April 08 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 08 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার

ফোর প্লে কি? যৌন মিলনে ফোর প্লে পদ্ধতির গুরুত্ব

 

যৌন মিলনের বহু রকম পদ্ধতি আছে।এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে যেমন যৌন মিলনের স্থায়ীত্ব বাড়ে তেমনি সঙ্গিনী ‍ও তুপ্তি পান। Sex যৌন মিলনের বহু প্রকারের পদ্ধতির ভিতর ফোর প্লে একটি।এইট একটি বহুল আলোচিত এবং জনপ্রিয় পদ্ধতি।এই পদ্ধতির  জুড়ি নেই বললেই চলে। দম্পতির ইন্টারকোর্সের মজাকে দ্বিগুণ করতে ফোর প্লে অদ্বিতীয়। মাঝে মাঝে দেখা যায়, দম্পতিরা, বিশেষত পুরুষরাফোর প্লে এড়িয়েই রতিক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। কিন্তু নেহাত এক মেশিনের মত নিজেকে চার্জ আপ করার মধ্যে সেই সুখ কই? তাই আজ আপনাদেরজন্য রইল এমন কয়েকটি ফো প্লে টিপস যা আপনার মিলনকে আরও উত্তেজক ও দীর্ঘস্থায়ী করবে।

 

 

 

* চাইনিজ হুইসপার: আপনার পুরুষসঙ্গীকে আরও উত্তেজিত করে তুলতে তাঁর কানে কানে আপনার ইচ্ছের কথা বলুন। দেখুন, তিনি আরনিজেকে সামলে রাখতে পারবেন না। কানের নরম চামড়ায় সঙ্গিনীর নিশ্বাস পড়লে অনেক কম পুরুষই নিজেকে সামলে রাখতে সমার্থ্য হন।

* বাস্তব জীবনে আপনি তো একজন অভিনেত্রী নন, কিন্তু বেডরুমে অভিনয় করতে ক্ষতি কী? পুরুষকে নিজের দিকে আরও টেনে আনতেএকটি ন্যাকামিই করলেন না হয়। আর আপনি যদি আরও উপভোগ করতে চান, তাহলে বেডরুমে স্ট্রিপ টিজ কিন্তু তুরুপের তাস হতে পারে।

 

 

* হাল্কা আঘাত করুন পুরুষসঙ্গীকে। তাঁকে আলতো করে  বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গে কামড়ে দিন, ঠেলে ফেলুন। তাঁর উপর জোর করার অভিনয় করুন। আপনি এমন কিছু ভাবদেখান, যেন আপনার সঙ্গীর মনে হয় আপনি উত্তেজিত হয়েই রয়েছেন।

* প্র্শ্ন হতে পারে ফোর প্লে-র দায়িত্ব কী নারীর একার নাকী? লজ্বা না করে পুরুষসঙ্গীকে জানিয়ে রাখুন, আপনি কী ধরণের ফোর প্লে ভালবাসেন।

 

Sex এর সময় পুরুষের উপর নারীর অবস্থান ভয়ানক

 

Sex নারী পুরুষের জন্য অত্যন্ত সুখকর। আর বিভিন্ন আসনে সেক্স করে যৌনমিলন দীর্ঘস্থায়ী করা এবং অধিক আনন্দ সম্ভব।অনেকে বিভিন্নভাবে যৌন মিলন করে থাকেন অনেকে আবার যৌন মিলেনের বিভিন্ন আসন সম্বন্ধে অঞ্জাত।তবে যে দম্পতিদের মধ্যে নারী পুরষের উপরে থেকে যৌন মিলন করে তাদের জন্য এই মিলন বিপদজনক, সম্প্রতি ব্রাজিলের এক গবেষণাগারে গবেষণার পর উঠে এসেছে এই তথ্য। এই তথ্য প্রকাশ করেছেন ব্রাজিলের এক গবেষক।

 

 

তবে পুরষের উপর নারী এই অবস্থায় যৌন মিলনে নারীর থেকে পুরুষের ক্ষতিটা বেশি।লক্ষ্য করলে দেকবেন নারী যখন পুরষের উপর থাকে তখন নারীর দেহের সমস্ত ভার পড়ে পুরষাঙ্গের উপর, যার কারণে পুরষাঙ্গে অতিরিক্ত চাপ পড়ে,অনেক সময় ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা ও থাকে।

 

গবেষণার জন্যে গবেষকরা তিনটি হাসপাতালে ৪৪ জন পুরুষের ওপর গবেষণা করেছিল। সেই গবেষণায় দেখা যায়, ২৮ জন পুরুষ তাঁদের যৌনাঙ্গে চোট পেয়েছেন বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে যৌন মিলনের সময়, চারজন সমকামী তাঁদের মধ্যে যৌন সংসর্গের সময় চোট পেয়েছেন, ছজন পেনিস ম্যানিপুলেশনের সময় এবং চারজন কিভাবে চোট পেয়েছেন, তা এখনও জানা যায়নি।

যাঁদের ওপর গবেষণা চালানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে অর্ধেক পুরুষ জানিয়েছেন, তাঁরা যৌনমিলনের সময় গোপনাঙ্গ ভাঙার শব্দ পেয়েছেন, তারপর এক ধরণের যন্ত্রণা অনুভব করেন তাঁরা। এরপর আক্রান্তরা ঘটনার পাঁচ-ছয় ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে যান। তবে বেশিরভাগই যান না, কারণ এটা বিরল ঘটনা এবং দেখাতে গেলে অস্বস্তিও হয়।

 

গবেষকদের দাবি, যৌন মিলনের সময় সবথেকে নিরাপদ ভঙ্গি হল মহিলার ওপরে পুরুষের থাকা বা মিশনারি পজিশন। এই বিষয় নিয়ে গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য ‘অ্যাডভান্সেস ইন ইউরোলজি’ নামক এক পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে।

যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্যের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন আপনার ডক্টর সাইটটি।ধণ্যবাদ
সূত্রঃ অনলাইন

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

 

ফুলশয্যার রাতে একজন পুরুষ স্ত্রীর কাছে থেকে যা আশা করে

 

