April 16 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
April 16 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার

লিঙ্গের আগা মোটা গোড়া চিকন সমস্যাসহ আরো কিছু প্রশ্নের উত্তর

লিঙ্গের আগা মোটা গোড়া চিকন সমস্যা

অনেকে এই সমস্যা গুলো নিয়ে প্রশ্ন করে থাকেন মেইল বক্সে। সমাধান দেবার চেষ্টা করলাম। লজ্জা করে পোস্ট টা এরিয়ে গেলেই মিস। এই বিষয়ে আজকের লিখাই শেষ লিখা!
#. প্রশ্নঃ লিঙ্গের আগা মোটা গোড়া চিকন, কি করি?
উত্তরঃ এটা কোন রোগ না। এটার লিঙ্গের স্বাভাবিক গঠন…সো নো টেনশন।

 

একটি মানুষের লিঙ্গের আকার তার স্বাস্থ্য, বংশগতি, জাতি ইত্যাদি বিষয়ের উপরে নির্ভর করে। এটা নিয়ে অধিক চিন্তা করারও কোন দরকার নেই। যৌন মিলনে লিঙ্গের মোটা বা চিকন কোন প্রভাব ফেলে না।
#. প্রশ্নঃ হস্তমৈথুনের কারনে কি কোনসমস্যা হয় ?
উত্তরঃ হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক ক্রিয়া। জীবনের কোন না কোন সময় অনেকেই তা করে রাখে। বর্তমান বিজ্ঞানিরা হস্তমৈথুনে সমস্যা নেই বললেও এর অনেক ক্ষতিকারক নজীর রয়েছে। এর বিশেষ ক্ষতিকারক দিক মানসিক ভাবে হয়। এবং তা ধিরে ধিরে। সিগারেট খেলেই যেমন ক্যান্সার হয়ে মারা যায় না, ঠিক তেমন। তাই মনে রাখতে হবে, অতিরিক্ত কোন কিছু ভালনা। আর সাথে এটাও মনে রাখতে হবে, ইসলামে হস্তমৈথুন সম্পূর্ণ হারাম।
#. প্রশ্নঃ স্বপ্নদোষ হছে, কি করবো ?
উত্তরঃ “স্বপ্নদোষ” এই নামটাই ভুল।স্বপ্নে তো কোন দোষ হচ্ছে না,তাহলে আমরা কেন এটাকে স্বপ্নদোষ বলছি ? এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।মেয়েদের মাসিক যেমন স্বাভাবিক, ছেলেদের স্বপ্নদোষ তেমন স্বাভাবিক। মাসে ১৫ বারের বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

 

#. প্রশ্নঃ লিঙ্গ বড় করার কোন মালিশ, ওষুধ, ক্রিম, মেশিন কি আছে?
উত্তর: নাই … নাই…নাই , বাজারে যত মালিশ, ওষুধ, ক্রিম, মেশিন আছে সব ভুয়া। এরসাথে বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক নাই।

 

 

#. প্রশ্নঃ যৌন শক্তি বাড়াবো কিভাবে?
উত্তরঃ ভালো খাবার দাবার থেকেই মানুষ যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এবং গবেষকরা দেখেছেন দুধ ও ডিম এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ ছাড়াও পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মধু, খাজুর ইত্যাদি ভালো কাজ করে।
#. প্রশ্নঃ গার্লফ্রেন্ডের হাত ধরলে কিংবা বেশী আবেগি হয়ে গেলে, কিংবা ফোনালাপ হলে লিঙ্গ দিয়ে পাতলা তরল পদার্থ বের হয়। কেন?
উত্তরঃ যদি এমনি হয়, তাহলে ভাববেন আপনি সুস্থই আছেন। কেননা এটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। ভয় পাবার কিছু নাই।
#. প্রশ্নঃ আমার বীর্য পাতলা ,আমি কি বাবা হতে পারবো?
উত্তরঃ বীর্য পাতলার সাথে বাবা হওয়ার কোন সম্পর্ক নাই। বীর্যের মধ্যে শুক্রের পরিমান ও গুনগত মানের উপর নির্ভর করে আপনি বাবা হতে পারবেন কিনা। “বীর্য পাতলা” এটা কোন রোগ না। এর সাথে যৌন দুর্বলতারও কোন সম্পর্ক নাই।
যৌন মিলন আনেক্ষণ ধরেই হতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। যথেষ্ট পুরমান ফোর প্লে বা পূর্ব উত্তেজনার মাধ্যমে এক বা দুই মিনিটের মধ্যেই সঙ্গীনি কে পরিপূর্ন তৃপ্তি দিয়া সম্ভব। আর এ ক্ষেত্রে লিঙ্গের আকার কোন ফ্যাক্ট নয়।
আপনারা আমাদের পোস্ট দেখতে পান কিনা জানিনা। যদি দেখতে পান তাহলে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করে আলামাত রেখে যাইয়েন! আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।

 

 

 

 

লিঙ্গের আকার ছোট থাকলে বড় করার কোন প্রাকৄতিক উপায় আছে কি?

 

পাঠক প্রশ্নঃ লিঙ্গের আকার ছোট থাকলে বড় করার কোন প্রাকৄতিক উপায় আছে কি? থাকলে প্লীজ জানাবেন। আমার বয়স ২২, লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ৩.৪ সেমি.

