March 19 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
March 19 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার

মন ভালো করার উপায়

 

ডায়েট বা ব্যায়াম স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জরুরি। এর থেকেও জরুরি সুখী থাকা।মাঝে মাঝে আমাদের জীবনে এমণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যখন মন খুব বেশি খারাপ থাকে।কিন্তু মন খারাপ করে রাখতে তো কেউই চায় না। সবাই চায় মনটাকে ফুরফুরে রাখতে।মন খারাপ হলে মন ভালো করার আছে বেশ কিছু সহজ উপায়।সে সব বিসয়ে আপনাদের জানাতে অাপনার ডক্টরের আজকের এই পোস্ট।

১। বেশি কিছু চিন্তা না করে বেরিয়ে পড়ুন। যেদিকে দুচোখ যায় হাঁটা দিন। বাসার আশে পাশে এমন কোন জায়গায় ঢুকে পড়তে পারেন যেখানে হয়ত আগে যাননি, বা কম যাওয়া হয়। তবে এই গরমে হাঁটার জন্য ভোর অথবা বিকেল বেলাটাই ভাল। হঠাৎ পরিকল্পনা ছাড়া এরকম হাঁটা আপনার খারাপ মুড ভাল করে দিতে পারে।

২। হাঁটতে ইচ্ছে না করলে সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। ব্যস্ত রাস্তা এড়িয়ে কোলাহল মুক্ত নিরিবিলি রাস্তায় প্রশান্তি নিয়ে কিছুক্ষন প্যাডেল মারুন। নিমিষেই ফুরফুরে হয়ে যাবেন।

৩। হুট করে একটু বাইরে ঘুরতে যেতে পারেন। মন ভাল করার জন্যে বেড়ানোর ওপরে কিছু হতে পারে না। পাহাড়, সমুদ্র, সবুজ, নদী যেমনটা ভালো লাগে চলে যান। মন ভালো হবেই।

৪। পছন্দের গান শুনুন। কানে হেডফোন লাগিয়ে ভলিউম একটু বাড়িয়ে দিন। যেন আশেপাশের শব্দ কানে আর না আসে। এবার ঢুকে যান মিউজিকের ভেতর। তবে বিরহের গান নয়, একটু আপবিট কিছু হলে ভাল। মনটা চাঙ্গা করতে হবেতো!

৫। পছন্দের খাবারটি বাসায় বসে নিজেই বানিয়ে নিন। কখনও রান্না করেননি তো কি হয়েছে। এইবার চেষ্টা করে দেখুন!ইন্টারনেটে প্রিয় খাবারের রেসিপি শিখে আপনার রান্নার হাতটা কেমন একবার দেখেই নিলেন না হয়। সেটা হতে পারে কাচ্চি বিরিয়ানি, তেহারি, পিৎজা কিংবা পাস্তা। স্বাদ যাই হোক রান্না করার অভিজ্ঞতাই মনটাকে হালকা করবে। কারও জন্যে রান্না একেবারে থেরাপির মত!

৬। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একত্রিত হোন, পাশাপাশি কিছু বন্ধুকে দাওয়াত করুন। এরপর সবাই মিলে মজাদার কোনো খেলা খেলুন। ভালো বন্ধুদের সঙ্গ আপনার সময়গুলোকে আনন্দে ভরিয়ে তুলতে সাহায্য করবে।

৭। হয়তো হাসার মতো পরিস্থিতি নেই, তবু চেষ্টা করুন হাসার। হাসি কখনো কখনো চাপ কমাতে সাহায্য করে, মেজাজ ভালো রাখে, বিষণ্ণতাকেও দূরে রাখে। তাই হাসুন।

৮। ভাবুন সব ঠিক হয়ে যাবে। যদিও খুব চাপের সময় এই ভাবনাটি সহজেই আসবে না, তবু ভাবুন ‌সব ঠিক হবে।

আমার পেনিসের গোড়া শক্ত হয় কিন্তু আগা শক্ত হয়না কেন?

