক্ত কাজ দেওয়া হয় (যেমন ফ্রন্ট ডেস্কে কাজ করা ইত্যাদি)। এ অবস্থায় দেখা যায় যারা শাররীক মিলন করেছেন তার অন্যদের তুলনায় কম দুশ্চিন্তা/ঝামেলায় উদ্ভিগ্ন হন।
একই জার্নলে প্রকাশিত অন্য একটি আর্টিক্যালে জানা যায় নিন্ম রক্তচাপ অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত যৌন মিলনের সাথে সম্পৃক্ত। ডাক্তারগন আলিঙ্গনের সাথে নারীর নিন্ম রক্তচাপের একটা সম্পর্ক পেয়েছেন।

২. যৌন মিলন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:
ভাল যৌন স্বাস্থ্য মানে উন্নত শাররীক স্বাস্থ্য/সুস্থতা। সপ্তাহে একবার কিংবা দুইবার শাররীক মিলনে ইম্যুওনোগ্লোবুলিন-এ (সংক্ষেপে IgA) নামক এন্টিবডি’র স্তর বৃদ্ধি করে, যা আপনাকে ঠান্ডা লাগা/নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে সক্ষম।
উইলকিস্ ইউনিভার্সিটি, পেনসিলভিনিয়া এর বিজ্ঞানীগন সপ্তাহে অন্ততঃ একবার শাররীক মিলন করেন এমন ১১২ জন মানুষের কাছ থেকে হজমে সহায়তাকারী মুখের লালা (saliva) এর নমুনা সংগ্রহ করেন। তারা একই সময় [দল – ২]যারা যৌনমিলন করেন না; [দল – ৩]যারা সপ্তাহে একদিনের চেয়ে কম (দুই সপ্তাহ কিংবা মাসে একবার), এবং [দল – ৪]যারা অনেকবার (সপ্তাহে তিনবার কিংবা তার বেশি) শাররীক মিলন করেন তাদের লালার নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষা করে যে তথ্য উৎঘাটন করেন তাতে দেখা যায় – প্রথম দলের (সপ্তাহে ১ বার) মানুষদের IgA এর স্তর অন্য তিন দলের [২,৩ এবং ৪] চেয়ে অনেক উন্নত।

৩. যৌন মিলনে অতিরিক্ত ক্যালরি দহন হয়।
তিরিশ (৩০) মিনিটের শাররীক মিলন ৮৫ ক্যালরি কিংবা তারও বেশি দহন করতে পারে। ৪২ বার আধাঘন্টার মিলনে ৩,৫৭০ ক্যালরি দহন করতে সামর্থ – যা এক পাউন্ড ওজন কমানোর জন্য যথেষ্ট! তার মানে ২১ ঘন্টার মিলনে এক পাউন্ড ওজন কমানো সম্ভব।
যৌন মিলন একটি ভাল ব্যয়াম। এর সাহায্যে শাররীক এবং শরীরবৃত্তিয় উভয়-ই সংঘটিত হয়।

 

৪. শাররীক মিলন হৃদপিন্ডের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।
অনেক বয়স্ক পুরুষ মনে করেন যৌনমিলন করলে ষ্ট্রোক হবার সম্ভাবনা থাকে। এটি সবসময় সত্য নয়। জার্নাল অব ইপিডিমিউলোজি এন্ড কমিউনিটি হেল্থ এ প্রকাশিত এক গবেষনা পত্রে বলা হয় ৯১৪ জন মানুষকে ২০ বছর যাবৎ পর্যবেক্ষন করে যৌন মিলনের সাথে ষ্ট্রোক এর কোন সমপ্রিক্ততা পাওয়া যায়নি।
যৌনমিলনে হৃদপিন্ডের ভাল দিকগুলোর এখানেই সমাপ্তি নয়। উক্ত গবেষনায় আরোও জানা যায়, সপ্তাহে কমপক্ষে দুইবার অথবা ততোধিক শাররীক মিলনের ফলে প্রাণনাশক হার্ট এ্যাটাকের সম্ভাবনা/মাত্রা প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনে; যারা সপ্তাহে একবারের কম শাররীক মিলন করে থাকেন তাদের তুলনায়।

 

৫. যৌনমিলন পারষ্পরিক আন্তরিকতা বৃদ্ধি করে।
যৌনমিলন করা এবং যৌনমিলনে পুর্নতৃপ্তি অর্জনে মানবদেহের অক্সিটসিন (oxytocin) হরমোনের স্তর বৃদ্ধি করে। অক্সিটসিন হরমোনকে লাভ-হরমোনও বলা হয়ে থাকে। অক্সিটসিন হরমোন স্বামী-স্ত্রী পরষ্পরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন এবং ভালবাসা শক্তিশালী করে। ইউনিভার্সিটি অব পিটার্সবার্গ এবং ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারলিনা’র এক যৌথ গবেষনায় ৫৯ জন ঋজচক্র সক্রিয় আছে এমন নারীর তাদের স্বামীর সাথে উষ্ণ আলিঙ্গনের পুর্বে এবং পরের অবস্থা মুল্যায়ন করেন। ফলাফলে তারা পায়, “যত বেশি সংষ্পর্শ – তত বেশি অক্সিটসিন হরমোনের স্তর”!

 

“অক্সিটসিন প্রকিতিকে সনিবন্ধ অনুরোধ করে আরো বেশি আন্তরিক বন্ধনের জন্য,” বিট্টন বলেন।
উচ্চ মাত্রার অক্সিটসিনের সাথে সঙ্গীর প্রতি “উদার” অনুভুত হবার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তাই যদি মাঝে মাঝে আপনি আপনার সঙ্গীর প্রতি উদার মনোভাবের অনুভতি অনুভব করেন তবে তার কৃতিত্ব কিন্তু এই অক্সিটসিন তথা লাভ-হরমোন এর!

৬. শাররীক মিলন আত্মসম্মানবোধের উন্নতি সাধন করে।
যৌনমিলনের ২৩৭ টি কারনের মধ্যে আত্মসম্মানবোধের উন্নয়নও মিলনের একটি উল্ল‌্যেখযোগ্য কারন – ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের গবেষক দলের উদ্ভাবিত “আর্কাইভ অব সেক্সুয়াল বিহেভিয়্যর” জার্নালে প্রকাশিত এক আর্টিক্যালে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
জিনা অগডোন (পিএইচডি) নামের ক্যামব্রিজের একজন সেক্স থেরাপিষ্ট বলেন, যেসব মানুষের আত্মসম্মানবোধ অন্যের তুলনায় ভাল – তারাও অনেকসময় আরো বেশি মানসিক প্রশান্তির প্রত্যাশায় মিলন করে থাকেন। তার মতে ভাল মানের যৌনমিলনের শুরুই হয় আত্মসম্মানবোধের দৃড়তার ভিত্তিতে, এবং এটার ক্রমঃউন্নয়ন হয় – যদি শাররীক মিলনের সাথে ভালবাসার সংযুক্তি থাকে। তিনি আরোও বলেন – অনেক মানুষ তার সাথে আলোচনায় উল্ল্যেখ করেন যে নিজের সম্পর্কে পজেটিভ ধারনা জাগানোর লক্ষ্যে তারা অনেক সময় মানুষ যৌনমিলন করে থাকে।

