2017 at 05:40PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
2017 at 05:40PM লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার

প্রেমিকা বলে হয় অবৈধ যৌনমিলন করতে হবে, তানাহলে…

 

 

আমি একটি মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে আছি। ওকে আমি যেমন হৃদয় থেকে ভালোবাসি, ঠিক তেমনি ও নিজেও আমাকে ভালোবাসে। আগে কোনোদিন ওকে আমি হিজাব ছাড়া দেখিনি। অথচ ও নামকরা মেডিকেল কলেজে পড়ছে। ওকে আমি ওর ধর্মীয় ও নারী সচেতনতার কারণে শ্রদ্ধা করি গভীরভাবে। দীর্ঘ এই সময়ে কোনোদিন ওর কাছাকাছি বসতে পারিনি। হয়তো সামনে, না হয় এক হাত দূরে বসতে ও আমাকে বাধ্য করত। ওর সঙ্গে মাসে বা পনের দিনে একবার দেখা হতো। ফোনে কথা হতো। বেশিরভাগ সময়ই এস.এম.এস এর মাধ্যমে যোগাযোগ হতো। যা আমি আর ও বুঝত। ও আর আমি উভয়েই একটি সমস্যায় থাকতাম- যখন তখন কেউ কারো সঙ্গে কথা বলতে পারতাম না। ওর সঙ্গে কখনও রোম্যান্টিক কথা বলতে গিয়ে সামান্যতম অভদ্রতা করতে দিতো না। ওর একটিই কথা- ‘আমি তোমার প্রেমিকা হয়েছি, বৌ নয়’। যখন বৌ হব তখনের জন্য রাখো’।

 

সব ঠিকঠাকই ছিল। রমজানের দুমাস আগে থেকে দেখছি ও আমাকে বারবার উল্টা পাল্টা এস.এম.এস করে যাচ্ছে যা ওর স্বভাব বিরোধী। কারণ জিজ্ঞাসা করলে ও অস্বীকার করে, আমাকেই খারাপ ভাবে! অভিমান করে। রোজার কয়েক দিন পূর্বে ওর সঙ্গে দেখে হয়েছিল, তখন ও একদম আমার গা ঘেঁষে বসে কথা বলেছিল। ওকে কয়েক বার বলার পর এমনকি আমি নিজে সরার পরও কাজ হয়নি। হঠাৎ ঈদের দুদিন আগে বলেছে- ‘চলো ঈদে কোথাও ঘুরে আসি’। আমি প্রথমে না বললেও পরে রাজি হই। আমি জানতাম ওকে নিয়ে কাছে কোথাও কয়েক ঘণ্টা ঘুরে আসলেই চলবে। ও ঈদের রাতে কল করে বলে- ‘চল আমরা দুজন কক্সবাজার যাই! প্রথমে মনে করেছি মজা করছে, পরে দেখলাম না, ও সিরিয়াস! তখন অনেক বোঝানোর পর- জেদ করে না বলে দেয়। কিন্তু হঠাৎ করে ঈদের তিনদিন পর বলে- ‘চলো, প্রেমিক-প্রেমিকারা যা করে আমরাও তা করি’। আমি অনেক দুষ্টামি করার পর ওর কথার সারমর্ম বের করলাম- শারীরিক সম্পর্ক করা। ওকে বলি- তোমার কি মাথা নষ্ট হয়ে গিয়েছে! জানো না, এসব করার পর আমার থেকে তোমার সমস্যা বেশি হবে। তখন ও আমাকে জিজ্ঞাসা করে- ‘তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে না? করলে তার আগে করলে সমস্যা কী? সবাই তো করছে। যা করতে হবে আমি করব, তুমি শুধু নিরাপদ জায়গা খোঁজো’।

 

