শনিবার

মা’কে বাঁচাতে ঢাবি ছাত্রের আকুতি, প্রয়োজন ২০ লক্ষ টাকা

ঢাবি প্রতিবেদক, বাংলাদেশ সময়: গর্ভধারিণী মা’কে বাঁচাতে  সবার কাছে  সহযোগিতার আকুতি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের   ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ আবেদিন।

মায়া ভড়া কণ্ঠে তিনি বলেন,‘মাত্র  ২০ লক্ষ টাকার জন্য কি মারা যাবে আমার মা ? আমি নিম্ন-মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান, সারাজীবন টিউশনী করে নিজের পড়ালেখার খরচ নিজেই চালিয়েছি। আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আমার মা। কেননা আমার বাবা নিজেও একজন ক্যান্সারের রোগী। আমার সেই সংগ্রামী মা আজ মরণব্যাধী ক্যান্সারে আক্রান্ত,জটিল HER2(+++) ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরা পড়েছে। অশ্রুসিক্ত নয়নে কথাগুলো বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ আবেদিন।

বাংলাদেশ সময়কে তিনি আরও জানান,‘ পুরো পরিবার এখন সেই চিন্তায় মূহ্যমান। মা’কে হেল্প করার মতো তেমন কেউ নেই। ডাক্তার বলেছে অতি দ্রুত থেরাপি দেয়া না গেলে মায়ের সারা শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়বে। কথাটি বলতে বলতেই চোখ ভিজে গেল তার। রুমাল দিয়ে  চোখ মোছলেন। নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলেন। সেই সাথে সমাজের সামর্থ্যবানদের নিকট মানুষদের কাছে হাত পেতেছেন। শুধু মা’কে বাঁচাতে  নাওয়া-খাওয়া- ঘুম কিছুেই ঠিকমত হচ্ছে না জাহিদের। বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমস এর মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।

যারা সহযোগিতা করতে  চান :

বিকাশঃ 01717831447 (পারসোনাল)

ডাচ-বাংলা (রকেট): 01746176389

সোনালি ব্যাংক :  5106001014080

যোগাযোগ :  01746176389

বুধবার

বিদেশে জিয়া পরিবারের সম্পদ নিয়ে তদন্ত চলছে

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলাবিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের সদস্যদের নামে বিদেশে কী কী সম্পদ আছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। সত্যতা যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) সাংসদ ফখরুল ইমামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার শিরীন শারমিন।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, তাঁর ছেলেদের এবং বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার নামে বিদেশে কোথায় কী সম্পদ আছে, তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিকার চান ফখরুল ইমাম। একটি বিদেশি সংস্থার প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে এগুলো পেয়েছেন বলে ফখরুল ইমাম জানান।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তথ্যগুলো যখন বের হয়েছে, তখন নিশ্চয়ই আমাদের কাছে তা আছে। এটা নিয়ে তদন্ত চলছে। তা ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে মানি লন্ডারিংয়ের জন্য একটি তদন্তব্যবস্থা আছে। সেই সূত্রেও তদন্ত করা হচ্ছে। এই তদন্তের মধ্য দিয়ে সত্যতা যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকতে দুর্নীতি করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের বহু অভিযোগ তো জনগণ সব সময় করেছে। এটা সবাই জানে। ইতিমধ্যে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের কিছু টাকা আমরা কিছু ফেরতও আনতে সক্ষম হয়েছি। বোধ হয় বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম কারও পাচার করা টাকা ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। যেহেতু জিআইএন রিপোর্টটা দিয়েছে, কাজেই এ রিপোর্ট আমাদের কাছে আছে এবং এটার ওপর তদন্ত চলছে।’

সংসদে তথ্যটি তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সরকার থেকে তুলে ধরলে বহু লোক আছে তারা মায়াকান্না শুরু করত, আমরা হিংসাত্মক হয়ে এটা করি। বিরোধী দল থেকে যেহেতু এটা এসেছে, নিশ্চয়ই মানুষ এটা উপলব্ধি করতে পারবে—এই জনগণের সম্পদ কীভাবে লুট করেছে। যার কারণে তাদের আমলে বাংলাদেশ পাঁচ-পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কোনো উন্নতি করতে পারেনি। আর্থসামাজিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। জনগণের সম্পদ যারা লুটে নিয়েছে, নিশ্চয়ই তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত করে যখনই আমরা এ বিষয়ে সঠিক তথ্য পাব, নিশ্চয়ই তা ফেরত আনার ব্যবস্থা নেব। ইতিমধ্যে কিছু পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। তদন্তের স্বার্থে সব আমি এই মুহূর্তে বলতে পারলাম না।’

