2017 at 09:45AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 09:45AM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার

জেনে নিন কনডম ব্যবহারে কি কি সুবিধা?

 

কনডম  বিভিন্ন প্রকার যৌনবাহিত রোগসমূহকে প্রতিরোধের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।বর্তমান সময়ে ( sex ) যৌনমিলনের ক্ষেত্রে কনডম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান । তাছাড়া কনডম পুরোপুরি ১০০% রোগ প্রতিরোধ করতে না পারলেও এর সাফল্যের হার প্রায় ৯০%। জেনে নিন কনডম ব্যবহারে কি কি সুবিধা?

১। অনেক দম্পতি মনে করেন যে, কনডম ব্যবহার করে যৌনমিলন করলে যৌন আনন্দের পরিমাণ কমে যায়। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভূল। কনডম ব্যবহার করে যৌনমিলন করলে যৌন আনন্দের পরিমাণ বেড়ে যায়।

২। কনডম অপরিকল্পিত গর্ভধারণ রোধ করে।

৩। কনডম ব্যবহার করে যৌনমিলন করলে এইডস, গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যদি যৌনরোগ থেকে নিরাপদে থাকা যায়।

৪। অনেক পুরুষই হয়তো জানেন না যে, কনডম ব্যবহার করে অনেকক্ষণ যৌনমিলন করা যায়, যা কনডমবীহিন অবস্থায় পুরোপুরিভাবে সম্ভব নয়।

 

৫। বিভিন্ন ব্রান্ডের কনডমে নরমাল এবং বিভিন্ন ফ্লেভারের লুব্রিকেন্ট দেওয়া থাকে, যার ফলে আলাদাভাবে লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। খুবই প্রয়োজন হলে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন, তেল ব্যবহার করবেন না। কারণ তেল ল্যাটেক্সকে ভেঙ্গে দেয়, ফলে কনডমের কার্যকারিতা নষ্ট হয়।

৬। পৃথিবীর প্রায় ৫% নারীর পুরুষের বীর্যের এলার্জী রয়েছে। যদি আপনার নারী পার্টনারের বীর্যের এলার্জী থাকে সেক্ষেত্রে ৬-৭ মাস কনডম ব্যবহার করে এই এলার্জী নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তবে যেসকল দম্পতির কনডম ব্যবহারে এলার্জী রয়েছে তাদের কনডম ব্যবহার না করাই ভালো।

 

 

৭। নরমাল কনডমের চেয়ে ডটেড কনডম ব্যবহার করে যৌনমিলন করলে বেশী আনন্দ পাওয়া যায়, এছাড়া আলট্রা থিন কনডমগুলোও সম্প্রতি বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে বর্তমানে অনেক দম্পতিই নরমালের তুলনায় বিভিন্ন ফ্লেভারের ডটেড কনডম পছন্দ করে।

আপনার দাম্পত্য জীবনকে সুন্দর ও সুখময় করতে আপনার ডক্টর রয়েছে সর্বদা আপনার পাশে।নিয়মিত বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সামাধান পতে ভিজিট করুন আপনার ডক্টর অথবা সাইট অাপনার ব্রাউজারে সেভ করে রেখে দিন। ধন্যবাদ।

সূত্র:হেল্থসেক্স

শুক্রবার

অল্প বয়সে যৌন মিলন করার সমস্যাবলী

 

আধুনিক বিশ্বে নতুন যে প্রজন্ম সমাজে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে তারা প্রত্যেকেই সব কিছু খুব তাড়াতাড়ি জেনে নিতে আগ্রহী৷ তাই যৌনতা নিয়েও তারা কৌতূহলি৷ সম্প্রতি কম বয়সে যৌন মিলন সম্পর্কে একটি গবেষণা করা হয়৷ এই গবেষণা থেকে উঠে এসেছে নতুন কিছু তথ্য৷‘সেক্স’ শব্দটা শুনলেই কম বেশি সকলের মনেই একটা অদ্ভূত অনুভূতি জাগে৷

তবে কম বয়সি ছেলে-মেয়েরা এতে আকৃষ্ট হতে পারে৷ যদি এদের উচিত শিক্ষা না দেওয়া হয় তবে এদের মধ্যে বিপথে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে৷ বেশির লোকেই জানেন না যে, ভারত সেই দেশগুলির মধ্যে একটি যেখানে নাবালিকা গর্ভবতীর সংখ্যা সবথেকে বেশি৷ আর এটা জেনেও আশ্চর্য হওয়ার কথা নয় যে সেখানে বেশির ভাগই মেয়েই বিবাহিত৷