 

আমাদের ফেসবুক পেজে একজন প্রশ্ন করেছেন ঃ আমার পেনিসের গোরা শক্ত হয় কিন্তু আগা শক্ত হয়না কেন ? সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আজকের পোষ্ট।

 

আপনার ডক্টরের উত্তরঃ  পেনিসের গোড়া  যে পরিমাণ শক্ত হয়, সেই পরিমাণ আগা শক্ত হবেনা, এটা স্বাভাবিক। পেনিসের গোড়ার দিকে রগ টিস্যুকলার পরিমাণ বেশি সেই অনুযায়ী আগার দিকে কম, সেখানটা মাংশ পেশি আছে।

আমার স্বামীর পেনিস ৮ ইঞ্চি,এতো বড় পেনিস আমি নিতে পারছি না,অজ্ঞান হয়ে যাই, আমার কি করা উচিত?

 

প্রতিদিনই আপনার ডক্টর অনলাইন বাংলা স্বাস্থ্য টিপস পোর্টালের ফেসবুক ফ্যানপেজে অনেক ম্যাসেজ আসে। সব ম্যাসেজর উত্তর দেওয়া সম্ভব হয় না।তাই পাঠকদের কাছে প্রশ্নটির বিস্তারিত তুলে ধরা হয় (প্রশ্নকারীর নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে)। আপনি ও আপনার সমস্যার কথা লিখতে পারেন অামদের ফেসবুক ফ্যানপেজে আজকের প্রশ্নঃ  আমার ৯ দিন আগে বিয়ে হয়েছে। বাট আমার স্বামী এর পেনিস অনেক বড় আকৃতির। আমার মনে হয় ৭-৮ ইঞ্চি হবে। এতো বড় পেনিস আমি নিতে পারতেছি না। সত্ত্বেও আমার স্বামী জোড়াজুড়ি করে কয়েক মিলন করেছে। মিলনের সময় আমার কোনো হুঁশ ছিলনা। আর এটা কাউকে বলতেও পারছিনা। এখন আমি কি করতে পারি। একটা উপায় বলে দিলে ধন্য হবো।

উত্তর : প্রথমে মিলনের ক্ষেত্রে সকল পুরুষেরই খেয়াল রাখা উচিৎ যে, রতিক্রিয়া যেন তাঁর সঙ্গিনী কষ্ট না পায়। এর জন্য পুরুষদের কর্তব্য হচ্ছে খুব সতর্কতার সাথে ইন্দ্রিয় / পেনিস সঞ্চালন করা। পেনিসের স্বাভাবিক আকার হচ্ছে ৫ বা ৬ ইঞ্চি। এর চেয়ে ছোট পুরুষাঙ্গ হলে তাতে কোনো সমস্যা নেই বরং এতে নারীর কোনো কষ্ট হয় না। কিন্তু পেনিস যদি বড় হয় তাহলে এক্ষেত্রে নারীর কষ্ট হয় রতিক্রিয়া করতে। স্বাভাবিক পুরুষাঙ্গ দ্বারাও কিছু দিন কষ্ট হয় পরে নারীর যোনিনালী প্রসরতা বৃদ্ধি পেলে সেটা আর থাকে। কিন্তু পুরুষাঙ্গ যদি বড় হয় সেক্ষেত্রে রতিক্রিয়া করার সময় স্বামীকে অবশ্যই স্ত্রীর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্বামীর করণীয় হচ্ছে তাঁর স্ত্রীকে ভালোভাবে উত্তেজিত করে নেওয়া। স্ত্রীর যখন যথেষ্ঠ উত্তেজিত হবে তখন তাঁর যোনি পথে এক ধরণের পিচ্ছিল পানি বের হবে যাকে যৌন রস বলে। এই যৌন রস বের হয়ে স্ত্রীর যোনিকে পিচ্ছিল করে দেয়। যার কারণে লিঙ্গ অনায়াসে যোনি পথে আসা যাওয়া করতে পারে। সেক্ষেত্রে নারীর কষ্ট হয় না। প্রথম মিলন কালে স্ত্রীকে ভালো করে উত্তেজিত করে নিলে প্রথম মিলনে কষ্ট হলে স্ত্রীর কম বোধ পায়। কেননা সে উত্তেজনা বশে থাকে। যোনিতে পেনিস প্রবেশের পূর্বে লিঙ্গের অগ্রভাগে হালকা থু থু লাগালে পিচ্ছিলতা আসবে।