‘ইন্টারেস্টিং নিউজ আছে, প্রধানমন্ত্রী জানেন কি না?’
সাংসদ ফখরুল ইমাম তাঁর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘আমার কাছে একটি ইন্টারেস্টিং নিউজ আছে, এটা উনি জানেন কি না। এটি হলো জিআইএন রিপোর্ট। এটা রিসেন্ট রিপোর্ট। এখানে বিএনপির খালেদা জিয়া থেকে আরম্ভ করে তাঁর পরিবারের যে টাকাগুলো পাচার করা হয়েছে, তার একটি লিস্ট আছে এখানে। এটা যদি উনি না জানেন তাহলে দু-একটি লাইন আমি পড়ে শোনাতে পারি। জিআইএন রিপোর্টটি পড়বেন কি না, জানতে চাইলে সংসদে উপস্থিত বেশির ভাগ সদস্য পড়ার জন্য অনুরোধ করেন।

প্রতিবেদনের বক্তব্য তুলে ধরে জাপা নেতা ফখরুল ইমাম বলেন, দুবাইসহ অন্তত ১২টি দেশে জিয়া পরিবারের সম্পদ আছে। এই সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। দুবাইয়ে খালেদা জিয়ার মালিকানায় একটি শপিং মল রয়েছে। কাতারে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন ‘ইকরা’-এর মালিক আরাফাত রহমান কোকো। খালেদা জিয়ার ভাগনে তুহিনের নামে কানাডায় তিনটি বাড়ি রয়েছে। বিএনপি সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফের রয়েছে সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে-তে বিলাসবহুল হোটেলের শেয়ার। মেরিনা বে হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের ১৩ হাজার শেয়ারের মালিক তিনি। খন্দকার মোশাররফের সিঙ্গাপুরে দুটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। মালয়েশিয়ায় রয়েছে তিনটি অ্যাপার্টমেন্ট। সাবেক মন্ত্রী বিএনপি নেতা আমিনুল হকের নামে লন্ডনের স্ট্রাটফোর্ড ও অলগেটে দুটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। লন্ডনে বাড়ি আছে মওদুদ আহমদেরও। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর নামে দুবাইতে রয়েছে অ্যাপার্টমেন্ট। সিঙ্গাপুরে মির্জা আব্বাস তাঁর সন্তানের নামে দুটি অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর নামে রয়েছে ‘সিটি সেন্টার-২’-এ তিনটি ২৫০০ বর্গফুটের বাণিজ্যিক জায়গা। বিএনপির আরেক নেতা নজরুল ইসলাম খানের সিঙ্গাপুরে অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে।

সংরক্ষিত আসনের আমিনা আহমেদের আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় এক কোটি কর্মসংস্থান হবে এবং অতিরিক্ত ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

মানিকগঞ্জ-২ আসনের মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের সার্বিক প্রচেষ্টায় অর্থবছর ২০১১ থেকে অর্থবছর ২০১৭ পর্যন্ত দেশে ও বিদেশে ১৫ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য কমে আসছে। সামাজিক সূচকগুলোর অগ্রগতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে বিস্ময়কর প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

২০১৮ সাল নাগাদ পদ্মা সেতু যান চলাচলে উন্মুক্ত হবে
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ অনেক দূর এগিয়েছে। ২০১৮ সাল নাগাদ এই সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

জামালপুর-২ আসনের ফরিদুল হক খানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিরা যেমন নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার চেষ্টা চালাচ্ছে, তেমনি তাদের অর্থের জোগানদাতা ও মদদদাতা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। বিদেশ থেকে আসা রেমিট্যান্স ও দেশীয় অর্থ কোনো জঙ্গি তৎপরতায় ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, এ বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, জঙ্গি অর্থায়নের সঙ্গে বেশ কিছু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে মর্মে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়নের অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রবিবার

স্ত্রীকে অবিশ্বাস, বাড়িতে সিসি ক্যামেরা!

 

আরব আমিরাতে এক ব্যক্তির সন্দেহ, তাঁর স্ত্রীর অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক আছে। আর এ জন্য তিনি পুরো বাড়িতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি) বসিয়েছেন। এদিকে তাঁকে নিয়ে ‘অপমানজনক’ মন্তব্য করায় ওই নারী পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন। আমিরাতের আল আইন এলাকায় ঘটেছে এমন ঘটনা।

কাজের জন্য ওই ব্যক্তি মাসের পর মাস বাড়ির বাইরে থাকেন। কিন্তু যেহেতু সন্দেহ করছেন যে অন্য পুরুষদের সঙ্গে তার স্ত্রীর সম্পর্ক আছে, তাই তিনি বাড়িতে গোপন ক্যামেরা বসিয়েছেন। এ নিয়ে একদিন হঠাৎ স্ত্রীকে পেটান তিনি। পেটাতে পেটাতে একপর্যায়ে তিন সন্তানসহ স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বিতাড়িত স্ত্রী দেশটির পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন।

