May 05 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
May 05 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার

আমি বাধা দেই, সে জোড় করা শুরু করে। আমি ভয়ে কেদেঁ দেই….

 

 

৩ বছরের সম্পর্ক ছিল ওর সাথে।একদিন আমার বাসায় আসতে চায়। আমি নিয়ে আসি। সবাই জানত ও আমার ফ্রেন্ড। আমাদের ফোনেই বেশী কথা হত।ফোনে অনেক মেসেজ করত। লাভ ইউ বলত বারবার। একদিন ওদের বাসায় আমাকে দাওয়াত করে। আমি যেতে চাইনি। ও বলে আমি তোমাদের বাসায় গিয়েছে তাই তোমাকেও আসতে হবে। আমি আমার ছোট বোনকে নিয়ে ওদের বাসায় যাই।আমার ছোট বোন ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছিল। আমাকে ওর রুমে নিয়ে যায়।নিয়ে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়।আমি বাধা দেই। সে জোড় করা শুরু করে। আমি ভয়ে কেদেঁ দেই। ও তখন জোড় করেই আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। আমি ব্যাথায় আরো কাদতে থাকি। ৩ মিনিটের মত ও সেদিন করেছিল। করার পরেও আমাকে কাদতে দেখে ও কিছুক্ষন জড়িয়ে ধরে মানানোর চেস্টা করে।

 

এইটা ছিল আমার কোন ছেলের সাথে ১ম শারীরিক সম্পর্ক।পরে আমি আর কাওকেই এসব বলিনি।এই ঘটনার পর আমি ওকে ঘৃনা করতে শুরু করি। ওর সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেই। সেও আর আমাকে ফোন দেয়নি। শুনেছি ও নাকি আরো মেয়ের সাথে এসব করেছে।

 

এর ১ বছর পর আমার বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর আমার হ্যাজবেন্ড এসব জেনে আমাকে অনেক ঘৃনা করে।আমার সাথে কোন শারীরিক সম্পর্ক করেনি।এরপর ও বিদেশে চলে যায়। আমার সাথে কোন যোগাযোগ করেনি। ২ বছর পর বাড়িতে এসেছে।আমার সাথে কথাও হয়েছে অনেকবার।এখন নাকি ও অন্য একটা মেয়েকে লাভ করে। ওই মেয়েকে নাকি বিয়েও করবে। আর আমাকে নাকি ডিভোর্স দিয়ে দিবে। আমার মনে হয় আমার মরে যাওয়া উচিত। এখন আমি কি করব?

 

পরামর্শঃ নিয়মিত পাঠকদের কারো কোন ভালো পারমার্শ থাকলে প্রশ্নকর্তাকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন।ধন্যবাদ

ওর স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার পর আমাদের মধ্যে অনেকবার….

 