আবার জেলও ব্যবহার করা যেতে পারে। বাজারে কসমেটিক্স দোকানে পাওয়া যায়। যাদের পেনিস বড় সেসব স্বামীদের করণীয় হচ্ছে মিলনের পূর্বে স্ত্রীকে তো ভালভাবে উত্তেজিত করবেই, এবং তাঁর সাথে স্ত্রীর যোনি লিঙ্গ আস্তে ধীরে প্রবেশ করাবে যাতে সে কম ব্যথা অনুভব করে। এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর যোনিতে লিঙ্গ / পেনিস ৩ ইঞ্চি অথবা স্ত্রী যতটুকু সায় দেয় ততটুকু পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে। এক্ষেত্রে কিছু আসন গ্রহণ করা যেতে, যেমন স্ত্রী চিৎ হয়ে শুয়ে থাকবে, আর স্বামী হাটু গেড়ে বসে যোনিতে লিঙ্গ / পেনিস প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে। অথবা স্ত্রী পাছা উপরের দিকে দিয়ে খাটে শুয়ে থাকবে এবং স্বামী হাটু গেড়ে বসে যোনিতে পুরুষাঙ্গ / পেনিস প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে। এখানে আরেকটি আসন আছে, স্বামী নিচে শুয়ে থাকবে এবং স্ত্রী উপরে উঠে বসে নিজের সুবিধা মতো সঙ্গম চালিয়ে যেতে থাকবে। স্বামীকে অবশ্যই স্ত্রীর যোনি চাহিদার উপর গুরুত্ব দিতে হবে, স্ত্রীর যাতে তাঁর দ্বারা কোনো কষ্ট না পায় সেটাও স্বামীকে খেয়াল করতে হবে। যে আসনেই সঙ্গম করেন না কেনো স্বামীকে সঙ্গম চলা কালে স্ত্রীর মতামত জানতে হবে, তাঁর কাছে কেমন লাগতেছে, সে ব্যথা অনুভব করতেছে কিনা ।
বামীর বীর্যপাতের পূর্বে স্ত্রীর কাছে জানতে হবে তাঁর খায়েশ মিটছে কিনা। যদি স্ত্রীর খায়েশ না মেটেই স্বামীর বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে স্ত্রীরদের মনে বিষন্নতা তৈরি হয়, তাঁর মেজাজ হয়ে যায় খিটখেটে, মনে একধরণের অশান্তি অনুভব করে। যার কারণে সংসারে অশান্তি নেমে আছে। আর এটা হয় স্বামীদের যৌন মিলনে স্ত্রীদের প্রতি অসদাচারণ করার ফলে। যেমন, এই আপুর প্রতিও অসদাচারণ হচ্ছে। প্রত্যেক স্বামী কে বুঝতে হবে আমি যেরকম মানুষ, আমার স্ত্রীও একজন মানুষ। প্রত্যেক স্বামীকে এটা বুঝতে হবে, আমি আমার স্ত্রীর সাথে যা করতেছি, আমি যদি আমার স্ত্রীর জায়গায় হতাম এবং আমার স্ত্রী যদি আমার জায়গায় হতো, তাহলে সে আমার প্রতি এরকম অসদাচারণ করলে আমার কাছে কেমন লাগতো? নিশ্চয় খারাপ লাগতো।
স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি অসদাচরণ করে তাহলে স্ত্রীর মনে স্বামীর প্রতি ভালবাসা মায়া মহব্বত বাড়ে না বরং দিনে দিনে তা কমে যায়। যার কারনে স্ত্রী পরপুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। আর এজন্যই মহানবী (সা.) বলেছেন, স্বামী কেমন ভালো তাঁর স্ত্রীর ভালো বলতে পারবে। স্বামী যদি সারা দুনিয়ার মানুষের সাথে ফেরেশতার মত আচরণ করে ঘরে এসে স্ত্রীর প্রতি অসদাচারণ করে তাহলে এ ভালো আচরণের আল্লাহর কাছে দাম নেই। সারা দুনিয়ার মানুষ যদি স্বামীকে খারাপ বলে, আর স্ত্রী যদি স্বামীকে ভালো বলে, তা হলে আল্লাহ বলবেন আমি তোর স্ত্রীর কথাই গ্রহণ করে নিলাম। স্ত্রী যদি বলে আমার স্বামী ভালো ছিল, আল্লাহ বলবেন যা আমি তোকে জান্নাত দান করলাম এবং স্বামী যদি বলে আমার স্ত্রী ভালো ছিল তাহলে আল্লাহ বলবেন যা আমি তোকে জান্নাত দান করলাম। এজন্য মহানবী (সা.) বলেছেন, সে ব্যক্তি সর্বোত্তম যার দ্বারা তাঁর পরিবার কষ্ট পায় না। প্রত্যেক পুরুষকেই একজন আদর্শ স্বামী হওয়ার প্রয়োজন। এবং প্রত্যেক নারীকেই একজন আদর্শ রমণী হওয়ার প্রয়োজন। আরো পড়তে পারেন স্বামী-স্ত্রীর সুন্দর জীবন। যৌন জ্ঞান অর্জন করতে পড়ুন, নারী-পুরুষের গোপন কথা বই টি।