তখন অনেক ভাবে আমি ওকে বোঝালাম। এসবের ক্ষতি সম্পর্কে কয়েকটি ই-বুক নামিয়ে দিলাম, ও যাতে পড়ে এর ক্ষতি সম্পর্কে জানতে পারে। না, ও পড়েনি; বলেছে- হয় আমাকে বিয়ে কর, না হয় সম্পর্কের ব্রেকআপ। আমি কারণ জানতে চাইলে বলে তুমি আমাকে বিয়ে করবে না তাই আমার কথা রাখছো না। আমি বুঝতে পারছি না- কী এমন হলো! ওকে একেবারে আমার কাছে অপরিচিত মনে হচ্ছে। ওই তো আমাকে বলতো হাত না ধরেও চলা যায়, মনের মিল থাকলে হয়। তোমাকে ভালোবাসি, তাই বলে হাত ধরার অধিকার দেইনি। সেই অধিকার একমাত্র আমার স্বামীর, প্রেমিকের নয়। এমন মেয়ে কীভাবে বদলে গেল! ওর একটি বড় বোন রয়েছে অবিবাহিত। আমারও রয়েছে। ওর যেমন লেখাপড়া শেষ হয়নি, আমারও হয়নি। ওকে বলেছি তোমার ডাক্তারি পড়া শেষ হোক, আমিও নিজের ক্যারিয়ার গড়ে নিই। তোমার বোনদের বিয়ে হয়ে গেলে তোমার পালা আসবে তখন সামাজিক ভাবেও ভালো হবে। কিন্তু ও বুঝতে চায় না। হয় অবৈধ মিলন করো না হয় বিয়ে, কোনটিই না করলে সম্পর্ক ইতি টানার হুমকি! কিন্তু আমার দ্বারা কোনটিই সম্ভব নয়। অবাধ্য কাজ করতে পারব না আল্লাহর ভয়ে। আমি ওকে বিয়ে করব, কেউ কি চায় তার বৌকে নিয়ে কেউ বাজে ধারনা রাখুক। কেউ কি এটা মানতে চায় যে তার সন্তানের মা বিয়ের আগেই অবাধ্য সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। কেউ কি চায় তার প্রথম সন্তান নষ্ট হোক। না আর বলতে ইচ্ছা করছে না। বিয়ে করতে পারব না। আমার মা-বাবা ভাই বোন ও ওর-আমার উভয়ের পরিবারের কারণে।

 

আমরা যদি গোপনে বিয়ে করি, তা কয়দিন গোপন রাখতে পারব? বিয়ে করলে বাবাকে সারা জীবনের জন্য হারাতে হবে, তেমনি চলে যাবে পরিবার ও নিজেদের মানসম্মান। তাঁদের কোনো রকম ক্ষতি হোক আমি তা চাই না। আমি নিজে চলি বাবার টাকায়। এখন বিয়ে করলে ওর ডাক্তারি পড়া হয়তো আর হবে না। ও আমাকে বলে- ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না’। কোনো একটা কিছু করো, না হয় আমি শুধু তোমার জীবনই নয়, সবার জীবন থেকে হারিয়ে যাব। আমিও পারব না ওকে ছাড়া থাকতে। ওই আমার প্রথম, ওই আমার শেষ। ওকে হারিয়ে ফেলার জন্য আমি প্রেম করিনি, ওকে পাবার জন্য প্রেম করেছি। আমার আর ওর বিয়ের কথা ওঠাব কেবল সেই সময়ই যখন পরিবার অথবা সমাজ কোনটিই বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। আমাদের প্রেম সম্পর্কে ও আর আমি এবং অল্প কয়েকজন লোক জানে, তাঁরা গভীরভাবে ওকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে। আর হ্যাঁ, আমি ওর পরিবর্তনের কথা জিজ্ঞাসা করলে ও কিছুই বলে না। উল্টা আমাকে বলে স্বার্থপর। এখন আমি কী করতে পারি?