আদালতকে ৩৩ বছর বয়সী ওই নারী জানান, অন্য পুরুষদের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ এনে তাঁকে কাজের লোক এবং সন্তানদের সামনে পেটান তাঁর স্বামী। পেটানোর পর বাড়ি থেকে বের করে দেন তাঁর স্বামী। একটি প্রতিষ্ঠানে বেশ ভালো পদে চাকরি করা ওই নারী জানান, বাড়িটি নির্মাণে তিনিও আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন।

ওই নারী আদালতে বলেন, তিন সন্তানকে তিনি একাই লালনপালন করছেন। তাঁর স্বামী প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকেন। কাজের জন্য বাইরে থাকায় কখনো কখনো টানা কয়েক মাস তিনি (স্বামী) বাড়িতে আসেন না। কিন্তু স্বামী যখন তাঁকে অবিশ্বাস করা শুরু করলেন, তখন তিনি বিস্মিত হয়েছেন। এমনকি তিনি যখন বন্ধুদের সঙ্গে শপিং করতে কিংবা অন্য কোথাও যেতেন, তখনো গোয়েন্দাগিরি চালিয়েছেন স্বামী।

উভয় পক্ষের কথা শোনার পরই আদালত বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছেন। এতে সন্তানদের দায়িত্ব তাঁদের মায়ের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে বাড়ি থেকে তাঁদের বের করে দেওয়া হয়েছিল, সেই বাড়িতেই তাঁরা বসবাস করবেন। একই সঙ্গে তিন সন্তানের ভরণপোষণ, স্কুলের বেতন-ভাতাও দেবেন তাদের বাবা। তথ্যসূত্র: খালিজটাইমস ডটকম।

বুধবার

তিন পরিবারের ঘুম হারাম করেছিল সুন্দরী শ্যালিকা

 

শম্পা আক্তার। বয়স ২৮ বছর। বাড়ি নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা উজানপাড়া গ্রামে। একই গ্রামে বাড়ি খালাতো বোন ববিতা আক্তারের। আর ওই গ্রামেরই শেষ মাথায় এসআই সাত্তারের বাড়ি। ১২ বছর আগে যখন পারিবারিকভাবে সাত্তার আর ববিতার বিয়ে হয় তখন শম্পা এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

তার আগে শম্পা যখন ক্লাস নাইনে পড়েন তখন পরিচয় হয় সাত্তারের সঙ্গে। সম্পর্ক মোটামুটি প্রেমের পর্যায়ে গড়ালেও পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ববিতার সঙ্গে। বিয়ের পর ববিতা জানতে পারে খালাতো বোন শম্পার সঙ্গে সাত্তারের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। অভাবের সংসারে চাকরিটা চলে যাবে ভেবে ববিতা কাউকে কিছু বলেনি। এদিকে, এসআই সাত্তার (৩২) সম্পর্কে জানা যায়, ১৯৮৫ সালের পহেলা মার্চ নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা উজানপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম রমজান আলী।

২০০৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সাত্তার পুলিশের কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। ২০১২ সালে পদোন্নতি পেয়ে এএসআই হন এবং সবশেষ ২০১৬ সালে আবার পদোন্নতি পেয়ে এসআই হয়ে বাড্ডা থানায় যোগদান করেন। মিরপুরের ইস্টার্ণ হাউজিং এলাকায় বাসা ভাড়া করে ববিতাকে নিয়ে সংসার শুরু করেন নিজের গুলিতে নিহত এসআই সাত্তার। ববিতার ঘরে একে একে দুটি ছেলে সন্তান আসে।

প্রথম ছেলের নাম সাকিব আল হাসান (১০)। আর দ্বিতীয় ছেলের নাম সাদিক বিন সাত্তার (৪)। গত রোববার পুলিশ, নিহত সাত্তারের ছোটভাই বাবুল এবং সাত্তারের স্ত্রী ববিতার সঙ্গে কথা বলার সময় এসব তথ্য পাওয়া যায়। এসআই সাত্তারের স্ত্রী ববিতা আক্তার বলেন, একটা সময় বুঝতে পারি, স্ত্রী আর ছেলেদের সময় না দিয়ে শম্পার প্রতি কেন বেশি বেশি খেয়াল রাখেন।
এও বুঝতে পারি দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক টাল-মাটাল অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। কথায় কথায় ঝগড়া লাগতো। বড় ছেলে এসব দেখে কান্নাকাটি করতো। ছোট ছেলের দিকে তাকানো যেত না। ঝগড়াঝাটি আর মারামারি দেখে নীরবে কান্না করত। এক সময় সিদ্ধান্ত নেয় সাত্তার, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি চায় নয়তো প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেবে। সংসার আর দুই ছেলের কথা চিন্তা করে শম্পাকে বিয়ে করার অনুমতি দেয় ববিতা। এরপর এক বছর আগে শম্পা আর সাত্তার বিয়ে করেন। বিয়ে করে তারা রুপনগর আবাসিক এলাকার ২২ নম্বর সড়কের ৩২ নম্বর বাসার ছয় তলায় ফ্লাট ভাড়া করে দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন। দ্বিতীয় সংসার শুরু করার পর প্রথম সংসারে তেমন যাতায়াত ছিল না।