পুকুরে হঠাৎ বিশাল গর্ত, ২৫ টন মাছ গায়েব!

 

বিশাল পুকুরের পানি হঠাৎ করেই কমতে শুরু করল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পুরো পুকুরের পানিই উধাও। দেখা গেল পুকুরের মাঝ বরাবর বিশাল এক গর্ত। এদিকে পুকুরটিতে মাছের চাষ করা কৃষকের মাথায় হাত। কারণ গর্তের পানির সঙ্গে গায়েব হয়েছে চাষের ২৫ টন মাছ!

ঘটনাটি ঘটেছে চীনের গুয়াংজি প্রদেশের গুইপিং অঞ্চলে। সংবাদমাধ্যম দি ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, গুইপিং অঞ্চলের মাছ চাষের বড় এক পুকুরে গর্তটি পাঁচ মিটার চওড়া। একে মাটির মধ্যে ফাটল বলে চিহ্নিত করেন স্থানীয় কৃষকরা। তাঁরা মনে করেন, আশপাশের অঞ্চল থেকে পাথর উত্তোলনের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।

চীনের সংবাদমাধ্যম পিপলস ডেইলি জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে ভোর ৪টার দিকে পুকুরে ফাটল দেখা দেয়। মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে সকাল ৯টার মধ্যেই পুকুর প্রায় শুকিয়ে যায়। স্থানীয় একটি সমবায়ের মাধ্যমে পুকুরটিতে মাছ চাষ করেছিলেন স্থানীয় কৃষক ইয়াং। গর্তের কারণে পুকুরের ২৫ টন মাছ হারানো গেছে বলে দাবি তাঁর।

জানা গেছে, পুকুরে গর্ত দেখা দেওয়া এবং মাছ চাষের ক্ষতির ঘটনার তদন্তে স্থানীয় এলাকা থেকে পাথর সংগ্রহকে দায়ী করা হয়েছে। পাথর উত্তোলনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। চীনের এক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশটির ৩০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

স্টার জলসা দেখা নিয়ে স্বামী খুন, স্ত্রীর যাবজ্জীবন

 

গাজীপুরে টেলিভিশনে স্টার জলসা চ্যানেল দেখা নিয়ে স্বামীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে তাঁর স্ত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

আজ বুধবার দুপুরে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডাদেশ পাওয়া আসামির নাম নাহিদা আকন্দ ওরফে রীপা। তাঁর গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার পশ্চিম চালাকচর গ্রামে। তিনি গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া এলাকার সোহরাব হোসেনের স্ত্রী।

গাজীপুর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. হারিছ উদ্দিন আহমদ জানান, সোহরাব-রীপা দম্পতি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তেলীপাড়া এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। গত বছরের ৪ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে রীপা টিভিতে স্টার জলসা দেখছিলেন। বাসায় ফিরে সোহরাব স্ত্রীকে স্টার জলসা দেখতে বারণ করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে রীপা স্বামী সোহরাবকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে এ ঘটনায় নিহত সোহরাবের বাবা শাহজাহান জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এ আর এম আল মামুন তদন্ত শেষে রীপার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। শুনানি শেষে আজ দুপুরে আদালত রীপার বিরুদ্ধে ওই রায় দেন।

রসুনের আশ্চর্য সাত স্বাস্থ্যকর গুণ

 