 

 
ডক্টরের উত্তর: প্রথমেই বলছি লিঙ্গের আকার ছোট থাকলে লিঙ্গকে বড় করার কোন নিরাপদ প্রাকৃতিক উপায় নেই। একমাত্র উপায় সার্জারি। তবে সেটা কষ্টসাধ্য ও ব্যায়সাপেক্ষ ব্যাপার। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক বিশেষ ধরনের “পেনিস পাম্প” ব্যবহার করে উত্তেজিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য বাড়ানো যায়। তবে সেটাও নিরাপদ নয়। আপনার লিঙ্গের যে দৈর্ঘ্যের কথা আপনি উল্লেখ করেছো সেটা উত্তেজিত না অনুত্তেজিত অবস্থায় সেটা জানান নি। অনুত্তেজিত অবস্থায় ওই দৈর্ঘ্য খুবই স্বাভাবিক। উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করে দেখুন। মনে রাখবেন অনুত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্যের উপর উত্তেজিত দৈর্ঘ্য নির্ভর করে না। যৌন সঙ্গমের সময় স্ত্রী বা সঙ্গিনীকে সুখি করতে পারবে কিনা সেটা নির্ভর করে যৌন মিলনে আপনার অভিজ্ঞতা এবং যৌনসঙ্গমের পদ্ধতির উপর। স্ত্রী যোনির ভেতেরের কেবল প্রথম দুই ইঞ্চি মত স্থানেই ঘর্ষনের ফলে প্রকৃত যৌনানন্দ লাভ হয়। কাজেই উত্তেজিত অবস্থায় তোমার লিঙ্গের দৈর্ঘ্য দু ইঞ্চির বেশি হলেই তুমি তোমার সঙ্গিনীকে খুশি করতে পারেন। আরও মনে রাখবেন যে নারীদের যৌন আনন্দ লাভের পক্ষে ক্লিটোরিস খুবই সহায়ক। ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। সুতরাং অহেতুক লিঙ্গের দৈর্ঘ্য নিয়ে বিচলিত হবেন না। আর দয়া করে কোন বিজ্ঞাপন দেখে লিঙ্গের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করার ওষুধ কিনবেন না। তাতে আপনার পকেট ও শরীর দুয়েরই প্রভূত ক্ষতি হবে। প্রয়োজন হলে উপযুক্ত সেক্সোলজিস্ট বা ইউরোলজিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন। সঠিক ডাক্তরের পরামর্শ ব্যতিরেকে লিঙ্গ সংক্রান্ত কোন ঔষধ বা যন্ত্র ব্যবহার করবে না। তবে কেগেল ব্যায়াম করলে যৌন উত্তেজনার সময় লিঙ্গ অধিক শক্ত হতে পারে এবং আকারেও সামান্য বাড়তে পারে।

 

 

 

পুরুষের লিঙ্গে মধু দিলে লিঙ্গ শক্ত হয় কেন?

 

 

লিঙ্গ (ইংরেজি: Gender) হল নারীত্ব এবং পুরুষত্বের পার্থক্যকারী বৈশিষ্টসমূহের সীমারেখা| এটি জৈবিক লিঙ্গ, চারিত্রিক আচরণ, সামাজিক বৈশিষ্ট ও ভূমিকা প্রভৃতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠে|

 

পুরুষের লিঙ্গে মধু দিলে লিঙ্গ শক্ত হয় কেন?

এটা একটা পুরাতন বিষয় যে বিষয়ের সাথে মানুষ প্রতিদিনই লড়াই করে চলছে। এ প্রশ্নটি মানুষের চিন্তার সৃষ্টি এবং নানাবিধ ভয়ের ব্যপকতা বাড়াচ্ছে, যেহেতু মানুষ তাদের অপর্যাপ্ততার (কম সেক্স) সম্ভাবনা নিয়ে ভাবে।
পুরুষের লিঙ্গের আকার কত হওয়া উচিত ?
আপনার চিন্তা ধারায় এটি কঠিন একটি প্রশ্ন এবং সৌভাগ্য বশত এ সমস্যা প্রায় সময় আপনার সহপাটিদের থেকে নিজের উপলব্ধি করতে হয়।

পুরুষের লিঙ্গের সাইজঃ প্রকৃত ব্যাপার না এবং ভূল ধারনা
প্রথম কারণ। Psychology of Men and Masculinity এর প্রতিবেদন অনুসারে
৬৮ % খাড়া লিঙ্গের মধ্যে অধিকাংশ পুরুষের লিঙ্গ ৪.৬ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। ১৬ % লোকের সোজা লিঙ্গের সাইজ ৬.১ ইঞ্চি থেকে লম্বা এবং শুধু মাত্র ৬.৯ ইঞ্চি অতিক্রম করেছে.২.৫ % লোকের।এবং খাড়া লিঙ্গ মাত্র ১৬% পুরুষের ৪.৫ ইঞ্চি থেকেও ছোটো । তাদের আবার শুধু ২.৫% পুরুষের লিঙ্গ ৩.৭ ইঞ্চির নিচে।

সুতরাং এখন আপনি জানেন।

 

 

 

পুরুষের অন্ডকোষ

কিন্তু আপনি কি জানেন যে, কে লিঙ্গের সাইজ নিয়ে চিন্তিত?