মাঝে মধ্যে দিনে গেলেও খুব একটা সময় কাটাতেন না বলে অভিযোগ করেন ববিতা। ‘এমনকী দুই সন্তান বাবার জন্য পাগল হলেও বাবা কোনোদিন সময় দিত না। এরপরেও কিছু বলতাম না। কারণ কিছু বলতে ভয় করতো। যদি মাসের খরচ বাবদ টাকাটা বন্ধ করে দেয়। ভাবতাম ওরাই সুখে থাক। আর আমি ছেলে সন্তান নিয়ে দিনাতিপাত করি’, বলেন ববিতা। নিহত এসআই সাত্তারের ছোটভাই বাবুল বলেন, ‘শম্পাকে বিয়ে করায় তিন পরিবারের মধ্যেই সুখ নষ্ট হয়ে যায়। ভাইয়ার দুই শ্বাশুড়ীর মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধে যায়। কেউ কারো বাড়িতে যাতায়াত করেন না। ভাইয়াও কোনো শ্বশুর বাড়িতে যেতেন না। আর এ কারণে নিজের পরিবারও ভাইয়ার এসব কাণ্ড-কারবার সহজে মেনে নেননি।

বিয়ে করে তো ভাইয়া ও শম্পা ভাবি ভালই ছিল। কিন্তু আত্মহত্যা করতে গেল কেন, তা বুঝতে পারছি না।’গত রোববার রুপনগরের ২২ নম্বর সড়কের ৩২ নম্বর বাসার ছয় তলার ফ্লাটে গিয়ে দেখা যায় ফ্লাটটির দরজায় তালা লাগানো। পরে তৃতীয় তলার বাসিন্দা তাইয়েবা আক্তার বলেন, পুলিশের কাছ থেকেই প্রথম গুলি হওয়ার কথা জানতে পারি। পরে পুলিশ দরজা ভেঙ্গে দুইটি মরদেহ উদ্ধার করেন। ওই ভবনের পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা সামাদ তালুকদার বলেন, ‘বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ এসে দরজা ভাঙ্গা শুরু করলে সবাই জানতে পারে যে, গুলিতে দুজন মারা গেছে। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে কখন গুলি হয়েছে এরকম কোনো শব্দ কেউ শুনতে পায়নি বলে জানান সামাদ।’

অন্যদিকে, রোববার সন্ধ্যায় রুপনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ সহিদ আলম বলেন, পুলিশের এক সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এসআই সাত্তার ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শম্পার মরেদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারি, হঠাৎ করেই শ্যালিকাকে বিয়ে করা নিয়ে পারিবারিক জীবনে অশান্তি নেমে আসে। এ বিয়েতে তার নিজের পরিবার ও দুই স্ত্রীর পরিবারের কেউ বিষয়টি মেনে নেয়নি। যে কারণে পারিবারিক দাম্পত্য কলহ বড় আকার ধারণ করে। যার জের ধরে দ্বিতীয় স্ত্রী শম্পাকে নিজের পিস্তল দিয়ে গুলি করে খুনের পর আত্মহত্যা করেন এসআই সাত্তার। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আরেকটি হত্যা মামলা হতে পারতো। তবে যে হত্যা করেছে তিনি তো আত্মহত্যা করেছেন। তাই এখানে আসামি ‘সাসপেক্ট’। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহার করা পিস্তলটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার

যৌন মিলনকালে ব্যাক-পেইন বা পিঠ ব্যথায় কি করবেন ?

 

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া নারী পুরুষের মিলনের সময়ে ব্যাক-পেইন pain বা পিঠ ব্যথা সম্পর্কিত একটি গবেষণালব্ধ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। দাম্পত্য জীবনের মধুময় মিলনেও দেখা যায় নানা প্রকার জটিলতা। তারই একটি হলো পিঠ কিংবা কোমরে ব্যথা যাকে অনেকই ব্যাক-পেইন নামে চিনে থাকেন।

 

 

এই ব্যাক পেইন থেকে রক্ষা পেতে গবেষণা করে কিছু সমাধান দিয়েছেন কানাডার অন্টারিও’র ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। গবেষণা প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। সংবাদ মাধ্যমটির বরাতে সেই সমাধানগুলো উপস্থাপন করছে বাংলানিউজ।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষকরা ১০ দম্পতির শারীরিক মিলনের পাঁচটি নিয়মিত আসনে মেরুদণ্ডের কর্যক্রম লক্ষ্য করেন। গবেষকরা সংসর্গের সময় ব্যথা অনুভব করলে মেরুদণ্ড দিয়ে ধাক্কা না দিয়ে ‘হিপ-হিংগিং’ গতি ব্যবহার করা উচিত বলে চিহ্নিত করেন।