৭. যৌনমিলন ব্যথা নিরাময় করে।
অন্তরঙ্গতার ফলে যখন অক্সিটসিন (oxytocin) হরমোন প্রচন্ড তরাঙ্গায়ীত হয় তখন ইনড্রোপিন হরমোনের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, ইনড্রোপিন কার্যকরী ব্যথানাশক – ফলে প্রাকৃতিক ভাবেই যন্ত্রনা হ্রাস পায়। তাই যদি আপনার মাথাব্যথা, গেটে বাতের ব্যথা সহ অন্য শাররীক ব্যথা থাকে তাহলে যৌনমিলনের পর ইনড্রোপিন তা কমিয়ে আনবে।
বুলেটিন অব এ্যক্সপেরিমন্টাল বায়োলজি এন্ড মেডিসিন এ মুদ্রিত এক আটির্কেলে উল্ল্যেখ করা হয় ৪৮ জন সেচ্ছাসেবককে শ্বাসের মাধ্যমে অক্সিটসিনের বাষ্পীয় রুপ সেবন করানো হয় এবং তাদের হাতের আঙুল মচেকে দেয়া হয়। অক্সিটসিন ক্রিয়াশীল অবস্থায় তাদের ব্যথার অনুভুতি প্রায় অর্ধেক পাওয়া গিয়েছে।

৮. শাররীক মিলন মুত্রাশয় এবং মুত্রনালীর ক্যান্সারের ঝুকি কমায়।
নিয়মিত বীর্যপাত, বিশেষ করে ২০ উর্দ্ধ বয়সের পুরুষের ক্ষেত্রে পরবর্তীতে (বয়স্ক অবস্খায়) মুত্রাশয় এবং মুত্রনালীর ক্যান্সারের ঝুকি কমায়। অষ্ট্রেলিয়ান গবেষকদলের তথ্য মতে (ব্রিটিশ জার্নাল অব ইউরোলোজি ইন্টারন্যাশনালে মুদ্রিত) যখন তারা প্রোষ্টেট ক্যান্সার রোগী এবং সাধারন (রোগমুক্ত) পুরুষের রোগ নির্নয়ের পরীক্ষা করেন, তখন তারা মুত্রাশয় এবং মুত্রনালীর ক্যান্সারের সাথে ৩০, ৪০ এবং ৫০ বছর বয়সে শাররীক মিলনের হারের বড় একটি সম্পর্ক আবিষ্কার করেন। যেসকল পুরুষ ২০ উর্দ্ধ বয়সে সপ্তাহে পাঁচ অথবা ততোধিক বীর্যপাত ঘটিয়েছেন তাদের মুত্রাশয় এবং মুত্রনালীর ক্যান্সারের ঝুকি ৩৩% কম। অর্থাৎ কম শাররীক মিলন মানে বেশি মুত্রাশয় এবং মুত্রনালীর ক্যান্সারের ঝুকি।
অন্য একটি গবেষনায় ডাক্তারগন বলেন, মাসে ২১ বার কিংবা ততোদিক যৌনমিলনের ফলে বৃদ্ধ বয়সে মুত্রাশয় এবং মুত্রনালীর ক্যান্সারের সম্ভাবনা ২১ বারের কম এমনকি চার থেকে সাত বার মিলনকারীদের চেয়ে ৩৩% ভাগ কম।

 

৯. যৌনমিলন পিলভিক প্লোর পেশী (নারী এবং পরুষের গোপনাঙ্গের কাছে অবস্থিত পেশী যা শাররীক মিলনে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে) শক্তিশালী করে।
নারীর জন্য, শাররীক মিলনের সময় সামান্য পরিমনা কিগ্যিল তথা পিলভিক প্লোর ব্যয়ামে (exercise) নানাবিধ উপকারীতা পরিলক্ষিত হয়। এতে অধিক আনন্দ (pleasure) উপভোগের সাথে যৌনাঙ্গ টাইট করা সহ অধিক বয়সে অন্য নারীর তুলনায় বেশি সুস্থ্য থাকবেন।
সাধারন কিগ্যিল ব্যয়ামের জন্য মিলনকালে পিলভিক পেশীকে সংকুচিত করে ধরুন যেমনটি প্রস্রাবের গতি রোধ করার জন্য করে থাকেন। সংকুচিত অবস্থায় এক থেকে তিন পর্যন্ত গুনুন এবং তার পর ছেড়ে দিয়ে স্বাভাবিক হউন। একই নিয়মের পুনরাবৃত্তি করুন ১০ বার।

১০. শাররীক মিলন নিরবচ্ছিন্ন নিদ্রা নিশ্চিত করে।
মিলনে পূর্নতৃপ্তিতে যে অক্সিটিসন হরমোন নিষ্কৃত হয় তা পরবর্তিতে ঘুমে সহায়তা করে। পর্যাপ্ত ঘুমের সাথে অন্যান্য শাররীক সুবিদা যেমন সঠিক ওজন এবং রক্তপ্রবাহ জড়িত। আপনি আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করবেন শাররীক মিলন শেষে অল্প কিছুক্ষনের মাঝেই মিলনকারী নারী-পুরুষ গভীর নিদ্রায় নিমগ্ন হয়ে যায়।

সহবাস কিভাবে করতে হয়?

সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।
আয়াতের অর্থ হলোঃ “যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।”

আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে সহবাস করার সময় স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উলে­খ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন। কেননা  সহবাসের সময় এতে পুংলিংগে বীর্য আটকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সহবাস করতে গিয়ে আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়।

 

 

স্বামী-স্ত্রী সহবাসে উভয়ের বীর্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বীর্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করিতে সুবিধা হয়। তা না হলে বীর্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিরে পড়লে গর্ভ সঞ্চার হয় না। সহবাস করার পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রীর দুই জনের যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়? তারপর স্বামী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। সহবাস শেষে পর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আদায় করে নিবেন।

 

 

সকল নেয়ামতের মধ্যে সবচাইতে তীব্র আনন্দের নেয়ামত স্বামী-স্ত্রীর সহবাস। স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতেই জান্নাতের সুখের কিঞ্চিত নিদর্শন পেয়ে থাকে।আল্লাহ সহবাসের আহবায়ক করেছেন পুরুষ মানুষকে। সাধারণত স্ত্রী লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকে এবং সহজাতভাবে সহবাসের জন্য তাড়িত হয় না। কেবলমাত্র যখন তার স্বামী তাকে বুকে টেনে নেয় ও নানাবিধ উপায়ে আদর-সোহাগ করতে থাকে, তখনই স্ত্রীর দেহ-মনে সহবাস করার জন্য কামনা জেগে উঠে। স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় নরম থাকে ও সহবাস কালীন যোনিগহবরে প্রবেশের উপযুক্ততা অর্জনের জন্য শক্ত হয়। এ সময় তা নরম অবস্থার চাইতে কারও ক্ষেত্রে ছোট হয়, কারও ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে, তবে অধিকাঙ্গশ ক্ষেত্রে কিঞ্চিত বর্ধিত হয়।