রান্নায় অনন্য স্বাদ যুক্ত করে রসুন। শত্তিশালী সুঘ্রাণের কারণে সবজি, মাংস থেকে শুরু করে কাচ্চি, কারি রান্না রসুন ছাড়া চিন্তাই করা যায় না।  উপমহাদেশের রান্নায় দীর্ঘদিন ধরেই রসুন ব্যবহার হচ্ছে। আর বহির্বিশ্বে এর পরিচিতি কম নয়। রসুনকে অনেকেই বলে থাকেন ‘পাওয়ার হাউস অব মেডিসিন অ্যান্ড ফ্লেভার’। কারণ কাঁচা বা সিদ্ধ রসুন কোয়া সেবনে শরীর সুস্থ থাকে। আর নিয়মিত সেবনে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ভারত উপমহাদেশে আদিকাল থেকেই বিভিন্ন রোগে কাঁচা রসুন সেবনের প্রচলন আছে। এ ছাড়া আরো অনেক কাজে রসুন ব্যবহার হয়। অনেক সংস্কৃতিতেই এখনো রসুনের ব্যবহার বেশ প্রচলিত। আমাদের পূর্বপুরুষরা পোকা দমণে রসুন ব্যবহার করেছেন, তেমনি মধ্যযুগে ইউরোপবাসী এটি ব্যবহার করেছেন প্লেগ দমনে।

রসুনে আছে সালভারভিত্তিক যৌগ অ্যালিসিন, যা অনেক রোগ নিরাময়ে কাজ করে। কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়ায় শরীরে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাশ প্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হয়। অনেকের দাবি, রসুন নিয়মিত সেবনে অনেক ক্যানসার প্রতিরোধ হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী রসুনের সাতটি ব্যবহার এবং এর ফলে স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়ে জানানো হলো।

রক্ত পরিষ্কার রাখে 
প্রতিদিন সকালে রসুনের দুটি কোয়া ও এক গ্লাস পরিমাণ গরম পানি সেবন করতে হবে। আর দিনে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। এতে রক্ত পরিষ্কার হবে এবং ত্বক ভালো থাকবে। আর ওজন কিছুটা কমাতে চাইলে সকালে রসুনের সঙ্গে পান করা গরম পানিতে কিছুটা লেবুর রস দিতে হবে।

ঠান্ডা ও জ্বরে 
প্রায়ই ঠান্ডা ও জ্বরে পড়েন এমন ব্যক্তিদের জন্য রসুন হতে পারে এক মহৌষধ। শরীর থেকে জ্বর আর ঠান্ডা দূর করতে প্রতিদিন দু-তিন কোয়া রসুন কাঁচা খেতে হবে। এ ছাড়া রান্না করা বা চায়ের সঙ্গেও রসুন খাওয়া যায়। আর রসুনের গন্ধ খারাপ লাগলে এর সঙ্গে আদা ও মধু মিশিয়ে নেওয়া যায়। এভাবে নিয়মিত সেবনে ঠান্ডা ও জ্বর শুধু সাময়িক দূর হবে না বরং শরীরে এগুলোর প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়বে।

হৃদরোগ থেকে বাঁচতে 
প্রতিদিন রসুনের কয়েকটি কোয়া কাঁচা বা আধা সিদ্ধ করে সেবনে কেলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে। আর রক্তচাপ ও রক্তে চিনির মাত্রা ঠিক রাখতেও রসুন কাজ করে। রসুনের মধ্যে থাকা সালফার-ভিত্তিক যৌগ অ্যালিসিন মূলত স্বাস্থ্যে এই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, রসুন কাঁচা সেবন সবচেয়ে ভালো। সিদ্ধ করা হলে অ্যালিসিনের ঔষধি গুণ কমতে থাকে।

ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুঘটিত রোগ প্রতিরোধে 
ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুঘটিত রোগ প্রতিরোধে হাজার বছর ধরেই রসুন ব্যবহৃত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের কৃমি দূর করতে রসুনের নির্যাস ভালো কাজ করে। রসুনের নির্যাস থেকে ‘মাউথ ওয়াশ’ (মুখের ভেতর পরিষ্কারের তরল) তৈরি করা যায়। এটি নিয়মিত ব্যবহারে মাড়িতে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার বন্ধ হয়।