 

এছাড়া, যৌন মিলনের সময় গমন পথ অনুসরণ করে অবলোহিত এবং তড়িচ্চুম্বকীয় গতি পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত বলেও জানান গবেষকরা। গবেষকরা সংসর্গের সময় ব্যাক-পেইন পিঠের ব্যথা এড়াতে গোপনাঙ্গের অবস্থান ও চাপ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলে পরামর্শ দেন।

 

গবেষণায় দেখা যায়, সংসর্গে পুরুষরা প্রচণ্ড উত্তেজনা অনুভব করেন। এতে তাদের পেট, নিতম্ব এবং পেছনের পেশি ছাড়া সমস্ত অংশ সক্রিয় থাকে। গবেষক দলের সদস্য ন্যাটালি সিডোর্কিয়েজ বলেন, মিলনের সময় গোপনাঙ্গের অবস্থান এক ধরনের ব্যাক-পেইন বা পিঠ ব্যথার উপসর্গ ঘটায়। এক্ষেত্রে নানা রকমের অবস্থান নিয়ে মিলন করা যেতে পারে।

রবিবার

আমার বাবা পরকীয়া করছেন…

 

আমার বাবা পরকীয়া করছেন। আমি বিষয়টা কিছু দিন আগে জানতে পেরেছি।আমি বুঝতে পারছিনা আমি কি করব? আমি কি আমার মাকে বিষয়টা জানাব নাকি আমিই সরাসরি আমার বাবার সাথে কথা বলব?নাকি চুপ থাকাই ভালো হবে!!!

 

উত্তরঃ চিঠিতে আপনি কিছুই লেখেননি আপু/ভাইয়া। যেমন আপনি কী করেন, আপনার বয়স কত। বাবা কী করে, মা কী করে। মা-বাবার মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন। আপনি কীভাবে নিশ্চিত হলে যে বাবা পরকীয়া করেন? নাকি ব্যাপারটি কেবলই একটা সন্দেহ?

প্রথমেই আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি যেটা ধারণা করছেন সেটা ১০০ ভাগ সত্য। বাবা আসলেই পরকীয়া করছেন, বিষয়টি আপনার সন্দেহ না। এরপর কী করবেন? যেহেতু আমি আপনার পরিস্থিতি জানি না, তাই কয়েকটি অপশন দিচ্ছি। যেটা আপনার নিজের সাথে মিলে যায়, সেটাই করতে পারেন।

 

-আপনি যদি প্রাপ্ত বয়স্ক তরুণ/তরুণী হয়ে থাকেন এবং ইউনিভার্সিটিতে পড়েন বা চাকরি করছেন এমন হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে মাকে কিছু জানানোর আগে বাবার সাথে কথা বলাটাই ভালো। কারণ এই বয়সী ছেলে-মেয়েদের বাবারা যথেষ্ট সমীহ করেন এবং কথাগুলো গুরুত্বের সাথে নেবেন। আপনি ভুল পথে গেলে যেমন বাবার দায়িত্ব আপনাকে বোঝানো, তেমনই প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পর আপনারও কিন্তু এটা দায়িত্ব যে মা বাবা ভুল পথে গেলে তাঁদেরকে বোঝানো। তাই বাবার সাথে রাগারাগি না করে শান্ত মাথায় তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করুন।

 

 

-আপনি যদি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে থাকেন, এখনো স্কুল বা কলেজে পড়েন এবং বাবার টাকাতে নির্ভরশীল… সেক্ষেত্রে বাবার সাথে এটা নিয়ে আলোচনা করতে যাওয়াটা বেয়াদবি হয়ে যায়। বরং বিষয়টি তখন মাকে জানানোই তখন উচিত হবে। তবে হ্যাঁ, কেবল সন্দেহ হলে জানাবেন না। উপযুক্ত প্রমাণ থাকলে তবেই জানাবেন। কেবল সন্দেহের ওপরে ভিত্তি করে মা বাবার সংসারে অশান্তি তৈরি করাটা একদমই ঠিক হবে না।