 

সূরা আল-আলাক্বে বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ মানুষকে একফোঁটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে এক থেকে তিন মিলিলিটার পরিমাণ বীর্যপাত হয়, যা ঘনীভূত হয়ে থাকে বলে এক ফোঁটার ন্যায় দেখায়, যা ক্বোর’আনের বর্ণনার সাথে একেবারে মিলে যায় এবং ক্বোর’আনের সত্যতা প্রমাণ করে। তবে অনেক স্বামীর বীর্যের পরিমাণ বেশি এবং এমনকি দশ-বার ফোঁটা পর্যন্ত বীর্যও সহবাসে নির্গত হতে পারে। তবে সন্তান জন্মদানে ব্যয় হবে এক ফোঁটাই, বাকি অংশ স্ত্রীর গর্ভে শুকিয়ে যাবে।সহবাসকে সার্থক ও আনন্দদায়ক করে তুলতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। স্ত্রী যদি অকার্যকর হয়ে কেবল পড়ে থাকে, স্বামীর সাথে সাথে নিজের মত করে অগ্রসর না হয়, তাহলে সেই সহবাসে স্ত্রীও আনন্দ পায় না, স্বামীও স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে এমনকি পরনারীর প্রতি আকর্ষণ পর্যন্ত এভাবেই জন্মায়। তাই সহবাস কালীন সময়ে স্ত্রীর করণীয় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা সকল নারীরই কর্তব্য।

 

সহবাস অন্তে স্বামী অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এমনকি কথা বার্তাও বলা থেকে বিরত থাকতে পারে। সহবাসের  সময় স্বামীকে মিষ্টি দুগ্ধজাতীয় কোন খাদ্য দিলে স্ত্রীর প্রতি তার মহব্বত অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়। সহবাস করার পূর্বেই এই খাবারের ব্যবস্থা রাখবে। স্বামীর গায়ে হাত বুলিয়ে দিবে। স্বামীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুম্বন করবে। প্রথম কয়েকদিনেই জেনে নিবে কোন স্থানে চুম্বন ও স্পর্শ স্বামীর পছন্দনীয়। ওই সমস্ত স্থানে অধিক মনোযোগ দিবে কিন্তু অবশিষ্ট শরীরেও সোহাগ করবে। তবে নারীসুলভ কোমলতায়। স্বামী উগ্রভাবে আদর করলেও স্ত্রীর উচিত হবে স্পর্শে কোমলতা বজায় রাখা। তবে চুম্বনে স্বামীর সাথে সমভাবে অংশগ্রহণ করবে এমনকি চুম্বনের প্রতিযোগিতা করবে।সহবাস করার সময়  স্বামীকে আদরের সময় মৃদুভাবে অণ্ডথলিতে স্পর্শ করে রাখলে স্বামী স্ত্রীর ভক্ত হয়ে যায়। তবে সাবধান থাকবে, কেননা অণ্ডোথলি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও অতি মৃদু আঘাতেও মারাত্মক যন্ত্রণা হতে পারে।

 

 

স্বামীর আনন্দ স্ত্রীর যোনিগহবরে প্রবেশের মাধ্যমে। কিন্তু স্বামী অনেক সময় জানে না যে স্ত্রীর আনন্দ সহবাসের পূর্বে আদর সোহাগে। তাই এই বিষয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে স্বামীকে খুলে বলতে হবে এবং নিজের চাহিদা স্বামীর গোচরে আনতে হবে।২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মিলন/ সহবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যাভধানে পুনরায় সহবাস করার জন্য উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এর পর বয়স যত বাড়বে মিলনে/ সহবাসে পুরুষ তত বেশি সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাভধানও বাড়তে থাকে।এক নারী কিংবা একপুরুষের সাথে বার বার মিলন করলে যৌন মিলনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মিলনে / সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত সহবাস / মিলনে একে অপরের শরীর এবং ভাললাগা/মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

kiss করার সময় চোখ বন্ধ হয় কেন?

কিস ( kiss )  দেওয়ার সময় চোখ বুজে যায়। একবার পরীক্ষা করে দেখুন, সত্যিই যায়। প্রিয়ার ঠোঁটে, সন্তানের গালে, কিন্তু ফ্লাইং কিসের জন্য নিজের হাতের তালুতে চুমু দিতে গিয়েও চোখ বুজিয়ে রাখা যেনো অভ্যাস।

এর একটা বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলেছেন, আমরা চোখ বুজিয়ে রাখি কারণ আমাদের মস্তিষ্ক একই সঙ্গে দুটি কাজ করতে পারে না। মানব শরীরের নানা আচরণের মধ্যে অন্যতম রহস্যের kiss করার সময় চোখ বন্ধ হওয়া  একটি যা এবার উন্মোচিত হলো।

 

লন্ডন ইউনিভার্সিটির রয়্যাল হোলোওয়ের মনোবিজ্ঞানীরা বলেছেন, চুমুর ( kiss ) সময় চোখ যদি কিছু দেখতে বা খুঁজতে থাকে তখন বোধশক্তি ভিন্নদিকে প্রবাহিত হয় ফলে চুমুর ( kiss felling) অনুভূতিটা আর থাকে না।

স্পর্শনেন্দ্রিয়র সচেতনতা সম সময়ের দৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত। আর স্পর্শানুভূতিও তার ওপরই নির্ভর করে বাড়ে কমে, এ কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গবেষক শিক্ষক পলি ডালটন ও স্যান্ড্রা মারফি।

মনোবিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে তাদের গবেষণার আওতায় আনা নারী পুরুষদের চুমু (kiss ) খাইয়ে এই পরীক্ষা চালাননি, বরং দৃষ্টির পরীক্ষা নিয়েছেন। হাত দিয়ে কোনও কিছু যখন স্পর্শ করছেন তখন চোখটা কি করে সেটা তারা পরীক্ষা করেছেন।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে কেউ কেউ কেউ যখন গান করে, কিংবা নাচে তখনও তাদের চোখ বন্ধ থাকে। গান বা নাচে পূর্ণমনোনিবেশ করতেই চোখকে কোনও কিছুতে নিবদ্ধ হওয়া থেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সুতরাং কিস  (kiss ) করার সময় আমরা আমাদের চোখ বন্ধ করে রাখি কারণ এর পূর্ণ স্পশানুভূতি আমরা পেতে চাই।

এতে দেখা গেছে চোখ খোলা থাকলে স্পর্শনেন্দ্রিয়কে ছাপিয়ে মনোজগতে চোখে দেখতে থাকা বিষয়টিই প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। মানে হচ্ছে কেউ যদি চোখ খোলা রেখে চুমু  (kiss) খায় তাহলে তার অনুভূতি পেতে চুমু  (kiss) খেতেই থাকবে। আর চোখ বুজে ঠোঁটের সামান্য স্পর্শানুভূতিই পূর্ণ তৃপ্তি দেবে। ড. ডালটন বলেন, আমরা আমাদের দৃষ্টিপাতে বেশি নিমগ্ন থাকলে তা দারুণভাবে অন্য সকল অনুভূতিকেই দুর্বল করে দেয়।