আর একটি একই সেমিনারে ৫২০০০ এর ওবেশি পুরুষ এবং মহিলার অংশগ্রহণ থেকে ৪৫ % লোকের এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে তারা লিঙ্গের সাইজ নিয়ে খুশি নয় তাই তারা আরও লম্বা করতে চাই। পরিচিতদের তুলনামূলক গড়পর্তায় ১৬% পুরুষেরই লিঙ্গছোটো। এবং বৃদ্ধ পুরুষদের ক্ষেত্রে একই উপলদ্ধি পরিবর্তিত হয় না তাই এভাবে দেখাগেল একই সংখ্যক বৃদ্ধরা তাদের লিঙ্গ নিয়ে খুশি না কারণ তাদের শক্ত পুরুষের লিঙ্গের মতো সক্রিয় সোজা না। তাদের অপর্যাপ্ততার (কম সেক্স) পরিণতির বিষয় ধারনা আছে। পুরুষেরা বিশ্বাস করে যে তাদের লিঙ্গ এতো ছোট যে তারা তাদের সহপাটিদের সামনে ধোন বের করতে লজ্জা পায়। সম্ভবত সেক্স করার সময় তারা তাদের ছোটো নুনুকে বেশি লুকাই। এবং অবশেষে তাদের অসুন্দর এবং ব্যর্থ বলে বিচার করে। আন্যথায় কিছু মানুষ আছে যারা সম্ভবত খুব বড় লিঙ্গ নিয়েনিজেদের আত্মপ্রত্যয়ী এবং আকর্ষণীও বলে মনে করে। তবে মজার ব্যাপার সামগ্রিক রিপোর্ট থেকে জানা যাই যে, ৮৪ % মহিলারা তাঁদের পুরুষদের লিঙ্গের সাইজ নিয়ে আনন্দিত। তাই পুরুষের এই সমস্যাটি মহিলাদের নিকট কোন সমস্যা না বলেই বিবেচিত।
গল্প এখানেই শেষ নয়, লিঙ্গের ব্যাপার হল মহিলাদের উপর। কারণ যখন মহিলারা লিঙ্গের সাইজ(আকার) সম্পর্কে বলে তখন তারা মোটাতেই আশাবাদী লম্বাতে নয় বলে বোঝায়।
“একটা খুব লম্বা ত্বকের লিঙ্গ কখনো আরাম দায়ক নয় ছোটো লিঙ্গের মতো।” এটা বলেছেন লস এঙ্গেলস এর যৌনবিদ পাটটি ব্রিট্টন, পি এইস ডি।

 

 

 

যৌন মিলনের সময় লিঙ্গে ডিমের সাদা অংশ লাগালে কি মিলন মধুর হয়?

 

ডিম হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রানীর স্ত্রী জাতির পাড়া একটি গোলাকার বা ডিম্বাকার জিনিস যা মেমব্রেনের স্তর দ্বারা ঘিরে থাকা ডিম্বক এবং বহিরাবরণের সমন্বয়ে গঠিত হয়। বহিরাবরণের মূল কাজ হলো এর অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা ভ্রূণকে এবং ভ্রূণের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকে রক্ষা করা।

মিলনের সময় যোনীপথ যথেষ্ট পিচ্ছিল না হলে যোনীপথে ঘর্ষণজনিত কারণে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। তাই মিলনের পূর্বে যথেষ্ট পূর্বরাগ করতে হয়। যদি কোনো কারণে তবু যোনীপথ পিচ্ছিল না হয় তখন তৈলাক্ত যেকোনো জিনিস (ভ্যাসলিন, ডিমের সাদা অংশ, লোশন ইত্যাদি) লিঙ্গে মাখলে রতিক্রিয়া সহজ হয়। তবে স্পেশালভাবে ডিমের সাদা অংশ মাখলে মিলন মধুর হয় এটি ভুল ধারণা।

 

 

যৌন মিলনের সময় লিঙ্গে ডিমের সাদা অংশ লাগালে কি মিলন মধুর হয়?

তাছাড়া  পার্মেসিতে  Ky jelly নামক একই lubricant পাওয়া যায়| এটি অনেক ভালো ও জনপ্রিয়| এটি লাগালে যোনি ও লিঙ্গ পিচ্ছিল হয়

 

 

আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটে কোন প্রকার অশ্লীল আর্টিকেল দেওয়া হয় না। মূলত যৌন জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু তুলে ধরা হয়।এরপরও আপনাদের কোর প্রকার অভিযোগ থাকলে Contact Us মেনুতে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন, আমরা আপনাদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করব। ধণ্যবাদ আপনার ডক্টর হেল্থ সাইটের সাথে থাকার জন্য।

 

 

 

মাসিক কখন শুরু এবং কখন শেষ হয়?