-তিন, একটু খেয়াল করে দেখুন যে মা বাবার মাঝে সম্পর্ক আসলে কেমন। বিষয়টি কি এমন যে মা বাবা সারাক্ষণ ঝগড়া করছেন, দুজনের মাঝে একটুও সম্পর্ক ভালো না? মাও বাবার সাথে ভালো ব্যবহার করেন না আর বাবাও মায়ের সাথে করেন না? সেক্ষেত্রে আপনাকে বুঝতে হবে যে মা বাবার মাঝে ভালোবাসা অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে এবং তাঁরা নিজেদের মত করে ভালো লাগা খুঁজে নিতে চেষ্টা করছে। সেক্ষেত্রে যত খারাপই লাগুক, আপনাকে চুপ থাকা শিখে নিতে হবে। যতই তাঁরা আমাদের মাতা পিতা হোক না কেন, একটা জিনিস অবশ্যই বুঝতে হবে যে তাঁরাও মানুষ এবং তাঁদেরও একটি ব্যক্তিগত জীবন আছে। সেই ব্যক্তিসত্তাকে সম্মান দেখিয়ে চুপ থাকবেন। যা করার সময়েই করে দেবে। পরকীয়ার সম্পর্ক বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সফলতার মুখ দেখে না, কোন না কোন ভাবে ধরা পড়েই না। তাই এটা নিয়ে বেশি চিন্তা করার দরকার নেই।

পরামর্শ দিয়েছেন-
রুমানা বৈশাখী

 

 

শুক্রবার

ইস্যু যখন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীর হিসু

 

নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেশজুড়ে চলছে ‘স্বচ্ছ ভারত’ গড়ার আন্দোলন। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচার চলছে বিরামহীন। শৌচাগার ব্যবহারে দেশবাসীকে বারবার আবেদন জানানো হচ্ছে। এই ‘স্বচ্ছ ভারত’ আন্দোলনের মধ্যে হঠাৎ ‘অস্বচ্ছ’ ভারতের একটি ছবি ধরা পড়েছে।

ছবিতে দেখা গেছে, ভারতের এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী একেবারে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে হিসু করছেন। ছবিটি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় সরগরম যোগাযোগের সামাজিক মাধ্যম।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, দেশটির কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী রাধা মোহন সিং সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে বিহারের মোতিহারে গিয়েছিলেন। একপর্যায়ে প্রকৃতির ডাক তাঁর ওপর চেপে বসে। তিনি সোজা রাস্তার পাশের একটি দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে মূত্রত্যাগ করেন।

ছবিতে দেখা যায়, দেয়াল বরাবর দাঁড়িয়ে এই ত্যাগের কাজটি সারছেন মন্ত্রী। পাশেই আছেন তাঁর সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা। ÿতাঁরা মন্ত্রীর দিকে পেছন রেখে দাঁড়িয়ে আছেন। আর কিছুটা দূরেই মন্ত্রীর গাড়ি।

ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আরজেডি দলের নেতা লালু প্রসাদ যাদব কটাক্ষ করেÿটুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারত অভিযানকে আরও চাঙা করলেন। খরাকবলিত রাজ্যে একটি সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন তিনি!’

সমালোচনার মধ্যে কৃষিমন্ত্রীর জামাতা বলেছেন, ‘মূত্রত্যাগ একটি জৈবিক বিষয়। তা নিয়ে অকারণ বিতর্ক করা ঠিক নয়। তা ছাড়া দেশের কি সব জায়গায় শৌচাগার আছে?’

বৃহস্পতিবার

কারা আপনার ফেসবুক প্রোফাইল ভিজিট করছে? খুব সহজেই জেনে নিন এ ভাবে

 

ব্রেক আপ হয়ে গিয়েছে তিন মাস আগেই। তাও কি রোজ একবার করে এক্স-এর প্রোফাইল ভিজিট না করে থাকতে পারেন না? জানতে চান উনিও এ ভাবে আপনার প্রোফাইল দেখেন কিনা? শুধু এক্স কেন, কে প্রোফাইল ভিজিট করল, কে রোজ করে, কে ছবি দেখেও লাইক করল না, তা জানতে প্রায় সকলেই আগ্রহী। মুখে স্বীকার না করলেও অনেকেই ভাবেন সত্যিই যদি জানা যেত!

এই ধাপগুলো মেনে আপনি সত্যিই জেনে যেতে পারেন কে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করছে। তবে শুধুমাত্র ক্রোম এক্সটেনশনেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

জেনে নিন ধাপগুলো

গুগল ক্রোম পেজে গিয়ে অ্যাড্রেস বার-এর একদম ডান দিয়ে লম্বালম্বি তিনেট ডট-এ ক্লিক করুন।

ড্রপ ডাউনে থেকে সেটিংসে যান।

বাঁ দিকে দেখতে পাবেন গেট মোর এক্সটেনশন। ক্লিক করুন।

সার্চে গিয়ে টাইপ করুন ফ্ল্যাটবুক। ক্রোমে অ্যাড করার অপশন ক্লিক করুন। নিজে থেকেই ডাউনলোড হয়ে যাবে এক্সটেনশন।

ফ্ল্যাটবুক ক্রোম এক্সটেনশনে ডাউনলোড করার পর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রিফ্রেশ করুন।

একটা নতুন থিম পাবেন। প্রোফাইল ভিজিটর লিস্টে গিয়ে দেখতে পাবেন কারা আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে।