সেক্সের সময় মেয়েরা কাঁদে, কিন্তু কেন জেনে নিন

অনেক মেয়ে মিলনের সময় কাঁদে, কিন্তু কেন ?
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘পোস্টু কইটাল ডিসফোরিয়া বা পিসিডি’ বলা হয়। সেক্সের পর চোখে পানি, বিষণ্নতাবোধ, আগ্রাসী মনোভাবের শিকার বলে মনে হওয়া এবং উৎকণ্ঠা বোধ হওয়া এ সমস্যার লক্ষণ।

এ গবেষণায় আমেরিকায় ২৩০ জন নারীর ওপর জরিপ চালানো হয়। এদের ৫ শতাংশ জানান, বিগত মাসগুলোতে বেশ কয়েকবার তাদের এ সমস্যা হয়েছে।

২০১১ সালে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব সেক্সুয়াল হেলথ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এক-তৃতীয়াংশ নারী তৃপ্তিদায়ক যৌনকর্মের পরও বিষণ্নতায় ভোগেন। তারা কাঁন্নার পেছনে বেশ সশয় ব্যয় করেন
এমনকি সেক্সের আগেও অনেক নারী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ২৮ বছরৃ
বয়সী লরা নামের এক নারী জানান যে, সঙ্গী তাকে জড়িয়ে ধরার পরই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। অনেক সময় এ অবস্থা কয়েক ঘণ্টা ধরে স্থায়ী হতে পারে। অনেক সময় সেক্সের পর রাতে ঘুমিয়ে সকালে ওঠার পরও মনে হয়, মনটা খারাপ হয়ে আছে।

২৫ বছর বয়সী সোফি জানান, সেক্সের পর প্রায়ই আমি কাঁদি। আমার কাছে মনে হয়, হয়তো এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্যে দেহে অনেক বেশি হরমোনের প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞ ড. পেট্রা বয়নটন জানান, যৌনতার পর দুঃখবোধ হওয়া বা বিষণ্ন হয়ে পড়ার বিষয়টি অনেকগুলো কারণের ওপর নির্ভর করতে পারে। নানা ধরনের আবেগ নানাভাবে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে।

এমনকি ছেলেরাও কাঁদতে পারেন। ৩১ বছর বয়সী চার্লি জানান, জীবনে প্রথমবার সেক্স করার পর প্রচুর কেঁদেছি। আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।

সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জেন ডে বলেন, নানা স্বাদ ও গন্ধ হয়ে জীবনে আসে সেক্স। খুব আবেগের সঙ্গে, ধীর লয়ে ও গভীর অনুভূতি নিয়ে যৌনতার পর এমনিতেই মনটা ভার হয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ের সঙ্গে সবাই অভ্যস্ত না হয়ে উঠলে ভুল ব্যাখ্যা আসতে পারে। পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় আশঙ্কা, দুশ্চিন্তা এবং ভালো না লাগার অনুভূতি চলে আসতে পারে।
তবে ড. বয়নটনের মতে, এ সমস্যা কিন্তু দুজনকে মানসিকভাবে আরো কাছে আনতে পারে। আবার সেক্সের ধরনের ওপরও আবেগে নানাভাবে নাড়া লাগতে পারে।

ভেষজ ভায়াগ্রা, বাড়ান যৌন জীবনের উদ্দীপনা

যৌন জীবনে উদ্দীপনা আনতে ভায়াগ্রায় সাহায্য নেন অনেকেই। বর্তমান জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে যৌনজীবনে শিথিলতা আসছে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি থাকে এণন কিছু খাবার যার মধ্যে রয়েছে জিনসিনোসাইড তবে আপনার ফিরে আসতে পারে যৌন জীবনের উদ্দীপনা।
জেনে নিন আপনি ৫টি খাবারের কথা-

হিং-ডা. এইচ কে বাকরু তার ‘হার্বস দ্যাট হিল: ন্যাচরাল রেমেডিস ফর গুড হেলথ’ বইতে লিখেছেন, যদি টানা ৪০ দিন ধরে রোজ ০.০৬ গ্রাম হিং খাওয়া যায় তাহলে পেতে পারেন সুস্থ যৌনজীবন।
রান্নায় মেশাতে পারেন হিং। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস জলে এক চিমটি হিং ফেলে খেলেও পাবেন উপকারিতা।
ডাঁটা-আমেরিকান জার্নাল অফ নিউরোসায়েন্স জানাচ্ছে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা বা উদ্দীপনার ঘাটতিতে খুব ভাল কাজ করে সজনে ডাঁটা। প্রতিদিনের ডায়েট রাখতে পারেন সজনে ডাঁটা। অথবা ১ গ্লাস দুধে সজনে ফুল, নুন ও গোলমরিচ মিশিয়ে প্রতিদিন খেলেও উপকার পাবেন।
জিরা-জিরার মধ্যে থাকা পটাশিয়াম ও জিঙ্ক যৌনাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে বাড়ে যৌন উদ্দীপনা। জানাচ্ছে জার্নাল অফ দ্য সায়েন্স অফ ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার। প্রতিদিন ১ কাপ গরম চায়ে জিরা ফেলে খান।
আদা-বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদার উপতারিতার কথা আমাদের সকলেরই জানা। সুস্থ যৌন জীবন বজায় রাখতেও অপরিহার্য্য হতে পারে আদা। আদার মধ্যে থাকা ভোলাটাইল অয়েল স্নায়ুর উত্তেজনা বাড়ায় ও রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা ঠিক রাখে। প্রতিদিন একটি সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে আদার রস ও মধু খেতে পারেন।
রসুন-আফ্রিকান হেলথ সায়েন্সস জানাচ্ছে আদার মতোই উপকারী রসুন। রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে রসুন। ফলে প্রতিদিনের ডায়েটে যদি রসুন থাকে তবে কমতে পারে লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা।

মেয়েদের যৌন চাহিদা কখন বেশি থাকে?

মেয়েদের  যৌন চাহিদা বা কাম বাসনা রয়েছে। কিন্তু আনেক ক্ষেত্রেই এমন টা হতে পারে যে আপনাকে আর চূড়ান্ত তৃপ্তি দিচ্ছে না সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূত।

 

– মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।

– ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।

 

 

– মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌন কর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দকরে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌন কর্মের sex চেয়ে বেশী মজা পায়।
– মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের”বীর্যপাত” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।

– ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য সেক্সের কোন দরকার নেই।

– যোনিতে পেনিস ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।

– মেয়েদের girls যোনির সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, পেনিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পেনিসের দরকার হয় না। বাচ্চা ছেলের পেনিসও এই মজা দিতে পারে।

 

 

 

পেছনের দিক থেকে সঙ্গম করার আসন

সঙ্গম হলো বিপরীত লিঙ্গের মাধ্যমে মিলিত হয়ে আন্নদ লাভ করা।

 

পেছনের দিক থেকে সঙ্গম করার আসন সম্পর্কে জেনে নিনঃ
পুরুষ ও নারী অধিক মোটা হলে বা নারীটি গর্ভবতী হলে এই আসনে সঙ্গম করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে নারীটি হাটু বাকিয়ে সামনের দিকে ঝুকে পা দুটো হাল্কা ফাক করে ধরবে এবং শরীরের ওপরের অংশ নিচু করবে।