 

 

মাসিক বা রজঃস্রাব (ইংরেজি: Menstruation) হলো উচ্চতর প্রাইমেট বর্গের স্তন্যপায়ী স্তরী- একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যা প্রজননের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতি মাসে এটি হয় বলে এটিকে বাংলায় সচরাচর মাসিক বলেও অভিহিত করা হয়। প্রজননের উদ্দেশ্যে নারীর ডিম্বাশয়ে ডিম্বস্ফোটন হয় এবং তা ফ্যালোপিয়ন টিউব দিয়ে জরায়ুতে চলে আসে এবং ৩-৪ দিন অবস্থান করে।

 

মাসিক চলাকলে যদি পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলনের মাধ্যমে নারীর জরায়ুতে শুক্র না-আসে এবং এই না-আসার কারণে যদি ডিম্ব নিষিক্ত না হয় তবে তা নষ্ট হয়ে যায় এবং জরায়ুগাত্রের অভ্যন্তরতম সরস স্তর(এন্ডমেট্রিয়াম) ভেঙ্গে পড়ে। এই ভগ্ন ঝিল্লি, সঙ্গের শ্লেষ্মা ও এর রক্ত বাহ থেকে উৎপাদিত রক্তপাত সব মিশে তৈরী তরল এবং তার সংগে এর তঞ্চিত এবং অর্ধ-তঞ্চিত মিশ্রণ কয়েক দিন ধরে লাগাতার যোনিপথে নির্গত হয়। এই ক্ষরণই রজঃস্রাব বা রক্তস্রাব বা ঋতুস্রাব। কখনো একে গর্ভস্রাব হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। যদি নারী জরায়ুতে অবমুক্ত ডিম্বটি পুরুষের স্খলিত শুক্র দ্বারা নিষিক্ত হয়ে এণ্ডোমেট্রিয়ামে প্রোথিত (ইম্প্ল্যান্টেশন) হয় তবে আর রজঃস্রাব হয় না। তাই মাসিক রজঃস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া নারীর গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

মাসিক কখন শুরু এবং কখন শেষ হয়?

নারীদের প্রজনন প্রক্রিয়ার কার্যক্রম শুরু হয় সাধারণত: ১০-১৬ বছরের মাঝামাঝি বয়সে
কোন কোন মেয়েদের ৯ বছর বয়সে, আবার কারো কারো ১৬ বা তার অধিক বয়সে প্রথম মাসিক হয়
বেশিরভাগ মেয়েদেরই ১২ বছর বয়সে পিরিয়ড শুরু হয়
যখন রজ:নিবৃত্তি বা মেনোপজ হয় তখন মহিলাদের এই পিরিয়িড স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত ৫০ বছর বা তার অধিক বয়সে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়।

 

 

 

আমার লিঙ্গের মাথার সামান্য অংশ হয়ত তার যোনিপথে ডেবে গেছিল তারপর…

 

প্রশ্নঃ আমার লিঙ্গের মাথার সামান্য অংশ হয়ত তার যোনিপথে ডেবে গেছিল। কিন্তু সমস্যা হল এই মাসের ১৮ তারিখ তার মাসিক হবার কথা কিন্তু আজকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত হল না এখন সেকি গর্ভবতী নাকি একটু বলবেন প্লিজ খুব টেনশনে আছি।

 

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভাল আছেন। আমি একটা ব্যপার নিয়ে খুব টেনশনে আছি। কষ্ট করে পড়ে দয়া করে একটু সমাধান দিবেন আশা করি। আমি আমার গার্ল ফ্রেন্ড ( প্রায় ১৫ মাস ধরে রিলেশন) এর সাথে জুলাই এর ১২ তারিখ দেখা করি। এর আগেও আমাদের অনেক দেখা হইছে কিন্তু কোনদিন সেক্স হয় নি। টাচিং, কিসিং হত। ১২ তারিখ এরকম টাচিং কিসিং করতে করতে এক পর্যায় আমি তার গোপনাজ্ঞে টাচ করি এবং আমার লিংগ সেখানে স্পর্শ করাই। ভিতরে ঢুকাই নাই। জাস্ট একটু ঘসাঘসির মত করি। আবারো বলতেছি আমি ভিতরে ঢুকাই নাই। ঘসাঘসি করতে গিয়ে আমার লিঙ্গের মাথার সামান্য অংশ হয়ত তার যোনিপথে ডেবে গেছিল কিন্তু এর বেশি না। আমার বীর্যপাত ও হয় নি স্বামীর আগে স্ত্রীর বীর্যপাত ঘটানোর উপায় জেনে নিন কিন্তু অনেক্ষন ধরে কিসিং টাচিং করার কারনে আমার লিংগ দিয়ে সাদা শ্রাবের মত ( পিচ্ছিল যেটা কিন্তু বীর্য না যেটা আদর করলে বা একটু উত্তেজিত হলে বের হয়) কিছু বের হচ্চিল। সেটা তার যোনিতে লাগতে পারে। ঘসাঘসি করার পর আমি তার সামনে বসেই বাথরুম হস্তমৈথুন করি। সুতরাং তার ভিতরে আমার বীর্য যাবার কোন সুযোগ দেখতেছি না।

 

কিন্তু সমস্যা হল এই মাসের ১৮ তারিখ তার মাসিক হবার কথা কিন্তু আজকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত হল না। এর আগে সব সময় ঠিক সময়ে মাসিক হত। একবার কয়েক বছর আগে নাকি ৮ দিন দেরি করে মাসিক হইছিল। আমার গার্ল ফ্রেন্ডের বয়স ২৩। এখন ত আমরা ভয়ে পরে গেছি। ঐ দিন যা করেছি তাতে কোন ভাবে কি বাচ্চা পেটে আসার সম্ভাবনা আছে? বীর্য বের হবার আগে সাদা যেটা লিংগ দিয়ে বের হয় সেটা ভিতরে গেলে কি বাচ্চা হয়ে যেতে পারে? প্লিজ আমাকে জানাবেন একটু খুব ভয়ে আছি ব্যাপার টা নিয়ে।