ক্যানসার প্রতিরোধে 
প্রতিদিন নিয়মিত কাঁচা ও রান্না রসুন সেবনের মাধ্যমে পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করা যায়। বেশ কয়েকটি গবেষণায় এই দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত রসুন সেবনে শরীরে সব ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়।

ত্বক ও চুলের যত্নে 
নিয়মিত রসুন সেবনে ত্বক সুন্দর হয় ও বয়সের ছাপ দূর হয়। এ ছাড়া ফাঙ্গাশ ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে ত্বক সুরক্ষায় নিয়মিত রসুন সেবন করতে হবে। আর চুল পড়া বন্ধ ও নতুন চুল গজাতে রসুন ভালো কাজ করে। এই উপকার পেতে মাথায় নিয়মিত রসুনের নির্যাস বা রসুন সমৃদ্ধ তেল ব্যবহার করতে হবে।

কাটা সারিয়ে তুলতে 
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রসুনের অনেক ব্যবহার বিস্মৃত হয়ে গেছে, যার একটি হলো কাটা সারিয়ে তোলা। কাঠ বা বাঁশে ছোট টুকরো শরীরে কোথাও ঢুকে গেলে তা বের করে সেখানে রসুনের কোয়া কেটে লাগিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে শরীরের ওই অংশে ব্যান্ডেজ করে দিতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই সেরে উঠবে ওই কাটা।

রসুন ব্যবহারে সাবধানতা 
হাঁপানি রোগী বা শ্বাসকষ্ট আছে এমন ব্যক্তিরা রসুন ব্যবহারে সাবধান থাকুন। অনেক ক্ষেত্রেই রসুন ব্যবহারে এমন রোগীদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অপারেশনের আগে রসুন সেবন বন্ধ রাখতে হবে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দিনে দু-তিনটির বেশি রসুনের কোয়া খাওয়া যাবে না।

যেমন বাবা, তেমন মেয়ে!

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয় আর সাকিব আল হাসানের স্যালুট। দুটো জন্য সমার্থক হয়ে গেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসগড়া এই জয়ের কথা আসলেই মনে পড়ে যাবে সাকিবের সেই স্যালুট। বাংলাদেশের অনেক ক্রিকেট সমর্থকও জয় উদযাপন করেছেন সাকিবের মতো করে স্যালুট দিয়ে। বাদ যায়নি সাকিবের মেয়েও। বাবার মতো স্যালুট দিতে দেখা গেছে সাকিবের এক বছর বয়সী মেয়েকেও। ফেসবুকে সেই ছবিটি প্রকাশ করেছেন সাকিবের স্ত্রী উম্মে আল হাসান।

গতকাল রোববার ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের জয়ের পথে সর্বশেষ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বেন স্টোকস। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে স্টোকসকে বোল্ড করে দলের জয় নিশ্চিত করে ফেলেছিলেন সাকিব। বোল্ড করার পর পরই সেনাবাহিনীর ভঙ্গিতে পা ঠুকে স্যালুট দিয়েছিলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। সাকিবের সেই স্যালুট দেওয়ার ছবি কিছুক্ষণের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক-টুইটারে। এবার সাকিবের মেয়েকেও দেখা গেল বাবার মতো ভঙ্গিতে। মেয়ের স্যালুট দেওয়ার ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে সাকিবের স্ত্রী লিখেছেন, ‘যেমন বাবা, তেমন মেয়ে’।

ইংল্যান্ডের এবারের বাংলাদেশ সফরের শুরু থেকেই আলোচনায় ছিলেন বেন স্টোকস। মাঠে যেমন দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে নজর কেড়েছেন, তেমনি অসৌজন্যমূলক নানা আচরণের জন্য পড়েছেন সমালোচনার মুখেও। ওয়ানডে সিরিজের একটি ম্যাচ শেষে তামিম ইকবালের সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়েছিলেন স্টোকস। টেস্ট সিরিজের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে হাত মেলাননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান আবদুল মজিদের সঙ্গে। সব মিলিয়ে স্টোকসকে নিয়ে কিছুটা অসন্তুষ্টিই ছিল বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যে। স্টোকসকে আউট করার পর সাকিবের স্যালুটটা যেন ছিল এসবেরই জবাব।