একটি মেয়ের সঙ্গে আমার দুবছররে সম্পর্ক। আমরা দুজনেই দুজনের প্রতি দুর্বল ছিলাম। দুজনেই সমবয়সি, তাই জানতাম আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। ওটা ভেবেই চলতাম। কিন্তু ভালবাসা সব ভুলিয়ে দিত। একবছর আগে ওর বিয়ে হয়ে যায়। তখন আমার কিছু করার ছিল না। আমি এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী ছিলাম। ওরসঙ্গে কিছু হওয়ার কোনো উপায়ও ছিল না। আর কিছু করার সাহসও হয় নি, যেহেতু প্রথম থেকেই মনে ছিল যে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাই বিয়ে টাকে মেনে নিতে হলো। শর্ত ছিল ওর বিয়ের পর আমরা বন্ধু হয়ে থাকব। যোগাযোগ থাকবে, মাঝে মাঝে কথা হবে।
কিন্তু আমি তখন বুঝেছিলাম- বিয়ের পরে যোগাযোগ রাখা খারাপ হবে। সবাই খারাপ বলবে। তাই যা চলে গেছে, তা গেছে। ভাগ্যে ছিল না তাই ওকে পাই নি। এই ভেবে নিজেকে সান্ত্বনা দিলাম। তারপর ওর বিয়ের তিন মাস পার হয়ে যাওয়ার পর ওর স্বামী দেশের বাইরে চলে যায়। আমি ওকে ভুলতে চেষ্টা করলাম অনেক। কিন্তু পারলাম না। মনে হয় কী যেন একটি নেই। ওর সব স্মৃতিগুলো আমি ডিলিট করে দিই। কিন্তু তবুও কেন যেন আমি পারতাম না কিছুই। ওর কথা মনে হতো আর কান্না করতাম। ও ছিল আমার প্রথম ভালবাসা ছিল, আমার স্বপ্নের কন্যা, সত্য তো তাই মনে হয়। ওকে ভোলার জন্য অনেকবার নতুন সম্পর্ক করার চেষ্টা করি। কিন্তু যখনই সম্পর্ক হতে যাবে তখনই ওর কথা মনে পড়তো। কিছু ভালো লাগত না। সম্পর্ক করতে পারতাম না।
যাহোক, ওর স্বামী দেশের বাইরে চলে যাবার পর হঠাৎ আমি ফোন দিই। কথা হয় বন্ধুর মতই। এভাবে কথা চলতে থাকে। কিন্তু তখন আমি ওকে এড়িয়ে চলতাম, তাচ্ছিল্য করতাম, কেন যেন আমার খুব রাগ উঠে যেত ওর উপর তখন। ওর খুব মন খারাপ হতো। মাঝে মাঝে আমার এসব আচরণের জন্য ও খুব কান্না করতো, কিন্তু আমি বুঝতাম না। একটা ছেলে আর একটা মেয়ে কখনই বন্ধু থাকতে পারে না। আমার ধারণা আমাদের মধ্যে সেটাই হলো। কীভাবে যেন মনের অজান্তে সম্পর্কে জড়িয়ে গেলাম। এভাবে চলতে থাকলো আর সম্পর্কটা আগের থেকেও গভীর হতে থাকলো। আমিও ভুলে গিয়েছিলাম যে ও বিবাহিতা। এ সম্পর্কের জন্য যে ওর সমস্যা হতে পারে সেটা মন থেকে একেবারে মুছে গেল। ও আমার প্রতি দুর্বল হয়ে গিয়েছিল ভীষণ। জানতে পারি ও বিয়ের পর কোনোভাবেই স্বামীর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে নি। কারো সঙ্গে কারো কথা মিলতো না। আমি বলতাম যদি ওখানে ভালো না লাগে তাহলে আমার কাছে চলে আসো। ও হাসতো আর বলতো- যদি ভাগ্যে থাকে তাহলে কোনো একসময় আসবো। আমি ওর এ কথাটিকে একদম সিউর ধরে ফেলেছি। ঠাণ্ডা মাথায় কখনও ভেবে দেখি নি যে এটা কখনই সম্ভব না। তখন আমার সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে ওর কাছে তখন ওর স্বামীকে ভালো লাগতো না। সহ্য করতে পারতো না।

 