বিয়ের প্রথম রাতকে বলা হয় ফুলশয্যা।প্রত্যেক নারী-পুরুষের জীবনে একবার ফূলশয্যা আসে।ফুলশয্যার রাতটি একজন নারী এবং একজন পুরুষের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।সবাই এই রাতটির জন্য অপেক্ষা করে।নারী এবং পুরষের অনেক স্বপ্ন,টাওয়া-পাওয়া পূরণ হওয়ার রাত এটি।নারী তার পিতার গৃহ ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি আসে এবং নারীর কাছ থেকে পুরুষ কিছু জিনিস আশা করে।সেই জিনিসগুলো কি কি সেই বিষয় নিয়ে আজকের আর্টিকেল।চলুন দেখা যাক ফুলশয্যার রাতে একজন পুরুষই স্ত্রীর কাছে থেকে যা আশা করে
১। স্ত্রীকে দেখা যাবে পরীর মত :
মানুষ জীবনে স্বভাবিকভাবে বারবার বিয়ে করেন না, ফুলশয্যার এই বিশেষ রাতটি বারবার ফিরে আসে না এবং প্রত্যেক পুরুষই স্ত্রীকে সেদিন নিজের স্বপ্ন কন্যা রূপে দেখতে চান। পুরুষ আশা করে যে, স্ত্রীকে দেখাবে পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর রমনীর মত।
২। স্ত্রীর জীবনে তিনিই প্রথম পুরুষ 🙁মেয়েদের ভার্জিনিটি চেনার উপায়) এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধিকাংশ পুরুষ আশা করেন তার  স্ত্রী ভার্জিন হবে
। অর্থাৎ তিনিই হবেন প্রথম পুরুষ যার সাথে স্ত্রী প্রথম যৌন মিলন  করছে।
৩। একটু লজ্জা, একটু ছলকলা:
লজ্জা নারীর ভূষণ, এই কথাটি ফুলশয্যার রাতেই যেন সবচাইতে বড় সত্য। বিয়ে প্রেমের হোক বা পারিবারিক, প্রত্যেক পুরুষই এই বিশেষ রাতে আশা করে থাকেন যে স্ত্রী একটু লজ্জা পাবেন। একটু প্রেমের ছলকলা খেলবেন, আর তবেই ধরা দেবেন প্রেমের বন্ধনে।
৪। সমৃদ্ধ জীবনের আশ্বাস :
দুজনে একত্রে নতুন জীবন শুরু করতে চলেছেন, বিয়ের এই প্রথম রাতটি তাই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। পরস্পরকে আশ্বাস ও প্রতিজ্ঞা করার জন্য আদর্শ সময়। স্বামীও আশা করেন যে স্ত্রী তাঁকে একটু সুখের সংসারের আশ্বাস দেবেন।
৫। নিজের প্রশংসা :
নিজের প্রশংসা শুনতে কে না ভালোবাসে? আর পুরুষেরা তো স্ত্রীর মুখে নিজের প্রশংসা শুনতে সবচাইতে বেশি পছন্দ করেন। বিয়ের প্রথম রাতেই এই প্রত্যাশা থাকে সবচাইতে বেশি।
৬। শ্বশুর বাড়ির প্রাপ্তি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ :
বিয়েতে কী হলো, কী হলো না, কী পেলেন, কী পেলেন না ইত্যাদি নিয়ে হতাশা বা ক্ষোভ ব্যক্ত না করে যা পেয়েছেন সেটা নিয়েই সন্তুষ্টি প্রকাশ করুন। দেখবেন স্বামীর চোখে আপনার সম্মান হয়ে উঠেছে

আকাশচুম্বী।
৭। নিজের ভার স্বামীর হাতে ছেড়ে দেয়া :
এটা সেই বিশেষ রাত, যে রাতে স্ত্রী নিজেকে অর্পণ করেন স্বামীর জীবনে। নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দেন স্বামীর হাতে। আর আপনি যতই স্বাধীনচেতা নারী হয়ে থাকুন না কেন, আপনার স্বামী কিন্তু সারা জীবনই চাইবেন যে আপনি তাঁকে বিশ্বাস ও ভরসা করুন। আর এই কাজটি বিয়ের রাতে করলে খুশি হয়ে ওঠেন সকল পুরুষই।

Sex এর সময় বিশেষ মুহূর্তে নারীরা যেসব শব্দ করে পুরুষকে পাগল করে

 

নারী-পুরুষের বৈধ sex বা শারীরিক মিলন এমন একটি বিষয় যা মানুষকে আনন্দ দেয়। শুধু  যে আনন্দই দেয় তা নয়, বিশেষজ্ঞদের মতে, সেক্স এর ফলে মানসিক প্রশান্তিও আসে। নারী ও পুরুষ যখন শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন তখন পুলকিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের আনন্দময়ী বা আবেদনময়ী শব্দ করে। Sex এর সময় বিশেষ মুহূর্তে যেসব শব্দ হয় তা একে অপরের মধ্যে আরও বেশি আবেগের সৃষ্টি করে।

 

 

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শারীরিক মিলনের সময় এমন মধুর শব্দ শুধু নারীরাই করতে পারেন। পুরুষরা যে শব্দ করেন তা নারীদের কাছে ‘কর্কশ’ মনে হয়। নারীরা পুরুষের এমন শব্দে খুব বেশি আলোড়িতও হন না। তবে নারীদের শব্দ পুরুষদের পাগল করে তোলে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী সুশান হাগ বলছেন, ‘সেক্সুয়াল সাউন্ড হচ্ছে এমন শব্দ যা জোরে শোনা যায় না, নিঃশ্বাসের সঙ্গে প্রবাহিত হয়। নারীদের এমন শব্দ পুরুষকে আন্দোলিত করে।’

 
তিনি আরও বলেন, ‘নারী ও পুরুষ তাদের মধ্যে যৌনমিলনের সময় অনেকসময় অবচেতনভাবেই শব্দ করেন। এটি তাদের আরও প্রশান্তি দেয়। তবে এমন শব্দ করতে পুরুষরা বেশি দক্ষ নন। এক্ষেত্রে নারীরাই বেশি পারদর্শী।’

 

 

মধ্যবয়সী নারীদের প্রতি ঝোঁক বেশি থাকে কেন?