 

 

ফলে যোনিমুখ ওপরে উঠে আসবে। এ সময় পুরুষটি পা বাকিয়ে হাটুর ওপর ভর দিয়ে ভুড়িটি ওপরে টেনে ধরে নারীটির পেছন দিক দিয়ে পুরুষাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে।

 

পুরুষাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে তলপেট নারীটির নিতম্বের ওপর চেপে রেখে সহজেই সঙ্গম করা যায়। তবে পুরুষাঙ্গ আকারে ছোট হলে বা যোনিমুখ ও যৌনাঙ্গের ভেতরের গঠন অস্বাভাবিক হলে পেছন দিক দিয়ে সঙ্গম করতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।

 

আবার নারীটির উরু অত্যাধিক মোটা হলে তাঁর হাটু গেড়ে বসতে সমস্যা হতে পারে।

 

 

 

পায়ুপথ বা মলদ্বার দিয়ে সহবাস করা হারাম জানুন ইসলামিক দৃষ্টিতে

 

 

হাদীস সমূহ আর পূর্বে আয়াতের অর্থ অনুযায়ী স্ত্রীর নিতম্বে (পায়ুপথ) সহবাস করা হারাম।

“তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের ক্ষেত স্বরূপ, অতএব যেভাবে ইচ্ছা সহবাস করতে পারো।” আর এ ব্যাপারে আরো অনেক হাদীস রয়েছে।

 

 

পায়ুপথ বা মলদ্বার দিয়ে সহবাস

প্রথম হাদীসঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাজিরগণ যখন মদীনায় আনসারদের নিকট আগমন করলেন তখন তাদের মহিলাদের বিবাহ করলেন। আর মুহাজির মহিলারা চীৎ হতো, কিন্তু আনসারী মহিলারা চীৎ হতো না। একদা এক মুহাজির ব্যক্তি তার আনসারী স্ত্রীকে এরূপ ইচ্ছা করল, কিন্তু সে আল্লাহর রাসূলকে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত তা করতে অস্বীকৃতি জানাল। উম্মু সালামাহ বলেন, সেই মহিলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আসল, কিন্তু জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করল। তাই উম্মু সালামাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, অতপরঃ “তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্য ক্ষেতস্বরূপ, তোমরা যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারো”-(সূরা আল-বাকারাহ ১২৩) আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। তিনি বললেন না, শুধুমাত্র একই রাস্তায় সহবাস করা যাবে।[1]

 

 

দ্বিতীয় হাদীসঃ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমার বিন খাত্তাম (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আগমন করলেন। অতঃপর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তোমাকে কিসে ধ্বংস করল? তিনি বললেন, আমি রাতে আমার সওয়ারী পরিবর্তন করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন উত্তর দিলেন না। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট এই আয়াত “তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্য ক্ষেতস্বরূপ, তোমরা যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারো”-(সূরা আল-বাকারাহ ১২৩) অবতীর্ণ করা হলো। তিনি বললেন, সামনে কর পিছনে কর, আর নিতম্ব ও ঋতুস্রাব থেকে বেঁচে থাক।[2]

তৃতীয় হাদীসঃ আরবী……….

 

 

খুযাইমাহ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নিশ্চয় এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মহিলাদের নিতম্বে সহবাস করা সম্পর্কে বা পুরুষ মহিলার নিতম্বে সহবাস করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। নবী সাল্লাল্লাহু “আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিলেন যে, বৈধ। অতঃপর যখন সে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা করল, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ডাকলেন বা তাকে ডাকার আদেশ করা হল, সুতরাং তাকে ডাকা হল। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি কেমন বললে? কোন দুই ছিদ্রতে (যোনি) পিছন থেকে সম্মুখে হাঁ এটা বৈধ, না পিছন থেকে পিছনে, না বৈধ না। নিশ্চয় আল্লাহ হক-এর ব্যাপারে লজ্জাবোধ করেন না। তোমরা মহিলাদের নিতম্বে সহবাস করোও না। [3]

 

চতুর্থ হাদীসঃ আরবী……….

যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিতম্বে সহবাস করবে আল্লাহ তার দিকে দেখবেন না। [4]

পঞ্চম হাদীসঃ আরবী……..

যে ব্যক্তি মহিলাদের নিতম্বে সহবাস করবে সে অভিশপ্ত।[5]

ষষ্ঠ হাদীসঃ আরবী…………

যে ব্যক্তি ঋতুবর্তিনী বা স্ত্রীর নিতম্বে সহবাস করে অথবা কোন জ্যোতিষের নিকট আসে, অতঃপর তার কথাকে সত্য প্রতিপন্ন করে, তাহলে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তা সে অস্বীকার করল।[6]

 

স্ত্রীর সাথে সহবাসের একান্ত জরুরি ১৫টি শরয়ি কথা

 

 

 

বলা বাহুল্য যে আল্লাহরই ইচ্ছানুযায়ী মানব বংশ বিস্তার ও তার জন্য দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে স্বামীকে-স্ত্রীকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি শান্ত, নিরালা ও সুশৃঙখল পরিবেশের সৃষ্টি করতে হয় এবং এজন্য স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই যথাযথভাবে আপনাপন কর্তব্যসমূহ সাধন করতে হয়। সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে।

 

স্ত্রীর সাথে সহবাসের একান্ত জরুরি ১৫টি শরয়ি কথা

 

প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনেও।
আর স্বামী যখন স্ত্রীর উপরে থাকবে তখন স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। কাজেই স্বামী স্ত্রী সহবাস করার সময় কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। তাহলে জেনে নেই বিশেষ কিছু নিয়মগুলি-
১. সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন (স্ত্রী সহবাসের দোয়া)। তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন। তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।
২. সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করবে না। তার সাথে মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীরও তাই করা উচিৎ।
৩. স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালোবাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস।
৪. রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগে সহবাস করবে না।
৫. ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।
৬. রবিবারে সহবাস করবেন না।
৭. চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
৮. স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় বা উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না।
৯. বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর সহবাস করবেন না।

 

 

১০. জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১১. উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১২. পূর্ব-পশ্চিমদিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৩. বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৪. স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।
১৫. সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না এবং নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।
গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : মাওলানা মিরাজ রহমান

 

 

যৌনতা বিক্রি এবং যৌন কর্মী বিক্রি নিয়ে নতুন আইন

 

 