তার কিছুদিন পর ওর স্বামী দেশে ফিরে আসে। তখনও আমাদের মধ্যে যোগাযোগ হয়। তখন শুনতাম- ওর কিছুই ভালো লাগে না, ও কিছুতেই মানিয়ে নিতে পারছে না। আমাকে বলতো- আমি যেন ওকে ভুলে না যাই। আমিও সম্মতি দিয়েছিলাম। ও ডিভোর্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যদি আরও খারাপ কিছু হয় তখন! দ্বিতীয়বার ওর স্বামী আসার পর ওর সঙ্গে আমার যোগাযোগ খুব কমই হয়। অনেক দিন হয়ে গেল। এখন আমার ধারণা হচ্ছে আমার সঙ্গে সম্পর্ক হবার জন্যই ও বিয়ের পর সংসারে মনোনিবেশ করতে পারছে না। আবার আমাকে ভুলতেও পারছে না! ভিন্নও হতে পারছে না, কেন না শ্বশুর বাড়ির দিকে কোনো সমস্যা নেই। আবার এখন কোন ভাবেই স্বামীকে মেনে নিতে পারে না। আবার আমাকে ভোলার চেষ্টা করতে পারছে না। আমিও বুঝতাম কারণটি হচ্ছি আমি। আর আমাদের মধ্যে কিছু না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কিছু করার পেছনে একটা কারণ লাগে। ও দুই দিকেই আটকানো। আমি বুঝছি যে সম্ভবত আমার কিছু হবে না, আর আমি আগে না বুঝে সম্পর্কটা চালিয়ে নিয়েছিলাম, কিন্তু এখন বুঝেও যদি চালিয়ে নিই- তখন ও সুখী থাকতে পারবে না। আমি না পারছি ওকে কিছু বলতে, না পারছি কিছু করতে। কেন যেন আটকে যাই। আমি এখন কী করবো? আমার কী করা উচিত? আমি কি কষ্ট করে হলেও ওর থেকে দূরে চলে যাব? নাকি অন্য কিছু করবো? প্লিজ, সমাধান দিন।

 

উত্তরঃ
ভাইয়া, আপনাদের সমস্যাটি আসলেই খুব জটিল, কিন্তু অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে হ্যাঁ, এটার সমাধান কঠিনই বটে। তাছাড়া আপনার চিঠি পড়ে আমার মনে হলো আপনি আর এই সম্পর্কটা চালিয়ে নিতে চাইছেন না। এবং মেয়েটির বিয়ে হয়েছে খুব ছোট বয়সে। দেখুন ভাই, এত ছোট বয়সে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেয়াটা রীতিমত অন্যায়। এটা খুবই স্বাভাবিক যে স্বামীর সাথে সে মানিয়ে চলতে পারবে না। সেটার কারণ আপনি নন! আপনি না থাকলেও মেয়েটি সংসার জীবনে কখনো সুখী হতে পারবে, এমন গ্যারান্টি দেয়া যায় না। কারণ বিয়েটি তো স্বেচ্ছায় হয়নি। তাই প্রথমে আপনাকেই চিন্তা করে দেখতে হবে- আপনি কি মেয়েটিকে চান? আপনি কি তাঁকে বিয়ে করার সাহস রাখেন? আপনি কি মেয়েটিকে নতুন একটি জীবন দিতে পারবেন? আর আপনি সব পারলেও মেয়েটি কি পারবে?

উত্তরগুলো যদি “না” হয়, তাহলে কষ্ট করে হলেও নিজেকে সরিয়ে আনুন ভাই। এতে আপনাদের দুজনেরই ভালো হবে।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী

প্রতিবেশি আন্টির সাথে যৌন সম্পর্ক থেকে কিভাবে মুক্ত হব?

 

আমার বয়স আঠার। আমার পাশের ফ্ল্যাটের আন্টি আমাকে সিডিউস করত। প্রায় ছমাস আগে ওনার সাথে আমার আন্টির সাথে যৌন সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পাশাপাশি হওয়ায় আমরা অবাধে প্রতিদিন তিন থেকে চার বার সংগম করি। এখনও চলছে। আমি নাস্তিক তাই পাপ বোধ নেই। কিন্তু আমার বয়স কি যৌন সঙ্গম করার উপযুক্ত? আমার কি কোন শারীরিক সমস্যা হতে পারে?(আমরা কনডম ইউস করি)। এই সম্পর্ক থেকে মুক্ত হব কিভাবে?