 

 

আপনার ডক্টরের উত্তরঃ উত্তেজনাকলে লিঙ্গের মাথা থেকে যে পিচ্ছিল পদার্থ বের হয় সেটি কামরস। কামরস  হলো যৌন মিলন সহজ করার জন্য বের হয়।তবে কখনো কখনো কামরসের সাথে বীর্য  বের হতে পারে। এটা হতে পারে লিঙ্গের মাথায় আগের থেকে লেগে থাকা বীর্য। এদিক থেকে বিচার করলে আপনার সঙ্গীনির যোনিতে শুক্রানু পড়ে ডিম্বানুর সাথে মিলে গর্ভধারণ হতে পারে।তবে লিঙ্গের মাথায় যদি বীর্য না লেগে থাকার ব্যাপারটা নিশ্চিত হন, তবে অাপনার সঙ্গীনির অনিয়মিত পিরিয়ডের বিষয়টাই হবে পিরিয়ড বন্ধের কারণ।

 

 

 

লিঙ্গে মধু মাখার পর তা কি ধুয়ে ফেলতে হবে?

 

 

 

লিঙ্গে মধু মাখার উপকারের কথা অনেকেউ শুনে থাকবেন। ভেষজ উপাদানের গুণের কথা কেউ না জানা না। মধুও একটি ভেষজ উপাদান কেউ মধুর কার্যকারীতার কথা অস্বীকার করতে পারবেন না।

 

প্রশ্নঃ লিঙ্গে মধু মাখার পর তা কি ধুয়ে ফেলতে হবে?

মধুতে প্রাকৃতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য লিঙ্গে মধু পুরাতন মধু লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়, বিশ্বাস না হলে ট্রাই করে দেখুন। পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন মধু দিয়ে মালিশ করলে, পুরুষাঙ্গ শক্ত,মোটা হতে পারে। আসলে লিংগ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। আপনি যদি লিংগ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদ ডেকে আনতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।

 

লিঙ্গে মধু মাখার পর তা কি ধুঁয়ে ফেলতে হবে কিনা তার উত্তর:

লিঙ্গে মধু মাখার পর তা ১০মিনিট রাখতে হবে তার পরে ধুয়ে ফেলবেন এতে আপনের লিঙ্গ হয়ে উঠবে আরো উজ্জল সুন্দর নিয়মিত মধু ব্যবহার করতে হবে।

তবে বিশেষ করে সকালবেলা লিঙ্গে মধু মাখা ভালো। আর স্নান করার সময় ধুঁয়ে ফেললেও কোন ক্ষতি নেই।

পেনিসে মধু লাগানোর সময়ে ম্যাসেজ করবেন এতে করে লিঙ্গে রক্ত সঞ্চালণ বৃদ্ধি পাবে। আর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পেলে লিঙ্গের অাকার বা পরিসর বৃদ্ধি পাবে।

 

যৌনাঙ্গ তে মুখ লাগানো সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর স্ত্রীর মুখে লিঙ্গ দেওয়া জায়েজ আছে কি? দেখুন ভিডিওসহ

 

 

প্রশ্ন ৪ঃ Sir,অনেক দিন হল আমার লিঙ্গ থেকে প্রস্রাবের পরে অতিরিক্ত বীর্য বের হয়। অনেক অষুধ খেয়েছি কাজ হয় না। ভয়ে বিয়ে করতে মন চায় না।

উঃ আপনি কি ওষুধ খেয়েছেন? কোন ডাক্তার দেখিয়েছেন? প্রস্রাবের পরে যা বের হয় সেটা যে বীর্য তা নিশ্চিত হলেন কিভাবে? আপনি কি প্রস্রাব পরীক্ষা (Urine Test) করিয়েছিলেন? আপনি একজন ভাল ইউরোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন। আপনার প্রস্রাব পরীক্ষা করলেই বোঝা যাবে আপনার সত্যিই কোন সমস্যা রয়েছে কি না। যদি সত্যিই কোন সমস্যা থাকে তবে অবশ্যই তার সমাধানও রয়েছে। কাজেই অযথা ভয় পাবেন না। ডাক্তার দেখান। হাতুড়ে কবিরাজের কাছে যাবেন না। আমাদের মনে হয়না যে বিয়ে করলে আপনার কোন সমস্যা হবে। শুভেচ্ছা রইল। আর নিচে বীর্য ঘন করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো , চাইলে পড়তে পারেন।

 

বীর্য ঘন করার উপায়
নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে এমনিতেই পুরুষের বীর্য ঘন হয়ে থাকে। যেমন প্রতিদিন দুধ, ডিম, মধু গ্রহণ করলে সাধারণত আর কোনো কিছুরই দরকার পড়ে না। অনেকে আবার সরাসরি ঔষধ খাওয়া শুরু করে দেন। তারও কোনো দরকার আছে বলে ডাক্তাররা মনে করেন না। কারণ পুরুষের বীর্য উত্পন্ন হয় সরাসরি তাদের খাবার থেকে।

 

আর যদি কিছু খেতেই মনে চায় তাহলে “শিমুল মূল চূর্ণ” এবং “শিলাজুত” প্রতিদিন ১ চামচ পরিমান সকালে পানিতে মিশিয়ে সপ্তাহ বা ১০ দিন খেতে পারেন। এতেই কাজ হয়ে যাবে। “শিলাজুত” আগের দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। এগুলো প্রাকৃতিক।ভালো কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন এবং যেসকল ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই সেই ওষুধগুরেলা বীর্য় ঘন করার জন্য খেতে পারেন। কিন্তু আমরা রোগ-ব্যাধি ছাড়া কাউকেই কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ানোর পক্ষপাতি নই। ধন্যবাদ।

 

 

 

সঙ্গমের সময় কুকুরের লিঙ্গ আটকে যায় কেন ! মানুষের কি এমন আটকে যাওয়া সম্ভব?