যৌনতাকে বিক্রি করা বা যৌন কর্মীকে বিক্রি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিলেন ফরাসী আইন কর্তারা। এবার থেকে ফ্রান্সে যৌনতা সংক্রান্ত কোনও বেচা কেনা হলেই ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়কেই শাস্তি পেতে হবে বলে জানা গিয়েছে।
ফ্রান্সে বেশ্যাবৃত্তি আইনসম্মত। কিন্তু সেখানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের দিয়ে যৌনকর্ম করানো আইনসম্মত নয়। তাছাড়া যৌনকর্মীদের নিয়ে কেনাবেচাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। যৌন কর্মীদর কেনা বেচা করলে ক্রেতা বিক্রেতা দু পক্ষকেই ১৫০০ ইউরো থেকে ৩৭৫০ ইউরো জরিমানা করা হতে পারে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যৌনকর্মীদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমনকি দেশের বাইরেও পাচার করে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। এই ব্যবসা বন্ধ করার জন্যই এই ব্যবস্থা নিয়েছে ফ্রান্স। প্রসঙ্গে এক সমাজকর্মী জানিয়েছেন, ৮৫ শতাংশেরও বেশি যৌন কর্মীকে বাইরে পাচার করে দেওয়া হয়। এই জন্য তাঁরা সমস্ত যৌন কর্মীকে পরিচয় পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। যাতে তাঁরা ইচ্ছে করলেই এই কাজ ছেড়ে দিতে পারেন।

 

 

মাল বের করার নিয়ম, সেক্স করার নিয়ম, বীর্য ও যৌন শক্তি time বাড়ানোর উপায়, চুলকানি রোধের উপায়, সব সময লিংগ দিযে মাল পরে, কি ভাবে মেয়েদের সেক্স উত্তেজনা বারানু য়ায়, সেকস বাড়াবার ওপাই, কি ভাবে মিলন করতে হয়, মেয়েদের কিভাবে চুদতে হয়, যেভাবে দৈহিক মিলন ঘটানো যায়, যৌন বাড়ানোর উপায়, মেয়েদের কি পরথম বার চুদ লেই পেগনেট হয়ে যায়, মেয়েদের বীর্য কি খাওয়া যায়, মেয়েদের কোন জায়গায় সেক্স বেশি, বেশি সময় ধরে চুদার উপায়, বেশী সময় ধরে সংগম করার পদ্ধতি, বয়স্ক মহিলাদের সাথে সে্ক্সে ভালো থাকার সহজ উপায় চুদা, মন ভালো করার জন্য কি করবো COM, মাল তাড়াতাড়ি না পড়ার কৌশল, মাস্টারবেট করার নিয়ম, মেয়েদের কি বীর্য বের হয়, যৌন উতেজিত করার নিয়ম, যৌন সমসা, যৌন সমস্যার সমাধান কি, সেক্স নিয়ম, সেক্স দীর্ঘ স্থায়ি করার কৌসল, সেক্স টাইম বাড়ানোর উপায়, স্থায়ি ভাবে চুদার উপায়, সেক্স এর নিয়ম, সেক্সের সময় কি মেয়েদের কোন বীর্য বের হয়, সেক্সের টেবলেটের নাম কী, সেকস টাইম বারাবার উপায়, সেক্স করার নিয়ম, সেক্স করা, সেক্স এর ঔষধ, সেক্স বারবে কি করে, সহবাসে বেশিখন থাকার উপায়, সহবাস স্থায়ি করার উপায়, শরিল ব্যাথা, যৌনমিলনের নিয়ম, সোনা বর পুরুস, বেশি চুদতে হলে কি করতে হবে, বীর্য ধরে রাখার উপায়, কিভাবে সেক্স করতে হয়, কিভাবে বেশিক্ষণ সেক্স করা যায়, কিভাবে চুদলে মেয়েরা সয করতে পারে না, কি ভাবে মেয়েদের সেক্স বারে, কি খেলে সুস্ত থাকা জায়, কি খেলে অনেক খোন করা যায়, কি কি খেলে সেক্স বেশি হয়, কি করলে যৌনতা বাড়ে, কি করলে বেশি সময় সেক্স করা যায়?, কি ওষুদ খেলে বীর্যপাত দেরীতে হবে, এমবিবিএস এর পর যা যা করতে পারেন, একটানা কতখন সহবাস করা উচিত, অনেকখন বীর্যকে ধরে রাখার মতো কোনো ওষধ আছে কি?

যৌন জীবনে সব দোষ কি সব সময় ছেলেদের?

 

 

ভালোবাসায় প্রতারণার ক্ষেত্রে ছেলে আর মেয়েরা কম-বেশি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে। এবং সমাজের উচ্চ শ্রেনিতে মেয়েদের দ্বারা পুরুষদের প্রতারিত হওয়ার ঘটনাই বেশি ঘটে। পুরুষদের যৌনতা পুরুষ মানেই যৌনক্ষুধায় জর্জরিত পশু মাত্র— এমন ধারণা আছে অনেকেরই। চারদিকে মেয়েদের ওপর যৌন নির্যাতন যত বাড়ছে তত পাকাপোক্ত হচ্ছে এই ধারণা। কিন্তু সত্যি কি তাই? যৌন বিজ্ঞানের জগতে নানা গবেষণা ও সমীক্ষা কিন্তু অন্য কথাই বলছে। জানা যাচ্ছে, ছেলেদের যৌন জীবন সম্পর্কে সাধারণভাবে গড়ে ওঠা অনেক ধারণাই তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ধোপে টেকে না। আসুন জেনে নিই তেমনই কয়েকটা ভুল ধারণার কথা—

 

১. ছেলেরা নাকি প্রতি সাত সেকেণ্ড অন্তর যৌন চিন্তা করে!
তাই নাকি! তাহলে অন্যান্য কাজকর্ম তারা কখন করে! নাকি যৌন চিন্তা ছাড়া আর কোনও কাজ নেই তাদের জীবনে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌন গবেষণাকেন্দ্র কিনসে ইনস্টিটিউটের একটি সমীক্ষা কিন্তু জানাচ্ছে ৫৪ শতাংশ পুরুষ দিনে মাত্র একবার কি দু-তিনবার সেক্স-এর কথা ভাবে, ৪৩ শতাংশ পুরুষ ভাবে মাসে ১০ থেকে ১৫ বারের মতো। আর ৪ শতাংশ পুরুষের মনে যৌন চিন্তা আসে মাসে একবারের চেয়েও কম। প্রতি ৭ সেকেন্ডে একবার করে যৌনতা নিয়ে ভাবতে গেলে ছেলেদের কাজকর্ম সব লাটে উঠত।

 

২. প্রেমের ক্ষেত্রে মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা প্রতারণা করে বেশি!
ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা কিন্তু ‌উল্টো কথাই বলছে। সেই সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, ভালোবাসায় প্রতারণার ক্ষেত্রে ছেলে আর মেয়েরা কম-বেশি একই জায়গায় দাঁড়িয়ে। এবং সমাজের উচ্চ শ্রেনিতে মেয়েদের দ্বারা পুরুষদের প্রতারিত হওয়ার ঘটনাই বেশি ঘটে। তার মানে এই নয় যে প্রেমে প্রতারণা কোনও সমর্থনযোগ্য বিষয়। কিন্তু তার জন্য একতরফা ছেলেদের দায়ী করা অনুচিৎ।