আপনার বয়স অবশ্যই যৌন সঙ্গম করার জন্য উপযুক্ত। যেহেতু আপনি কনডম ব্যবহার করছেন তাই শারীরিক সমস্যা হবার সম্ভাবনাও সীমিত। কাজেই এই দুটি দিক থেকে দেখতে গেলে আন্টির সাথে যৌন সম্পর্ক নিয়ে চিন্তা করার বিশেষ কোন কারণ নেই। আপনি এটাও লিখেছেন যে আপনার পাপবোধ নেই। তাহলে এই সম্পর্ক থেকে মুক্ত হতে চাইছেন কেন? আসলে আপনি নাস্তিক হলেও আপনার মনে মনে এক ধরনে অপরাধবোধ কাজ করছে এই অবৈধ সম্পর্কের জন্য। লোক জানাজানির ভয়ও হতে পারে। এছাড়া আপনার এখন নিজের বয়সি মেয়েদের সাথে সম্পর্ক করার বয়স। খুব শীঘ্রই হয়তো আপনি প্রেম করবেন। সেক্ষেত্রে আন্টির সাথে সম্পর্ক একটা বড় বাধা হতে পারে। তাই আন্টির সাথে যৌন সম্পর্ক এখনই পরিত্যাগ করাই ভাল। নাহলে আপনার ভবিষ্যত নষ্ট হতে পারে।

 

আন্টির সাথে যৌন সম্পর্ক থেকে মুক্তির উপায়

আন্টির সাথে যৌন সম্পর্ক থেকে মুক্ত হতে গেলে প্রথমেই সেই আন্টিকে বুঝিয়ে বলুন যে আপনি আর এই অবৈধ সম্পর্ক রাখতে চান না। হয়তো তিনি নিজে থেকেই দূরে সরে যাবেন কারণ ওনারও লোকলজ্জার ভয় আছে। যদি ওই আন্টি নিজে থেকে আপনাকে ছাড়তে না চান তবে আপনি ওনার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিন। যেহেতু উনি আপনার পাশের ফ্ল্যাটেই থাকেন তাই ওনাকে avoid করা একটু শক্ত। তবুও চেষ্টা করুন পারতপক্ষে ওনাকে এড়িয়ে যেতে। ওনার ফোন ধরবেন না। দরকার হলে ফোনের নম্বরও পরিবর্তন করুন। একা কখনোই আন্টির সাথে দেখা করবেন না। সবথেকে ভাল হয় অন্তত কিছুদিনের জন্য অন্য কোথাও গিয়ে থাকতে পারলে। যেমন কোন আত্মীয়ের বাড়ি বা বন্ধুর বাড়ি চলে যেতে পারেন কিছুদিনের জন্য। নিজেকে সর্বদা কোন না কোন কাজে ব্যস্ত রাখুন। আপনার যেসব কাজ করতে ভাল লাগে সেইসব কাজ করুন। মনে রাখবেন “অলস মস্তিষ্কই শয়তানের বাসা!” শারীরিক ও মানসিক শ্রম করুন। তাতে মন থেকে আন্টির প্রতি আকর্ষণ কমে যাবে। আপনার বয়সি কোন মেয়ের সাথে প্রেম করুন। আশা করা যায় এই উপদেশগুলো মেনে চললে আপনি আন্টির সাথে যৌন সম্পর্ক থেকে মুক্ত হতে পারবেন। শুভেচ্ছা রইল।

 

আম্মু ঐ লোকটিকে ভালোবাসে, বাবা এসব কিছুই জানে না…

 

আমার পরিবারে আমি আমার বাবা আর একটি বোন নিয়ে অনেক সুখেই ছিলাম। কিন্তু আমি কিছুদিন যাবত দেখছি- আমার মা ফোনে তাঁর আগের বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে। আমি আর আমার বোন অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি যে আম্মু বাইরে গিয়ে গিয়ে কথা বলে। আমি ঐ লোককে ফোনে বলেছিলাম- আপনি আর ফোন দেবেন না। ঐ লোক তবুও ফোন দেয়। এ ব্যাপারে আমার বাবা জানে না। বাবা সারাদিন অফিসে থাকে, তাই এ ব্যাপারে জানে না। আমার কোনো মামা নেই যে এই কথাটি শেয়ার করতে পারবো। আমার খালা আছে, কিন্তু খালা এসবে কিছু মনে করে না। এ মুহূর্তে আমার কী করা উচিত? আমি ঐ নম্বরটা ব্ল্যাক লিস্টে রেখেছিলাম। কিন্তু কোনো কাজ হয় নি। মা এখনো কথা বলে। আমি একদিন লুকিয়ে কথা শুনেছিলাম। আম্মু ঐ লোকটিকে ভালোবাসে মনে হয়। এ ব্যাপারে মায়ের সঙ্গে কথা বললে মা অনেক রাগারাগি করে। এখন আমি কী করতে পারি। আমি এর একটি সমাধান চাই।