 

আপনার চিঠি পড়ে আসলেই খুব বেশি অবাক হচ্ছি ভাইয়া! কারণ এমন চিঠি এতদিন মেয়েরাই লিখেছে যে সঙ্গী শারীরিক সম্পর্কের জন্য চাপ দেয়। আপনার ক্ষেত্রে ব্যাপারটি একেবারেই উল্টো।

হ্যাঁ, আমি মানছি যে এত নির্দিষ্ট বয়সে এসে সব প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষেরই শরীরের একটা চাহিদা তৈরি হয়। কিন্তু বিয়ের আগ পর্যন্ত অনেকেই ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করা শিখে নেন। আপনার প্রামিকা যেখানে হাতও ধরতে দিতেন না, তাঁর রাতারাতি এমন পরিবর্তন আসলেই প্রচণ্ড অবাক করার মত। এটার একটাই ব্যাখ্যা হতে পারে ভাই, তিনি আগে যা দেখিয়েছেন সেই সবই নকল ছিল। আপনার চোখে ভালো সাজতেই তিনি এসব করেছেন। ভেবেছিলেন আপনি পুরুষ, আপনি নিজেই হাত বাড়াবেন তাঁর দিকে। কিন্তু আপনি যেহেতু বাড়ান নি, প্রেমিকা এখন অধৈর্য হয়ে নিজেই স্টেপ নিয়েছেন।

 

 

ভাইয়া, আমার মনে হয় পুরো বিষয়টি নিয়ে আপনার খুব ভালো করে ভাবার দরকার আছে। কারণ কেবল হিজাব পরলেই ধর্ম হয় না। যে মানুষ হিজাব করেন কিন্তু প্রেমিকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছেন, সে আসলে কতটা ধর্মপ্রাণ এইটা নিয়ে আমার বেশ সন্দেহ হচ্ছে। বিয়ে করার তো প্রশ্নি ওঠে না। আপনি বরং মেয়েটিকে সাফ জানিয়ে দিন যে এই ধরণের মেয়ের সাথে আপনি কোনভাবেই সম্পর্ক রাখবেন না, কারণ আপনার আল্লাহ আপনাকে সেই অনুমতি দেয় না। প্রেমিকা যদি সত্যিই আপনাকে ভালোবেসে থাকে, সে নিজেকে সংশোধন করে সুপথে আসবে। কিন্তু সে যদি উল্টো আপনাকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে, জানবেন যে প্রেমিকার সবই ভড়ং ছিল। সেক্ষেত্রে এমন মেয়ের সাথে সম্পর্ক না রাখাই উত্তম হবে ভাইয়া।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী
লেখক ও রন্ধনশিল্পী

 

বুধবার

স্ত্রীর সাথে সহবাসের একান্ত জরুরি ১৫টি শরয়ি কথা

 

 

 

বলা বাহুল্য যে আল্লাহরই ইচ্ছানুযায়ী মানব বংশ বিস্তার ও তার জন্য দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে স্বামীকে-স্ত্রীকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি শান্ত, নিরালা ও সুশৃঙখল পরিবেশের সৃষ্টি করতে হয় এবং এজন্য স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই যথাযথভাবে আপনাপন কর্তব্যসমূহ সাধন করতে হয়। সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে।

 

স্ত্রীর সাথে সহবাসের একান্ত জরুরি ১৫টি শরয়ি কথা

 

প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনেও।
আর স্বামী যখন স্ত্রীর উপরে থাকবে তখন স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। কাজেই স্বামী স্ত্রী সহবাস করার সময় কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। তাহলে জেনে নেই বিশেষ কিছু নিয়মগুলি-
১. সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন (স্ত্রী সহবাসের দোয়া)। তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন। তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।
২. সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করবে না। তার সাথে মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীরও তাই করা উচিৎ।
৩. স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালোবাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস।
৪. রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগে সহবাস করবে না।
৫. ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।
৬. রবিবারে সহবাস করবেন না।
৭. চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
৮. স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় বা উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না।
৯. বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর সহবাস করবেন না।

 

 

১০. জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১১. উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১২. পূর্ব-পশ্চিমদিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৩. বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।
১৪. স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।
১৫. সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না এবং নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।
গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : মাওলানা মিরাজ রহমান

 

 

মঙ্গলবার

সবকিছু জানার পরও আমার গার্লফ্রেন্ড এর খালাতো বোন আমাকে….