 

 

গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, বাবা-মায়ের যখন জানতে পারেন যে তার নাবালক সন্তান যৌন মিলন বা সেক্সে লিপ্ত তখন তারা হয় তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন নয়ত সব জেনে বুঝেও চুপ করে থাকেন৷ কেবল মাত্র এক তৃতীয়াংশ বাবা-মা তাদের সন্তানদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের শিক্ষিত করে তোলেন৷

বেশিরভাগ লোকই তাদের সন্তানদের সামনে নিজের স্বামী বা স্ত্রীর প্রতি ভালবাসা ব্যক্ত করতে অস্বস্তি বোধ করেন৷ মা-বাবা ও সন্তানদের মধ্যে যৌনতা নিয়ে খুব সীমিত আলোচনা হতেই দেখা যায়৷ বোধহয় এই কারণের জন্যেই কৈশোরের একটি বড় সংখ্যা দোটানায় জীবন কাটায় ও যখন বাবা-মা তাদের যৌন জীবন সম্পর্কে জানতে পারেন তখন ঠিক কি করা উচির তা বুঝতে পারেন না৷

 

 

সামাজিক সম্পর্ক না থাকার জন্য ও মা-বাবার থেকে তারা যৌনতা বা যৌন মিলন সম্পর্কে কোন তথ্য জানতে না পেরেই ইন্টারনেটের সাহায্য নেয়৷ অভিভাবকরা বুঝতেই পারেননা তাদের সন্তান ইন্টারনেটে কি দেখছে৷ এর ফলে দেখা যায় বেশির ভাগই নাবালকরা অশ্লীল সাইট দেখা শুরু করে৷ এই ধরণের সাইটে যৌনতাকে আরও বেশি আকর্ষক করার জন্য তাকে অনেক বেশি রং চড়ানো হয়৷

এতে অন্তরঙ্গতার বদলে বাসনা ও তৃপ্তির উপর বেশি জোর দেওয়া হয়৷ ফলে বেশির ভাগ বাচ্চাই এগুলি থেকেই যৌনতার বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করে৷ এই কারণে আমরা প্রায়শই বাচ্চাদের সেক্স সংক্রান্ত খবর জানতে পারি৷

ভারতে বিয়েকে পবিত্র সম্পর্কে বলে মনে করা হয়৷ কিন্তু বড় শহরগুলির যুবসমাজ বিবাহকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়না৷ বেঙ্গালুরু সেই শহরগুলির মধ্যে একটি যেখানে বেশিরভাগ যুবকই জানিয়েছেন যে তারা অর্থের বিনিময়ে যৌন মিলন করেন৷

 

 

প্রায় ২০ শতাংশের মতামত বার বার একজনের সঙ্গে সহবাসের ফলে সম্পর্কে একঘেয়েমি আসতে পারে৷ তেমনই হায়দরাবাদ ও মুম্বইয়ের যুব সমাজ মনে করে বিয়ের পরেও পরকীয়া সম্পর্ক রাখার মধ্যে খারাপ কিছুই নেই৷

মনোবিজ্ঞানিকরা মনে করেন এই ধরণের ব্যবহার যুব সমাজকে আরও বেশি স্বচ্ছল করে তুলছে৷ একজন মধ্যবয়স্ক ভারতীয় যৌনতা নিয়ে এখনও অনেক বেশি আতঙ্কিত ও সতর্ক থাকেন কিন্তু ভারতের যুব সমাজকে এই বিষয়েও আরও অনেক জ্ঞান অর্জন করতে হবে৷

আদতে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ একটি সাধারণ ব্যপার কিন্তু এই বিষয়টি তখনই গম্ভীর হয়ে ওঠে যখন একজন কিশোরী অল্প বয়সেই সমস্ত কিছু জানতে ও হাতের নাগালে পেতে চায়৷ কম বয়সে একজন শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপণের জন্য পরিপূর্ণ হয়না৷ এই সময়ে সন্তানকে বোঝানোর দায়িত্ব গোটাটাই অভিভাবকদের উপরেই থাকে৷

 

 

ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণা করে জানিয়েছেন ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সেই বেশির ভাগ কিশোর ইন্টারনেটে অশ্লীল তথ্য দেখতে শুরু করে৷ এবিসি’র একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ভারতীয় মনোবৈজ্ঞানিক রাজ সিথার্থন ও তার স্ত্রী গৌমতি সিথার্থন প্রায় ৮০০ জনের উপর একটি পরীক্ষা করেছেন৷ এই গবেষণা অনুযায়ী ইন্টারনেটে যারা অশ্লীল সাইট দেখেন তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ পুরুষ৷

আধুনিক জীবনশৈলীর কারণে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে যৌন রোগ ও এই বিষয়ে সচেতনাতা বাড়ানোর বিষয়ে পদক্ষেপের উপর জোর দিতে হবে৷ সত্যি কথা হল এদেশে এই বিষয়ে এখনও যথেষ্ট সচেতনতার অভাব৷ দেশে যারা অ্যাডাল্ট এডুকেশন নিয়ে থাকেন তাদের মধ্যে মাত্র এক তৃতীয়াংশ যুবক এইচআইভি সংক্রমণের ব্যাপারে জানেন৷ একটি গবেষণায় এমনও পাওয়া গেছে যে, এক তৃতীয়াংশ শিক্ষকদের এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে তাদের নিজেদেরও আরও অধ্যয়ন করতে হবে৷

সংযুক্ত জনসংখ্যা কোষের পক্ষ থেকে একটি গবেষণায় যে তথ্য সামনে উঠে এসেছে তা হল, অ্যাডাল্ট স্কুলেগুলিতে মাত্র ৩১ শতাংশ ও সাধারণ স্কুলের মাত্র ২০ শতাংশ ছাত্ররা এইচআইভি ও এইডসের সম্পর্কে জানে৷

 

 

ভারত বা এশিয়ার অন্য দেশগুলিতও কম বয়সী ছেলেমেয়েরা শারীরিক সম্বন্ধে আবদ্ধ হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন এতে কৈশোর অবস্থায় মানসিক বিকাশ বাধা পেতে পারে৷

তারা জানাচ্ছেন যে এই বয়সে শরীরিক গঠন পুরোপুরি বিকশিত না হওয়ার যৌন মিলন এর ফলে শরীরেও ব্যপক প্রভাব পড়তে পারে৷ এমনও জানা গিয়েছে যে, কম বয়সে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ফলে মানসিক অবসাদ আসতে পারে৷ এছাড়াও এতে মস্তিষ্কের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে৷

আপনার যৌন জীবনকে সুকময় করে তোলার জন্য বিভিন্ন টিপস পেতে আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকুন।ধন্যবাদ

সূত্র:বাংলাসেক্সহেল্থ

 

 

 

রবিবার

মেয়েদের পেটের নাভি সম্পর্কে আশ্চর্যজনক কিছু তথ্য

পেটের নাভি

পৃথিবী জুড়ে এমন অনেক কিছুই রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে ন্যূনতম কোনও ধারণাই আমাদের নেই। আজ মানুষের পেটের নাভি সম্পর্কে কিছু আশ্চর্যজনক তথ্য। মানব শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ পেটের নাভি । জন্মের পর মাতৃজঠরের সঙ্গে ছেদের মুহূর্তেই যা তৈরি হয়ে যায়। মা ও শিশুর যোগসূত্র। তাই পেটের নাভির সঙ্গে জড়িয়ে নানা অবাক করা বিষয়।

১. প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় ২ লক্ষ মানুষ পেটের নাভি কুন্ডলীর প্লাস্টিক সার্জারি করান। প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাভি কুন্ডলী ভিতর দিকে করেন।

২. একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ৬০ জন মানুষের নাভিতে প্রায় আড়াই হাজার আলাদা আলাদা প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়া বসবাস করে।
৩. পেটের নাভি কুন্ডলী সাধারণত বাইরের দিকেই বেরিয়ে থাকে। পৃথিবীর মাত্র ১০ শতাংশ ব্যক্তির নাভি কুন্ডলী ভিতরের দিকে।
৪. অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের অনেক সময় শিশুর চাপে নাভি কুন্ডলী ভিতর থেকে বাইরের দিকে বেরিয়ে আসে।
৫. প্লাস্টিক অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র বলছে, যে সব মহিলার নাভি কুন্ডলী বাইরের দিকে, তারা খুব একটা আকর্ষণীয় হন না। পুরুষদের ক্ষেত্রেও তাই।