2017 at 09:55PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 09:55PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার

গর্ভবতী হবার লক্ষণসমূহ

 

 

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করা হোক কি না হোক, আপনার যদি মনে হয় আপনি সন্তানসম্ভবা তবে অবিলম্বে নিকটবর্তী হাসপাতাল বা প্রসূতিগৃহে যোগাযোগ করুন। আপনার বর্তমান বা ভবিষতের যে কোনও রোগের চিকিৎসা কি হবে তা নির্ভর করে আপনি গর্ভবতী কি না তার উপর। আপনি বিবাহিত না হলে এবং আপনার বয়স ১৬ বছরের কম হলেও তা গোপন রাখা হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার নিকটস্থ মা এবং শিশু হাসপাতালে প্রসবপূর্ববর্তী সেবা গ্রহন করুন।

 

 

গর্ভধারণের লক্ষণসমূহ

যাদের নিয়মিত মাসিক হয় তাদের ক্ষেত্রে গর্ভধারনের সর্বপ্রথম চিহ্ন মাসিক বন্ধ হওয়া। মাঝে মধ্যে গর্ভবতী হলেও মাসিকের সময় সামান্য রক্তক্ষরণ হতে পারে।

অন্যান্য লক্ষণ
অসুস্থ বোধ করা-  আপনি হঠাৎ অসুস্থ বোধ করতে পারেন বা বমি বমি ভাব হতে পারে। যদিও একে মর্নিং সিকনেস বলা হয়, তারপরও দিনের যে কোনও সময় এরকম হতে পারে। যদি এর কারণে একেবারেই কিছু খেতে না পারেন তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

স্তনের পরিবর্তন– গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পর স্তনের আকারে পরিবর্তন আসা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে স্তনের বোঁটায় পরিবর্তন আসে। বোঁটা চেপে ধরলে একধরনের রস নি:সৃত হতে দেখা যায়। এটাও এক ধরনের সংকেত গর্ভধারণের।

 

ক্রমেই স্তনের আকার বড় হতে পারে এবং ব্যাথা হতে পারে (অনেকের মাসিকের সময়ও এমন হতে পারে), সুঁড়সুঁড়িও অনুভূত হতে পারে। রক্তনালী (রগ) গুলি আরো বেশি করে দেখা যেতে পারে এবং স্তনের বোঁটা আরো শক্ত এবং কালচে মনে হতে পারে।

  • বেশি বেশি প্রস্রাবের বেগ। রাতে প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য ।
  • যোনিপথে কোনপ্রকার জ্বালাপোড়া ছাড়াই বেশি বেশি ক্ষরন হতে পারে।
  • অতিরিক্ত ক্লান্তিভাব।
  • মুখে তামাটে স্বাদ লাগা।
  • আগে ভাল লাগত এমন খাবার বিস্বাদ লাগা (যেমন-চা, কফি, সিগারেট বা তেলযুক্ত খাবার) আর নতুন নতুন খাবার খেতে ইচ্ছে করা।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট

মাসিক বন্ধ হওয়ার দিন থেকেই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করা যায়। টেস্ট পজিটিভ হলে আপনার গর্ভধারণের দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হয়েছে বুঝতে হবে। দিনের যেকোনো সময়ে এই টেস্ট করতে পারেন। প্রথমে একটি পরিস্কার কন্টেইনারে (সাবান দিয়ে ধুয়ে থাকলে দেখুন সাবান লেগে আছে কিনা) প্রস্রাব সংগ্রহ করুন। কাছের ফার্মেসি থেকে কিনে আনা স্ট্রিপ দিয়ে এবার দেখে নিন আপনি গর্ভবতী কিনা। এসব স্ট্রিপের সুবিধা হল, এগুলো বাসায় বসে গোপনীয়তা বজায় রেখেই করা যায়। ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই মোড়কের নির্দেশিকা পড়ে নেবেন। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে বা নির্দেশনা অনুসরণে ভুল হলে টেস্ট এ ভুল দেখাতে পারে। টেস্ট নেগেটিভ, কিন্তু আপনি নিজেকে সন্তানসম্ভবা বলে মনে করছেন, এমন হলে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করে দেখুন। এরপরও মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। টেস্ট স্ট্রিপ ছাড়াও কাছাকাছি থাকা হাসপাতাল, প্রসূতি ক্লিনিক বা  ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আপনার প্রস্রাব পরীক্ষা করে গর্ভধারণ নিশ্চিত করতে পারেন।