৩. সঙ্গিনীকে সুখী করতে হলে ছেলেদের দীর্ঘ পুরুষাঙ্গ থাকা অত্যন্ত জরুরি!
একবারেই ভুল ধারণা। এই বিষয়ে সেক্সোলজিস্ট প্রকাশ কোঠারি জানালেন, ‘‘যোনি গড়ে ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি গভীর হয়। তার মধ্যে কেবল বাইরের দিকের এক তৃতীয়‌াংশ অনুভূতিপ্রবণ। পুরুষাঙ্গ যতই ক্ষুদ্র হোক না কেন প্রবিষ্ট হওয়ার পরে যোনির ওই অংশটির সংস্পর্শে আসবেই। কাজেই দীর্ঘ পুরষাঙ্গ মেয়েদের বেশি পরিমাণে যৌনসুখ দিতে পারে, এমন ভাবার কারণ নেই।’’

৪. ছেলেরা প্রেমের চেয়ে সেক্সকে বেশি গুরুত্ব দেয়!
ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অ্যান্ড্রিউ স্মাইলার ঠিক উল্টো কথাই বলছেন। তিনি বলছেন, ‘‘ছেলেদের মানসিক ও শারীরিক গঠন এমনই যে তাদের পক্ষে কখনওই যৌনতাকে প্রাধান্য দেওয়া সম্ভব নয়। মেয়েরা হার্দিক ভালোবাসাকে যতটা গুরুত্ব দেয় ছেলেরাও ঠিক ততটাই গুরুত্ব দিয়ে থাকে।’’

 

 

 

সম্পর্ক স্থায়ী করে শারীরিক সম্পর্ক

 

 

জীবনবৃত্তে পারস্পারিক ভালোলাগা থেকে জন্ম নেয় ভালোবাসা। আর ভালোবাসার শুভ পরিণতি বিয়ে। বিবাহ ধর্মীয়ভাবে ও সামাজিক রীতি হলেও এই সম্পর্ক স্থায়ী ও সুখী করতে উদ্যোগী হতে হয় দুজনকেই। সম্পর্কের এই যত্ন-আত্তিতে থাকা চলে না কোনো কার্পণ্য। আসুন জেনে নেয়- বিবাহিত জীবনকে আরও সুন্দর এবং সুখী হতে যে বিষয়গুলোর চর্চা করতে হবে:

 

মিলন
বিয়ের কিছুদিন পরই অনেকের কাছে সম্পর্ক একঘেঁয়ে মনে হয়। এক্ষেত্রে নিজেদের মাঝে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক হওয়াটাও কিন্তু দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার অন্যতম শর্ত। মিলনে শুধু নিজের নয় সঙ্গীর চাহিদা ও ইচ্ছার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

সময় কাটানো
একসঙ্গে সময় কাটাতে আগ্রহী হতে হবে। দুজনের একান্ত সময়টুকু আনন্দময় করে তুলতে নতুন নতুন পরিকল্পনা করতে হবে।

সততা
সম্পর্কের ক্ষেত্রে মূল স্তম্ভ হচ্ছে সততা। প্রতিটি সম্পর্কের বিষয়ে সততা দেখাতে হবে। একজনকে অন্যজনের অনেক কাছে নিয়ে আসবে যখন সে বলতে পারবে,‘যাই হোক তুমি আমার সম্পর্কে সত্যটাই জানবে’।

ক্ষমা
একদিনে কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। কোনো ভুল হলে প্রথমেই সম্পর্ক ভেঙ্গে দেওয়ার চিন্তা না করে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে।

 

স্বামী/স্ত্রী উভয়ের সবকিছুকে আপন করে নেয়া
দাম্পত্য জীবনে সঙ্গীর ইম্পারফেকশনকে সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে হবে আপনাকে সবসময়। জীবন সঙ্গীর সব দোষ গুণ মেনে নেয়াই সত্যিকারের ভালোবাসা। তাকে পরিবর্তন করতে চাইলে তা কিন্তু ভালোবাসা নয়। আপনার সঙ্গীর পরিবার এবং তার প্রিয়জনদেরকেও আপনকরে নিতে চেষ্টা করতে হবে।

বোঝাপড়া
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া থাকাটা খুব জরুরি।

বিশ্বাস
এমন কিছু কখনো করা যাবে না যাতে করে দু’জনের মধ্যে বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। শুধুমাত্র অবিশ্বাসই একটি সম্পর্ক ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

বন্ধুত্ব
‘বিয়ের আগে আমরা খুব ভালো বন্ধু ছিলাম’। তো, বিয়ের পরে কী হলো? বিয়ের পর সম্পর্কটাকে আরও মজবুত করতে চাই দুজনের নিবিড় বন্ধুত্ব।

ধৈর্য
দাম্পত্য জীবনের পুরো সময়টাই হানিমুন মুডে থাকতে পারবো…এটা ভাবলে বড় ধরনের ধাক্কা খেতে হতে পারে। দুঃসময় আসতে পারে, এমন অবস্থায় ভেঙ্গে না পড়ে ধৈর্য ধরতে হবে।

এক বিয়েতে বিশ্বাস
এক সঙ্গীর সঙ্গেই সারাজীবন কাটানোর জন্য মনস্থির করতে হবে।

ভালোবাসা
সব সম্পর্কের মূলে থাকে ভালোবাসা। সঙ্গীর জন্য ভালোবাসা থাকতে হবে এবং সেই ভালোবাসার প্রকাশও করতে হবে।

 

 

 

জেনেনিন দ্রুত স্ত্রীর বীর্যপাত ঘটানোর উপায়

 

 

স্বামীর আগে স্ত্রীর বীর্যপাত ঘটানোর উপায় অনেক স্ত্রীর ধাতু এমন কঠিন যে, স্বামী সহবাস করে উঠে গেলেও স্ত্রীর বীর্যপাত হয় না। যদি স্বামী বীর্য আগে বের হয়ে যায়, আর স্ত্রীর বীর্যপাত হয় না, সে নারীর মনের কষ্ট ব্যক্ত করার কোনো স্থান থাকে না। স্বামির মনেও একটি আক্ষেপ থেকে যায় যে, সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাসে পেরে উঠলো না। সহবাসের ক্ষেত্রে সে তার স্ত্রীকে কষ্ট দেওয়া ছাড়া আর কিছুই দিতে পারলো না। এরূপ আক্ষেপ সৃষ্টি হওয়াতে অনেক স্বামী ধীরে ধীররে সহবাসের সাহস হারিয়ে ফেলে, ফলে ধীরে ধীরে তার সহবাসের আগ্রহ হ্রাস পায় এবং যখনই সহবাস করতে যায়, দেখা যায় যে, তার ঐ চিন্তার কারণে বীর্যপাত পূর্বের তুলনায় আরো তাড়াতাড়ি হয়ে গেছে। এজন্য স্বামীকে স্ত্রীর বীর্যপাত তার থেকে দ্রুত ঘটাতে নিম্মোক্ত তদবীর গ্রহণ করতে হবে। এতে সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাসে জয়ী হতে পারবে।

 

স্বামীর আগে স্ত্রীর বীর্যপাত ঘটানোর উপায় জেনে নিন

১. বিশুদ্ধহিং আধা তোলা, চামিলির তেলসহ কোনো পাত্রে গরম করে একটু গাঢ় করবে। সহবাস করার পূর্বে ঐ তেল পুরুষাঙ্গে মালিশ করে সহবাস করবে। এর দ্বারা স্বামীর আগেই স্ত্রীর বীর্যপাত হবে এবং স্ত্রীর মনে অধিক আনন্দ জম্মাবে। এমনকি সহবাসের সময় উভয়ে আত্মহারা হবে।
২. চৌকিয়া সোহাগা ও আরবী গদ, এ দু’টি আগুনে খৈ করে ফুটিয়ে গুড়ো করে পানির সাথে গুলে বটিকা তৈরী করবে। যখন সহবাস করার প্রবল ইচ্ছা হবে, তখঐ বটিকা ভেঙ্গে মুখে থুথুতে গুলে পুরুষাঙ্গে প্রলেপ দিয়ে সহবাস করলে স্ত্রীর বীর্য স্বামির আগেই বের হয়ে যাবে এবং স্ত্রী তার স্বামীর প্রেমানুরাগী হয়ে চিরকাল থাকবে। এটিও এ কাজের জন্য খুবই কার্যকরী।

 

মঙ্গলবার

কী কী জিনিস দিয়ে মহিলারা হস্তমৈথুন করে? আপনি কি জানেন?

