ফোন সেক্স হয়তো বর্তমান যুগে কারোরই অজানা নয়। ফোন সেক্সকে মূলত শারীরিক সম্পর্কের বিকল্প বলা যায়। বর্তমান তরুন প্রজন্মের যারা সেক্সুয়াল রিলেশনে আগ্রহি বা অভ্যস্ত তারা প্রায়ই তাদের দুজনের চাহিদা মেটানোর জন্য ফোন সেক্স করে থাকেন। এছাড়া লং ডিস্টেন্স রিলেশনেও ফোন সেক্স বেশ প্রয়োজনীয়, এমন কি স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেও। সঙ্গিনীর মুখ থেকে সেক্সের কথা শুনে যেকোন ছেলেই কিছুটা হলেও টার্ন অন হয়ে যায়। এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই নিম্নে ফোন সেক্সের কিছু দিক তুলে ধরা হলোঃ
ফোন সেক্সের কিছু দিকঃ
১. ফোন সেক্সের জন্য এমন একটা সময় বেছে নেওয়া উচিত যখন কেউ ইন্টারাপ্ট করবে না। নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে দুইজন দুইজনকে সময় দিতে পারবেন, মজা দিতে পারবেন।
২. সুন্দর কোন মুহূর্ত ভেবে নিতে পারেন, কল্পনা করে নিতে পারেন কোন জায়গা যেখানে একটা পরিপূর্ণ একটি সেক্স আপনি করতে পারেন। সেক্স পজিশনগুলো বর্ণনা করুন একে অন্যের কাছে। অনেকেই ইমাজিনেটিভ সেক্সে অনেক বেশি টার্ন অন হয়ে পরে।
৩. মাস্টার্বেশন এর মাধ্যমে ফোন সেক্স বেশ জমে উঠে। অনেকেই Naked হয়ে ফোন সেক্স করতে বেশ ভালবাসে। ছেলেরা সাধারনত তার গার্লফ্রেন্ড Naked হয়ে ফিঙ্গারিং করছে বা ব্রেস্ট প্রেস করছে এটা ভেবে অদ্ভুত মজা পায়। মেয়েদের Moaning তাদের জন্যে একটি ভয়াবহ টার্নিং অন ব্যাপার। অন্যদিকে ছেলেদের মাস্টার্বেশনের কথা শুনেও মেয়েরা অনেক Horny হয়ে যায়। যদিও অনেক ছেলেই সেটা জানেনা।
৪. অনেকেই ফোন সেক্সের সময় অনেক নোংরা কথা (Dirty Talk) শুনতে ও বলতে ভালবাসে। এটা দুইজনের মাঝে ভাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকলে ফোন সেক্স কে অনেক জমিয়ে দিতে পারে। কিন্তু নতুন রিলেশনের শুরুতে দুইজন দুইজন কে বুঝে নেওয়ার পরেই এই ব্যাপারটি শুরু করা উচিত।
৫. ফোন সেক্সের সময় Fake Moaning না করাই ভাল। এতে রিলেশনের বিশ্বাস নষ্ট হয়। যদি ফোন সেক্সে কম্ফোর্টেবল না হন, বা ব্যাপারটা কোন দিক থেকে আজব লাগে, তবে আপনার সঙ্গি কে বুঝিয়ে বলুন আপনার সমস্যা গুলো, এবং দুইজন মিলে কোন সমাধানে আসার চেষ্টা করুন।
৬. যদি Committed Relation হয়ে থাকে, তবে কিছু ভালবাসাময় কথা ফোন সেক্সের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এবং রিলেশনকে শক্ত করতে বেশ সাহয্য করে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন