2017 at 09:42AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 09:42AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার

আমার বাবা পরকীয়া করছেন…

 

আমার বাবা পরকীয়া করছেন। আমি বিষয়টা কিছু দিন আগে জানতে পেরেছি।আমি বুঝতে পারছিনা আমি কি করব? আমি কি আমার মাকে বিষয়টা জানাব নাকি আমিই সরাসরি আমার বাবার সাথে কথা বলব?নাকি চুপ থাকাই ভালো হবে!!!

 

উত্তরঃ চিঠিতে আপনি কিছুই লেখেননি আপু/ভাইয়া। যেমন আপনি কী করেন, আপনার বয়স কত। বাবা কী করে, মা কী করে। মা-বাবার মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন। আপনি কীভাবে নিশ্চিত হলে যে বাবা পরকীয়া করেন? নাকি ব্যাপারটি কেবলই একটা সন্দেহ?

প্রথমেই আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি যেটা ধারণা করছেন সেটা ১০০ ভাগ সত্য। বাবা আসলেই পরকীয়া করছেন, বিষয়টি আপনার সন্দেহ না। এরপর কী করবেন? যেহেতু আমি আপনার পরিস্থিতি জানি না, তাই কয়েকটি অপশন দিচ্ছি। যেটা আপনার নিজের সাথে মিলে যায়, সেটাই করতে পারেন।

 

-আপনি যদি প্রাপ্ত বয়স্ক তরুণ/তরুণী হয়ে থাকেন এবং ইউনিভার্সিটিতে পড়েন বা চাকরি করছেন এমন হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে মাকে কিছু জানানোর আগে বাবার সাথে কথা বলাটাই ভালো। কারণ এই বয়সী ছেলে-মেয়েদের বাবারা যথেষ্ট সমীহ করেন এবং কথাগুলো গুরুত্বের সাথে নেবেন। আপনি ভুল পথে গেলে যেমন বাবার দায়িত্ব আপনাকে বোঝানো, তেমনই প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পর আপনারও কিন্তু এটা দায়িত্ব যে মা বাবা ভুল পথে গেলে তাঁদেরকে বোঝানো। তাই বাবার সাথে রাগারাগি না করে শান্ত মাথায় তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করুন।

 

 

-আপনি যদি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে থাকেন, এখনো স্কুল বা কলেজে পড়েন এবং বাবার টাকাতে নির্ভরশীল… সেক্ষেত্রে বাবার সাথে এটা নিয়ে আলোচনা করতে যাওয়াটা বেয়াদবি হয়ে যায়। বরং বিষয়টি তখন মাকে জানানোই তখন উচিত হবে। তবে হ্যাঁ, কেবল সন্দেহ হলে জানাবেন না। উপযুক্ত প্রমাণ থাকলে তবেই জানাবেন। কেবল সন্দেহের ওপরে ভিত্তি করে মা বাবার সংসারে অশান্তি তৈরি করাটা একদমই ঠিক হবে না।

-তিন, একটু খেয়াল করে দেখুন যে মা বাবার মাঝে সম্পর্ক আসলে কেমন। বিষয়টি কি এমন যে মা বাবা সারাক্ষণ ঝগড়া করছেন, দুজনের মাঝে একটুও সম্পর্ক ভালো না? মাও বাবার সাথে ভালো ব্যবহার করেন না আর বাবাও মায়ের সাথে করেন না? সেক্ষেত্রে আপনাকে বুঝতে হবে যে মা বাবার মাঝে ভালোবাসা অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে এবং তাঁরা নিজেদের মত করে ভালো লাগা খুঁজে নিতে চেষ্টা করছে। সেক্ষেত্রে যত খারাপই লাগুক, আপনাকে চুপ থাকা শিখে নিতে হবে। যতই তাঁরা আমাদের মাতা পিতা হোক না কেন, একটা জিনিস অবশ্যই বুঝতে হবে যে তাঁরাও মানুষ এবং তাঁদেরও একটি ব্যক্তিগত জীবন আছে। সেই ব্যক্তিসত্তাকে সম্মান দেখিয়ে চুপ থাকবেন। যা করার সময়েই করে দেবে। পরকীয়ার সম্পর্ক বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সফলতার মুখ দেখে না, কোন না কোন ভাবে ধরা পড়েই না। তাই এটা নিয়ে বেশি চিন্তা করার দরকার নেই।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী

 

 

কিশোরীর স্তন অতিরিক্ত বড় হয় কেন?