 

আমি যা বলছি, খুব মন দিয়ে শোন ভাইয়া। চিঠি পড়ে বুঝতে পারছি যে তোমাদের দুই ভাইবোনেরই বয়স খুব কম আর এই বিষয়টি নিয়ে তোমরা খুব কষ্টে আছো। কিন্তু নিজেদের ভালো চাইলেও কিছু ব্যাপার খুব ভালো করে বুঝতে হবে তোমাকে।

 

প্রথমত ভাইয়া, হ্যাঁ পরকীয়া খুব খারাপ জিনিস। কিন্তু মা-বাবার দাম্পত্য সম্পর্ক একান্তই তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার, এটা নিয়ে তোমরা কোন কথা বলার অধিকার রাখো না। একটি মানুষ অনেক কারণেই পরকিয়ায় জড়িয়ে যায়, তার মাঝে অন্যতম কারণ এই যে মানুষটি তার জীবনসঙ্গীর সাথে সুখী নয়। হতে পাড়ে তোমার মায়ের ব্যাপারটাও এমন। আমি আবারও বলছি, পরকীয়া খুবই খারাপ একটি বিষয়। এটা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু তোমাদেরকে যা করতে হবে সেটা খুবই ভেবেচিন্তে ও ঠাণ্ডা মাথায়।

 

প্রথমত, কিছু বিস্তারিত না জেনেই মায়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করা চলবে না। যত যাই হোক, তিনি মা। দ্বিতীয়ত আজকাল পরকীয়ার কারণে অপরাধের হার অনেক বেড়েছে। মা নিজের বাচ্চাদের খুন করেছে প্রেমিকের সহায়তা নিয়ে, এমনও বিচিত্র নয়। তাই তোমাদের থাকতে হবে খুবই সাবধানে। বাবাকে এইসব কথা বলতে যাওয়া তোমাদের উচিত হবে না, বলতে গেলে বাবা বিশ্বাস নাও করতে পারেন। তোমার খালা এসবকে ঠিক মনে করেন, এতে অবশ্য বোঝা যাচ্ছে যে তোমার মায়ের পরিবারে ন্যায় অন্যায়ের বোধ কম। সেক্ষেত্রে মনে হয় নানা নানীকে বললেও উপকার ভাবে। তাছাড়া তাঁরা আছেন কিনা, সেটাও আমি জানি না। নানা-নানীর মাধ্যমে মাকে একবার বোঝানোর চেষ্টা করতে পারো। যদিও মনে হয় না এতে কাজ হবে।

যাই হোক, তোমরা যেটা করতে পারো, সেটা হচ্ছে মায়ের অনুপস্থিতে বাবাকে সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বলতে পারো। তোমাদের দুই ভাই বোনের নিরাপত্তার জন্য হলেও এটা দরকার। বাবা হয়তো প্রথমে বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু তাঁকে প্রমাণ দিতে হবে। তবে হ্যাঁ, একবার বাবা জেনে যাবার পর খুব অশান্তি হবে, মা বাবার ডিভোর্স হয়ে যেতে পাড়ে, মা তোমাদের সাথে খুব খারাপ ব্যবভার শুরু করতে পারেন, হয়তো গিয়ে ওই লোকটিকে বিয়েও করে ফেলতে পারেন। তোমরা কি এই ব্যাপারটির জন্য তৈরি? আমার মনে হয় না।