কারা আপনার ফেসবুক প্রোফাইল ভিজিট করছে? খুব সহজেই জেনে নিন এ ভাবে

 

ব্রেক আপ হয়ে গিয়েছে তিন মাস আগেই। তাও কি রোজ একবার করে এক্স-এর প্রোফাইল ভিজিট না করে থাকতে পারেন না? জানতে চান উনিও এ ভাবে আপনার প্রোফাইল দেখেন কিনা? শুধু এক্স কেন, কে প্রোফাইল ভিজিট করল, কে রোজ করে, কে ছবি দেখেও লাইক করল না, তা জানতে প্রায় সকলেই আগ্রহী। মুখে স্বীকার না করলেও অনেকেই ভাবেন সত্যিই যদি জানা যেত!

 

এই ধাপগুলো মেনে আপনি সত্যিই জেনে যেতে পারেন কে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করছে। তবে শুধুমাত্র ক্রোম এক্সটেনশনেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

জেনে নিন ধাপগুলো

গুগল ক্রোম পেজে গিয়ে অ্যাড্রেস বার-এর একদম ডান দিয়ে লম্বালম্বি তিনেট ডট-এ ক্লিক করুন।

 

ড্রপ ডাউনে থেকে সেটিংসে যান।

বাঁ দিকে দেখতে পাবেন গেট মোর এক্সটেনশন। ক্লিক করুন।

 

সার্চে গিয়ে টাইপ করুন ফ্ল্যাটবুক। ক্রোমে অ্যাড করার অপশন ক্লিক করুন। নিজে থেকেই ডাউনলোড হয়ে যাবে এক্সটেনশন।

ফ্ল্যাটবুক ক্রোম এক্সটেনশনে ডাউনলোড করার পর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রিফ্রেশ করুন।

 

একটা নতুন থিম পাবেন। প্রোফাইল ভিজিটর লিস্টে গিয়ে দেখতে পাবেন কারা আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে।

বুধবার

বিয়ের আগেই যৌন মিলন করলে নারীরা যেসব সমস্যায় ভোগেন

 

পৃথিবীর সব ধর্মেই বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রয়েছে কড়া নিষেধ। এমনকি এ কাজ যে করবে তার জন্য নির্ধারিত রয়েছে কঠিন শাস্তি। এই বিধানের পেছনে নিশ্চয়ই কারণ রয়েছে। আর কারণটি হলো সামাজিক, ধর্মীয় ও মানসিক অবক্ষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখা।

আমাদের সমাজে এমন অনেক পুরুষ রয়েছেন যারা শুধুমাত্র নারীদেহ ভোগ করার উদ্দেশ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং কাজ হাসিল হয়ে গেলে সম্পর্কের দায়ভার নিতে চান না। নারীরাও যে এমন করে না তা নয়, তবে তুলনামূলকভাবে এমন নারীর সংখ্যা কম। আশংকার ব্যাপার হচ্ছে আজকাল অনেক উঠতি বয়সী মেয়েই এই ধরণের শারীরিক সম্পর্ককে আধুনিকতা মনে করে থাকে। অথচ বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে যে সমস্যা দেখা দেয়, তা পোহাতে হয় নারীদেরকেই! তাই সাবধান হোন এবং জেনে নিন অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলো সম্পর্কে।

অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ

বিয়ের আগে before marriage শারীরিক সম্পর্কের সবচেয়ে ভয়াবহ যে সমস্যাটি হতে পারে তা হলো অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ। নিরোধক ব্যবহারের পূর্ব পরিকল্পনা না থাকা, আবেগের বশে হঠাত্‍ করেই যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি এর অন্যতমত কারণ। শারীরিক সম্পর্কের চিহ্ন ধারণ করে সাধারণত মেয়েরাই। কোনো মেয়ের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কি না তা ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু ছেলেদের যায় না। একইভাবে গর্ভধারণের যাবতীয় সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয় শুধু মেয়েদেরই। এর ফলে পরিবার, সমাজ এবং নিজের কাছে অপরাধী হতে হয় নারীদের।

ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত

বিয়ের আগে before marriage শারীরিক সম্পর্কের ফলে গর্ভধারণ করে ফেললে তখন গর্ভপাত করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। গর্ভপাত একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া। এতে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয় তেমনি মানসিক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হয়। গর্ভপাতের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এর দীর্ঘমেয়াদী কুফলও রয়েছে। যেমন পরবর্তীতে গর্ভধারণে সমস্যা Pregnancy Problems হওয়া বা গর্ভধারণ করতে না পারা ইত্যাদি। প্রথম সন্তান জন্মদানের আগে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটলে পরবর্তীতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান ধারনে সমস্যা দেখা দেয়। গর্ভপাতের মানসিক ক্ষতিও কম নয়। সন্তান হারিয়ে অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি অনেকে বিকারগ্রস্ত পর্যন্ত হয়ে পড়ে।

জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল ও অন্যান্য ঝুঁকি

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কারণে অনেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করে থাকে। অনবরত জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল গ্রহণ অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধ করলেও ডেকে আনতে পারে মারাত্মক সব সমস্যা। এর মধ্যে অন্যতম হলো সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারানো। প্রথম সন্তান জন্মের আগেই দীর্ঘদিন পিল গ্রহণের ফলে পরবর্তীতে গর্ভধারণে Pregnancy ঝুঁকি হতে পারে, হতে পারে বারবার গর্ভপাতের সমস্যা। এছাড়া হরমোনের সমস্যা, মুটিয়ে যাওয়া, খাবারে অনীহা,সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

অপ্রাপ্ত বয়সে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর ঝুঁকি

বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে শারীরিক বিষয়াবলির প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। ফলে প্রেমের সম্পর্কে কোনো কিছু না ভেবেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা তাদের মধ্যে দেখা যায় বেশি। কিন্তু অপরিণত বয়সে শারীরিক সম্পর্কের পরিণতি হতে পারে মারাত্মক। এর ফলে হতে পারে যৌন sex সংক্রমণ, ক্যানসারের মতো ভয়াবহ সব রোগ। বিশেষ করে কমবয়সী মেয়েরা থাকে হুমকির মুখে। জরায়ুমুখ সংক্রমণ ও জরায়ুমুখ ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে সর্বোচ্চ।

মানসিক ভীতি

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক মানে প্রথমবারের মতো যৌন সম্পর্ক স্থাপন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এই কাজটি প্রেমিক যুগলেরা করে থাকে লুকিয়ে, যা পরবর্তীতে একজন নারীর জন্য মানসিক ভীতি বা বিকারের কারণ হয়ে দাড়ায়। বিশেষ করে অনেক ক্ষেত্রেই প্রেমিকেরা অপ্রাপ্ত বয়স্ক প্রেমিকাকে চাপ প্রয়োগ করে মিলিত হয়ে থাকে। পরে সম্পর্কটি ভেঙে গেলে এসব অনেক মেয়ের ওপর এমন মানসিক চাপ ফেলে, যা ক্রমশ বিকারে রূপ নেয়। যেমন শারীরিক সম্পর্কে অনীহা বা ভীতি, বিবাহভীতি, পুরুষদের প্রতি ঘৃণা বা ভয় ইত্যাদি। এর ফলে যেমন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে, তেমনি ভাঙন আসতে পারে বিয়ের সম্পর্কেও।

বিয়ের পর দাম্পত্যে সমস্যা

বিয়ের আগে before marriage প্রেমিকের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ালে দাম্পত্য জীবনেও sex life দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। নারীরা হয় স্বামীর অবিশ্বাসের পাত্র। এমনকি প্রেমিকের সাথে বিয়ে হলেও তিনি করতে পারেন নানা রকমের দোষারোপ, করতে পারেন চরিত্র নিয়ে সন্দেহ। ঝগড়ার সময় হয়তো কথায় কথায় বলে বসতে পারেন যে, তার সাথে যেহেতু বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক ছিল এমনি হয়তো আরো অনেকের সাথেই ছিল। মোটকথা, দাম্পত্যের প্রতিটি পদে নারীকে শুনতে হতে পারে নানা রকমের কটু কথা।

দাম্পত্যে আকর্ষণ হারানো

যেহেতু স্বামীর সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শারীরিক সম্পর্ক থাকে, তাই অনেকেই দাম্পত্য জীবনে হারিয়ে ফেলতে পারেন আকর্ষণ। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের কাছ থেকে নতুন কিছু পাবার থাকে না বলে বিয়ের marriage সম্পর্কে বাজতে পারে ভাঙনের সুর। অনেকে বাগদান বা আংটি বদল সম্পন্ন করে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি হয়েছে ভেবে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যান। বাগদানের পর বিয়ে ভাঙার ঝুঁকি তো থাকেই, সাথে রয়ে যায় দাম্পত্য আকর্ষণহীন হয়ে যাবার শঙ্কাটাও।

সামাজিক লাঞ্ছনা

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কথা জানা-জানি হলে নারীরা হন নানা রকম লাঞ্ছনা-গঞ্জনার শিকার। সমাজ তাকে অপরাধীর দৃষ্টিতে দেখে। তার জীবন হয়ে ওঠে বিষময়। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ Conception করলে এবং সেটার কথা জানাজানি হলে ফলাফল হয় ভয়াবহ। মেয়েটি সামাজিকভাবে হয়ে যায় একঘরে। পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সকলেই দূরে চলে যায়, তাকে পাপীর দৃষ্টিতে দেখে। ফলে সুষ্ঠুভাবে বাকি জীবন কাটানো অসম্ভব হয়ে যায়।