যখন আপনি গর্ভবতী

গর্ভবতী হলে কেউ অনেক উৎফুল্ল, আবার কেউ আকস্মিকতায় হতবিহ্বল অনুভব করতে পারেন। অনেক দিন চেষ্টা করে মা হতে চলেছেন, তারপরও খুব বেশি উৎফুল্ল বোধ করছেন না, এমন হলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। গর্ভবতী অবস্থায় হরমোনের প্রভাবে মায়ের মনোভাবে তারতম্য ঘটতে পারে, হঠাৎই বেশি আবেগাপ্লুত বা উদ্বিগ্ন হতে পারেন। এ সম্পর্কে আপনি ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। পরিবারের সদস্য এবং বন্ধু-বান্ধব সবারই এসময়ে গর্ভবতী মায়ের পাশে থেকে সাহস যোগাতে হবে। আপনি মা হতে প্রস্তুত না হলে তারাই আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে। আপনার স্বামী বা সঙ্গীও ভিন্নরকম অনুভব করতে পারেন, তবে গর্ভবতী মায়ের পরিবর্তনশীল মনোভাবের দিকে লক্ষ্য রেখে তারা সব কথা খুলে বলতে পারেন না। দুজনেরই এসময় মন খুলে একে অপরের কাছে অনুভূতি ব্যক্ত করা প্রয়োজন।গর্ভবতী মায়েদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি তা হলো মা ও শিশু স্বাস্থ্য ক্লিনিকে প্রসবপূর্ববর্তী সেবার জন্য নাম অন্তর্ভুক্ত করা।

আপনি গর্ভবতী কাকে জানাবেন?

আপনি গর্ভবতী — এই খবরটি আপনার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবকে জানানো একটি আনন্দের ব্যাপার। তবে ইচ্ছা করলে খবরটা দেরি করেও জানাতে পারেন। অনেক মা তার প্রথম আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যানের পর সবাইকে খুশির খবরটি দিতে পছন্দ করেন।

রবিবার

১ মাসের বাচ্চা নষ্ট করার ঔষধ এর নাম কি?

 

 

 

১ মাস এর বাচ্চা নষ্ট করার ঔষধ এর নাম কি? গত ১৮-২০ দিন আগে আমি আমার স্বামীর সাথে সহবাস করেছিলামাএই মাসে আমার মাসিক এর তা্রখ ২ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে আমার মাসিক হচ্ছে না। যদি আমি পেগনেট হই তাহলে কোন ঔষধটা খাব। যা খেলে বাচ্চা হবে না এবং দুই তিন দিন এর মধ্যে মাসিক হবে ।দয়া করে ভাল ঔষধটার নাম। বলবেন।

 

উত্তর: আপনি বাজার থেকে MM Kit কিনে এনে সেটা খেয়ে দুই মাস বয়স পর্যন্ত বাচ্চা নষ্ট করতে পারবেন। ব্যবহার বিধি প্যাকেটের গায়ে লেখা আছে। তবে একটা কথা, ঔষধ সেবন করলে অনেক রক্তক্ষরণ হবে। আর রক্ত বন্ধ না হলে বিপদ হতে পারে। এজন্য অবশ্যই একজন স্থানীয় ডাঃ এর তত্ত্বাবধানে থেকে এই ঔষধ সেবন করতে হবে। একা একা সেবন করা মোটেই ঠিক নয়।

বুধবার

সহবাস কিভাবে করতে হয়?

সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।
আয়াতের অর্থ হলোঃ “যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।”

আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে সহবাস করার সময় স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উলে­খ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন। কেননা  সহবাসের সময় এতে পুংলিংগে বীর্য আটকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সহবাস করতে গিয়ে আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়।

 

 

স্বামী-স্ত্রী সহবাসে উভয়ের বীর্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বীর্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করিতে সুবিধা হয়। তা না হলে বীর্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিরে পড়লে গর্ভ সঞ্চার হয় না। সহবাস করার পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রীর দুই জনের যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়? তারপর স্বামী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। সহবাস শেষে পর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আদায় করে নিবেন।

 

 