 

 

 

স্তন একটি নারীর গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর ভিতর একটি।প্রত্যেক মেয়ে  best breasts চায়। এটা সে কখোনই মুখে প্রকাশ করে না। বড় হওয়ার একটা নির্দিষ্ট সময়ে এই স্তন আস্তে আস্তে পরিপূর্ণরূপ লাভ করে। সবাভাবিকভাবে কিশোরী বয়সে যখন বয়:সন্ধি শুরু হয় তখন থেকে একজন মেয়ের শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা দেয়। সেই বিভিন্ন অঙ্গগুলোর ভিতর স্তন ও একটি। এই সময়ে অন্যান অঙ্গের সাথে সাথে ও স্তনের বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই বৃদ্ধি স্বভাবিকভাবে হওয়ার কথা। কিন্তু কোন কারণে যদি স্তন স্বভাবিক না হয়ে অতি দ্রুত বৃদ্ধি পায় তবে বুঝতে হবে সেটা এক ধরণের রোগ।

কিছু কিছু মা তার সন্তান জন্ম দানের সময় এমন সমস্যার স্বীকার হয়ে থাকেন। কিশোরীর বয়ঃসন্ধির সময় ইস্ট্রোজেন (Oestrogen) হরমনের কারণে তার স্তন বৃদ্ধি স্বভাবিক হয় এবং স্বভাবিক আকার ধারণ করে। তবে স্তনের বৃুদ্ধ অস্বাভাবিক হয় , যদি ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রতি স্বাভাবিকের থেকে বেশি স্পর্শকাতরতা থাকে তাহলেই কিশোরীর স্তন এঅস্বাভাবিক ভাবে বড় হতে শুরু করে।

 

 

যদি এইরকম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায় তবে একজন মেয়ে যদি স্বভাবিকভাবে বসে থাকে তবে তার স্তন কোমরের নিচে পর্যন্ত পৌঁছে যায়।যে সব মেয়েরা এই রোগের কবলে পড়ে তারা প্রত্যেকেই এই অস্বভাবিক স্তন বৃদ্ধির কবলে পড়ে যা অত্যন্ত পিড়াদায়ক।তাছাড়া অনেক সময় এগুলো খারাপ দৃষ্টিতে দেখা হয়।

 

এই রোগ বুঝতে পারা মাত্রই পরিত্রানের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বিশেষভাবে ইস্ট্রোজেন হরমোনের এন্টি ঔসুধ এই অস্বভাবিভাবে স্তন বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করলে খুব ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।তবে এই ঔষুধ ব্যবহারে স্তনের আকার  যদি ছোট না হয়, তাহলে রিডাকশন ম্যামোপ্লাস্টি অস্ত্রপাচার করালে কেবল এই রোগের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়।

তবে সব কিছু করার আগে ভালো কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এই রোগটি নিয়ে লজ্বাবোধ করবেন না।কারণ এই লজ্বা হতে পারে আপনার সারাটা জীবনের লজ্বা।

আপনার ডক্টর সাইটটির একমাত্র উদ্দেশ্য আপনাদের সুস্ত্য ও সুন্দর জীবনের।তাই আপনারা ও আপনাদের জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করার জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন আপনার ডক্টর সাইটে।মনে না থাকলে আপনি সাইট আপনার ব্রাউজারে সেভ করে রাখুন।

আর একটা অনরোধ আমাদের পোষ্ট আপনাদের সামান্যতম উপকারে আসে তবেদয়া করে শেয়ার করবেন।

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

শুক্রবার

Sex এর জন্য বয়ফ্রেন্ড পীড়াপীড়ি করলে যা করবেন

 

একথা সত্য যে, বিয়ের আগে  sex বা যৌন সম্পর্কের বিষয়টি আমাদের সমাজে মোটেও ভালো কিছু হিসাবে পরিচিত নয়। তবে বর্তমানে, বিয়ের আগে  sex বা যৌন সম্পর্কের বিষয়টি হচ্ছে আর অহরহ ।অপেক্ষা না করে খুব কম বয়সেই বর্তমান ছেলেমেয়েরা যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে যাচ্ছে।
এমন হতে পারে যে Sex এর জন্য বয়ফ্রেন্ড পীড়াপীড়ি করছেন, প্রয়োজনে সম্পর্ক ভেঙে ফেলবেন, কিংবা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছেন।তাই এক্ষেত্রে উচিত প্রথমেই ভেবে দেখা, যৌন সম্পর্কের বিষয়টি কি আপনি চান? তার সাথে আপনিও কি যৌন সম্পর্কে জড়াতে চান? সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকেই কারণ জীবন আপনার।

তবে সমসময় মনে রাখবেন, দীর্ঘমেয়াদি সুন্দর সুশৃঙ্খল সম্পর্ক রাখতে চাইলে বিয়ের আগে যৌনতা পরিহার করা ভালো।বিয়ের আগে এগুলো করতে আপনি হয়তো রাজি নন, কিন্তু প্রেমিক পীড়াপীড়ি করছে। bangla health tips আপনার ডক্টর জানাচ্ছে  এক্ষেত্রে আপনার করণীয় কি? চলুন দেখি
১।সর্বপ্রথমে তার সাথে ঠাণ্ডা মাথায় কথা বলুন। তাঁকে বুঝিয়ে বলুন যে বিয়ের আগে এমন সম্পর্কে যেতে আপনি রাজি নন। তিনি আপনাকে ভালোবেসে থাকলে অবশ্যই বিয়ে পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।
২। প্রেমিক মানেই তাঁকে চোখ বুজে ভরসা করতে হবে এমন কোনো আইন নেই। এই অন্ধ ভরসার কারণে প্রেমিকের সাথে কোনো বন্ধুর বাসায়, হোটেলে বা নির্জন স্থানে চলে যাবেন না যেন। নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনবেন তাহলে।
৩। প্রেমিকের সাথে সর্বদা পাবলিক প্লেসে দেখা করুন। তিনি সম্পর্ক ভাঙার হুমকি দিলে আপনিও পাল্টা হুমকি দিন যে তিনি জোর করলে আপনি আর যোগাযোগ রাখবেন না।
৪।শুধুমাত্র যৌনতাকে বৈধ করার জন্য গোপনে কাজী অফিসে বিয়ে করার মত বোকামি করতে যাবেন না একেবারেই।
৫।প্রেমিককে খুশি করতে নিজের ব্যক্তিগত ছবি দেয়ার শর্তেও রাজি হবেন না।
৬।এবং সবচাইতে বড় সত্য হচ্ছে, যৌন সম্পর্কে বাধা দেয়ায় প্রেমিক যদি আপনাকে ছেড়ে চলে যায়, তাহলে তাঁকে যেতে দিন। এটা জানবেন যে এই মানুষটি কখনোই আপনাকে ভালোবাসেনি। এবং তার থেকে দূরে থাকাই আপনার জন্য ভালো হবে।
একটাই জীবন, ভালো থাকুন। মনে রাখবেন, একটি ভুল সিদ্ধান্ত সারা জীবনের অশান্তি ডেকে আনতে পারে।

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

 

রবিবার

স্বামীর বীর্য স্ত্রী পান করে ফেললে তাতে কি কোন ক্ষতি আছে?

 

প্রশ্নঃ স্ত্রীর যদি স্বামীর বীর্য পান করে ফেলে বা খেয়ে ফেলে তাতে কি কোন ক্ষতি আছে?

উত্তরঃ আমার জানা মতে বীর্যতে কোণ ক্ষতিকারণ পদার্থ নেই। তাই এটা স্ত্রী পান করে ফেললেও সমস্যা হবে না এমনকি বাচ্ছাও হবে না। কিন্তু সমস্যা এটা না, সমস্যা হচ্ছে, আপনার স্ত্রী কেনো আপনার বীর্য পান করতে যাবে? আপনি তো সঙ্গম করবেন তাঁর যোনিপথ দিয়ে, তাঁর মুখ ব্যবহার করে নয়?  পর্ণ তারকাদের মতো আপনি যদি এটি আপনার স্ত্রীর সাথে করে থাকেন তাহলে এটি নিকৃষ্ট কাজ ব্যতীত আর কিছু হতে পারে না। বীর্য যেহেতু নাপাক বস্তু, তাহলে এটি পান করা ইসলামে হারাম। তাছাড়া এটি বিকৃত যৌনাচার। এটি কখনো সম্ভব সমাজের মানুষের যৌনাচার হতে পারে না। আশা করি এ থেকে আপনি ফিরে আসবেন এবং স্ত্রীকে নিজের ভোগের বস্তু না ভেবে নিজের অংশ মনে করবেন। আল্লাহ আপনাকে হেদায়াত দান করুণ। আমীন।