 

 

কুকুরের লিঙ্গের শেষ অংশে এক ধরনের বিশেষ মাংসপেশি থাকে যা কুকুরীর যোনীতে প্রবেশের সময় সংকুচিত অবস্থায় থাকে কিন্তু যখনি কুকুরের লিঙ্গ কুকুরীর যোনীতে প্রবেশ করে তখন তা স্ফিত হতে শুরু করে। একে নট (knot) বলে। নট স্ফিত হলেই কুকুরের লিঙ্গ আটকে যায়, একে বলে টাই (tie)।

 

এটি ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এটা মূলত কুকুরদের একটি অভিযোজন যার সাহায্যে কুকুরের লিঙ্গ কুকুরীর যোনীতে ততটুকু সময় পর্যন্ত থাকে যতটুকু তাদের সফল বংশবিস্তারে অপরিহার্য।সাধারণত কুকুর এবং অন্য পশুদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটলেও মানুষের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা বিরল।

 

চাকরি থেকে অবসর নিয়ে জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে চেয়েছিলেন চীনের বাসিন্দা ওই বৃদ্ধ। এক রাতে তাই যৌনকর্মীর সঙ্গে নিজের আবাসনে শরীরী খেলায় মেতেছিলেন। কিন্তু চরম অনুভূতির সময় হঠাৎ তাঁর হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে। সঙ্গমরত অবস্থায় মারা যান বৃদ্ধ। কিন্তু তাঁর পুরুষাঙ্গ শিথিল না হওয়ায় যৌনসঙ্গীর যোনির ভিতরে আটকে যায়।

যৌন মিলনের জেরে অর্গ্যাজম-এর ফলে যোনির ভিতরের পেশিগুলি কুঁচকে যায়। এর ফলে যোনিদ্বারে প্রবেশ করা পুরুষাঙ্গের ওপর অনেক সময় তা চেপে বসে। সাধারণত কুকুর এবং অন্য পশুদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটলেও মানুষের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা বিরল। এই শারীরিক জটিলতাকে চিকিত্সাের ভাষায় ‘পেনিস ক্যাপটিভাস’ বলা হয়। তবে সাধারণত এমন পরিস্থিতি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়।

চিনের ওই বৃদ্ধের ক্ষেত্রে অবশ্য জটিল শারীরিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। নিজের লিঙ্গ যৌনসঙ্গীর থেকে বিচ্ছিন্ন করার আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

শনিবার

নারী যৌনাঙ্গের আকার – কেমন হওয়া উচিত?

 

 

এলিজাবিথ গ্রিট্টা হসপিটাল, লন্ডন এর এক গবেষনায় গবেষকগন নারীর যৌনাঙ্গের যোনীদ্বার/যোনীমুখ এবং যোনীনালীর আকার নিয়ে একটি গবেষনা পরিচালনা করেন। অনেকের মনে হতে পারে যোনীমুখ এবং যোনীনালী তো একই বিষয়। তা আসলে নয়। সাধারনের দৃষ্টিতে  নারী যৌনাঙ্গের  ধরণ  একরকম হলেও ডাক্তারী ভাষায় অঙ্গ দুটি ভিন্ন। যোনীনালী হল লিঙ্গ সঞ্চালন এবং সন্তান প্রসবের পথ – পক্ষান্তরে যোনীদ্বার হল লিঙ্গ গ্রহন এবং নারীকে আনন্দদানের কেন্দ্রবিন্দু।

 

গবেষনায় তারা ৩৯ জন নারীর যোনীনালী এবং যোনী মুখের পর্দার রঙ – আকার – পুরুত্ব, জরায়ুর অবস্থান, পায়ুনালীর অবস্থান ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করেন। ফলাফলে তারা জানাতে পারেন “নারীর গোপনাঙ্গের গঠনে ব্যাক্তিবেধে বিস্তর তারতম্য রয়েছে”। এক কথায় প্রত্যেক নারীর যৌনাঙ্গের নিজস্বতা/তারতম্য রয়েছে। তারা লক্ষ্য করলেন নারীর শরীরের গঠনের সাথে তাদের গোপনাঙ্গের আকারের সাদৃশ্য রয়েছে। অর্থাৎ যে সকল নারী লম্বা এবং গঠনগত ভাবে চওড়া তাদের যোনীনালী কিছুটা দৈর্ঘ্যে বেশি। তাছাড়া গোপনাঙ্গের আকারের সঙ্গে বয়স এবং কতবার সন্তান প্রসব করেছেন তার একটি বড় প্রভাব রয়েছে।

 