সকল নেয়ামতের মধ্যে সবচাইতে তীব্র আনন্দের নেয়ামত স্বামী-স্ত্রীর সহবাস। স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতেই জান্নাতের সুখের কিঞ্চিত নিদর্শন পেয়ে থাকে।আল্লাহ সহবাসের আহবায়ক করেছেন পুরুষ মানুষকে। সাধারণত স্ত্রী লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকে এবং সহজাতভাবে সহবাসের জন্য তাড়িত হয় না। কেবলমাত্র যখন তার স্বামী তাকে বুকে টেনে নেয় ও নানাবিধ উপায়ে আদর-সোহাগ করতে থাকে, তখনই স্ত্রীর দেহ-মনে সহবাস করার জন্য কামনা জেগে উঠে। স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় নরম থাকে ও সহবাস কালীন যোনিগহবরে প্রবেশের উপযুক্ততা অর্জনের জন্য শক্ত হয়। এ সময় তা নরম অবস্থার চাইতে কারও ক্ষেত্রে ছোট হয়, কারও ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে, তবে অধিকাঙ্গশ ক্ষেত্রে কিঞ্চিত বর্ধিত হয়।

 

সূরা আল-আলাক্বে বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ মানুষকে একফোঁটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে এক থেকে তিন মিলিলিটার পরিমাণ বীর্যপাত হয়, যা ঘনীভূত হয়ে থাকে বলে এক ফোঁটার ন্যায় দেখায়, যা ক্বোর’আনের বর্ণনার সাথে একেবারে মিলে যায় এবং ক্বোর’আনের সত্যতা প্রমাণ করে। তবে অনেক স্বামীর বীর্যের পরিমাণ বেশি এবং এমনকি দশ-বার ফোঁটা পর্যন্ত বীর্যও সহবাসে নির্গত হতে পারে। তবে সন্তান জন্মদানে ব্যয় হবে এক ফোঁটাই, বাকি অংশ স্ত্রীর গর্ভে শুকিয়ে যাবে।সহবাসকে সার্থক ও আনন্দদায়ক করে তুলতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। স্ত্রী যদি অকার্যকর হয়ে কেবল পড়ে থাকে, স্বামীর সাথে সাথে নিজের মত করে অগ্রসর না হয়, তাহলে সেই সহবাসে স্ত্রীও আনন্দ পায় না, স্বামীও স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে এমনকি পরনারীর প্রতি আকর্ষণ পর্যন্ত এভাবেই জন্মায়। তাই সহবাস কালীন সময়ে স্ত্রীর করণীয় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা সকল নারীরই কর্তব্য।

 

সহবাস অন্তে স্বামী অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এমনকি কথা বার্তাও বলা থেকে বিরত থাকতে পারে। সহবাসের  সময় স্বামীকে মিষ্টি দুগ্ধজাতীয় কোন খাদ্য দিলে স্ত্রীর প্রতি তার মহব্বত অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়। সহবাস করার পূর্বেই এই খাবারের ব্যবস্থা রাখবে। স্বামীর গায়ে হাত বুলিয়ে দিবে। স্বামীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুম্বন করবে। প্রথম কয়েকদিনেই জেনে নিবে কোন স্থানে চুম্বন ও স্পর্শ স্বামীর পছন্দনীয়। ওই সমস্ত স্থানে অধিক মনোযোগ দিবে কিন্তু অবশিষ্ট শরীরেও সোহাগ করবে। তবে নারীসুলভ কোমলতায়। স্বামী উগ্রভাবে আদর করলেও স্ত্রীর উচিত হবে স্পর্শে কোমলতা বজায় রাখা। তবে চুম্বনে স্বামীর সাথে সমভাবে অংশগ্রহণ করবে এমনকি চুম্বনের প্রতিযোগিতা করবে।সহবাস করার সময়  স্বামীকে আদরের সময় মৃদুভাবে অণ্ডথলিতে স্পর্শ করে রাখলে স্বামী স্ত্রীর ভক্ত হয়ে যায়। তবে সাবধান থাকবে, কেননা অণ্ডোথলি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও অতি মৃদু আঘাতেও মারাত্মক যন্ত্রণা হতে পারে।

 

 

স্বামীর আনন্দ স্ত্রীর যোনিগহবরে প্রবেশের মাধ্যমে। কিন্তু স্বামী অনেক সময় জানে না যে স্ত্রীর আনন্দ সহবাসের পূর্বে আদর সোহাগে। তাই এই বিষয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে স্বামীকে খুলে বলতে হবে এবং নিজের চাহিদা স্বামীর গোচরে আনতে হবে।২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মিলন/ সহবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যাভধানে পুনরায় সহবাস করার জন্য উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এর পর বয়স যত বাড়বে মিলনে/ সহবাসে পুরুষ তত বেশি সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাভধানও বাড়তে থাকে।এক নারী কিংবা একপুরুষের সাথে বার বার মিলন করলে যৌন মিলনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মিলনে / সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত সহবাস / মিলনে একে অপরের শরীর এবং ভাললাগা/মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।