 

ছেলেরা কেন তাদের চেয়ে মধ্যবয়স্ক নারীদের প্রতি একটু বেশি আকৃষ্ট হয়? এমন অনেকেই আছেন যারা মধ্যবয়সী নারীদের প্রতি ঝোঁক বেশি থাকে কেন এই
প্রশ্নের উত্তর এখনও খুঁজে পাননি। তবে বিশেষজ্ঞরা ঠিকই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করেছেন। এবং এর বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ ও বের করেছেন। bangla health tips আপনার ডক্টরের পক্ষ থেকে সেরকমই কয়েকটি কারণ সাজিয়ে দেওয়া হল এই প্রতিবেদনে।চলুন শুরু করি।

 

 

যৌনতা:
একজন মধ্যবয়স্ক নারী শয্যায় যথেষ্ট অভিজ্ঞ, পুরুষসঙ্গীটিকে একজন মধ্যবয়স্ক নারী চরম মুহূর্তের চাওয়া-পাওয়ার কথা বলতে দ্বিধা করে না। এই খোলামেলা সততাই দুজনকে সুখের চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। আমরা যদি কাউকে ‘সেক্সুয়ালি স্যাটিসফাইড’ বলি সেটা অবিশ্বাস্যভাবে সেই ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী ও ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে। মধ্যবয়স্ক নারীর এই ধরনের গুণাবলী একজন পুরুষকে সহজেই সন্তুষ্ট করে।অন্যান্য বড় কারণ ছাড়াও এই কারণে মধ্যবয়স্ক নারীর প্রতি পুরুষেরা বেশি আকৃষ্ট হয়। এ নারীরা বিছানায় অত্যাধিক প্লেফুল, রোমাঞ্চকর হন। পুরুষটির মধ্যে নিজেকে সম্পূর্ণ উজাড় করে দিতে পারেন।

 

 

স্বাধীনতা:
মধ্যবয়স্ক নারীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন ভনিতা ছাড়াই খুশি হন। একজন পুরুষকে তাঁর গড়েপিঠে নেওয়ার দরকার পড়ে না।তিনি কখনওই তার ওপর নির্ভর করেন না, এমনকি তার নিজের ডিনার অথবা কফির বিল নিজেই দেওয়ার মানসিকতা রাখেন। মানসিক এবং আর্থিক স্বাধীনতা একটি মানুষের জীবনের গুরুত্বপুর্ণ অর্জন।

অভিজ্ঞতা:
একজন মধ্যবয়স্ক নারী জীবনে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন তাই তাঁর অভিজ্ঞতাও অনেক। জীবনের ছোটখাট সবধরনের সম্পর্কের অভিনয় তিনি নিখুঁতভাবে বিবেচনা করতে পারেন। এটা কিভাবে সমাধান করা যায় যায় সেটাও তিনি ভালো জানেন।মধ্যবয়স্ক নারী যথাসময়ে আবেগতাড়িত হয়ে ওঠেন এবং পুরুষটির সঙ্গে সত্যিকার গাঢ় সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করেন। তিনি প্রিয় মানুষটির কাছে নিজেকে এমন ভাবে মেলে ধরেন যাতে সেই মানুষটি তাকে সহজভাবে পড়তে পারে।ফলে তিনি একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো বন্ধু, এমনকি দীর্ঘ চলার পথে ভালো একজন সঙ্গী হতে পারেন।

 

আত্মবিশ্বাস:
একজন মধ্যবয়স্কা নারী এটা ভালো করেই উপলব্ধি করতে পারেন যে তারা অন্যদের চেয়ে আলাদা। তিনি নিজের সম্পর্কে ভালোভাবেই জানেন। আর তাই তার ভেতরটা আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ থাকে। এই ভারসাম্য ও আত্মপ্রত্যয়ী মনোভাবই তাকে ভেতর থেকে তীব্র আবেদনময়ী ও আকর্ষণীয় করে তোলে।আত্মবিশ্বাসী নারীরাই পুরুষের কাছে কাম্য। আত্মবিশ্বাসী নারীরা ছকবাঁধা নিয়মে চলতে পছন্দ করে, তারা নিজের জগতে কখনওই সন্ত্রস্ত হন না। নারীর এই দৃঢ় রূপ ও আবেদনময়ী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে ছেলেরা মুগ্ধ হয়।

দায়ীত্বশীলতা:
একজন মধ্যবয়স্ক নারী নিজেকে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন। তারা কী চান সেটা তারা ভালো করেই জানেন তাই তাদের লক্ষ্য স্থির ও স্বচ্ছ থাকে।
মধ্যবয়স্ক নারীই পারে একজন মানুষকে জীবনের আঁকাবাঁকা পথ চেনাতে, আস্থা তৈরি করতে, ওপরে উঠার প্রবল ইচ্ছাশক্তি তৈরি করতে এমনকি প্রবল আত্মসম্মানবোধ তৈরি করতে। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি একটি মানুষকে কল্পনার জগতে ভেসে বেড়াতে নয়, জীবনের অমোঘ বাস্তবতা শেখাতে পারেন।

 

সততা:
একজন মধ্যবয়স্ক নারী পুরুষকে বিশ্বাস এবং সততার স্তরগুলো ভালোভাবে শিখিয়ে নিতে পারেন। প্রেম, ভালোবাসা, বিয়ে যে কোনও  ধরনের সম্পর্কেই শ্রদ্ধা একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ ব্যাপার। মধ্যবয়স্ক নারী তাঁর দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন।
তার মধ্যে সততা, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধাবোধ প্রবল থাকে। একজন মধ্যবয়স্ক নারী কখনোই একাধিক পুরুষের প্রতি কামনা রাখেন না। যে পুরুষটি অন্য একাধিক নারীদের সাথে ডেট করছে তাঁর প্রতি এ নারীরা কখনোই আগ্রহ প্রকাশ করেন না।

 

পারস্পরিক বোঝাপড়া:
একে অপরের মধ্যে যদি বোঝাপড়া ভালো না হয় তাহলে সম্পর্কের শুরুতেই হোঁচট খেতে হয়। তীব্র আগ্রহ মুখ থুবড়ে পড়ে। সম্পর্কের মধ্যে বোঝাপড়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। অর্থময় বোঝপড়া সম্পর্ককে আনন্দময় করে তোলে।
আর এটা গড়ে ওঠে মধ্যবয়স্ক নারীর জীবনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে। পারস্পরিক কথোপকথন জীবনের গল্পকে থামিয়ে দিবে না, বরং জীবনের গতিকে বাড়িয়ে দেবে। পরস্পরকে ভালো করে বুঝে ওঠার পথ তৈরি করে দেবে।
যে পুরুষটি শুধু সেক্স এবং একটু মুগ্ধতার চোখে তাকানোর জন্য অপেক্ষা করতো সেই পুরুষটির মধ্যেও এই নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জেগে ওঠে।