গবেষকগন নারীর যোনীনালীর দৈর্ঘ্য 2 ¾ ইঞ্চি থেকে শুরু করে 5 ¾ ইঞ্চির মধ্যে পেয়েছেন। এবং প্রস্থে তা 2 থেকে 2 ½ ইঞ্চির কাছাকাছি।

শরীরের গঠন ছাড়াও অন্য গুরুত্বপুর্ন বিষয়গুলো, যেমন – বয়স এবং কত সন্তান প্রসব করেছেন তার সংখ্যার উপর যোনীনালীর পেশীর পুরুত্বের পরিবর্তন লক্ষনীয়। যাদের দুর্বল পেশী তাদের পেশীর পুরুত্ব ½ হতে পারে একই সময় স্বাস্থ্যবান নারীর যোনীপথের পেশী 2 ইঞ্চি কিংবা তারও বেশি পুরুত্বের হতে পারে।

 

একজন নারী তার যোনাঙ্গের অবস্থানের পরিবর্তন করতে না পারলেও সঠিক প্লাভিক ব্যায়াম এর মাধ্যমে যৌনাঙ্গের ঢিলে ভাব দুর করা সহ যোনী পেশীর শক্তি বৃদ্ধি করতে পারেন। কিগ্যাল ব্যায়াম এর মাধ্যমে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ লাভবান হতে পারেন। এতে করে মিলনে তার পুর্ন-তৃপ্তির মাত্রা বাড়ানোও সম্ভব।

পুরুষের তুলনায় নারীরা এ ক্ষেত্রে ভাগ্যবতী। পুরুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোন ভাল ফলাফল পায়না। পক্ষান্তরে মাত্র কয়েক সপ্তাহের প্লাভিক ব্যায়াম এর মাধ্যমে তার যৌনাঙ্গকে টাইট করতে পারেন।

 

 

 

যৌন দুর্বলতার ঔষধ সমূহের নাম জেনে নিন

 

 

হোমিও ডাক্তারদের কাছে যৌন দুবর্লতার যত রোগী যান, তাদের প্রত্যেকেই বলেন যে, এলোপ্যাথিক বা কবিরাজি চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারের উপকার পান নাই। (যতদিন ঔষধ খাই ততদিনই ভাল থাকি ; ঔষধ বন্ধ করলেই অবস্থা আগের মতো।) অন্যদিকে মহিলাদেরও যৌন দুরবলতা, যৌনকর্মে ‍অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে তারও চমৎকার চিকিৎসা আছে।

 

আবার নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত থাকতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিবাহ করতে না পারার কারণে অথবা অকালে স্ত্রীর মৃত্যু-তালাক-বিধবা হওয়ার কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারেন না এবং এই সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন। এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে কিছুদিনের জন্য যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে আপনার শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই।

লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন। লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই, অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দুর্বলতা ইত্যাদি ইত্যাদি।

Selenium:
যৌন শক্তির দুর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে।

Agnus Castus:
সাধারণত গনোরিয়া রোগের পরে যৌন দুর্বলতা দেখা দিলে এটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ ছোট এবং নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।

Caladium seguinum:
যারা যৌনমিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীরয নির্গত হয় না বা যাদের বীরয তাড়াতাড়ি নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে দুবর্ল হয়ে পড়েছেন, তাদের জন্য কার্যকরী।

Origanum marjorana:
ওরিগ্যানাম ঔষধটি পুরুষ এবং নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। তবে এটি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত কেননা উচ্চশক্তিতে কোন ফল পাওয়া যায় না।

Moschus Moschiferus:
ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গে এটি ভালো কাজ করে। এটি ক্ষুদ্রাকৃতি হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

Staphisagria:
পুরুষদের যৌন দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য। বিয়ের প্রথম কিছুদিনে মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।

 

 

Salix nigra:
মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা। এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে, এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে সাহায্য করে।

Sabal serrulata:
সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি পায়। এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে। বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যে-কোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে।

Conium:
স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অধিক কিন্তু অক্ষম।সহবাস কালে সোহাগ আলিঙ্গনের সময় লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে।

Calcarea Carbonica:
ক্যালকেরিয়া কার্ব যৌনশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। বিশেষত মোটা, থলথলে স্বাস্থ্যের অধিকারী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।

Natrum carbonicum:
যে-সব নারীদের পুরুষরা আলিঙ্গন করলেই বীযর্পাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের তৃপ্তি ঘটে যায় এবং পরে আর সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য উৎকৃষ্ট ঔষধ হলো নেট্রাম কার্ব। এই কারণে যদি তাদের সন্তানাদি না হয় (অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়), তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাবে।

Nux Vomica:
নাক্স ভমিকা ঔষধটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ বিশেষত যারা শীতকাতর, যাদের পেটের সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকে, শারীরিক পরিশ্রম কম করে, মানসিক পরিশ্রম বেশী করে ইত্যাদি ইত্যাদি।

Titanium:
সঙ্গমে অতি শীঘ্রই বীর্যপাত ও বীর্যপাতলা।

Phosphoricum Acidum:
সাধারণত টাইফয়েড বা এরকম কোন মারাত্মক রোগের ভোগার কারণে, মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গেলে অথবা একেবারে নষ্ট হয়ে গেলে (এবং সাথে অন্য আরো যে-কোন সমস্যা হউক না কেন) এসিড ফস আপনাকে সব ফিরিয়ে দিবে।