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে আজকের প্রশ্নঃ আমার গার্লফ্রেন্ড এর কথা খালাতো বোন জানে। তাও সে আমাকে ভালোবাসে…

সালাম নিবেন।আশা করি ভালোই আছেন। আমার আইডি টা হাইড রাখবেন প্লিজ ।
অনেক টা নিরূপায় হয়ে আপনাদের সাহায্য আশা করছি। আমি এই বছর inter first year এ পড়ি.. । আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে… কিন্তু আমার মনে হয় আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে ভালোবাসে না। আমার গার্লফ্রেন্ড ক্লাস ৮ এ পড়ে.. । আমাদের সম্পর্ক প্রায় ৮ মাস ধরে। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমাকে কোন দিন ওর হাত ধরতে দেয় নি। kiss করতে দেয় নি… কখন ও মিষ্টি করে কথাও বলে নি । আমাকে অনেক অবহেলা করে…… আমাদের সারাদিন এ মাএ একবার কথা হয়… তাও আবার মোবাইল এ sms এর মাধ্যমে… । গার্লফ্রেন্ড আমাদের সম্পর্কের কথা কাউকে জানায় নি.. মনে হয় আমাকে নিয়ে proud ফিল করে না তার।আমাকে অনেক কষ্ট দেয় ।

আবার এদিকে খালতো বোন আমাকে ভালোবাসে। আমার গার্লফ্রেন্ড এর কথা খালাতো বোন জানে। তাও সে আমাকে ভালোবাসে। আমার খালাতো বোন ক্লাস ৯ এ পড়ে।.. আমাকে সারাদিন ফোন দেয়… আমার খোজ খবর নেয়.. মোবাইল এ টাকা লোড দিয়ে দেয়। কিন্তু আমার ওকে ভালো লাগে না। আমি ওর সাথে ভালো ভাবেই কথা বলি.. আমি ওরে কখনও অবহেলা করি না। কারণ অবহেলার কষ্ট আমি বুঝি… মাঝে মাঝে মন চায় আমার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে break -up করে দেই….. কিন্তু পারি না…. মনে মনে ভাবি… একটা মেয়েকে এত কষ্ট দেওয়া ঠিক হবে না।
আমি এখন কি করবো ভাইয়া..??? প্লিজ বলেন।

আপনার ডক্টরের উত্তরঃআপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে একটা মেয়ের ৮ মাসের ভালবাসাই আপনার জীবনে সব। বাবা মা, নিজের ক্যারিয়ার , আপনার প্রতি দেশের/ সমাজের চাওয়া পাওয়া সব কিছু গৌন বিষয় !!! শোনেন ভাই, সব মানুষেরই কিছু সুপ্ত প্রতিভা থাকে। আল্লাহ সবাইকে কিছু না কিছু ক্ষমতা দিয়ে পাঠিয়েছেন। আমাদের বুঝতে হবে নিজের সেই ক্ষমতা গুলো। সেগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। চিন্তা করে দেখেন ক্রিকেটার সাকিব যদি প্রেমে পড়ে নিজের প্র্যাক্টিস/ খেলা বাদ দিয়ে বসে থাকত তবে সে আজ কোথায় থাকত !!

আমি কি বলতে চাচ্ছি সেটা ইতিমধ্যে বুঝে গেছেন আশা করব। এখন সময় আপনার ক্যারিয়ার গড়ার। নিজের প্রতিভা খুজে বের করার। প্রেম নিয়ে হিসাব নিকাশের নয় !! তবে হ্যা , কাওকে ভাল লাগতেই পারে। তাই বলে সেই ভাল লাগা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবেনা। জীবনে তারা তত বেশী সফল যারা নিজের ক্ষমতা যতো তারাতারি বুঝতে পেরেছে। আপনিও নিশ্চই চাইবেন সফল মানুষদের তালিকায় নিজের নামটা দেখতে।