 

 

শুক্রবার

অল্প বয়সে যৌন মিলন করার সমস্যাবলী

 

আধুনিক বিশ্বে নতুন যে প্রজন্ম সমাজে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে তারা প্রত্যেকেই সব কিছু খুব তাড়াতাড়ি জেনে নিতে আগ্রহী৷ তাই যৌনতা নিয়েও তারা কৌতূহলি৷ সম্প্রতি কম বয়সে যৌন মিলন সম্পর্কে একটি গবেষণা করা হয়৷ এই গবেষণা থেকে উঠে এসেছে নতুন কিছু তথ্য৷‘সেক্স’ শব্দটা শুনলেই কম বেশি সকলের মনেই একটা অদ্ভূত অনুভূতি জাগে৷

তবে কম বয়সি ছেলে-মেয়েরা এতে আকৃষ্ট হতে পারে৷ যদি এদের উচিত শিক্ষা না দেওয়া হয় তবে এদের মধ্যে বিপথে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে৷ বেশির লোকেই জানেন না যে, ভারত সেই দেশগুলির মধ্যে একটি যেখানে নাবালিকা গর্ভবতীর সংখ্যা সবথেকে বেশি৷ আর এটা জেনেও আশ্চর্য হওয়ার কথা নয় যে সেখানে বেশির ভাগই মেয়েই বিবাহিত৷

 

 

গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, বাবা-মায়ের যখন জানতে পারেন যে তার নাবালক সন্তান যৌন মিলন বা সেক্সে লিপ্ত তখন তারা হয় তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন নয়ত সব জেনে বুঝেও চুপ করে থাকেন৷ কেবল মাত্র এক তৃতীয়াংশ বাবা-মা তাদের সন্তানদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের শিক্ষিত করে তোলেন৷

বেশিরভাগ লোকই তাদের সন্তানদের সামনে নিজের স্বামী বা স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা ব্যক্ত করতে অস্বস্তি বোধ করেন৷ মা-বাবা ও সন্তানদের মধ্যে যৌনতা নিয়ে খুব সীমিত আলোচনা হতেই দেখা যায়৷ বোধহয় এই কারণের জন্যেই কৈশোরের একটি বড় সংখ্যা দোটানায় জীবন কাটায় ও যখন বাবা-মা তাদের যৌন জীবন সম্পর্কে জানতে পারেন তখন ঠিক কি করা উচির তা বুঝতে পারেন না৷

 

 

সামাজিক সম্পর্ক না থাকার জন্য ও মা-বাবার থেকে তারা যৌনতা বা যৌন মিলন সম্পর্কে কোন তথ্য জানতে না পেরেই ইন্টারনেটের সাহায্য নেয়৷ অভিভাবকরা বুঝতেই পারেননা তাদের সন্তান ইন্টারনেটে কি দেখছে৷ এর ফলে দেখা যায় বেশির ভাগই নাবালকরা অশ্লীল সাইট দেখা শুরু করে৷ এই ধরণের সাইটে যৌনতাকে আরও বেশি আকর্ষক করার জন্য তাকে অনেক বেশি রং চড়ানো হয়৷

এতে অন্তরঙ্গতার বদলে বাসনা ও তৃপ্তির উপর বেশি জোর দেওয়া হয়৷ ফলে বেশির ভাগ বাচ্চাই এগুলি থেকেই যৌনতার বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করে৷ এই কারণে আমরা প্রায়শই বাচ্চাদের সেক্স সংক্রান্ত খবর জানতে পারি৷

ভারতে বিয়েকে পবিত্র সম্পর্কে বলে মনে করা হয়৷ কিন্তু বড় শহরগুলির যুবসমাজ বিবাহকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়না৷ বেঙ্গালুরু সেই শহরগুলির মধ্যে একটি যেখানে বেশিরভাগ যুবকই জানিয়েছেন যে তারা অর্থের বিনিময়ে যৌন মিলন করেন৷

 

 

প্রায় ২০ শতাংশের মতামত বার বার একজনের সঙ্গে সহবাসের ফলে সম্পর্কে একঘেয়েমি আসতে পারে৷ তেমনই হায়দরাবাদ ও মুম্বইয়ের যুব সমাজ মনে করে বিয়ের পরেও পরকীয়া সম্পর্ক রাখার মধ্যে খারাপ কিছুই নেই৷

মনোবিজ্ঞানিকরা মনে করেন এই ধরণের ব্যবহার যুব সমাজকে আরও বেশি স্বচ্ছল করে তুলছে৷ একজন মধ্যবয়স্ক ভারতীয় যৌনতা নিয়ে এখনও অনেক বেশি আতঙ্কিত ও সতর্ক থাকেন কিন্তু ভারতের যুব সমাজকে এই বিষয়েও আরও অনেক জ্ঞান অর্জন করতে হবে৷

আদতে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ একটি সাধারণ ব্যপার কিন্তু এই বিষয়টি তখনই গম্ভীর হয়ে ওঠে যখন একজন কিশোরী অল্প বয়সেই সমস্ত কিছু জানতে ও হাতের নাগালে পেতে চায়৷ কম বয়সে একজন শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপণের জন্য পরিপূর্ণ হয়না৷ এই সময়ে সন্তানকে বোঝানোর দায়িত্ব গোটাটাই অভিভাবকদের উপরেই থাকে৷

 

 

ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণা করে জানিয়েছেন ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সেই বেশির ভাগ কিশোর ইন্টারনেটে অশ্লীল তথ্য দেখতে শুরু করে৷ এবিসি’র একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ভারতীয় মনোবৈজ্ঞানিক রাজ সিথার্থন ও তার স্ত্রী গৌমতি সিথার্থন প্রায় ৮০০ জনের উপর একটি পরীক্ষা করেছেন৷ এই গবেষণা অনুযায়ী ইন্টারনেটে যারা অশ্লীল সাইট দেখেন তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ পুরুষ৷