 

 

 

পুরুষ কিংবা মহিলা বর্তমান সমাজে হস্তমৈথুন নিয়ে সেই লুকোচুরির ব্যাপারটি এখন আর কারোর মধ্যে নেই৷ নিজস্ব স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা বিশেষে বা সমবয়সি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা করে থাকে৷ যার মধ্যে হস্তমৈথুনের মতো অত্যন্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের মতো বিষয়টিও পড়ে৷

 

কোনও পছন্দের পুরুষ চরিত্রের সঙ্গে কল্পণায় শারীরিকভাবে লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি কিছু দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসও মেয়েদের এই ব্যক্তিগত মুহূর্তের সাক্ষী থাকে৷
জেনে নিন সেই রকমই ১০ টি জিনিসের সমন্ধে যেগুলো দিয়ে মেয়েরা হস্তমৈথুন করে:

১. কলা! যদিও ভেঙে গেলে সেটা চরম অস্বস্তির হয়ে দাঁড়ায় মহিলাদের জন্য৷
২. পুরানো নোকিয়া ফোনের ভাইব্রেশন৷

 

৩. গেম খেলার জন্য ব্যবহৃত জয়স্টিক৷

 

৪. ইলেকট্রিক ব্রাশের ভাইব্রেশন৷

৫. চামচ৷ এর নীচের দিকটি ঠান্ডা থাকা এটি ব্যবহারের অন্যতম কারণ৷
৬. পুরুষাঙ্গের মতো দেখতে ললিপপ৷
৭. টেডি বিয়ার৷ যেকোনো বয়সের মেয়ের কাছে টেডি বিয়ার সবসময় পছন্দের জিনিস৷
কলা
৮.শশা! কলার মতো শশাও অনেক মেয়েরই পছন্দ৷
৯. মেকআপ ব্রাশ৷ কখনও কখনও হাতের কাছে কিছু না থাকলে মেয়েদের কাছে এটিই হয়ে দাঁড়ায় ‘সবেধন নীলমনি’৷
১০. সবশেষে ঠান্ডা অনুভূতির মাধম্য নিস্কৃতি পাওয়ার জন্য বরফের টুকরো৷
এছাড়াও কখনও কখনও পারফিউমের বোতল, তুলতুলে পুতুল, সামনের দিক সরু হয়ে থাকা লাঠি, টি.ভি রিমোটও কখনও-সখনও ব্যবহৃত হতেই পারে হস্তমৈথুন করে ‘ঐশ্বরিক সুখ’ পাওয়ার জন্য৷

ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে প্রথমবার মিলনের আগে মাথায় রাখুন আট চিন্তা…

 

জীবনে প্রথমবার মিলনের বিষয়টি সবার কাছে নতুন অভিজ্ঞতা। মিলিত হচ্ছেন আপনার সবথেকে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে। একটু নার্ভাস, একটু এক্সাইটেড… কিন্তু নার্ভাস নেস কিংবা এক্সাইটেড হওয়ার মধ্যে মিলিত হওয়ার আগে অবশ্যই আপনার এবং আপনার প্রিয় মানুষটি প্রতি খেয়াল রাখুন।

 

 

উত্তেজনার মুহূর্তে এমন কিছু করে ফেলবেন না, যাতে সারা জীবন সেই ভুল আপনাকে বয়ে চলতে হয়। সুতরাং সতর্ক থাকুন… আর তার মধ্যে থেকে আপনার প্রিয় মানুষটিকে ভালবাসুন। তাতে আপনিও থাকবেন সুস্থ… আর দেখবেন সবটাই সুন্দর ভালো হয়ে গিয়েছে……………

প্রথমবার আপনার প্রিয় মানুষটির সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে অবশ্যই এই আট চিন্তা মাথায় রাখুন। আর মেনে চলুন-

১। মিলিত হওয়ার আগে অবশ্যই নিজের এবং আপনার প্রিয়জনের সুরক্ষার কথা মাথায় রাখুন। প্রথম মিলনের সময়ে অবশ্যই কন্ডোম ব্যবহার করবেন। সুরক্ষার ক্ষেত্রে যতই পিল খান, কন্ডোমের কোনও বিকল্প নেই।

 

২। প্রথম মিলনেই বিপুল সুখের প্রত্যাশা না করাই ভাল। দুজনের বোঝাপড়ার উপরে অনেক কিছু নির্ভর করে। সুতরাং, প্রথম রাতেই যদি চরম সুখ না পান, তাহলে হতাশ হবেন না। দেখবেন ধীরে ধীরে সমস্ত কিছু সয়ে গিয়েছে। sex-life

৩। মিলনের সময়ে নিজেকে যতটা সম্ভব রিল্যাক্সড রাখুন। উত্তেজিত হবেন ঠিকই, কিন্তু সেই উত্তেজনা যেন অসুস্থ করে না ফেলে।

 

 

 

৪। ফোরপ্লের গুরুত্ব ভুলে যাবেন না। সরাসরি মিলনে প্রবেশ না করে আগে চুম্বন, স্পর্শ ইত্যাদির মাধ্যমে নিজের ও সঙ্গীর শরীরকে মিলনের উপযোগী করে তুলুন। এতে মিলনের আনন্দ বৃদ্ধি পায়।

৫। পেনিট্রেট করার বিষয়টিকে মসৃণ করে তোলবার জন্য প্রয়োজনমতো ল্যুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন। পেনিট্রেশনের ব্যথা কমলে, মিলনের আনন্দও বৃদ্ধি পাবে।

৬। কোন বিষয়টি ভাল লাগছে, কোনটি ভাল লাগছে না, তা সঙ্গীকে জানান। পারস্পরিক বোঝাপড়া এতে বাড়বে।

৭। মিলনে চরম আনন্দ অধরা থাকলে তা-ও জানান সঙ্গীকে । চরম আনন্দ না পেয়েও যদি তা পাওয়ার ভান করেন, তাহলে সম্পর্কেরই ক্ষতি হবে।

৮। প্রথম মিলনে দ্রুত বীর্যপাত অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। উত্তেজনার কারণে এটা ঘটতেই পারে। এর জন্য হীনমন্যতায় ভুগবেন না।