আমার মনে হয় আপাতত কিছুদিন চুপচাপ অপেক্ষা করো। সত্য কখনো চাপা থাকে না, বাবা একদিন নিজে থেকেই বুঝতে পারবেন আর নিজের মত করেই স্ত্রীর এই ব্যাপারটি মীমাংসা করবেন। আবার অন্যদিকে মায়ের যে তথাকথিত প্রেমিক, এইসব লোকেরা কখনো ভালো হয় না। এমন ফোনে ফোনে সম্পর্ক কিছুদিন টেকে, তারপর আবার ভেঙ্গেও যায়। তোমার মায়ের সম্পর্কটিও ভাঙবে আশা করি। তাই আমি পরামর্শ দিব, কোন বড় পদক্ষেপ নেয়ার আগে আপাতত কিছুদিন অপেক্ষা করো। দেখো যে অবস্থা কোনদিকে যায়।

 

সেক্স শুরু করার 3-5 মিনিট পরে তার প্রচন্ড প্রস্রাব এর বেগ অনুভব হয় কারণ কি?

 

আমার বয়স 22, আমার স্ত্রির বয়স 19। আমরা প্রায় এক বছর হলো বিয়ে করেছি। কিন্তু আমাদের সমস্যা হলো সেক্স নিয়ে।
আমরা এক সঙ্গে থাকি না তাই আমাদের নিয়মিত সেক্স হয় না, বলা চলে মাসে একবার এর বেশি না। কিন্ত আমরা যখন প্রথম সেক্স করি তখন আমার স্ত্রির যোনি দিয়ে সামান্য রক্ত বের হয় আর প্রচন্ড রকমের ব্যাথা অনুভব করে। আর আজ প্রায় এক বছর পার হয়ে গেলো আমার স্ত্রির সেক্স এর প্রতি কোন আগ্রহ নেই। আমরা যখন সেক্স করি প্রথমে সে সামান্য ব্যাথা পায় কিন্ত সে সেক্স এর কোন স্বাদ বা মজা পায় না। আমি যতোক্ষন ধরেই সেক্স করিনা কেনো সে সেক্স এর কোন প্রকার আনন্দ অনুভব করনা। সেক্স শুরু করার 3-5 মিনিট পরে তার প্রচন্ড প্রস্রাব (urine) এর বেগ অনুভব হয়, এমন হয় যেনো প্রস্রাব না করলে আর এক মিনিটও থাকতে পারবে না। অথচ আমি তখন আমার পুুরুষাঙ্গ বের করে ফেললে আর প্রস্রাব এর কোন অনুভব থাকে না।
এমনিতে তার যোনি তে সেক্স এর সময় স্বাভাবিক এর মতোই পিচ্ছিল রস এসে ভিজে যায়।
আমার স্ত্রির মাঝে মাঝে সাদা স্রাব হয়।
আমি আপনারে কছে এর সমাধান চাচ্ছি, দয়া করে সমাধান দিয়ে উপক্রিত করবেন।

 

উত্তরঃ আপনি দেরি না েকরে ভালো কোন যৌন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

 

 

 

আমার প্রেমিককে বাসার বাইরে পাঠিয়ে তারা দুজন এক এক করে আমার সাথে….

 

 

আমার বর্তমান বয়স ১৯ বছর। ২০১৪ সালে প্রথম আমি একজনকে ভালোবেসেছিলাম। সে সময় সে আমাকে শারীরিক সর্ম্পক করতে বলে। আমি অনেক নিষেধ করার পরও পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে শারীরিক সর্ম্পকে জড়িয়ে যেতে হয়। সর্ম্পকটা চলতে চলতে একদিন একবাসার রুমে এলাকার দুই বড়ভাই আমাদের দেখে ফেলে। তারা ওকে সিগারেট আনার কথা বলে বাসার বাইরে পাঠিয়ে দেয় এবং জোরপূর্বক আমার সঙ্গে ওরা ২ দুজন এক এক করে শারীরিক সর্ম্পক করে, এটাকে এক প্রকার ধর্ষণই বলা যায়। যতক্ষণে ও বাসায় ফেরে ততক্ষণে আমার সর্বনাশ হওয়া শেষ।

 