Kali Bromatum:
বিষন্নতা জনিত কারণে যৌন দুর্বলতায় এটি প্রযোজ্য। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণগুলি হলো স্মরণশক্তির দুর্বলতা, স্মায়বিক দুর্বলতা, হাত দুটি সর্বদাই ব্যস্ত থাকে, মৃগী ইত্যাদি ইত্যাদি।
বায়োকেমিক
Natrum Mur:
স্ত্রী লোক দেখিলে কথা বলিলে এমন কি মনে মনে ভাবিলেও অসাড়ে বীর্যপাত হয়ে যায়।

Kali Phos:
অতিরিক্ত বীর্যক্ষয় জনিত অনিদ্রা,কাজ কর্মে অনিচ্ছা,জননেন্দ্রিয় দুর্বলতা।

Silicea:
স্বপ্নদোষ,হস্তমৈথুন,অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাস ইত্যাদি কুফল এর জন্য।

আপনি যদি যৌনদুর্বলতা থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এইসব ঔষুধ সেবন করবেন, নাহলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়ে মারাও যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে আমরা দায়ী নয়।

 

 

আপনি কি যৌন মিলন করার আগে ও পরে এগুলো করেছে? তবে আপনার সামনে মহাবিপদ

 

 

 

গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, আপনি আপনার জীবনের সেরা যৌন মিলন এর সুখ পেতে পারেন বছর চল্লিশের কোঠায়৷ কারণ যৌন মিলন এর পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে আপনি সমস্ত রকম ভুল ত্রুটি সংশোধন করে, এই বয়সে পরিণত হয়ে ওঠেন৷ তাই সেরা সময় এই পর্বেই উঠে আসে বলে মনে করা হয়৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও গাফিলতির কারণে অনেকসময় কিছু ছোটখাটো ভুল হয়ে যায়, যা পরে সাংঘাতিক বিপদ ডেকে আনে৷ জেনে নিন কি কি সেই ভুল, আর হন বিপদমুক্ত৷

 

১) যৌন মিলন করার পরেই প্রস্রাবের প্রবণতা থাকে অনেকের মধ্যে৷ গোপনাঙ্গে সংক্রমণজনিত রোগকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্যই মূত্রত্যাগ করেন অনেকে৷ কিন্তু আপনাদের জানিয়ে রাখা ভালো, তাড়াহুড়ো করে বাথরুমে যাবেন না, প্রস্রাব না পাওয়া পর্যন্ত৷ কারণ জোর করে এই কাজ করে এই সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়ার যে চেষ্টা আপনি করছেন, তা কিন্তু আসলে একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা, এমনটাই জানিয়েছেন, হাউসটনের এক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক, জেনিফার বাম্প৷

২) তাড়াহুড়ো করে ওয়াইনের বোতল শেষ করবেন না৷ ওয়াইন নিঃসন্দেহে আপনার যৌন মিলন এর পরিবেশ, মেজাজ তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু অতিরিক্ত ওয়াইন খেলে, বা তাড়াহুড়ো করে তা খেয়ে, এই মিলনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে চাইলে, তা যে আপনারই ক্ষতি ডেকে আনবে তা কি জানেন? এরকম কাজ করলে, আপনি চরম মুহুর্তের আনন্দ কিন্তু উপভোগ করতে পারবেন না৷ তাই সাবধান!

৩) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কি খাবেন না মিলনের আগে৷ একেবারেই ভরপেট কখনোই খাবেন না৷ ভালো ভালো খাবার, শাক সব্জি, ফলমূল খেয়ে যদি ভাবেন ভালো করলেন, তাহলে জানিয়ে রাখি, তা কিন্তু আপনার মিলনের আগ্রহে ভাটা আনতে পারে৷ বরঞ্চ খেতে পারেন হালকা কোনো চকোলেট, যা আপনার আকাঙ্খা বা মুড তৈরি করতে সাহায্য করবে৷

 

৪) সেক্স-টয় সম্পর্কে জানেন না, এরকম হয়তো খুব কম মানুষই রয়েছেন৷ তব যাঁরা এসব ব্যহার করেন, তাঁরা কিন্তু ভালোভাবে পরিষ্কার করে তুলে রাখুন এসব সেক্স-টয়৷ ব্যবহারের পর কখনোই ওই অবস্থায় ফেলে রেখে দেবেন না এসব৷ নাহলে, সংক্রামক রোগ বেধে যেতে পারে পরবর্তী সময়ে ব্যবহারের সময়৷

৫) যৌন মিলন করার সময় অনেকেই মেন্থল দেওয়া পিচ্ছিলকারক পদার্থ ব্যবহার করেন৷ এটি কিন্তু আপনার পরোক্ষভাবে ক্ষতিই করে৷ বিশেষত মেনোপজের বয়সে মহিলারা এই সমস্যায় পড়েন অনেক সময়৷ তবে মেন্থল ছাড়া ওয়াটার বেসড লুব্রিক্যান্টস এই সমস্যা দূর করতে পারে বলে জানা যায়৷

তবে যে যাই বলুক, আপনার ব্যক্তিগত মুহুর্ত কিভাবে সাজিয়ে তুলবেন তা কিন্তু একেবারেই আপনার বিষয়৷