আধুনিক জীবনশৈলীর কারণে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে যৌন রোগ ও এই বিষয়ে সচেতনাতা বাড়ানোর বিষয়ে পদক্ষেপের উপর জোর দিতে হবে৷ সত্যি কথা হল এদেশে এই বিষয়ে এখনও যথেষ্ট সচেতনতার অভাব৷ দেশে যারা অ্যাডাল্ট এডুকেশন নিয়ে থাকেন তাদের মধ্যে মাত্র এক তৃতীয়াংশ যুবক এইচআইভি সংক্রমণের ব্যাপারে জানেন৷ একটি গবেষণায় এমনও পাওয়া গেছে যে, এক তৃতীয়াংশ শিক্ষকদের এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তাদের নিজেদেরও আরও অধ্যয়ন করতে হবে৷

সংযুক্ত জনসংখ্যা কোষের পক্ষ থেকে একটি গবেষণায় যে তথ্য সামনে উঠে এসেছে তা হল, অ্যাডাল্ট স্কুলেগুলিতে মাত্র ৩১ শতাংশ ও সাধারণ স্কুলের মাত্র ২০ শতাংশ ছাত্ররা এইচআইভি ও এইডসের সম্পর্কে জানে৷

 

 

ভারত বা এশিয়ার অন্য দেশগুলিতও কম বয়সী ছেলেমেয়েরা শারীরিক সম্বন্ধে আবদ্ধ হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন এতে কৈশোর অবস্থায় মানসিক বিকাশ বাধা পেতে পারে৷

তারা জানাচ্ছেন যে এই বয়সে শরীরিক গঠন পুরোপুরি বিকশিত না হওয়ার যৌন মিলন এর ফলে শরীরেও ব্যপক প্রভাব পড়তে পারে৷ এমনও জানা গিয়েছে যে, কম বয়সে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ফলে মানসিক অবসাদ আসতে পারে৷ এছাড়াও এতে মস্তিষ্কের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে৷

আপনার যৌন জীবনকে সুকময় করে তোলার জন্য বিভিন্ন টিপস পেতে আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকুন।ধন্যবাদ

সূত্র:বাংলাসেক্সহেল্থ

 

 

 

Sex এর জন্য বয়ফ্রেন্ড পীড়াপীড়ি করলে যা করবেন

 

একথা সত্য যে, বিয়ের আগে  sex বা যৌন সম্পর্কের বিষয়টি আমাদের সমাজে মোটেও ভালো কিছু হিসাবে পরিচিত নয়। তবে বর্তমানে, বিয়ের আগে  sex বা যৌন সম্পর্কের বিষয়টি হচ্ছে আর অহরহ ।অপেক্ষা না করে খুব কম বয়সেই বর্তমান ছেলেমেয়েরা যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে যাচ্ছে।
এমন হতে পারে যে Sex এর জন্য বয়ফ্রেন্ড পীড়াপীড়ি করছেন, প্রয়োজনে সম্পর্ক ভেঙে ফেলবেন, কিংবা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছেন।তাই এক্ষেত্রে উচিত প্রথমেই ভেবে দেখা, যৌন সম্পর্কের বিষয়টি কি আপনি চান? তার সাথে আপনিও কি যৌন সম্পর্কে জড়াতে চান? সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকেই কারণ জীবন আপনার।

তবে সমসময় মনে রাখবেন, দীর্ঘমেয়াদি সুন্দর সুশৃঙ্খল সম্পর্ক রাখতে চাইলে বিয়ের আগে যৌনতা পরিহার করা ভালো।বিয়ের আগে এগুলো করতে আপনি হয়তো রাজি নন, কিন্তু প্রেমিক পীড়াপীড়ি করছে। bangla health tips আপনার ডক্টর জানাচ্ছে  এক্ষেত্রে আপনার করণীয় কি? চলুন দেখি
১।সর্বপ্রথমে তার সাথে ঠাণ্ডা মাথায় কথা বলুন। তাঁকে বুঝিয়ে বলুন যে বিয়ের আগে এমন সম্পর্কে যেতে আপনি রাজি নন। তিনি আপনাকে ভালোবেসে থাকলে অবশ্যই বিয়ে পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।
২। প্রেমিক মানেই তাঁকে চোখ বুজে ভরসা করতে হবে এমন কোনো আইন নেই। এই অন্ধ ভরসার কারণে প্রেমিকের সাথে কোনো বন্ধুর বাসায়, হোটেলে বা নির্জন স্থানে চলে যাবেন না যেন। নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনবেন তাহলে।
৩। প্রেমিকের সাথে সর্বদা পাবলিক প্লেসে দেখা করুন। তিনি সম্পর্ক ভাঙার হুমকি দিলে আপনিও পাল্টা হুমকি দিন যে তিনি জোর করলে আপনি আর যোগাযোগ রাখবেন না।
৪।শুধুমাত্র যৌনতাকে বৈধ করার জন্য গোপনে কাজী অফিসে বিয়ে করার মত বোকামি করতে যাবেন না একেবারেই।
৫।প্রেমিককে খুশি করতে নিজের ব্যক্তিগত ছবি দেয়ার শর্তেও রাজি হবেন না।
৬।এবং সবচাইতে বড় সত্য হচ্ছে, যৌন সম্পর্কে বাধা দেয়ায় প্রেমিক যদি আপনাকে ছেড়ে চলে যায়, তাহলে তাঁকে যেতে দিন। এটা জানবেন যে এই মানুষটি কখনোই আপনাকে ভালোবাসেনি। এবং তার থেকে দূরে থাকাই আপনার জন্য ভালো হবে।
একটাই জীবন, ভালো থাকুন। মনে রাখবেন, একটি ভুল সিদ্ধান্ত সারা জীবনের অশান্তি ডেকে আনতে পারে।

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ

 

যৌবন হারানোর জন্য যে ৬ টি বাজে কাজ দায়ী

 

যৌবন সময়কাল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকাল।একটি ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন? আগেকার যুগের মানুষের তুলনায় ইদানিংকার মানুষকে খুব অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যেতে দেখা যায়? বয়স ৩০ পার হতে না হলেই দেহ ও ত্বকে পড়ে যায় বয়সের ছাপ। যৌবন বিদায় জানিয়ে শরীরে চলে আসে বার্ধক্য। মানুষের গড় আয়ুও কমে এসেছে অনেকখানিই। কিন্তু ঠিক কি কারণে এমনটি হচ্ছে? এটি সত্য যে আগের মতো আবহাওয়া এবং খাবার পাওয়া দুঃসাধ্য ব্যাপার, কিন্তু অন্য সবাই তো এই অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়ার আওতায় পড়েন না। তাহলে কিছু মানুষ কেন অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যান? এর পেছনে রয়েছে তাদেরই কিছু বদঅভ্যাস। কিছু বাজে অভ্যাস শরীর ও ত্বকের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে থাকে যার কারণে এই অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়তে হয় অনেককে।
১) অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
আপনি কি কখনো নজর করেছেন আপনি কি খাচ্ছেন? বাইরের তেলেভাজা খাবার ফাস্ট ফুড এই সবই  যৌবন ধংসকারী যা আপনার ত্বকের বয়স বাড়ানোর জন্য দায়ী খাবার। চিনি জাতীয় খাবার অনেক পছন্দ? তাহলে জেনে নিন এই চিনি জাতীয় খাবারের কারণেই আপনার ত্বক হারাচ্ছে ইলাস্টিসিটি। যার কারণে বুড়িয়ে যাচ্ছেন আপনি। কোমল পানীয় পানের অভ্যাস থাকলে জেনে রাখুন, নিজের হাতেই ক্ষতি করছেন দাঁত ও হাড়ের। এতে করে বার্ধক্য আসছে শরীরে।
২) ধূমপান ও মদ্যপান
অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্যপান করার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। কিন্তু ধূমপান ও মদ্যপানের ফলে আপনার দেহ ও ত্বক দুটোরই বয়স বেড়ে যাচ্ছে অনেক। গবেষণায় দেখা যায় যারা নিয়মিত ধূমপান করেন তাদের প্রতিবছরে দেহের যতোটা ক্ষয় হয় তা সাধারণত ৫ বছরে হয়ে থাকে। মদ্যপানের ফলাফল প্রায় একই রকম। তাই আপনি নিজেকেই নিজে যৌবন ধবংস করতে এগিয়ে যাচ্ছেন।

৩) শারীরিক পরিশ্রম না করা
গবেষণায় জানা যায় প্রতিবছর ধূমপানের ও মদ্যপানের কারণে যতো মানুষ মৃত্যুবরণ করেন ঠিক ততো মানুষই অলসতা ও অপরিশ্রমি হওয়ার জন্য করে থাকেন। শুনতে অবাক শোনালেও এটি সত্যি। শারীরিক পরিশ্রম করার মাধ্যমে নানা রোগ ও শারীরিক সমস্যা দেহে বাসা বাঁধতে পারে না। কিন্তু দেহে অলসতা থাকলে কিংবা বসা কাজের কারণে শারীরিক পরিশ্রম না করতে দেহ বার্ধক্যের দিকে যেতে থাকে।
৪) অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া
ঘরে বাইরে আজকাল প্রায় সকলেরই মানসিক চাপটা একটু বেশি। কিন্তু এই মানসিক চাপের ফলে আপনার মস্তিষ্কের ক্ষতি করে চলেছেন আপনি নিজেই। অল্পতেই অতিরিক্ত অস্থির হয়ে পড়া, মানসিক চাপ নেয়া আপনার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নষ্ট করে যা বয়সের সাথে সাথে হয়ে থাকে। সুতরাং যৌবন রক্ষা করতে একটু সর্তক থাকুন। দুশ্চিন্তা থাকবেই, সবকিছুর সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা করুন, স্বাভাবিকভাবে নিয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখুন নিজেকে।
৫) উপুড় হয়ে ঘুমানো
অনেকেরই এই অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু উপুড় হয়ে ঘুমানে মুখ বেকায়দাভাবে বালিশের উপর থাকে যা ত্বকে রিংকেল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ। এতে করে অল্প বয়সেই আপনাকে বেশ বয়স্ক মনে হয়। এছাড়াও খাবার হজমে সমস্যা এবং মেরুদণ্ডের ক্ষতি তো রয়েছেই। তাই যৌবন ধরে রাখতে সাবধান হয়ে যান এখনই।
৬) প্রোটেকশন না নিয়ে রোদে ঘোরাঘুরি
সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি ত্বকের যতোটা ক্ষতি করে অন্য কোনো কিছুই এতোটা ক্ষতি করতে পারে না। আপনি যদি সানস্ক্রিন না লাগিয়ে বেশি রোদে ঘোরাঘুরি করেন তাহলে বয়স ৩০ পার হতে না হতেই ত্বকে দেখা দেবে বয়সের ছাপ। এছাড়াও সানগ্লাস ব্যবহার না করার কারণে দৃষ্টিশক্তিরও সমস্যা দেখা দেয় অনেকাংশে।
সূত্রঃ হেলথডাইজেস্ট

সেক্স এর ক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গিনীর কিছু কর্তব্য

 

সেক্স  বা যৌন মিলনের সময় পুরুষদের বিশেষ কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সমাজের পুরষদের দেখা যায়, তাদের স্ত্রীর মন মাননিকতার দিকেও পর্যন্ত নজর দেন না। অন্যসব বিষয় তো দুরে থাক। অথচ সেক্স বা যৌন মিলন একার কোন বিষয় নয়। এখানে দু’জনকেই সমান মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। আসুন জেনে নেই মিলনের আগে পুরুষ সেক্স পার্টনারের কিছু কর্তব্য সম্পর্কে –

পুরুষ সেক্স পার্টনারের কর্তব্য হলো নারী সেক্স পার্টনারকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের কামনার নারী ভেবে নিয়ে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।
কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতেই হবে।
চুম্বন, আলিঙ্গন, ঘর্ষন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে নারী সেক্স পার্টনারের মনে পূর্ণ কামভাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের প্রধান কর্তব্য।
নারী সেক্স পার্টনার ধীরে ধীরে আত্নসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সঙ্গম বা সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।
নারী কখনও নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।
নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সহবাস বা সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা যৌননীতি বিরুদ্ধ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না-এর জন্যে সে অন্য পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।
একেবারে দর্শন মাত্রেই রতিক্রিয়া আরম্ভ করা উচিত নয়। তাতে নারীর কামেচ্ছা তেমন জাগ্রত হয় না। কাজেই উভয়ের পক্ষে রতিক্রিয়া তেমন আনন্দদায়ক হয় না।
ক্রুদ্ধ বা চিন্তিত মেজাজে স্ত্রী সহবাস উচিত নয়। মেজাজ প্রফুল্র না হলে সময় নেয়া প্রয়োজন। ততোক্ষন পর্যন্ত পুরুষকে অপেক্ষা করে প্রেম-ভালোবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলাই কর্তব্য।
সঙ্গম বা সহবাসে লিপ্ত হওয়ার আগে নারীর শরীরে প্রকৃত বা আসল উত্তেজনা এসেছে কীনা তাও বোঝা প্রয়োজন, প্রকৃত বা আসল উত্তেজনা না এলে সঙ্গম বা সহবাসে নারীর পূর্ণ তৃপ্তি আসতে পারেনা।
পুরুষ রতি ক্রিয়ার প্রথমে যথেষ্ট উত্তেজিত হয়। কিন্তু একবার বীর্যপাত ঘটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে আবার রতিক্রিয়ায় পুরুষের আর পূর্বের মত উত্তেজনা থাকে না। নারীর উত্তেজনা কিন্তু ভিন্ন প্রকারের। প্রথম রতিক্রিয়ায় সে বিশেষ আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু যখন রতিক্রিয়া কিছুক্ষন চলে তখন ক্রমশঃ তার আগ্রহ বাড়তে থাকে। পরে পুরুষের বীর্য্যপাত ঘটলেও নারীর রতিক্রিয়ার আগ্রহ ক্রমশঃ বাড়তে থাকে।
এইজন্য নারীর সাথে রতিক্রিয়া আরম্ভ করতে হলে একেবারেই প্রথম থেকেই রতিক্রিয়া করা উচিত নয়। প্রথমে নারীর সঙ্গে কথাবার্তা বলা দরকার, তারপর তাকে চুম্বন, দংশন, নখচ্ছেদ ও আলিঙ্গন ইত্যাদি প্রাথমিক ক্রিয়া করা উচিত। এ সকল প্রাথমিক রসালাপ অঙ্গ-মর্দন, অধর, চুম্বন ইত্যাদিতে যখন নারীর কামেচ্ছা প্রবল থেকে প্রবলতর হবে তখন সঙ্গমের জন্য প্রস্থত হওয়া দরকার।

যৌনস্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য ও পরামর্শ পেতে নিয়মিত আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটরে সাথে থাকবেন।ধণ্যবাদ

সূত্র:বাংলাসেক্সহেল্থ

 

খাটো পুরুষ যৌনতায় বেশি অভিজ্ঞ গবেষকদের মতে

অনেকই নিজের দৈহিক উচ্চতা বাড়ানো নিয়ে বেশ তোড়জোড় শুরু করে দেন। জানেন কি বাস্তবে অন্যদের তুলনায় খাটো পুরুষ যৌনতায় বেশি পারদর্শী বলে জানা গেছে এক গবেষণা থেকে। সম্প্রতি “ডিসকভার ম্যাগাজিন” এ বিষয়ে একটি গবেষণা লব্ধ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যা বেশ গুরুত্বের সাথেই আরো অনেক সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় ২০ থেকে ৫৪ বছর বয়সী ৫৩১ জন পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

গবেষণায় দেখা গেছে, খাটো পুরুষ যৌনতা উপভোগে লম্বা পুরুষদের তুলনায় বেশি পারদর্শী হয়ে থাকেন। বিশেষ করে যাদের উচ্চতা পাঁচ ফুট নয় ইঞ্চি কিংবা তার চেয়ে কম সেসব পুরুষদের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বেশি প্রযোজ্য বলেই গবেষণায় উঠে এসেছে।

 

গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘পুরুষের যৌন কার্যক্রমের মাত্রা ও বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে উচ্চতা, ওজন, স্বাস্থ্যগত বিষয় বিবেচনা করে বিষয়টি তুলনা করা হয়েছে।’

তারা জানিয়েছেন এতে দেখা গেছে যে, ‘আশ্চর্যজনকভাবে পাঁচ ফুট নয় ইঞ্চির চেয়ে খাটো পুরুষ যৌনতার দিক দিয়ে অন্যদের তুলনায় পারদর্শী।’

 

যৌনস্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য ও পরামর্শ পেতে নিয়মিত আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটরে সাথে থাকবেন।ধণ্যবাদ
সূত্র:বাংলাসেক্সহেল্থ

 

যৌন মিলনে পূর্ণ তৃপ্তি পাওয়ার কিছু টিপস্

প্রথমেই স্ত্রীর স্বামীর যৌনতা সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক জ্ঞান রাখতে হবে। তারপর অগ্রসর হোনঃ সাধারণ টিপসঃ
ক। যৌন মিলনের প্রস্তুতিঃ
১. বেশিরভাগ মেয়ে সারাদিন কাজের শেষে ঘর্মাক্ত শরীরে স্বামীর সাথে শুতে যায়। কিন্তু স্বামী সর্বদা আশা করে স্ত্রী সতেজ অবস্থায় তার শয্যাসঙ্গী হবে। তাই পরিচ্ছন্ন অবস্থায় বিছানায় যাবে। ২. সহবাসের রাত্রিগুলিতে সাজসজ্জা ও পোশাকের ব্যাপারে স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব দিবে।
৩. অন্যান্য দিনে অন্তর্বাস পরিধান না করলেও সহবাসের রাত্রিতে ব্লাউজের নিচে বক্ষবন্ধনী ও নিম্নাঙ্গে প্যান্টি পরা উচিৎ। এর ফলে স্বামী যৌন মিলনে এর ক্ষেত্রে বাড়তি উত্তেজনা অনুভব করে।
৪. যে সব মেয়ের গুপ্তাঙ্গে ঘন চুল আছে, তারা অনেকেই চুল কেটে রাখতে চায়। গুপ্তাঙ্গের চুলের ব্যাপারে স্বামীর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেবে। স্বামী যদি চুল অপছন্দ করে, তাহলে ছেঁটে রাখবে।
৫. মুখের গন্ধের ব্যাপারে সচেতন হবে। সম্ভব হলে বিছানায় যাবার আগে দাঁত মেজে নিবে।
খ। মিলনের আগেঃ
১. স্বামী উত্তেজিত হলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে স্ত্রীর যোনিপথে প্রবেশ, অন্য কিছুর ধৈর্য্য তার তখন থাকে না। পর্যাপ্ত প্রেম সত্যেও বেশিরভাগ পুরুষ তখন মধুর প্রেমক্রীড়া করতে পারে না, ফলে মিলনের সময়টা কমে আসে। তাই স্ত্রীর উচিত স্বামীকে কাম চরিতার্থ করার পাশাপাশি প্রেম ক্রীড়ায় উৎসাহিত করা। এজন্য উচিৎ স্বামীকে আলিঙ্গন ও চুম্বনের মাধ্যমে তার ভেতরের প্রেমিক সত্তাকে জাগ্রত করে যৌন মিলনে আগ্রহী করা।
২. চুম্বনের সময় পরস্পরের জিহ্বা নিয়ে খেলবে, জিহ্বা দিয়ে জিহ্বায় আঘাত করবে। আর স্ত্রীর উচিৎ জিহ্বার লড়াইয়ে জয় লাভ করা এবং স্বামীর মুখের অভ্যন্তরে সূচালো করে জিহ্বা প্রবিষ্ট করে দেওয়া। জননাঙ্গের পাশাপাশি মুখের এই মিলন অত্যন্ত আনন্দদায়ক। আর বলা হয়, সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্ত্রীতে প্রবেশ করে, আর স্ত্রীর জিহ্বা স্বামীতে প্রবেশ করবে, এই সুন্দর বিনিময়ে অর্জিত হবে স্বর্গসুখ।
৩. সাধারণত দেখা যায়, স্বামী যৌন মিলনে উত্তেজিত হয়ে স্ত্রীর কাপড় খুলছে, কিন্তু স্ত্রী নিশ্চুপ। পরে স্বামী বেচারাকে নিজের উত্তেজনা বিসর্জন দিয়ে নিজের কাপড় খোলায় মনোযোগ দিতে হয়। কিন্তু স্ত্রীর উচিৎ, স্বামী যখন তার কাপড় খুলবে, তখন ধীরে ধীরে স্বামীর কাপড় খোলার দিকেও মনোযোগ দেওয়া। এই পারস্পরিক সৌহার্দ্য যৌন মিলনে আনন্দ যে কতগুণ বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
৪. স্বামীকে যে স্ত্রী উপলব্ধি করাতে পারে যে তার রূক্ষ শরীরও স্পর্শকাতর, সেই প্রকৃত রমণী। স্বামী যেমন স্ত্রীর গায়ে হাত বুলায়, স্ত্রীর স্তন চুম্বন করে, তেমন করে স্ত্রী যদি স্বামীর সর্বাঙ্গে হাত বুলায়, চুম্বন করে, বিশেষ করে বাহুতে, বুকে ও পিঠে। আরেকটি কাজ আছে যা পুরুষকে অত্যন্ত আহ্লাদিত করে, তা হলো তার গলার নিচে ও বুকে চুম্বন।

গ। যৌন মিলনে সময়ঃ
যৌন মিলনে সময় কী করা উচিৎ তা এভাবে ক্রমিক নম্বর দিয়ে বর্ণনা করা সম্ভব নয়, কারণ তা নির্ভর করবে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক বৈশিষ্টের উপর। প্রথম কর্মপ্রণালী সকলের জন্যঃ
১. সঙ্গমের সময় স্বামীকে যথা সম্ভব কাছে টেনে রাখবে, যেন বুকের মাঝে মিশিয়ে ফেলতে চাইছে।
২. অধিক পরিমাণে চুম্বন করবে, স্বামীর বাহু, কাঁধ, গলা, মুখে। আর স্বামী যেরূপ স্ত্রীর যোনিতে তার বিশেষ অঙ্গ প্রবেশ করিয়েছে, সেরূপ স্বামীর মুখে চুম্বনের মাধ্যমে গভীরভাবে জিহ্বা প্রবেশ করিয়ে দিবে।
৩. সঙ্গম করা স্বামীর জন্য অত্যত পরিশ্রমের কাজ। তাই মাঝে মাঝে নিবিড় চুম্বনের মাধ্যমে স্বামীকে কিছু মুহূর্তের জন্য বিরতি দিবে।
দ্বিতীয় কর্মপ্রণালী নীরস মেয়েদের জন্য। নীরস বলতে যাদের সাথে যৌন মিলনে স্বামী বেশি আনন্দ পায় না। যদি অনুচ্চ স্তন (যা নির্দেশ করে অল্প যোনিরস), সাধারণের অধিক ঋতুস্রাব (যা নির্দেশ করে যোনিরসে পুরুষের আনন্দের উপকরণ কামরসের ঘাটতি), যোনিমুখে পুরুষের বাহু/পায়ের লোম অপেক্ষা ঘন চুল (যা নির্দেশ করে যোনিপথের স্বাভাবিক কোমলতার অভাব)- বৈশিষ্ট্য তিনটির অন্তত দুইটি থাকে, তবে সেই রমণী নীরস। নীরস রমণীর করণীয়ঃ
১. স্বামী যদি খর্ব হয় (পুরুষাঙ্গ পাঁচ আঙ্গুলের কম), তাহলে কোন সমস্যা নেই, বরং স্বামী পুর্ণাঙ্গ আনন্দ পাবে। তাই দুশ্চিন্তা না করে যৌন মিলনে মনোনিবেশ করবে।
২. স্বামী সাধারণ হলে (পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল দীর্ঘ) স্ত্রীর উচিৎ হবে সহবাসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া, তা না হলে স্বামীকে সম্পূর্ণ সুখ দিতে পারবে না। নিজে নিজেকে সুরসুরি দিলে অনুভূতি কম হয়, কিন্তু অন্য কেউ দিলে অধিক অনুভব করা যায়, সেরূপ স্ত্রী যদি নিজে কোমর চালনা করে যৌন মিলনে অব্যাহত, তাহলে স্বামীর অধিক আনন্দ হয়।
৩. যদি স্বামী দীর্ঘ হয় (পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুলের অধিক), তাহলে তাকে তৃপ্ত করতে স্ত্রীকে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে।

আপনার যৌন জীবনকে আনন্দময় করে তুলতেএবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য টিপস ও পরামর্শ পেতে নিয়মিত আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকবেন।ধণ্যবাদ

সূত্র:হোমিওপ্যাথিবিডি