ও আমাকে সেদিন বলেছিল আমার জন্য হয়েছে তাই ওদের দেখিয়ে দেবো ভালবাসা কী। আমাকে প্রমিজও করে কোনদিনও ছেড়ে যাবে না কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত আমাদের সর্ম্পকটা তিনমাসেই ভেঙ্গে যায়। আমি অনেকবার আত্নহত্যা করার চেষ্টা করেছি। একদিন আত্নহত্যার চেষ্টা করে তিনদিন আইসিইউ-তে অজ্ঞান ছিলাম। কথাগুলো আর গোপন থাকে নি। আমাকে সবাই অনেক খারাপ নজরে দেখতে শুরু করে কিন্তু আমার সেই প্রেমিক আমাকে আজ পর্যন্ত খারাপ বলে নি, কারণ দোষটা তার ছিল।

 

এরপর অনেকদিন মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলাম। ২০১৫ সালে একজনের সঙ্গে সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়ি। কিন্তু বিষয়গুলো জানতো না। সাত আটমাস ছিল সর্ম্পকটা। জানার পর প্রথমে মেনে নিতে পারে নি। যখন ফিরে এলো তখন আমি বারবার তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি। তখন শুধু মনে হতো আমি আমার প্রথম প্রেমিক ছাড়া কাউকে ভালোবাসতে পারব না, আর আজ পর্যন্ত পারিও নি। এরপর থেকে কোনো ছেলেকে বিশ্বাস করতে পারি নি। মনে হতো সবাই তারমতো প্রতারক, মিথ্যুক। এরপর আমি আর সর্ম্পকে জড়াই নি। রাতে ভীষণ কাঁদতাম। সবাই আমাকে নিয়ে বাইরে বাজে কথা বলত। আমি যেটা করি নি, সেটাও জড়িয়ে দিতো। বেঁচে থাকার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে ছিল না। তাই মাঝে মাঝেই ২০-৩০টি ঘুমের ওষুধ একসঙ্গে খেতাম।

 

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে একজনের সঙ্গে আমার ফোনে পরিচয় হয়। সে বলত- সে আমাকে অনেক ভালোবাসে আমি তাকে ভালো না বাসলেও যেন ভালোবাসতে নিষেধ না করি। তবুও আমি তাকে বিশ্বাস করতে পারি নি। তার পরিবারের পরিচিত ভাইবোনরাও বলত ও তোমাকে অনেক ভালোবাসে। তবুও মিথ্যা মনে হতো সব। আমার ছোটভাই আর একবন্ধু সব জানত। ওরাও বলতে শুরু করল। এবার সত্যিই তোর জীবনে ভালো কেউ এসেছে। একে ছেড়ে দিয়ে ভুল করিস না। ২০১৬ সালে সবার কথা চিন্তা করে আমি রাজি হই, আর বিশ্বাস করতে ভালোবাসতে শুরু করি প্রথমজনের মতো করেই। সর্ম্পকের কয়েক মাসের মধ্যেই সেও আমার সঙ্গে শারীরিক সর্ম্পক করে। তবে সে আমার বিষয়ে সব জেনেই সর্ম্পকটা করেছিল বলে আমি তার সব কথাই বিশ্বাস করতাম। তবে প্রথমে অবিশ্বাস করতাম। কোনকিছুই আমার সহজে বিশ্বাস হয় হতো না। তবুও সে আমাকে ভালবাসত।

কিন্তু একদিন জানতে পারলাম সে আমার একবছরের ছোট ছিল, এবং সে আরও মেয়ের সঙ্গে সর্ম্পক করত। সে আমাকে ভালোবাসে না। তবুও সব মেনে আমি তারসঙ্গে সর্ম্পক রাখতে চাই। কিন্তু সে চায় না। আমি আবারও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। আমার শুধু মনে হতো- আমি আমার জীবনের সব হারিয়ে ফেলেছি। কিচ্ছু নেই আমার জীবনে। এখন শুধু মনে হয় পৃথিবীর সব ছেলেই এক। সবাই ভণ্ড, প্রতারক, মিথ্যুক। আমি এখন আর কোন ছেলেকেই বিশ্বাস করতে পারি না। কোন ছেলের সামনে একা যাই না। কারও চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারি না। কেউ ভালোবাসার কথা বললেই মনে হয়- তারা শুধুমাত্র আমার শরীরকে ভালোবাসে। দুবছর ধরে এই মানসিক যন্ত্রনা সহ্য করে আসছি। বেশি খারাপ লাগলে ঘুমের ওষুধ (medicine) খাই। গত দুবছর থেকে আজ পর্যন্ত ২০০-২৫০ ঘুমের ওষুধ খেয়েছি। আমার অতীত গুলোকে কিছুতেই ভুলতে পারছি না আর এসব জানার পর কোন সর্ম্পকই দীর্ঘ স্থায়ী হচ্ছে না। আমার কী করা উচিত এখন?

 
প্রথমেই বলি আপু, তুমি এখন পর্যন্ত যেভাবে তোমার জীবন চালিয়েছ সেটা একেবারেই ভুল। আগাগোড়া ভুল। মাত্র ১৯ বছর বয়স তোমার, এরই মাঝে তুমি এতগুলো শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছ, ধর্ষণের শিকার হয়েছ, আত্মহত্যার চেষ্টা করেছ, এতগুলো ব্রেক আপ হয়েছে… সব মিলিয়ে তোমার চিঠি পড়ার পর আমি ভীষণ চিন্তিত বোধ করছি। কেননা এখনোই যদি জীবনের এই ভুলগুলোকে তুমি শুধরে নিতে না পারো, ভবিষ্যৎ তোমাকে অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই দেবে না।

প্রথমত বলি, তুমি যেটা বলছো -“এটাকে এক প্রকার ধর্ষণই বলা যায়”… সেটা আসলে ধর্ষণ!!! প্রেমিকের সাথে রুম ডেটে গিয়ে এমন ধর্ষিত হবার ঘটনা ভুরি ভুরি। আমি জানিনা তারপরও কেন তোমরা মেয়েরা সতর্ক হও না। মানলাম সেটা দুর্ঘটনা ছিল। কিন্তু প্রথম প্রেমেই এতকিছু হয়ে যাবার পর তুমি আবারও একাধিক প্রেমে জড়িয়েছ এবং সেই প্রেমে শারীরিক সম্পর্কও করে ফেলেছ, এটা হচ্ছে ভুল। প্রেমকে শরীর পর্যন্ত কোনভাবেই যেতে দেয়া উচিত নয় এত অল্প বয়সে। কারণ আজকাল প্রেম এত বেশি শরীর নির্ভর হয়ে গিয়েছে যে সবাই শরীর পাবার জন্যই প্রেম করে। যে প্রেম টিকিয়ে রাখার জন্য শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে তোমাকে, জেনে রাখবে সেই প্রেমের কোন ভবিষ্যৎ নেই।

তুমি এখনো ছোট। অনেক অনেক অনেক বেশি ছোট। প্রেম বিয়ে নিয়ে এখন তোমার চিন্তা না করলেও চলবে। তুমি প্রথমে যেটা করবে, সবার আগেই একজন ভালো মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাবে ও চিকিৎসা করাবে। প্রয়োজনে নিয়মিত কাউন্সিলিং করাবে। তারপর মন এদেবে নিজের পরিবার ও লেখাপড়ার দিকে। বন্ধু বান্ধবী ফেসবুক ফোন- এই সমস্ত জিনিস থেকে দূরে থাকবে, যেগুলো তয়ামকে অপরিচিত মানুষের সাথে পরিচয় করায়। তুমি মানুষ চিনে পারো না এখনো, তাই নিজের লেখাপড়া শেষ হবার আগে প্রেমে জড়ানোর চেষ্টাই করবে না।

একটা জিনিস মনে রাখবে, কোন পুরুষ তোমাকে কখনো ভালো রাখতে পারবে না। ভালো থাকতে চাইলে তোমার নিজেই নিজেকে ভালো রাখতে হবে। এবং নিজের নিরাপত্তার দায়িত্ব জীবনে নিজেকেই নিতে হয়।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী